Tag: Bengali news

Bengali news

  • India: মৌলবাদীদের রোষে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান! ওয়াকার-উজ-জামানকে কীভাবে সাহায্য করছে ভারত?

    India: মৌলবাদীদের রোষে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান! ওয়াকার-উজ-জামানকে কীভাবে সাহায্য করছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সেনাপ্রধান (Bangladesh Army Chief) জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের উপর বিরাগভাজন ইসলামপন্থীরা। তার কারণটা কী? ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট যখন গণভবনের দখল নেয় ইসলামপন্থীরা, সেসময় তাঁরা ভেবেছিলেন শেখ হাসিনাকে ধরে ফেলবেন। পরবর্তীকালে প্রকাশ্যে তাঁকে ফাঁসি দেবে। কিন্তু ইসলামপন্থীদের এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত হতে যিনি দেননি তাঁর নাম জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান। এই সেনাপ্রধানের উদ্যোগেই শেখ হাসিনা তাঁর বোনকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ছাড়েন। আশ্রয় নেন ভারতে (India)। গত সপ্তাহতেই বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থীরা জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে সরিয়ে সেদেশের ১ লাখ ৬৩ হাজার সেনার উপরে নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনাকেই ভেস্তে দিয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে এই অভ্যুত্থান নেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ করার পরেই বেশ চিন্তায় পড়েছে পাকিস্তানের আইএসআই।

    বাংলাদেশে এখনও ইউনূস সরকারের কাছে নতি স্বীকার সেনা (India)

    পাক গোয়েন্দাদের হতাশ হওয়ার কারণ হল জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশের সেনার কোনও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাননি। কারণ তিনি মনে করতেন ১৯৭১ সালের যুদ্ধে এরাই বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল। ৫ অগাস্টের পর থেকে সারা বাংলাদেশ জুড়ে যে অবিচার ও অনাচার চলছে তার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানই। শুধুমাত্র কোনওভাবে নতি স্বীকার করেনি বাংলাদেশের সেনা। এই কারণেই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে। একইসঙ্গে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকাতে একটি সেনার অনুষ্ঠানে যোগ দেন সেনাপ্রধান। সেখানেই তিনি ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে প্রচ্ছন্ন সমালোচনা করেন। নিজের বক্তব্যে সেনা প্রধান দেশে শান্তি ও ঐক্য স্থাপনের কথা বলেন।

    জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান হলে আদতে শেখ হাসিনার আত্মীয়

    জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান হলেন আদতে শেখ হাসিনার আত্মীয়। তাঁকে সর্বদাই অরাজনৈতিক এবং পেশাদার সেনা হিসেবেই দেখা হয়। মনে করা হয় যে তিনি ভারতের (India) প্রতি অনুকুল মনোভাব পোষণ করেন। এইসবের কারণেই পাকিস্তানপন্থীদের ও বাংলাদেশের ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদদের ক্ষোভের কারণ হয়ে উঠেছেন তিনি। গত ২১ জানুয়ারি আইএসআই প্রধান জেনারেল আশিম মালিক ঢাকা সফর করেন। মনে করা হয় জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই সফরের বিরুদ্ধে ছিলেন। কিন্তু ইউনূস প্রশাসনের সামনে তাঁকে নতি করতে হয়। সেনাপ্রধানের আপত্তি সত্ত্বেও এই সফর হয়।

    ভারতের (India) পরামর্শেই আফ্রিকা সফর

    জানা গিয়েছে, ভারতের পরামর্শেই বাংলাদেশের জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান মধ্য আফ্রিকার প্রজাতন্ত্রের সফর করেন গত ৩ মার্চ। সেখানেই তিনি জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তাঁর একপ্রস্থ বৈঠক হয় বলে খবর। এখন দেখার বাংলাদেশের সেনার মধ্যে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকীভাবে পাকিস্তানপন্থীদের সরিয়ে রাখেন।

