Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: গোধরাকাণ্ডের পর কীভাবে নিজের আবেগ সামলেছিলেন, পডকাস্টে খোলসা করলেন মোদি

    PM Modi: গোধরাকাণ্ডের পর কীভাবে নিজের আবেগ সামলেছিলেন, পডকাস্টে খোলসা করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সেখানে যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্যের সম্মুখীন হই।” গোধরাকাণ্ডে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথের সঙ্গে প্রথম পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবার বিধায়ক নির্বাচিত হই। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় ছিলাম। সেই সময় ট্রেনে আগুন লাগার খবর পাই, মৃত্যুর খবর পাই। সঙ্গে সঙ্গে গোধরা (Godhra) উড়ে গিয়েছিলাম আমি।” তিনি বলেন, “সেখানে যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্যের সম্মুখীন হই। সব অনুভূতিই ছিল ভিতরে, কিন্তু যে পদে অধিষ্ঠিত ছিলাম, তার গুরুত্ব বিবেচনা করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হচ্ছিল।”

    গোধরা পৌঁছনোর অভিজ্ঞতা (PM Modi)

    অকুস্থলে পৌঁছতে যে তাঁকে হিমশিম খেতে হয়, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “একটাই মাত্র হেলিকপ্টার ছিল। ওএনজিসির সিঙ্গল ইঞ্জিনের হেলিকপ্টার। বলা হয়, ভিআইপি ওই হেলিকপ্টারে উঠতে পারবেন না।” তিনি বলেন, “আমি তর্ক করি। জানাই, আমি ভিআইপি নই। যা ঘটেছে, তার দায় আমার। তার পরেই গোধরা উড়ে যাই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সামনে তখন যন্ত্রণাদায়ক দৃশ্য, ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে মৃতদেহ। কিন্তু স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দমন করতে হয়েছিল, সরিয়ে রাখতে হয়েছিল ব্যক্তিগত আবেগ।”

    কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে

    মোদি (PM Modi) গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পাঁচটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল। সেই সময়ও তাঁকে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছিল। তিনি বলেন, “পুলিশকে বলেছিলাম, কন্ট্রোল রুমে থাকতে চাই। কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা করা যায়নি। পরে হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করতে যাই। ভিতরে অসম্ভব অস্থিরতা ছিল, উৎকণ্ঠায় ছিলাম। আমার অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল।”

    আরও পড়ুন: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমি কখনও জীবন-মৃত্যুর কথা ভাবিনি। যারা হিসেবি জীবন যাপন করেন, তাঁদের এমনটা মনে হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর অবাক হয়েছিলাম, কী করে মুখ্যমন্ত্রী হলাম, এই ভেবে।” তিনি বলেন, “আমার ব্যাকগ্রাউন্ডটাই এমন যে আমি যদি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকও হতাম, তাহলে আমার (Godhra) মা পাড়ায় গুড় বিলি করতেন (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    Hush Money Case: পর্নস্টারকে ঘুষ মামলায় নিঃশর্ত রেহাই ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বলল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসনদে বসার দিন দশেক আগে বড় স্বস্তি পেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পর্নস্টারকে ঘুষ দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টার মামলায় (Hush Money Case) নিঃশর্ত রেহাই পেলেন আমেরিকার হবু প্রেসিডেন্ট। পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ঘুষ দেওয়ার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন তিনি (Donald Trump)। তার পরেই শুরু হয়েছিল আদালত কী সাজা দেয় ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টকে, তা নিয়ে জল্পনা। শেষমেশ স্বস্তির শ্বাস ফেললেন রিপাবলিকান পার্টির এই নেতা।

    কী বলল আদালত? (Hush Money Case)

