Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope 06 december 2024: ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 06 december 2024: ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণা বোধ করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ থেকে সংযত থাকুন। শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি। 

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভালো যোগাযোগ হতে পারে। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে হতে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সংযমী হতে হবে। ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    মকর

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাম ছাড়া অত্যাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ মৌলবাদীদের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পথে নেমেছে সনাতনী সমাজ। হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে ৫০টি সংগঠনের ডাকে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে মঞ্চ থেকেই হিন্দুদের জেগে ওঠার বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা।

    কী বললেন শুভেন্দু ? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ওপারে যাহা ইউনূস, এপারে তাহাই মমতা। ওপারের মতো এপারেও হিন্দুদের ওপর হামলা। ফালাকাটা, গার্ডেনরিচ, শ্যামপুর, বেলডাঙার মতো ঘটনা ঘটেছে। বিরোধীদের বেলডাঙায় যেতে পর্যন্ত দেয়নি। মমতা ও ইউনূসের মধ্যে পার্থক্য নেই। এই লড়াই বেঁচে থাকার লড়াই। জাগো হিন্দু জাগো।’’ বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ‘গণহত্যা’ হিন্দু নিপীড়নের একের পর এক ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সুনামগঞ্জে একের পর এক বাড়ি-দোকান ভাঙচুর। ভাঙা হয়েছে অন্তত ২টি মন্দির। শুভেন্দু বলছেন, ‘‘এখনও বাঙালি হিন্দুরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। একুশে মমতা আমাকে হারাতে এসেছিলেন, আমি হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে বলেছিলাম। নন্দীগ্রামে ৬৫% হিন্দুকে ঐক্যবদ্ধ করে মমতাকে হারিয়েছিলাম। রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ড থাকলে সনাতনী বোর্ড হবে না কেন? কেন লাভ জেহাদ, ধর্মান্তরণের বিরুদ্ধে আইন হবে না? হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এই লড়াই চলবে।’’

    আরও পড়ুন: আজাদ ময়দানে চাঁদের হাট, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ

    বাংলাদেশের পতাকা অবমাননায় গ্রেফতারি নিয়ে সরব

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘ভারতের পতাকার অবমাননা হতে দেখলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও পদক্ষেপ করেন না। কিন্তু বাংলাদেশের (Bangladesh) পতাকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জনানোয় ৩ জনকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মুক্তি না দিলে আমরা বারাসতেও আন্দোলন করব।’’ জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে ভারতের পতাকার অবমাননার প্রতিবাদে বুধবার সন্ধ্যায় বারাসত স্টেশনে বাংলাদেশের পতাকা পায়ে মাড়াতে দেখা যায় ৩ যুবককে। আর্য দাস, সুবীর দাস এবং রিপন চট্টোপাধ্যায় নামে ওই তিন যুবককে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে বারাসত থানার পুলিশ। ধৃতরা বজরং দলের সদস্য বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে ভারতীয় পতাকা এঁকে রাখা হয়েছে। তার ওপর দিয়েই যাতায়াত করছেন ছাত্রছাত্রীরা। ভারতীয় জাতীয় পতাকার এই অবমাননার অভিযোগে এখনও সেদেশে কেউ গ্রেফতার হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়নি।

    শৌর্য দিবস পালনের ডাক

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘‘১৯৭১-এ পাকিস্তানকে সরাতে দেড় বছর লেগেছিল। আমাদের জন্যই বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সেনা বাংলাদেশের জন্য কী করেছিল, মনে নেই? বিএনপি নেতা তাঁর স্ত্রীর শাড়ি পোড়াচ্ছেন! ভারতীয় পণ্য বয়কটের কথা বলছেন।’’ আগামীকাল ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার শৌর্য দিবস পালনের ডাক দিয়েছেন শুভেন্দু। শ্যামবাজার থেকে সিঁথির মোড় পর্যন্ত মিছিল রয়েছে। বাংলাদেশে লাগাতার হামলার প্রতিবাদ করায় এবার আক্রান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। মৌলবাদীদের হাতে আক্রান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুশলবরণ চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধর করা হয় অধ্যাপককে, ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে।

    বাংলাদেশে কি তালিবান-শাসনের ছায়া?

