Tag: Bengali news

Bengali news

  • Asia Power Index: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    Asia Power Index: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপ্রতিরোধ্য ভারত! এশিয়া মহাদেশে তৃতীয় শক্তিশালী দেশ নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারত। ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির নিরিখে জাপানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। এমনই তথ্য উঠে এল অস্ট্রেলিয়ার লোই ইনস্টিটিউট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বার্ষিক এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে (Asia Power Index)। জানা গিয়েছে, প্রতিপত্তির নিরিখে রাশিয়া ও জাপানকে পিছনে ফেলে দিয়েছে ভারত।

    তিন নম্বরে ভারত (Asia Power Index) 

    সম্পদ ও প্রভাবের নিক্তিতে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলির মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে আমেরিকা। তার পরেই রয়েছে চিন। ভারত রয়েছে এই তালিকার তিন নম্বরে। সমীক্ষার রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারত ধীরে ধীরে হলেও, ক্রমেই ওপরের সারিতে উঠছে। জাপানকে টপকে ভারত এশিয়ার তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে ভারতের যে পরিমাণ সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সম্ভাবনাকে এখনও ছুঁতে পারেনি। পশ্চিমে পাকিস্তান, উত্তরে রাশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত অন্তত ২৭টি দেশ ও অঞ্চলকে সম্পদ ও প্রভাবের নিরিখে মূল্যায়ন করা হয় ওই ইনডেক্সে। তাতেই দেখা গিয়েছে, সুপার পাওয়ার হওয়ার পথে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত।

    কী বলছে রিপোর্ট

    এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সের রিপোর্টে বলা হয়েছে, “ভারত ধীরে হলেও, ক্রমেই ওপরে উঠছে। জাপানকে টপকে ভারত এশিয়ার তৃতীয় শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তবে ভারতের হাতে যে সম্পদ রয়েছে, তার যা সম্ভাবনা, সেই সম্ভাবনাকে এখনও ছুঁতে পারেনি তারা। এশিয়ায় ভারতের শক্তি বাড়ছে। জাপানকে টপকে প্রথমবারের মতো তৃতীয় স্থান দখল করেছে তারা (Asia Power Index)। তবে ভারতের উত্থান নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, আর বাস্তব ছবি যা বলছে, তাতে ফারাক রয়েছে।” ওই ইনডেক্স দেখা যাচ্ছে, এখনও মালাক্কা প্রণালীর পূর্বে শক্তি ও প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির ক্ষমতা সীমিত। তবে এর প্রভাব প্রতিশ্রুত স্তরের নীচে থাকার অর্থ, একটি প্রধান শক্তি হিসেবে আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের।

    আরও পড়ুন: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    অস্ট্রেলিয়ার সংস্থার করা এই রিপোর্টে যারপরনাই খুশি ভারত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, “বিশ্বমঞ্চে ভারতের উত্তরণ কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়। প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় কূটনৈতিক কৌশল ও দেশকে নিয়ে তাঁর উচ্চাকাঙ্খার ফল এটা (PM Modi)। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া এটা সম্ভব হত না (Asia Power Index)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: আজ মহাষষ্ঠীর দিনেই অকাল বোধন, রীতি মেনে উন্মোচন করা হবে মায়ের মুখ

    Durga Puja 2024: আজ মহাষষ্ঠীর দিনেই অকাল বোধন, রীতি মেনে উন্মোচন করা হবে মায়ের মুখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাষষ্ঠী। আর আজকের দিনেই দুর্গাপুজোর প্রথম অন্যতম যে নিয়মটি পালন করা হয়ে থাকে, তা হল বোধন (Bodhon)। এই ‘বোধন’ শব্দটির অর্থ হল জাগ্রত করা। মর্ত্যে দুর্গার আবাহনের জন্য বোধনের রীতি প্রচলিত রয়েছে। দেবী দুর্গার (Durga Puja 2024) মুখের আবরণ উন্মোচন করা হয় এই দিনে। সাধারণত ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় এই নিয়মটি পালন করা হয়ে থাকে।

    বোধনের তাৎপর্য (Durga Puja 2024)

    পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, মহাষষ্ঠীর দিন দেবী দুর্গা (Durga Puja 2024) তাঁর চার সন্তান-সরস্বতী, লক্ষ্মী, গণেশ এবং কার্তিককে নিয়ে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে অবতরণ করেন। ফলে, আজ থেকে ঢাক ও কাঁসরের আওয়াজে চারদিক যেন গমগম করে। মা দুর্গার আগমনে সবাই যেন আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে। পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, এদিন মা দুর্গা স্বর্গ থেকে মর্ত্যে পদার্পণ করেন। দেবী দুর্গার মুখের আবরণ উন্মোচনই এই দিনের প্রধান কাজ। এই দিন কল্পারম্ভ-এর মাধ্যমে সূচনা হয় পুজোর। তারপর আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মাধ্যমে মা-কে বরণ করে নেওয়া হয়। অকাল বোধনের মাধ্যমেই উন্মোচন করা হয় মায়ের মুখ। মনে করা হয় বোধনের পর প্রতিমার মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই নিয়মের পরেই সকল দেব-দেবী এবং তার সঙ্গে মহিষাসুরেরও পুজো করা হয়। এরপরই মহা সমারোহে শুরু হয় দুর্গাপুজো।

    অকাল বোধনের কাহিনি

    বোধনকে আবার অকাল-বোধনও বলা হয়ে থাকে। হিন্দু শাস্ত্র মতে, সূর্যের উত্তরায়ন দেবতাদের সকাল। উত্তরায়নের ছয় মাস দেবতাদের দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। সকালে সমস্ত দেব-দেবীর পুজো (Durga Puja 2024) করা হয়। আবার দক্ষিণায়ন শুরু হলে ছয় মাসের জন্য নিদ্রায় যান সমস্ত দেব-দেবী। এই দক্ষিণায়ন দেবতাদের রাত। রাতে দেব-দেবীর পুজো করা হয় না। কিন্তু দক্ষিণায়নের ছয় মাসের মধ্যেই দুর্গাপুজো হয় বলে বোধনের মাধ্যমে আগে দেবী দুর্গাকে ঘুম থেকে তোলা হয়। আর পুরাণ মতে, এই কাজটি সর্বপ্রথম করেছিলেন দশরথ পুত্র রাজা রামচন্দ্র। লঙ্কায় রাবণের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার আগে এই তিথিতেই দুর্গার বোধন করেছিলেন রামচন্দ্র। তাই ষষ্ঠীর বোধনে বা অকালে মা দুর্গাকে জাগিয়ে তোলা হয়েছিল বলেই এই বোধনকে অকাল-বোধনও বলা হয়ে থাকে। উৎসবপ্রেমী বাঙালীদের সবচেয়ে বড় পার্বণ হল দুর্গা পুজো। দুর্গা পুজো শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে নয়, দেশের বহু রাজ্যে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়ে থাকে। এছাড়া বিদেশেও বাঙালিরা উৎসাহ ও আনন্দের সঙ্গে জাঁকজমকভাবে উৎযাপন করে থাকে পুজোর দিনগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    Durga Puja 2024: দশমীর দিন সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন হিন্দু বধূরা, কবে শুরু হয়েছিল এই রীতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর অপেক্ষার পর মহালয়া শুরু হলেই চারদিকে পুজো পুজো (Durga Puja 2024) গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। আনন্দে মেতে ওঠে মন। আর দশমী আসা মানেই মন বিষাদে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। দশমী মানেই বিজয়া। এবার মাকে বিদায় দেওয়ার পালা। সিঁদুরে রাঙা মায়ের মুখখানি যে বড়ই প্রিয় আম বাঙালির। মিষ্টিমুখ করিয়ে ঘরের মেয়ে উমাকে এবার কৈলাসে পাঠানোর শুরু হয় তোড়জোড়। আর এই সূত্র ধরেই সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন বাড়ির বধূরা। বিজয়া দশমীর একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল সিঁদুর খেলা। হিন্দু বিবাহ রীতিতে সিঁদুরদান একট লৌকিক আচার। স্বামীর মঙ্গল কামনায় সিঁদূর পরেন বিবাহিত মহিলারা। দুর্গা বিবাহিত হওয়ায় তাঁকে সিঁদুর লাগিয়ে, মিষ্টি মুখ করিয়ে বিদায় জানানো হয়।

    সিঁদুর খেলার প্রচল কবে? (Durga Puja 2024)

