Tag: Bengali news

Bengali news

  • Upper Primary Recruitment: উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর নিয়োগে জট কাটল, ৪ সপ্তাহে মেধাতালিকা

    Upper Primary Recruitment: উচ্চ প্রাথমিকে ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর নিয়োগে জট কাটল, ৪ সপ্তাহে মেধাতালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপার প্রাইমারির (Upper Primary Recruitment) নিয়োগে ছাড়পত্র দিল হাইকোর্ট। ১৪ হাজার পরীক্ষার্থীর চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা জোরদার হল। চার সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত মেধাতালিকা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর হবে কাউন্সেলিং। বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে ৯ বছরের নিয়োগ-জট কাটল বলেই অনেকে মনে করছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Upper Primary Recruitment)

    আপার প্রাইমারির (Upper Primary Recruitment) টেট পরীক্ষা হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৬ অগাস্ট। ২০১১ ও ২০১৫ সালের দুটি টেটের পরীক্ষার্থীরা এই পদের জন্য যোগ্য ছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ২০১৯ সালের ২৭ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে পার্সোনালিটি টেস্ট হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু সেখানে সঠিকভাবে নথি যাচাই করা হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে মামলা হয়। হাইকোর্টের নির্দেশে বার বার এই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে গিয়েছে। ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দিয়েছিল উচ্চ আদালত। ২০২৩ সালে প্যানেল প্রকাশ করার অনুমতি দিয়েছিল হাইকোর্ট। তখন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, প্যানেল প্রকাশ করা যেতে পারে, তবে,কাউকে নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না এসএসসি। তার পরে মামলাটি যায় নতুন ডিভিশন বেঞ্চে। গত ১৮ জুলাই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। বুধবার রায় ঘোষণা করা হল।

    আইনজীবী কী বললেন?

    আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশন, উচ্চ প্রাথমিকের মামলায় যে ‘আফটার ইন্টারভিউ ওএমআর’ আসন পুনর্মূল্যায়ন করে ১৪৬৩ জনকে বাতিল করেছিল, সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। সেটা সংশোধন করে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যাঁদের বাতিল করা হয়েছিল, তাঁদের আবার মেধাতালিকায় ঢোকাতে হবে। সঙ্গে ১৪ হাজার ৫২ জনের প্রত্যেককে মেধাতালিকায় রেখে কাউন্সেলিং করাতে হবে। কমিশনের পুরনো মেধাতালিকা ভুল ছিল।”

    কেন মামলা?

    উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটির অভিযোগ তুলে ধরে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। ২০২৩ সালে শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া থেকে ১,৪৬৩ জনকে বাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মামলাকারীরা জানান, ওই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের তা জানানো হয়নি। পরে চার বার তা খতিয়ে দেখে এসএসসি। শেষে ইন্টারভিউ থেকে বাদ পড়েন ৭৪ জন। সে ক্ষেত্রেও সঠিক নিয়ম মানা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল, সংরক্ষণ নীতি মানা হয়নি কাউন্সেলিংয়ের সময়। তফশিলি জাতি এবং জনজাতিদের সংরক্ষণ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। এমনকী, সেখানে মহিলাদের সংরক্ষণ নিয়েও ত্রুটি ছিল বলে আদালতে জানান মামলাকারীদের আইনজীবী। ওএমআর শিটেও গোলমালের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল আদালতে। দীর্ঘ ৯ বছর ঝুলে থাকার পর অবশেষে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে জট কাটল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIT Silchar: ভারত-বিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ ইমোজি, শিলচরের পড়ুয়াকে ফেরত পাঠানো হল বাংলাদেশে

    NIT Silchar: ভারত-বিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ ইমোজি, শিলচরের পড়ুয়াকে ফেরত পাঠানো হল বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, (এনআইটি) শিলচর (NIT Silchar) থেকে ফেরত পাঠানো হল এক বাংলাদেশি পড়ুয়াকে (Bangladesh Student)। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভারত বিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ ইমোজি দিয়েছিলেন চতুর্থ সেমেস্টারের ওই পড়ুয়া। পুলিশ-প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রীর নাম মাইসা মাহাজেবিন। তিনি ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলি-কমিউনিকেশনের চতুর্থ সেমেস্টারের পড়ুয়া। তাঁকে করিমগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

