Tag: Bengali news

Bengali news

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • Daily Horoscope 01 April 2026: কাজের জায়গায় প্রতিযোগিতা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 April 2026: কাজের জায়গায় প্রতিযোগিতা বাড়বে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—

    মেষ
    ১) হঠাৎ কোনও সুযোগ এসে আপনাকে চমকে দিতে পারে।
    ২) কাজের চাপ বাড়লেও নিজেকে সামলে নেবেন।
    ৩) পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার সময়।

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক বিষয়ে নতুন ভাবনা কাজে লাগাতে পারেন।
    ২) পরিবারের কারও সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।
    ৩) নিজের আরাম ও স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।

    মিথুন
    ১) নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।
    ২) কাজের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।
    ৩) অযথা কথা বলে ঝামেলায় জড়াবেন না।

    কর্কট
    ১) মনের মধ্যে দ্বিধা থাকলেও এগোতে হবে।
    ২) কর্মক্ষেত্রে কারও সাহায্য পেতে পারেন।
    ৩) অতীত নিয়ে না ভেবে বর্তমানেই থাকুন।

    সিংহ
    ১) নিজের দক্ষতা প্রমাণ করার সুযোগ পাবেন।
    ২) দায়িত্ব বাড়লেও তা সামলাতে পারবেন।
    ৩) কারও প্রতি অতিরিক্ত রাগ দেখাবেন না।

    কন্যা
    ১) পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগোতে পারে।
    ২) অর্থনৈতিক দিক একটু শক্তিশালী হবে।
    ৩) বিশ্রাম নেওয়াও সমান জরুরি।

    তুলা
    ১) নতুন কোনও কাজ শুরু করার ইচ্ছা জাগবে।
    ২) সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি মিটতে পারে।
    ৩) নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকুন।

    বৃশ্চিক
    ১) গোপন পরিকল্পনা সফল হতে পারে।
    ২) কাজের জায়গায় প্রতিযোগিতা বাড়বে।
    ৩) মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি সামলান।

    ধনু
    ১) ভ্রমণের সুযোগ বা পরিকল্পনা তৈরি হতে পারে।
    ২) নতুন কিছু শেখার আগ্রহ বাড়বে।
    ৩) অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন।

    মকর
    ১) দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল সামনে আসবে।
    ২) ঊর্ধ্বতনদের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেতে পারেন।
    ৩) শরীরের ছোট সমস্যা অবহেলা করবেন না।

    কুম্ভ
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য মিলবে।
    ২) বন্ধুমহলে নতুন কোনও পরিকল্পনা হতে পারে।
    ৩) সময় ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ দিন।

    মীন
    ১) অন্তর্দৃষ্টি আজ আপনাকে সঠিক পথ দেখাবে।
    ২) ব্যক্তিগত সম্পর্কে নতুন মোড় আসতে পারে।
    ৩) ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলাই ভালো।

  • Ramakrishna 636: “বাড়ি ত্যাগ করে করে সব আসছে, দেখ না নরেন্দ্র তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়ো বোধ হয়, আত্মীয়েরা কালসাপ বোধ হয়”

    Ramakrishna 636: “বাড়ি ত্যাগ করে করে সব আসছে, দেখ না নরেন্দ্র তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়ো বোধ হয়, আত্মীয়েরা কালসাপ বোধ হয়”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ৫ই জানুয়ারি

    ভক্তদের তীব্র বৈরাগ্য — সংসার ও নরক যন্ত্রণা

    পরদিন মঙ্গলবার, ৫ই জানুয়ারি ২২শে পৌষ। অনেকক্ষণ অমাবস্যা আছে। বেলা ৪টা বাজিয়াছে। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ শয্যায় বসিয়া আছেন, মণির সহিত নিভৃতে কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ক্ষীরোদ যদি ৺গঙ্গাসাগর যায় তাহলে তুমি কম্বল একখানা কিনে দিও।

    মণি — যে আজ্ঞা।

    ঠাকুর একটু চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আচ্ছা, ছোকরাদের একি হচ্ছে বল দেখি? কেউ শ্রীক্ষেত্রে পালাচ্ছে — কেউ গঙ্গাসাগরে!

