Tag: Bengali news

Bengali news

  • Sheikh Hasina: ভারত সফর শুরুর আগেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা হাসিনার গলায়, কেন জানেন?

    Sheikh Hasina: ভারত সফর শুরুর আগেই মোদির ভূয়সী প্রশংসা হাসিনার গলায়, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Hasina)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) শুরুর দিকে ভারত যেভাবে তাঁর দেশের পড়ুয়াদেরও উদ্ধার করেছে, তারও প্রশংসা শোনা গিয়েছে হাসিনার গলায়।

    ৫ অগাস্ট, সোমবার মোদির সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন হাসিনা। তার আগে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মোদির প্রশংসা করেন হাসিনা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর সময় বিশেষ বিমান পাঠিয়ে ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারত ও বাংলাদেশের পড়ুয়াদের দেশে ফিরিয়েছিলেন মোদি। এদিন তার প্রশংসা করার পাশাপাশি কোভিড মোকাবিলায় ভারতের অবদানের কথাও শোনা গিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখে। প্রসঙ্গত, কোভিডের সময় ভ্যাকসিন মৈত্রী প্রোগ্রামের অধীনে বাংলাদেশে টিকা পাঠিয়েছিল ভারত।

    ভারত বাংলাদেশ এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন হাসিনা। তিনি বলেন, মতানৈক্য থাকতেই পারে, তবে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তা মিটিয়ে নিতে হবে। এভাবে যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। হাসিনা বলেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে তাঁদের দেশের পড়ুয়াদের পাশাপাশি আমাদের দেশের পড়ুয়াদেরও দেশে ফিরিয়ে এনেছেন, সেজন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। প্রকৃতই আপনি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর পরেই কোভিড ভ্যাকসিনের প্রসঙ্গ তোলেন হাসিনা। তাঁর দেশে ৯০ শতাংশ টিকাকরণ হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। ভারত যে তাঁদের প্রকৃত বন্ধু, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ভারতকে যেদিন বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল, সেই সময়ই ভারত আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রথম ১৯৭১ সালে। তার পর আরও অনেকবার।

    আরও পড়ুন : ভয়াল বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃত্যু হাজার পার, সমবেদনা জানালেন মোদি

    বাংলাদেশ যে ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, এদিন তাও জানান হাসিনা। বলেন, আমরা যতদিন ক্ষমতায় রয়েছি, ততদিন ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর জোর দিয়েছি। সংখ্যালঘুদের বলেছি, আপনারাও দেশের নাগরিক। তবে বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ঘটে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থাও নিই। তবে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা কেবল বাংলাদেশে নয়, ভারতেও ঘটে। প্রসঙ্গত, চারদিনের ভারত সফরে আসছেন হাসিনা। দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে। প্রতিরক্ষামূলক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে মোদি-হাসিনার মধ্যে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sonali Phogat Murder: বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট খুনে নয়া মোড়, এ কী বললেন তাঁর সহকারী?

    Sonali Phogat Murder: বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট খুনে নয়া মোড়, এ কী বললেন তাঁর সহকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat) হত্যায় নয়া মোড়! বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা অভিনেত্রী সোনালির সহকারী সুধীর সাঙ্গওয়ানই (Sudhir Sangwan) তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করেছে বলে পুলিশি জেরার স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, ফোটেশ্যুটের নাম করে তিনি-ই গুরগাঁও থেকে বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন গোয়ায় (Goa)। সেখানেই রহস্য মৃত্যু হয় সোনালির।

    মৃত্যুর দিন গোয়ার আঞ্জুনায় ‘কার্লিস’ নামে একটি রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী সোনালি। সেই সময়ই অস্বস্তি শুরু হয় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে দলের কর্মীরাই তাঁকে নিয়ে যান নিকটবর্তী হাসপাতালে। যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে সোনালির। যদিও তাঁর পরিবারের তরফে খারিজ করে দেওয়া হয় এই দাবি। তাঁদের দাবি, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই বিজেপি নেত্রীকে। মৃতের ভাই রিঙ্কু ঢাকা আঙুল তোলেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী সুধীরের দিকেই। মৃতের পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়ে সুধীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় তাঁর সহযোগী সুখবিন্দর সিং এবং রেস্তরাঁর এডউইন নানসকে।

