Tag: Bengali news

Bengali news

  • Weather Update: শুক্রবার থেকে আচমকা বদলাবে আবহাওয়া, নিম্নচাপে ফের বঙ্গে দুর্যোগের আশঙ্কা

    Weather Update: শুক্রবার থেকে আচমকা বদলাবে আবহাওয়া, নিম্নচাপে ফের বঙ্গে দুর্যোগের আশঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির দাপট কমে রাজ্যের আবহাওয়া (Weather Update) কিছুটা ঝরঝরে হয়েছিল। কিন্তু, সেটাও বেশিদিন আর স্থায়ী হল না। নতুন করে নিম্নচাপের জেরে আবার বৃষ্টির সতর্কতা রাজ্যে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিনভর রোদ-মেঘের খেলা চলেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার থেকেই ফের আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে। শনি ও রবিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। তবে এই নিম্নচাপে বাংলায় ভারী দুর্যোগের আশঙ্কা নেই বলেই ইঙ্গিত হাওয়া অফিসের। নিম্নচাপে অতি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশায়। গুজরাট লাগোয়া আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

    মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে মানা (Weather Update)

    আলিপুর (Kolkata) আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ২৯ অগাস্ট উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে নতুন করে নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপটি তৈরি হবে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায়। এটি ক্রমশ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। শনিবারের মধ্যে এটি দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধপ্রদেশ উপকূলে এগোবে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের ওপর থাকা সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এই মুহূর্তে মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ক্রমশ শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। মৌসুমী অক্ষরেখা সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ এলাকায় অতি গভীর নিম্নচাপ থেকে রাতলাম, দামহো, সিদ্ধি, চুর্ক, দিঘা হয়ে দক্ষিণ পূর্ব দিকে এগিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তাও দেওয়া আছে। ২৯ অগাস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যের মধ্যে মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্র ও শনিবার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে মানা। সমুদ্র উত্তাল হবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া সমুদ্রে।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    কোথায় কোথায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?

    দক্ষিণবঙ্গে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার কিছুটা কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। তবে, বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি দু-এক পশলা চলবে। হাওয়া (Weather Update) অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেল, বিশেষ করে শনিবার থেকে ফের বৃষ্টি বাড়বে। শনি ও রবিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে বেশ কয়েকটি জেলায়। ঝাড়গ্রাম, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা সব জেলাতেই থাকবে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং,কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা একাধিক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করে নির্যাতিতার দেহ ঢাকার চাদর বদল! প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে?

    RG Kar Incident: আরজি করে নির্যাতিতার দেহ ঢাকার চাদর বদল! প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে (RG Kar Incident) বার বার তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছিল। নির্যাতিতার বাবা-মা থেকে শুরু করে আন্দোলনকারী সকলেই এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এবার সেই অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠায় আরও বেশ একটা সুদৃঢ় প্রমাণ সামনে এসেছে। সেমিনার রুমের নীল রঙের একটা ম্যাট্রেসের ওপর পড়ে নির্যাতিতার দেহ। কিন্তু, তাঁর শরীরের ওপর কী রঙের চাদর ছিল? চাদরের রঙ বদলেছে বারবার। অন্ততপক্ষে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের দেওয়া বয়ান ও জুনিয়র চিকিৎসকদের দেওয়া বয়ানে চাদরের রঙে পার্থক্য রয়েছে। যা নিয়ে নতুন করে রহস্য তৈরি হয়েছে।

    চাদর রহস্য! (RG Kar Incident)

    আরজি করের জুনিয়ার ডাক্তারদের বয়ান অনুযায়ী, নীল রঙের ম্যাট্রেসের ওপর নির্যাতিতার (RG Kar Incident) শরীরে ছিল নীল রঙের চাদর। সেমিনার রুমের একটি ছবি পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসে। সেখানেও দেখা যায় নীল রঙের চাদর। কিন্তু, যখন বাবা-মা তাঁদের মেয়ের দেহ দেখতে পান, বদলে গিয়েছিল চাদরের রঙ! বাবা-মায়ের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী, চাদরের রঙ ছিল সবুজ। হাসপাতাল (Hospital) থেকে ফোন পাওয়ার পর ১২টা ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু, মেয়েকে দেখতে পেয়েছিলেন দুপুর সাড়ে তিনটেয়। প্রশ্ন হল, তাহলে মাঝের সময়ে চাদর কি কেউ বদলে দিল?

