Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope 03 January 2025: কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 January 2025: কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন। 

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    কন্যা

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মকর

    ১) দূর দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    ২) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চট্টগ্রামে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হিন্দু যুবককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে

    Bangladesh: চট্টগ্রামে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হিন্দু যুবককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চলছেই। প্রতিদিনই হিন্দু নির্যাতনের নতুন নতুন ঘটনা সামনে আসছে। গতকাল বুধবারই ছিল ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন। এক জানুয়ারি রাতেই বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কাঠগড় এলাকার এক হিন্দুকে, তাঁর বাড়ি থেকে অপহরণ করে ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে (Radical Islamist)। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম প্রান্ত তালুকদার। ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনেছে মৌলবাদীরা।

    পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে প্রান্তকে (Bangladesh) 

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে প্রান্ত তালুকদারকে। হিন্দু যুবকের ওপর হওয়া অত্যাচারের ঘটনা ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে (যদিও মাধ্যম সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি)। জানা গিয়েছে, প্রান্ত তালুকদারকে উদ্ধার করার পরে বাংলাদেশের পুলিশ তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে বলেও জানিয়েছে চট্টগ্রামের পুলিশ।

    ফরিদপুর জেলায় হৃদয় পালকে মারধর করার ঘটনা (Bangladesh)

    তবে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর এমন নির্যাতন নতুন কিছু নয়। হাসিনা সরকারের পতনের পর সে দেশে শুরু হয় জঙ্গলের রাজত্ব। এমন একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ফরিদপুর জেলার কলেজ ছাত্র হৃদয় পালকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হন খোদ তসলিমা নাসরিনও। নিজের এক্স হ্যান্ডলে এনিয়ে পোস্টও করেন তসলিমা নাসরিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khel Ratna Award: শ্যুটার মনু ভাকর, দাবাড়ু ডি গুকেশ সমেত খেলরত্ন পুরস্কার পাচ্ছেন মোট ৫ ক্রীড়াবিদ

    Khel Ratna Award: শ্যুটার মনু ভাকর, দাবাড়ু ডি গুকেশ সমেত খেলরত্ন পুরস্কার পাচ্ছেন মোট ৫ ক্রীড়াবিদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে আয়োজিত প্যারিস অলিম্পিক্সে জোড়া ব্রোঞ্জ পদকজয়ী ভারতীয় শ্যুটার মনু ভাকর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার (Khel Ratna Award) পাচ্ছেন। মনু ভাকরের পাশাপাশি দাবা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশকেও খেলরত্ন পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে চিনের দাবাড়ু ডিং লিরেনকে পরাস্ত করেন গুকেশ। সেকারণে তাঁকে দেশের খেলায় সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হবে। সর্বকনিষ্ঠ দাবাড়ু হিসেবেই গুকেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের খেতাব অর্জন করেছেন। মনু ভাকর ছাড়াও ভারতের আরও তিন খেলোয়াড়কে এই সম্মান দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। আগামী ১৭ জানুয়ারি তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু।

    আরও তিন ক্রীড়াবিদ পেতে চলেছেন খেলরত্ন 

    জানা গিয়েছে, মনু ভাকর এবং ডি গুকেশ ছাড়াও ভারতীয় হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিংকেও খেলরত্ন (Khel Ratna Award) পুরস্কার দেওয়া হবে। হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে প্যারিস অলিম্পিক্সে দুর্দান্ত পারফরম্য়ান্স করে ভারত। হরমনপ্রীত সিংয়ের পাশাপাশি দেশের প্যারা অ্যাথলিট প্রবীণ কুমারকেও খেলরত্ন সম্মান দেওয়া হচ্ছে। এঁদের ছাড়াও ২০২৪ প্যারিস প্যারালিম্পিক্সে প্রবীণ ভারতের হয়ে হাই-জাম্প ইভেন্টে (টি-৬৪) সোনার পদক জয় করেছিলেন। এর পাশাপাশি টোকিও অলিম্পিক্সেও তিনি রুপোর পদক জয় করেন বলেন। প্যারালিম্পিক্স টুর্নামেন্টে দেশের হয়ে এই অসামান্য অবদানের জন্য তাঁকে খেলরত্ন পুরস্কার দেওয়া হল।

    পুরস্কারমূল্য ২০২০ সালে করা হয় ২৫ লাখ 

    প্রসঙ্গত, মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার (Khel Ratna Award) ক্রীড়াবিভাগে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান। এই সম্মান প্রাপকেরা ২৫ লাখ টাকা আর্থিক পুরস্কার পান। এর পাশাপাশি একটি ট্রফি এবং সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, আগে ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারের (Dhyan Chand Khel Ratna Award) জন্য মাত্র ৭.৫ লাখ টাকা দেওয়া হত। কিন্তু, ২০২০ সাল থেকে এই পুরস্কার মূল্য বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shubhman Gill: চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল শুভমান গিল সহ ৪ ক্রিকেটারের, তলব গুজরাট সিআইডি-র

