Tag: Bengali news

Bengali news

  • Crop Insurance Schemes: জানুন প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার এ টু জেড

    Crop Insurance Schemes: জানুন প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার এ টু জেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের একটা বড় অংশের মানুষই কৃষির ওপর নির্ভর করে দিন গুজরান করেন। ফি বার বাম্পার ফলনের আশা করলেও, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, কীটপতঙ্গের প্রাদুর্ভাব এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ বর্তমানে কৃষি পরিণত হয়েছে একটি অনিশ্চিত পেশায়। সেই কারণে বহু কৃষক পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনায় বরাদ্দ (Crop Insurance Schemes)

    কৃষক (PMFBY) যাতে কৃষিতেই মনোনিবেশ করেন, তিনি যাতে পেশা পরিবর্তন না করেন, তা-ই ভারত সরকার তার ২০২৫ সালের নীতিগত সিদ্ধান্তে ফসল বীমা (Crop Insurance Schemes) প্রকল্পগুলিকে অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছে। কৃষিক্ষেত্রে ৪০ শতাংশের বেশি মানুষ যুক্ত থাকায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার জন্য ৬৯,৫১৫.৭১ কোটি টাকা এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রকল্পগুলির জন্য অতিরিক্ত ৮২৪.৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই উদ্যোগগুলির মধ্যে রয়েছে ইয়েস-টেক (ফসলের সঠিক ফলন অনুমানের জন্য রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি) এবং উইন্ডস (স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন এবং বৃষ্টিপাত পরিমাপক যন্ত্র)-ও।

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। ২০১৬ সালে মূলত তাঁরই উদ্যোগে চালু হয় প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা। এটি একটি ফসল বীমা প্রকল্প যা খাদ্যশস্য, ডাল, তৈলবীজ এবং উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল-সহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের জন্য বীমা কভারেজ দেয়। এই বীমা প্রকল্পের মূল মন্ত্রই হল ‘এক দেশ, এক ফসল, এক প্রিমিয়াম’। এর লক্ষ্য হল, ফসল বীমার প্রবেশযোগ্যতা বাড়ানো এবং বিশেষত গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের কাছে এর প্রসার ঘটানো।

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্পের সুবিধাগুলি কী?

    প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনা প্রকল্প কৃষকদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ফসলের রোগ এবং পোকামাকড়ের সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় একাধিক সুবিধা দেয়। এগুলি হল, প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে আর্থিক সুরক্ষা: যদি অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ফসলের ক্ষতি হয়, তাহলে কৃষকদের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এটি পুনরায় চাষের ব্যয় বা আয়ের ক্ষতি পূরণে সহায়তা দেয়।

    ঋণের প্রতি কম সংবেদনশীলতা: এটি কৃষকদের ফসল নষ্ট হওয়ার পর যে আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে হয় তা কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ সুদে ঋণের ওপর নির্ভর করার পরিবর্তে, তারা বীমা ক্ষতিপূরণের সুবিধা নিতে পারে, যা পুনরুদ্ধারের জন্য একটি আরও সাশ্রয়ী উপায় প্রদান করে।

    বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা: যখন কৃষকরা জানেন যে তাঁদের আর্থিক সুরক্ষা রয়েছে, তখন তাঁরা নতুন প্রযুক্তিতে, যেমন জিপিএস এবং দূরবর্তী মনিটরিং, বিনিয়োগ করতে বেশি আগ্রহী হয় যাতে তারা অবিচ্ছিন্ন কভারেজ পেতে পারে বা তাদের ফসল বৈচিত্র্যময় করতে পারে। এই সুরক্ষার অনুভূতি উদ্ভাবন ও উন্নত কৃষি অনুশীলনকে উৎসাহিত করে, যা শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর কৃষি উৎপাদনশীলতায় অবদান (Crop Insurance Schemes) রাখে।

    জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি উন্নত সহনশীলতা: বীমা প্রকল্পগুলির সঙ্গে প্রায়ই অতিরিক্ত সুবিধা থাকে, যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ। গ্রামীণ কৃষি মৌসম সেবার মতো অ্যাগ্রোমেটিওরোলজিক্যাল উপদেষ্টা পরিষেবা কৃষকদের অস্বাভাবিক আবহাওয়ার কারণে ফসলের ক্ষতি এবং লোকসান মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে পারে, যা পরিবর্তিত জলবায়ু পরিস্থিতির প্রতি সহনশীলতা বাড়ায়।

    সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে সাশ্রয়িতা: ভারত সরকার ফসল বীমার প্রিমিয়ামের ওপর ভর্তুকি দেয়। এটি কৃষকদের আরও সাশ্রয়ী করে তোলে। এই ভর্তুকিগুলি বিশেষত ছোট কৃষকদের আর্থিক বোঝা কমাতে সাহায্য করে। এই ভর্তুকি না পেলে ওই কৃষকরা সম্পূর্ণ প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে সমস্যায় পড়তে পারেন।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    কীভাবে এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করবেন?

    ভারত সরকার কৃষকদের জন্য অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনায় (PMFBY) নাম নথিভুক্ত করা সহজ করে তুলেছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্রের মধ্যে রয়েছে পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, খাসরা কাগজ (যদি কৃষক জমির মালিক হন), প্রধান, সরপঞ্চ, গ্রাম প্রধান, পাটওয়ারি ইত্যাদির কাছ থেকে একটি লিখিত চিঠি এবং অন্যান্য উপযুক্ত নথি। এগুলি দিলেই এই কল্যাণকারী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা যেতে পারে।

    কৃষকরা কীভাবে নিজেরাই তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন?

    https://pmfby.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে হোমপেজে ‘নিবন্ধন’ (Register) বিকল্পটি নির্বাচন করে নাম নথিভুক্ত প্রক্রিয়া শুরু করুন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলোতে সঠিক ব্যক্তিগত ও সরকারি তথ্য, যেমন আপনার নাম, যোগাযোগের বিবরণ এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি তথ্য পূরণ করুন। এই প্রক্রিয়ার সময় আধার নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে। মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের জন্য, আপনার নিবন্ধিত নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে এই পর্যায়টি সম্পূর্ণ করুন।

    রেজিস্ট্রেশন ফর্ম জমা দেওয়ার পরে, এটি পর্যালোচনা করা হবে। আপনার আবেদন অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান হয়েছে কিনা তা আপনাকে জানাতে এসএমএস বা ইমেইলের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হবে (Crop Insurance Schemes)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Daily Horoscope 05 January 2025: দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 05 January 2025: দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে।

    ২) সন্তানের কাজে গর্ববোধ।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন।

    ৩) আধ্যাত্মিক চিন্তায় মনোনিবেশ করুন।

    মিথুন

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন।

    ৩) সখপূরণ হবে।

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিবাদে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কন্যা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভালো সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    বৃশ্চিক

    ১) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ২) দাঁতের রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    ধনু

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    কুম্ভ

    ১) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    ২) বাত-জাতীয় রোগে কষ্ট পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মীন

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিনটি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis 21: বন্ধ করা হয় ছাত্র রাজনীতি, স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবরের জায়গাটুকুও দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার

    Bangladesh Crisis 21: বন্ধ করা হয় ছাত্র রাজনীতি, স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবরের জায়গাটুকুও দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার

    অনেকেই বলছেন, হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই জঙ্গলের রাজত্বে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। বেছে বেছে যেমন মন্দির এবং ধর্মস্থানে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়িতে, একই সঙ্গে মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে গণপিটুনি এবং খুন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু অথবা বিরোধী রাজনৈতিক কণ্ঠ। সারা বিশ্ব দেখছে, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের স্বরূপ। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস গ্রেফতার হওয়ার পর গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদের কী করুণ পরিণতি হয়েছে, তাও কারও অজানা নয়। প্রথম খণ্ডে আমরা ১২টি পর্বে তুলে ধরেছিলাম নানা অত্যাচারের কাহিনি। এবার সেসব নিয়েই আমাদের দ্বিতীয় খণ্ডের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ নবম পর্ব।

     