    “বাড়ি ত্যাগ করে করে সব আসছে। দেখ না নরেন্দ্র (Kathamrita)। তীব্র বৈরাগ্য হলে সংসার পাতকুয়ো বোধ হয়, আত্মীয়েরা কালসাপ বোধ হয়।”

    মণি — আজ্ঞা, সংসারে ভারী যন্ত্রণা!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — নরকযন্ত্রণা! জন্ম থেকে। দেখছ না। — মাগছেলে নিয়ে কি যন্ত্রণা!

    মণি — আজ্ঞা হাঁ। আর আপনি বলেছিলেন, ওদের (সংসারে ঢুকে নাই তাদের) লেনাদেনা নাই, লেনাদেনার জন্য আটকে থাকতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — দেখছ না — নিরঞ্জনকে! ‘তোর এই নে আমার এই দে’ — বাস! আর কোনও সম্পর্ক নাই। পেছুটান নাই!

    “কামিনী-কাঞ্চনই সংসার। দেখ না, টাকা থাকলেই বাঁধতে ইচ্ছা করে।” মণি হো-হো করিয়া হাসিয়া ফেলিলেন। ঠাকুরও হাসিলেন।

    মণি — টাকা বার করতে অনেক হিসাব আসে। (উভয়ের হাস্য) তবে দক্ষিণেশ্বরে বলেছিলেন, ত্রিগুণাতীত হয়ে সংসারে থাকতে পারলে এক হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হাঁ বালকের মতো।

    মণি — আজ্ঞা, কিন্তু বড় কঠিন, বড় শক্তি চাই।

    ঠাকুর একটু চুপ করিয়া আছেন।

    মণি — কাল ওরা দক্ষিণেশ্বরে ধ্যান করতে গেল। আমি স্বপ্ন দেখলাম।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি দেখলে?

    মণি — দেখলাম যেন নরেন্দ্র প্রভৃতি সন্ন্যাসী হয়েছেন — ধুনি জ্বেলে বসে আছেন। আমিও তাদের মধ্যে বসে আছি। ওরা তামাক খেয়ে ধোঁয়া মুখ দিয়ে বার ক’চ্চে, আমি বললাম, গাঁজার ধোঁয়ার গন্ধ।

    সন্ন্যাসী কে — ঠাকুরের পীড়া ও বালকের অবস্থা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ — মনে ত্যাগ হলেই হল, তাহলেও সন্ন্যাসী।

    ঠাকুর চুপ করিয়া আছেন। আবার কথা কহিতেছেন (Kathamrita)।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — কিন্তু বাসনায় আগুন দিতে হয়, তবে তো!

    মণি — বড়বাজারে মারোয়াড়ীদের পণ্ডিতজীকে বলেছিলেন, ‘ভক্তিকামনা আমার আছে।‘ — ভক্তিকামনা বুঝি কামনার মধ্যে নয়?

  • Ramakrishna 613: “শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান…কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন”

    Ramakrishna 613: “শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান…কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    শ্রীরামকৃষ্ণ—গিরিশ, মাস্টার, ছোট নরেন্দ্র, কালী, শরৎ রাখাল, ডাক্তার সরকার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    পরদিন আশ্বিনের কৃষ্ণা তৃতীয়া তিথি, সোমবার, ১১ই কার্তিক — ২৬শে অক্টোবর, ১৮৮৫। শ্রীশ্রীপরমহংসদেব (Ramakrishna) কলিকাতায় ওই শ্যামপুকুরের বাটীতে চিকিৎসার্থ রহিয়াছেন। ডাক্তার সরকার চিকিৎসা করিতেছেন। প্রায় প্রত্যহ আসেন, আর তাঁহার নিকট পীড়ার সংবাদ লইয়া লোক সর্বদা যাতায়াত করে।

