Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rahul Gandhi: “ভারতীয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই লড়ছে কংগ্রেস”, আরএসএসকে নিশানা করতে গিয়ে বললেন রাহুল

    Rahul Gandhi: “ভারতীয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই লড়ছে কংগ্রেস”, আরএসএসকে নিশানা করতে গিয়ে বললেন রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস শুধু বিজেপি এবং আরএসএসের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো ভারতীয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই লড়াই করছে।” আরএসএসকে নিশানা করতে গিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বুধবার দিল্লিতে (Indian State) এআইসিসির সদর দফতরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন রাহুল। সেখানেই তিনি ‘দেশদ্রোহিতা’র কথা বলেন।

    কী বললেন রাহুল? (Rahul Gandhi)

    রাহুল বলেন, “ভাববেন না আমরা একটি ন্যায্য লড়াই করছি। আপনি যদি মনে করেন আমরা বিজেপি এবং আরএসএস নামক একটি রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে লড়াই করছি, তাহলে জেনে রাখুন তারা আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠান দখল করেছে। এখন আমরা শুধু বিজেপি এবং আরএসএসের বিরুদ্ধে নয়, বরং ভারতীয় রাষ্ট্রের বিরুদ্ধেই লড়াই করছি।”

    নির্বাচন কমিশনকে নিশানা

    তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে অস্বস্তিতে আছি। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে মহারাষ্ট্রে প্রায় এক কোটি নতুন ভোটারের হঠাৎ উপস্থিতি সমস্যাজনক। বিধানসভা নির্বাচনে যারা ভোট দিয়েছেন তাঁদের নাম এবং ঠিকানা-সহ ভোটার তালিকা সরবরাহ করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। অথচ নির্বাচন কমিশন এই তথ্য সরবরাহ করতে অস্বীকার করেছে।” কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বলেন, “আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থায় একটি গুরুতর সমস্যা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব স্বচ্ছ হওয়া।”  তিনি (Rahul Gandhi) বলেন, “নির্বাচন কমিশন কেন ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করতে রাজি হবে না? আমাদের তালিকা না দিয়ে তারা কোন উদ্দেশ্য সাধন করছে, এবং কেন তারা এটা গোপন রাখছে? স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। কেন এটা ঘটেছে, তা ব্যাখ্যা করা তাদের পবিত্র দায়িত্ব।”

    আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ইন্দোরের এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ভারত প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছে অযোধ্যায় রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন। ভাগবতকে (Indian State) নিশানা করতে গিয়েই ভারত বিরোধিতার কথা বলেন রাহুল (Rahul Gandhi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    Mahakumbh Mela 2025: কুম্ভমেলায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৩০০০ ট্রেনের মহা আয়োজন ভারতীয় রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণ মহাকুম্ভ মেলায় (Mahakumbh Mela 2025) ভারতীয় রেল যেন কল্পতরু। উত্তর প্রদেশ সরকার আগেই ঘোষণা করেছিল মেলায় ৪০-৪৫ কোটি মানুষের সমাগম হবে। তাই ভারতীয় রেল তীর্থযাত্রীদের পরিষেবায় ৫০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ১৩০০০ ট্রেন এবং ৫৫০টি টিকিট কাউন্টার সহ আরও একাধিক ব্যবস্থা করেছে রেল। ত্রিবেণী সঙ্গমের স্নানের আয়োজনকে আরও নিরাপদ এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ১৪ জানুয়ারি পৌষ পূর্ণিমার দিন থেকে মেলার পুণ্যস্নান শুরু হয়েছে, চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রি পর্যন্ত। দেশ এবং বিদেশের প্রচুর সাধু-সন্ত, সন্ন্যাসী, মুনিঋষি, যোগী, তান্ত্রিক এবং সাধারণ ভক্ত প্রতিদিন গঙ্গায় ডুব দিয়ে মোক্ষলাভের বাসনা চরিতার্থ করতে সমবেত হচ্ছেন।

    ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বের ট্রেন চলছে (Mahakumbh Mela 2025)

    পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহামিলন মেলার (Mahakumbh Mela 2025) যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেলের একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আগের কুম্ভমেলা থেকে এবারের মহাকুম্ভে প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি ভক্ত সমাগম হবে। তাই জাতীয় পরিবহণ ব্যবস্থা হিসেবে মেলার জন্য ১৩,০০০টি ট্রেন চালানোর কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১০,০০০টি ট্রেন নিয়মিত চলবে এবং ৩১৩৪টি ট্রেন বিশেষ ট্রেন হিসবে চালানো হবে। ভারতীয় রেল ১৮৬৯টি ট্রেন স্বল্প-দূরত্বে চালাবে এবং ৫৫৯ রিং ট্রেন চালানো হবে। এই কুম্ভে তীর্থযাত্রীদের যাতে যাওয়া-আসায় সমস্যা না হয় তাই মালবাহী ট্রেনগুলিকে ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডর হয়ে ঘুরপথে চালানোর কথা জানানো হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভব্য মহাকুম্ভকে দিব্য মহাকুম্ভ করতে রেল যে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না, এসব ব্যবস্থাই তার বড় প্রমাণ। 

    ৩৭০০ কোটি টাকার দুটি বড় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে রেল

    ভারতীয় রেল মহাকুম্ভে (Mahakumbh Mela 2025) পরিষেবা দেওয়ার কাজে ৩৭০০ কোটি টাকা দুটি বড় প্রকল্পে খরচ করেছে। তার মধ্যে রয়েছে বারাণসী থেকে প্রয়াগরাজ গঙ্গা সেতু এবং ফাফামাউ থেকে জাংহাই প্রকল্পের জন্য খরচ দ্বিগুণ করে কাজ করার কথা জানিয়েছে রেল। যেহেতু মেলায় প্রায় ৫০ কোটি মানুষের আয়োজনের লক্ষ্য মাত্রা রয়েছে, তাই বিশেষ ভাবে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরিবহণের ওপর স্বভাবিক ভাবেই নজর দিতে হয়েছে। ব্যাপক ভিড়কে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য রেলের সময়সূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষা এবং নিরাপদে পুণ্য স্নানের জন্য আরও একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    রেলের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখা হয়েছে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকুম্ভমেলায় (Mahakumbh Mela 2025) প্রয়াগরাজ অঞ্চলে মোট ১১৭৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ২৩টি কেন্দ্রে ১ লক্ষ মানুষের থাকার জন্য শিবির নির্মাণ করা হয়েছে। ভিড়ের মধ্যে যাত্রীদের দ্রুত রেলের টিকিট দিতে রঙিন টিকিট এবং বারকোড যুক্ত ইউটিএস মেশিনে টিকিট পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলায় তীর্থযাত্রীদের সব রকম সুবিধা দিতে রেলওয়ে পুলিশ, নিরাপত্তা কর্মী, যন্ত্রচালক, ইঞ্জিনিয়র, বিদ্যুৎ পরিচালনার কর্মী, এবং আরও একাধিক বিভাগের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা সজাগ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সমস্ত ব্যবস্থায় আপতকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় মেডিক্যাল পরিষেবা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্র এবং বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্র গড়া হয়েছে।

    ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা

    প্রয়াগরাজ শহরে যাত্রীদের পরিষেবা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে রেলওয়ে ৪৮টি প্ল্যাটফর্ম এবং ২১টি ফুট ওভার ব্রিজের অতরিক্ত সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ১৫১টি মোবাইল ইউটিএস কাউন্টার খোলা হয়েছে। আরও ৫৫৪টি টিকিট কাউন্টারে সরাসরি টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সড়ক ও রেলের মধ্যে যোগাযোগকে সরল করতে ২১টি আরওবি নির্মাণ করেছে রেল। ন’টি প্রধান স্টেশনে মোট ১২টি ভাষায় রেল ঘোষণার ব্যবস্থা করেছে। মোট ২২টি ভাষায় একটি পথ নির্দেশিকা বিষয়ক পুস্তিকাও চালু করা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে দেওয়া হয়েছে। পুণ্যার্থীদের পুণ্যস্নানকে সুরক্ষিত (Mahakumbh Mela 2025) এবং আরও নিরাপদ করতে রেলের এই বিরাট আয়োজন এখন রেকর্ড গড়ার পথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Price Of Vegetables: নতুন বছরে হু হু করে কমছে সবজি ও খাদ্যশস্যের দাম, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    Price Of Vegetables: নতুন বছরে হু হু করে কমছে সবজি ও খাদ্যশস্যের দাম, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির খবর। নতুন বছরের প্রথম পনেরো দিনেই আনাজপাতি ও খাদ্যশস্যের দাম (Price down) করে গিয়েছে একলপ্তে অনেকখানি (Price Of Vegetables)। ডিসেম্বরে যে দাম ছিল, তার তুলনায় টমেটো, আলু, পেঁয়াজ, চাল এবং ডালের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত।