    Shubhman Gill: চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল শুভমান গিল সহ ৪ ক্রিকেটারের, তলব গুজরাট সিআইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল চার ভারতীয় ক্রিকেটারের। ৪৫০ কোটি টাকার চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে (Chit Fund Case) নাম জড়িয়েছে ক্রিকেটার শুভমান গিল (Shubhman Gill)-সহ চারজন। এঁদের প্রত্যেককেই সমন পাঠাতে চলেছে গুজরাট সিআইডি। এই চিটফান্ডের অন্যতম কিংপিনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে বলে খবর। শুভমান ছাড়া বাকি তিন অভিযুক্ত হলেন মোহিত শর্মা, সাই সুদর্শন ও রাহুল তেওয়াটিয়া। সকলেই আইপিএল ফ্রাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটান্সে খেলেন।

    সিডনি ম্যাচের আগেই বিপত্তি (Shubhman Gill)

    রাত পোহালেই সিডনিতে শুরু হবে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়ার পঞ্চম টেস্ট ম্যাচ। সেই ম্যাচে টিম ইন্ডিয়ায় শুভমান ফিরতে চলেছেন বলে জল্পনা। এহেন আবহে প্রকাশ্যে এল চিটফান্ড কেলেঙ্কারির (Chit Fund Case) খবর। প্রত্যাশিতভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল শুভমানের (Shubhman Gill) ভারতীয় একাদশে ঠাঁই পাওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি। দীর্ঘদিন ধরেই বড় রান পাচ্ছিলেন না শুভমান। সেই কারণে বাদ পড়েছিলেন মেলবোর্ন টেস্ট থেকে। সিডনি ম্যাচে ফেরা নিয়ে জল্পনাও চলছিল। সেই জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া হয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।

    প্রতারণা চক্রের চাঁই

    জানা গিয়েছে, এই প্রতারণা চক্রের চাঁই ভূপেন্দ্র সিং জালা। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেই প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়টি। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত চার ক্রিকেটারই আইপিএলে গুজরাট টাইটান্স ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত। শুভমান (Shubhman Gill) এই স্কিমে ১.৯৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। বাকিরাও (Shubhman Gill) মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেন। গুজরাট সিআইডির আধিকারিকরা ভূপেন্দ্রর অ্যাকাউন্ট দেখভাল করেন যিনি, সেই রুশিক মেহতাকে গ্রেফতার করেছেন।

    আরও পড়ুন: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    সিআইডি প্রথমে এই চিটফান্ডে (Chit Fund Case) ৬ হাজার কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে জানিয়েছিল। পরে অর্থের পরিমাণ কমে দাঁড়ায় ৪৫০ কোটি টাকায়। তদন্ত এগোলে এই অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেই খবর। এই চিটফান্ড কেলেঙ্কারির কিংপিন জালার বাড়ি হিম্মতনগর শহরে। ২০২০ থেকে ২০২৪ এই চার বছরে তিনি তৈরি করেছেন ১৭টি অফিস। এই অফিসগুলির মাধ্যমে ১১ হাজার বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৪৫০ কোটি টাকা। গিল (Shubhman Gill) এবং অন্য তিন ক্রিকেটার সেই ১১ হাজারের মধ্যে রয়েছেন বলে খবর। সেই কারণেই তাঁদের তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Chit Fund Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis19: পালাবদলের ঢাকায় রোষের মুখে সংবাদমাধ্যমও, খুন সাংবাদিক, অজস্র মিথ্যা মামলা

    Bangladesh Crisis19: পালাবদলের ঢাকায় রোষের মুখে সংবাদমাধ্যমও, খুন সাংবাদিক, অজস্র মিথ্যা মামলা

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ সপ্তম পর্ব।

     

    আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব-৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সাংবাদিকদের ওপরে নেমে আসে নির্মম অত্যাচার (Bangladesh Crisis19)। একাধিক সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়। খুনও হতে হয় সাংবাদিককে। তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা চালানো হতে থাকে। ইউনূস জমানায় সংবাদমাধ্যমকে খোয়াতে হয় বাক-স্বাধীনতার অধিকার। এ নিয়ে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম খবরও করে। ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’ খবর লেখে যে একজন বিএনপি নেতা রাজশাহি জেলাতে চারজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এবং এই মামলাগুলি করা হয়েছে ছিনতাই এবং সাইবার সিকিউরিটির নানা ধারায়।

