Tag: Bengali news

Bengali news

  • Durga Puja 2024: দশমীর দিন পান্তা ভাত, বোয়াল ও রাইখোর মাছ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয় মাকে!

    Durga Puja 2024: দশমীর দিন পান্তা ভাত, বোয়াল ও রাইখোর মাছ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয় মাকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাল বাড়ির পুজো ৷ বাড়ির পুজো হলেও তা এখন বারোয়ারি হয়ে গিয়েছে কালের নিয়মে৷ তবে পুরনো রীতি মেনেই করা হয় মায়ের আরাধনা ৷ বালুরঘাটের অন্যতম বনেদি বাড়ি ছিল এই পাল বাড়ি ৷ কংগ্রেস পাড়ার পাল বাড়ির এই দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2024) শুরুটা ঠিক কবে, তা অবশ্য সঠিকভাবে জানা নেই কারোর ৷ তবে স্থানীয়দের কথায়, ৪০০ বছর আগে আত্রেয়ী নদীর পাশে নিজের বাড়িতেই মায়ের পুজো শুরু করেছিলেন গৌরী পাল। সে সময় থেকে একই নিয়মে হয়ে আসছে মাতৃবন্দনা ৷ স্থানীয়দের বক্তব্য, এক সময় বালুরঘাটের প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন গৌরী পাল ৷ তিনিই প্রথম এই পুজোর প্রচলন করেন। খড় ও বাঁশের তৈরি মন্দিরে দেবীর পুজো শুরু হয়। গৌরী পাল এবং তাঁর উত্তরসূরিদের অবর্তমানে আজ থেকে প্রায় 8৫ বছর আগে পাল বাড়ির দুর্গাপুজোর দায়িত্ব নেন প্রতিবেশীরা। বর্তমানে বারোয়ারি কমিটির উদ্যোগে পুজোর আয়োজন করা হয় ৷ তবে বারোয়ারির উদ্যোগে হলেও এখনও এই পুজো পাল বাড়ির দুর্গাপুজো নামেই পরিচিত৷

    পুজো করে আসছেন মহিলারা (Durga Puja 2024)

    কথিত আছে, এখানে নিষ্ঠার সঙ্গে মায়ের কাছে কেউ কিছু মানত করলে তা পূরণ হয় । অন্য জেলা থেকেও দর্শনার্থীরা এই পুজোয় সামিল হন ৷ এই পুজোর বিশেষত্ব, নবমী ও দশমীর দিনে মা-কে পান্তা ভাত, বোয়াল মাছ ও রাইখোর মাছের ভোগ দেওয়া হয়। অন্যদিন অবশ্য নিরামিষ ভোগই দেওয়া হয়। পান্তা ভোগ যেদিন হয়, সেদিন ভিড় সবচেয়ে বেশি হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মহিলারা এই পুজো করছেন৷

    ষষ্ঠী বলে কিছু নেই

    পাল বাড়ির পুজোর উদ্যোক্তারা বলেন, এই মন্দিরের পাশেই আত্রেয়ী নদী ছিল (Balurghat)৷ পরবর্তীকালে নদীর দিক পরিবর্তনের কারণে এদিকে নদীটি নেই ৷ ইতিহাস সঠিক না জানলেও শুনেছি এক সন্ন্যাসী প্রথম নদীর ধারে এখানে পুজো শুরু করেছিলেন৷ পরবর্তীকালে গৌরী পাল এই পুজো (Durga Puja 2024) শুরু করেন৷ কিন্তু একটা সময় তাঁর বংশধরেরা এই পুজো করতে পারেননি ৷ তখন থেকেই স্থানীয়রা নিজেদের মনে করে এই পুজোর আয়োজন করে আসছেন৷ তবে রীতি মেনেই পুজো করা হয় ৷ তাঁরা বলেন, আমাদের এখানে ষষ্ঠী বলে কিছু নেই ৷ শিব পুজো ও বেল বরণ করে ঠাকুরের অধিবাস হয় ৷ আরতি করে মা-কে বরণ করা হয় ৷ আর দশমীর দিন পান্তা ভাত ও বোয়াল মাছ দিয়ে মাকে ভোগ দেওয়া হয়। পঞ্জিকা মেনে সময়ের মধ্যে পুজো শেষ করার চেষ্টা করা হয়৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “গ্রিন হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে বৈশ্বিক কেন্দ্র করব,” অঙ্গীকার মোদির