    মূল্য হ্রাস (Price Of Vegetables)

    কৃষি বাণিজ্য সংস্থাগুলোর মতে, এই দামের পতনের কারণ হল বাজারে নতুন ফসলের ব্যাপক আমদানি, খরিফ শস্যের উন্নত ফলন এবং ডালের ক্ষেত্রে আমদানি বৃদ্ধি। জানা গিয়েছে, টমেটোর দাম ৪০ শতাংশ, আলুর দাম ১৬ শতাংশ, পেঁয়াজের দাম ৩৩ শতাংশ এবং চালের দাম ১০-১৫ শতাংশ কমেছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকে টমেটোর সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণেই দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

    সবজির দামের পতন

    দিল্লিভিত্তিক আজাদপুর মার্কেট টমেটো অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অশোক কৌশিক বলেন, “দাম স্থিতিশীল থাকবে। খুচরো বাজারে টমেটোর দাম ডিসেম্বরে ছিল ৫০ টাকা প্রতি কেজি। বর্তমানে সেটাই কমে হয়েছে কেজি প্রতি ৩০-৩৫ টাকা। সবজির দামের এই পতন প্রায় দুবছরের উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির পর গৃহস্থালির বাজেটের চাপ লাঘব করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ডিসেম্বর মাসের ডেটা থেকে জানা গিয়েছে, খুচরো মুদ্রাস্ফীতি চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে, ৫.২২ শতাংশে নেমে এসেছে।

    আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    দাম কমেছে ডাল শস্যেরও। তুর ও অড়হর ডালের দাম কমেছে যথাক্রমে ২৩ শতাংশ ও ১০.৫ শতাংশ। মসুর, ছোলা, স্প্লিট পি এবং মুগ ডালের দাম কমেছে ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত (Price Of Vegetables)। দিল্লি গ্রেইন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি গৌরব গুপ্ত বলেন, “ডালের দাম নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া পর্যন্ত চাপের মধ্যে থাকবে যাতে পতন রোধ করা যায়।” জানা গিয়েছে, প্রচুর ফলন হওয়ায় ধানের দাম কমেছে ১০-১৫ শতাংশ। রাইসভিলার সিইও সুরজ আগরওয়াল বলেন,

    “যে চাল ৫৩-৫৪ টাকা প্রতি কেজি দামে বিক্রি হচ্ছিল, তা গত ১৫ দিনে ৪৬-৪৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রফতানিও শক্তিশালী। তবে, আশ্চর্যজনকভাবে, পশ্চিমবঙ্গে মিনিকিট চালের দাম স্থির রয়েছে এবং উৎপাদন ভালো হওয়া সত্ত্বেও দাম বাড়ছে।” গত ৪৫ দিনে পেঁয়াজের দাম কমে (Price down) অর্ধেক হয়েছে (Price Of Vegetables)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sajal Ghosh: ১০ টাকা দিলেই বাড়িতে পৌঁছে যাবে খাবার, বড় উদ্যোগ বিজেপি নেতা সজল ঘোষের

    Sajal Ghosh: ১০ টাকা দিলেই বাড়িতে পৌঁছে যাবে খাবার, বড় উদ্যোগ বিজেপি নেতা সজল ঘোষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বেড়েই চলেছে। ৫০০ টাকা হাতে নিয়ে বাজার গেলে ঝোলা ভর্তি হয় না। মূল্যবৃদ্ধির বাজারে এবার বড় উদ্যোগ নিলেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। মাত্র ১০ টাকায় বাড়িতে পৌঁচ্ছে যাবে খাবার। পেটপুরে মিলবে খাবার। এই উদ্যোগের জন্য তিনি সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

    কারা এই উদ্যোগের সুবিধা পাবেন? (Sajal Ghosh)

    ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখ থেকেই বিজেপি (BJP) নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) শুরু করছেন এই পদক্ষেপ। জানা যাচ্ছে, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই রাজ্যে এমন অনেক অসহায় প্রবীণ নাগরিক রয়েছেন, যাঁরা একা থাকেন। ঠিকভাবে রান্না করতে পারেন না। অনেকে আবার বয়সের কারণে বাইরে খাবার কিনতে যেতে পারেন না। আর বাজারমূল্য একটি বড় ফ্যাক্টর। এসবের কথা মাথায় রেখে রাতের খাবারের বন্দোবস্ত করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্য ও উত্তর কলকাতার বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য দশ টাকার বিনিময়ে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেবে বিজেপি। যেসব বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা বাড়িতে একা থাকেন, অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াতেই এই পদক্ষেপ করছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। এই উদ্যোগের নাম রাখা হয়েছে ‘চেটেপুটে’। তবে তিনি পরিস্কার জানিয়েছেন, ‘মা ক্যান্টিনের’ সঙ্গে এর কোনও মিল নেই।

