Tag: Bengali news

Bengali news

  • LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৬,০০০ মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি (LPG) বহনকারী একটি ট্যাঙ্কার শনিবার সকালে পার হল হরমুজ প্রণালী। ৬ এপ্রিলের মধ্যে মুম্বই বন্দরে পৌঁছবে বলেই আশা। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংয়ের তরফে (Hormuz Strait) জানানো হয়েছে, এলপিজি বহনকারী জাহাজ গ্রিন সানভি বর্তমানে প্রণালী পার হয়ে গিয়েছে। জাহাজ মন্ত্রকের কর্তারা জানান, জাহাজটি ৪৬,৬৫৫ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করছে।

    ভারতীয় বন্দরে দুই জাহাজ (LPG)

    দিন কয়েক আগেই হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতীয় বন্দরে পৌঁছেছে দুটি এলপিজি ভর্তি ট্যাঙ্কার। এর মধ্যে জাগ বসন্ত (Jag Vasant) কাণ্ডলায় পৌঁছেছে ৪৭,৬১২ মেট্রিক টন এলপিজি, আর পাইন গ্যাস (Pine Gas) নিউ মাঙ্গালোর বন্দরে ৪৫,০০০ মেট্রিক টন এলপিজি পৌঁছে দিয়েছে। আরও দুটি এলপিজি জাহাজ গ্রিন আশা (Green Asha)  এবং জাগ বিক্রম (Jag Vikram) বর্তমানে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে। পদস্থ এক নৌ-আধিকারিক জানান, ওই অঞ্চলে আটকে থাকা সব জাহাজের চলাচল নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

    শিপিং কর্তার বক্তব্য

    এদিকে, বিডাব্লু টিওয়াইআর নামের এলপিজি ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যেই মুম্বই পৌঁছে গিয়েছে। মুম্বই আউটার পোর্ট লিমিটসে জাহাজ-থেকে-জাহাজ পদ্ধতিতে পণ্য খালাস করা হয়েছে। আর একটি জাহাজ বিডাব্লু ইএলএমকে এন্নোর বন্দরের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৪ এপ্রিল ভারতে পৌঁছানোর কথা এই জাহাজটির (Hormuz Strait)। শিপিং-কর্তা জানান, বর্তমানে ১৭টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে, ২টি ওমান উপসাগরে, ২টি এডেন উপসাগরে এবং ১টি লোহিত সাগরে অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৫টি জাহাজ শিপিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন।

    ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই লক্ষ্য!

    পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২০,৫০০ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫০৪ জন ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে কর্মরত, এবং ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন শিপিং কোম্পানি ১,১৩০ জন নাবিককে সরিয়ে নিয়েছে (LPG)। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান সমন্বয় এই অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ ও সময় মতো চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে। আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ভারতীয় বন্দরে এলপিজির সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Hormuz Strait)। এই ঘটনাপ্রবাহ উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা এবং নাবিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে, যাতে নির্বিঘ্নে ভারতে পৌঁছতে পারে জ্বালানি ভর্তি ট্যাঙ্কার (LPG)।

     

  • US Army Chief: মার্কিন সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে বিরাট চাঞ্চল্য

    US Army Chief: মার্কিন সেনাপ্রধান র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ! ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আবহে বিরাট চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্দরে এক নজিরবিহীন অস্থিরতা প্রকাশ্যে এসেছে। সেনাপ্রধান (US Army Chief) জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মূলত প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের (Defence Secretary Pete Hegseth) সঙ্গে গভীর মতপার্থক্যের জেরেই তাঁকে সরে যেতে হল বলে জানা গেছে।

    নীতিগত সংঘাত (US Army Chief)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের গৃহীত বেশ কিছু সামরিক সংস্কার এবং নীতির সঙ্গে একমত হতে পারছিলেন না জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জ (US Army Chief)। বিশেষ করে বাহিনীর আধুনিকীকরণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তনের বিষয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঠান্ডা লড়াই চলছিল।

    নেতৃত্বের ধরণ নিয়ে বিতর্ক

    ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে প্রতিরক্ষা সচিব হিসেবে হেগসেথের কাজের ধরণ এবং সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি তাঁর কঠোর অবস্থান সেনাপ্রধানের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল (Defence Secretary Pete Hegseth)। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের রদবদল নিয়ে দুজনের মধ্যে চূড়ান্ত মতবিরোধ (US Army Chief) তৈরি হয়।