  • Festival of colors: রঙের উৎসবে খেয়াল থাকুক ত্বক ও চোখে! কেন বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    Festival of colors: রঙের উৎসবে খেয়াল থাকুক ত্বক ও চোখে! কেন বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা! আর তার পরেই রঙের উৎসব! দোল উদযাপনে (Festival of colors) আপামর বাঙালি। তবে এই রঙিন উৎসবের আনন্দে সামিল হওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোলের উৎসবের পরেই ত্বক এবং চোখের নানান সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষত শিশুদের বাড়তি নানান সমস্যা দেখা দেয়। শিশুদের কানেও নানান সমস্যা এবং সংক্রমণ হয়। তাই তাঁদের পরামর্শ, এই উৎসবে আনন্দ করার সময় বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তবেই সুস্থ ভাবে উদযাপন সম্ভব হবে। এখন দেখা যাক, কী ধরনের সমস্যার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    ত্বকে অ্যালার্জি, চোখে সংক্রমণ (Festival of colors)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোলের উদযাপনে অনেকেই নানান রকমের রঙ ব্যবহার করেন। সব রঙের গুণমান সমান হয় না। কম মানের রঙ ব্যবহার করলে ত্বকে নানা ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে। চুলকানি, Rash, গোলগোল চাকা দাগ এমন নানান উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যা দীর্ঘদিন ভোগান্তি তৈরি করে। আবার চোখেও নানান সংক্রমণ হতে পারে। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রায় প্রত্যেক বছরেই দোলের পরে চোখের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ে। অনেকের চোখে রঙ ঢুকে নানান ধরনের অ্যালার্জি হয়। আবার অনেকের চোখ ফুলে যায়। সংক্রমণ জটিল হয়ে গেলে দৃষ্টিশক্তিতেও প্রভাব ফেলে‌।

    কানে যন্ত্রণা

    অনেক সময় কানের সমস্যাও দেখা দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্যায় আক্রান্তেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুরা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবির জাতীয় রঙ খেলার সময় (Festival of colors) সময়েই অসাবধানতার জন্য শিশুদের কানের ভিতরে রঙ ঢুকে যায়। এর ফলে পরে কানে যন্ত্রণা হয়। অনেক সময়েই জটিল সংক্রমণ দেখা দেয়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Festival of colors)

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, দোলের উৎসব উদযাপনের সময় বাড়তি সতর্কতা বজায় রাখলেই এই ধরনের বিপদ আটকানো সম্ভব হবে। ত্বকের সমস্যা এড়ানোর জন্য রঙের গুণমানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবেশবান্ধব রঙ এখন পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করলে ত্বকের নানান সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে‌।
    তাছাড়া বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ভালোভাবে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার জাতীয় ক্রিম মেখে নিতে হবে। এতে চট করে রঙ চামড়ায় ছাপ ফেলবে না। রঙ ওঠানোও সহজ হবে।
    শিশুদের রঙের উৎসবে সামিল করার আগে বাড়তি সতর্কতা দরকার। যাতে চোখ ও কানের ভিতরে রঙ ঢুকে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রঙিন নানা রকম উইগ এবং মুখোশ ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, মাথায় উইগ কিংবা মুখে মুখোশ পরলে শিশুদের কান এবং চোখে কিছুটা আচ্ছাদন থাকে। ফলে অনেক ভোগান্তি সহজেই এড়ানো সম্ভব হয়।
    উৎসবের (Festival of colors) পরিচ্ছন্নতার দিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পাশাপাশি বাড়ির বড়দেরও এই পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নজর দিতে হবে। হাত, নখ, চুল, চোখে যাতে রঙ ঢুকে না থাকে, তার জন্য ভালোভাবে পরিষ্কার হতে হবে। তবেই নানান রোগে আক্রান্ত (skin and eyes) হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Jadavpur University: ‘রাজ্যের উদাসীনতায় উৎকর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তকমা পায়নি যাদবপুর’, সংসদে সুকান্ত