    ওই ঘটনায় মাদক পাচারকারী দত্তাপ্রসাদ গাঁওকর এবং রামদাস মান্ড্রেকরকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। রেস্তরাঁয় থাকা সিসিটিভির ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, সুধীর সোনালিকে মাদক মেশানো পানীয় খেতে জোরাজুরি করছেন। ঘটনার জেরে সুধীর এবং সুখবিন্দরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা রুজু করেছে গোয়া পুলিশ। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির প্রমোদ সাওয়ান্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশকে দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গোয়া পুলিশও খুনের ঘটনায় সুধীরের জড়িত থাকার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জোগাড় করেছে। সূত্রের খবর, সোনালি ফোগাট হত্যায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে দোষী প্রমাণ করার ব্যাপার আত্মবিশ্বাসী পুলিশ।

    আরও পড়ুন : সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ঘনীভূত রহস্য, গ্রেফতার দুই সহকারী

    এদিকে, শুক্রবার গোয়া পুলিশ তিনটি লাল রংয়ের ডায়েরি উদ্ধার করেছে সোনালির হরিয়ানার হিসারের বাড়ি থেকে। যা থেকে জানা গিয়েছে সুধীর সঙ্গে সোনালির লেনদেনের সম্পর্ক ছিল। মোটা অঙ্কের টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি ভিন রাজ্যে ইনভেস্ট করার জন্যও সোনালি তাঁকে টাকা দিয়েছিলেন বলে জেনেছে পুলিশ। তা থেকে পুলিশের অনুমান, সোনালি খুনের নেপথ্যে থাকতে পারে অর্থনৈতিক কোনও বিষয়ও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Jharkhand:  অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর দেহ উদ্ধার দুমকায়, ফের কাঠগড়ায় মুসলিম যুবক

    Jharkhand:  অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর দেহ উদ্ধার দুমকায়, ফের কাঠগড়ায় মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই হিন্দু কিশোরী অঙ্কিতা সিংকে (Ankia Singh) জীবন্ত পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছিল এক মুসলিম (Muslim) তরুণের বিরুদ্ধে। ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) দুমকার (Dumka) সেই ঘটনার রেশ এখনও মিলিয়ে যায়নি। তার মধ্যেই এল ফের দুঃসংবাদ। এবার বছর চোদ্দর এক কিশোরীকে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ।কাঠগড়ায় জনৈক আরমান আনসারি (Arman Ansari)। ঘটনাস্থল সেই দুমকা। তরুণীর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের পর সেটি তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের হাতে। গ্রেফতার করা হয়েছে আরমানকে।  

    সূত্রের খবর, দুমকায় কাকিমার সঙ্গে থাকত ওই কিশোরী। এখানেই সে জড়িয়ে পড়ে আনসারির সঙ্গে সম্পর্কে। হয় সন্তানসম্ভবা। এর পরেই আনসারিকে সে বিয়ের কথা বলে। তার পরেই তাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। শুক্রবার ওই কিশোরীর দেহ একটি গাছে ঝুলতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে দেহ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ। তার পরেই জানা যাবে ওই কিশোরীকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা। বিজেপি নেতা লুইস মারান্ডি বলেন, আমরা প্রশাসনকে বলেছি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে। যদি তা না হয়, তাহলে সিবিআই কিংবা এনআইএর হাতে তুলে দেওয়া উচিত। বিচার ঠিকঠাক না হলে আমরা গ্রামে গ্রামে যাব মহিলাদের সংগঠন গড়ে তুলতে। আমরা আমাদের মহিলাদের রক্ষা করব। ট্যুইট বার্তায় ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, দুমকার ঘটনায় আমি ব্যথিত। অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে। বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছি দুমকা পুলিশকে।