    মিথ্যা মামলা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে, খবর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis19) সংবাদমাধ্যমে

    বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি স্টার’ ২০২৪ সালের ২৯ অগাস্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং সেখানেই তারা লেখে যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আরও ২৭ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইউনূস সরকার মামলা দায়ের করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশে।

    ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ‘প্রথম আলো’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং সেখানে তারা জানায় যে, চট্টগ্রামে ২৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংবাদপত্রিকা ‘ঢাকা ট্রাইব্যুনাল’ তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে ২৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইউনূস সরকার খুনের মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।

    ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকা ট্রাইব্যুনাল তাদের রিপোর্টে আরও উল্লেখ করে, কুমিল্লার এক বিএনপি নেতা তিনজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রজ্জু করেছে।

    ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘দৈনিক কালের কন্ঠ’ তাদের প্রতিবেদনে লেখে যে বাংলাদেশের বগুড়াতে ১৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। যাঁদের বেশিরভাগ জনই গ্রেফতারি এড়াতে লুকিয়ে পড়েছেন।

    গ্রেফতার করা হয় জনপ্রিয় সঞ্চালিকা ফারজানা রুপাকে (Bangladesh Crisis19)

    বাংলাদেশের ইউনূস সরকারের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলে বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠন। শুধুমাত্র তাই নয়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সাংবাদিক ফারজানা রুপা, যিনি একাত্তর টিভি নামের একটি সংবাদমাধ্যমের সঞ্চালিকা ছিলেন, তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় সাংবাদিক মোজাম্মেল হক বাবু এবং শ্যামল দত্তকে ভারতে আসার পথেই আটক করা হয়। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ভোরের খবরের প্রতিবেদন অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৫০ জন সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পালাবদল হতেই কোপ পড়ে সাংবাদিকদের ওপর

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, যখনই ঢাকায় (Bangladesh Crisis19) পালাবদল হয়, তখনই সংবাদমাধ্যমের ওপর আছড়ে পড়ে নানা অত্যাচার। পালাবদলের পরেই ২০ জন সিনিয়র সাংবাদিকের প্রেস কার্ড বাতিল করে দেয় ইউনূস সরকার। অন্যদিকে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসের রিপোর্ট পাওয়া যায়, আরও ১১৮জন সাংবাদিকের প্রেস কার্ড বাতিল করে বাংলাদেশের ইউনূস সরকার। শুধু তাই নয়, এই সময়ের মধ্যে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় এনটিভি’র নিউজ এডিটর শ্রীমন্ত খোকনের। অন্যদিকে গাজি টিভির সাংবাদিক সারা রাহানুমা এবং দীপ্ত টেলিভিশনের তানজিল জাহান ইসলাম তামিমেরও রহস্যজনক (Targeting Minority) মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে।

    সাংবাদিক খুন 

    শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতির সময়ে স্বপনকুমার ভদ্র নামের এক সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। প্রসঙ্গত, স্বপনকুমার ভদ্র ছিলেন বাংলাদেশের তারাকাণ্ড প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি। এছাড়াও বাংলাদেশের অপর এক জনপ্রিয় সাংবাদিক শারিফুল ইসলামের ওপরেও ভয়ঙ্কর অত্যাচার নেমে আসে। এর প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ইউনূস সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    জোর করে দখল ঢাকার প্রেস ক্লাব

    বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ‘ভিউজ বাংলাদেশ’ তাদের প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে বেসরকারি পাঁচটি টেলিভিশনের দফতরেই হামলা এবং ভাঙচুর চালানো হয়। এই খবর প্রকাশিত হয় ৫ অগাস্ট। বাংলাদেশের জনপ্রিয় অন্যান্য সংবাদমাধ্যম যেমন, ‘একাত্তর টিভি’, ‘এটিএন বাংলা’, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি’, ‘সময় টিভি’-র প্রতিটিতে হামলা চালানো হয়। দফতরগুলি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। একইভাবে ঢাকার প্রেস ক্লাবকে জোরপূর্বক দখল করে নেয় বিএনপি এবং জামাতের সমর্থকরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ইসরোর ব্যস্ততম বছর হতে চলেছে ২০২৫! তালিকায় রয়েছে ছ’টি বড় অভিযান, কী কী?