    সিঁদুর খেলার (Sindur Khela) প্রচলন ঠিক কবে থেকে, তার সঠিক কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই। ইতিহাসবিদ ও শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতদের কেউ কেউ বলেন, দুশো বছর আগে সিঁদুর খেলার প্রচলন হয়েছিল। তখন বর্ধিষ্ণু জমিদার পরিবারগুলিতে দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের আগে বাড়ির মহিলারা একে অপরকে সিঁদুরে রাঙিয়ে স্বামী ও পরিবার পরিজনদের মঙ্গল কামনা করতেন। আবার অন্য একটি মত অনুযায়ী, সিঁদুর খেলার ঐতিহ্য চারশো বছরের পুরনো। অন্য কোনও কারণ নয়, শুধুমাত্র খেলার ছলেই এই প্রথার চল হয়। মায়ের বিসর্জনের দিন সকলের মনই ভারাক্রান্ত থাকে। তাই ওইদিন একটু আনন্দ-উল্লাসের জন্যই সিঁদুর (Durga Puja 2024) খেলার প্রবর্তন হয়। সেই ঐতিহ্যই সমান ভাবে চলছে আজও।

    পুরাণ মতে সিঁদুর খেলা

    পুরাণ মতে, ৯ দিন ৯ রাত্রি মহিষাসুরের সঙ্গে যুদ্ধ হয় দশভূজা দুর্গার। দশমীর দিনে মহিষাসুর বধ করেন দুর্গা। অধর্মের ওপর ধর্ম ও অসত্যের ওপর সত্যের জয়ের দিন এটি। সেই জয়কে চিহ্নিত করতেই দশমীর আগে বিজয়া শব্দটি ব্যবহৃত হয়। দশমীর দিনে এই জয়লাভ বলে দিনটিকে বিজয়া দশমী বলা হয়। পুরাণ মতে সিঁদুর ব্রহ্মের প্রতীক। বিবাহিত রমণীরা সেই ব্রহ্মস্বরূপ সিঁদুর সিঁথিতে ধারণ করে থাকেন স্বামী ও পরিবারের মঙ্গলকামনায়। শ্রীমদ্ভগবত অনুসারে, গোপিনীরা কাত্যায়নী ব্রত পালন করতেন। যমুনা নদীর তীরে মাতার মাটির মূর্তি স্থাপন করে, ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে এই ব্রত পালিত হত। এরপর গোপীনিরা নাকি সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতেন। একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে তাঁরা আসলে শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গল কামনা করতেন বলেই কথিত রয়েছে।

    সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন সকলে

    বারোয়ারি মণ্ডপ (Durga Puja 2024) হোক অথবা বাড়ির পুজো, শাড়ি পরে মাতৃ জাতিকে সিঁদুর খেলতে দেখা যায়। শুধুমাত্র বিবাহিত বা প্রচলিত ভাষায় সধবা মহিলারা নন, এখন অবিবাহিত মহিলারা, প্রচলিত ভাষায় যাদের কুমারী মেয়ে বলা হয়, তাঁদেরকেও দেখা যায় সিঁদুর খেলায় মেতে উঠতে। কথিত আছে যে এই সিঁদুর লাগালে বিবাহিতরা সৌভাগ্যবতী হওয়ার বর পান। বাঙালি মহিলাদের মধ্যে সিঁদুর খেলার সাথে ধুনুচি নাচও দেখা যায়। মনে করা হয় মা দুর্গা ধুনুচি নাচে খুশি হন। প্রাচীনকালে লাল সিঁদুরকে ভারতীয় নারীরা বেছে নিয়েছিলেন তাঁদের অন্যতম প্রসাধনী হিসেবে। গালে সিঁদুর মেখে, হাতে প্রসাদের রেকাবি নিয়ে সেলফি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করাটাও এখন রীতি হয়ে গিয়েছে। পুজো মানে তো প্রেমের মরসুম। মণ্ডপের পুষ্পাঞ্জলিতে শাড়ি-পাঞ্জাবিতে প্রেমিক-প্রেমিকাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ে। দশমীর দিন তাই প্রেমিকের হাতে সিঁদুরের ছোঁয়া না পেলে প্রেমটাও ঠিক জমে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 25 September 2024: কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 25 September 2024: কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য অনুতপ্ত হবেন।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভাল।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) কারও সঙ্গে বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কাজের জায়গায় আঘাত লাগা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় ভালো লাভ হতে পারে।