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা মৃত্যু নয়, হত্যা”, স্যালাইনকাণ্ডে থানায় এফআইআর দায়ের বিজেপি বিধায়ক শঙ্করের

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এ বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) এই এলাকায় বরাবর জনসেবামূলক কাজ করেছেন। আগেও আমাদের দল এই ধরনের জনসেবামূলক কাজ করেছে। অনেক সময় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বাড়িতে রান্না করার মতো পরিস্থিতি থাকে না। তাঁদের জন্যই মূলত এই উদ্যোগ। আশা রাখব, এই উদ্যোগে বহু বৃদ্ধ-বৃদ্ধা উপকৃত হবেন। তবে এটা কারও পাল্টা নয়, আগেই বলে দিলাম। বরং, এটা বলতে পারি, সজলের উদ্যোগ অভিনব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    Yogi Adityanath: সাম্প্রদায়িক হিংসায় হারিয়েছিল ভিটে, ৪৭ বছর পর তিন হিন্দু পরিবারকে জমি ফেরালেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রদায়িক হিংসার জেরে ভিটে ছাড়া হয়েছিলেন ৪৭ বছর আগে (Sambhal)। ফিরলেন ৪৭ বছর পরে। তাঁদের ভিটেয় ফেরালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। ১৯৭৮ সালে হিংসার কারণে ভিটে ছেড়েছিলেন সম্ভলের বহু হিন্দু পরিবার। সেই সময় উচ্ছেদ হওয়া তিনটি হিন্দু পরিবারের জমির মালিকানা পুনরুদ্ধার করল যোগী প্রশাসন। এই তিন পরিবার হিংসায় হারিয়েছিলেন তাঁদের প্রিয়জনদের। বেহাত হয়ে গিয়েছিল ভিটেও। সেই জমিই ফেরত পেলেন তাঁরা।

    সম্ভল হিংসা (Yogi Adityanath)

    ১৯৭৮ সালে সম্ভল হিংসা উত্তরপ্রদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ অধ্যায়। সেবার প্রায় ২৫০ জন হিন্দুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল বা জীবন বাঁচাতে তাঁদের বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছিল। এই হিংসায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন তুলসী রামের পরিবার। দলিত এই হিন্দুর মৃত্যুর পর প্রাণের ভয়ে ঘরদোর ছেড়ে পালান ওই এলাকার হিন্দুরা। আশ্রয় নেন চন্দৌসি এবং অন্যান্য জায়গায়। জমি-ভিটে বেহাত হয়ে যাওয়ায় একেবারে নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিলেন তাঁরা। হিন্দুদের কেড়ে নেওয়া জমিতে স্কুল গড়ে তোলে মুসলমানরা।

    কী বলছেন খুন হওয়া তুলসির পরিবার

    তুলসির পরিবারের সদস্য অমরিশ কুমার। সেদিনের সেই বর্বরতার সাক্ষী তিনি। বলেন, “দাঙ্গার সময় আমার দাদুকে খুন করা হয়েছিল। এরপর আমাদের আর কোনও উপায় ছিল না। বাড়ি, জমি-জিরেত, জীবিকা— সব কিছু ফেলে রেখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম।” তিনি বলেন, “হিংসা থেমে যাওয়ার পর ভিটেয় ফেরার চেষ্টা করেছিলাম। আমাদের তাড়া করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের বলা হয়েছিল, এখানে আমাদের আর কোনও জায়গা নেই।” বেহাত হয়ে যাওয়া জমি ফিরে পেয়ে যারপরনাই খুশি অমরিশ। বলেন, “আজ, আমরা ন্যায়বিচারের অনুভূতি (Yogi Adityanath) নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি। জমি অবশেষে আবার আমাদের হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভারতের হুঁশিয়ারির পরই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইল জুকারবার্গের সংস্থা মেটা

    জমি ফিরে পেয়েছেন আশা দেবীও। তিনি বলেন, “রোডওয়েজ বাস স্টেশনের পিছনে আমাদের প্রায় ২.২৫ বিঘা জমি ছিল। অন্যরা দখল করে নিয়েছিল। সেখানে একটা স্কুল তৈরি করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “আমরা যখনই আমাদের ন্যায্য অধিকার ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেছি, আমাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও, সবসময় মনে হতো সিস্টেম আমাদের কষ্টের প্রতি উদাসীন।” প্রসঙ্গত, দিন (Sambhal) কয়েক আগেই এই মামলাগুলি রি-ওপেন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) স্বয়ং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: কাঁটাতার বসানোয় বাধাসৃষ্টির পর সীমান্তে ভারতীয় কৃষককে ‘অপহরণ’ বিজিবি-র!