    আদালত জানিয়ে দিয়েছে, জেল কিংবা জরিমানা, কিছুই হচ্ছে না তাঁর। ট্রাম্পকে যে জেলে যেতে হবে না, এক একপ্রকার জানাই ছিল। কারণ মার্কিন আইন অনুয়ায়ী, ট্রাম্পের কারাদণ্ডের সম্ভাবনা প্রায় ছিলই না। তবে আর্থিক জরিমানা হওয়ার আশঙ্কা করছিলেন ট্রাম্পের অনুগামীদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত নিঃশর্ত রেহাই মেলায় স্বস্তির শ্বাস ফেললেন ট্রাম্প ও তাঁর অনুগামীরা। শুক্রবার ফ্লোরিডা থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজিরা দেন ট্রাম্প। জানান, তিনি নির্দোষ (Hush Money Case)। এর পরেই বিচারক জুয়ান মার্চান বলেন, “এই আদালত নির্ধারণ করেছে যে, দেশের সর্বোচ্চ পদের ওপর হস্তক্ষেপ না করেই রায় বা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার একমাত্র আইনসঙ্গত শাস্তি হল নিঃশর্ত অব্যাহতি।”

    স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ

    ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে স্টর্মিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। গত মে মাসে নিউ ইয়র্কের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাতে অবশ্য ট্রাম্পের রাজনৈতিক কেরিয়ারের কোনও ক্ষতি হয়নি। কারণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সাজা ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত (Hush Money Case)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের দলের প্রার্থীকে কার্যত ধরাশায়ী করে জয়ী হন ট্রাম্প।

    আরও পড়ুন: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    এর পরেই মামলার (Hush Money Case) শাস্তি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। ভাবী প্রেসিডেন্টের সেই আর্জি খারিজ করে আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও, রক্ষাকবচের কোনও প্রশ্নই নেই। তার পরেই গুঞ্জন ছড়ায়, তাহলে কি দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট পদে বসার আগেই অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন ট্রাম্প। শুক্রবার সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিল আদালত। স্বস্তি পেলেন ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, আগামী ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন”, বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে সনাতনীদের ঐক্যবদ্ধ ও একজোট হওয়ার ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার রানিগঞ্জের নতুন এগরার সভায় তাঁর (Suvendu Adhikari) দাবি, “সনাতনী হিন্দুরা জোটবদ্ধ না হলে এখানেও তাঁরা পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের মতো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বেন। দেশছাড়া হতে হবে তাঁদের। ”আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানিগঞ্জের নতুন এগরায় এদিন বিকেলে ‘সংকল্প রামরাজ্য’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সভামঞ্চ থেকে সনাতনীদের একতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি নানা ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    হিন্দুদের একজোট হওয়ার বার্তা (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে একটা সময় হিন্দু, শিখ ও পার্সিদের সংখ্যা অনেক ছিল। তাঁদের প্রচুর সম্পত্তি ছিল। কিন্তু তাঁদের সব কিছু ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। বাংলাদেশের কথাই ধরুন না। ১৯৪৭ সালে ওই দেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের সংখ্যা ৩৩ শতাংশ। ১৯৭১ সালে তা হয় ২২ শতাংশ। আর এখন সাড়ে ৭ শতাংশ। ১৭ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দু মেরেকেটে ২ কোটি হবে। তাই বলছি, সব হিন্দুরা একজোট হন।” পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিরোধী দলেনতা বলেন, “এখন রাজ্যের সব হিন্দু এককাট্টা হয়েছেন। বাঙালি হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল আর সরকারে আসবে না।” এদিনের সভায় ছিলেন আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল সহ একাধিক বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব।

    তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফের সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ (Suvendu Adhikari) করেন, বেআইনি কয়লা ও বালি কারবারের। তিনি বলেন, “আসানসোল, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, বারাবনি, পাণ্ডবেশ্বরে অবৈধ খননের জেরে মাটির নীচে ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। যে কোনও সময় ধসে পড়বে। বৈধর থেকে দশগুণ অবৈধ খনি রয়েছে।” তাঁর দাবি, “কিছু দিন কয়লা চুরি বন্ধ ছিল। ৩ জানুয়ারি থেকে আবার রমরমা কারবার শুরু হয়েছে। এ ছাড়া, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরে নদী এবং আসানসোলে অজয় ও দামোদর নদে বালি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যন্ত্রের সাহায্যে বালি তোলার মতো বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে জাতীয় পরিবেশ আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এ নিয়ে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক (অগ্নিমিত্রা) লাগাতার আন্দোলন করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    India Bangladesh Border: সীমান্তে তৎপর বিএসএফ, চলল গুলি, ছুটে পালাল বাংলাদেশিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সীমান্তে খোলা এলাকায় কাঁটাতার বসানো নিয়ে গন্ডগোলের খবর আসছে একাধিক সীমান্ত এলাকা থেকে। অধিকাংশ জায়গায় বিজিবি পায়ে পা লাগিয়ে ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গ দিচ্ছে ওপারের সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা। এই আবহের মধ্যে এবার মালদা সীমান্তে (India Bangladesh Border) চলল গুলি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলো মালদার খুটাদাহ বর্ডার আউট পোস্টে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (India Bangladesh Border)

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশের (India Bangladesh Border) দিক থেকে অনুপ্রবেশকারীরা রাতের অন্ধকারে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করছিল। সেই সময় ভারতের দিক থেকে বেশ কয়েকজন দালাল এবং গরু পাচারকারী বাংলাদেশের সীমানার দিকে যাচ্ছিল। বিএসএফের দুই জওয়ান ওই অনুপ্রবেশকারীদের দাঁড়াতে বলে। বারবার করে চিৎকার করা হলেও অনুপ্রবেশকারীরা কাঁটাতার কেটে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই সময়েই দুই জওয়ান অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তেড়ে গেলে, পাল্টা অনুপ্রবেশকারীরা ধারাল অস্ত্র নিয়ে জওয়ানদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে তখনই এক বিএসএফ জওয়ান পরপর গুলি চালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও অনুপ্রবেশকারীদের দিকে তাক না করে তাঁদের সতর্ক করার জন্য শূন্যে তিনি গুলি চালান। কিন্তু, তারপরেও অনুপ্রবেশকারীরা বেপরোয়াভাবে ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাচ্ছে দেখে মুহূর্তেই অন্যান্য জওয়ানরা ছুটে আসেন। বন্দুক তাক করতে না করতেই অনুপ্রবেশকারীরা ছুটে পালায়।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    ধারাল অস্ত্র বাজেয়াপ্ত

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, পাচারকারীদের (India Bangladesh Border) সঙ্গে দেখা করার জন্য ভারতের দিকে কিছু দালালও প্রস্তুত ছিল। তাঁদের কাছে ধারাল অস্ত্র ছিল বলেও বিএসএফ সূত্রে খবর। কিন্তু, বেগতিক দেখে গরু ছেড়েই তাঁরা অন্ধকারে গা ঢাকা দেয়। ঘটনায় ভারতের দিক থেকে কারা যুক্ত রয়েছেন তাঁদের খোঁজ শুরু করেছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা। ঘটনার পর থেকেই চাপা উত্তেজনা এলাকায়। অস্ত্রগুলি বাজেয়াপ্ত করেছেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 11 January 2025: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 11 January 2025: ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ২) সন্তানের কাজে গর্ববোধ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) আধ্যাত্মিক চিন্তায় মনোনিবেশ করুন।

    মিথুন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিবাদে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ২) দাঁতের রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ২) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: কাঁটাতারে হাত দিলে জ্বলে উঠবে আগুন, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে যন্ত্র বসাল বিএসএফ

    BSF: কাঁটাতারে হাত দিলে জ্বলে উঠবে আগুন, অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে যন্ত্র বসাল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে অশান্ত হয়ে রয়েছে বাংলাদেশ (BSF)। এই আবহের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি-র সঙ্গে বিএসএফ-এর সংঘাতের খবর সামনে আসছে বারবার। এমনকী কাঁটাতার দিতে গিয়ে একাধিক অরক্ষিত সীমান্তে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বিএসএফকে। বিষয়টি যে যথেষ্ট অস্বস্তির, তা কিছুটা হলেও বুঝতে পারছে বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা। তাই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিল বিএসএফ।