    আতঙ্কের বাংলাদেশে জঙ্গলের রাজত্ব-৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis 21) জুড়ে শুরু হয় অরাজকতা। এই সময়ে গণতন্ত্র ভুলুন্ঠিত হয়। দিকে দিকে বিরোধী আওয়ামি লিগ সমেত অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির ওপরে আছড়ে পড়ে ব্যাপক আক্রমণ। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, খুলনা থেকে রাজশাহী-প্রত্যেকটি জায়গাতে সংখ্যালঘুদের ওপর চলে ব্যাপক নির্যাতন। মহিলাদের ওপরে চলতে থাকে অত্যাচার। ঠিক এমন অবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দেয় ইউনূস সরকার। এমন সিদ্ধান্তের পিছনে অন্যতম কারণ ছিল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্র রাজনীতি থেকে আওয়ামি লিগকে দূরে রাখা। কারণ ইউনূস সরকার ক্ষমতা দখল করার পরেই বাংলাদেশের সমস্ত ধরনের জনপ্রতিনিধিদের জোর করে পদত্যাগ করানো হয়। প্রত্যেকটি জেলা পরিষদ থেকে বাংলাদেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগ করানো হয়। ভেঙে দেওয়া হয় সে দেশের পার্লামেন্টকেও।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রাজনীতি (Bangladesh Crisis 21) 

    সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিকভাবে এই কাজ করতে থাকে ইউনূস সরকার। স্বাভাবিকভাবে ইউনূস হলেন সরকারের মুখোশ এবং এই সরকারের প্রাণভোমরা বিএনপি এবং জামাতের হাতেই রয়েছে। আসলে একচ্ছত্রভাবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Bangladesh Crisis 21) দখল করার জন্যই তারা ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে দেয়। এর পাশাপাশি যুব সমাজকে কীভাবে মৌলবাদী শিক্ষায় শিক্ষিত করা যাবে, সেই পরিকল্পনাও চলতে থাকে। সাধারণভাবে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে পড়ুয়াদেরকে গণতন্ত্রের পাঠ শেখানো হয়, মূল্যবোধের পাঠ দেওয়া হয় তাঁদেরকে। উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্র রাজনীতিকে নিষেধ করার ফলে গণতন্ত্রের মূল্যবোধ হারিয়ে যায় বাংলাদেশে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়ে খবর লেখা হয় বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও তোলা হয়।

    অসম্মান মুক্তিযোদ্ধাদেরও 

    শুধুমাত্র তাই নয়, ইউনূস সরকারের আমলে (Targeting Minority) আরও ন্যক্কারজনক ঘটনা সামনে আসে। যখন মুক্তিযোদ্ধাকেও চূড়ান্ত অসম্মান করে জামাত-বিএনপির নিয়ন্ত্রণে  থাকা এই সরকার। আসলে ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী সৈন্য এবং রাজাকারদের হাত থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনা হয়েছিল। পাকিস্তানি সৈনিক এবং রাজাকারদের বিরুদ্ধে আনা এই স্বাধীনতাকে কখনই মেনে নিতে পারেনি জামাত-বিএনপি। জামাত-বিএনপির মৌলবাদীরা যেদিন গণভবন দখল করে, সেই সময় করুণ ছবি সামনে আসে। বাংলাদেশ তৈরির প্রধান স্থপতি, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, পাকিস্তানের হাত থেকে যিনি বাংলাদেশকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের মূর্তিকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যেতে থাকে, হাসিনা সরকারের পতনে বাংলাদেশের রাজাকাররা ঠিক কতটা উচ্ছ্বসিত।

