Tag: Bengali news

Bengali news

  • Champions Trophy: “ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়”, বলছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারই!

    Champions Trophy: “ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়”, বলছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালে পাকিস্তানে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ভারত এই ট্রফিতে যোগ দেবে কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এমতাবস্থায় পাক ক্রিকেট বোর্ডকে হাইব্রিড মডেলে খেলার প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তানেরই এক প্রাক্তন ক্রিকেটার (ExPakistan Star)। ২০১৩ সাল থেকে বন্ধ হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট খেলা। তবে ২০২৩ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ খেলতে ভারত সফরে এসেছিল পাকিস্তানের ক্রিকেট দল। তবে আগামী বছরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত যোগ দেবে কিনা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

    হাইব্রিড মডেলের প্রস্তাব (Champions Trophy)

    ভারত যদি ওই ট্রফিতে যোগ দেয়, তবে তাদের খেলতে হবে লাহোরে। জায়গাটি সীমান্তের কাছাকাছি। জানা গিয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিসিসিআই টিম ইন্ডিয়াকে পাকিস্তানে পাঠাতে রাজি নয়। তার বদলে গত বছর এশিয়া কাপে যে হাইব্রিড মডেল ব্যবহৃত হয়েছিল, তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই মডেল অনুযায়ী, কিছু ম্যাচ পাকিস্তানে আয়োজন করা হবে। ভারতের ম্যাচগুলো হবে দুবাইয়ের মতো নিরপেক্ষ কোনও ভেন্যুতে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন সে দেশের স্পিনার দানিশ কানেরিয়া।

    পাকিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

    পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর পরামর্শ মেনে নিলে পাকিস্তান সফরে না গিয়েও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নিতে পারবে টিম ইন্ডিয়া। পাক ক্রিকেট বোর্ডকে তিনি এই অনুরোধও করেছেন, যে কোনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে সম্ভাব্য প্রভাব এবং আইসিসির সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। কানেরিয়া (Champions Trophy) বলেন, “পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমি বলতে পারি, ভারতীয় দলের পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়। পাকিস্তানেরও উচিত বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা। তারপর আইসিসি সিদ্ধান্ত নেবে। সম্ভবত, এটি একটি হাইব্রিড মডেল হবে। খেলা (Champions Trophy) হবে দুবাইতে।” তিনি বলেন, “খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দ্বিতীয় অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সম্মান। এছাড়া আরও অনেক কিছু রয়েছে। আমি মনে করি, বিসিসিআই একটি দুর্দান্ত কাজ করছে। সব দেশ মিলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেই মনে হয়। আমার মনে হয়, এটা একটা হাইব্রিড মডেল হবে।”

    আরও পড়ুন: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে টিম ইন্ডিয়ায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের কেউই পাকিস্তানে খেলেননি। তবে ওয়ানাডে দলে থাকা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা এবং রবীন্দ্র জাদেজা পাকিস্তানের (ExPakistan Star) বিরুদ্ধে খেলেছিলেন ২০১২-১৩ সালে (Champions Trophy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    Bangladesh Crisis: হিন্দু-নির্যাতনের নয়া ভিডিও ভাইরাল, মৌলবীর কীর্তিতে অবাক দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমানবিকতা চূড়ান্ত নিদর্শন! অকুস্থল সেই বাংলাদেশ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) ছিছিক্কার হিন্দু সমাজে। বন্যায় ভাসছে বাংলাদেশের একটা বড় অংশ। এমনই এক বানভাসি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে এক মৌলবী। হাঁটু জলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক হিন্দু বালক। তার গলা থেকে পৈতের সুতো কেটে ফেলে দিল সেই মৌলবী (Bangladesh Crisis)। তার পরেই দেওয়া হল ত্রাণসামগ্রী। বাংলাদেশের নোয়াখালি এলাকার ভিডিও। অবশ্য ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম

    মৌলবীর কীর্তি (Bangladesh Crisis)