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    মেয়ের দেহ সরিয়েছে!

    নির্যাতিতার (RG Kar Incident) বাবা বলেন, “আমরা যখন মেয়েকে দেখতে পাই। মেয়ে বেডের ওপর শুয়ে ছিল। পা দুটো ছড়ানো ছিল।  মেয়ের শরীরে সবুজ চাদর ছিল। কিন্তু, ছবিতে দেখছি নীল চাদর।” কেবল চাদরের রঙ নয়, মৃতদেহের অবস্থানও দুক্ষেত্রে দু’রকম। নির্যাতিতার বাবা বলেন, “পাগুলো ছড়ানো ছিল। দুটো পা গদির ওপরে ছিল। কিন্তু, ছবিতে দেখছি একটা পা ম্যাট্রেসের বাইরে ডায়াসের ওপর রয়েছে। নিশ্চয়ই আমার মেয়ের দেহ কেউ সরিয়েছে।”

    সন্দীপকে গ্রেফতারের দাবি

    বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে ফের সন্দীপ ঘোষকে তলব করা হয়েছে সিজিওতে। পলিগ্রাফ টেস্ট হয়ে গিয়েছে সন্দীপের। ওই তরুণী চিকিৎসকের (RG Kar Incident) মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছিল। তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছে। মৃত চিকিৎসকের বাবা-মা প্রশ্ন তুলছেন একজন বাদে কেন আর কেউ গ্রেফতার হল না। সূত্রের খবর সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে কোনও শক্তপোক্ত প্রমাণ হাতে আসেনি সিবিআইয়ের (CBI)। ধৃত সঞ্জয় রায় একমাত্র দোষী নাকি ওই মৃত্যুর ঘটনার পিছনে আরও কেউ রয়েছে সেটাই এখন বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমারও প্রশ্ন, এখনও কেন সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়নি? আমরা যেখানেই যাচ্ছি সেখানেই এই প্রশ্নটা হচ্ছে, কেন সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। আসলে এই প্রশ্ন উত্তর আমার কাছে নেই। এর উত্তর সিবিআই ও আদালতের কাছে রয়েছে। তবে শুধু সন্দীপ ঘোষ নয়, টালা থানার আইসি, পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সহ যাঁরা যাঁরা ওখানে ছিলেন তাঁদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 30 August 2024: কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 30 August 2024: কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পড়াশোনার জন্য বিদেশযাত্রা হতে পারে।

    ২) গৃহনির্মাণের সুযোগ হাতছাড়া না করাই ভালো হবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) চাকরির স্থানে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) ভালো যুক্তির জন্য তর্কে জিততে পারেন। 

    ৩) আশাপূরণ।

    মিথুন

    ১) বাইরে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে কথা রাখার চেষ্টা করুন।

    ৩) ভালোই কাটবে সারাদিন।

    কর্কট

    ১) সংসারের দায়িত্ব দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    ২) বাড়িতে মনোমালিন্য হতে পারে। 

    ৩) প্রতিকূলভাবে কাটবে দিনটি।

    সিংহ

    ১) পিতার সঙ্গে মতান্তর হতে পারে।

    ২) দরকারি কাজ দ্রুত মেটান।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    কন্যা

    ১) হঠাৎ করে কোনও চাকরির যোগ আসতে পারে।

    ২) গুরুজনদের পরামর্শে ব্যবসায় অগ্রগতির আশা রাখতে পারেন। 

    ৩) অপ্রত্যাশিত লাভ।

    তুলা

    ১) সাবধান থাকতে হবে, শরীরে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) গৃহনির্মাণের জন্য অর্থব্যয় হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    বৃশ্চিক

    ১) অভিভাবকদের পরামর্শ আপনার জন্য কার্যকর হবে।

    ২) অন্য কেউ পরামর্শ দিলে তা না নেওয়াই শ্রেয়।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) উচ্চশিক্ষার যে কোনও কাজ সফল হবে।

    ২) কোনও বন্ধুর সৌজন্যে কর্মে জটিলতা কেটে যেতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    মকর