    শরৎকাল। কয়েকদিন হইল শারদীয়া দুর্গাপূজা হইয়া গিয়াছে। এ মহোৎসব শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্যমণ্ডলী হর্ষ-বিষাদে অতিবাহিত করিয়াছেন। তিন মাস ধরিয়া গুরুদেবের কঠিন পীড়া — কণ্ঠদেশে — ক্যান্সার। সরকার ইত্যদি ডাক্তার ইঙ্গিত করিয়াছেন, পীড়া চিকিৎসার অসাধ্য। হতভাগ্য শিষ্যেরা এ-কথা শুনিয়া একান্তে নীরবে অশ্রু বিসর্জন করেন। এক্ষণে এই শ্যামপুকুরের বাটীতে আছেন। শিষ্যরা প্রাণপণে শ্রীরামকৃষ্ণের সেবা করিতেছেন। নরেন্দ্রাদি কৌমারবৈরাগ্যযুক্ত শিষ্যগণ এই মহতী সেবা উপলক্ষে কামিনী-কাঞ্চন-ত্যাগপ্রদর্শী সোপান আরোহণ করিতে সবে শিখিতেছেন।

    এত পীড়া কিন্তু দলে দলে লোক দর্শন করিতে আসিতেছেন (Kathamrita)— শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) কাছে আসিলেই শান্তি ও আনন্দ হয়। অহেতুক-কৃপাসিন্ধু! দয়ার ইয়ত্তা নাই — সকলের সঙ্গেই কথা কহিতেছেন, কিসে তাহাদের মঙ্গল হয়। শেষে ডাক্তারেরা, বিশেষতঃ ডাক্তার সরকার, কথা কহিতে একেবারে নিষেধ করিলেন। কিন্তু ডাক্তার নিজে ৬।৭ ঘণ্টা করিয়া থাকেন। তিনি বলেন, “আর কাহারও সহিত কথা কওয়া হবে না, কেবল আমার সঙ্গে কথা কইবে।”

    শ্রীরামকৃষ্ণের কথামৃত পান করিয়া ডাক্তার একেবারে মুগ্ধ হইয়া যান। তাই এতক্ষণ ধরিয়া বসিয়া থাকেন।

    বেলা দশটার সময় ডাক্তারকে সংবাদ দিবার জন্য মাস্টার যাইবেন, তাই ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সহিত কথাবার্তা হইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি) — অসুখটা খুব হাল্কা হয়েছে। খুব ভাল আছি। আচ্ছা, তবে ঔষধে কি এরূপ হয়েছে? তাহলে ওই ঔষধটা খাই না কেন?

    মাস্টার — আমি ডাক্তারের কাছে যাচ্ছি, তাঁকে সব বলব; তিনি যা ভাল হয় তাই বলবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দেখ, পূর্ণ দুই-তিনদিন আসে নাই, বড় মন কেমন কচ্ছে।

    মাস্টার — কালীবাবু, তুমি যাও না পূর্ণকে ডাকতে (Kathamrita)।

    কালী — এই যাব।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)—ডাক্তারের ছেলেটি বেশ! একবার আসতে বলো।

  • Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    Kerala Elections 2026: বিজেপিতে যোগ দিলেন কেরল সিপিআই(এম)-এর প্রবীণ নেতা এস রাজেন্দ্রন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি টানা চার দশক ধরে তিল তিল করে একটি দল গড়ে তুলেছিলেন। দলীয় প্রতীকে টানা তিনবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ীও হয়েছিলেন। সম্প্রতি কেরল সিপিআই(এম)-এর সেই নেতাই যোগ দিলেন (Kerala Elections 2026) বিজেপিতে।

    বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন বাম বিধায়কের (Kerala Elections 2026)