    প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে জর্জ ইরাক ও আফগানিস্তানে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর তথ্য অনুসারে, আফগানিস্তানে তিনি দুর্গম উপত্যকাগুলো থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের তত্ত্বাবধান করেছেন। মার্কিন বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তা

    জেনারেল জর্জের (US Army Chief) এই আকস্মিক বিদায় মার্কিন সেনাবাহিনীর চেন অফ কমান্ডের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে সেনাপ্রধানের এই প্রস্থানকে অনেকেই ‘বিপজ্জনক’ বলে মনে করছেন।

    দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, হেগসেথ এবং জর্জের মধ্যকার উত্তেজনার কারণ সেনাবাহিনীর দিকনির্দেশনা নিয়ে কোনও মৌলিক মতবিরোধ ছিল না। বরং, সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, এই বিরোধের মূল কারণ ছিল সেনাবাহিনীর প্রতি হেগসেথের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ, কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধ এবং মার্কিন সেনা সচিব ড্যানিয়েল পি ড্রিসকলের সাথে তার তিক্ত সম্পর্ক।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    সমালোচকদের একাংশের মতে, পেন্টাগনের প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর যে চেষ্টা চলছে, এই পদত্যাগ তারই একটি বড় প্রতিফলন। জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জের পদত্যাগ কেবল একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিদায় নয়, বরং এটি মার্কিন সামরিক নেতৃত্বের অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা ফাটলের বহিঃপ্রকাশ। হোয়াইট হাউস এখন এই শূন্যস্থান পূরণে কাকে বেছে নেয় এবং হেগসেথের সাথে নতুন সেনাপ্রধানের রসায়ন কেমন হয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে সারা বিশ্ব।

  • Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    Madras High Court: সংরক্ষিত আসনে অহিন্দুদের প্রার্থী বাতিলের দাবি, মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তফশিলি জাতির (SC) জন্য সংরক্ষিত নির্বাচনী আসনগুলোতে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা নিয়ে ভারতের বিচারব্যবস্থায় এক নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) একটি আবেদন জমা পড়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তফশিলি জাতির ব্যক্তিরাই সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হোক। ধর্মান্তরিত হওয়া কোন ব্যক্তিকে যেন এসসি হওয়ার সংরক্ষণ না মেলে সেই দিকের কথা ভেবে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হোক।

    হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া মানুষের সংরক্ষণ (Madras High Court)

    জনস্বার্থ মামলায় (PIL) আবেদনকারী দাবি করেছেন যে, ভারতের সংবিধান অনুযায়ী তফশিলি জাতির বিশেষ সুবিধাগুলি মূলত হিন্দু ধর্মের অন্তর্গত পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত। পরবর্তীতে শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মকেও এর আওতায় আনা হলেও, ইসলাম বা খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত ব্যক্তিরা এই সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন।

    ধর্মান্তর ও সংরক্ষিত আসন

    আবেদনে (Madras High Court) অভিযোগ করা হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে তফশিলি জাতির ব্যক্তিরা অন্য ধর্মে বিশেষত খ্রিস্টধর্মে বা মুসলিম ধর্মে রূপান্তরিত হওয়ার পরেও কাগজে-কলমে তফশিলি পরিচয় বজায় রেখে সংরক্ষিত আসন থেকে নির্বাচন লড়ছেন। এটি প্রকৃত হিন্দু তফশিলি প্রার্থীদের অধিকার হরণ করছে বলে দাবি জানানো হয়েছে।

    আইনি যুক্তি

    আবেদনকারী ১৯৫০ সালের সংবিধান (তফশিলি জাতি) আদেশ-এর উল্লেখ করেছেন। ওই আদেশ অনুযায়ী, হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ছাড়া অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিকে তফশিলি জাতির সদস্য হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এই মামলাটি ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার (Madras High Court) এবং অন্যদিকে সংরক্ষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা—এই দুইয়ের ভারসাম্য নিয়ে আদালত কী অবস্থান নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়। মামলাটি গৃহীত হলে এটি সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনী সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

    আদালতের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা

    মামলাটিতে নির্বাচন কমিশনকে (SC) নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তারা প্রার্থী বাছাইয়ের সময় বিষয়টি কঠোরভাবে যাচাই করে। অন্য ধর্মে বিশ্বাসী কেউ যাতে তফশিলি সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দাখিল করতে না পারেন, তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

  • Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    Election Commission India: ভোট মিটলেও রাজ্যে থাকবে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী, নির্বাচনোত্তর হিংসা রুখতে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী (Election Commission India) ইতিহাসে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সাধারণত নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হলেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্য ত্যাগ করে, কিন্তু বিগত বছরগুলোর তিক্ত অভিজ্ঞতা এবং কালিয়াচকের সাম্প্রতিক অশান্তির কথা মাথায় রেখে কমিশন (West Bengal Elections 2026) এবার বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজ্যে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও অন্তত ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাবে। ভোট-পরবর্তী হিংসা রুখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    হিংসা দমনে জিরো টলারেন্স(Election Commission India)

    বিগত নির্বাচনগুলোতে (Election Commission India) ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে অশান্তির চিত্র দেখা গিয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধ করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য। কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ফল প্রকাশের পর কোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা গোলমাল বরদাস্ত করা হবে না।

    কালিয়াচককাণ্ডের প্রভাব

    মালদার কালিয়াচকে সরকারি আধিকারিকদের হেনস্থা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি ত্বরান্বিত করেছে। নিরাপত্তার পরিবেশ এতটাই অটুট রাখতে চায় কমিশন, যাতে ভোটার ও গণনার (West Bengal Elections 2026) কাজে নিযুক্ত কর্মীরা নির্ভয়ে থাকতে পারেন।

    রাজ্য প্রশাসনের সাথে সমন্বয়

    কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও তারা স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করবে। তবে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে টহলদারি এবং নজরদারির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতেই। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে তারা কোনও প্রকার ঝুঁকি নিতে নারাজ। ভোটের ফলাফল (West Bengal Elections 2026) পরবর্তী সময়কালকে শান্তিময় রাখতে এই অতিরিক্ত সুরক্ষা কবচ রাজ্যবাসীর মনে আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) আধিকারিকদের ঘেরাও এবং হেনস্থার ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আগেও উত্তেজক ভাষণ দিয়ে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অপর দিকে কালিয়াচকের ঘটনা অমিত মালব্যের শেয়ার করা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে, যখন বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল, তখন নেপথ্যে থেকে তৃণমূলের একজন মন্ত্রী ও স্থানীয় নেতৃত্ব ইন্ধন জোগাচ্ছিলেন। মালব্যের মতে, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ ছিল না, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযুক্ত মন্ত্রীর নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছেন একটি বার্তায়।

    উস্কানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভা থেকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে প্ররোচিত করছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সেই সব বক্তব্যের কারণেই কালিয়াচকের মতো জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, “মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছেন,” যার ফলে নির্বাচন কমিশনের কাজ পরিচালনা করা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং এর নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিনি ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।

    নির্বাচন কমিশনকে বার্তা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন রাজ্যে আরও কঠোরভাবে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) প্রয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে এলাকা দখলমুক্ত করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কালিয়াচকের ঘটনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বিশৃঙ্খলা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক মদতপুষ্ট একটি পরিকল্পিত বাধা। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা না করে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপই একমাত্র পথ।” মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026)  আধিকারিকদের পণবন্দি করে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম) পোস্ট করে তিনি রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ

    বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং বেআইনি ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই আধিকারিকদের ওপর ভয় দেখানো ও মানসিক চাপ সৃষ্টির এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। অমিত মালব্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন আধিকারিকদের কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখা হল, তখন স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয় ছিল? তাঁর মতে মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া পুলিশের এই নীরবতা সম্ভব নয়।

    গণতন্ত্রের ওপর আঘাত

    এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের লজ্জা হিসেবে অভিহিত করে বিজেপি দাবি করেছে যে, রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য শাসক দল পেশিশক্তি ব্যবহার করছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক (West Bengal Elections 2026) স্তরে কড়াকড়ি শুরু করেছে, অন্যদিকে অমিত মালব্যের এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ভিডিওটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Daily Horoscope 04 April 2026: কাজের ক্ষেত্রে হঠাৎ পরিবর্তন আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 04 April 2026: কাজের ক্ষেত্রে হঠাৎ পরিবর্তন আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) হঠাৎ কোনও অপ্রত্যাশিত খবর চমকে দিতে পারে।
    ২) নিজের উপর ভরসা রাখলে জটিল কাজও সহজ হবে।
    ৩) পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার দিন।