    Jadavpur University: ‘রাজ্যের উদাসীনতায় উৎকর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তকমা পায়নি যাদবপুর’, সংসদে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর (Jadavpur University) নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার উদাসীন, তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় উৎকর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, সংসদে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন ওই তালিকা থেকে সরানো হয়েছে এটা জানতে চেয়েছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। ঘটনাক্রমে, সাংসদের প্রশ্নের উত্তর দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে (Jadavpur University) উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শুরুতে ৩,২৯৯ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবিত হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই বাজেট প্রস্তাব সংশোধন করে ৬০৬ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়। ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি’ মনে করেছে, এই বাজেটে কোনও প্রতিষ্ঠানকে উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে কমিটি সুপারিশ করেছিল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হোক। কমিশন সেই সুপারিশে অনুমোদন দিয়েছে।’’

    তোপ দাগলেন অমিত মালব্য

    এই আবহে যাদবপুরকে (Jadavpur University) নিয়ে রাজ্য সরকার কী ভাবে দফায় দফায় প্রস্তাবিত বাজেট কমিয়েছে, তা নিয়ে বিজেপি প্রচার করতে শুরু করেছে। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য বলেন, ‘‘প্রথমে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ‘উৎকর্ষকেন্দ্র’ প্রকল্পের অধীনে যে বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়, কেন্দ্রীয় সরকার তাতে হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অনুদান দিতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার নিজেদের অংশীদারি তহবিল দিতে অস্বীকার করায় এই প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।’’ মালব্যর আরও দাবি, ‘‘প্রথমে প্রস্তাবিত বাজেট কমিয়ে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকা করা হয়েছিল। পরে তা আরও কমিয়ে ৬০৬ কোটি করা হয়। সেই অঙ্কের ২৫ শতাংশ আবার বিশ্ববিদ্যালয়কেই জোগাড় করতে বলা হয়েছিল।’’  বিজেপি নেতার অভিযোগ, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদাসীনতায় এই সুবর্ণসুযোগ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতছাড়া হল।’’

  • Science News: মৃত্যুর আগের মুহূর্তে মস্তিষ্কের মধ্যে ঠিক কী চলে? গবেষণার তথ্য চমকে দেওয়ার মতো

    Science News: মৃত্যুর আগের মুহূর্তে মস্তিষ্কের মধ্যে ঠিক কী চলে? গবেষণার তথ্য চমকে দেওয়ার মতো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষের কৌতূহল থেকেই গিয়েছে যে মৃত্যুর পূর্বে মস্তিষ্কের ঠিক কী রকম পরিবর্তন ঘটে! এই নিয়েই সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ফ্রন্টিয়ার্স ইন এজিং নিউরো সায়েন্স জার্নালে (Science News)। ওই প্রতিবেদন অনুসারে বলা হচ্ছে যে মৃত্যুর পূর্বে মস্তিষ্ক জীবনের (Human Brain Before Death) শেষ তথা গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিগুলিকে রোমন্থন করতে থাকে। প্রসঙ্গত, মৃত্যুর পূর্বে মানব মস্তিষ্কের এই পরিবর্তন নিয়ে জার্নালটি প্রকাশিত হয়েছিল আজ থেকে ৩ বছর আগেই। ২০২২ সালের প্রকাশিত হওয়া ওই জার্নাল নিয়ে ফের একবার চর্চা শুরু হয়েছে।

    পরিবর্তন হয় মস্তিষ্কের তরঙ্গের (Science News)

    বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে লক্ষ্য করেছেন মস্তিষ্কের (Science News) বেশ কিছু তরঙ্গেরও পরিবর্তন ঘটে। গামা তরঙ্গ যা কিনা মানুষের স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যান্য তরঙ্গগুলি হল ডেল্টা, থিটা, আলফা এবং বিটা- এই তরঙ্গগুলিও ওঠানামা করতে দেখা গিয়েছে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে। ওই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মৃত্যুর পূর্বে মস্তিষ্কে জীবনের শেষ মুহূর্তগুলিতে ফিরে আসে জীবনের স্মৃতিগুলি। এনহ্যান্সড ইন্টারপ্লে অফ নিউরোনাল কোহেরেন্স অ্যান্ড কাপলিং ইন দ্য ডাইং হিউম্যান ব্রেন শিরোনামে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় ২০২২ সালে।