    ISRO: ইসরোর ব্যস্ততম বছর হতে চলেছে ২০২৫! তালিকায় রয়েছে ছ’টি বড় অভিযান, কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সাল। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পা রেখে তামাম বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা ইসরো (ISRO)। তার পরের বছরও একাধিক সফল অভিযান করেছে এই গবেষণা সংস্থা। দেশ পৌঁছেছে ২০২৫-এ। এ বারটাই হতে চলেছে ইসরোর জন্য ব্যস্ততম বছর। জানা গিয়েছে, এ বছরও পরিকল্পনায় রয়েছে একাধিক প্রকল্প। জোর কদমে চলছে কাজও।

    কী বললেন মহাকাশ মন্ত্রী? (ISRO)

    কেন্দ্রীয় মহাকাশ প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বলেন, “২০২৫ সালে ইসরোর পরিকল্পনায় রয়েছে ছ’টি বড় বড় প্রকল্প। বছরের প্রথম দিকেই হবে এই অভিযান। এর মধ্যে যেমন রয়েছে মহাকাশে মহিলা রোবট পাঠানোর পরিকল্পনা, তেমনি রয়েছে গগনযান (Gaganyaan Vyommitra) ও ভারত-আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে আর্থ ইমেজিং স্যাটেলাইট নিসার পাঠানোর পরিকল্পনাও। এটিই হতে চলেছে বিশ্বের সব চেয়ে দামী স্যাটেলাইট।” মন্ত্রী বলেন, “জানুয়ারি মাসে ইসরো (ISRO) অ্যাডভান্সড নেভিগেশন স্যাটেলাইট এনভিএস-০২ উৎক্ষেপণ করবে। জিএসএলভি উৎক্ষেপণ হবে ইসরোর শততম মিশন। এরপর ইসরো (ISRO) মহাকাশে পাঠানো হবে মহিলা রোবট ‘ব্যোমমিত্র’-কে (Gaganyaan Vyommitra)। এটি গগনযানেরই একটি অংশ। ব্যোমমিত্র অভিযান সফল হলে মহাকাশে পাঠানো হবে মহাকাশচারী।”

    আরও পড়ুন: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    নিসার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

    জানা গিয়েছে, ভারত-আমেরিকার যৌথ উদ্যোগে নিসার (NISAR) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ হবে মার্চ মাসে। এটি প্রতি ১২ দিনে প্রায় সমস্ত ভূমি ও বরফ স্ক্যান করবে। পাঠাবে হাই রেজোলিউশনের ছবি। এলভিএম৩-এম৫ মিশন রূপায়ণ হবে প্রথম ত্রৈমাসিকে। এই মিশনটি একটি আন্তর্জাতিক গ্রাহকের জন্য স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করবে। এটি মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা প্রদর্শন করবে। এর পর রয়েছে গগনযান মানব মিশন। এই অভিযানের নির্দিষ্ট কোনও তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে ব্যোমমিত্র মিশনের (Gaganyaan Vyommitra) সাফল্য প্রশস্ত করবে ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযাত্রার পথ।

    ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ বলেন, “২০২৫ সাল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি বছর হতে চলেছে। ইসরো চারটি জিএসএলভি রকেট লঞ্চ করবে। এছাড়াও তিনটি পিএসএলভি এবং একটি এসএসএলভি রকেট লঞ্চ করবে (ISRO)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chinmoy Krishna Das: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    Chinmoy Krishna Das: ফের খারিজ জামিন, চিন্ময় কৃষ্ণকে জেলেই মারতে চাইছে ইউনূস প্রশাসন! কীসের ভয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Krishna Das) কি জেলেই পচিয়ে মারতে চাইছে বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস প্রশাসন? বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের মহানগর দায়রা আদালতে তাঁর জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর এই প্রশ্নটাই উঠল। এদিন প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে শুনানি চলে। চিন্ময়ের জামিনের সওয়াল করে আইনজীবী অপূর্বকুমার ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের ১১ জন আইনজীবীর একটি দল।

    জামিনের আবেদন খারিজ (Chinmoy Krishna Das)

    গ্রেফতারি এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে রয়েছেন চিন্ময়ের প্রথম আইনজীবী শুভাশিস শর্মা। বুকে ব্যথা নিয়ে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আর এক আইনজীবী রবীন্দ্র দাস। তাঁদের পরিবর্তে এদিন ওই আইনজীবীরা লড়াই করেন চিন্ময়ের হয়ে। শুনানি শেষে সরকারি আইনজীবী মফিজুর হক ভুঁইয়ার আবেদন মেনে দায়রা বিচারক মহম্মদ সফিকুল ইসলাম চিন্ময়ের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। বিচারক জানান, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় গ্রেফতার চিন্ময়ের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে। তাই জামিন দেওয়া সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    ইউনূসের স্বজাতি প্রেম!