    ২) প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ পাবেন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির অনুগত থাকলে লাভবান হবেন।

    ২) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রতিযোগিতামূলক কাজে সাফল্যের যোগ।

    ২) কুসঙ্গে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    ধনু

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    মকর

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) সুবক্তা হিসাবে সুনাম পেতে পারেন।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে।

    ৩) সমাজে আপনার প্রশংসা বৃদ্ধি পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    Yogi Adityanath: খাবারে মেশানো হচ্ছে মানব বর্জ্য, নয়া ফরমান যোগী রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারে মেশানো হচ্ছিল থুতু। প্রস্রাবও মেশানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। না জেনে পয়সা দিয়ে সেগুলোই কিনে খাচ্ছিলেন খদ্দেররা (UP Eateries)। খাবারে এসব মেশানের অভিযোগ কানে যায় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath)। তার পরেই নয়া ফরমান জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাতে বলা হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি খাবারের দোকানের নাম, অপারেটরের ঠিকানা, দোকানের মালিকের নাম এবং ম্যানেজারের নাম প্রদর্শন করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। শুধু তাই নয়, হোটেল-রেস্তরাঁর শেফ এবং ওয়েটারদের মাস্ক এবং গ্লাভস পরতে হবে। নজরদারি চালানোর জন্য হোটেল-রেস্তরাঁয় বসাতে হবে সিসিটিভিও।

    রুটিতে থুতু! (Yogi Adityanath)

    ঘটনার সূত্রপাত একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে ঘিরে। ১২ সেপ্টেম্বর ভিডিওটি ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, সাহারানপুরের একটি খাবারের দোকানে রুটি বানাচ্ছিল এক কিশোর। আটা মাখানোর সময় সে তাতে থুতু ফেলছিল। ভিডিওর সূত্রে গ্রেফতার করা হয় ওই কিশোরকে। সে কেন এমন করছিল, তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। 

    ফলের রসে প্রস্রাব!

    কেবল ওই কিশোরই নয়, খাবারে মানব বর্জ্য ব্যবহারের অভিযোগে গত সপ্তাহে গাজিয়াবাদে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ফলের রস বিক্রেতাকে। অভিযোগ, সে ফলের রসের সঙ্গে প্রস্রাব মিশিয়েছিল। জুন মাসেও দুই ফলের রস বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছিল নয়ডার পুলিশ। অভিযোগ, ফলের রসে থুতু মিশিয়ে বিক্রি করছিল তারা।

    আরও পড়ুন: এবার যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে তোলা যাবে পেনশন, নিয়ম বদল ইপিএফও-র

    ধারাবাহিক এই ঘটনাপ্রবাহের পরেই নড়েচড়ে বসে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) সরকার। লখনউয়ে হয় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক। সেই বৈঠকে খাবারে মানব বর্জ্যের উপস্থিতিকে ঘৃণ্য বলে অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদিত্যনাথ। বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের ধাবা, রেস্তরাঁ এবং খাবারের দোকানগুলিতে নিয়মিত তদন্ত করতে হবে। প্রতিটি কর্মীর পুলিশ ভেরিফিকেশনও করতে হবে। খাদ্যের গুণমান এবং পবিত্রতা যাতে বজায় থাকে, সেজন্য যাবতীয় পদক্ষেপ করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই জাতীয় ঘটনা ঘৃণ্য। মানব শরীরে এর কুপ্রভাবও পড়ছে। তাই এসব কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরে পরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের (UP Eateries) তরফে জারি হয়েছে নয়া ফরমান (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিকেলে সিজিও কমপ্লেক্সে গেলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে নির্যাতিতার দুই সহপাঠী। তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। সিবিআই সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে তদন্তকারীরা আগেও কথা বলেছেন। দুই পিজিটিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বেরিয়ে বলেন, “আমাকে কিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। সে সব নথিতে আমি সই করলাম। দুই পিজিটিকে কেন আসতে বলা হয়েছিল, সেই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ, তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে এদিন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠকেও সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন দুই পিজিটি! (RG Kar)