    PM Modi: “গ্রিন হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে বৈশ্বিক কেন্দ্র করব,” অঙ্গীকার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানির জন্য ভারতকে একটি বৈশ্বিক হাবে পরিণত করতে চাই।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক গ্রিন হাইড্রোজেন (Green Hydrogen) সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি গ্রিন হাইড্রোজেন ক্ষেত্রের নীতি গঠনে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিজ্ঞানী সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি বিশ্বের বিজ্ঞানী সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন দিক অন্বেষণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা জননীতিতে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন, যা গ্রিন হাইড্রোজেন খাতকে সহায়তা করতে পারে।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভারতকে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানির জন্য একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।” তিনি বলেন, “গোটা বিশ্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাই জ্বালানি পরিবর্তন ও সাসটেনেবিলিটির দিকে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।”

    গ্রিন এনার্জি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রিন এনার্জি সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণের ক্ষেত্রে ভারত জি-২০ দেশগুলোর মধ্যে প্রথম।” তিনি (PM Modi) বলেন, “এই প্রতিশ্রুতিগুলি ২০৩০ সালের লক্ষ্য থেকে ন’বছর আগে পূরণ করা হয়েছে। ভারতে নন-ফাইনান্সিয়াল জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষমতা গত ১০ বছরে প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আমাদের সৌরশক্তির ক্ষমতা তিন হাজার শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা এখানেই থেমে নেই। যেসব সমাধান রয়েছে, সেগুলিকে শক্তিশালী করতে আমরা ফোকাস করছি।”

    আরও পড়ুন: “বিশ্বে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ”, বললেন মোদি

    গ্রিন হাইড্রোজেনের উপকারিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব শিল্পের ক্ষেত্রে বিদ্যুতায়ন করা কঠিন, সেই সব শিল্পকে কার্বনমুক্ত করতে সাহায্য করে এটি। গ্রিন হাইড্রোজনের ফলে উপকৃত হবে রিফাইনারি, সার, ইস্পাত, ভারী পরিবহণ এবং এ ধরনের অনেক ক্ষেত্র।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই জাতীয় সবুজ হাইড্রোজেন মিশন চালু করেছে, যা উদ্ভাবন, পরিকাঠামো ও বিনিয়োগকে ত্বরান্বিত করছে। আমরা উন্নত গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ (Green Hydrogen) করছি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের মধ্যে অংশীদারিত্ব গঠন করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    Bangladesh: ‘তালিবানি বাংলাদেশ’! নমাজের সময় ঢাক বন্ধের ফতোয়া, কমল দুর্গাপুজোর সংখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা সরকারের পতনের পরই বাংলাদেশে (Bangladesh) হামলার মুখে পড়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুরা। ভাঙচুর করা হয়েছে তাদের বাড়িঘর, দোকানপাট। এই পরিস্থিতিতে যখন উদ্বেগে সবাই, তখন মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার আশ্বাস দিয়েছিল যে, বাংলাদেশে আগের মতোই দুর্গাপুজো (Durga Puja) হবে। ফলে, সংখ্যালঘু হিন্দুরা আশার আলো দেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু, অন্তর্বর্তী সরকারের আসল রূপ ক্রমশ প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। নমাজের সময় দুর্গাপুজোর ঢাক-ঢোল-মাইক বাজানো যাবে না ঘোষণা করে ফতোয়া জারি করেছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। যা নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    দুর্গাপুজোয় ঢাক-মাইক বন্ধে ফতোয়া জারি (Durga Puja)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজো নিয়ে কিছু ফতোয়া জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবারই পুজো উদযাপন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। বৈঠকেই তিনি ঘোষণা করেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে মসজিদে আজানের সময় মণ্ডপে ঢাক-মাইক বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজানের ৫ মিনিট আগেই মাইক ও যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ করতে হবে। আজান শেষের পরই ফের মাইক বা ঢাক বাজানো যাবে। সংখ্যালঘু হিন্দুদের বক্তব্য, পুজোর সময় আজান শুরু হলে ঢাক-ঢোল বাজানো যাবে না। আসলে পরোক্ষে পুজো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে সরকার। 