    আরও পড়ুন : ‘‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো, নইলে…!’’ হুমকি দিয়েছিল উত্যক্তকারী, দাবি নিহত কিশোরীর বাবার

    এক ট্যুইট বার্তায় ঝাড়খণ্ড বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি বলেন, মেয়েটি সাঁওতাল, বয়স ১৪। সে অভিযুক্ত আরমানের জিহাদি কামনার শিকার। এই ঘটনাটি লাভ জিহাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অংশ হতে পারে। ট্যুইট করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্যও। তাঁর বক্তব্যের মূল নির্যাস, হেমন্তের রাজত্বে ঝাড়খণ্ডে দলিত ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ নন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • RSS: আদর্শ সমাজের লক্ষ্যে রায়পুরে বসতে চলেছে আরএসএস-এর বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক

    RSS: আদর্শ সমাজের লক্ষ্যে রায়পুরে বসতে চলেছে আরএসএস-এর বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজ গঠনে আরএসএসের (RSS) ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই যারা নিরলসভাবে সমাজে কল্যাণমূলক কাজকর্ম করে চলেছে, আরএসএস প্রভাবিত সেই সব সংগঠনের পদাধিকারীদের নিয়ে সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস। সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে বৈঠক হবে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে (Raipur)। 

    সংগঠনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে সংগঠনগুলো বর্তমানে সক্রিয় এবং যারা শিক্ষা থেকে শুরু করে অর্থনীতি, সেবা, জাতীয় সুরক্ষা ক্ষেত্র এবং বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় নিয়ে কাজ করছে, তাদের সেই কাজকর্ম ও কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানে, অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ কাজ সম্পর্কিত প্রেজেন্টেশন পেশ করবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat), সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবালে (Dattatreya Hosabale), পাঁচজন সহ সরকার্যবাহ এবং সংঘের অন্য পদাধিকারীরাও। বৈঠকে পরিবেশ, পরিবার এবং সামাজিক সমরাস্ত্র নিয়েও আলোচনা হবে। বিভিন্ন সংগঠনে সক্রিয় স্বয়ংসেবকদের সঙ্গে আরএসএস নানা বিষয়ে আলোচনা করবে।

    আরএসএস-এর তরফে জানানো হয়েছে, এই সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ভারতীয় মজদুর সংঘের শ্রী হিরন্ময় পাণ্ড্যা, শ্রী বি. সুরেন্দ্রণ এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শ্রী অলোক কুমার, শ্রী মিলিন্দ পারন্দে। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের শ্রী আশীষ চৌহান এবং শ্রীমতি নিধি ত্রিপাঠি। উপস্থিত থাকবেন ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শ্রী জেপি নাড্ডা এবং শ্রী বি এল সন্তোষ। বৈঠকে থাকবেন ভারতীয় কিষাণ সংঘের শ্রী দীনেশ কুলকার্নি, বিদ্যা ভারতীর শ্রী রামকৃষ্ণ রাও এবং শ্রী গোবিন্দ মহান্তি। এছাড়া, রাষ্ট্র সেবিকা সমিতির বন্দনীয়া শ্রীমতী শান্তাক্কা এবং শ্রীমতী অন্নদানম সীতাক্কা, বনবাসী কল্যাণ আশ্রম থেকে শ্রী রামচন্দ্র খারদি এবং শ্রী অতুল জোগ সহ ছত্রিশটি সংগঠনের পদাধিকারী প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

    আরও পড়ুন : সব ভাষাই জাতীয় ভাষা, সব মানুষই আমার, ঘোষণা মোহন ভাগবতের

    আরএসএস যে ভারতকে বিশ্বে একটি মডেল সোসাইটি বা আদর্শ সমাজ হিসেবে তুলে ধরতে চায়, গত রবিবার দিল্লি ইউনিটের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি বলেছিলেন, সংগঠন (আরএসএস) কাজ করছে সমাজকে জাগ্রত করতে এবং সমাজকে একত্রিত করতে। যাতে গোটা বিশ্বে সেটা একটা মডেল সোসাইটি হয়ে দাঁড়ায়। ওই অনুষ্ঠানে তিনি ‘আমি’ এবং ‘আমার’ চেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন ‘আমাদের’ ওপর। 