    ৮৭ বছর বয়সি এক রোগীর ওপর গবেষণা (Science News)

    এই গবেষণায় মৃত্যুর আগে এবং পরে মস্তিষ্কের (Science News) কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। গবেষণাটি ৮৭ বছর বয়সী একজন মৃগী রোগীর ওপরে করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে খবর। ডাক্তাররা মৃত্যুর সময় প্রায় ৯০০ সেকেন্ড ধরে মস্তিষ্কের কার্যকলাপ রেকর্ড করেন। এর মধ্যে তাঁরা হৃদস্পন্দন বন্ধ হওয়ার আগে এবং পরের ৩০ সেকেন্ড মস্তিষ্কের পরিবর্তনগুলি পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। কেন্টাকির লুইসভিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডঃ আজমল জেম্মার মতে, ‘‘মৃত্যুর আগে মস্তিষ্ক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ জীবনের ঘটনাগুলিকে শেষবারের মতো স্মরণ করে।’’

  • Holika Dahan: হোলিকা দহন বা ন্যাড়া পোড়া আসলে কী? এই রীতির পৌরাণিক কাহিনী জানুন

    Holika Dahan: হোলিকা দহন বা ন্যাড়া পোড়া আসলে কী? এই রীতির পৌরাণিক কাহিনী জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আজ আমাদের ন্যাড়া পোড়া, কাল আমাদের দোল, পূর্ণিমাতে চাঁদ উঠেছে বলো হরিবোল।” এই প্রবাদের সঙ্গে আমরা সকলেই পরিচিত। দোলের (Dol Purnima) আগের দিন ন্যাড়া পোড়ানোর রীতি চলে আসছে বহু যুগ ধরে। যা আমাদের বাংলার বাইরে হোলিকা দহন (Holika Dahan) নামেও পরিচিত। কিন্তু কীভাবে এবং কেনই বা  এই ন্যাড়া পোড়ানোর রীতির প্রচলন হল? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকেই হয়তো জানেন না। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানব, কী এই ন্যাড়া পোড়া?

    পিছনে আছে এক পৌরাণিক কাহিনী (Holika Dahan)

    এই রীতির পিছনে আছে এক পৌরাণিক কাহিনি, যার ওপর ভিত্তি করেই আজকের ন্যাড়া পোড়া (Holika Dahan)। রাক্ষসরাজ হিরণ্যকশিপু সব সময় তাঁর প্রজাদের ওপর অত্যাচার চালাতেন। এমনকী তাদের পূজার্চনাতেও বিঘ্ন ঘটাতেন। সব সময় নিজের শক্তিকে ভুল ভাবে প্রয়োগ করতেন। এক সময় তিনি অমরত্ব লাভের জন্য ভগবান ব্রহ্মার তপস্যায় বসেন। তাঁর এই কঠোর তপস্যায় খুশি হয়ে ভগবান ব্রহ্মা তাঁকে মোট পাঁচটি বর প্রদান করেন। যে পাঁচটি বর ছিল-কোনও মানুষ বা কোনও প্রাণী তাঁকে মারতে পারবে না। ঘরের ভিতরে বা ঘরের বাইরে তাঁর মৃত্যু হবে না। তাঁর মৃত্যু দিনেও হবে না, রাতেও হবে না। অস্ত্র দ্বারাও হবে না, শস্ত্র্র দ্বারাও হবে না। হিরণ্যকশিপুর মৃত্যু জমিতেও হবে না, জলেও হবে না, শূন্যেও হবে না।  এই বর পাওয়ার পর থেকে হিরণ্যকশিপু দেবতাদের ওপর আরও অত্যাচার চালাতে শুরু করেন।

    অশুভ শক্তিকে হারিয়ে শুভ শক্তির জয় (Holika Dahan) 

    হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ ছিল ভগবান বিষ্ণুর ভক্ত। তাই প্রহ্লাদকে হত্যা করার জন্য নিজের বোন হোলিকার সাহায্য নেন তিনি।  এই হোলিকা ভগবান ব্রহ্মার কাছ থেকে একটি বিশেষ শাল পেয়েছিলেন, যা তাকে সব সময় রক্ষা করত। হোলিকা হিরণ্যকশিপুকে জানান, তিনি প্রহ্লাদকে নিয়ে এই শাল জড়িয়ে আগুনের মধ্যে বসবেন। এতে শাল তাঁকে রক্ষা করলেও প্রহ্লাদকে পুড়িয়ে ভস্ম করে দেবে। কিন্তু যেই প্রহ্লাদকে নিয়ে হোলিকা আগুনে প্রবেশ করেন, তখনই গায়ের শালটি তাঁর কাছ থেকে প্রহ্লাদের গায়ে গিয়ে পড়ে। তাই প্রহ্লাদের কিছু না হয়ে পুড়ে ছাই হয়ে যান হোলিকা। এর পরেই ভগবান বিষ্ণু নরসিংহ রূপ নিয়ে হিরন্যকশিপুকে হত্যা করেন, যে ঘটনা সবাই জানে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই আজও হোলির আগের দিন হোলিকা দহন (Holika Dahan) বা ন্যাড়া পোড়ার রীতি চলে আসছে। দোলের আগের দিন হোলিকা দহন করে মনের সব পাপ, অশুচি, লোভকে শেষ করে ফেলে এক শুভ দিনের সূচনা করা হয়।

  • Daily Horoscope 13 March 2025: ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 13 March 2025: ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের জায়গায় আঘাত লাগতে পারে।

    ২) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য রাখুন।

    মিথুন

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) প্রিয়জনদের সঙ্গে সমস্ত কিছু আলোচনা করুন।

    কর্কট

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    বৃশ্চিক

    ১) সুন্দর কথা বলায় সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    ধনু

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) সতর্কভাবে চলাফেরা করুন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) সাবধানে থাকুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 295: “কই কৃষ্ণ এল কুঞ্জে প্রাণ সই! দে রে কৃষ্ণ দে, কৃষ্ণ এনে দে, রাধা জানে কি গো কৃষ্ণ বই”

    Ramakrishna 295: “কই কৃষ্ণ এল কুঞ্জে প্রাণ সই! দে রে কৃষ্ণ দে, কৃষ্ণ এনে দে, রাধা জানে কি গো কৃষ্ণ বই”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ভক্তসঙ্গে ও কলিকাতায় চৈতন্যলীলা-দর্শন

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২১শে সেপ্টেম্বর

    নাট্যালয়ে নিত্যানন্দবংশ ও শ্রীরামকৃষ্ণের উদ্দীপন

    মাস্টার, বাবুরাম, খড়দার নিত্যানন্দবংশের গোস্বামী 

    নবদ্বীপে নিত্যানন্দ (Ramakrishna) আসিয়াছেন, তিনি নিমাইকে খুঁজিতেছেন এমন সময় নিমাই-এর সহিত দেখা হইল। নিমাইও তাঁহাকে খুঁজিতেছিলেন (Kathamrita)। মিলনের পর নিমাই বলিতেছেন —

    সার্থক জীবন; সত্য মম ফলেছে স্বপন;
    লুকাইলে স্বপ্নে দেখা দিয়ে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে গদ্‌গদ স্বরে) — নিমাই বলছে, স্বপ্নে দেখেছি!