    মণ্ডপের পাহারা নিয়েও নতুন আশঙ্কা

    পাশাপাশি, দুর্গাপুজোর নিরাপত্তা নিয়েও অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণায় তৈরি হয়েছে নতুন উৎকণ্ঠা। ঘোষণা অনুযায়ী, দুর্গামণ্ডপগুলির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মণ্ডপে (Durga Puja) যাতে হামলা না চলে, তার জন্য স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে, যারা পালা করে মণ্ডপ পাহারা দেবেন।বাংলাদেশের হিন্দু সমাজের অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে মনে করছেন না। তাঁদের আশঙ্কা, এই সুযোগে মাদ্রাসা ও জামাতের লোকজনকে পুজো মণ্ডপে মোতায়েনের চেষ্টা হচ্ছে, যারা মূর্তি পুজোয় বিশ্বাস করেন না। ফলে অশান্তির আশঙ্কা থাকছেই। এতদিন পুজো কমিটির লোকজনেরাই স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতেন। সঙ্গে থাকত পুলিশ বা অন্য কোনও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। 

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা!

    সরকারের আড়ালে মৌলবাদীরা যে কলকাঠি নাড়ছেন, এই ঘোষণাই তার প্রমাণ। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে হিন্দু খেদাও ও হিন্দু নিধন যজ্ঞ। দেশের হিন্দু প্রধান এলাকায় গিয়ে পুজো ও ধর্মীয় আচরণ বন্ধ করার ফতোয়া দিয়েছে বিএনপি-জামাত-এ-ইসলামির মতো মৌলবাদী দলগুলি। তালিবানি শাসন শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে! আর সেই হুমকির পরেই রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে হিন্দুরা।

     

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

     

    ইসকনের ভাইস-প্রেসিডেন্ড রাধারমণ দাস ট্যুইট করে বাংলাদেশি সরকারের ফতোয়াকে তালিবানি শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 

     

    মৌলবাদীদের হুমকি-হামলা, কমল দুর্গাপুজো

    শেখ হাসিনা জমানায় গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গাপুজোর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। গত বছর রাজধানী ঢাকা-সহ গোটা দেশে ৩৩ হাজার ৪৩১টি মন্দির ও মণ্ডপে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আয়োজন করা হয়েছিল। আর এ বছর এখনও পর্যন্ত ৩২ হাজারের মতো পুজো কমিটি পুজো আয়োজনের কথা জানিয়েছে। অনেক জায়গাতেই আয়োজকরা ঘট পুজোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হামলার হাত থেকে বাঁচতে অনেক জায়গাতেই দুর্গাপুজো বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গত বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত প্রায় এক হাজারের বেশি পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পুজো বন্ধ হওয়ার সংখ্যাটি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন পুজো উদযাপন পরিষদের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Illegal Mosque: অবৈধ মসজিদ নির্মাণের প্রতিবাদ মিছিলে লাঠিচার্জ কংগ্রেস সরকারের, ক্ষোভ সিমলায়