    কী পদক্ষেপ নিল বিএসএফ? (BSF)

    জানা গিয়েছে, বর্ডার আউটপোস্ট (BSF) পেট্রোপোল সীমান্ত থেকে বর্ডার আউটপোস্ট জয়ন্তীপুর পর্যন্ত নিজেদের কাজ সেরে ফেলল বিএসএফ। এই গোটা অংশে যতটুকু অরক্ষিত এলাকা রয়েছে, সেখানে ফেন্সিং বা কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি চিহ্নিত করে বাঁশ লাগিয়ে দেওয়া হল। যেখান থেকে কাঁটাতার দেওয়া শুরু হবে এবং যেখানে শেষ হবে সেটা মাপজোক করে বাঁশ দিয়ে জমি নির্ধারণ করে দেওয়া হল।

    সীমান্তে লাগানো হল “ট্রিপ ফ্লেয়ার” নামক একটি যন্ত্র

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৩২ কিলোমিটার অংশ বয়েছে এর মধ্যে। যার মধ্যে ১১ কিলোমিটার কাঁটাতার থাকলেও, বাকি ২১ কিলোমিটার অংশে নেই। এখানেই শেষ নয়। কাঁটাতার লাগানোর সময় যাতে কেউ বাধা দিতে না পারে এবং বর্তমানে অস্থায়ী রূপে লাগানো থাকা কাঁটাতার কেউ যাতে কাটতে না পারে, তার জন্য অত্যাধুনিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে সীমান্ত জুড়ে। নির্দিষ্ট অংশ অন্তর অন্তর “ট্রিপ ফ্লেয়ার” নামক একটি যন্ত্র লাগানো হয়েছে। এই যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কাঁটাতার যদি কেউ কাটতে আসে বা অবৈধভাবে কেউ ঢুকতে পড়ে, তাহলে তাদের শরীর যন্ত্রে সংযোগকারী তারে লাগলে সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্র থেকে আগুন বেরতে শুরু করবে। একইসঙ্গে ব্যাপক আকারে ধোঁয়া বের হবে। তখনই সতর্ক হবেন বিএসএফ জওয়ানরা। এতে অনায়াসে অনুপ্রবেশ আটকানো যাবে।

    কাঁটাতার দিলেন গ্রামবাসীরা

    বিজিবি-র বাধা উপেক্ষা করে কোচবিহারের কুচলিবাড়ি সীমান্তে কাঁটাতার দিলেন গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের দাবি, নষ্ট করা হচ্ছিল ফসল। চুরিও হচ্ছিল। সে কারণেই নিজেদের উদ্যোগেই শেষ পর্যন্ত তাঁরা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সূত্রের খবর, যে সময় বেড়া দেওয়া হচ্ছিল সেই সময় বাধা দেয় বিজিবি। তাঁদের সঙ্গে গ্রামবাসীদের বেশ কিছুক্ষণ বচসাও হয়। যদিও বিজিবির বাধায় বিশেষ ঠেকাতে পারেনি গ্রামবাসীদের। বাংলাদেশি সেনাকে তোয়াক্কা না করেই নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকেন সীমান্তপারের লোকজন। কৃষকরাই উদ্যোগ নিয়ে লাগিয়ে দেন কাঁটাতারের বেড়া। তাঁদের পাশে দাঁড়ায় বিএসএফ (BSF)। কৃষকদের অভিযোগ, তাদের ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা। সে কারণেই বাধ্য হয়ে তাঁরা এই পথে হেঁটেছেন। এখানেই শেষ নয়, বাংলাদেশকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছন তাঁরা। তাঁদের সাফ কথা, যদি তাঁদের কাঁটাতারের বেড়া দিতে বাধা দেওয়া হয় তাহলে তিনবিঘা করিডোর বন্ধ করে দেবেন। প্রসঙ্গত, এই তিনবিঘা করিডোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। তা বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে পাটগ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    Bangladesh: হিন্দু হওয়ায় বাংলাদেশে চাকরি থেকে তাড়ানো হল দুই সরকারি আধিকারিক, প্রধানশিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় ইউনূস প্রশাসন। আর এই সরকারের হাত ধরেই বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে হিন্দু নিধন শুরু হয়েছে। একদিকে ধর্মান্তরিত করার জন্য হিন্দুদের নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। না মানলে খুন করে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। হিন্দু মা, বোনেদের ওপর অত্যাচার চলছে। এর পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন পদে যে সব হিন্দুরা রয়েছেন, তাঁদের নানা অছিলায় চাকরি ছাড়তে বাধ্য করছে ইউনূস প্রশাসন। এককথায় প্রাণে না মেরে ভাতে মারতে চাইছে প্রশাসন। সম্প্রতি, দুজন হিন্দু আধিকারিককে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Bangladesh)