    ১) প্রতিবেশীদের হিংসার কারণে কাজে বাধা পড়তে পারে।

    ২) প্রতিযোগিতামূলক কাজে এগিয়ে যেতে পারেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) পারিবারিক শান্তি বজায় থাকবে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    মীন

    ১) শত্রুর সঙ্গে আপস করতে হতে পারে।

    ২) শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: দেহ লোপাটেও যুক্ত সন্দীপ ঘোষ? আরজি করের মর্গে গিয়ে তদন্ত সিবিআই-এর

    CBI: দেহ লোপাটেও যুক্ত সন্দীপ ঘোষ? আরজি করের মর্গে গিয়ে তদন্ত সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। ইতিমধ্যেই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষসহ একাধিক জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল আরজি কর হাসপাতালে পৌঁছন। তার পরেই সোজা চলে যান মৃতদেহ সংরক্ষণের বিভাগে। সেখানে তাঁদের নানা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে এবং ওই বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। এর আগে বেশ কয়েক বার আরজি করের ঘটনার তদন্তে জরুরি বিভাগের ভবনটিতে এসে অনুসন্ধান করতে দেখা গিয়েছে সিবিআইকে।

    কেন মর্গে সিবিআই? (CBI)

    আরজি করের মর্গ থেকে মৃতদেহ লোপাটের মতো ভয়ঙ্কর অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, সেই অভিযোগের তদন্তেই এদিন হাসপাতালের মর্গে পৌঁছে যায় সিবিআই (CBI)। আরজি কর হাসপাতালের মর্গের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন গোয়েন্দারা। এছাড়া অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন ‘সন্দীপ ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত আরজি করের ফরন্সিকের শিক্ষক দেবাশিস সোমও। উল্লেখ্য, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে দেহ পরীক্ষার কাজে যুক্ত থাকতেন তিনিও। ওই মামলার সূত্রে সন্দীপের পাশাপাশি সিজিও এবং নিজাম প্যালেসে ডেকে একাধিক বার জেরা করা হয়েছে দেবাশিসকেও। এ বার আরজি করের মর্গেও গেল সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, মর্গের বিভিন্ন তথ্য এবং নথিপত্র যাচাই করতেই বৃহস্পতিবার আরজি করের মর্গে গিয়েছে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    সিবিআই দফতরে ফের সন্দীপ

    অধ্যক্ষ থাকাকালীন একটানা কয়েক বছর ধরে আরজি কর মেডিক্যাল (RG Kar Incident) কলেজ হাসপাতালে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছেন সন্দীপ। তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছিলেন হাসপাতালের তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার থেকে শুরু করে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি করেছেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ। এমনই অভিযোগ উঠেছে। এদিন ফের একবার সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে পাঠানো হয় সন্দীপ ঘোষকে। আরজি কর তদন্তে টানা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে প্রাক্তন অধ্যক্ষ। ইতিমধ্যেই তাঁর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gujarat Flood: গুজরাটে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ২৯, উদ্ধারে বায়ুসেনা, সাহায্যের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    Gujarat Flood: গুজরাটে ভয়াবহ বন্যা, মৃত ২৯, উদ্ধারে বায়ুসেনা, সাহায্যের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে গুজরাটে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুর্যোগের কারণে সেই রাজ্যে ২৯ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। চতুর্থ দিনে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গুজরাটের (Gujarat Flood) বিভিন্ন অংশ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। দুর্গত এলাকা থেকে প্রায় ১৮ হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভাদোদরায় বৃষ্টি কমে যাওয়ার পরও বিশ্বামৈত্রী নদীর পাড় ভেঙে যায়। এর ফলে শহরের বিস্তীর্ণ নিচু অংশ প্লাবিত হয়েছে।

    ‘লাল সতর্কতা’ (Gujarat Flood)