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের স্বজাতি প্রেমের কথা কারও অজানা নয়। দিন কয়েক আগেই জামিন পেয়েছে ২০০৪ সালের গ্রেনেড হত্যা মামলার ফাঁসির আসামী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু। তার আগে এই একই মামলায় জামিন পেয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুধু তাই নয়, ইউনূসের আমলে ফাঁসির সাজা মকুব হয় খোদ উলফা প্রধান জঙ্গি পরেশ বড়ুয়ার। ব্লগার রাজীব হায়দার খুনের মামলায় জামিন পায় আনসারুল্লা বাংলা টিমের চাঁই জসিমউদ্দিন রহমানি। অথচ হিন্দু সন্ন্যাসীকে গারদে রাখা হয়েছে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলে!

    চিন্ময় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সংগঠন (Chinmoy Krishna Das) সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের অন্যতম নেতা। চিন্ময় ওই সংগঠনেরই মুখপাত্র। এদিকে, এদিন আদালত চত্বরে জামাতপন্থী আইনজীবীরা চিন্ময়ের জামিন না দেওয়ার দাবিতে স্লোগান দেন। চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময়কে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার করে ইউনূস প্রশাসন। ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম (Bangladesh) আদালতে খারিজ হয়ে যায় তাঁর জামিনের আবেদন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর (Chinmoy Krishna Das)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর শতবর্ষে (Centenary Year) পদার্পণ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। এ বছর তাদের সংগঠনের নেটওয়ার্ক আরও প্রসারিত করতে প্রস্তুত তারা। বিজয়া দশমীর দিন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আরএসএস। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডঃ কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার। আরএসএসের প্রথম শাখা খোলা হয়েছিল নাগপুরে, একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে।

    আরএসএসের প্রভাব (RSS)

    গত ৯৯ বছরে দেশজুড়ে আরএসএস তাদের প্রভাব ব্যাপকভাবে বিস্তার করেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে আরএসএস কর্তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জানা গিয়েছিল দেশের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গিয়েছে আরএসএস। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশের ৪৫ হাজার ৪১১টি জায়গায় পরিচালিত হচ্ছে ৭২ হাজার ৩৫৪টি শাখা। গত এক বছরে ৩ হাজার ৬২৬টি নতুন জায়গায় ৬ হাজার ৬৪৫টি নতুন শাখা যোগ হয়েছে। শতবর্ষপূর্তি উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই তৈরি হয়েছে এই শাখাগুলি। আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টার জন্য কোনও একটি জায়গায় একত্রিত হন। একে বলে সাপ্তাহিক শাখা। বর্তমানে এমন শাখার সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬৯টি। ২০২৪ সালে সাপ্তাহিক শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ১৪৭টি। 

    ‘সংঘ মণ্ডলী’

    এখনও দেশের এমন কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে আরএসএস (RSS) মনে করে আরও সক্রিয়ভাবে পৌঁছানো প্রয়োজন। যেসব জায়গায় প্রতিদিনের শাখা এখনও চালু হয়নি, সেখানে মাসিক মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। এভাবেই প্রতিদিনের শাখা চালুর জন্য মাটি প্রস্তুত করার কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে, এমন মাসিক সভা হয় ১১ হাজার ৩৮২টি জায়গায়। ২০২৪ সালে এমন ৭৫০টি নতুন জায়গা যোগ হয়েছে যেখানে এই মাসিক সভা হয়। আরএসএসের পরিভাষায় এই মাসিক সভার দলগুলোকে বলা হয় ‘সংঘ মণ্ডলী’ (Centenary Year)। ২০২৪ সালে আরএসএস সরাসরি ১ লাখ ১৩ হাজার ১০৫টি জায়গায় তার কাজকর্ম বিস্তার করেছে। এর সঙ্গে আরএসএস-প্রাণিত প্রায় ৩৬টি সংস্থার কার্যক্রম যোগ করলে দেখা যাবে আরএসএস স্বয়ংসেবকদের বিপুল প্রচার দিন দিন অতুলনীয় হয়ে উঠছে।

    দেশবাসীর পাশে আরএসএস

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বারংবার ভারতবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে আরএসএস। বছরভর সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ দেওয়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে তারকেশ্বরী নদীর বন্যার সময় ত্রাণ শিবির খুলে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছে আরএসএসের তরফে। ওড়িশার ভয়াবহ বন্যার সময় ৪ হাজার মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা, খাবার ও পানীয় জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেরলের ওয়েনাড়ে বিধ্বংসী ভূমিধসের পর দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরএসএসের এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক। তাঁদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয় আরএসএসের তরফে। গুজরাটের ভাদোদারা, জামনগর এবং দ্বারকা অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার সময়ও দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা (Centenary Year)। এর পাশাপাশি সংঘ স্বয়ংসেবকরা বিভিন্ন দুর্যোগে প্রাণ হারানো ৬০০-এরও বেশি মানুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (RSS) পালন করেছেন। মৃতদের প্রত্যেকের ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে।