    Illegal Mosque: অবৈধ মসজিদ নির্মাণের প্রতিবাদ মিছিলে লাঠিচার্জ কংগ্রেস সরকারের, ক্ষোভ সিমলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা আমাদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন। প্রতি শুক্রবার যখন তালিবানের মতো প্রচুর মানুষ রাস্তায় জুম্মার নমাজে জড়ো হন, তখন আমাদের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার জোগাড় হয়।” কথাগুলি বললেন সিমলার সানজাউলি এলাকার এক হিন্দু (Hindu) বাসিন্দা। এই এলাকায় অবৈধভাবে একটি মসজিদ (Illegal Mosque) নির্মাণ করা হচ্ছে। বেআইনি এই নির্মাণের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন স্থানীয় হিন্দুরা। স্থানীয়দের এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে লাঠিচার্জ করে কংগ্রেস প্রশাসন। ১১ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনার পরে কংগ্রেসের ওপর ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় হিন্দুরা।

    কী বলছেন স্থানীয়রা (Illegal Mosque)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে স্থানীয় এক হিন্দু (Hindu) মহিলা বলেন, “ওরা অন্য রাজ্য থেকে এখানে এসেছে। আমরা জানি না তাদের মধ্যে কেউ অন্য রাজ্যে কোনও অপরাধ করে এখানে পালিয়ে এসেছে কিনা।” তিনি বলেন, “জুম্মাবারে দেড় থেকে দুহাজার মুসলমান নমাজ আদায়ের জন্য এখানে জড়ো হয়। রাস্তার ওপর বসে নমাজ পড়ে।” তিনি বলেন, “কোভিডের সময় ওরা অবৈধভাবে মসজিদটা (Illegal Mosque) নির্মাণ করেছে। পরিকল্পিতভাবে দখল করছে স্থানীয় বাজার। আমরা দেখছি, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, সাহারানপুর থেকে এখানে লোকজন আসছে। স্থানীয়দের কাউকে দেখিনি।” তিনি বলেন, “সরকার বলছে, ১৯০ জনের নাম নথিভুক্ত করা রয়েছে। তাহলে এত মানুষ আসছে কোথা থেকে?” ওই মহিলা বলেন, “স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের উচিত তাদের বিষয়ে তথ্য যাচাই করা।”

    প্রতিবাদ মিছিলে লাঠিচার্জ কংগ্রেসের

    বেআইনি মসজিদ নির্মাণের বিরুদ্ধে গত ১১ সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন স্থানীয় হিন্দুরা। অভিযাগ, শান্তিপূর্ণ মিছিল আটকাতে লাঠিচার্জ করে কংগ্রস-শাসিত হিমাচল প্রদেশের পুলিশ। তার জেরে যারপরনাই ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তাঁদেরই একজন বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নারী ও হিন্দুদের ওপর লাঠিচার্জ করল। হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিল করে সানজাউলির দিকে যাচ্ছিল। সুখু সরকারের পুলিশ লাঠিচার্জ করে আমাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।”

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় কেটে গিয়েছে’’, ভাঙা হাত নিয়ে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ মিছিলে মিঠুন

    স্থানীয় আর এক হিন্দু মহিলা বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকে সানজাউলিতে রয়েছি। তখন মসজিদটি ছিল একতলা। মসজিদ থাকলেও, কেউ দেখভাল করেনি। সেখানে শিশুরা খেলাধুলো করত। নয়ের দশকের পর এখানে আসেন সেলিম দর্জি। তারপর থেকে মসজিদ নির্মাণে গতি আসে।” তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোর্ডের দাবি তাদের জমিতে মসজিদ নির্মিত হয়েছে। আর সরকার বলছে জমিটি তাদের।” অবিলম্বে মসজিদের (Illegal Mosque) বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা (Hindu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের হস্টেলে (Siliguri) রীতিমতো মসজিদ গড়ে উঠেছে। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে এই দিকটি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাণনাশ ও দৈহিক অত্যাচারের হুমকির ভয়ে সকলে এতদিন এসব মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছে।