    জায়গা মেলেনি স্বাধীনতা সংগ্রামী মতিয়া চৌধুরির কবরের

    ইউনূস জমানায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ওপরেও চলে ব্যাপক অত্যাচার। তাঁদেরকেও নানাভাবে সম্মানহানি করা হতে থাকে। এরকমই ঘটনা উঠে আসে, যখন মতিয়া চৌধুরী নামের এক স্বাধীনতা সংগ্রামীকে কবর দেওয়ার জায়গাটুকু পর্যন্ত জোগাড় করে দেয়নি ইউনূস সরকার। শুধুমাত্র তাই নয়, একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে যে সম্মান জানানোর (Bangladesh Crisis 21) রীতি চালু ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে, সেটাকে পর্যন্ত অস্বীকার করা হয়। ন্যূনতম অন্তিম সম্মানটুকু বাংলাদেশে বিএনপি ও জামাতের নেতৃত্বে চলতে থাকা ইউনূস সরকার দেয়নি মতিয়া চৌধুরীকে। এ নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে  খবরও লেখা হয়। শুধুমাত্র তাই নয়, মতিয়া চৌধুরীর অপরাধ ছিল, তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামি লিগের সরকারের একজন প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন। তথাপি আওয়ামি লিগের একজন সক্রিয় নেত্রী ছিলেন। মতিয়া চৌধুরীর কবরের জন্য ইউনূস সরকার কোনও রকমের জায়গা না দেওয়ায়, অবশেষে বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশেই কবর দেওয়া হয় স্বাধীনতা সংগ্রামীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতেই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র (Babul Supriyo) অভব্য আচরণ দেখে হতবাক পথ চলতি সাধারণ মানুষ। গাড়ির গতি বেশি থাকার অভিযোগ তুলে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) সঙ্গে আচমকাই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার ওই ঘটনায় বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Abhijit Ganguly)

    শুক্রবার রাতে ঘড়িতে তখন রাত ন’টা। এমন সময় বিজেপি সাংসদ (Abhijit Ganguly) এবং রাজ্যের মন্ত্রীর এই ঝামেলার জেরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে (বিদ্যাসাগর সেতু) ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। দুটি গাড়িই হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল। অভিজিৎবাবু হর্ন বাজানোয় মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে দাদাগিরি দেখাতে শুরু করেন বাবুল। গাড়ি আটকে নিজের ক্ষমতা জাহির করতে থাকেন বলে বিজেপি সাংসদের অভিযোগ। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অভিজিৎবাবুকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করছেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও অভিজিৎবাবু গাড়ি থেকে নামেননি। আর বাবুল সুপ্রিয় জানিয়ে দেন ক্ষমা না চাইলে তিনি তাঁর গাড়ি যেতে দেবেন না।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    বাবুলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    বাবুলের বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “বাবুল মত্ত অবস্থায় আমার গাড়ি থামিয়ে হামলার চেষ্টা করেন। তর্কাতর্কির সময় গাড়ির জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেন বাবুল। তাতে আমার মোবাইল পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকী ‘চাকরি খেয়েছেন’ বলেও বাবুল আমাকে কটু মন্তব্য করেছেন। আমার গাড়ি ভাঙচুর করারও চেষ্টা করা হয়। শুধু তাই নয়, আমাকে ‘বুড়ো ভাম’-এর মতো অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়।” অন্যদিকে, বাবুল সুপ্রিয়র অভিযোগ তমলুকের সাংসদ ট্রাফিক নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি ছোটাচ্ছিলেন। তারই প্রতিবাদ জানাতে তিনি বিজেপি সাংসদের গাড়ির ওপর চড়াও হন। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য, তাঁর গাড়ির চালক যদি কোনও ভুল করত তাহলে পুলিশ ধরত। কেস দিতেই পারত। কিন্তু এমন কিছুই হয়নি। তাঁর দাবি, গাড়ির সামনে  ‘এমপি তমলুক’ লেখাটি দেখতে পেয়েই বাবুল ইচ্ছাকৃত এসব করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে চার্জশিটে অনুমোদন রাজ্যপালের, আদালতে কপি জমা সিবিআই-এর

    Partha Chatterjee: পার্থর বিরুদ্ধে চার্জশিটে অনুমোদন রাজ্যপালের, আদালতে কপি জমা সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিরুদ্ধে চার্জশিটে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল। চার্জ গঠনের অনুমতি পেয়েই চার্জশিটের কপিও আদালতে জমা করেছে সিবিআই। উল্লেখ্য স্কুল শিক্ষক নিয়োগ মামলায় (Recruitment Corruption) টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ফলে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। আরও চাপের মুখে পড়বেন এই দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূল নেতা।