    আবহাওয়া বিভাগ এখনও কোনওরকম স্বস্তির খবর শোনায়নি। বরং, জানানো হয়েছে আগামী বেশ কয়েকদিনে গুজরাটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃহস্পতিবারও ১১ জেলায় (Gujarat Flood) ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। সেখানে ‘লাল সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। এর ফলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাড়তে পারে হতাহতের সংখ্যাও। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সৌরাষ্ট্র এবং কচ্ছ এলাকার ওপর অবস্থান করছে একটি নিম্নচাপ। তা উত্তর-পশ্চিম আরবসাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আর এই নিম্নচাপের দরুন গুজরাটে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এছাড়াও ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে ২২টি জেলায়। গুজরাট সরকার জানিয়েছে মোরবি, ভাদোদরা, ভারুচ, জামনগর, আরাবল্লি, পঞ্চমহল, দ্বারকা এবং ডাং জেলায় কমপক্ষে ১ জন করে মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আনন্দে ৬ জন, আমেদাবাদে ৪ জন, গান্ধীনগর, খেদা, মহিসাগর, দাহোদ এবং সুরেন্দ্রনগরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্বামৈত্রী থেকে শুরু করে আরও বেশ কয়েকটি নদীর জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। বৃহস্পতিবারও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে দ্বারকা, মোরবি, সুরেন্দ্রনগর, জুনাগড়, রাজকোটে। আবহাওয়া দফতরের সতর্কতা এমনটাই।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন প্রধানমন্ত্রীর

    গুজরাটের (Gujarat Flood) বেশ কিছু অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলের তলায় অসংখ্য গ্রাম। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে ফোন করে পরিস্থিতির খোঁজ খবর নিয়েছেন। প্রয়োজন মোতাবেক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সমস্ত ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীকে।

    রাস্তায় কুমির!

    ভিটেমাটি হারিয়ে ত্রাণ শিবিরে (Gujarat Flood) আশ্রয় নিয়েছেন অনেকেই। আর এই পরিস্থিতিতে নদীর জল উপচে গেলে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে কুমিরের দল। হ্যাঁ, ভাদোদারার রাস্তায় জলে ভেসে বেড়াতে দেখা গেল মানুষ সমান কুমিরকে। যা দেখে রীতিমতো আতঙ্কে স্থানীয়রা। বিশ্বামৈত্রী নদী ছাপিয়ে যাওয়ায় লোকালয়ে প্রবেশ করছে কুমিরের দল। এমনটাই অনুমান স্থানীয়দের। কুমিরের উপদ্রবের জেরে আতঙ্কে ঘরবন্দি ভাদোদারাবাসী।

    উদ্ধারে বায়ুসেনা

    বন্যার (Gujarat Flood) জলে প্লাবিত মাইলের পর মাইল এলাকা। এখনও বন্যা বিধ্বস্ত অঞ্চলে আটকে রয়েছেন বহু। এ বার তাঁদের উদ্ধার করতে ময়দানে নেমেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Airforce)। হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার করা হচ্ছে দুর্গতদের। জানা গিয়েছে, দ্বারকার কল্যাণপুর মহকুমার দেবভূমিতে আটকে পড়েছিলেন কয়েকজন। তাঁদেরকেই উদ্ধার করতে সেখানে পৌঁছে যায় বায়ুসেনা। অবশেষে তাঁদের উদ্ধার করা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hypersomnia: দিনভর ঘুম ঘুম ভাব! কোন রোগের ইঙ্গিত? কী সমস্যার জেরে এমনটা হয়?

    Hypersomnia: দিনভর ঘুম ঘুম ভাব! কোন রোগের ইঙ্গিত? কী সমস্যার জেরে এমনটা হয়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেও ক্লান্তি দূর হয় না। অফিসে পৌঁছেও ঘুম ঘুম ভাব (Hypersomnia)! বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে কাজের ইচ্ছে। বাড়ির ছোটখাট কাজ করলেও বড্ড পরিশ্রান্ত মনে হয়! দিনভর ঘুম ভাবের জেরে বিরক্তিও বাড়ে! এমন সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, কম বয়সিরাও এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন। সারাদিন এই ঘুম ভাবের জেরে নানান সমস্যাতেও পড়তে হয়। তবে এই ধরনের সমস্যা দেখা দিলে মোটেও অবহেলা করা উচিত নয়। বরং, এ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। প্রথমে জেনে নিন, কেন দিনভর ঘুম ঘুম ভাব হয়?

    কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি (Hypersomnia)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রাতে ঘুমানোর পরেও সারাদিন ঘুম ভাব থাকার অন্যতম কারণ শরীরে এনার্জির অভাব। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে কার্বোহাইড্রেটের অভাব দেখা দিলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। স্থূলতা এড়াতে অধিকাংশ কম বয়সিরা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলছেন। ফলে শরীরে এনার্জির ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এর জেরেই অতিরিক্ত ক্লান্তি বা সামান্য কাজ করলেই ক্লান্তি গ্রাস করছে। আর ঘুম ভাব দেখা দিচ্ছে।

    পর্যাপ্ত জলের অভাব

    তবে কার্বোহাইড্রেটের পাশপাশি পর্যাপ্ত জলের অভাবেও শরীরে ঘুম ভাব দেখা দিতে পারে। এমনই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, শরীরের এনার্জি ধরে রাখতে জলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিলে তাই ক্লান্তি ভাব বাড়ে এবং ঘুম পায় (Hypersomnia)। তাই দিনভর পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর রাখা জরুরি।

    পর্যাপ্ত ঘুম হয় কি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, রাতের ঘুম নিয়ে সচেতনতার অভাব বাড়ছে‌। রাতে কমপক্ষে আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখন আট ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পান না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, রাতে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ঘুম হয়। ফলে ঘুমের মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। তাই দিনভর ক্লান্তি বোধ হচ্ছে। দেখা দিচ্ছে ঘুম ঘুম ভাব। এর জেরে কাজের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

    ভিটামিনের অভাবে বাড়ছে সমস্যা (Hypersomnia)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, শরীরে ভিটামিনের অভাবে অনেকেই ভুগছেন। বিশেষত মহিলাদের মধ্যে ভিটামিনের অভাবের সমস্যা বাড়ছে। আর তার জেরে দিনভর ঘুম ভাবের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। কিন্তু কীভাবে এইসব সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব?

    নিয়মিত শারীরিক কসরত

    বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, দিনভর ঘুম ভাবের সমস্যা কাটাতে সকালে নিয়মিত শারীরিক কসরত জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শারীরিক কসরত করলে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হলে হৃদপিণ্ড এবং স্নায়ু সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর জেরে ঘুম ভাব (Excessive Sleepiness) কমে।

    খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর হতে হবে

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে যেমন নজরদারি জরুরি, তেমনি শরীরের সুস্থ থাকার বিষয়টিতেও নজরদারি জরুরি। তাই কার্বোহাইড্রেট খাওয়া দরকার। পরিমিত কার্বোহাইড্রেট খেলে শরীরে উপকার হয়। অর্থাৎ, রাতের মেনুতে ডাল সিদ্ধের সঙ্গে আলু সিদ্ধ, গাজর খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা দুটোই পূরণ হবে। শরীরে প্রয়োজনীয় এনার্জির ঘাটতি পূরণ হবে‌। পাশপাশি দিনে অন্তত চার লিটার জল খেতে হবে। পাশপাশি, দিনে অন্তত একটা লেবু, একটা ডিম নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে হবে। এতে শরীরে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। শরীরের ক্লান্তি (Hypersomnia) দূর হবে।

    রাতের ঘুম পর্যাপ্ত হওয়া জরুরি

    অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যাস ছাড়তে হবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, রাতের ঘুম পর্যাপ্ত হলে একাধিক সমস্যা এড়ানো যায়। শরীর সুস্থ থাকে। তাই বাড়তি রাত জাগার অভ্যাস কমাতে হবে‌। রাতে যাতে পর্যাপ্ত ঘুম হয়, সেটা নিশ্চিত করা জরুরি।

    শারীরিক পরীক্ষা জরুরি

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, দিনভর অতিরিক্ত ঘুম পেলে (Excessive Sleepiness) এবং ক্লান্তি কিছুতেই না কমলে চিকিৎসকদের পরামর্শ জরুরি। গুরুতর হৃদরোগ থাকলে কিংবা অতিরিক্ত ডায়াবেটিস থাকলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই প্রয়োজনে শারীরিক পরীক্ষা করানো দরকার। যাতে অন্য কোনও জটিল রোগ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    Kazi Nazrul Islam: কাঁটাতার তাঁকে কাটতে পারেনি, আজ কাজী নজরুল ইসলামের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবির বাঁশি থেমে গিয়েছিল সেই কবে! চারের দশকের একদম শুরুতে। তারপর দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের মৌন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির পর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যান। জাতীয় কবির (Kazi Nazrul Islam) সম্মান দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু, নিপীড়িত মানুষের যন্ত্রণায় কেঁপে উঠত যাঁর অনুভব, যাঁর প্রেমিক সত্তায় লগ্ন হয়ে থাকত চোখের জল, তিনি তখন অন্য জগতের মানুষ। ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট প্রয়াত হন কাজী নজরুল ইসলাম। বিদ্রোহী কবি (Poet) কাজী নজরুল ইসলামের আজ ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী।