    হিন্দুর ছেলে পৈতে ছিঁড়ে দিলেও, মৌলবীর মাথায় রয়েছে টুপি, দাড়িও। তার সঙ্গে আরও দুই তরুণকে দেখা যাচ্ছে। বালকটির কাছে এসে তারা দাঁড়াল। এর পরেই মৌলবী তার পৈতে ছিঁড়ে দিল। তার সঙ্গী যুবক হাতে ধরিয়ে দিল প্লাস্টিকের ব্যাগে থাকা ত্রাণসামগ্রী। ত্রাণসামগ্রী হাতে নিয়ে বালকটি মৌলবীকে বলছে, তার পৈতে ফিরিয়ে দিতে। অন্য এক যুবককে বলতে শোনা যায়, ছেলেটি যদি ফের পৈতে পরে, তাহলে সে মন্দ ভাগ্যের শিকার হবে। তার জীবনে নেমে আসবে অভিশাপ। মৌলবীর সঙ্গী অন্য যুবকটি আবার বালকটিকে হুমকি দিচ্ছি, পৈতে ফেরত চাইলে সে ত্রাণসামগ্রী পাবে না। ওই দুই (Bangladesh Crisis) যুবক তাকে ক্যামেরার দিকে তাকাতে বলে। পরে গুডবাই জানিয়ে চলে যায়। যাওয়ার আগে বলে যায়, “যাও, যাও আশা করি তুমি সুখী, এবার গুডবাই বলো।”

    হিন্দুমেধ যজ্ঞ

    সংরক্ষণকে ঘিরে অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারই আঁচ এসে লাগে সে দেশের হিন্দুদের গায়ে। নৃশংসভাবে খুন করা হয় ৬৫০-এরও বেশি হিন্দুকে। জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হিন্দু মহিলাদের। ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে সে দেশের সংখ্যাগুরুদের বিরুদ্ধে। মুসলমান দুষ্কৃতীরা ভাঙচুর করেছে হিন্দুদের মন্দির। ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর হিন্দুদের ওপর অত্যাচার আরও চরমে ওঠে। এর অন্যতম প্রধান একটা কারণ হল, বাংলাদেশি হিন্দুরা হাসিনার দল আওয়ামি লিগের সমর্থক। হিন্দু বিতাড়নও আর একটা কারণ। হিন্দুদের তাড়িয়ে বাংলাদেশকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় মৌলবাদীরা (Viral Video)। তার জেরেই বাংলাদেশে হয়েছে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis)।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: লাইনে মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ, রাজস্থানে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ট্রেন, নাশকতার ছক?

    Train Accident: লাইনে মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ, রাজস্থানে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ট্রেন, নাশকতার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকো পাইলটের তৎপরতায় বড়সড় রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) এড়ানো সম্ভব হল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের (Rajasthan) বারান জেলায়। কী কারণে রেলওয়ে ট্র্যাকে দুর্ঘটনা ঘটার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা রেলের আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। আরপিএফের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পরই মামলা রুজু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Train Accident)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ২৯ অগাস্ট রাতে। রাজস্থানের (Rajasthan) ছাবড়া এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে রেলওয়ে ট্র্যাকে কে বা কারা বাইকের স্ক্র্যাপ রেখেছিল। রাজস্থানের কোটা-বিনা রেললাইনের ট্র্যাক দিয়ে যাওয়া একটি পণ্যবাহী ট্রেনের লাইনে থাকা একটি মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ট্রেনের লোকো পাইলট বিনোদ মীনা জরুরি ব্রেক কষায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে, অসাবধানতবশত এই ঘটনা ঘটেছে, না এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা আরপিএফের পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    আরপিএফের আধিকারিক কী বললেন?

    আরপিএফ কমান্ড্যান্ট এ নবীন কুমার বলেন, কোটা-বিনা রেললাইনে ট্রেনের লোকো পাইলট ছাবরা (Rajasthan) এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে ট্র্যাকের ওপর মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপটি দেখতে পান। কে বা কারা  রেললাইনের ওপর একটি মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ রেখে কাদা দিয়ে ঢেকে দেয়। একটি পণ্যবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় লোকো পাইলট বিনোদ মীনা বুদ্ধিমানের সঙ্গে জরুরি ব্রেক করে ট্রেনটি থামিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে আইন ১৯৮৯ -এর ১৪৭, ১৫৩, ১৭৪ ধারায় সিআর নম্বর ২৮৪/২০২৪-এর অধীনে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জিআরপি এবং স্থানীয় পুলিশ এবং রেলওয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ট্র্যাকে যে মোটরসাইকেলের স্ক্র্যাপ পাওয়া গিয়েছে, চেসিস নম্বরের ভিত্তিতে তার মালিককেও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। পালিতেও একই রকম ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দুর্বৃত্তরা বন্দে ভারত ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য রেলপথে কংক্রিট ব্লক রেখেছিল।

    পাকিস্তানি জঙ্গির ভিডিও ঘিরে শোরগোল!

    সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দেশে ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে ট্রেন লাইনচ্যুত করার একাধিক নাশকতা ঘটানোর চেষ্টার খবর পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতের প্রধান শহরগুলিতে বড় আকারের ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য জিহাদিদের প্ররোচিত করছে বলে অভিযোগ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ট্রেন লাইনচ্যুত (Train Accident) হওয়ার ঘটনা পর্যালোচনা করছে যা সাম্প্রতিক অতীতে পাকিস্তানি জঙ্গি ফারহাতুল্লাহ ঘোরির একটি ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের পর ঘটেছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তানি জঙ্গি টেলিগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যা তার সমর্থকদের বড় আকারে চালাতে প্ররোচিত করেছে। দিল্লি, মুম্বই এবং অন্যান্য স্থানে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। জিহাদিদের রেললাইন এবং তাদের পরিবহণ ব্যবস্থায় বাধা দেওয়ার জন্য উস্কানি দিয়ে ঘোরি বলেছিলেন যে এটি ভারতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। গোয়েন্দা সংস্থার মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় জঙ্গি নিয়োগকারী বলেছেন, “সরকার ইডি এবং এনআইএ-এর মাধ্যমে আমাদের সম্পত্তিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করছে, তবে আমরা অবিচল থাকব এবং শীঘ্রই বা পরে ক্ষমতা দখল করব।”

    ভারতে সন্ত্রাসী হামলায় যুক্ত

    তিন সপ্তাহ আগে পোস্ট করা তিন মিনিটের ভিডিওতে ঘোরি মুজাহিদিনদেরকে হিন্দু নেতা ও পুলিশের বিরুদ্ধে “ইশতিশাদি জঙ্গ” বা “ফিদায়েন যুদ্ধ” শুরু করতে বলেছিলেন।” গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ভিডিওটি এক-দু সপ্তাহ ধরে প্রচারিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, ফারহাতুল্লাহ ঘোরিকে ২০২০ সালে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলায় তিনি যুক্ত রয়েছেন। ২০০৪ সালে হায়দরাবাদে টাস্কফোর্স অফিসে আত্মঘাতী হামলার ঘটনা এবং ২০২৩ সালে রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ মামলায় যুক্ত রয়েছে ঘোরি।

    ভারতে ট্রেনে নাশকতার চেষ্টার ঘটনা বাড়ছে!

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭ অগাস্ট রাতে কানপুরের গোবিন্দপুরী স্টেশনের কাছে সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এর পরেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, রেলপথে একটি বস্তু রাখায় ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে। পরে জানা যায় দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটাতে রেললাইনের একটি ভাঙা টুকরো রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি, কাচ্ছপুরা স্টেশনের কাছে ট্র্যাকে রাখা লোহার রডের সঙ্গে নৈনপুর-জব্বলপুর ট্রেনের ইঞ্জিনটির সংঘর্ষের পরে সন্দেহজনক নাশকতার একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। ২২ অগাস্ট আলিগড়ে একটি চলন্ত ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে রেলওয়ে ট্র্যাকে একটি অ্যালয় হুইল রাখা হয়েছিল। ২৩ অগাস্ট রাতে কাসগঞ্জ ও ফররুখাবাদের মধ্যে চলাচলকারী ফারুখাবাদ এক্সপ্রেস রেলওয়ে ট্র্যাকে রাখা একটি কাঠের সংস্পর্শে এসে বড় দুর্ঘটনা এড়াল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনটি হঠাৎ ঝাঁকুনি দেয়, লোকো পাইলট জরুরি ব্রেক কষে ট্রেন থামান। পরে জানা যায় কাঠের একটি অংশ ট্রেনের ইঞ্জিনে আটকে যায়। যদিও এই ঘটনায় স্থানীয় এক কৃষক নেতার ছেলেসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে, গত বছরের অক্টোবরে একটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছিল। কারণ উদয়পুর-জয়পুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টায় রেল লাইনে পাথর এবং রড রাখা হয়েছিল। এই মাসের শুরুতে, গুলজার শেখ নামে একজন ইউটিউবারকে কনটেন্ট তৈরির নামে সাইকেল, সাবান, পাথর এবং আরও অনেক কিছু সহ রেলপথে বিভিন্ন জিনিস রাখার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