    দুর্নীতি মামলায় মূল মাস্টার মাইন্ড পার্থ (Partha Chatterjee)

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption) গ্রেফতারের ৮৮ দিনের মাথায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) সহ অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই। চার্জশিটে পার্থকেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মূল মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দাবি করা হয়েছে। গত বছর ১ অক্টোবর তাঁকে জেল থেকেই গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। প্রসঙ্গত গত বছরের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৮৫৭ দিনের মাথায় জামিন দিয়েছিল ইডির বিশেষ আদালত। পার্থর বান্ধবী অর্পিতা জামিন পেলেও পার্থ এখনও পাননি। ২০২২ সালের ২৩ জুলাই বেলঘরিয়া এবং টালিগঞ্জের ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদ এবং ২ কোটি টাকার সোনার গয়না উদ্ধার করেছিল ইডি। পার্থ নিজের নাকতলার বাড়ি থেকেই টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের তালিকা তৈরি করে পাঠাতেন বলে চার্জ গঠন করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে স্যাটেলাইট স্টেশন তৈরি, জেল ভেঙে সঙ্গীদের ছাড়ানোর ছক ছিল ধৃত এবিটি জঙ্গিদের!

    ইডির বিশেষ আদালতেও চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু

    তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption) ইডির কাছ থেকে আগেই জামিন পেয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ (Partha Chatterjee)। আবার সিবিআই মামলায় জামিন নিয়ে আদালতের বিচারপতিদের মধ্যে মতভেদ হলে মামলাটি অন্য বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিব জ্ঞানম। এখন সেই বেঞ্চে পার্থর জামিন মামলাটি ঝুলে রয়েছে। অপর দিকে ইডির বিশেষ আদালত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তার মধ্যে সিবিআইয়ের এই চার্জশিট এবং তাতে রাজ্যপালের অনুমোদন পাওয়ার ফলে চাপ যে আরও প্রবল হতে চলেছে এই কথা রাজনীতির অনেক মানুষই মনে করছেন। অপর দিকে নিয়োগ মামলায় আরও একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার মধ্যে আবার কেউ কেউ জামিনও পেয়ে গিয়েছে। এই দুর্নীতি মামলায় এখনও পর্যন্ত ৫৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। ৭০টির মধ্যে ২৯টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধেও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পরবেশ শাহিব সিং ভার্মা। প্রসঙ্গত, তিনি বিজেপির প্রাক্তন সাংসদও বটে। নতুন দিল্লি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেই আসনেই দাঁড় করানো হয়েছে পরবেশ শাহিব সিং ভার্মাকে।

    কী বললেন কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP) প্রার্থী? 

    প্রাথী তালিকায় নাম ঘোষণার পরে নিজের দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরবেশ শাহিব সিং। নিজের বিবৃতিতে তিনি জানান, সমগ্র দিল্লি যখন করোনায় আক্রান্ত ছিল, তখন তাদের প্রয়োজন ছিল অক্সিজেনের। কিন্তু অরবিন্দ কেজিরওয়াল তখন সেই প্রয়োজন মেটাননি। তিনি আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে যমুনা নদীকে পরিষ্কার করতে হবে। এর পাশাপাশি দিল্লির দূষণকে রোধ করতে হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্ত কাজই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কেজরিওয়ালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে টিকিট পেয়েছেন বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়ি 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দিল্লি সরকারের পরিবহণ মন্ত্রী কৈলাস গেহলট আম আদমি পার্টি থেকে ইস্তফা দেন, এরপরে তিনি বিজেপি যোগদান করেন। তাঁকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে। দিল্লির বিজওয়াসন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিল্লির বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়িকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে এবং তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতসীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কালকাজি আসন থেকে। এদিকে, কালকাজি আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে তাদের দলের নেত্রী অলকা লাম্বাকে। প্রসঙ্গত গতকালই জানা যায়, দিল্লি বিজেপির প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব কোনও আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে পুণে থেকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে পুণে থেকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে খুনের ঘটনায় এবার মহারাষ্ট্র থেকে গ্রেফতার করা হল এক অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোহন মণ্ডল। তাকে পুণে থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ (NIA)। পলাতক মোহনের বিরুদ্ধে আগেই জামিন অযোগ্য গ্রেফতার পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এর আগে এই মামলায় নবকুমার মণ্ডল ও শুভেন্দু ভৌমিক নামে দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন মহারাষ্ট্রের আদালত থেকে ট্রানজিস্ট রিমান্ডে ধৃতকে এরাজ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?(NIA)