    ফিরে দেখা নজরুল (Kazi Nazrul Islam)

    ১৮৯৯ সালের ২৪ মে ( ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam)। তাঁর ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। বাবা কাজী ফকির আহমেদ ও মা জাহেদা খাতুন। বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক এবং অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল তাঁর কবিতা ও গানের মাধ্যমে সমাজের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস। নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল। নজরুলের ছদ্মনাম ছিল ‘ধূমকেতু’। শিশু সাহিত্যকেও সমৃদ্ধ করেছিলেন তিনি। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের ধারাকে নজরুল তাঁর সাহিত্যে বিপুলভাবে ধারণ করেছেন। মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছেন পুনর্জাগরণের ডাক। একজন বলিষ্ঠ নেতার মতোই সমাজের নেতৃত্ব দিয়েছেন নজরুল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে ফের পথে বিজেপি, আজ থেকে টানা ধর্না ধর্মতলায়

    কবির সৃষ্টি

    নজরুল (Kazi Nazrul Islam) ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার অগ্রসর মানুষ। ইসলামি গজলের পাশাপাশি লিখে গিয়েছেন শ্যামা সংগীত। বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে নতুন এক দিগন্ত উন্মোচিত হয় নজরুলের দেখানো পথ ধরে। শুধু কবিতা ও গানেই তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি; লিখেছেন নাটক-উপন্যাস। তাঁর লেখা নাটক- রক্তকমল, মহুয়া, জাহাঙ্গীর, কারাগার, সাবিত্রী, আলেয়া, সর্বহারা, সতী, সিরাজদ্দৌলা, দেবীদুর্গা, মধুমালা, অন্নপূর্ণা, নন্দিনী, হরপার্বতী, অর্জুনবিজয়, ব্ল্যাক আউট ইত্যাদি। ১৯৩৪ সালে নজরুল-প্রকাশনার সবই ছিল সঙ্গীত-বিষয়ক।

    রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল

     ১৯৪১ সালের ৭ অগাস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল (Kazi Nazrul Islam) তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন ‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’ কবিতা এবং ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীত। ‘রবিহারা’ কবিতা নজরুল স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করেন কলকাতা বেতারে, গ্রামাফোন রেকর্ডে। ‘ঘুমাইতে দাও’ গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে গেয়েছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর বছরখানেকের মধ্যেই নজরুল নিজেও অসুস্থ এবং ক্রমশ নির্বাক ও সম্বিতহারা হয়ে যান।

    বিরল রোগে আক্রান্ত হন কবি

    ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে সাংবাদিকতার পাশাপাশি নজরুল (Kazi Nazrul Islam) বেতারে কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাজী নজরুল ইসলাম দীর্যদিন ধরে (প্রায় ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছর) যে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার নাম পিক্স ডিজিজ (Picks Disease)। এই রোগটি খুবই বিরল ও এর ফলে কণ্ঠস্বর ও স্মরণশক্তি দুটোই আক্রান্ত হয়। সাধারণতঃ, এই রোগ Dementia বা Alzheimer’s রোগের সঙ্গে কমবেশি তুলনা করা যেতে পারে। তাঁর অসুস্থতা সম্বন্ধে সুষ্পষ্টরূপে জানা যায় ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে। এরপর, তাঁকে মূলত হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু, এতে তাঁর অবস্থার তেমন কোন উন্নতি হয়নি। সেই সময় তাঁকে ইউরোপে পাঠানো সম্ভব হলে নিউরো সার্জারি করা হত। কিন্তু, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ১৯৪২ সালের শেষের দিকে তিনি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেন। দেশে ও বিদেশে কবির চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় বটে, কিন্তু কোনও সুফল পাওয়া যায় নি। ১৯৪২ সালের জুলাই থেকে ১৯৭৬ সালের ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪টি বছর কবির এ অসহনীয় নির্বাক জীবনকাল অতিবাহিত হয়।