    কী বললেন পুলিশ সুপার? (NIT Silchar)

    শিলচরের পুলিশ সুপার নুমাল মাহাতা বলেন, “ওই পড়ুয়াকে প্রত্যাপর্ণ করা হয়নি। বরং, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ওই পড়ুয়া ফেসবুকে একটি ভারত বিরোধী পোস্টে লাভ ইমোজি দিয়েছিলেন। ওই পোস্টটি করেছিলেন এনআইটি শিলচরের (NIT Silchar) প্রাক্তন ছাত্র সাদাহাত হোসেন আলফি। মাস ছয়েক আগে তিনি পড়াশুনা শেষ করে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন। ভারত বিরোধী ওই পোস্টটি বহু মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে।” তাঁর ভবিষ্যৎ পড়াশুনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে পুলিশ সুপার করেন, ” ওই ছাত্রী এখনও তাঁর কোর্স শেষ করেননি। তিনি তাঁর পড়াশুনা শেষ করতে আবার ফিরে আসবেন কি না, এখনই কিছু বলা যাবে না।” জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী তাঁর কোর্স শেষ করার জন্য ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে, তিনি শিলচরে আর ফিরবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    বাংলাদেশি পড়ুয়াদের জন্য সতর্কতা

    এমনিতেই পুলিশ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশি পড়ুয়াদের ভারতী বিরোধী কোনও কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত না থাকার জন্য বার বার বলা হয়েছিল। তারপরও ওই পড়ুয়ার এই আচরণে অনেকে ক্ষুব্ধ। তাই এবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে মোট ৭০ জন বাংলাদেশি পড়ুয়া রয়েছেন এনআইটি শিলচরে (NIT Silchar)। এনিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি রয়েছে। ওই ৭০ জনের মধ্যে ৪০ জন হিন্দু পড়ুয়া। পুলিশ সুপার বলেন, ব্যক্তিগতভাবে ওইসব পড়ুয়াদের সঙ্গে আমি দেখা করেছিলাম। তাঁদের পরামর্শ দিয়েছিলাম কোনওভাবেই যেন তাঁরা কোনও ভারত বিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত না হয়ে পড়েন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata-Bangkok highway: কলকাতার সঙ্গে সড়কপথে জুড়বে ব্যাংকক! ২৮০০ কিমি হাইওয়ে প্রকল্প কেন্দ্রের

    Kolkata-Bangkok highway: কলকাতার সঙ্গে সড়কপথে জুড়বে ব্যাংকক! ২৮০০ কিমি হাইওয়ে প্রকল্প কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত, মায়ানমার এবং তাইল্যান্ডকে সংযুক্ত করতে কলকাতা-ব্যাংকক (Kolkata-Bangkok highway) হাইওয়ে বা মহাসড়কের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই মহাসড়ক সম্পূর্ণ ভাবে ভারতের সঙ্গে বাকি দুই দেশের সড়ক পথের মেলবন্ধনকে শক্তিশালী করবে। এই পরিকল্পনায় পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ভাবে প্রাধান্য পাবে। প্রস্তাবিত এই মহাসড়কের নাম হবে ত্রিপাক্ষিক মহাসড়ক বা  ট্রাইল্যাটারাল হাইওয়ে। তিন দেশের অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে ভারত, মায়ানমার এবং তাইল্যান্ডের মধ্যে একযোগে সংযোগ বৃদ্ধি পাবে। খুলে যাবে অপার সম্ভাবনা।

    মোট ২৮০০ কিমি মহাসড়ক হবে (Kolkata-Bangkok highway)