    শ্রীবাস ষড়্‌ভুজ দর্শন করছেন, আর স্তব করছেন।

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) ভাবাবিষ্ট হইয়া ষড়্‌ভুজ দর্শন করিতেছেন।

    গৌরাঙ্গের ঈশ্বর আবেশ হইয়াছে। তিনি অদ্বৈত, শ্রীবাস, হরিদাস ইত্যাদির সহিত ভাবে কথা কহিতেছেন।

    গৌরাঙ্গের ভাব বুঝিতে পারিয়া নিতাই গান গাইতেছেন:

                কই কৃষ্ণ এল কুঞ্জে প্রাণ সই!
    দে রে কৃষ্ণ দে, কৃষ্ণ এনে দে, রাধা জানে কি গো কৃষ্ণ বই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) গান শুনিতে শুনিতে সমাধিস্থ হইলেন। অনেকক্ষণ ওইভাবে রহিলেন। কনসার্ট চলিতে লাগিল। ঠাকুরের সমাধি ভঙ্গ হইল। ইতিমধ্যে খড়দার নিত্যানন্দ গোস্বামীর বংশের একটি বাবু আসিয়াছেন ও ঠাকুরের চেয়ারের পশ্চাতে দাঁড়াইয়া আছেন। বয়স ৩৪/৩৫ হইবে। ঠাকুর তাঁহাকে দেখিয়া আনন্দে ভাসিতে লাগিলেন। তাঁহার হাত ধরিয়া কত কথা কহিতেছেন। মাঝে মাঝে তাঁহাকে বলিতেছেন, “এখানে বসো না; তুমি এখানে থাকলে খুব উদ্দীপন (Kathamrita) হয়।” সস্নেহে তাহার হাত ধরিয়া যেন খেলা করিতেছেন। সস্নেহে মুখে হাত দিয়া আদর করিতেছেন।

    গোস্বামী চলিয়া গেলে মাস্টারকে বলিতেছেন, “ও বড় পণ্ডিত, বাপ বড় ভক্ত। আমি খড়দার শ্যামসুন্দর দেখতে গেলে, যে ভোগ একশ টাকা দিলে পাওয়া যায় না সেই ভোগ এনে আমায় খাওয়ায়।

    “এর লক্ষণ বড় ভাল; একটু নেড়েচেড়ে দিলে চৈতন্য হয়। ওকে দেখতে দেখতে বড় উদ্দীপন হয়। আর একটু হলে আমি দাঁড়িয়া পড়তুম।”

    গোস্বামীকে দেখিতে দেখিতে আর একটু হলে ঠাকুরের ভাবসমাধি হইত; এই কথা বলিতেছেন।

    যবনিকা উঠিয়া গেল। রাজপথে নিত্যানন্দ মাথায় হাত দিয়া রক্তস্রোত বন্ধ করিতেছেন। মাধাই কলসির কানা ছুঁড়িয়া মারিয়াছেন; নিতাইয়ের ভ্রূক্ষেপ নাই। গৌরপ্রেমে গরগর মাতোয়ারা! ঠাকুর ভাবাবিষ্ট। দেখিতেছেন (Kathamrita), নিতাই জগাই মাধাইকে কোল দিবেন। নিতাই বলিতেছেন:

    প্রাণ ভরে আয় হরি বলি, নেচে আয় জগাই মাধাই।
    মেরেছ বেশ করেছ, হরি বলে নাচ ভাই ॥
    বলরে হরিবোল; প্রেমিক হরি প্রেমে দিবে কোল।
    তোল রে তোল হরিনামের রোল ॥
    পাওনি প্রেমের স্বাদ, ওরে হরি বলে কাঁদ, হেরবি হৃদয় চাঁদ।
    ওরে প্রেমে তোদের নাম বিলাব, প্রেমে নিতাই ডাকে তাই ॥

    এইবার নিমাই শচীকে সন্ন্যাসের কথা বলিতেছেন।

    শচী মূর্ছিতা হইলেন। মূর্ছা দেখিয়া দর্শকবৃন্দ অনেকে হাহাকার করিতেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) অণুমাত্র বিচলিত না হইয়া একদৃষ্টে দেখিতেছেন; কেবল নয়নের কোণে একবিন্দু জল দেখা দিয়াছে!