    Bangladesh: কাঁটাতার বসানোয় বাধাসৃষ্টির পর সীমান্তে ভারতীয় কৃষককে ‘অপহরণ’ বিজিবি-র!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে উত্তরোত্তর বাড়ছে ভারত-বিদ্বেষ। পাশাপাশি, বিজিবি-র তরফে সীমান্তে লাগাতার উস্কানি দেওয়ার চেষ্টাও চলছে। যার জেরে মালদা ও কোচবিহার সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় কাঁটাতার দিতে বাধা দিচ্ছে বিজিবি। এই নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তৈরি হয়েছে উত্তেজনার পরিবেশ। এই আবহের মধ্যে এবার এক কৃষককে অপহরণ করার অভিযোগ উঠল বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি-র বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাপড়ার হৃদয়পুর এলাকায়।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?(Bangladesh)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো হৃদয়পুর গ্রামের চাষি নূর হোসেন মঙ্গলবার সকালে বিএসএফের কাছে তার পরিচয়পত্র জমা দিয়ে কাঁটাতার পেরিয়ে জিরো পয়েন্টের কাছে নিজের চাষের (Bangladesh) জমিতে চাষ করতে গিয়েছিলেন। এরপর সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও আর বাড়িতে ফিরে আসেননি তিনি। এরপরই সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রত্যেকের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীরা ওই কৃষককে অপহরণ করেছে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত করলেও এখনো কৃষককে ফিরে পাননি তাঁর পরিবার। চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে ভারতীয় ওই কৃষকের পরিবার। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, নিয়ম মেনেই নিজের জমিতে চাষ করতে গিয়েছিলেন। অন্য সময় বিকেলের মধ্যেই বাড়ি ফিরে আসেন। ২৪ ঘণ্টা হয়ে গেল কোনও খোঁজ নেই। এভাবে বিজিবি কেন একজন চাষিকে অপহরণ করল? আর বাংলাদেশে যে সব ঘটনা ঘটছে, সে সব দেখে আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। আমরা চাই, অবিলম্বে তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

    বাংলাদেশের কী বক্তব্য?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সোনা পাচারকারী সন্দেহেই নূর হোসেন শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই বিএসএফ-কে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, এ বিষয়ে চাপড়া থানার পুলিশের অবহিত করা হয়েছে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে যে, দেশের অভ্যন্তরের পরিস্থিতি থেকে জনগণের নজর ঘোরাতেই কি সীমান্তে লাগাতার উস্কানি দিচ্ছে বাংলাদেশের সরকার? নেপথ্যে কি মৌলবাদীদের প্ররোচনা? প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 251: “এই শুন, এরই নাম নিরাকার সচ্চিদানন্দ-দর্শন, বিশুদ্ধচক্র ভেদ হলে সকলি আকাশ”

    Ramakrishna 251: “এই শুন, এরই নাম নিরাকার সচ্চিদানন্দ-দর্শন, বিশুদ্ধচক্র ভেদ হলে সকলি আকাশ”

    শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে ও ভক্তগৃহে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২১শে জুলাই

    শ্রীযুক্ত অধর সেনের বাটীতে কীর্তনানন্দে

    রামালাল (Ramakrishna) আবার গাইলেন:

    ভবদারা ভয়হরা নাম শুনেছি তোমার,
    তাইতে এবার দিয়েছি ভার তারো তারো না তারো মা।
    তুমি মা ব্রহ্মাণ্ডধারী ব্রহ্মাণ্ড ব্যাপিকে,
    কে জানে তোমারে তুমি কালী কি রাধিকে,
    ঘটে ঘটে তুমি ঘটে আছ গো জননী,
    মূলাধার কমলে থাক মা কুলকুণ্ডলিনী।
    তদূর্ধ্বেতে আছে মাগো নামে স্বাধিষ্ঠান,
    চতুর্দল পদ্মে তথায় আছ অধিষ্ঠান,
    চর্তুদলে থাক তুমি কুলকুণ্ডলিনী,
    ষড়দল বজ্রাসনে বস মা আপনি।
    তদূর্ধ্বেতে নাভিস্থান মা মণিপুর কয়,
    নীলবর্ণের দশদল পদ্ম যে তথায়,
    সুষুম্নার পথ দিয়ে এস গো জননী,
    কমলে কমলে থাক কমলে কামিনী।
    তদূর্ধ্বেতে আছে মাগো সুধা সরোবর,
    রক্তবর্ণের দ্বাদশদল পদ্ম মনোহর,
    পাদপদ্মে দিয়ে যদি এ পদ্ম প্রকাশ।
    (মা), হৃদে আছে বিভাবরী তিমির বিনাশ।
    তদূর্ধ্বেতে আছে মাগো নাম কণ্ঠস্থল,
    ধূম্রবর্ণের পদ্ম আছে হয়ে ষোড়শদল।
    সেই পদ্ম মধ্যে আছে অম্বুজে আকাশ,
    সে আকাশ রুদ্ধ হলে সকলি আকাশ।
    তদূর্ধ্বে ললাটে স্থান মা আছে দ্বিদল পদ্ম,
    সদায় আছয়ে মন হইয়ে আবদ্ধ।
    মন যে মানে না আমার মন ভাল নয়,
    দ্বিদলে বসিয়া রঙ্গ দেখয়ে সদায়।
    তদূর্ধ্বে মস্তকে স্থান মা অতি মনোহর,
    সহস্রদল পদ্ম আছে তাহার ভিতর।
    তথায় পরম শিব আছেন আপনি,
    সেই শিবের কাছে বস শিবে মা আপনি।
    তুমি আদ্যাশক্তি মা জিতেন্দ্রিয় নারী,
    যোগীন্দ্র মুনীন্দ্র ভাবে নগেন্দ্র কুমারী।
    হর শক্তি হর শক্তি সুদনের এবার,
    যেন না আসিতে হয় মা ভব পারাবার।
    তুমি আদ্যাশক্তি মাগো তুমি পঞ্চতত্ত্ব,
    কে জানে তোমারে তুমি তুমিই তত্ত্বাতীত।
    ওমা ভক্ত জন্য চরাচরে তুমি সে সাকার,
    পঞ্চে পঞ্চ লয় হলে তুমি নিরাকার।

    নিরাকার সচ্চিদানন্দ দর্শন—ষট্‌চক্রভেদ—নাদভেদ ও সমাধি 

    শ্রীযুক্ত রামলাল যখন গাহিতেছেন (Kathamrita):

    “তদূর্ধ্বেতে আছে মাগো নাম কণ্ঠস্থল,
    ধূম্রবর্ণের পদ্ম আছে হয়ে ষোড়শদল।
    সেই পদ্ম মধ্যে আছে অম্বুজে আকাশ,
    সে আকাশ রুদ্ধ হলে সকলি আকাশ।”

    তখন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারকে বলিতেছেন—

    “এই শুন, এরই নাম নিরাকার সচ্চিদানন্দ-দর্শন। বিশুদ্ধচক্র ভেদ হলে সকলি আকাশ।”

    মাস্টার—আজ্ঞে হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—এই মায়া-জীব-জগৎ পার হয়ে গেলে তবে নিত্যতে পৌঁছানো যায়। নাদ ভেদ হলে তবে সমাধি হয়। ওঁকার সাধন করতে করতে নাদ ভেদ হয়, আর সমাধি হয়।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yoon Suk Yeol: গ্রেফতার দক্ষিণ কোরিয়ার বরখাস্ত হওয়া প্রেসিডেন্ট, কেন জানেন?

    Yoon Suk Yeol: গ্রেফতার দক্ষিণ কোরিয়ার বরখাস্ত হওয়া প্রেসিডেন্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরখাস্ত করা হয়েছিল আগেই। এবার গ্রেফতার করা হল দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে (Yoon Suk Yeol)। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছিল। শেষমেশ বুধবার তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয় ইওলকে। সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন সিওলের হান্নাম ডংয়ের বাসভবন থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রেসিডেন্টের গাড়ি বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দুর্নীতি-বিরোধী এজেন্সির কার্যালয়ে। সেই গ্রেফতারির পরে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তরফে দাবি করা হয়, সাংবিধানিক শৃঙ্খলা, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন ফেরানোর ক্ষেত্রে এটা (ইওলকে গ্রেফতার) হল প্রথম পদক্ষেপ।