    শতবর্ষ পূর্তি

    আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি হবে চলতি বছরের বিজয়া দশমীর দিন। তখনই শুরু হবে শতবর্ষপূর্তি উৎসব। এ বছরের প্রথম দশ মাস ধরে শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি নেবেন আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরএসএস দুটি প্রধান ক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছে। প্রথমত, সাংগঠনিক দিক। আরএসএস আরও বেশি করে পূর্ণ সময়ের কর্মী সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল দেশের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও নগরে আরএসএসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। আরএসএসের কাছে কোনও কিছু উদযাপন মানে চকচকে ইভেন্ট বা জাঁকজমকপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করা নয়। আরএসএস উদযাপন করে তার সংগঠন সম্প্রসারণের জন্য বড় লক্ষ্য গ্রহণ করে এবং বর্তমানে যে নেটওয়ার্ক রয়েছে, তাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে। এর আগের কিছু সরসংঘচালকের শতবার্ষিকীও ঠিক এভাবেই উদযাপন করেছিল তারা। ২০২৫ সালে আরএসএসের আর একটি লক্ষ্য হল যুবসমাজকে (RSS) বেশি করে কাছে টানা। যাতে তারা কেবল তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গেই যুক্ত হয় না, তারা যাতে সমাজের সেবাও করতে পারে, তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    সামাজিক রূপান্তর

    দ্বিতীয় যে ক্ষেত্রটিতে আরএসএস নতুন করে জোর দিচ্ছে, তা হল সামাজিক রূপান্তর। এই কাজের আদর্শ কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। নাম দেওয়া হয়েছিল “পঞ্চ পরিবর্তন” উদ্যোগ – পাঁচটি রূপান্তরকারী ধারণার একটি সেট। আরএসএস কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ধারণাগুলি নিয়ে যোগাযোগ করবেন। এগুলি বাস্তবায়নের জন্যও কাজ করবেন তাঁরা। এই পাঁচটি ধারণার মূল ফোকাসের ক্ষেত্রগুলি হল- ব্যক্তিগত উন্নয়ন: “স্বরাজ” (স্বনির্ভরতা এবং আত্মসচেতনতা)-কে কেন্দ্র করে জীবনধারার প্রচার। সামাজিক সম্প্রীতি: সমাজে ঐক্যের সম্পর্ক গড়ে তোলা। পারিবারিক মূল্যবোধ: শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন ও ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া। পরিবেশ সংরক্ষণ: পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের প্রচার। এবং নাগরিক দায়িত্ব: নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রচার (RSS)।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদরা যখন আরএসএসের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক এবং এর নির্বাচনী প্রভাব বিশ্লেষণ করতে ব্যস্ত থাকেন, তখন আরএসএস তার সাংগঠনিক সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করে। আরএসএস নির্বাচনী রাজনীতির বিষয়ে খুব কমই চিন্তা করে। ২০২৫ সালেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যেমনটা রয়েছে গত ৯৯ বছর ধরে (Centenary Year)। এটাই আরএসএসের প্রকৃত শক্তি (RSS)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Ansarullah Bangla Team: রাজ্যের তিন পর্যটনকেন্দ্রে হামলার ছক বাংলাদেশি জঙ্গিদের, সতর্ক করে অসম পুলিশ

    Ansarullah Bangla Team: রাজ্যের তিন পর্যটনকেন্দ্রে হামলার ছক বাংলাদেশি জঙ্গিদের, সতর্ক করে অসম পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের গোড়াতেই পশ্চিমবঙ্গের তিনটি পর্যটন কেন্দ্রে হামলার ছক কষে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (Ansarullah Bangla Team)। এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) পুলিশকে সতর্ক করে অসম পুলিশ। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদ এবং মালদার তিনটি পর্যটন কেন্দ্রে হামলার ছক কষেছিল বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠী আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (সংক্ষেপে এবিটি)। জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য সাজিবুল ইসলামকে জেরা করে এমনটাই জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে কীভাবে হামলার পরিকল্পনা করেছিল জঙ্গিরা, তাও জানতে পেরেছে পুলিশ। হামলার দায়িত্ব কোন কোন জঙ্গিকে দেওয়া হয়েছিল, তা-ও জানা গিয়েছে। অসম পুলিশের হেফাজতে থাকা ধৃত সাজিবুল স্বীকার করেছে হামলার পরিকল্পনার কথা।