    বাংলাদেশে কবি

    ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে (Kazi Nazrul Islam) সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদক’ দিয়ে ভূষিত করে। ২৯ অগাস্ট ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পার্শ্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। এখানেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন। কাজী নজরুলকে নিয়ে কবি অন্নদাশঙ্কর রায় লিখেছিলেন, “আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে/ ভাগ হয়নি কো নজরুল”। সত্যিই তো তাই। তিনি তো কেবল এপার বাংলার কবি নন। কাজী নজরুল ইসলাম (Kazi Nazrul Islam) ওপার বাংলারও কবি। বিদ্রোহী সত্তার আড়ালে তির তির করে বয়ে চলে তাঁর প্রেমিক সত্তা। মৌলিক সৃষ্টিই চির অমর করে রেখেছে কবিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 29 August 2024: সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 29 August 2024: সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) পারিবারিক ভ্রমণের আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো হবে।

    ২) সম্মানহানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিশেষ আলোচনা।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) ব্যবসার কাজে মেজাজ হারাবেন না।

    ২) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) মনের মতো স্থানে বেড়াতে যাওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মনঃকষ্ট।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে। 

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) পারিবারিক ভ্রমণে বাধা পড়তে পারে। 

    ২) ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) সখ পূরণ।

    তুলা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের জন্য সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় বিবাদের যোগ থাকলেও লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) দুর্বুদ্ধি বাড়তে দেবেন না।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশাহত হবেন।

    ধনু

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক-বিতর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস নয়।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতির যোগ।

    ২) সকালের দিকে কোনও দুশ্চিন্তা মাথা খারাপ করবে।

    ৩) ধর্মস্থানে ভ্রমণ।

    কুম্ভ

    ১) বিষয়-সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে বাড়িতে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য বাড়িতে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কেনাকাটার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 117: “সাধুসঙ্গ, প্রার্থনা, গুরুর উপদেশ এই সব প্রয়োজন, তবে চিত্তশুদ্ধি হয়, তাঁর দর্শন হয়”

    Ramakrishna 117: “সাধুসঙ্গ, প্রার্থনা, গুরুর উপদেশ এই সব প্রয়োজন, তবে চিত্তশুদ্ধি হয়, তাঁর দর্শন হয়”

    সার্কাস রঙ্গালয়েগৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

                                             চতুর্থ পরিচ্ছেদ     

    দেখ! ঈশ্বরকে (Ramakrishna) দেখা যায়। ‘অবাঙ্মনসোগোচর বেদে বলেছে: এর মানে বিষয়াসক্ত মনের অগোচর। বৈষ্ণবরচণ বলত, তিনি শুদ্ধ মন, শুদ্ধ বুদ্ধির গোচর। তাই সাধুসঙ্গ, প্রার্থনা, গুরুর উপদেশ এই সব প্রয়োজন। তবে চিত্তশুদ্ধি হয়। তবে তাঁর দর্শন (kathamrita) হয়। ঘোলা জলে নির্মলি ফেললে পরিষ্কার হয়। তখন মুখ দেখা যায়। ময়লা আরশিতে ও মুখ দেখা যায় না।

    চিত্তশুদ্ধির পর ভক্তিলাভ করলে, তবে তাঁর কৃপায় তাঁকে দর্শন হয়। দর্শনের পর আদেশ পেলে তবে লোকশিক্ষা দেওয়া যায়। আগে থাকতে লেকচার দেওয়া ভাল নয়। একটা গানে আছে:

    ভাবছো কি মন একলা বসে,

    অনুরাগ বিনে কি চাঁদ গৌর মিলে।

    মন্দিরে তোর নাইকে মাধব,

    পোদো শাঁক ফুঁকে তুই করলি গোল।

    তায় চামচিকে এগারজনা,

    দিবানিশি দিচ্ছে থানা।

    হৃদয়মন্দিরে আগে পরিষ্কার রাখতে হয়; ঠাকুর প্রতিমা আনতে হয়; পূজার আয়োজন করতে হয়। কোন আয়োজন নাই, ভোঁ ভোঁ করে শাঁক বাজানো, তাতে কি হবে?”