    ২০২৩ সালের পয়লা মে ময়নার বাকচায় খুন হন বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। জানা গিয়েছে, ভর সন্ধেয় বাড়ি ফেরার পথে স্ত্রীর সামনেই প্রথমে মারধর করা হয়েছিল বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে। এরপর তাঁকে মোটরবাইকে চাপিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, দাবি পরিবারের। ওই দিনই গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে বিজেপি নেতার দেহ উদ্ধার হয়। মাথায় ভারী কিছু দিয়ে মেরে খুন করা হয়েছিল তাঁকে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। রাতে থানার সামনে ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিজয়ের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি ভুঁইয়া তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরা, তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান সুখলাল মণ্ডল-সহ মোট ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ময়না থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও পালিয়ে যায় কয়েকজন। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে গোড়ামহলে অভিযান চালিয়ে ১০ জন তৃণমূল নেতার বাড়ি সিল করে দেয় এনআইএ। কয়েকদিন আগেও এনআইএ এর হাতে ধরা পড়েছিল দুই অভিযুক্ত। তাঁদের জেরা করেই অভিযুক্ত মোহন মণ্ডলের সম্পর্কে তথ্য জানতে পারেন তদন্তকারীরা। এরপরই পুণের উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএর (NIA) দল।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    ভোট পরবর্তী হিংসা

    গতবছর লোকসভা ভোটের পাঁচদিন আগে কাঁথির ভূপতিনগরে বিজেপি নেতাদের বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল। সেবার বিজেপি নেতাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত হয়েছিলেন অর্জুননগরের বিজেপি বুথ সভাপতি অবনী দে-সহ ৩ নেতা। তারও আগে ২০২১-এর ২ মে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন, খুন হয়েছিলেন, কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। পরিবারের অভিযোগ ছিল, শ্বাসরোধ করে, মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিৎকে। হাইকোর্টের নির্দেশে এরপর তদন্তভার গিয়েছিল সিবিআইয়ের হাতে। একুশ থেকে পঁচিশের মাঝে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ক্রমশই বেড়ে চলেছে বলেই চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 240: “যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, ওই তারা তারা দুভাই এসেছে রে…যারা আপনি নেচে জগৎ নাচায়”

    Ramakrishna 240: “যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, ওই তারা তারা দুভাই এসেছে রে…যারা আপনি নেচে জগৎ নাচায়”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পেনেটীর মহোৎসবক্ষেত্রে রাখাল, রাম, মাস্টার,

    ভবনাথ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৮ই জুন

    ঠাকুর সংকীর্তনানন্দে— ঠাকুর কি শ্রীগৌরাঙ্গ?

    পেনেটীর মহোৎসবে শ্রীরামকৃষ্ণের মহাভাব 

    পেনেটীর মহোৎসবক্ষেত্রে গাড়ি পৌঁছিবামাত্র রাম প্রভৃতি ভক্তেরা দেখিয়া অবাক্‌ হইলেন— ঠাকুর (Ramakrishna) গাড়িতে এই আনন্দ করিতেছিলেন, হঠাৎ একাকী নামিয়া তীরের ন্যায় ছুটিতেছেন! তাঁহারা অনেক খুঁজিতে খুঁজিতে দেখিলেন যে, নবদ্বীপ গোস্বামীর সংকীর্তনের দলের মধ্যে ঠাকুর নৃত্য করিতেছেন ও মাঝে মাঝে সমাধিস্থ হইতেছেন। পাছে পড়িয়া যান শ্রীযুক্ত নবদ্বীপ গোস্বামী সমাধিস্থ দেখিয়া তাঁহাকে অতি যত্নে ধারণ করিতেছেন। আর চতুর্দিকে ভক্তেরা হরিধ্বনি করিয়া তাঁহার চরণে পুষ্প ও বাতাসা নিক্ষেপ করিতেছেন ও একবার দর্শন করিবার জন্য ঠেলাঠেলি করিতেছেন!)_