    কেরালার দেবীকুলাম থেকে তিনবারের সিপিআই(এম) বিধায়ক এস রাজেন্দ্রন কয়েক মাস আগে দল ছেড়েছেন। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। দেবীকুলাম আসন থেকেই বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রাজেন্দ্রন। এক সময় যিনি সিপিআই(এম)-এর প্রতীকে লড়ে গিয়েছিলেন কেরালা বিধানসভায়, সেই তিনিই এবার লড়ছেন স্বেচ্ছায় ছেড়ে চলে আসা নিজের পুরনো দলের বিরুদ্ধে।  এর মাধ্যমে তিনি বামপন্থীদের সামনে ৯ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “যদি একজন মানুষ, যিনি জীবনের দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে দলকে দিয়েছেন, সেই তিনিই এখন দল ছেড়ে তাঁরই পুরানো দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধেই লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, “দলীয় নীতি বা আদর্শ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু কিছু নেতার আচরণে সাম্প্রদায়িকতার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আজ সব দলেই (Kerala Elections 2026) ভেতরে ভেতরে সাম্প্রদায়িকতা রয়েছে—এবং তা খুবই সক্রিয়।”

    বিজেপির প্রার্থী 

    জানা গিয়েছে, যে আসনে একসময় তিনিই ছিলেন বামপন্থীদের মুখ, সেই আসনেই তিনি বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এই দলবদল শুধু প্রতীকী নয়, এটি তাঁর পুরানো দলের বিরুদ্ধে একটি রায়, এবং নতুন দলের ওপর একটি আস্থাও। যে দল সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তৈরি করেছে এবং বহু বছর ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে এই অভিযোগই করেছিলেন, সেই দলের নেতৃত্বের মধ্যেও একই প্রবণতা রয়েছে বলে দাবি করেন রাজেন্দ্রন (Kerala Elections 2026)। এটি ব্যতিক্রম নয়, বরং খুব সক্রিয় বাস্তবতা। রাজেন্দ্রনের দলবদলকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে শুধু প্রতীক নয়, তাঁর যুক্তিও। তিনি জানান, রাগ বা আবেগ থেকে নয়, বরং “চূড়ান্ত মূল্যায়নের” পরেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, “মোদি সরকারের উন্নয়নের কথা বিবেচনা করলে, সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা কেন তাঁর কাছে যাব না? বিজেপিকে বলতে হবে সমস্যা কোথায়?” তিনি বলেন, “এই চূড়ান্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আমরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    অবহেলিত চা-বাগানের শ্রমিকরা

    তিনি জানান, দেবীকুলামের চা-বাগান অঞ্চলে ৪০ বছরের বামপন্থী রাজনীতি শ্রমিকদের জীবনে বাস্তবিকই কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। তিনি বলেন, “তাঁদের জীবনে প্রকৃত উন্নতি কিছুই হয়নি (Kerala Elections 2026)। দেবীকুলামের মানুষের সমস্যা কোনও একটি বিমূর্ত রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, এগুলি প্রতিদিনের বাস্তব সত্যই। রাজেন্দ্রনের অভিযোগ, বন দফতর ‘পট্টায়ম’ জমিতে হস্তক্ষেপ করছে যা আইনত কৃষকদের মালিকানাধীন। তিনি বলেন, “মানুষ নিজেদের জমিতেও ঢুকতে পারছে না।” রাজাদের আমল থেকে থাকা রাস্তা—যেমন নেরিয়ামঙ্গলম থেকে আদিমালি পর্যন্ত ৬–১২ কিমি দীর্ঘ পথ দখল করা (BJP) হচ্ছে। বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহৃত এই রাস্তাগুলির জন্য এখন স্থানীয়দের বিরুদ্ধেই মামলা হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিটি দখলই উন্নয়নের পথে নয়া বাধার সৃষ্টি করছে।”