    এদিকে বাংলাদেশে কি তালিবান-শাসনের ছায়া? এমনই প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের। ভিডিও পোস্ট করে অগ্নিমিত্রা লিখেছেন, ‘‘আফগানিস্তানের অত্যাচারী শাসনের সমান্তরালে বাংলাদেশে নারীদের বিরুদ্ধে একটি জঘন্য ফতোয়া ঘোষণা করা হয়েছে। সবথেকে বিস্ময়কর বিষয় হল, এটা ঘটেছে গোপালগঞ্জে। যে গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাড়ি। গোপালগঞ্জের গোহরডাঙায় কট্টরপন্থী মুসলিমরা মহিলাদের বাজারে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হচ্ছে যে ফতোয়া। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক একটি জেলায় এই ধরনের পশ্চাদপসরণমূলক বিধিনিষেধ আরোপ করা লজ্জাজনক এবং উদ্বেগজনক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ইউনূস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে মমতার সঙ্গে তুলনা টানলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ইউনূস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে মমতার সঙ্গে তুলনা টানলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে, তার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুলনা টানলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে ইউনূস সরকারের সময়সীমা জানুয়ারি পর্যন্ত বেঁধে দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী আজ বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে তালিবানি সরকার চলছে। পাকিস্তানকে সরাতে দেড় বছর সময় লেগেছে ১৯৭১ সালে। এখন তো মাত্র চার মাস হয়েছে এই সরকারের। জানুয়ারির শেষ অবধি অপেক্ষা করুন। তালিবানি সরকার সংবিধান বদলানোর চেষ্টা করছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আমাদের আজ রানি রাসমণিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে সভা করতে হচ্ছে। ওপারের সরকার যা, এপারের রাজ্য সরকার তা।’’

    বাংলাদেশ ইস্যুতে গতকালই মমতাকে তোপ দাগেন শুভেন্দু

    গতকালই শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পেট্রাপোলের সভা নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘ওরা বাংলাদেশিদের খাবার বন্ধ করতে গিয়েছে।’’ তারই জবাবে চাঁচাছোলা ভাষায় মমতাকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘ভারতের পতাকায় যারা পা দিয়েছে, শুধু খাবার না, তাদের আর কী কী বন্ধ করি আপনারা দেখুন। ওদের চিকিৎসাও বন্ধ করে দেব। দেশ আগে। মুখ্যমন্ত্রী দেশের মর্ম বোঝেন না বলে এই ধরণের কথা বলেন।’’ এর পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে শুভেন্দুবাবু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘আমার পরিবারের বিপিন অধিকারী স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে ৮ বছর জেলে ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের কেউ স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেননি। আমার মা ৬০ সালে বরিসাল থেকে এখানে এসেছিলেন। আমি অত্যাচার জানি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী করে স্বাধীনতার মর্ম বুঝবেন?’’

    গত অগাস্ট  থেকে বেড়েছে হিন্দুদের ওপর হামলা

    গত অগাস্ট মাস থেকেই বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের মাত্রা বেড়েই চলেছে। হাসিনার বিদায়ের পর থেকেই মন্দির থেকে শুরু করে হিন্দুদের বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট চলেছে। ধর্মের নামে চাকরি থেকে জোর করে পদত্যাগ করানো হয়েছে। চলছে ধর্মান্তকরণ। এই আবহে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুর গ্রেফতারি ঘিরে আরও উত্তাল হয় পরিস্থিতি। ভারত সমেত আমেরিকা-ব্রিটেন সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “রাহুল গান্ধী ভারত-বিরোধী ত্রিভুজের অংশ, সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    BJP: “রাহুল গান্ধী ভারত-বিরোধী ত্রিভুজের অংশ, সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী”, তোপ বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী।” বৃহস্পতিবার ঠিক এই ভাষাতেই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে নিশানা করলেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র তথা লোকসভার সদস্য সম্বিত পাত্র। তাঁর অভিযোগ, রাহুলের সঙ্গে এমন কিছু ব্যক্তির যোগাযোগ রয়েছে, যাঁরা ভারত-বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গীর জন্য পরিচিত।