    ইউনূস প্রশাসন দুজন সরকারি আধিকারিককে (Bangladesh) চাকরি ছাড়তে বাধ্য করিয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথম জন বাংলাদেশ রাবার বোর্ডের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জনেন্দ্রনাথ সরকার এবং অন্যজন চট্টগ্রামের শিল্প এলাকার সহকারি পুলিশ সুপার রণজিৎ কুমার বড়ুয়া। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজশাহীর মেধাবী ছাত্র জনেন্দ্রনাথ সরকার বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একাদশ ব্যাচের সভাপতি। ১৯৯৩ সালে জেলাশাসকের সহকারি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রশাসনের অন্দরে দক্ষ আমলা হিসেবে পরিচিত। স্বতন্ত্র নাগরিক সহ একাধিক মন্ত্রকেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলে ছিলেন তিনি। ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই তিনি রোষানলে পড়েন। একাধিক জায়গায় বদলি করার পর এবার তাঁকে চাকরি থেকে তাড়ানো হল। এছাড়াও সামাজিক সংগঠনে কর্মরত থেকে তাড়ানো হয়েছে চট্টগ্রাম শিল্প প্রশাসনের সহকারি পুলিশ সুপার রণজিৎ কুমার বড়ুয়াকে। চাকরি থেকে তাড়ানোর পথ প্রশস্ত হয় গত নভেম্বরেই। তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ এনে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

     হিন্দু প্রধান শিক্ষককে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হল!

    অন্যদিকে, চট্টগ্রামের হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক প্রধান শিক্ষককে (Bangladesh) জোর করে পদত্যাগ করানো হয়েছে। এর পিছনে স্কুল পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবে প্রধান শিক্ষক হিন্দু হওয়ার কারণে তাঁকে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করা হল। পদত্যাগের পর ওই শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েন। জানা গিয়েছে, বুধবার (৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পূর্ব বরৈয়া ঠান্ডা মিয়া চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার শিকার ওই প্রধান শিক্ষকের নাম চন্দন মহাজন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় একদল চিহ্নিত দুর্নীতিবাজ লোক প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনের (Bangladesh) বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ এনে শিক্ষার্থী ছাড়াও কিছু অভিভাবককে উস্কে দেয়। এদের মধ্যে স্কুল পরিচালনা কমিটির দখল নিতে চাওয়া লোকজনও আছে। তাঁরা অভিযোগ তোলেন, চন্দন মহাজন ইসলামবিদ্বেষী কথাবার্তা বলেছেন। দাড়ি রাখলে জঙ্গি বা হিজাব-নিকাব নিয়ে কটুক্তি করেছেন-এমন অভিযোগও তোলেন তাঁরা। এছাড়া অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়। এসবের পিছনে মৌলবাদীরা রয়েছে। তারা পিছন থেকে স্কুল পড়ুয়াদের মগজ ধোলাই করে ওই প্রধান শিক্ষককে চাকরি ছাড়াতে বাধ্য করিয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগগুলো তদন্তের জন্য বুধবার (৮ জানুয়ারি) প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাকা হয়। কিন্তু ওই সময় হঠাৎ করে একদল শিক্ষার্থীকে সেখানে নিয়ে আসা হয়। তারা তদন্ত ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানাতে থাকে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজন।

    স্কুলের এক শিক্ষক কী বললেন?