    কীভাবে হস্টেলে তৈরি হয়েছে মসজিদ? (North Bengal Medical)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বরখাস্ত চিকিৎসক নেতা অভীক দে-র নির্দেশে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা চিকিৎসক শাহিন সরকার ও চিকিৎসক সোহম মণ্ডল মুসলিম সম্প্রদায়ের ছাত্রদেরকে বেছে বেছে ভালো ও একাধিক ঘর বণ্টন করতেন। একটি হল ঘর নমাজ পড়ার জন্য মসজিদের মতো করে তাঁরা সাজিয়ে নেন। সেই ঘরের মেঝেতে সারি সারি মসজিদের ছবি আঁকা, মাদুর পেতে রাখা হয়েছে। সেখানে ছাত্ররা গিয়ে নমাজ পড়েন। অন্যান্য মুসলিম ধর্মের আচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মুসলিম ধর্ম গ্রন্থ নিয়ে লাইব্রেরি তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠান সম্পর্কে ও নমাজ পাঠের সময় জানানোর জন্য নোটিশ বোর্ড রয়েছে। সেখানে নমাজের সময়সূচি লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

    প্রতিবাদ করলেই আসত হুমকি

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ডাক্তারি (North Bengal Medical) পড়ুয়া বলেন, মুসলিম ছাত্রদের জন্য হস্টেলে নির্দিষ্ট একটা এলাকা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে অন্য ধর্মের ছাত্রদের যাওয়ার সুযোগ ছিল না। এতদিন আমরা মুখ খুলতে পারিনি। কখনও কেউ সামান্য প্রতিবাদ করলেই তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। শাহিন সরকার, সোহম মণ্ডলরা হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। তাই মুখ বুজে সব সহ্য করেছিলাম। আরজি করকাণ্ডের জেরে যেভাবে সর্বত্র ছাত্রছাত্রীরা থ্রেট কালচার নিয়ে সরব হয়েছেন, তাতে আমরা সাহসী হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে সবটা জানিয়ে হস্টেলে ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরির আবেদন জানাই।

    তদন্ত কমিটির কাছে নালিশ

    থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের (North Bengal Medical) আন্দোলনের চাপে তদন্ত কমিটি গড়েন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিৎ সাহা। এমএসভিপি সঞ্জয় মল্লিকের নেতৃত্বে গড়া তদন্ত কমিটির সামনে একাধিক ছাত্র হস্টেলের মধ্যে মসজিদ তৈরি ও ধর্মের ভেদাভেদ তৈরি, ছাত্রদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানানোর বিষয়টি গোপন না থাকায় তাঁদের কয়েকজনকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অভিযোগকারীরা।

     কী বললেন অধ্যক্ষ ?

    মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical) অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নিয়ে কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাছে ছাত্ররা অনেক ধরেনের অভিযোগ করেছে। যার অনেক কিছু আমার জানা ছিল না। এতদিন ডিন আমাকে জানাননি। ছাত্রদের আশ্বাস দিয়েছি, এখন থেকে হস্টেলে ধর্মের ভেদাভেদে কোনও বিতর্কিত কাজ বা পরিবেশ বরদাস্ত করা হবে না। সব ধর্ম সমান গুরুত্ব পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিশ্বে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ”, বললেন মোদি

    PM Modi: “বিশ্বে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বের প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ। এটা আমাদের স্বপ্ন।” কথাগুলি বললেন স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নয়াদিল্লির উপকণ্ঠে চলছে সেমিকন ২০২৪ (Semicon 2024) সম্মেলন। এই সম্মেলনেই ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    তিনি বলেন, “করোনা অতিমারি সাপ্লাই চেনের গুরুত্ব দেখিয়েছে। যে কোনও রকম বিপত্তি এড়িয়ে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সাপ্লাই চেনের স্থিতিস্থাপকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই কাজটাই সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে ভারত।” করোনাকালে বিশ্ব সাক্ষী ছিল এই সাপ্লাই আতঙ্কের। চিন থেকে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল (PM Modi) করোনা ভাইরাস। তার জেরে বেঘোরে প্রাণ যায় লাখ লাখ মানুষের। এর প্রভাব পড়ে বিভিন্ন শিল্প এবং সেক্টরে, বিশেষত যারা আমদানি করে। চিপ সেক্টরেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। এই চিপ-ই প্রতিটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের জটিল অংশ গঠন করে।