    বৃষ
    ১) আজ কিছুটা অলসতা গ্রাস করতে পারে, সাবধান থাকুন।
    ২) কাছের কারও পরামর্শ কাজে লাগতে পারে।
    ৩) ছোটখাটো লাভে মন খুশি হবে।

    মিথুন
    ১) একাধিক কাজ একসঙ্গে সামলাতে হতে পারে।
    ২) নতুন পরিচয় ভবিষ্যতে উপকারে আসবে।
    ৩) অপ্রয়োজনীয় দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।

    কর্কট
    ১) পারিবারিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ২) আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখলে লাভবান হবেন।
    ৩) দিনের শেষে স্বস্তি ফিরে পাবেন।

    সিংহ
    ১) নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ আসতে পারে।
    ২) কারও ঈর্ষা আপনার পথে বাধা হতে পারে।
    ৩) ধৈর্য রাখলে পরিস্থিতি নিজের পক্ষে যাবে।

    কন্যা
    ১) হঠাৎ করে কাজের চাপ বেড়ে যেতে পারে।
    ২) কোনও নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ মিলবে।
    ৩) স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা করবেন না।

    তুলা
    ১) সম্পর্কের টানাপোড়েন মিটে যেতে পারে।
    ২) নিজের মতামত স্পষ্টভাবে জানানো দরকার।
    ৩) নতুন পরিকল্পনা মাথায় আসবে।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন কোনও বিষয় প্রকাশ পেতে পারে।
    ২) আর্থিক বিষয়ে সতর্কতা জরুরি।
    ৩) ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান।

    ধনু
    ১) নতুন জায়গা বা নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে হতে পারে।
    ২) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ হতে পারে।
    ৩) আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

    মকর
    ১) কাজের ক্ষেত্রে হঠাৎ পরিবর্তন আসতে পারে।
    ২) দায়িত্ব বাড়লেও সাফল্যের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
    ৩) নিজের সময় বের করা জরুরি।

    কুম্ভ
    ১) নতুন আইডিয়া আপনাকে এগিয়ে দেবে।
    ২) আর্থিক দিক থেকে সামান্য উন্নতি হবে।
    ৩) কাছের মানুষের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি মিটবে।

    মীন
    ১) কল্পনাশক্তি আজ চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকবে।
    ২) সৃজনশীল কাজে সাফল্য পেতে পারেন।
    ৩) বাস্তবতা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 615: “অনকগুলি ভক্ত সম্মুখে উপবিষ্ট; তন্মধ্যে শ্রীযুক্ত গিরিশ ঘোষ, ছোট নরেন্দ্র, শরৎ ইত্যাদি”

    Ramakrishna 615: “অনকগুলি ভক্ত সম্মুখে উপবিষ্ট; তন্মধ্যে শ্রীযুক্ত গিরিশ ঘোষ, ছোট নরেন্দ্র, শরৎ ইত্যাদি”

    শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    ভক্তসঙ্গে — শুধু পাণ্ডিত্যে কি আছে?

    এই সকল কথা হইতে হইতে শ্রীশ্রীঠাকুর পরমহংসদেব শ্যমপুকুরে (Ramakrishna) যে বাড়িতে চিকিৎসার্থ অবস্থান করিতেছেন, সেই বাড়ির সম্মুখে ডাক্তারের গাড়ি আসিয়া লাগিল। তখন বেলা ১টা। ঠাকুর দোতলার ঘরে বসিয়া আছেন। অনকগুলি ভক্ত সম্মুখে উপবিষ্ট; তন্মধ্যে শ্রীযুক্ত গিরিশ ঘোষ, ছোট নরেন্দ্র, শরৎ ইত্যাদি। সকলের দৃষ্টি সেই মহাযোগী সদানন্দ মহাপুরুষের দিকে। সকলে যেন মন্ত্রমুগ্ধ সর্পের ন্যায় রোজার সম্মুখে বসিয়া আছেন। অথবা বরকে লইয়া বরযাত্রীরা যেন আনন্দ করিতেছেন। ডাক্তার ও মাস্টার আসিয়া প্রণাম করিয়া আসন গ্রহণ (Kathamrita) করিলেন।