    ত্রিভুজের সঙ্গে তুলনা (BJP)

    এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত একটি ত্রিভুজের উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই ত্রিভুজই ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, “এই ত্রিভুজের একদিকে আছেন জর্জ সরোস, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসে রয়েছেন এবং তাঁর ফাউন্ডেশন আমেরিকার কিছু স্বার্থান্বেষী সংস্থার সঙ্গে কাজ করছে। ত্রিভুজের আর এক দিকে রয়েছে একটি বড় নিউজ পোর্টাল যার নাম ‘অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট’ (ওসিসিআরপি) এবং ত্রিভুজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শেষ দিকটি হল রাহুল গান্ধী, সবচেয়ে বড় দেশদ্রোহী।” পদ্ম-পার্টির এই সাংসদ বলেন, “বিরোধী দলের নেতাকে দেশদ্রোহী বলতে আমার কোনও দ্বিধা নেই।”

    আরও পড়ুন: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র বন্দনা, কী বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

    ‘মিডিয়াপার্ট’-এর প্রতিবেদন

    ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘মিডিয়াপার্ট’-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জর্জ সরোসের ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের টাকায় চলা ওসিসিআরপি, একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা, তাদের অর্থদাতাদের স্বার্থে কাজ করে।” তিনি এমন কিছু উদাহরণও তুলে ধরেন, যেখানে রাহুল ওসিসিআরপির রিপোর্ট ব্যবহার করেছেন। সম্বিতের দাবি, এ সবই করা হয়েছিল ভারতের মানহানি করার (Rahul Gandhi) উদ্দেশ্যে।

    সম্বিতের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের জুলাই মাসে যখন বিশ্ব কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছিল করোনা অতিমারি, তখন ওসিসিআরপি একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিল। তাতে বলা হয়েছিল, ব্রাজিল ভারতের কোভ্যাক্সিন কোভিড-১৯ টিকার জন্য ৩২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুক্তি থেকে সরে এসেছে। সম্বিতের মতে, একটি একটি দেশের চিত্র কলঙ্কিত করার চেষ্টা। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরে পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে (BJP) কংগ্রেস। সেই বৈঠকে ভারত সরকার ও ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করা হয়। গেরুয়া সাংসদের দাবি, ওসিসিআরপি নির্দেশ দিয়েছিল আর রাহুল গান্ধী সেই নির্দেশ অনুসরণ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    পেগাসাস ইস্যুতে সরকারকে টার্গেট

    তিনি বলেন, “এভাবেই রাহুল পেগাসাস ইস্যুতে সরকারকে টার্গেট করেছিলেন। এটিও একটি ওসিসিআরপি রিপোর্টের পরে ঘটেছিল। একইভাবে, ভারতের শেয়ার বাজারকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে ভারতীয় শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে ‘হিট জবস’ আক্রমণ সংগঠিত হয়েছিল এই ওসিসিআরপি।” গেরুয়া শিবিরের এই সৈনিক বলেন, “ওসিসিআরপি রাহুল ও তাঁর মা সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় আইনি প্রক্রিয়াগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে উল্লেখ করেছে। ওই মামলায় দুই কংগ্রেস নেতাকে একশো কোটি টাকার সম্পত্তি অবৈধভাবে আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পরেই সম্বিত বলেন, “রাহুল ভারতের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করা কিছু মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরে নিজের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করেছেন।”