    হামলার ছক (Ansarullah Bangla Team) হাজারদুয়ারিতে

    অসম পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (এসটিএফ) জানিয়েছে, মুর্শিদাবাদের হাজারদুয়ারি এবং আরও একটি পর্যটনকেন্দ্রে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল আনসারুল্লাহের। একইসঙ্গে মালদার একটি পর্যটন কেন্দ্রেও হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল! অসম পুলিশের জেরায় ধৃত জঙ্গি জানিয়েছে, গত অক্টোবরে বাংলাদেশের ভারত লাগোয়া একটি সীমান্তবর্তী গ্রামে আনসারুল্লাহ বাংলা দলের প্রধান জসিমউদ্দিন রহমানির সঙ্গে এনিয়ে বৈঠক করেছিল শাব। প্রসঙ্গত, জঙ্গি শাবকে দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করে পুলিশ। অসম পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, বাংলাদেশের ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিল আব্বাস আলি ও সাজিবুল। সেখানেই হামলার দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল।

    কোন জঙ্গি কোন দায়িত্বে (Ansarullah Bangla Team)

    অসম পুলিশের জেরায় সাজিবুল জানিয়েছে, মহিলাদের মধ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা দলের প্রভাব বিস্তার করার দায়িত্ব ছিল তার উপর। এ ছাড়াও, উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে ফান্ডিং-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সাজিবুলকে। আইএস জঙ্গিদের কাছ থেকে অস্ত্র প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও করে আনসারউল্লাহ বাংলা টিম, এমন আত্মঘাতী মডিউলের সদস্যদের বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল আব্বাসের ওপর। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় শিক্ষার আড়ালে মুর্শিদাবাদের একাধিক এলাকার কিশোরদের মগজধোলাই করার দায়িত্ব দেওয়া হয় মণিরুল শেখকে। মুস্তাকিনের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সংগঠন বিস্তারের। অসম পুলিশের এসটিএফের সদস্য প্রধান মহন্তের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলাকে ভিত্তি করে আনসারুল্লাহ বাংলা দল সারা দেশে জাল তৈরি করছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kishenji: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    Kishenji: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও ‘দমনে’ মিলল বড় সাফল্য। আত্মসমর্পণ করলেন কিষেনজির (Kishenji) ভাইবউ। বুধবার মহারাষ্ট্রের গঢ়ছিরৌলিতে বিদর্ভ অঞ্চলের যে ১১ জন মাওবাদী (CPI Maoist) নেতানেত্রী সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, সেই তালিকায় প্রথম নাম বিমলা চন্দ সিদাম ওরফে তারাক্কার। তিনি পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির কমান্ডার তথা দণ্ডকারণ্য জোনাল কমিটির নেত্রী। তাঁর স্বামী মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এই বিমলাই সম্পর্কে কিষেনজির ভাইবউ।

    কিষেনজির ভাইবউ (Kishenji)

    গত ৩৮ বছর ধরে নকশালপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বিমলা। ১৯৮৩ সালে সিপিআইএমএল (পিডব্লিউজি)-র হাত ধরে সশস্ত্র বিপ্লবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দ্রুত তিনি হয়ে ওঠেন কিষেনজির আস্থাভাজন। বছর পনের আগে পশ্চিমবাংলার ঝাড়গ্রামের বুড়িশোলের জঙ্গলে যৌথবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছিল কিষেনজির। তার আগেই অবশ্য বিমলার স্বামী বেণুগোপালও সংগঠনের প্রথম সারির নেতা হয়ে গিয়েছিলেন। বিমলার বিরুদ্ধে গঢ়ছিরৌলিতে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৮ জনকে খুন করার অভিযোগ রয়েছে। বিমলার সঙ্গেই এদিন আত্মসমর্পণ করেছেন আরও ১০ জন মাওবাদী।

    মাওবাদীদের মাথার দাম

    এঁদের সম্মিলিত মাথার দাম এক কোটি তিন লাখ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশের হাত থেকে ভারতীয় সংবিধান হাতে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এই ১১ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সিপিআই মাওবাদীর গঢ়ছিরৌলি ডিভিশনের নাংশু তুমরেতি ওরফে গিরিধর ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতা উসেন্দি ওরফে ললিতাও। গিরিধর ১৭০টি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লাখ টাকা (CPI Maoist)। মহারাষ্ট্র পুলিশের দাবি, গঢ়ছিরৌলি-সহ বিদর্ভের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি ছত্তীশগড়েও একাধিক নাশকতার ঘটনায় জড়িত বিমলা-সহ আত্মসমর্পণকারী ১১ জন মাওবাদী নেতানেত্রী।