    ভাগবতের ভাষায়, সংঘ (আরএসএস) সমাজকে জাগ্রত করার কাজ করে চলেছে, এক সুতোয় বাঁধতে চলেছে, একে আরও সংগঠিত করে একটি সত্তায় পরিণত করার কাজ করে চলেছে যাতে করে তামাম বিশ্বে ভারত একটি আদর্শ সমাজ হিসেবে উত্থিত হতে পারে। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। কিন্তু তার পরেও একটি সমাজ হিসেবে বিকশিত হতে আমাদের সময় লেগেছিল। এর পরেই সংঘ প্রধান বলেন, যখন সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ করি তখন ‘আমি এবং আমার’ বদলে আমাদের প্রয়োজন ‘আমাদের’ ওপর গুরুত্ব দেওয়া। এটাই আমাদের সাহায্য করবে একটা সমাজ হিসেবে গড়ে উঠতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sri Lanka: শ্রীলঙ্কা ফিরলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া, কেমন সংবর্ধনা পেলেন জানেন?

    Sri Lanka: শ্রীলঙ্কা ফিরলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া, কেমন সংবর্ধনা পেলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাত সপ্তাহ পরে শুক্রবার দেশে ফিরলেন শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষ (Gotabaya Rajapaksa)। দেউলিয়া অর্থনীতির জেরে প্রেসিডেন্ট (President) বদলের দাবিতে যখন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দ্বীপরাষ্ট্র, তখনই রাতের অন্ধকারে শ্রীলঙ্কা ছেড়েছিলেন গোতাবায়া। ফিরলেন প্রায় দু মাস বাদে। এদিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফুলের মালা পরিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান মন্ত্রী এবং রাজনীতিকরা। সরকারি এক আধিকারিক বলেন, বিমান থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে সরকার পক্ষের রাজনীতিকরা ফুলের মালা পরিয়ে স্বাগত জানান দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে (Former President)।

    দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার তলানিতে। এমতাবস্থায় দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন দ্বীপরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষ। এর পরে খেপে যায় জনতা। রাজাপক্ষ গো ব্যাক ধ্বনিতে মুখরিত হয় শ্রীলঙ্কার আকাশ বাতাস। হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারী ঘিরে ধরে রাজাপক্ষের পৈত্রিক ভিটে। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় দ্বীপরাষ্ট্রের পুলিশ। এর পরেই জুলাই মাসের মাঝামাঝি সেনা পরিবৃত হয়ে রাতের অন্ধকারে দেশ ছাড়েন রাজাপক্ষ। জানা গিয়েছিল, সেনা বিমানে চড়ে রাজাপক্ষ চলে গিয়েছিলেন সিঙ্গাপুর। পরে সেখান থেকে উড়ে যান থাইল্যান্ড। সিঙ্গাপুর থেকেই তিনি তাঁর ইস্তফাপত্রটি প্রেরণ করেন। শুক্রবার ফিরলেন থাইল্যান্ড থেকেই। রাজাপক্ষ প্রেসিডেন্ট পদে ইস্তফা দেওয়ার পর শ্রীলঙ্কার সংসদে হয় ভোটাভুটি। সেখানে জিতে রাষ্ট্রপতি পদে বসেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ রনিল বিক্রমসিংহে। সূত্রের খবর, তাঁকেই দেশে ফেরানোর আবেদন করেন রাজাপক্ষ।

    আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা ছেড়ে গেল চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, হাঁফ ছাড়ল ভারতও