    ঠাকুর (Ramakrishna) অর্ধবাহ্যদশায় নৃত্য করিতেছেন। বাহ্যদশায় নাম ধরিলেন:

    গান—যাদের হরি বলতে নয়ন ঝরে, ওই তারা তারা দুভাই এসেছে রে।
    যারা আপনি নেচে জগৎ নাচায়, তারা তারা দুভাই এসেছে রে!
    (যারা আপনি কেঁদে জগৎ কাঁদায়) (যারা মার খেয়ে প্রেম যাচে)

    ঠাকুরের সঙ্গে সকলে উন্মত্ত হইয়া নাচিতেছেন, আর বোধ (Kathamrita) করিতেছেন, গৌর-নিতাই আমাদের সাক্ষাতে নাচিতেছেন।

    ঠাকুর আবার নাম ধরিলেন:

    গান—নদে টলমল টলমল করে—গৌরপ্রেমের হিল্লোলে রে।

    সংকীর্তনরঙ্গ রাঘবমন্দিরের অভিমুখে অগ্রসর হইতেছে (Kathamrita)। সেখানে পরিক্রমণ ও নৃত্য করিয়া, গঙ্গাকুলের বাবুদের প্রতিষ্ঠিত শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের বাড়ির দিকে এই তরঙ্গায়িত জনসঙ্ঘ অগ্রসর হইতেছে।

    শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণের (Ramakrishna) বাড়িতে সংকীর্তন দলের কিয়দংশ প্রবেশ করিতেছে—অধিকাংশ লোকই প্রবেশ করিতে পারিতেছে না। কেবল দ্বারদেশে ঠেলাঠেলি করিয়া উঁকি মারিতেছে।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    CBI: কেন্দ্রীয় কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর করতে রাজ্যের অনুমতি লাগবে না, সিবিআইকে সুপ্রিম-স্বস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন রাজ্যে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করতে হলে সিবিআইকে (CBI) অনুমতি নিতে হবে না সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের। শুক্রবার এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সিটি রবিকুমার ও বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ বলেছে, যেখানেই কর্মরত থাকুন না কেন, তথ্যগত অবস্থান হল, তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকার বা সরকারি মালিকানাধীন সংস্থার কর্মী এবং দুর্নীতি দমন আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। এই আইনটি কেন্দ্রীয় আইন।

    দুর্নীতির অভিযোগ (CBI)

    অন্ধ্রপ্রদেশে কর্মরত দুই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তার জেরে শুরু হয়েছিল সিবিআই তদন্ত। অভিযুক্তরা সিবিআইয়ের এফআইআর চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের যুক্তি ছিল, অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার রাজ্যে তদন্ত চালানোর ক্ষেত্রে সিবিআইকে ঢালাও সম্মতি দিয়েছিল। রাজ্য ভাগ হওয়ার পরে গঠিত নয়া অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা আপনা-আপনি প্রযোজ্য হয়ে যায় না। হাইকোর্ট সেই যুক্তি মেনে দুর্নীতি দমন আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এফআইআর খারিজ করে দিয়েছিল। আদালত জানিয়েছিল, এ ক্ষেত্রে সিবিআইকে নতুন করে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের সম্মতি নিতে হবে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে অসন্তোষ, পায়ের নীচের মাটি হারাচ্ছেন বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূস?