    ভারতের স্বপ্ন

    এর পরেই তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ। এটা আমাদের স্বপ্ন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতকে একটি সেমিকন্ডাক্টর পাওয়ার হাউস করার জন্য যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব।” ভারতে সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং বাড়ানোর জন্য তাঁর সরকার যেসব পদক্ষেপ করেছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভয় কেটে গিয়েছে’’, ভাঙা হাত নিয়ে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ মিছিলে মিঠুন

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের ভারত বিশ্বে আস্থা জাগায়। যখন চিপের জোগান কমে যায়, তখন আপনি ভারতের ওপর বাজি ধরতে পারেন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ইতিমধ্যেই দেড় লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে। অনেক (Semicon 2024) প্রকল্প পাইপলাইনেও রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি! সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় হানা ইডির

    RG Kar: আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি! সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন জায়গায় হানা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজের আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ফের তেড়েফুঁড়ে নেমেছে ইডি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার তিন জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। এদিনে সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ টালা এলাকার একটি বহুতল আবাসনে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা (ED Raids)। সূত্রের খবর, ওই আবাসনেরই পাঁচ তলায় থাকেন সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী চন্দন লৌহ। সেখানেই চলছে তল্লাশি অভিযান। এছাড়া, কালিন্দীর একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে দেবদত্ত চট্টোপাধ্যায়ের নামে এক ব্যক্তির অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

    কে এই চন্দন লৌহ?

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ চন্দনের ফ্ল্যাটে পৌঁছান ইডি আধিকারিকরা (RG Kar)। সে সময় ফ্ল্যাটেই ছিলেন চন্দন। তিনি দরজা খুলে দেন। তবে আজ বুধবারই প্রথম নয় এর আগে ২৫ অগাস্ট ওই একই ফ্ল্যাটে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল সিবিআই। আজ, বৃহস্পতিবার গেল ইডি। জানা যায়, আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার আখতার আলির অভিযোগপত্রে নাম ছিল চন্দনের স্ত্রী ক্ষমা লৌহের। অভিযোগ ওঠে আরজি কর হাসপাতাল চত্বরে ক্যাফেটেরিয়া খোলার জন্য নিয়ম বহির্ভূতভাবে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল চন্দনের স্ত্রীকে। চন্দন লৌহ আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। আরজি কর হাসপাতালের একাধিক আর্থিক দুর্নীতিতেও জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে চন্দন লৌহর বিরুদ্ধে।

    কালিন্দীতে রয়েছে অকটেন মেডিক্যালের অফিস (RG Kar)

    অন্যদিকে, কালিন্দী হাউসিং এস্টেটে ইডি পৌঁছেছে অকটেন মেডিক্যালের অফিসে (ED Raids)। জানা গিয়েছে, দুই বছর আগেই অফিস শুরু হয়। দেবদত্ত চট্টোপাধ্যায় নামের এক ব্যক্তি এই অফিসের মালিক। সার্জিক্যাল মেশিন সাপ্লাইয়ের কাজ করে দেবদত্ত চট্টোপাধ্যায়ের অফিস। আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে এই কোম্পানি থেকে কিছু মেশিন কেনা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, মেশিনের যা বাজার দর তার থেকে বেশি দামে কেনা হয়েছিল। নথি খতিয়ে দেখতে সেখানে তল্লাশি চলছে। এছাড়াও চিনার পার্কে সন্দীপ ঘোষের পৈতৃক বাড়িতেও ইডির দল পৌঁছেছে বলে খবর। এই বাড়িতেই সন্দীপ ঘোষের বাবা থাকতেন বলে জানা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