    কী বলছেন স্থানীয়রা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বন্যপ্রাণীর আক্রমণে প্রায়ই মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, মারা যাচ্ছে গবাদি পশুও। রাজেন্দ্রন বলেন, “সেদিনই হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির।  বাঘ, চিতা, বানর, ময়ূর—সবই মানুষের বসতির আরও কাছে চলে আসছে। এগুলি স্রেফ পরিসংখ্যান নয়। মানুষের মৌলিক অধিকারও অধরা রয়ে গিয়েছে। চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য প্রতিশ্রুত ঘর (লায়াম) এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। জাতিগত সনদ মেলেনি। বাসস্থানের অধিকার অনিশ্চিত।” তিনি বলেন, “দেবীকুলামের শ্রমিকদের উদ্দেশে রাজেন্দ্রনের বার্তা, তিনি তাঁদের পুরানো অভ্যাস ছেড়ে দিতে বলছেন না, বরং বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখায় উৎসাহী হতে বলছেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কাছে জাত বা ধর্ম নয়, তাঁর কাছে আছে খিদে, সমস্যা আর কষ্ট। ”

    ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান

    তিনি বলেন, “কংগ্রেস দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকেও উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি—না চার লেনের রাস্তা, না রেলপথ নির্মাণ, না পেনশন সংস্কার”। এলডিএফ রাজ্য পর্যায়ে সীমাবদ্ধ, জাতীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে না। তিনি বলেন, “এলডিএফ এবং ইউডিএফ একজোট হলেও বড় কোনও আইনগত পরিবর্তন আনতে পারবে না (Kerala Elections 2026)।” ইন্ডি জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও সন্দিহান তিনি। বলেন, “যা করার, আগামী ১০ বছরের মধ্যেই করতে হবে।” প্রশ্ন হল, তার পরেও কেন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, যখন কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সরকার ইতিমধ্যেই রয়েছে। রাজেন্দ্রনের প্রশ্ন, “৪০ বছরে আমরা এই আদর্শ নিয়ে কতদূর এগোলাম? আগামী প্রজন্ম কোথায় গিয়ে পৌঁছবে?”

    বস্তুত, এটি শুধু একটি অলঙ্কার নয়, বরং একজন মানুষের আত্মসমীক্ষা, যিনি জীবনের সেরা সময় একটি আদর্শের পেছনে ব্যয় করেছেন, এবং শেষে দেখেছেন সেই আদর্শ ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তিনি মনে করেন (Kerala Elections 2026), শ্রমিকরা শুধু স্লোগান নয়, বাস্তব পরিবর্তনের যোগ্য। আর সেই পরিবর্তন, এই মুহূর্তে, গেরুয়া রঙেই (BJP) প্রতিফলিত হচ্ছে।

     

  • Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। পেট্রো জ্বালানি, রান্নার গ্যাসে বিরাট প্রভাব পড়ছে। তাই এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার বড় ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার থেকে খোলা বাজারের কেরোসিন তেল (Kerosene) পেট্রোল পাম্পেই (Petrol Pump) পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রেশন দোকানের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই উন্নত মানের কেরোসিন সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেল সংগ্রহে এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের দারুণ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    নতুন সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য (Kerosene)

    এতদিন পর্যন্ত কেরোসিন (Kerosene) মূলত গণবণ্টন ব্যবস্থা বা রেশন দোকানের মাধ্যমেই উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছাত। কিন্তু সেখানে প্রায়শই জালিয়াতি এবং কালোবাজারির অভিযোগ উঠত। মোদি সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে মানুষের প্রয়োজনীয়তা এবং দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    • সহজলভ্যতা: রেশন কার্ড থাকুক বা না থাকুক, যে কেউ এখন পেট্রোল পাম্প থেকে নির্ধারিত মূল্যে কেরোসিন কিনতে পারবেন।
    • স্বচ্ছতা: পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিক্রি হওয়ায় জালিয়াতির সুযোগ কমবে।
    • মান নিয়ন্ত্রণ: পাম্প থেকে সরাসরি তেল পাওয়ায় তেলের গুণমান বজায় থাকবে।