    এইবার শ্রীযুক্ত বিজয় গোস্বামী বেদীতে বসিয়া ব্রাহ্মসমাজের পদ্ধতি অনুসারে উপাসনা করিতেছেন; উপাসনান্তে তিনি ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে আসিয়া বসিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিজয়ের প্রতি)—আচ্ছা, তোমরা অত পাপ পাপ বললে (kathamrita) কেন? একশোবার আমি পাপী আমি পাপী বললে তাই হয়ে যায়। এমন বিশ্বাস করা চাই যে, তাঁর নাম করেছি — আমার আবার পাপ কি? তিনি আমাদের বাপ-মা; তাঁকে বল যে, পাপ করেছি, আর কখনও করব না। আর তাঁর নাম কর, তাঁর নামে সকলে দেহ-মন পবিত্র কর—জিহ্বাকে পবিত্র কর।

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুন: “শ্রীরামকৃষ্ণ সংসারী বদ্ধজীবের কথা বলিতেছেন, তারা যেন গুটিপোকা…”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 116: “প্রহ্লাদ করজোড়ে হরির নিকট প্রার্থনা করিতেছেন, হে হরি, পিতাকে সুমতি দাও”

    Ramakrishna 116: “প্রহ্লাদ করজোড়ে হরির নিকট প্রার্থনা করিতেছেন, হে হরি, পিতাকে সুমতি দাও”

     

    সার্কাস রঙ্গালয়েগৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

                                              চতুর্থ পরিচ্ছেদ      

    মণি মল্লিকের ব্রাহ্মোৎসবে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ     

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কলিকাতায় শ্রীযুক্ত মণিলাল মল্লিকের সিন্দুরিয়াপটীর বাটীতে ভক্তসঙ্গে শুভাগমন করিয়াছিলেন। সেখানে ব্রাহ্মসমাজের প্রতি বৎসর উৎসব হয়। বৈকাল, বেলা ৪টা হইবে। এখানে আজ ব্রাহ্মসমাজের সাংবাৎসরিক উৎসব। (২৬শে) নভেম্বর, ১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দ। শ্রীযুক্ত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ও অনেকগুলি ব্রাহ্মভক্ত আর শ্রীপ্রেমচাঁদ বড়াল ও গৃহস্বামীর অন্যান্য বন্ধুগণ আসিয়াছেন। মাস্টার প্রভৃতি সঙ্গে আছেন।

    শ্রীযুক্ত মণিলাল ভক্তদের সেবার জন্য অনেক আয়োজন (kathamrita) করিয়াছেন। তিনি অদ্যকার উপাসনা করিবেন। তিনি এখনও গৈরিকবস্ত্র ধারণ করেন নাই।

    কথক মহাশয় প্রহ্লাদচরিত্র-কথা বলিতেছেন। পিতা হিরণ্যকশিপু হরির নিন্দা ও পুত্র প্রহ্লাদকে বারবার নির্যাতন করিতেছেন। প্রহ্লাদ করজোড়ে হরির নিকট প্রার্থনা করিতেছেন আর বলিতেছেন, “হে হরি, পিতাকে সুমতি দাও।” ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এই কথা শুনিয়া কাঁদিতেছেন। শ্রীযুক্ত বিজয় প্রভৃতি ভক্তেরা ঠাকুরের (Ramakrishna) কাছে বসিয়া আছেন। ঠাকুরের ভাবাবস্থা হইয়াছে।

    শ্রীবিজয় গোস্বামী প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগকে উপদেশ—ঈশ্বর দর্শন ও আদেশপ্রাপ্তি, তবে লোকশিক্ষা

    কিয়ৎক্ষণ পরে বিজয়াদি ভক্তদিগকে বলিতেছেন, “ভক্তিই সার। তাঁর নামগুণকীর্তন সর্বদা করতে করতে ভক্তিলাভ হয়। আহা! শিবনাথের কী ভক্তি! যেন রসে ফেলা ছানাবড়া।

    এরকম মনে করা ভালো নয় যে, আমার ধর্মই ঠিক, আর অন্য সকলের ধর্ম ভুল। সব পথ দিয়েই তাঁকে পাওয়া যায়। আন্তরিক ব্যাকুলতা থাকলেই হল। অনন্ত পথ—অনন্ত মত।”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share