    জর্জ সরোস

    মিডিয়াপার্টের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলিয়নিয়ার এবং দাতব্যকর্মী জর্জ সরোস ড্রু সুলিভান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ওসিসিআরপিকে অর্থ জুগিয়েছেন। ২০২৩ সালে ওসিসিআরপির সাংবাদিকদের পাঠানো একটি ইমেলে সুলিভান স্বীকার করেছিলেন যে এটি সত্য যে তাঁর এনজিও প্রথম দিকের বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে কোনও প্রতিবেদন করত না। কারণ এর পুরো বাজেটই ওয়াশিংটন এবং ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের (এরই প্রতিষ্ঠাতা বিলিয়নিয়ার এবং দাতব্যকর্মী জর্জ সরোস) টাকায় ছিল।

    আরও পড়ুন: মহিলারা বাজারে যেতে পারবেন না! ফতোয়া মৌলবাদীদের, আফগানিস্তানের পথে বাংলাদেশ?

    কী লিখেছেন সুলিভান

    সুলিভান লিখেছেন, “আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার বা সরোসের অর্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়ে কোনও প্রতিবেদনের জন্য ব্যবহার করতে পারতাম না।” প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, এরপর থেকে, ওসিসিআরপি আরও বিস্তৃত উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে, এবং সুলিভান এবং বোর্ড এই তদন্তে জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়গুলো তদন্তের জন্য মার্কিন তহবিল ব্যবহার না করার সীমাবদ্ধতা এখন আর সমস্যা নয়, কারণ (Rahul Gandhi) এনজিওটি অন্য অ-মার্কিন তহবিল ব্যবহার করতে পারে, যেগুলো তারা পেয়েই থাকে (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হাসিনার বক্তব্য নাকি ‘বিদ্বেষমূলক’! সম্প্রচার নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনাল

    Bangladesh: হাসিনার বক্তব্য নাকি ‘বিদ্বেষমূলক’! সম্প্রচার নিষিদ্ধ করল বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হাসিনার (Sheikh Hasina) বাক স্বাধীনতাতেই হস্তক্ষেপ করতে চেয়ে পদক্ষেপ করল বাংলাদেশের (Bangladesh) মহম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। হাসিনার বক্তব্যকে ‘বিদ্বেষমূলক’ তকমা লাগিয়ে নিষিদ্ধ করতে চাইছে ইউনূস সরকার। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন হাসিনা। তাঁকে খুন করতে চেয়েছিল ইউনূস সরকার, এমন অভিযোগও তোলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। নিজের ভাষণে ইউনূসকে ‘অত্যাচারের মাস্টারমাইন্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন হাসিনা। এবার হাসিনার কণ্ঠরোধ করতে চেয়ে, তাঁকে ‘বিদ্বেষমূলক’ ভাষণ না দিতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    হাসিনার কণ্ঠরোধের চেষ্টা 

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে যাবতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে তাঁর (হাসিনার) ভাষণ সরিয়ে দিতে বাংলাদেশ (Bangladesh) টেলিযোগাযোগ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছে ওই আদালত। প্রসঙ্গত, হাসিনা ওই আদালতে বিচারাধীন একাধিক মামলায় অভিযুক্ত। একটি মামলাতে তাঁকে আদালতে পেশ করার জন্য বাংলাদেশ (Bangladesh) পুলিশকে আগেই নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। সম্প্রতি, ভার্চুয়াল মাধ্যমের একাধিক ভাষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। হাসিনার ওই বক্তব্যকেই দেশ বিরোধী তকমা দিয়েছে ইউনূস সরকার। শেখ হাসিনার কোনও ধরনের বক্তব্য যাতে সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার না করা হয়, সেই নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    নির্দেশ দেন বিচারপতি মহম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদার 

    বৃহস্পতিবারই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মহম্মদ গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ আদেশ দেয় শেখ হাসিনা বিদেশে বসে, দেশের নিন্দামন্দ করতে পারবেন না। আদালতে সরকার পক্ষের হয়ে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ তাজুল ইসলাম। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলে, তা কীভাবে দেশদ্রোহিতা হতে পারে? আদালতের যুক্তি, জুলাই মাসে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা সহ আওয়ামি লিগের একাধিক নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাক্তন শীর্ষকর্তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যার মতো অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই কারণেই নাকি হাসিনার মুখ বন্ধ করতে চাইছেন তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রাম (Lord Ram) ও মাতা সীতার বিবাহ-উৎসব বিবাহ পঞ্চমী নামে পরিচিত (Bibah Panchami)। চলতি বছরে তা পালিত হবে শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর। মাতা সীতার জন্মস্থান বলে পরিচিত নেপালের জানকী মন্দিরে ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ওড়না পাঠানো হল গুজরাট থেকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়, উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের, তারপরে এই প্রথমবারের জন্য বিবাহ পঞ্চমী পালিত হচ্ছে।

    জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা পাঠিয়েছে ওই ওড়না

    জানা গিয়েছে, ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ওড়নাটি লাল রঙের এবং তা পাঠিয়েছে জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা (Bibah Panchami)। অন্যতম উদ্যোক্তা মনোজ রানগাতা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আজকে প্রথমবারের জন্য গুজরাটের জিনমাতা ট্রাস্ট থেকে পাঠানো হল ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ওড়না। তা পাঠানো হয়েছে নেপালের জনকপুরে (Bibah Panchami)। সেখানকার মানুষজন অত্যন্ত খুশি মনে তা গ্রহণ করেছেন এবং এই ওড়না নিয়ে সেখানে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা শোভাযাত্রার মাধ্যমে সেই ওড়নাকে নেপালের জানকী মন্দির পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছেন।’’

    রাম-সীতার বিবাহ দেবেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ

    প্রসঙ্গত, মনে করা হয় নেপালের জনকপুরেই ছিল মাতা সীতার পিতা জনকের রাজ্য। সেখানেই বিবাহ পঞ্চমী (Bibah Panchami) ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, গত মাসের ৩ নভেম্বর ভগবান রামচন্দ্রের বারাত বা বরযাত্রীরা জনকপুরে পৌঁছান। সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচশোর বেশি। তাঁরা প্রত্যেকেই ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে গিয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ, যাঁরা প্রত্যেকেই তিরুপতি থেকে এসেছেন। এই ব্রাহ্মণরা মাতা সীতা এবং ভগবান রামচন্দ্রের প্রতীকী বিবাহ দেবেন জনপুরধামে। জানা গিয়েছে, এই ব্রাহ্মণরা সরাসরি জনকপুরে পৌঁছেছেন বিবাহ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে। পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান রাম (Lord Ram) ছিলেন রাজা দশরথের সন্তান এবং অযোধ্যার রাজপুত্র। তিনি বিবাহ করেন জনকপুর ধামের রাজা জনকের কন্যা সীতার সঙ্গে। এই বিবাহ অনুষ্ঠান জনপুর ধামে সম্পন্ন হয়েছিল বলেই মনে করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র বন্দনা, কী বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

    Vladimir Putin: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র বন্দনা, কী বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুতিনের মুখে মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র (Make In India) বন্দনা! রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “এটি মূল রুশ বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।” বুধবার মস্কোয় ভিটিবি ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাশিয়ার ইমপোর্ট সাবস্টিটিউশন প্রোগ্রামের সঙ্গে ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সাদৃশ্য তুলে ধরেন পুতিন। ভারতে উৎপাদন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে রাশিয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।

    পুতিন কী বললেন? (Vladimir Putin)

    পুতিন বলেন, “ভারতের নেতৃত্ব তার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি অনুসরণ করছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির একটি অনুরূপ প্রোগ্রাম আছে, যার নাম ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। আমরা ভারতে আমাদের উৎপাদন ইউনিট স্থাপন করতে প্রস্তুত… ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং ভারত সরকার স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং এটি সম্ভব হয়েছে কারণ ভারতীয় নেতৃত্ব ‘ভারত প্রথম’ নীতি অনুসরণ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে ভারতে বিনিয়োগ লাভজনক।”

    ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র গড়তে প্রস্তুত

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা ভারতেও আমাদের প্রোডাকশন সাইট স্থাপন করতে প্রস্তুত।” তিনি ব্রিকসের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলির বিকাশে অগ্রসর হওয়ার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার আমদানি প্রতিস্থাপন কর্মসূচির প্রাসঙ্গিকতার ওপরও জোর দেন। ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলির স্বাচ্ছন্দ্যময় কার্যক্রমের জন্য দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি ফোরামের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট (Vladimir Putin) বলেন, “আমাদের জন্য এটি বিশেষ প্রাসঙ্গিক। কারণ আমদানি প্রতিস্থাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমাদের বাজারে নতুন রুশ ব্র্যান্ডগুলির আবির্ভাব ঘটছে, যা সেই পশ্চিমি অংশীদারদের ব্র্যান্ডগুলিকে প্রতিস্থাপন করছে। এরা স্বেচ্ছায় আমাদের বাজার ছেড়ে চলে গিয়েছে। এবং আমাদের স্থানীয় উৎপাদকরা শুধু ভোক্তা সামগ্রীতেই নয়, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উচ্চপ্রযুক্তিতেও বেশ সফল।”

    আরও পড়ুন: আজ ফড়ণবীশের শপথ মুম্বইয়ের আজাদ ময়দানে, হাজির থাকবেন মোদি, শাহ, নাড্ডা

    তিনি বলেন, “কৃষিক্ষেত্রে আমাদের উৎপাদক এবং প্রডিউসারদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শস্য আমদানি করেছিল। গত বছর আমরা ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শস্য রফতানি করেছি। এর যাবতীয় কৃতিত্ব আমাদের কৃষক এবং উৎপাদকদের।” পুতিন বলেন, “রুশ ফেডারেশনের এই সব ক্ষেত্র, বিশেষত উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রেও পণ্য বিক্রির এবং রফতানির সুযোগ বাড়ানোর (Make In India) প্রয়োজন রয়েছে (Vladimir Putin)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • RBI: ‘ইউপিআই লাইট’-এর ঊর্ধ্বসীমা বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে লাগবে না পিন

    RBI: ‘ইউপিআই লাইট’-এর ঊর্ধ্বসীমা বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে লাগবে না পিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল বহু মানুষই ডিজিটাল পেমেন্ট করেন। যে কোনও জায়গায় কিছু কিনতে গেলেই দেখতে পাওয়া যায় কিউআর কোড (QR Code) স্ক্যানার বসানো রয়েছে। স্ক্যান করে দিলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পেমেন্ট হয়ে যায়। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া অর্থাৎ আরবিআই থেকে অনলাইনে পেমেন্ট করা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সুখবর দিয়েছে। ইউপিআই লাইট ওয়ালেট (UPI Lite Wallet) ওয়ালেট থেকে পিন ছাড়া লেনদেনের সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে আরবিআই (RBI)। আগে এই সীমা ছিল মাত্র ৫০০ টাকা। এবার থেকে সেই টাকার পরিমাণ রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করেছে। মানে এখন ব্যবহারকারীরা পিন ছাড়াই ইউপিআই লাইট ওয়ালেট (UPI Lite Wallet) মারফৎ ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করতে পারবেন। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন ওয়ালেট ব্যবহারকারীরা।

    ওয়ালেটের ব্যালান্স কত বাড়ল? (RBI)

    ইউপিআই লাইট ওয়ালেটে (UPI Lite Wallet) ২টি বড় বদল আনল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। চালু হওয়া নতুন নিয়ম অনুসারে, প্রথমত, ওয়ালেটে টাকা রাখার ঊর্ধ্বসীমা ২০০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০০০ করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। দ্বিতীয়ত, পিন নম্বর ছাড়া ইউপিআই লাইটের প্রতি লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করা হয়েছে। ফলে, একদিকে, যেমন এবার থেকে ওয়ালেটে ৫ হাজার টাকা ব্যালান্স রাখা যাবে। অন্যদিকে, তা দিয়ে ১০০০ টাকা পর্যন্ত প্রতিবার লেনদেন করা যাবে। প্রতিদিন যারা এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন, তাদের জন্য এই উদ্যোগ অনেকটাই সুবিধা দেবে বলে আরবিআই কর্তারা মনে করছেন।