    রেশন ডিলারদের বিকল্প পথ

    সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রোল পাম্প নয়, চাইলে রেশন ডিলাররাও তাদের দোকানে ছোট সিলিন্ডার এলপিজি বা অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে রেশন ডিলারদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ হাতের কাছেই রান্নার জ্বালানি (Kerosene) পাবেন। জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর রাখতে একটি আন্তঃমন্ত্রকীয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্মলা সীতারামন, কিরেন রিজিজু, হরদীপ সিং পুরি, মনোহর লাল খট্টর এবং জেপি নাড্ডাসহ শীর্ষ মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ভর্তুকিহীন কেরোসিন

    উল্লেখ্য, পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) যে কেরোসিন (Kerosene) পাওয়া যাবে তা হবে ভর্তুকিহীন বা ‘নন-সাবসিডাইজড’। যারা রান্নার গ্যাস (LPG) ব্যবহার করেন না বা যাদের অতিরিক্ত কেরোসিনের প্রয়োজন হয়, তারা এই সুবিধা নিতে পারবেন। তবে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে (BPL) রয়েছেন, তাদের জন্য রেশন দোকানের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ আগের মতোই জারি থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেক্ষেত্রে ভয়ের কোনও ব্যাপার নেই।

    পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের মাধ্যমে বণ্টন

    ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন (Kerosene) বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছে যায়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট-সহ মোট ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (Petrol Pump) মাধ্যমে উন্নত মানের কেরোসিন সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই সব জায়গায় আগে ধাপে ধাপে কেরোসিন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২ শিথিল

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো (Petrol Pump) রান্না ও আলোর ব্যবহারের জন্য কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। তবে প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। জেলায় জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

    ই-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২-এর কিছু শর্তকে এখন শিথিল করা হয়েছে। ফলে কেরোসিন ডিলার ও পরিবহণকারী যানবাহনের জন্য লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়মও সহজ করা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও গ্যাস সরবারহেকে নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। জ্বালানির (Kerosene) প্রাপ্যতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যমান খুচরা পাম্পগুলিকে ব্যবহার করে দ্রুত কেরোসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তেল সংস্থাগুলিকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম (Petrol Pump) ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংস্থার নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তি আপাতত ৬০ দিন বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি (Kerosene) ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এটি মোদি সরকারের একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এর ফলে খনিজ তেলের খোলা বাজার আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

  • Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো-হারান হারাতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেও। এই ভবানীপুরেই মমতা প্রার্থী (Assembly Election 2026) হবেন বলে অনেক আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা। অতএব, ভবানীপুরে (Amit Shah) লড়াই হবে জোরদার। বৃহস্পতিবার এই ভবানীপুর কেন্দ্রেই মনোনয়নপত্র পেশ করবেন শুভেন্দু। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র পেশ করতে যাবেন শুভেন্দু। সেই দিনই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে।

    বাংলায় আসছেন শাহ (Assembly Election 2026)

    বিজেপি সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন পেশ করার আগে হাজরা মোড়ে জনসভা করতে পারেন শাহ। তার পর সেখান থেকে এক কিলোমিটার রোড শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের আগে পর্যন্ত যাবেন। শেষে ২০০ মিটার পথ যাবেন হেঁটে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে সোমবারই মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Assembly Election 2026)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে। তাতে এক সঙ্গে অনেকগুলি বার্তা দেওয়া যাবে। এক, এটা বোঝানো যাবে যে শুভেন্দুর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর সতীর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর দ্বিতীয় বার্তাটি হল, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দেবেন ‘জায়ান্ট কিলার’ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Amit Shah)।