    এদিন ব্যাংকক ভায়া সিঙ্গাপুরের একটি বাণিজ্যিক বিমানে চড়ে দেশে ফেরেন বছর তিয়াত্তরের রাজাপক্ষ। গত ৫২ দিন ধরে তিনি ছিলেন স্বেচ্ছা নির্বাসনে। তার পর এদিন এলেন প্রকাশ্যে। রাজাপক্ষের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ায় বর্তমান রাষ্ট্রপতি বিক্রম সিংহকে দুষছেন বিরোধী দলের রাজনীতিকরা। যদিও শ্রীলঙ্কার সংবিধানই নিশ্চিত করে দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট কয়েকজন দেহরক্ষী, একটি গাড়ি এবং বাড়ি পাবেন। সেই মোতাবেকই প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষ, তাঁর দাদা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা এই সুবিধা পাচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Polls) সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিলেন তেলঙ্গানার (Telangana) মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (KCR)! বৈঠক করলেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে কেসিআরের উদ্যোগ।

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিকরা যখন প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করছেন, তখন সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে উঠে যাচ্ছিলেন নীতিশ কুমার। সেই সময় কেসিআর নীতীশ কুমারকে বলছেন, আপনি বসুন না। নীতীশ তখন বলছেন, আপনি চলুন না। বিজেপি বিরোধী শিবিরের এই দুই নেতার মুখনিঃসৃত এই বসুন না, চলুন না শব্দগুলিই জন্ম দিয়েছে প্রধানমন্ত্রিত্বের গুঞ্জনের। ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে বিজেপির তরফে।

    এক সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েছিলেন নীতীশ। পরে বিজেপির হাত ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডির তেজস্বী যাদব। এক সময় বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেসিআরেরও। পরে রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত দেখে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব রচনা করেন তিনি। তার পরেই তিনি ডাক দিয়েছেন বিজেপি মুক্ত ভারত গড়ার। এর আগে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সে প্রশ্নের জবাবে কেসিআর বলেছিলেন, নীতীশজি একজন দুর্দান্ত, প্রবীণ নেতা। যখন আমরা এক সঙ্গে বসব, তখন আমরা এ ব্যাপারে (প্রধানমন্ত্রিত্ব) সিদ্ধান্তে আসব।

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, দুই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের একাংশ ভাইরাল করে বিজেপি অপব্যাখ্যা করছে। ওই সূত্রের দাবি, বৈঠক ছেড়ে নীতীশ কুমার বেরতে চাইছিলেন, কারণ সাংবাদিকরা তাঁকে বারবার একই প্রশ্ন করছিলেন। এ ব্যাপারে কেসিআরকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, কে বলেছে, আমি যদি কারও নাম প্রস্তাব করি, লোকে সেটা গ্রহণ করবে? আপনারা কেন এত তাড়াহুড়ো করছেন? তিনি বলেন, আমাদের (বিরোধীরা) বসতে হবে এবং এ ব্যাপারে কথা বলতে হবে। রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন কিনা, সে ব্যাপারে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিজেপি বিরোধী শক্তি একজোট হয়ে সমস্ত রকম চেষ্টা করব। ভিডিওটি শেয়ার করে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নীতীশ কুমার কেসিআরকে অপমান করেছেন। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের প্রশ্ন, অপমানিত হতেই কী বিহার গিয়েছিলেন কেসিআর? 

  • Indian Economy: আগামী সাত বছরেই বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩ নম্বরে ভারত?

    Indian Economy: আগামী সাত বছরেই বিশ্ব অর্থনীতিতে ৩ নম্বরে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনকে (UK) হারিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে মোদির (PM Modi) ভারত (India)। তবে আর কয়েক বছরের মধ্যেই দেশের ঠাঁই হবে আরও ওপরের দিকে। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) এক রিপোর্টেই এই তথ্য উঠে এসেছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, চলতি দশকেরই শেষের দিকে ভারত হারাবে বিশ্বের আরও দুই বৃহত্তম অর্থনীতির দুই দেশকে। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার ইকনোমিক রিসার্চ ডিপার্টমেন্ট আগাম জানিয়েছিল ২০২৭ এর মধ্যে ভারত বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানিকে (Germany) এবং ২০২৯ সালের মধ্যে জাপানকে (Japan) টপকে তিন নম্বরে চলে আসতে পারে।