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের সেই রায় খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি রবিকুমার রায় দিতে গিয়ে সাফ জানিয়ে দেন, সিবিআইকে অন্ধ্রের কাছে ফের জেনারেল কনসেন্ট চাইতে হবে বলে হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে ২০১৪ সালের ২৬ মে-র একটি সার্কুলার মেমো অনুযায়ী (CBI), ওই বছরের ১ জুন অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে চালু থাকা আইনগুলিতে কোনও পরিবর্তন, সংশোধন বা কোনও আইন প্রত্যাহার না হলে রাজ্য ভাগের পরে তৈরি হওয়া তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রেও তা বলবৎ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের যুক্তি, যেখানে কেন্দ্রীয় আইনে অপরাধের অভিযোগ উঠেছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী, তাই সিবিআইয়ের রাজ্যের কাছে এই ধরনের (FIR) অনুমতি নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • Vande Bharat Sleeper: ১৮০ কিমি বেগে ছুটল বন্দে ভারত, গ্লাস-ভর্তি জল এক ফোঁটাও পড়ল না! ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    Vande Bharat Sleeper: ১৮০ কিমি বেগে ছুটল বন্দে ভারত, গ্লাস-ভর্তি জল এক ফোঁটাও পড়ল না! ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিডিও দেখে রীতিমতো যেন তাক লেগে গিয়েছে। বন্দে ভারত (Vande Bharat Sleeper) ঘণ্টায় ১৮০ কিমি বেগে ছুটল। কাচের গ্লাস পূর্ণ জল এক ফোঁটাও পড়ল না। ভারতীয় রেলের এই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, কোটা রেলওয়ে বিভাগ দিল্লি-মুম্বই রেলপথে (Indian Rail) গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে এই পরীক্ষা মূলক প্রয়োগ শুরু করা হয়েছে। আর তাতেই দেখা গিয়েছে এই দুর্দান্ত পারফম্যান্স।

    ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও রেলমন্ত্রীর

    আগামী দু’মাসের মধ্যে ভারতীয় রেল বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু করতে চলেছে। কতটা দ্রুত গতিতে ছুটতে পারবে সেই ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) তা নিয়ে ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সামাজিক মাধ্যমে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের দ্রুতগতির এই ভিডিও পোস্ট করেছেন। বিভিন্ন গতিতে খালি ট্রেন এদিন চালানো হয়েছে। একই ভাবে ব্রেকিং সিস্টেম এবং এয়ার সাসপেনশন, কাপলার ফোর্স পরীক্ষা করা হয়েছে। মাত্র ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ছিল। ট্রেনের গতি ছিল ১৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা। ট্রায়ালটি বাঁকা ট্র্যাকের ওপর করা হয়েছে। মূলত কোটা বিভাগের পক্ষ থেকে দিল্লি-মুম্বই রেল (Indian Rail) পথে এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ‘ভগবানই জ্যাকেট’! প্রবল শীত উপেক্ষা করে বিবস্ত্র মহাকুম্ভের সর্বকনিষ্ঠ ৮ বছরের নাগা সাধু

    উচ্চগতিতে এক নতুন মাইল ফলক বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজে একটি ভিডিও বিনিময় করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে ট্রেনের একটি টেবিলে একটি গ্লাসে জল ভর্তি রাখা হয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার কোচ ১৭৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ছুটছে। এরপর গতি আরও বেড়ে ১৮০-তে পৌঁছে গেল। কিন্তু তবুও গ্লাসে রাখা জল এক ফোঁটাও ছলকে পড়ল না। ভারতীয় রেলের এই নিরাপদ সুরক্ষিত ও উচ্চগতি গতির এক নতুন মাইল ফলকের রূপ পেয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper)। যাত্রী থেকে নেটাগরিক— সকলের মধ্যে বেশ উচ্ছ্বাস প্রত্যক্ষ করা গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই ট্রেনের মধ্যে আরামদায়ক বার্থ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, আধুনিক টয়লেট, উচ্চগতির ওয়াই-ফাই, রিডিং লাইট, বেশ গতি সম্পন্ন মোবাইল চার্জিং পয়েন্টের মতো সুবিধা থাকবে। খুব দ্রুত নির্দিষ্ট রুটে এই ট্রেন চালু করা হবে। কাশ্মীর-কন্যাকুমারী, মুম্বই-দিল্লি, কলকাতা-চেন্নাই সহ একাধিক রুটে এই ট্রেন (Indian Rail) দ্রুত চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share