    সেটিং-তত্ত্ব খারিজ

    বঙ্গবাসীর একাংশের অভিযোগ ছিল বিজেপি এবং তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনের ঢের আগে শুভেন্দু দলীয় নেতাদের বুঝিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া যাবে দুভাবে। এক, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে যদি তৎপরতা শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর দ্বিতীয় পথটি হতে পারে, ভবানীপুরে মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সে ক্ষেত্রে তিনিই প্রার্থী হতে প্রস্তুত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্বিতীয় অপশনটিকেই বেছে নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Assembly Election 2026)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভবানীপুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের পর তো ভবানীপুর বিজেপির হয়েই গিয়েছে। আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথমবার জিতবে এমন নয়। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যখন মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তথাগত রায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি পড়ে প্রাক্তন সাংসদ তথাগতের লোকসভা কেন্দ্রে। সেবার ভবানীপুর কেন্দ্রে দুহাজারেরও ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চুরি-চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন। এসআইআরের পর সেটা আর সম্ভব নয়। মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমায় ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি রোখার জন্য।” তিনি বলেন, “২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব। ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব। ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ (Amit Shah) শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব। ৪ মে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, আর দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ তারিখে (Assembly Election 2026)।

    নন্দীগ্রামে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের

    গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে ধরাশায়ী করেছিলেন শুভেন্দু। মমতার বিশ্বাস ছিল, নন্দীগ্রামবাসী তাঁকে বিমুখ করবেন না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই প্রার্থী হন মমতা। তিনি ভেবেছিলেন, শুভেন্দু তাঁর ছায়া, কায়া নয়। তাই শুভেন্দুকে হারবেন। যদিও নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায় মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলেশ্বরীই। পরে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়ে কোনওক্রমে বাঁচান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি। এর পর নানা সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দল তাঁকে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বললে তিনি দাঁড়াবেন এবং তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রীকে ধরাশায়ী করবেন। এবার সেই দ্বৈরথই দেখতে চলেছেন ভবানীপুরবাসী (Assembly Election 2026)।

  • UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    UPI: অনলাইন লেনদেনে বড় বদল! ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ওটিপি-তে কাজ হবে না, কড়া নিয়ম আনল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি ইউপিআই (UPI), নেট ব্যাঙ্কিং বা ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করেন? তবে আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর। বুধবার, ১ এপ্রিল থেকে ডিজিটাল পেমেন্টের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে বড়সড় পরিবর্তন আনছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনলাইন জালিয়াতি রুখতে এখন থেকে শুধুমাত্র ওটিপি (OTP) বা ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড দিয়ে লেনদেন করা যাবে না। তার সঙ্গে যুক্ত হবে নিরাপত্তার আরও একটি স্তর।

    কী এই নতুন নিয়ম (UPI)?

    আরবিআই (RBI) জানিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত অনলাইনে (UPI) টাকা পাঠাতে বা কেনাকাটা করতে মোবাইলে আসা ওটিপি-ই ছিল প্রধান ভরসা। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা যেভাবে ওটিপি চুরির মাধ্যমে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে, তাতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। তাই এবার থেকে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ (2FA) বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি লেনদেন সম্পন্ন করতে কমপক্ষে দুটি আলাদা নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এর মধ্যে একটি অবশ্যই হতে হবে ‘ডায়নামিক’ বা পরিবর্তনশীল ওটিপি। অন্যটি হতে পারে আপনার পিন (PIN), পাসওয়ার্ড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি-র মতো বায়োমেট্রিক তথ্য।

    গ্রাহকদের ওপর কী প্রভাব পড়বে?

    আরবিআই আরও জানিয়েছে যে, আন্তঃসীমান্ত লেনদেনের ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এই নিয়মগুলো আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বৈশ্বিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সমপরিমাণ নিরাপত্তা ও সরক্ষাকে নিশ্চিত করবে। ওটিপি (UPI) কোনওভাবে হ্যাক হলেও দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা (যেমন বায়োমেট্রিক বা পিন) ছাড়া টাকা হাতানো সম্ভব হবে না।

    ঝুঁকিভিত্তিক যাচাইকরণ

    সব লেনদেনের জন্য একই নিয়ম থাকবে না। আপনার লেনদেনের পরিমাণ, ব্যবহৃত ডিভাইস এবং লোকেশনের ওপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক ঠিক করবে বাড়তি কতটুকু নিরাপত্তা যাচাই প্রয়োজন। বাড়তি একটি স্তরের যাচাইকরণের ফলে পেমেন্ট সফল হতে আগের চেয়ে কয়েক সেকেন্ড বেশি সময় লাগতে পারে। আন্তর্জাতিক কার্ড পেমেন্টের ক্ষেত্রেও এই কড়া নিয়ম কার্যকর হবে, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে পুরোপুরি বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্কগুলির দায়বদ্ধতা বাড়ছে