    Jharkhand: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন, ঝাড়খণ্ডে ঘর ভাঙছে শাসকের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই ভাঙন ধরছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) শাসক শিবিরে। এ রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত সোরেন। শিবু সোরেনের এই ছেলের সঙ্গেই মনোমালিন্যের জেরেই শিবুর দল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। এবার আরও এক প্রবীণ উপজাতি নেতা শিবির বদলে নাম লেখালেন গেরুয়া খাতায়। তাঁর নাম লবিন হেমব্রম।

    ঘর ভাঙছে শাসকের!

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই বহিষ্কৃত নেতা শনিবার যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচিতে গিয়ে লবিন হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে রাজমহল কেন্দ্রে তিনি জেএমএম-এর প্রার্থী বিজয় হাঁসদার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন নির্দল হিসেবে। গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়ে তিনি বলেন, “গুরুজির (জেএমএম সুপ্রিমো শিবু সোরেন) আদর্শ থেকে সরে এসেছে জেএমএম। দলে এখন প্রবীণ নেতাদের সম্মান নেই। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ঝাড়খণ্ডের উন্নয়ন ও আদিবাসীদের উন্নতির জন্য আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    কী বললেন লবিন

    তিনি বলেন, “ঝাড়খণ্ডের উন্নয়নে আমি কাজ করব। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রুখব। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উপজাতি অধ্যুষিত গ্রামগুলো উধাও হয়ে যাচ্ছে। ঝাড়খণ্ডে উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ বিপন্ন। উপজাতি সম্প্রদায়ের মানুষকে বাঁচাতে হলে আমাদের বিজেপির সঙ্গে থাকতে হবে (Jharkhand)।” তিনি বলেন, “একমাত্র বিজেপিই এই ইস্যুটি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে। তাই আমি বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপর আমার ভরসা রয়েছে। আমি এখন বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সঙ্গে রয়েছি। আগে আমি একটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে ছিলাম। জয় শ্রীরাম।”

    আরও পড়ুন: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    সাঁওতালদের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে হেমব্রমের। তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় বিজেপির পায়ের নীচের মাটি শক্ত হল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। হেমব্রমের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন। বিজেপির প্রবীণ নেতাদের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দেন তিনি। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এই দুজনই রয়েছেন ঝাড়খণ্ডের নির্বাচনের দায়িত্বে।

    চম্পাইয়ের (Champai Soren) পর লবিন, এবার বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড তাহলে পদ্মময় (Jharkhand)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kangana Ranaut: কঙ্গনা রানাউতকে অপমান, আকাশ ব্যানার্জির, নেপথ্যে কে?

    Kangana Ranaut: কঙ্গনা রানাউতকে অপমান, আকাশ ব্যানার্জির, নেপথ্যে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউতকে (Kangana Ranaut) কটাক্ষ ইউটিউবার আকাশ ব্যানার্জির (akash banerjee)। যা নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। গত ২৮ অগাস্ট তিনি কঙ্গনার পুরানো একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন। এই ভিডিওয় কঙ্গনাকে একটা পার্টিতে নাচতে দেখা যাচ্ছে। এই ছবিই পোস্ট করে নারী বিদ্বেষী মনোভাব ব্যক্ত করেন আকাশ। প্রশ্ন করেন, কঙ্গনা যে নাচ নাচছেন, তার নাম কী?

    আগেও খবর হয়েছেন ইউটিউবার আকাশ (Kangana Ranaut)

    কিছুদিন আগেই বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন এই ইউটিউবার। তামাম বিশ্ব যখন দেখছে, বাংলাদেশে কার্যত হিন্দু নিধন যজ্ঞ হচ্ছে, তখন আকাশ সে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংসতাকে হোয়াইট ওয়াশ করতে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। এহেন এক ইউটিউবার ফের চলে এসেছেন খবরে। এবার অবশ্য বিদেশ নয়, স্বদেশের এক সাংসদকে অপমান করে।

    কঙ্গনাকে ‘অপমান’