    সরকারি বাসভবনে হানা (Yoon Suk Yeol)

    এর আগেও একবার ইওলকে গ্রেফতার করতে তাঁর সরকারি বাসভবনে হানা দিয়েছিল পুলিশ ও দুর্নীতি দমন শাখা। যদিও বরখাস্ত হওয়া প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পিএসএসের কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের জেরে সেবার তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। এদিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ইওলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পিএসএস কর্মীরা। কয়েক ঘণ্টা ধরে টানাপোড়েন চলে দু’পক্ষে। ইওলের গ্রেফতারি আটকাতে তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার সমর্থক। তাঁদের সরিয়েই ৩ হাজার পুলিশ নিয়ে বরখাস্ত হওয়া প্রেসিডেন্টের বাসভবনে ঢোকেন তদন্তকারীরা। তার পরে ইওলকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ।

    ইওলের আইনজীবীর বক্তব্য

    ইওলের (Yoon Suk Yeol) আইনজীবী জানান, এদিনই ব্যক্তিগতভাবে দুর্নীতি তদন্ত অফিসে হাজিরা দেবেন বলে ঠিক করেছিলেন ইওল। তবে তার আগেই তাঁকে এভাবে গ্রেফতার করাটা দেশবাসী ভালোভাবে নেবেন না। ইওল স্বয়ং দাবি করেন, তিনি সব সময়ই তদন্তকারীদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলেন। তবে তাঁর এই গ্রেফতারি দেশে আইনের শাসন ভেঙে পড়ার উদাহরণ।

    আরও পড়ুন: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় কেজরির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারবে ইডি

    দেশে মার্শাল ল বা সামরিক আইন জারি করার কারণে ইওলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার আদালত। ৩ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ইওল বলেছিলেন, তিনি সারা দেশে সামরিক আইন বলবৎ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরেই ইওলকে বরখাস্তের দাবি তোলেন বিরোধীরা। পার্লামেন্টে বরখাস্তের প্রস্তাবও আনেন তাঁরা। ১৪ ডিসেম্বর ভোটাভুটি হয়। হেরে যান প্রেসিডেন্ট (South Korea)। তার জেরেই বরখাস্ত হতে হয় তাঁকে (Yoon Suk Yeol)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Army Day: ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সাহস ও আত্মবলিদানকে কুর্ণিশ রাষ্ট্রপতি মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Indian Army Day: ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সাহস ও আত্মবলিদানকে কুর্ণিশ রাষ্ট্রপতি মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ৭৭তম সেনা দিবসে (Indian Army Day) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (President Murmu-PM Modi)। ভারতীয় সেনার সাহস, শৌর্য, উৎসর্গ, আত্মবলিদান এবং পরাক্রম নিয়ে ব্যাপক প্রশংসার কথা উঠে এসেছে রাষ্ট্রনেতাদের কথায়। জেনারেল কেএম কারিয়াপ্পার স্মরণে প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি সেনা দিবস উদ্‌যাপিত হয়। তিনি দেশের প্রথম ফিল্ড মার্শাল হয়েছিলেন। ১৯৪৯ সালে জেনারেল এফআরআর বুচারের কাছ থেকে সেনা প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তিনিই ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি সেনাপ্রধান হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন।

    সেনাদের প্রতি আমরা ঋণী (Indian Army Day)

    রাষ্ট্রপতি মুর্মু (President Murmu-PM Modi) এদিন সেনার একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। এরপর সেনাদের (Indian Army Day) উদ্দেশে তাঁদের যুদ্ধ, পরাক্রম, বীরত্বের বিষয়ে ব্যাপক প্রশংসা করেন। নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি বলেন, “ভারতের সেনা বাহিনী দেশের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তায় বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকে। আমাদের সৈন্যদের কারণেই দেশের প্রগ্রতি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অক্ষত রয়েছে। সেনার সাহস এবং বীরত্ব বহিঃদেশের শক্তিকে প্রতিহত করে। সীমান্তকে সব সময় অতন্দ্রপ্রহরী সুরক্ষিত রাখে সেনার পরিশ্রম। যে কোনও রকমের সন্ত্রাস এবং জঙ্গি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সেনার অভিযান নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। দেশের পক্ষ থেকে আত্মবিলদানকারী প্রত্যেক সেনাকর্মীকে আমি হৃদয় থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের এবং সেই পরিবারবর্গের প্রতি আমরা ঋণী। আমি চাই ভারতীয় সেনা তাঁদের সকল কাজে সাফল্য অর্জন করুক। সকল প্রচেষ্টাগুলিতে স্বার্থক লাভ করুক।”