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

  • Buddhist: সনাতন ধর্মেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তাঁরা, ঘোষণা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

    Buddhist: সনাতন ধর্মেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ তাঁরা, ঘোষণা বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৌদ্ধরা (Buddhist) সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ। উত্তরপ্রদেশে ‘মন্থন’ সঙ্গমে লামা গেশে চোসফেল জোৎ (Buddhist) এমনটাই জানালেন। প্রসঙ্গত সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে মহাকুম্ভ। বিশ্বের বৃহত্তম ইভেন্টের সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়েই অর্গানাইজার এবং পাঞ্চজন্য নামের দুটি সর্বভারতীয় পত্রিকা আয়োজন করেছিল একটি সম্মেলনের। যার পোশাকি নাম ছিল মন্থন। আজ বুধবার ১২ মার্চ লখনৌয়ের তাজমহল হোটেলে এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এখানে হাজির ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এই অনুষ্ঠানেই বৌদ্ধ ধর্মকে হিন্দু ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলতে শোনা যায় লামা গেশে চোসফেলকে।

    মহাকুম্ভে হাজির ছিলেন বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরাও (Buddhist)

    তিনি জানান যে প্রথমবার কোনও মহাকুম্ভ হল যেখানে বৌদ্ধ ধর্মের শিবিরও গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন আখড়ার সঙ্গে। এটা ছিল একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এ নিয়ে উত্তর প্রদেশের সরকার এবং তার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন লামা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের ভূমিকাও তিনি তুলে ধরেন। নিজের বক্তব্যে লামা বলেন, ‘‘চারিদিকে একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বলা হচ্ছে যে সনাতন ধর্ম নাকি বৌদ্ধ ধর্ম থেকে আলাদা। এটা সম্পূর্ণই ভুল।’’ তিনি আরও জানান যে ১২টি দেশ থেকে বৌদ্ধ প্রতিনিধিরা হাজির হয়েছিলেন মহাকুম্ভে এবং তাঁরা অংশগ্রহণ করেছেন এই আধ্যাত্মিক সঙ্গমে।

    প্রশংসা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাজের (Buddhist)

    একই সঙ্গে তিনি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাজেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘‘এদেশের ৫,০০০ বছরের পুরনো হিন্দু সংস্কৃতি এবং রীতিকে টিকিয়ে রেখেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদই।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘সমাজের কাজ করতে গেলে সর্ব প্রথমে যে কোনও মানুষের দরকার হয় আত্মশুদ্ধি এবং এই কাজটা করতেই ভক্তরা পবিত্র স্নান করেন। বিভিন্ন আখড়া থেকে ৩০০-র বেশি বৌদ্ধ ভিক্ষুক পবিত্র ডুব দিয়েছেন। তাঁরা একইসঙ্গে হিন্দু এবং বৌদ্ধদের এই পরম্পরা মেনে পবিত্র স্নান করেছেন।’’ সনাতন ধর্ম এবং বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে এক আধ্যাত্মিক যোগসূত্র তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে কী বললেন হিন্দু ধর্মগুরু?

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই মন্থন (Manthan Confluence) অনুষ্ঠানে হিন্দু ধর্মের গুরু আচার্য মিথিলেশনন্দিনী স্মরণজি মহারাজ ব্যাখ্যা করেন মন্থনের ভূমিকা। তিনি বলেন, ‘‘মন্থন মানে শুধুমাত্র সমুদ্র মন্থন নয়। অসুর এবং দেবতারা মিলে সমুদ্র মন্থন করেছিলেন। কিন্তু দেবতারাই অমৃত পেয়েছিলেন। কারণ তাঁদের মধ্যে একটি শৃঙ্খলা বোধ ও আত্মশুদ্ধি ভাব কাজ করত। মহাকুম্ভকে নানাভাবে অপপ্রচার করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই অপচেষ্টা যাঁরা করেছেন প্রত্যকেই ব্যর্থ হয়েছেন। এই পবিত্র ধর্ম অনুষ্ঠান আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতির প্রতিফলন।’’

  • SpaceX: দেশে ইন্টারনেট ব্যবস্থায় বিপ্লব! ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তি জিও-এয়ারটেলের