    ডাক্তারকে দেখিয়া হাসিতে হাসিতে শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) বলিতেছেন, “আজ বেশ ভাল আছি।”

    ক্রমে ভক্তসঙ্গে ঈশ্বর সম্বন্ধীয় অনেক কথাবার্তা চলিতে লাগিল।

    পূর্বকথা—রামনারায়ণ ডাক্তার—বঙ্কিম সংবাদ

    শ্রীরামকৃষ্ণ — শুধু পণ্ডিত কি হবে, যদি বিবেক-বৈরাগ্য না থাকে। ঈশ্বরের পাদপদ্ম চিন্তা করলে আমার একটি অবস্থা হয়। পরনের কাপড় পড়ে যায়, শিড়্‌ শিড় করে পা থেকে মাথা পর্যন্ত কি একটা উঠে। তখন সকলকে তৃণজ্ঞান হয়। পণ্ডিতের যদি দেখি বিবেক নাই, ঈশ্বরে ভালবাসা নাই, খড়কুটো মনে হয়।

    “রামনারায়ণ ডাক্তার আমার সঙ্গে তর্ক করছিল; হঠাৎ সেই অবস্থাটা হল। তারপর তাঁকে বললুম, তুমি কি বলছো? তাঁকে তর্ক করে কি বুঝবে! তাঁর সৃষ্টিই বা কি বুঝবে। তোমার তো ভারী তেঁতে বুদ্ধি। আমার অবস্থা দেখে সে কাঁদতে লাগল — আর আমার পা টিপতে লাগল।”

    ডাক্তার — রামনারায়ণ (Ramakrishna) ডাক্তার হিন্দু কি না! আবার ফুল-চন্দন লয়! সত্য হিন্দু কি না।

    মাস্টার (স্বগতঃ) — ডাক্তার বলেছিলেন, আমি শাঁকঘণ্টায় (Kathamrita) না।।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — বঙ্কিম তোমাদের একজন পণ্ডিত। বঙ্কিমের সঙ্গে দেখা হয়েছিল — আমি জিজ্ঞাসা করলুম, মানুষের কর্তব্য কি? তা বলে, ‘আহার, নিদ্রা আর মৈথুন।’ এই সকল কথাবার্তা শুনে আমার ঘৃণা হল। বললুম যে, তোমার এ কিরকম কথা! তুমি তো বড় ছ্যাঁচ্‌ড়া। যা সব রাতদিন চিন্তা করছো, কাজে করছো, তাই আবার মুখ দিয়ে বেরুচ্চে।

  • Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    Election Commission: রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা, কালিয়াচক কাণ্ডের জেরে কঠোর অবস্থান কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা কালিয়াচকে ভোটার তালিকা সংশোধনী (SIR) প্রক্রিয়ার শুনানি চলাকালীন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) অত্যন্ত কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে। এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে।

    বেআইনি জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা (Election Commission India)

    কালিয়াচকের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে রাজ্যজুড়ে যে কোনও ধরনের বেআইনি জমায়েত বা উস্কানিমূলক বিক্ষোভের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েতের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করা যাবে না। যদি কেউ এই নির্দেশ অমান্য করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগে থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    স্টেটাস রিপোর্ট তলব কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিকের কাজে বাধা দিলে বা তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। পাশাপাশি, জামিন বা প্যারোলে জেলের বাইরে, ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত বা যাঁদের অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার নিয়ে স্টেটাস রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে, জামিনঅযোগ্য মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের (যাঁরা এখনও গ্রেফতার হননি) নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পাশাপাশি আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের গ্রেফতার করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ও বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে, স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে (SIR) এবং যেখানে ভোটার তালিকা সংশোধনের (Election Commission India) কাজ চলছে, সেখানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাতের মালদার কালিয়াচকের ঘটনার পর কড়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জরুরি ভিত্তিতে যে ভিডিও কনফারেন্সের ডাক দিয়েছিলেন, সেখানে অন্যতম মূল প্রসঙ্গ ছিল মালদার কালিয়াচকের অশান্তি। এই বৈঠকেই আজ নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। প্রত্যেককে গ্রেফতার করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘটনাস্থলে যে এসপি অনেক দেরিতে পিছিয়েছেন, সেই বিষয়টিও নজরে রয়েছে কমিশনের। ইতি মধ্যে এসপি- জেলা শাসককে শোকজ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কালিয়াচকের ঘটনার গভীরতা ও ষড়যন্ত্রের দিকটি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশন (SIR) এই মামলার তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    প্রশাসনের তৎপরতা

    রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপিকে (DGP) তলব করে কমিশন (Election Commission India) আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সরাসরি দায়ী করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করে এফআইআর করা হয়েছে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন সান্তি রঞ্জন কুণ্ডু (ওয়ার্ড ৩২-এর কাউন্সিলর), সচিন সিং (ওয়ার্ড ৩৬-এর কাউন্সিলর), মহম্মদ ওয়াসিম, মইদুল, চন্দ্রকান্ত সিংহ এবং মহম্মদ রিজওয়ান আলি-সহ আরও বেশ কয়েকজন। তাঁদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে, যার মধ্যে অবৈধ জমায়েত, সরকারি কর্মীর কাজে বাধা এবং জনপথ অবরোধের মতো অভিযোগ রয়েছে।

    শূন্য সহনশীলতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) মূল লক্ষ্য হল ভীতিমুক্ত পরিবেশে ভোট পরিচালনা করা। কালিয়াচককাণ্ড (SIR) থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর যে কোনও প্রচেষ্টাকে ‘শূন্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতিতে দেখা হবে।

  • Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    Russia: সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিনের সরকারি সফরে ভারতে এসেছেন রাশিয়ার ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভ (Deputy PM Manturov)। আজ, ২ এপ্রিল ভারত সফরে এসেছেন তিনি, যা দুই দিনের একটি সরকারি সফর। এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা। তিনি ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতিত্ব করবেন, যা আদতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক্স-এ (X) একটি পোস্টে জানায়, “রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান এবং ভারত–রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের সহ-সভাপতি ডেনিস মান্তুরভকে নয়াদিল্লিতে আন্তরিক স্বাগত। সফরের সময় তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অংশ নেবেন অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়ও।”

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা (Russia)

    ভারতে রাশিয়ার দূতাবাসের তরফেও তাঁর আসার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, চলতি সফরে রুশ নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক আলোচনা হবে। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে মান্তুরভ বলেন, “এই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সামগ্রিক সম্প্রসারণ (Deputy PM Manturov)।” তিনি এও বলেন, “পারস্পরিক অর্থপ্রদান ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, লজিস্টিক চেন শক্তিশালী করা, বাজারে প্রবেশের সুযোগ উন্নত করা এবং নতুন বিনিয়োগ ও যৌথ প্রকল্পকে উৎসাহিত করা—এই বিষয়গুলি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে গৃহীত ২০৩০ পর্যন্ত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হবে।”

    সফরের বহুমুখী গুরুত্ব

    নয়াদিল্লতে থাকার সময় মান্তুরভ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন, যা এই সফরের বহুমুখী গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয়। ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাণিজ্যে বড় ধরনের ভারসাম্যহীনতা রয়েছে (Deputy PM Manturov)। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দুই দেশের বাণিজ্য প্রায় ৬৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল। এর মধ্যে রাশিয়ার রফতানি ছিল ৬৩.৮ বিলিয়নেরও বেশি, আর ভারতের রফতানির পরিমাণ ছিল ৫ বিলিয়নের কম। এই ভারসাম্যহীনতার প্রধান কারণ ভারতীয় বাজারে সস্তা রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের আমদানি বৃদ্ধি।

    ভারতের তেল আমদানির পরিমাণ

    ইউক্রেন যুদ্ধের আগে ভারতের তেল আমদানির মাত্র ২.৫ শতাংশ আসত রাশিয়া থেকে। ২০২৪–২৫ সালে তা বেড়ে প্রায় ৩৫.৮ শতাংশ হয়েছে। এটি পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা মোকাবিলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের একটি কৌশলের অংশ (Deputy PM Manturov)। ভারত ও রাশিয়া এখন জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা ছাড়াও নতুন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প প্রযুক্তি, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা। এছাড়া বাণিজ্যের কাঠামোগত বাধা দূর করা এবং ইউরেশীয় অর্থনৈতিক ইউনিয়নের (EAEU) সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। ভারত একই সঙ্গে তার জ্বালানি আমদানির উৎস ২৭ দেশ থেকে বাড়িয়ে ৪১ দেশে সম্প্রসারণ করেছে, যাতে নির্ভরতা কমে।