    আকাশের গুণপনার শেষ এখানেই নয়। কঙ্গনার বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত একটি পুরানো ভিডিও শেয়ার করে এই ইউটিউবার অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। ভিডিওয় কঙ্গনাকে মজার মুডে দেখা যাচ্ছে। কঙ্গনা ‘চাবুক মারা’ নিয়ে মন্তব্য করে দলে তিরস্কৃত হয়েছিলেন। সেটাকেই হাতিয়ার করে আকাশ বলেন, “কঙ্গনা ফান পার্টিতে চাবুক খাওয়ার পর এখন নিজের রাজনৈতিক পার্টির কাছ থেকে চাবুক খাচ্ছেন।” এর পরেই এই ইউটিউবার হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখেন, “কঙ্গনা রানাউতের জার্নিটা খুব এক্সাইটিং।”

    এই প্রথম নয়, এর আগেও কঙ্গনা হিংসা এবং যৌন নির্যাতনের হুমকি পেয়েছেন। আকাশের মতো লোকজন তাঁর চরিত্রে কালি ছেটানোর চেষ্টা করেছেন আগেও। অনলাইনেও তাঁকে হেনস্থা করা হয়েছে বহুবার। আকাশের পোস্টের পর একলপ্তে সেই ঘটনা বেড়ে গিয়েছে বহুগুণ। ঘটছে অভিনেত্রীকে (Kangana Ranaut) অপমানের ঘটনাও।

    আরও পড়ুন: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    ঘটনাচক্রে ভারতের মার্কিন দূতাবাস আকাশের মতো একজন নারী বিদ্বেষীকে সামাজিক পরিবর্তনের ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে বেছে নিয়েছে। ভারতীয় যুব সমাজ কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তিকে কাজে লাগাবে, কীভাবেই বা সক্রিয় নাগরিক হবে, তা শেখাবেন তিনি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আকাশের মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা কখনওই সক্রিয় নাগরিকত্ব কিংবা ‘মিনিংফুল চেঞ্জে’র ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে পারেন না। বরং তাঁরা কেবল নারীদের (Kangana Ranaut) বিরুদ্ধে অসন্তোষজনক সত্য প্রকাশ করে কীভাবে নারী বিদ্বেষী হওয়া যায় এবং এটা একটা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়, সেই শিক্ষা দিতে পারে (akash banerjee)। এ ব্যাপারে অবশ্য মার্কিন দূতাবাসের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 01 September 2024: কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 September 2024: কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সংসারে খুব সংযত থাকতে হবে।

    ২) সন্তানদের নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    ২) দায়িত্ব পালন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি হতে পারে। 

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) প্রতিবেশীর ঝামেলায় বেশি কথা না বলাই শ্রেয়।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে না এগোনোই ভালোে হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) কুচক্রে পড়ে নিজের ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বায়ুপথে ভ্রমণ হতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) কোনও যন্ত্র খারাপ হওয়ায় প্রচুর খরচ হতে পারে।

    ২) কর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হতে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ বাড়তে পারে।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) ধর্মীয় স্থানে দান করায় শান্তিলাভ।

    ২) কাজের জন্য বাড়ির কেউ বাইরে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) বক্তা হিসাবে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) পড়াশোনার খুব ভালো সুযোগ আসতে পারে।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) কোনও ভুল কাজ করার জন্য শান্তি পাবেন না।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চললেও পরে জটিলতা আসতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ২) নিজের চিকিৎসায় বহু অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মক্ষেত্রে বৈরী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো।

    ২) মামলায় জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    Midnapore Medical College: মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করা হতো! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজ্য সহ গোটাদেশ এখন তোলপাড়। সর্বত্র একটাই আওয়াজ উঠছে, অবিলম্বে দোষীর শাস্তি চাই। ঠিক এর মধ্যেই এবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। মূল অভিযুক্ত টিএমসিপি (TMC student leader) ইউনিটের প্রভাবশালী নেতা মুস্তাফিজুর রহমান এবং তার অনুগামীরা। ইতিমধ্যে হবু চিকিৎসকরা আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁদের দাবি একটাই, বহিষ্কার করতে হবে এই টিএমসিপি নেতাকে।

    প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি (Midnapore Medical College)