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানবিক সহায়তা দেন সেনা

    অপর দিকে প্রধানমন্ত্রী মোদি (President Murmu-PM Modi) ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army Day) দৃঢ়সংকল্প, পেশাদারিত্ব এবং উৎসর্গকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী এবং তাঁদের পরিবারের কল্যাণে আমাদের সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিকে দ্রুত পালনে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আজ সেনা দিবসে আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর অদম্য সাহসকে অভিনন্দন জানাই, যাঁরা আমাদের দেশের নিরাপত্তার কাজ করছেন, তাঁদের ত্যাগের কথাও স্মরণ করি। প্রতিদিন কোটি কোটি ভারতীয়দের নিরাপত্তার কাজে সেবা প্রদান করে থাকেন সেনা কর্মীরা। ভারতীয় সেনাবাহিনী দৃঢ়সংকল্পে পেশাদারিত্বে এবং উৎসর্গের প্রতীক। আমাদের সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও মানবিক সহায়তা প্রদানে একটি বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকেন সেনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ঝঞ্ঝা কাটিয়ে রাজ্যে ঢুকছে উত্তুরে হাওয়া, ফের কমল তাপমাত্রা, এবার কি জাঁকিয়ে শীত বঙ্গে?

    Weather Update: ঝঞ্ঝা কাটিয়ে রাজ্যে ঢুকছে উত্তুরে হাওয়া, ফের কমল তাপমাত্রা, এবার কি জাঁকিয়ে শীত বঙ্গে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটিয়ে ফের উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ অবাধ হচ্ছে রাজ্যে। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার আবহাওয়া শুষ্ক খটখটে থাকবে। সপ্তাহান্তে ফের জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা বঙ্গে। ৪ থেকে ৫ দিন স্থায়ী হতে পারে শীতের লাস্ট ইনিংস। শনিবারের মধ্যে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পারদ পতনের সম্ভাবনা।

    কলকাতার আবহাওয়া কেমন থাকবে?(Weather Update)

    সপ্তাহের তৃতীয় কর্মদিবসে কলকাতার আকাশ মূলত পরিষ্কার। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে,  কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ২৪.১ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৭ ডিগ্রি কম। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৫.৪ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ১.৫ ডিগ্রি। তবে মঙ্গলবারের থেকে বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১.২ ডিগ্রি কমে গিয়েছে। আপাতত যা পরিস্থিতি, তাতে এখনই মাঘের একদম শুরুতেই জাঁকিয়ে শীত পড়ার আশা কম। উত্তুরে হাওয়া যে বাধাহীনভাবে বইবে এবং তাপমাত্রা নামবে, সেটা সম্ভব হচ্ছে না একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের পারদ কিছুটা নামতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। কলকাতার পারদ আরও একবার নামতে পারে ১৩ ডিগ্রির ঘরে।

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা মৃত্যু নয়, হত্যা”, স্যালাইনকাণ্ডে থানায় এফআইআর দায়ের বিজেপি বিধায়ক শঙ্করের

    দক্ষিণবঙ্গে কোন কোন জেলায় কুয়াশার দাপ?

    পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কিছুটা দুর্বল হওয়ায় সার্বিক ভাবে পারদ জেলায় জেলায় কিছুটা নিম্নমুখী। প্রায় সব জেলাতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলাতে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। উইকেন্ডে দু থেকে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে। শীতের লাস্ট ইনিংসের সূচনা শুক্রবারের পর।

    উত্তরবঙ্গেও ঘন কুয়াশা!

    উত্তরবঙ্গে ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা। আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে,  দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে। বেশিরভাগ জেলাতেই দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারে নিচে থাকবে। উত্তরবঙ্গের সব জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। যে ছবিটা পালটাবে না আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার থেকে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে না।

    ভিনরাজ্যে কী পরিস্থিতি?

    আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘন কুয়াশা এবং বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি দেশের উত্তর-পশ্চিমের সমতলে। অতি ঘন কুয়াশার চাদরের মোড়া থাকবে রাজধানী দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং উত্তরপ্রদেশ। ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকবে হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, সিকিম, বিহার, ওড়িশা, অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরা। আজ বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজধানী দিল্লি সহ পাঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানা এবং রাজস্থানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share