    নির্যাতিতার (RG Kar) ওপর নৃশংসতার তদন্তে নেমে সিবিআই-এর হাতে উঠে আসছে একের পর এক নাম। আর তার সঙ্গে ঘটনার মোড় ঘুরছে নিত্যনতুন। এবার নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল আরজি করের ২ পিজিটি-কে। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন এই দুই পিজিটি। মঙ্গলবার তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও  করা হয়। এদিন হাসপাতাল সুপারের গাড়িতে ওই দুই মহিলা পিজিটি সিজিও-তে যান। কেন তাঁরা ঘটনার পর থেকে কার্যত দু’মাস বেপাত্তা ছিলেন, সেই তথ্যই জানতে চান তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই সিবিআই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে পিজিটি জুনিয়র চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    নির্যাতিতার সঙ্গে ঝগড়া

    এবার এই দুই মহিলা পিজিটি-কে সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ঘটনার পর থেকেই এই দুই মহিলা পিজিটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্রের খবর, সিবিআই আগে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন কিছু জানতে পেরেছিলেন, যার সঙ্গে এই দুই মহিলা পিজিটি-র নিশ্চিত যোগ রয়েছে। আরজি কর সূত্রে জানা যাচ্ছে, একজন মহিলা পিজিটির সঙ্গে নির্যাতিতার (RG Kar) ঝগড়া হয়েছিল। আর ঝগড়া এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, যে ডাক পাওয়া মহিলা পিজিটি বলেছিলেন, তিনি চেস্ট মেডিসিন ছেড়ে দেবেন। তিনি মূলত দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। ঘটনার পর তিনি বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। আরও এক মহিলা পিজিটিও বেপাত্তা ছিলেন। এতদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। আন্দোলন থিতু হওয়ার পর তাঁরা হাসপাতালে ফিরে আসেন।

    ফের সিজিওতে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় প্রতিদিনই সিজিও দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। তিনি নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিলেন সিজিওতে। যদিও কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। সিবিআই দফতর থেকে বার হওয়ার পর কোনও মন্তব্য করতে চাননি চিকিৎসক। এর আগেও দু’বার তাঁকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই দফতরে। রবিবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে বের হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, মৃতার দেহের দ্রুত ময়নাতদন্ত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তির তরফে এই চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 143: “অভ্যাসযোগের দ্বারা কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি ত্যাগ করা যায়, গীতায় এ-কথা আছে”

    Ramakrishna 143: “অভ্যাসযোগের দ্বারা কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি ত্যাগ করা যায়, গীতায় এ-কথা আছে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে শ্রীযুক্ত রাখাল, প্রাণকৃষ্ণ, কেদার প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১লা জানুয়ারি

    অভ্যাসযোগ—দুই পথ—বিচার ও ভক্তি

    বেলা ৩টা। মারোয়াড়ী ভক্তেরা মেঝেতে বসিয়া ঠাকুরকে প্রশ্ন করিতেছেন। মাস্টার, রাখাল ও অন্যান্য ভক্তেরা ঘরে আছেন।

    মারোয়াড়ী ভক্ত—মহারাজ, উপায় কি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দুইরকম আছে। বিচারপথ—আর অনুরাগ বা ভক্তির পথ।

    সৎ-অসৎ বিচার। একমাত্র সৎ বা নিত্যবস্তু ঈশ্বর, আর সমস্ত অসৎ বা অনিত্য। বাজিকরই সত্য, ভেলকি মিথ্যা। এইটি বিচার।

    বিবেক আর বৈরাগ্য (Kathamrita)। এই সৎ-অসৎ বিচারের নাম বিবেক। বৈরাগ্য অর্থাৎ সংসারের দ্রব্যের উপর বিরক্তি। এটি একবারে হয় না।—রোজ অভ্যাস করতে হয়।—তারপর তাঁর ইচ্ছায় মনের ত্যাগও করতে হয়, বাহিরের ত্যাগও করতে হয়। কলকাতার লোকদের বলবার জো নাই ‘ঈশ্বরের জন্য সব ত্যাগ কর—বলতে হয় ‘মনে ত্যাগ কর।