    আরও পড়ুন: চলছে হিন্দু নির্যাতন, ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব, সুর নরম বাংলাদেশের

    ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) ভারতের ডিজিটাল রূপান্তরে ওপর জোর দিয়ে এক মাসে ১৬.৫৮ বিলিয়ন (১ বিলিয়ন হল ১০০ কোটি) আর্থিক লেনদেন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ২০১৬ সালে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা চালু করা হয় ইউপিআই পেমেন্ট ব্যবস্থা। একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টকে (RBI) একসঙ্গে করে দেশের পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে ইউপিআই। এই সিস্টেমটি সহজেই টাকা ট্রান্সফার, মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন সক্ষম করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Strategic Infrastructures: চিনকে চাপে রাখতে তাওয়াংয়ে একাধিক কৌশলগত পরিকাঠামো নির্মাণ করছে ভারত

    Strategic Infrastructures: চিনকে চাপে রাখতে তাওয়াংয়ে একাধিক কৌশলগত পরিকাঠামো নির্মাণ করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে চোখ রাঙাচ্ছে চিন। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের বিভিন্ন অংশ নিজেদের বলে দাবিও করেছে বেজিং। এ সংক্রান্ত মানচিত্রও প্রকাশ করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ। এবার চিনকে চাপে রাখতে কৌশলগত পরিকাঠামো (Strategic Infrastructures) নির্মাণ করছে ভারত। প্রোজেক্ট ভরতক-এর আওতায় চলছে সড়ক নির্মাণের কাজ। গুয়াহাটি, তাওয়াং এবং পশ্চিম কামেং এলাকায় হচ্ছে (India) সড়ক নির্মাণ। এই প্রকল্পের কাজ ঘুরে দেখলেন বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (BRO) ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল রঘু শ্রীনিবাসন। ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই এলাকায় ঘুরে দেখেন কাজের অগ্রগতি।

    আপডেট দিলেন মহানির্দেশক (Strategic Infrastructures)

    গুয়াহাটিতে তাঁকে সম্পূর্ণ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে আপডেট দেন বর্ডার রোডসের (পূর্ব) অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল (এডিজি) হরেন্দ্র কুমার। তাওয়াংয়ে এরিয়াল সমীক্ষার মাধ্যমে নেলিয়া, ধৌলা এবং হাতোঙ্গা এলাকার জিমিথাং সেক্টরে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন ডিজি। লুংরো, দমটেং এবং ইয়াংসের সামনের এলাকাগুলিও পরিদর্শন করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা

    পরিদর্শনের পর অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রীনিবাসন। এলাকার ভবিষ্যৎ সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্প সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তাওয়াং অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। কথা বলেন স্থানীয় বিধায়ক এবং তাওয়াং জেলার ডেপুটি কমিশনারের সঙ্গেও। শ্রীনিবাসন সেলা টানেলের কাজকর্মও খতিয়ে দেখেন। সেখানে তাঁকে সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অ্যাকুইজিশন (SCADA) সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এটি রিয়েল-টাইম ডেটা মনিটরিংয়ের জন্য একটি কম্পিউটার-ভিত্তিক সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: খালেদার সঙ্গে বৈঠক পাক কূটনীতিকের, ফের জঙ্গি আখড়া হবে বাংলাদেশ?

    তিনি সুরক্ষার বৈশিষ্ট্যগুলির কার্যকারিতা এবং বর্তমান আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রযুক্তিগত দিকগুলির বাস্তবায়ন নিয়েও পর্যালোচনা করেন (Strategic Infrastructures)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সেলা টানেলটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ বাই-লেন টানেল, যা গুয়াহাটি এবং তাওয়াংয়ের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। টানেলের কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন শ্রীনিবাসন। প্রোজেক্ট ভরতক-এর সঙ্গে জড়িত দলের প্রশংসাও করেন তিনি। এঁরাই বছরভর তাওয়াং এবং অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করে।

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত সরকার ইন্দো-চিন সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন অরুণাচলপ্রদেশ (India) সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক নির্মাণ করছে। সেলা টানেলও এরই অংশ ((Strategic Infrastructures))।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: মহিলারা বাজারে যেতে পারবেন না! ফতোয়া মৌলবাদীদের, আফগানিস্তানের পথে বাংলাদেশ?