    আরবিআই (RBI) স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম নিরাপদ রাখার মূল দায়িত্ব ব্যাঙ্ক এবং পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির। যদি সিস্টেমের ত্রুটির কারণে কোনো গ্রাহক আর্থিক প্রতারণার শিকার হন, তবে ব্যাঙ্ককে দ্রুত সেই অভিযোগ সমাধান করতে হবে এবং প্রয়োজনে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার প্রসারের সাথে সাথে সাইবার ক্রাইম যে হারে বাড়ছে, তা রুখতে এই পদক্ষেপ এক যুগান্তকারী ভূমিকা নেবে। প্রাথমিকভাবে গ্রাহকদের কিছুটা অভ্যস্ত হতে সময় লাগলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত উপার্জনের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

  • WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিজেপি নেতার। এঁদের একজন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari), আর অন্যজন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও দফতরের দ্বারস্থ হলেন (WB Assembly Election 2026) ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্তার নামও নিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “এসটিএফের (STF) জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, সিআইডি, এসটিএফ, আইবি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনকে। নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতোই সুবিধা করে দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর আরও (WB Assembly Election 2026) অভিযোগ, জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

    মমতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।” প্রসঙ্গত, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত (Suvendu Adhikari)। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওঁকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি (WB Assembly Election 2026) না।” এ নিয়ে সোমবারই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন অলিম্পিক পদকজয়ী এই কিংবদন্তি। গত সপ্তাহেই কলকাতার নিউটাউনের এক অভিজাত হোটেলে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠক ঘিরে যে গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল, এদিন তাতেই শিলমোহর পড়ল।

    নিউ টাউনের সেই ‘পাকা কথা’ (Leander Paes)

    ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরের সময় নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Bengal BJP) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন লিয়েন্ডার। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগদান করবেন টেনিস মহাতারকা (Leander Paes)? মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর সেই জল্পনাই বাস্তব রূপ পেল। পদ্ম-শিবিরে যোগদান করে পদ্মপ্রাপক (২০১৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী) ক্রীড়াবিদ লিয়েন্ডার বলেন, “আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ওখানে টেনিসের এত পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই। এখন আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।”

    কেন এই দলবদল?

    ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়া নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারও করেছিলেন। তবে গত কিছু সময় ধরে জোড়া-ফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে খবর। এদিন বিজেপিতে (Bengal BJP) যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার (Leander Paes) বলেন, “আমি ৪০ বছর দেশের হয়ে খেলেছি। এবার দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মপদ্ধতি এবং দেশের খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    বঙ্গ-রাজনীতিতে লিয়েন্ডারের গুরুত্ব

    লিয়েন্ডারের যোগদানের সময় সুকান্ত মজুমদার তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর এই গভীর যোগসূত্রকে আগামী নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে কলকাতার শহুরে এবং শিক্ষিত ভোটারদের কাছে লিয়েন্ডারের গ্রহণযোগ্যতা দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। দেশের যুবক-যুবতীদের এই খেলায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিও, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির (Bengal BJP) জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দল আরও শাক্তিশালী হবে।

    বিধানসভায় কি প্রার্থী হবেন?

    লিয়েন্ডারকে (Leander Paes) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও দলের তরফে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতার কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে তাঁকে লড়াইয়ে নামানোর কথা ভাবছে পদ্ম-শিবির। শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবেই নয়, রাজ্যজুড়ে বিজেপির তারকা প্রচারক হিসেবেও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। খেলার কোর্টে বহুবার প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করে এনেছেন লিয়েন্ডার। এবার রাজনীতির পিচে তিনি কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

LinkedIn
Share