    RG Kar: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুদ্ধ হয়ে সরবও হয়েছে বিভিন্ন মহল। বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলও। এবার আরজি কর (RG Kar) কাণ্ডে সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তা। বুধবারই তাঁকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই দফতরে। সেইমতো বুধবার সন্ধ্যায় অভিষেক গুপ্তা হাজির হন সিবিআই দফতরে। নির্যাতিতার পরিবারকে টাকা অফার করার অভিযোগ উঠেছে অভিষেক গুপ্তার বিরুদ্ধে, এমন বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন ‘অভয়া’র বাবা থেকে কাকিমা সকলেই। অন্যদিকে, বুধবারই সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন আরজি করের ৪ জুনিয়র চিকিৎসকও। এদিন দুপুর নাগাদ তাঁদের সিবিআই (CBI) দফতরে ঢুকতে দেখা যায়। আরজি করের খুন-ধর্ষণ মামলাতেই তথ্য জানতে চেয়ে ওই জুনিয়র ডাক্তারদের তলব করা হয়েছিল বলে খবর। 

    ঘটনার দিন নির্যাতিতার বাবাকে টাকা অফার!

    প্রসঙ্গত, অভিষেক গুপ্তার ভূমিকা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররাও। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের অভিযোগ ছিল মেয়ের মৃত্যুর পরেই ডিসি নর্থ তাঁদের টাকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এ ধরনের অভিযোগ ওঠার আবহেই তাঁকে তলব করা হল। প্রসঙ্গত, গত ৮ সেপ্টেম্বরে আরজিকরের আন্দোলনে যোগ দিয়ে ‘অভয়া’র বাবা জানিয়েছিলেন, ঘটনার দিন রাতেই ময়নাতদন্তের পর তাঁর মেয়ের দেহ যখন বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়, তখনই সেখানে ছিল কয়েকশো পুলিশ, দেহ যখন ঘরে শায়িত ছিল, তখনই পাশের ঘরে ডেকে নিয়ে ডিসি নর্থ তাঁকে টাকা দিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

    কেন সিজিওতে তলব চার জুনিরকে?

    সন্ধ্যায় ডিসি নর্থের আগে, দুপুরে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন আরজি করের চার জুনিয়র ডাক্তার। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে প্রবেশ করেন চারজন। সূত্রের খবর, আরজি করে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে আরও তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে সিবিআই। এই মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে হাসপাতালের অন্দরের তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে কি না, তা জানার জন্যই সিবিআই দফতরে ডাকা হয় জুনিয়র চিকিৎসকদের। 

    একাধিক প্রশ্ন আরজি কর (RG Kar) নিয়ে

    প্রসঙ্গত, গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি চলাকালীন ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক সংশয়ের কথা বলেন জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ও ময়নাতদন্ত নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন রেখেছেন। ময়নাতদন্তের চালান কোথায়, তা-ও রাজ্যের থেকে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। সিবিআইয়ের (CBI) তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানিয়েছিলেন, এই ঘটনার (আরজি কর খুন-ধর্ষণ) ক্ষেত্রে (RG Kar) প্রথম পাঁচ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সিবিআই তদন্তভার নিয়েছে পাঁচ দিন পর। এর ফলে বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং বলেই সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PNB Fraud: ঋণখেলাপি মামলায় নীরব মোদির প্রায় ৩০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    PNB Fraud: ঋণখেলাপি মামলায় নীরব মোদির প্রায় ৩০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদির (Nirav Modi) ২৯ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি অ্যাটাচ করল (PNB Fraud) ইডি। নীরব পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ঋণখেলাপের মামলায় অভিযুক্ত। ইডির মুম্বই আঞ্চলিক দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন, ২০২২-এর আওতায় এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাঁর যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মধ্যে যেমন জমি রয়েছে, তেমনি রয়েছে বাড়ি। বিভিন্ন ব্যাঙ্কে সঞ্চিত অর্থও রয়েছে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির মধ্যে। এই প্রথম নয়, এর আগেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নীরব ও তাঁর সহযোগীদের ভারত ও বিদেশে থাকা প্রায় ২ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে।

    প্রতারণা মামলা (PNB Fraud)