    Bangladesh: মহিলারা বাজারে যেতে পারবেন না! ফতোয়া মৌলবাদীদের, আফগানিস্তানের পথে বাংলাদেশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার বাংলাদেশে (Bangladesh) ক্ষমতায় আসার পর থেকে মৌলবাদীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বকলমে তারা সরকার চালাচ্ছে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছে। চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারেরক পর থেকে উত্তাল রয়েছে গোটা দেশ। এই আবহের মাঝে এবার তালিবানি (Taliban) ফতোয়া দিল মৌলবাদীরা। আফগানিস্তানের পথে হেঁটে মহিলার ওপরে ফতোয়া জারি করা হল। তাও আবার খোদ বঙ্গবন্ধু মুজিবরের জেলায়। যা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী ফতোয়া জারি করেছে মৌলবাদীরা? (Bangladesh)

    মহিলাদের ওপরে ফতেয়া জারি হয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) গোপালগঞ্জ জেলায় গহরডাঙ্গা এলাকায়। এই গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার বাড়ি। শেখ মুজিবর রহমানের বাড়ি, যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। এই ফতোয়া গহরডাঙ্গা দিয়ে শুরু, পর্যায়ক্রমে পুরো বাংলাদেশ জারি হবে বলেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে কট্টরপন্থীরা। বাজারে এসে কট্টরপন্থীরা মাইক নিয়ে ঘোষণা করছেন যে মহিলাদের বাজারে আসা নিষিদ্ধ। কোনও মহিলা বাজারে এসে জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে পারবেন না। মার্কেটে তাদের প্রবেশ নিষেধ। কোনও জিনিসের প্রয়োজন হলে, বাড়ির পুরুষদেরই আসতে হবে বাজারে। দোকানে মহিলারা আসতে পারবেন না। তাদের কাছে কোনও জিনিস বিক্রি করাও যাবে না। মহিলারা বাজারে এলে তাঁদের ফিরিয়ে দিতে হবে। সেই সঙ্গেই দোকানের সামনে রাখতে হবে পর্দা এবং সেটা নমাজের সময় নামিয়ে দিতে হবে। নমাজের সময়ে কোনও দোকানেই বেচাকেনা করা চলবে না। এ বার এই ফতোয়া জারি করা হয়েছে বাংলাদেশে।

    আরও পড়ুন: চলছে হিন্দু নির্যাতন, ঢাকায় যাচ্ছেন ভারতের বিদেশ সচিব, সুর নরম বাংলাদেশের

    বাংলাদেশকে ‘জিহাদিস্তানে’ পরিণত!

    এই রকমই একটি ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তাঁর দাবি, বাংলাদেশকে ‘জিহাদিস্তানে’ পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, কয়েকজন মুসলিম ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি বাজার এলাকায় মাইকিং করছেন। যদিও কোন বাজারের (Bangladesh) এই মাইকিং করা হয়েছে তার উল্লেখ করা হয়নি। সেখানেই বাজারে দোকান চালু রাখতে হলে কী কী নিয়ম মানতে হবে সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দোকানদাররা মহিলাদের কাছে কিছু বিক্রি করতে পারবেন না। ‘দিন-ই-মাহফিলের’ পরিবেশ বজায় রাখার জন্যই তা করা হবে বলেও তাদের ওই ঘোষণায় জানানো হয়েছে। তসলিমার অভিযোগ, চিন্ময়কে জেলে রাখা এবং তাঁর মানবাধিকার লঙ্ঘন করার উদ্দেশ্য হল বাংলাদেশে ‘হিন্দু জাগরণকে নস্যাৎ করা’। এই লেখিকার দাবি, বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য করে জিহাদিস্তানে পরিণত করতে চাইছে জিহাদিরা। এই লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share