    স্কুলটির (Bangladesh) একজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনকে ফাঁসানোর জন্যই বেশিরভাগ অভিযোগ তোলা হয়েছে। ছোট ছোট শিশুদের আন্দোলনে যেতে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। অথচ এদের অনেকে জানেই না শিক্ষকের অপরাধ কী?” স্থানীয় এক অভিভাবক অভিযোগ করেন, “এই হেনস্থার ঘটনার নেপথ্যে মূলত কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব। বাকি অভিযোগগুলো সাজানো।” এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান শিক্ষক চন্দন মহাজনের কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ, মৌলবাদীদের দাপাদাপির কারণে তাঁর চাকরি গিয়েছে তা সহকর্মীদের কথাতেই স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi Podcast: “অ্যাম্বিশন নয়, মিশন নিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে”, প্রথম পডকাস্টেই স্বমহিমায় মোদি

    Narendra Modi Podcast: “অ্যাম্বিশন নয়, মিশন নিয়ে রাজনীতিতে আসতে হবে”, প্রথম পডকাস্টেই স্বমহিমায় মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সবাই ভুল করে। আমিও করি। আমিও তো মানুষ। দেবতা নই।” প্রথম পডকাস্টে এমনই মন্তব্য নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi Podcast)। আর ট্রেলারেই চমকে নমো। ২ মিনিট ১৩ সেকেন্ড পডকাস্টের ট্রেলার রয়েছে। প্রথম পডকাস্টে আসার কথা নিজেই বলেছেন মোদি। শনিবার রাতে ট্রেলার নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেন পডকাস্টের হোস্ট বা সঞ্চালক জেরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথ (Nikhil Kamath Show)। পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেল শেয়ার করেন নমো। পডকাস্টে যে সব বিযয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা দেশজুড়ে সাড়া ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    “রাজনীতিতে নিয়মিত ভালো লোক আসা দরকার”(Narendra Modi)

    ট্রেলারে দেখা যায়, নিখিল জানান, মোদির মতো একজন ব্যক্তিত্বের সামনে তিনি নার্ভাস প্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি, সাবলীলভাবে হিন্দি বলতে না পারায় ভুলের জন্য মোদির কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। ট্রেলারে অনেক বেশি সহজ-সরল, স্বমেজাজে দেখা যায় মোদিজিকে (Narendra Modi Podcast)। মোদিকে নিখিল (Nikhil Kamath Show) প্রশ্ন করেন, রাজনীতিতে যুবক-যুবতীরা আসতে চাইলে তাদের জন্য কী বার্তা দেবেন? নাগরিকদের উদ্দেশে মোদি বলেন, “রাজনীতিতে নিয়মিত ভালো লোক আসা দরকার।” সেইসঙ্গে নমো এও বলেন, “রাজনীতিতে আসতে হলে মিশন নিয়ে আসতে হবে, অ্যাম্বিশন নিয়ে নয়।”

    ট্রেলারের শেষদিকে নিখিলকে (Nikhil Kamath Show) বলতে শোনা যায়, “দক্ষিণ ভারতে মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের বলা হয়, রাজনীতি নোংরা লোকেদের জায়গা। সেখানে গিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না।” এই প্রসঙ্গে মোদির (Narendra Modi Podcast) মতামত জানতে চান তিনি। মোদি তাঁর উদ্দেশে বলেন, “এই ভাবনা সত্যি হলে এখানে আমরা আসতাম না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয়, জানাল আলিপুর, বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    Weather Update: মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয়, জানাল আলিপুর, বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাজ্যজুড়ে ঠান্ডার আমেজ থাকবে। শুক্রবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৪ ডিগ্রি কম। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৩.২ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, শনিবারও তাপমাত্রার হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে, রবিবার থেকে পারদ চড়তে পারে। সোমবারও আরও তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।