    অভ্যাসযোগের দ্বারা কামিনী-কাঞ্চনে আসক্তি ত্যাগ করা যায়। গীতায় এ-কথা আছে। অভ্যাস দ্বারা মনে অসাধারণ শক্তি এসে পড়ে, তখন ইন্দ্রিয় সংযম করতে—কাম, ক্রোধ বশ করতে—কষ্ট হয় না। যেমন কচ্ছপ হাত-পা টেনে নিলে আর বাহির করে না; কুড়ুল দিয়ে চারখানা করে কাটলেও আর বাহির করে না।

    মারোয়াড়ী ভক্ত—মহারাজ, দুই পথ বললেন; আর-এক পথ কি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ—অনুরাগের বা ভক্তির পথ। ব্যাকুল হয়ে একবার কাঁদ—নির্জনে, গোপনে—দেখা দাও বলে।

    ডাক দেখি মন ডাকার মতো কেমন শ্যামা থাকতে পারে!

    মারোয়াড়ী ভক্ত—মহারাজ, সাকারপূজার মানে কি? আর নিরাকার, নির্গুণ—এর মানেই বা কি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যেমন বাপের ফটোগ্রাফ দেখলে বাপকে মনে (Kathamrita) পড়ে, তেমনি প্রতিমায় পূজা করতে করতে সত্যের রূপ উদ্দীপন হয়।

    সাকাররূপ কিরকম জান? যেমন জলরাশির মাঝ থেকে ভুড়ভুড়ি উঠে সেইরূপ। মহাকাশ চিদাকাশ থেকে এক-একটি রূপ উঠছে দেখা যায়। অবতারও একটি রূপ। অবতারলীলা সে আদ্যাশক্তিরই খেলা।

    পাণ্ডিত্য—আমি কে? আমিই তুমি 

    পাণ্ডিত্যে কি আছে? ব্যাকুল হয়ে ডাকলে তাঁকে পাওয়া যায়। নানা বিষয় জানবার দরকার নাই। যিনি আচার্য তাঁরই পাঁচটা জানা দরকার। অপরকে বধ করবার জন্য ঢাল-তরোয়াল চাই; আপনাকে বধ করবার জন্য একটি ছুঁচ বা নরুন হলেই হয়।

    আমি কে, এইটি খুঁজতে গেলে তাঁকেই পাওয়া যায়। আমি কি মাংস, না হাড়, না রক্ত, না মজ্জা—না মন, না বুদ্ধি? শেষে বিচারে দেখা যায় যে, আমি এ-সব কিছুই নয়। ‘নেতি’ ‘নেতি’। আত্মা ধরবার ছোঁবার জো নাই। তিনি নির্গুণ—নিরুপাধি।

    কিন্তু ভক্তি মতে তিনি সগুণ। চিন্ময় শ্যাম, চিন্ময় ধাম—সব চিন্ময়।

    মারোয়াড়ী ভক্তেরা প্রণাম করিয়া বিদায় গ্রহণ করিলেন।

    দক্ষিণেশ্বরে সন্ধ্যা ও আরতি 

    সন্ধ্যা হইল। ঠাকুর গঙ্গাদর্শন করিতেছেন। ঘরে প্রদীপ জ্বালা হইল, শ্রীরামকৃষ্ণ জগন্মাতার নাম করিতেছেন ও খাটটিতে উপবিষ্ট হইয়া তাঁহার চিন্তা (Kathamrita) করিতেছেন।

    ঠাকুরবাড়িতে (Ramakrishna) এইবার আরতি হইতেছে। যাঁহারা এখনও পোস্তার উপর বা পঞ্চবটী মধ্যে পাদচারণ করিতেছেন তাঁহারা দূর হইতে আরতির মধুর ঘন্টা-নিনাদ শুনিতেছেন। জোয়ার আসিয়াছে—ভাগীরথী কুলকুল শব্দ করিয়া উত্তরবাহিনী হইতেছেন। আরতির মধুর শব্দ কুলকুল শব্দের সহিত মিশ্রিত হইয়া আরও মধুর হইয়াছে। এই সকলের মধ্যে প্রেমোন্মত্ত ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বসিয়া আছেন। সকলই মধুর! হৃদয় মধুময়! মধু, মধু, মধু!