    ২০১৪ সালে ওই তালিকায় দেশের ঠাঁই হয়েছিল ১০ নম্বরে। রিপোর্ট বলছে, সাতটি দেশকে টপকে অচিরেই মোদির ভারত চলে আসবে তিন নম্বরে। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার গ্রুপ চিফ ইকনোমিক অ্যাডভাইজার সৌম্যকান্তি ঘোষ বলেন, যে কোনও মানদণ্ডেই মাপা হোক না কেন, এই তথ্য একটা একটা মনে রাখার মতো প্রাপ্তি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। সেই রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, শেষ তিন মাসে ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে সামনে চলে এসেছে ভারত। যে হিসেবের সাপেক্ষে প্রকাশ্যে এসেছে এই ফল, সেটির মানদণ্ড হল মার্কিন ডলার। রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের নিরিখে ভারতীয় রুপির তুলনায় দাম কমেছে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ডের। ভারতীয় মুদ্রার তুলানায় ৮ শতাংশ কমেছে পাউন্ডের দর।

    আরও পড়ুন : ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উঠে এল ভারত

    প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভারতের আগে রয়েছে মাত্র চারটি দেশ। এগুলি হল, আমেরিকা, চিন, জাপান এবং জার্মানি। এদের মধ্যে আমেরিকা প্রথম, চিন দ্বিতীয়, জাপান তৃতীয় এবং চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হল জার্মানি। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ’২৩ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি রেট ৬.৭ শতাংশ থেকে ৭.৭ শতাংশ হবে, এটা অবাস্তব। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এটা ঘোরাফেরা করবে ৬ শতাংশ থেকে ৬.৫ শতাংশের মধ্যে। বৃদ্ধির এই হার নিউ নর্মাল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India surpasses UK: ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উঠে এল ভারত

    India surpasses UK: ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উঠে এল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির (Largest Economy) দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেল ভারত (India)। এর আগে ওই জায়গায় ছিল ব্রিটেন (UK)। এবার ব্রিটেনকে ছাপিয়ে পঞ্চম স্থান দখল করল মোদির ভারত। রানির দেশ ছিটকে গিয়ে দাঁড়াল ছয়ে। এই উন্নয়ন এল এমন একটা সময়ে যখন গত চল্লিশ বছরের মধ্যে এই প্রথম ভয়ঙ্কর মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) সম্মুখীন ব্রিটেন। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ব্লুমবার্গ। সেই রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, শেষ তিন মাসে ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে সামনে চলে এসেছে ভারত। যে হিসেবের সাপেক্ষে প্রকাশ্যে এসেছে এই ফল, সেটির মানদণ্ড হল মার্কিন ডলার। রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের নিরিখে ভারতীয় রুপির তুলনায় দাম কমেছে ব্রিটিশ মুদ্রা পাউন্ডের। ভারতীয় মুদ্রার তুলানায় ৮ শতাংশ কমেছে পাউন্ডের দর।

    প্রায় দুশো বছর ধরে ভারত শাসন করেছে ব্রিটিশ। ১৯৪৭ সালে ভারত অর্জন করে কাঙ্খিত স্বাধীনতা। তার পর এই প্রথম অর্থনীতিতে ভারত হারাল ব্রিটেনকে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভারতের আগে রয়েছে মাত্র চারটি দেশ। এগুলি হল, আমেরিকা, চিন, জাপান এবং জার্মানি। এদের মধ্যে আমেরিকা প্রথম, চিন দ্বিতীয়, জাপান তৃতীয় এবং চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হল জার্মানি। দেশের অর্থনীতির এই ছবি বড়সড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে। ৫ সেপ্টেম্বর কনজার্ভেটিভ পার্টি জানাবেন প্রধানমন্ত্রী পদে বসবেন তাঁদের দলের কে। তবে যিনিই হোন না কেন, তাঁকে সামলাতে হবে বিরাট এক চ্যালেঞ্জ। ব্রিটেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উত্তরসূরির মূল দৌড়ে রয়েছেন প্রাক্তন সচিব লিজ ট্রাস এবং এক্সচেকারের প্রাক্তন চান্সেলর ঋষি সুনক। রিপোর্ট অনুযায়ী, আশা করা যায় সুনককে ধরাশায়ী করে প্রধানমন্ত্রী পদে বসবেন ট্রাস।

    আরও পড়ুন : বাড়ল ভারতের জিডিপি, প্রথম ত্রৈমাসিকে কত জানেন?