    মেডিক্যাল কলেজের (Midnapore Medical College) জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, এই তৃণমূল ছাত্রনেতা মুস্তাফিজুর রহমান (TMC student leader) মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের আইটেম গানে নাচ করতে বাধ্য করত। বেছে বেছে সুন্দরী পড়ুয়াদের নাচ করতে বলা হতো। এর প্রভাব এতটাই যে কলেজে পাশ কে করবে, আর ফেল কে করবে, তাও ঠিক করত এই অভিযুক্ত। প্রতিবাদ করলেই প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হতো। আবার ওই তৃণমূল ছাত্রনেতা আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ। তাদের একাধিক ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার থেকে অভিযুক্ত মুস্তাফিজুরকে কলেজে আসতে বারণ করা হয়েছে। পড়ুয়াদের দাবি অভিযুক্তকে অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে। ইতিমধ্যে কলেজের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের বিষয় নিয়ে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    মুখ খুলতে সাহস দেখান না কেউ!

    সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যালের (Midnapore Medical College) ছাত্রনেতা (TMC student leader) মুস্তাফিজুর রহমান এতটাই প্রভাবশালী যে কলেজের চিকিৎসকেরাও মুখ খুলতে সাহস দেখান না। এই বিষয় নিয়ে কলেজের প্রিন্সিপাল মৌসুমি নন্দীও কিছু বলতে চাননি। হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক বিভাগের প্রধান তারাপদ ঘোষ, অভিযুক্ত এই তৃণমূল ছাত্র নেতার কলেজে আসার নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে স্বীকার করেছেন।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    Rashtrapati Award: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন শ্যামনগর শালবাগান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি পুরস্কার (Rashtrapati Award) পেতে চলেছেন শ্যামনগর শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার মারিক। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জাতীয় শিক্ষক হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন তিনি। তাঁর বাড়ি ইছাপুর বিধানপল্লি এলাকায়। তাঁর এই পুরস্কার পাওয়ার খবর জানাজানি হতেই খুশির হাওয়া গোটা এলাকায়।

    প্রধান শিক্ষককে সংবর্ধনা (Rashtrapati Award)

    শিক্ষক দিবসে (Teachers Day) প্রতি বছরেই কেন্দ্রের তরফে দেশের সেরা শিক্ষকদের পুরস্কৃত (Rashtrapati Award) করা হয়। এ বছর জাতীয় শিক্ষক সম্মানের জন্য সারা দেশ থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেছে নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বিশেষ শিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের জন্য সম্মানিত করেন রাষ্ট্রপতি। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবছর দেশের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে শ্যামনগরের শালবাগান জিএসএফপি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বেছে নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০ বছর ধরে তিনি শিক্ষকতা করছেন। শালবাগান জিএসএফপি স্কুলে তিনি ১১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাবার খবরে খুশির জোয়ার গোটা শ্যামনগর জুড়ে। শুক্রবার বেলায় জাতীয় শিক্ষককে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন ভাটপাড়া পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্মৃতি ধর ও তাঁর স্বামী রতন ধর-সহ বিশিষ্ট জনেরা। স্কুল পড়ুয়া এবং অন্যান্য শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    প্রধান শিক্ষকের জন্য গর্বিত সহকর্মীরা

    শ্যামনগর (Shyamnagar) শালবাগান জিএসএফপি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সহকর্মীরা বলেন, প্রশান্তবাবুর মতো শিক্ষকের অনেক আগেই এই পুরস্কার পাওয়ার দরকার ছিল। তাঁর মতো শিক্ষক সকলের কাছে আদর্শের। শুধু পড়াশুনা করানো নয়, প্রকৃত মানুষ হওয়ার শিক্ষা তিনি দেন। তাঁর মতো শিক্ষকের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে আমরা চরম খুশি। তিনি শুধু স্কুলের নয়, গোটা এলাকার মানুষের কাছে গর্বের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 119: “শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত…শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ”

    Ramakrishna 119: “শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত…শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ”

    শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অন্যান্য ভক্তের প্রতি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ উপদেশ

    প্রথম অধ্যায়

    ন জায়তে ম্রিয়তে বা কদাচিন্নায়ং ভূত্বাঽভবিতা বা ন ভূয়ঃ ৷
    অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে ॥
                                                                                    (গীতা— ২।২০)

    মুক্তপুরুষের শরীরত্যাগ কি আত্মহত্যা?

    দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিতে আসিয়াছেন। সঙ্গে তিন-চারটি ব্রাহ্মভক্ত। ২৯শে অগ্রহায়ণ, শুক্লা চতুর্থী তিথি। বৃহস্পতিবার, ইংরেজী ১৪ ডিসেম্বর ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দ। পরমহংসদেবের পরমভক্ত শ্রীযুক্ত বলরামের সহিত ইঁহারা নৌকা করিয়া কলিকাতা হইতে আসিয়াছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ মধ্যাহ্নকালে সবে মাত্র একটু বিশ্রাম করিতেছেন। রবিবারেই বেশি লোক সমাগম হয়। যে-সকল ভক্তেরা একান্তে তাঁহার সহিত কথোপকথন (Kathamrita) করিতে চান, তাঁহারা প্রায় অন্য দিনেই আসেন।

    পরমহংসদেব (Ramakrishna) তক্তপোশের উপর উপবিষ্ট। বিজয়, বলরাম, মাস্টার ও অন্যান্য ভক্তেরা পশ্চিমাস্য হইয়া, তাঁহার দিকে মুখ করিয়া কেহ মাদুরের উপর। কেহ শুধু মেঝের উপর বসিয়া আছেন। ঘরের পশ্চিমদিকের দ্বারমধ্য দিয়া ভাগীরথী দেখা যাইতেছিল। শীতকালের স্থিরা স্বচ্ছলসলিলা ভাগীরথী। দ্বারের পরই পশ্চিমের অর্ধমণ্ডলাকার বারান্দা, তৎপরেই পুষ্পোদ্যান, তারপর পোস্তা। পোস্তার পশ্চিমগায়ে পুণ্যসলিলা কলুষহারিণী গঙ্গা, যেন ঈশ্বর মন্দিরের পাদমূল আনন্দে ধৌত করিতে করিতে যাইতেছিলেন।

    শীতকাল, তাই সকলের গায়ে গরম কাপড়। বিজয় শূলবেদনায় দারুণ যন্ত্রণা পান; তাই সঙ্গে শিশি করিয়া ঔষধ আনিয়াছেন—ঔষধ সেবনের সময় হইলে খাইবেন। বিজয় এখন সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের একজন বেতনভোগী আচার্য। সমাজের বেদীর উপর বসিয়া তাঁহাকে উপদেশ দিতে হয়। তবে এখন সমাজের সহিত নানা বিষয়ে মতভেদ হইতেছে। কর্ম স্বীকার করিয়াছেন, কি করেন, স্বাধীনভাবে কথাবার্তা (Kathamrita) বা কার্য করিতে পারেন না। বিজয় অতি পবিত্র বংশে—অদ্বৈত গোস্বামীর বংশে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন। অদ্বৈত গোস্বামী জ্ঞানী ছিলেন—নিরাকার পরব্রহ্মের চিন্তা করিতেন, আবার ভক্তির পরাকাষ্ঠা দেখাইয়া গিয়াছেন! তিনি ভগবান চৈতন্যদেবের একজন প্রধান পার্ষদ—হরিপ্রেমে মাতোয়ারা হইয়া নৃত্য করিতে করিতে পরিধানবস্ত্র খসিয়া যাইত। বিজয়ও ব্রাহ্মসমাজে আসিয়াছেন—নিরাকার পরব্রহ্মের চিন্তা করেন; কিন্তু মহাভক্ত পূর্বপুরুষ শ্রীঅদ্বৈতের শোণিত ধমনী মধ্যে প্রবাহিত হইতেছিল, শরীর মধ্যস্থিত হরিপ্রেমের বীজ এখন প্রকাশোন্মুখ—কেবল কাল প্রতীক্ষা করিতেছে! তাই তিনি ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) দেবদুর্লভ হরিপ্রেমে “গরগর মতোয়ারা” অবস্থা দেখিয়া মুগ্ধ হইয়াছেন। মন্ত্রমুগ্ধ সর্প যেমন ফণা ধরিয়া সাপুড়ের কাছে বসিয়া থাকে, বিজয়ও পরমহংসদেবের শ্রীমুখনিঃসৃত ভাগবত শুনিতে শুনিতে (Kathamrita) মুগ্ধ হইয়া তাঁহার নিকটে বসিয়া থাকেন। আবার যখন তিনি হরিপ্রেমে বালকের ন্যায় নৃত্য করিতে থাকেন, বিজয়ও তাঁহার সঙ্গে নৃত্য করিতে থাকেন।

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share