    আরও পড়ুনঃ “একটা ঢোঁড়ায় ব্যাঙটাকে ধরেছে, ছাড়তেও পাচ্ছে না—গিলতেও পাচ্ছে না…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: পুজোর আগে ফের তৈরি নিম্নচাপ! সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: পুজোর আগে ফের তৈরি নিম্নচাপ! সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর জলাধারের ছাড়া জলের জেরে রাজ্যের (West Bengal) একাধিক জেলায় বন্যা হয়ে গিয়েছে। এই আবহেই বঙ্গোপসাগরের ওপর মঙ্গলবার ফের তৈরি হয়ে গিয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। ফলে, চলতি সপ্তাহে যে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে সেই আভাসও মিলল। নিম্নচাপের জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। তার প্রভাবেই চলতি সপ্তাহ জুড়ে আবার বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। মাটি হতে পারে পুজোর বাজার। মাঝে কয়েক দিন রেহাই দিয়েছিল বৃষ্টি। মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণের (Weather Update) বেশির ভাগ জেলায় আবার শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

    কতদিন পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা? (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর জানিয়েছে, বুধবার থেকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গে। যা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। কোনও কোনও জেলায় আবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। জারি করা হয়েছে সতর্কতা। উত্তরেও রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মধ্য বঙ্গোপসাগরের ওপর রয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭.৬ কিলোমিটার উঁচুতে রয়েছে সেই ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উত্তর অন্ধ্র এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছে সমুদ্রের ওপর তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ অঞ্চল। তার প্রভাবেই বঙ্গোপসাগর থেকে ছুটে আসছে জলীয় বাষ্প, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: পুড়ছে পাহাড়! শরতের গরমে জেরবার দার্জিলিং, কমছে পর্যটকের সংখ্যা

    দক্ষিণবঙ্গে কোন কোন জেলায় বৃষ্টি?

    ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ- এই দু’য়ের জেরে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারও নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান বাদ দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার। ওই দিন রাজ্যের উপকূলবর্তী দুই জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বুধ এবং বৃহস্পতিবার ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গেও

    শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। মঙ্গল এবং বুধবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে মালদা, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু এলাকায়। শুক্রবার ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ মায়ানমার উপকূল সংলগ্ন এলাকায় দু’টি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। মৌসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকার উপর দিয়ে। তা ছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল থেকে দক্ষিণ মায়ানমার উপকূল পর্যন্ত আরও একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশের ‘না’, প্রতিবাদ সভা করতে হাইকোর্টে বিজেপি

    BJP: ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশের ‘না’, প্রতিবাদ সভা করতে হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) ‘হাজরা চলো’ কর্মসূচিতে পুলিশের ‘না’। রাজ্যে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বিজেপি। নেতৃত্ব দেবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার হওয়ার কথা এই বিক্ষোভ সভা। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও সদর্থক অনুমতি মেলেনি। বিজেপির অভিযোগ, শাসক দলের নির্দেশে পুলিশ এই ন্যায় বিচারের জন্য সভার অনুমতি দেয়নি। মঙ্গলবার, তাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে পদ্ম শিবির।

    অনুমতি না দিয়ে নীরব দর্শক পুলিশ(BJP)

    ডাক্তার তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে একাধিকবার আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি (BJP)। ধর্মতালায় টানা ধর্না অবস্থানের শেষ দিনে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের পক্ষ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ‘হাজরা চলো’ অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিলেন। উল্লেখ্য সুকান্ত এটাও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হবে, তবে অনুমতি না দিলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। বিজেপির পক্ষে ওই দিনের সভা নিয়ে প্রথমে লিখিত ভাবে অনুমতি চাওয়া হলেও, পুলিশ এখনও পর্যন্ত সাড়া করেনি। এরপর দল আদলাতের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ১ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে বিজেপি পথসভা, বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল, থানা শুদ্ধিকরণ সহ একাধিক কর্মসূচি পালন করবে। পদ্ম শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগও। 

    আরও পড়ুনঃকেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    একাধিক কর্মসূচি বিজেপির