    ২০১৮ সালে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন এই হিরে ব্যবসায়ী। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতেই দেশ ছেড়ে পালান নীরব। পরে ইডি তাঁকে পলাতক ঘোষণা করে। ২০১৯ সালে ব্রিটেনে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। সেই থেকে রাজার দেশেই বন্দিদশা কাটাচ্ছেন তিনি। ব্রিটেনের আদালতও জানিয়েছে, নীরবের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে সাতবার।

    সম্পত্তি নিলাম

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের সঙ্গে সব মিলিয়ে নীরব প্রতারণা করেছিলেন প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই সব মিলিয়ে ইডি তার চার হাজার কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। আদালতের নির্দেশে কয়েকটি সম্পত্তি নিলাম করে যে ৭১ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল, তা ফেরানো হয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ককে (PNB Fraud)। বাকি সম্পত্তি নিলামের জন্য শুনানি চলছে।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে গিয়ে ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ, রাহুলকে নিশানা বিজেপির

    জানা গিয়েছে, নীরব ও তার সহযোগীদের স্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ৬৯২.৯০ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ মার্চ লন্ডনের একটি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে গ্রেফতার হন নীরব। বছরখানেক আগে আদালতে এই হিরে ব্যবসায়ী জানিয়েছিলেন, তাঁর সমস্ত সম্পত্তি ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। আইনজীবীর ফি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেছেন ঋণখেলাপের (Nirav Modi) মামলায় এই অভিযুক্ত (PNB Fraud)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sikh Group Protests: রাহুল-সোনিয়ার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের

    Sikh Group Protests: রাহুল-সোনিয়ার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল ও সোনিয়া গান্ধীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের (Sikh Group Protests)। বিরোধী দলনেতা রাহুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে, এই দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় শিখ সংগঠন। সম্প্রতি আমেরিকা সফরে গিয়ে ভারতে শিখ ধর্মাচরণের অধিকার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে (Sonia Gandhi) বুধবার রাহুলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান ওই সংগঠনের সদস্যরা। কেবল রাহুল নন, বিক্ষোভ দেখানো হয় সনিয়া গান্ধীর বাড়ির সামনেও।

    শিখ সংগঠনে বিক্ষোভ (Sikh Group Protests)

    জানা গিয়েছে, বিজেপির শিখ সংগঠন প্রকোষ্ঠের সদস্যরা এদিন বিক্ষোভ দেখান।পুলিশ ব্যারিকেড করে তাঁদের আটকায়। এই সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সামান্য ধস্তাধ্বস্তিও হয়। বিজেপি নেতা আরপি সিং বলেন, “রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে। ভারতের মুখে কালি মাখাতে তিনি সব সময় বিদেশের মাটিকে ব্যবহার করেন। ভারতে শিখদের পাগড়ি কিংবা কড়া (বালা) পরতে দেওয়া হবে না বলে তিনি যা বলছেন, তা সর্বৈব মিথ্যে বলছেন।“

    কী বলছেন পুরী

    রাহুলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, তাঁর (রাহুলের) কথার সঙ্গে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুনের দাবি মিল রয়েছে। উনি কি পান্নুনের সঙ্গেও (Sikh Group Protests) দেখা করেছেন, প্রশ্ন পুরীর। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেস আবার জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। পাগড়ি নিয়ে তাঁর মন্তব্যে দেশের শিখদের মধ্যে কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে বিদেশে লুকিয়ে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলির সুবিধা হয়ে গিয়েছে। ওরা সমর্থন করছে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যকে।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে গিয়ে ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ, রাহুলকে নিশানা বিজেপির

    শিখরা ধর্ম কাণ। মাথায় রঙিন পাগড়ি পরেন। পাগড়ি পরে তাঁরা গুরুদ্বারে যেতে পারেন। পঞ্চ ক ধারণ করা শিখ ধর্মে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এহেন শিখ সম্প্রদায়ই নেমেছে অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে। জানা গিয়েছে, রাহুলের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, এদিনের (Sonia Gandhi) সভায় খালিস্তানপন্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং আবার রাহুলের লোকসভার সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share