    সদ্যই করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছে ভারত। বেড়েছে জিডিপিও। জারি রয়েছে মুদ্রস্ফীতির সঙ্গে লড়াইও। এহেন পরিস্থিতিতে ভূতপূর্ব শাসকের দেশ ব্রিটেনকে হারিয়ে হাসছে মোদির ভারত। এবং এই সাফল্য এল এমন একটা সময়ে, যখন দেশজুড়ে চলছে অমৃত মহোৎসব।  

     

  • Primary TET Scam: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET Scam: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্ষেপে টেট কেলেঙ্কারির (TET Scam) তদন্ত করবে সিবিআই (CBI)। আগেই এই রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) সিঙ্গল বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায় বহাল রাখল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও। শুধু তাই নয়, যে ২৬৯ জনের চাকরি খোয়া গিয়েছিল, তাঁদেরও এখনই পুনর্বহাল করা যাবে না বলেও রায় দিয়েছে ওই বেঞ্চ। শুক্রবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ (Division Bench) এই মামলায় বহাল রাখল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চের (Single Bench) রায়ই। পর্ষদ সভাপতির পদ থেকে মানিক ভট্টাচার্যকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশও সমর্থন করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।
    প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পেতে গেলে বসতে হয় টেট পরীক্ষায়। ২০১৪ সালে জারি হয়েছিল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি। পরের বছর ১১ অক্টোবর ওই পরীক্ষা হয়। ফল প্রকাশ হয় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। প্রকাশিত হয় মেধাতালিকা। পরের বছর ডিসেম্বরে ফের বের হয় মেধাতালিকা। পরীক্ষায় বসেছিলেন ২৩ লক্ষ কর্মপ্রার্থী। নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন ৪২ হাজার। এই দ্বিতীয় তালিকা বেআইনি বলে আদালতে জানিয়েছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং সুদীপ্ত দাশগুপ্ত। পরে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিল করে হাইকোর্ট। 
    ওই নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছিল বলে সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল। যে ২৭৩ জনকে অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার কারণ কী জানতে চেয়েছিলেন বিচারপতি। সেই সংক্রান্ত নথিও চেয়ে পাঠানো হয়। যদিও কর্তৃপক্ষ তা দিতে ব্যর্থ হয়। ওই ২৭৩ জনকে কেন অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার কারণও দর্শাতে পারেনি বোর্ড। আদালতে হাজির করতে পারেনি ওএমআর শিটও। তার পরেই মানিককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, সিঙ্গল বেঞ্চের রায় যথাযথ। বেআইনি নিয়োগের তদন্তের ভার যে সিবিআইকে দেওয়া হয়েছিল, এদিন তাও বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে মানিক জানিয়েছিলেন অযথা তাঁর নাম নেওয়া হচ্ছে, কলঙ্ক লেপন করা হচ্ছে যা সংবিধানের ২১ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