    উল্লেখ্য, গত ৯ অগাস্ট মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি (BJP) লাগাতার স্বাস্থ্য ভবন অভিযান, লালবাজার অভিযান, জেলা শাসকের দফতর অভিযান, ব্লক অফিস ঘেরাও, থানা ঘেরাও-সহ একাধিক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। তবে এই ‘হাজরা চলো’ অভিযানের নেতৃত্বে শুভেন্দু এবং সুকান্ত থাকার কথা। বিজেপির পক্ষ থেকে এদিন আরও বলা হয়, আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। আদালত মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সুরক্ষিত করবে। অপর দিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য দফতরে দুর্নীতি, শিক্ষা দফতরে দুর্নীতি, পুরসভায় দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, সন্দেশখালিকাণ্ড সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে। যার জেরে ব্যাকফুটে রয়েছে দল। ধর্ষণকাণ্ডে ক্ষতিপূরণ নিয়ে মমতার মন্তব্য, সাধারণ মানুষের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। শুধু রাজনৈতিক সংগঠনই নয়, একাধিক সামজিক সংগঠনও নারী সুরক্ষা এবং ন্যায় বিচারের দাবিতে পথে নেমেছে। সর্বত্র একটাই স্লোগান ‘জাস্টিস ফর আরজি কর’।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • EPFO Update: এবার যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে তোলা যাবে পেনশন, নিয়ম বদল ইপিএফও-র

    EPFO Update: এবার যে কোনও ব্যাঙ্ক থেকে তোলা যাবে পেনশন, নিয়ম বদল ইপিএফও-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেন্ট্রালাইজড পেনশন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করতে চলেছে কেন্দ্র। এই ব্যবস্থা চালু হলে যে কোনও ব্যাঙ্কের যে (EPS Pension) কোনও শাখা থেকে পেনশন তুলতে পারবেন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন, সংক্ষেপে ইপিএফও-র (EPFO Update) গ্রাহকরা। সরকারি সূত্রে খবর, এতে উপকৃত হবেন ৭৮ লাখ গ্রাহক।

    পেনশন তোলা যাবে যে কোনও ব্যাঙ্কে (EPFO Update)

    জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের যে কোনও শাখায় গিয়ে পেনশন তুলতে পারবেন পেনশনভোগীরা। অগ্রিম ক্লেমের জন্য অটো ক্লেম লিমিটও বাড়িয়ে দিয়েছে ইপিএফও। চলতি মাসেই সিপিপিএস চালু করার অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পরবর্তী পর্যায়ে লেনদেন আরও সহজ করতে আধার বেসড পেমেন্ট সিস্টেম চালু করা হবে।’ আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকে এটি চালু হবে বলে সূত্রের খবর।

    মোদি সরকারের পদক্ষেপ

    তৃতীয়বার মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পেনশনভোগীদের জন্য বহু নিয়ম প্রণয়ন করেছে। তাঁদের সুবিধার্থে নানা পদক্ষেপও করেছে। এর ফলে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট হোল্টার ও ইপিএস পেনশনভোগীদের অনেকটাই সুবিধা হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর ইপিএফও-এর (EPFO Update) কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ড কেন্দ্রীভূত পেনশন পেমেন্ট সিস্টেম প্রবর্তনের প্রস্তাব আনে। তাতে সবুজ সঙ্কেত মিলতেই প্রস্তাবটি শ্রম মন্ত্রকের কাছে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে ফের বৈঠকে মোদি-জেলেনস্কি, এবার কী নিয়ে কথা হল?

    সিপিপিএস চালু করা নিয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় বলেন, “ইপিএফওর পেনশনভোগীরা অনেক সময় এক জায়গা থেকে অন্যত্র চলে যান। নতুন এলাকায় যাওয়ার পর পেনশন পেতে সমস্যা হয় তাঁদের। সিপিপিএস চালু হওয়ার পর এই সমস্যা আর থাকবে না। দেশের যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ব্যাঙ্কের শাখা থেকে পেনশন তুলতে পারবেন তাঁরা।”

    প্রভিডেন্ট ফান্ডের জমানো টাকার আংশিক তোলার ক্ষেত্রে অগ্রিম ক্লেম লিমিটও বাড়ানো হয়েছে। আগে এই লিমিট ছিল ৫০ হাজার টাকা। বর্তমানে এটাই বাড়িয়ে করা হয়েছে এক লাখ টাকা। প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমানো টাকার ৬০ শতাংশ তোলার জন্য আগে যেখানে ১০ দিন (EPS Pension) সময় লাগত, এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ৩-৪ দিন (EPFO Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share