    কিষেনজির স্ত্রী

    ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশের জালে ধরা পড়েছিলেন কিষেনজির স্ত্রী পোথুলা কল্পনা ওরফে সুজাতা। তেলঙ্গানা পুলিশের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ সূত্র মারফত খবর পেয়ে গোপন ডেরা থেকে গ্রেফতার করেছিল কিষেনজির স্ত্রীকে। পুলিশ সূত্রে খবর, কিষেনজির স্ত্রী সাউথ সাব জোনাল ব্যুরোর ইনচার্জ হয়ে কাজ সামলাচ্ছিলেন। কিষেনজির মৃত্যুর পর নানা রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছিলেন সুজাতা। তাঁর আদত বাড়ি তেলঙ্গনার জগুলাম্বা গাড়োয়াল জেলার পেঞ্চিকালপেট গ্রামে। কিষেনজির স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হলেও, আত্মসমর্পণ করলেন তাঁর (CPI Maoist) ভাইবউ (Kishenji)।

    আরও পড়ুন: জেএমবি-র সদস্যরাই এখন এবিটি-তে সক্রিয়, কবুল করল মুর্শিদাবাদে ধৃত বাংলাদেশি জঙ্গিরা

    মাওবাদী আত্মসমর্পণ

    এ নিয়ে গত তিন সপ্তাহে তিন বার বিদর্ভ এলাকায় মাওবাদী আত্মসমর্পণের ঘটনা ঘটল। ২৭ ডিসেম্বর মলাজখণ্ড দলাম ও ৯ নম্বর পামেড় প্লাটুনের কমান্ডার দেব ওরফে অর্জুন ওরফে রাকেশ সুমদো মুদাম গোন্ডিয়া আত্মসমর্পণ করেছিলেন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। তাঁর মাথার দাম ছিল ৭ লাখ টাকা। ডিসেম্বরেই গঢ়ছিরৌলি জেলায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন দুই মাওবাদী কমান্ডার রামাসু পয়াম ওরফে নরসিং এবং রমেশ কুঞ্জম ওরফে গোবিন্দ। রামাসুর মাথার দাম ছিল ৬ লাখ টাকা, রমেশের ২ লাখ। বুধবার আত্মসমর্পণ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ বলেন, “আমাদের রাজ্যে মাওবাদীদের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্র শীঘ্রই মাওবাদী মুক্ত হবে।” তাঁর দাবি, উত্তর গঢ়ছিরৌলি ইতিমধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হয়েছে। 

    বড় সাফল্য

    শুধু মহারাষ্ট্র নয়, দেশজুড়ে মাওবাদী বিরোধী অভিযানের প্রেক্ষিতেও বিমলার আত্মসমর্পণ সাম্প্রতিক কালের সব চেয়ে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে। গত অক্টোবরেই বস্তারে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৮ জন মাওবাদীর। নারায়ণপুর-দান্তেওয়াড়া আন্তঃজেলা সীমানায় আবুঝমাডে থুলথুলি ও নেন্দুর গ্রামের মাঝে জঙ্গলে দুপক্ষে গুলি বিনিময় শুরু হয়। নিহত হন ২৮ জন মাওবাদী। মৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একে ৪৭ রাইফেল এবং সেল্ফ লোডিং রাইফেল। গত ১৬ এপ্রিল কাঁকের জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন ২৯ জন মাওবাদী। এঁদের মধ্যে ওয়ান্টেড মাওবাদীও ছিলেন কয়েকজন।

    শাহের বক্তব্য

    প্রসঙ্গত, গত অগাস্টের শেষ দিকে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে মাওবাদী (Kishenji) দমন নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “২০০৪ সাল থেকে ২০১৪-এর মধ্যে সারা দেশে যত মাওবাদী হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেই তুলনায় ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মাওবাদী হামলার ঘটনা কমে গিয়েছে ৫৩ শতাংশ।” তিনি বলেছিলেন, “এবার কঠোর পরিকল্পনার মাধ্যমে মাওবাদী সন্ত্রাসের সমস্যা মোকাবিলার জন্য চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় এসে গিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদী সন্ত্রাসের কবল থেকে মুক্ত করতে পারব।”

    দিন কয়েক আগে এসএসবির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলায় এসেছিলেন শাহ। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, “মাওবাদী দমন অভিযানগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এসএসবির। তারা সিআরপিএফ এবং স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ অভিযানে শামিল হয়। চার দশক পর বিহার ও ঝাড়খণ্ড এখন মাওবাদীমুক্ত হয়েছে। ছত্তিশগড়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এসএসবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে (CPI Maoist)। এবার ওই রাজ্য থেকেও মাওবাদীদের অবলুপ্তি ঘটবে (Kishenji)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share