    মকর সংক্রান্তিতে জাঁকিয়ে শীত নয় (Weather Update)

    রবিবার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Weather Update) যথাক্রমে ২৬ ডিগ্রি ও ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে। এরপর সোমবার ১৩ জানুয়ারি আরও একটু বাড়তে পারে তাপমাত্রা। সোমবার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৭ ডিগ্রি ও ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। তারপর ফের মঙ্গল থেকে সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। তবে, কনকনে শীত এখনই ফিরে আসবে না বলেই পূর্বাভাস। রবিবার থেকে উত্তুরে হাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে মূলত পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। নতুন করে রাজ্যে প্রবেশ করছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এছাড়াও উত্তরপ্রদেশ ও অসম সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরের উপর এবং উত্তর তামিলনাড়ু সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে দুটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে পৌষ সংক্রান্তিতে শীতের পথে রয়েছে একাধিক বাধা। মকর সংক্রান্তিতে (Makar Sankranti) (১৪ জানুয়ারি) জাঁকিয়ে শীত থাকবে না।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    বৃষ্টির সম্ভাবনা কোথায়?

    পৌষ সংক্রান্তিতে (Weather Update) হালকা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ জানুয়ারি দার্জিলিং ও কালিম্পঙের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিঙেও। উত্তরবঙ্গেও আগামী ২ দিন তাপমাত্রা একই থাকবে। তারপর বাড়তে পারে তাপমাত্রা। আপাতত শুষ্ক আবহাওয়াই বিরাজ করবে রাজ্যজুড়ে। ভোরের দিকে কুয়াশার দাপটও বজায় থাকবে আপাতত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার দাপট কমে যাবে। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুর জেলায়। মাঝারি কুয়াশার সতর্কবার্তা রয়েছে বাকি জেলাগুলিতেও। আপাতত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। এদিকে উত্তর ভারতজুড়ে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গিয়েছে রাজধানী দিল্লি। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে ও সর্বোচ্চ ২০ ডিগ্রির কাছে থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: বাম আমলে শিক্ষা-দুর্নীতি! ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরিপ্রাপ্তদের নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক, নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। শাসকদলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিরোধীরা। এই পরিস্থিতিতে বাম আমলে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে প্রাথমিকে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই বিষয়ে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের কী পর্যবেক্ষণ? (Calcutta High Court)

    জানা গিয়েছে, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড (Calcutta High Court) ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি (Primary Recruitment) পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার ২০০৯ সালের প্রাথমিকে চাকরি পাওয়া সব শিক্ষকের এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ কার্ড যাচাই করতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশ, পরবর্তী শুনানির দিন ওই বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থাকে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কার্ড জালিয়াতি করে চাকরি মামলায় আগামী ২৭ জানুয়ারি সব কার্ড যাচাই করে রিপোর্ট দিতে হবে শিক্ষা দফতরের কমিশনারকে। ওই দিনই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    সিট গঠনের ইঙ্গিত!

    প্রসঙ্গত, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ (Calcutta High Court) কার্ড ব্যবহার করে ২০০৯ সালে প্রাথমিকে চাকরি পান কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী। অভিযোগ ওঠে, বহু চাকরিপ্রার্থী ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড দেখিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। উত্তর ২৪ পরগনায় ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগে ২৬ জনের চাকরি বাতিল হয়। অন্য জেলাগুলিতে ভুয়ো এক্সচেঞ্জ কার্ড ব্যবহার করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ। বৃহস্পতিবার সব জেলার প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলকে ২০০৯ সালে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের এক্সচেঞ্জ কার্ড খতিয়ে দেখতে বলল হাইকোর্ট। বৃহত্তর জালিয়াতির ইঙ্গিত পেলে সিট গঠন করা হতে পারে বলে বিচারপতি জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share