    SpaceX: দেশে ইন্টারনেট ব্যবস্থায় বিপ্লব! ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তি জিও-এয়ারটেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলন মাস্কের সংস্থার (SpaceX) সঙ্গে চুক্তি করল ভারতের জনপ্রিয় দুই টেলিকম সংস্থা এয়ারটেল ও জিও (Airtel And Jio)। প্রথমে এয়ারটেলের চুক্তির খবর সামনে আসে মঙ্গলবার। এরপরেই স্পেস এক্সের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত করে জিও। দুই সংস্থার হাত ধরে এবার ভারতের বাজারে আসতে চলেছে স্পেস এক্স। জানা যাচ্ছে, এর ফলে স্টার লিঙ্কের হাই স্পিড ইন্টারনেট এবার দ্রুতই হাতে পেয়ে যাবেন ভারতীয় গ্রাহকরা। তবে এখানেই শেষ নয়, এবার থেকে ইলন মাস্কের সংস্থার ইন্টারনেট সংক্রান্ত সমস্ত উপাদানই মিলবে এয়ারটেল ও জিও-র স্টোর থেকে। এদেশে দোকান, বাজার, স্কুল, স্বাস্থ্য ক্ষেত্র সমেত ভারতের বহু প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এয়ারটেল ও মুকেশ আম্বানির সংস্থা জিও। দেশের অধিকাংশ গ্রামেই এই দুই সংস্থা নিজেদের মেলে ধরেছে। এবার এই দুই ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে স্পেস এক্স (SpaceX)। জানা গিয়েছে, এরফলে দেশের যে সমস্ত অংশে ইন্টারনেট ব্যবস্থা শক্তিশালী নয়, সেখানে অতিদ্রুত পৌঁছে যাবে ইন্টারনেট পরিষেবা।

    কী জানাল এয়ারটেল ও জিও?

    জিও-র তরফে জানানো হয়েছে, ‘‘তাদের খুচরো বিক্রয়কেন্দ্র এবং অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে স্পেসএক্সের স্টারলিঙ্ক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে ইউজারদের স্টারলিঙ্ক (SpaceX) সংক্রান্ত অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করা হবে।’’

    এয়ারটেলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা ভাইস চেয়ারম্যান গোপাল ভিত্তল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্পেস এক্সের (SpaceX) সঙ্গে কাজ করতে পেরে তাঁরা খুশি। এই চুক্তি নতুন মাইলস্টোন তৈরি করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মনে করা হচ্ছে এরফলে ইন্টারনেটের খরচও এতে খানিকটা কমে যাবে।

    কী বললেন স্পেস এক্সের কর্তা?

    অন্যদিকে, স্পেসএক্সের প্রেসিডেন্ট এবং চিফ অপারেটিং অফিসার গুইন শটওয়েল এয়ারটেলের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে বলেন, ‘‘আমরা এয়ারটেলের সঙ্গে কাজ করতে খুবই খুশি। এয়ারটেলের টিম ভারতের টেলিকম ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এসেছে। এই চুক্তি আমাদের ব্যবসার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’’ জিও-র সঙ্গে চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমরা জিও-র সঙ্গে কাজ করতে খুবই উত্তেজিত। এই চুক্তি আরও বেশি গ্রাহককে স্টারলিঙ্কের দ্রুতগতির ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।’’

    দেশের ৭০ কোটি মানুষ বর্তমানে প্রচুর ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন

    স্পেস এক্স একটি বার্তা থেকে জানিয়েছে ভারতের মাটিতে সেরা দুটি টেলিকম সংস্থাকে তারা বেছে নিয়েছে। ফলে এখান থেকে আগামীদিনে তারা ভারতের মাটিতে ভালো ব্যবসা করার বিষয়ে আশাবাদী। দেশের বিভিন্ন শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামেও এই দুই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে শক্তিশালী ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করা হবে। প্রসঙ্গত, ভারতের মোট ৭০ কোটি মানুষ বর্তমানে প্রচুর ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এঁদের সকলেই আগামীদিনে আরও সস্তায় এবং উন্নত ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার কাজটি করবে স্পেস এক্স।

LinkedIn
Share