    আরও পড়ুন : টেট মামলায় আদালতে হাজিরা কেষ্ট কন্যার, উঠল ‘গরু চোর’ স্লোগান

    ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, পুরো পরিস্থিতি বিচার করেই রায় দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চ। বিচার করলেই হবে না, রায়টাকে কার্যকরও করতে হবে। এদিনও ২৭৩ জন চাকরি প্রার্থীকে কেন অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বোর্ড। আদালত জানায়, এ রকম একজন ব্যক্তি (মানিক ভট্টাচার্য) অতিরিক্ত কোনও সুবিধা দাবি করতে পারেন না। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই ২৭৩ জনকে চাকরিতে পুনর্বহালও করা যাবে না। আদালতের নির্দেশ, কেলেঙ্কারির তদন্ত করবে সিবিআই। এই সংস্থাই তদন্ত করবে আর্থিক কেলেঙ্কারিরও। আদালতের নজরদারিতেই হবে তদন্ত। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে হস্তক্ষেপ করা হবে না। যে ২৭৩ জনকে অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হয়েছিল, তার মধ্যে ২৬৯ জনের কোনও দাবিই মান্যতা পাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Noida Twin Tower: নয়ডায় ট্যুইন টাওয়ারের সেই জমিতে ফের বহুতল সুপারটেকের? আদালতে যাবেন বাসিন্দারা

    Noida Twin Tower: নয়ডায় ট্যুইন টাওয়ারের সেই জমিতে ফের বহুতল সুপারটেকের? আদালতে যাবেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে ভাঙা হয়েছে দিল্লির উপকণ্ঠে নয়ডার (Noida) সেই ট্যুইন টাওয়ার (Twin Tower)। তার পর কেটে গিয়েছে এক সপ্তাহ। এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যেখানে এক সময় ট্যুইন টাওয়ার গড়ে উঠেছিল, সেখানে এবার কী হবে?  বেআইনিভাবে জোড়া ওই টাওয়ার বানিয়েছিল সুপারটেক (Supertech) নামে এক সংস্থা। এই সংস্থা চায়, ওই জায়গায় ফের নতুন করে হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলতে। তবে এমারেল্ড কোর্টস (যে চত্বরে জোড়া টাওয়ার ছিল) রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (Emerald Court’s Residents’ Association) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সুপারটেক যদি ফের ওই জায়গায় হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলতে চায়, তাহলে তারা আবারও দ্বারস্থ হবে আদালতের। এমারেল্ড কোর্টস রেসিডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে উদয়ভান সিংহ টিওটিয়া (Uday Bhan Singh Teotia) বলেন, নির্মাতা সংস্থা এমন কিছু করে কিনা, তা আমরা লক্ষ্য রাখছি। যদি প্রয়োজন হয়, তবে আমরা আদালতে যাব।

    নয়ডার সেক্টর ৯৩এ-তে সুপারটেক তৈরি করেছিল জোড়া টাওয়ার। নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাপেক্স (Apex) ও সিয়ানে (Ceyane)। অ্যাপেক্সে ছিল ৩২টি ফ্লোর, আর সিয়ানে ছিল ২৯টি। দেশের উচ্চতম বহুতল এই জোড়া টাওয়ার। দুটি টাওয়ারে ছিল ৯১৫টি ফ্ল্যাট, ২১টি দোকান এবং দুটি বেসমেন্ট। জোড়া এই বহুতল দিল্লির কুতুব মিনারের চেয়েও উঁচু ছিল। জোড়া ওই টাওয়ার বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এর পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সপ্তাহখানেক আগে ভেঙে ফেলা হয় ওই জোড়া টাওয়ার।

    আরও পড়ুন : মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ নয়ডার সেই টুইন টাওয়ার!

    জানা গিয়েছে, জোড়া টাওয়ারের ওই জমিতে কী করা হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে শীঘ্রই আলোচনায় বসতে চলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই জমিতে মন্দির গড়ার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে। উদয়ভান বলেন, এতে কোনও সন্দেহ নেই যে আমরা ওখানে একটি পার্ক বানাব। আরও কিছু প্রস্তাব এসেছে। কেউ কেউ মন্দির নির্মাণের প্রস্তাবও দিয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা আলোচনায় বসতে চলেছি। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে, ওই জমিতে কী করা যায়। যদিও সুপারটেক চেয়ারম্যান আরকে অরোরা জানান, ওই জমিতে হাউজিং প্রজেক্ট গড়ে তুলব। প্রয়োজনে স্থানীয়দের অনুমতি নেব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
LinkedIn
Share