    ব্রিকস সম্মেলন

    রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রে রুডেনকো জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে পারেন। তিনি জানান, মস্কো এই সম্মেলনে ঐকমত্য গঠনে ভারতের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে। তিনি আরও জানান, রাশিয়া ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে পেট্রোল রফতানি নিষিদ্ধ করলেও বর্তমানে যে তেল চুক্তি রয়েছে, তাকেও সম্মান করবে (Deputy PM Manturov)। রুডেনকো বলেন, “ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে নিয়মিত এবং ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সুবিধাজনক সময়ে রাশিয়া সফর করবেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে এসেছিলেন। এবার পরবর্তী সম্মেলন মস্কোয় হবে। সেখানেই ফের একবার মুখোমুখি হতে পারেন পুতিন-মোদির (Deputy PM Manturov)।

     

  • Ramakrishna 6134: “অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না, তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়”

    Ramakrishna 6134: “অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না, তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    মাস্টার ও ডাক্তার সংবাদ

    ডাক্তার—হাঁ, তা বটে।

    ডাক্তার গাড়িতে উঠিলেন, দু-চারিটি রোগী দেখিয়া পরমহংসদেবকে দেখিতে যাইবেন। পথে আবার মাস্টারের সঙ্গে কথা হইতে লাগিল। ‘চক্রবর্তীর অহংকার’ ডাক্তার এই কথা তুলিলেন।

    মাস্টার — পরমহংসদেবের (Ramakrishna) কাছে তাঁর যাওয়া-আসা আছে। অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না। তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়। ওখানে অহংকার নাই কি না, তাই। নিরহংকারের নিকট আসলে অহংকার পালিয়ে খায়। দেখুন, বিদ্যাসাগর মহাশয় অত বড়লোক, কত বিনয় আর নম্রতা দেখিয়েছেন। পরমহংসদেব তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন, বাদুড়বাগানের বাড়িতে। যখন বিদায় লন, রাত তখন ৯টা। বিদ্যাসাগর লাইব্রেরীঘর থেকে বরাবর সঙ্গে সঙ্গে, নিজে এক-একবার বাতি ধরে, এসে গাড়িতে তুলে দিলেন; আর বিদায়ের (Kathamrita) সময় হাতজোড় করে রহিলেন।

    ডাক্তার — আচ্ছা, এঁর বিষয় বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কি মত?

    মাস্টার — সেদিন খুব ভক্তি করেছিলেন। তবে কথা কয়ে দেখেছি, বৈষ্ণবেরা যাকে ভাব-টাব বলে, সে বড় ভালবাসেন না। আপনার মতের মতো।

    ডাক্তার — হাতজোড় করা, পায়ে মাথা দেওয়া, আমি ও-সব ভালবাসি না। মাথাও যা, পাও তা। তবে যার পা অন্য জ্ঞান আছে, সে করুক।

    মাস্টার — আপনি ভাব-টাব ভালবাসেন না। পরমহংসদেব (Ramakrishna) আপনাকে ‘গম্ভীরাত্মা’ মাঝে মাঝে বলেন, বোধ হয় মনে আছে। তিই কাল আপনাকে বলেছিলেন যে, ডোবাতে হাতি নামলে জল তোলপাড় হয়, কিন্তু সায়ের দীঘি বড়, তাতে হাতি নামলে জল নড়েও না। গম্ভীরাত্মার ভিতর ভাবহস্তী নামলে তার কিছু করতে পারে না। তিনি বলেন, আপনি ‘গম্ভীরাত্মা’।

    ডাক্তার — I don’t deserve the Compliment, ভাব আর কি? feelings; ভক্তি, আর অন্যান্য feelings — বেশি হলে কেউ চাপতে পারে, কেউ পারে না (Kathamrita)।

    মাস্টার — Explanation কেউ দিতে পারে একরকম করে — কেউ পারে না; কিন্তু মহাশয়, ভাবভক্তি জিনিসটা অপূর্ব সামগ্রী। Stebbing on Darwinism আপনার library-তে দেখলাম। Stebbing বলেন, Human mind যার দ্বারাই হউক — evolution দ্বারাই হোক বা ঈশ্বর আলাদা বসে সৃষ্টিই করুন — equally wonderful. তিনি একটি বেশ উপমা দিয়েছেন — theory of light. Whether you know the undulatory theory of light or not, light in either case is equally wonderful.

LinkedIn
Share