    এই প্রস্তাবিত মহাসড়ক (Kolkata-Bangkok highway) ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতা শহর থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে। তাইল্যান্ড পর্যন্ত সড়ক হলেও মাঝখানে মায়ানমারের উপর দিয়ে সড়ক নির্মাণ হবে। ফলে তিন দেশের মধ্যে বাণিজ্য সংযোগ ও আঞ্চলিক পরিসরের নৈকট্য বৃদ্ধি পাবে। এই সড়কের দৈর্ঘ্য আনুমানিক ২৮০০ কিলোমিটার হবে। তবে বাকি দুই দেশের তুলনায় ভারতে সবথেকে দীর্ঘ পথ হবে। এই মহাসড়ক ভারতের লুক ইস্ট নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, এই প্রকল্পটি বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকনমিক কো-অপারেশনের (বিমস্টেক) ​​অংশ। এটি নির্মিত হলে ভারতের দীর্ঘতম হাইওয়ে প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

    বাজপেয়ী সরকার প্রস্তাবনা করেছিল

    ভারত, মায়ানমার এবং তাইল্যান্ডের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে উন্নীত করার জন্য ২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সরকার এই ত্রিপাক্ষিক হাইওয়ের (Kolkata-Bangkok highway) প্রস্তাব পেশ করেছিল। প্রকল্পটির লক্ষ্য তিনটি দেশের মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ স্থাপন করা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাকে উন্নীত করা। বর্তমানে, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগে একাধিক বাধাকে অতিক্রম করে মহাসড়কটি ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    কোন কোন শহর যুক্ত হবে

    কলকাতা-ব্যাংকক (Kolkata-Bangkok highway) হাইওয়ের মূল সুবিধাগুলি হল, দেশ এবং বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিকে সংযুক্ত করা যাবে। মহাসড়ক নির্মাণের প্রধান উদ্দেশ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নতুন জীবনরেখা বা লাইফ লাইন তৈরি করা। এই সড়ক তিনটি দেশের অন্যান্য প্রধানগুলির মধ্যে যেমন-ব্যাংকক, ইয়াঙ্গন, মান্ডালে এবং কলকাতাকে সংযুক্ত করবে। একই ভাবে ভারতের শিলিগুড়ি, গুয়াহাটি এবং কোহিমার মতো শহরগুলিকেও সংযুক্ত করা হবে। এতে আঞ্চলিক সংযোগ আরও উন্নত হবে। হাইওয়েটি শুধুমাত্র এই তিন দেশই নয়, পূর্ব-পশ্চিম করিডর যথা — কম্বোডিয়া থেকে শুরু করে লাওস এবং ভিয়েতনামের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এই হাইওয়ে।

    উন্নত বিকল্প ভ্রমণপথ

    এই মহাসড়ক (Kolkata-Bangkok highway) একবার চালু হলে কলকাতা এবং ব্যাংককের মধ্যে যাত্রার একটি বিকল্প পথ পাবেন যাত্রীরা। জানা গিয়েছে, এই মহাসড়কে গাড়ি চালানোর জন্য বিশেষ অনুমতিও দেওয়া হবে। বিমান যাত্রার বিকল্প পথের সম্ভাবনাকে প্রসারিত করবে এই হাইওয়ে। একই ভাবে ভ্রমণ বা যাত্রায় খরচ কম হবে।

    আরও পড়ুন:১২টি আসনের উপনির্বাচনে ১১টিতেই জয়, রাজ্যসভাতেও সংখ্যাগরিষ্ঠ এনডিএ

    বাণিজ্য বৃদ্ধি

    মহাসড়কটি (Kolkata-Bangkok highway) ভারত এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে রফতানি ও আমদানি বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে। এই পথে বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যার ফলস্বরূপ অর্থনৈতিক দিকটিও উন্নীত হবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক পরিকাঠামো, পর্যটন শিল্প, শিল্পাঞ্চল, কলকারখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর বিরাট প্রভাব পড়বে। তবে মহাসড়কটিকে কয়েকটি বিভাগে বিভক্ত করে বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন নির্মাণ এবং নানা বাণিজ্যিক সংস্থাগুলি মহাসড়কের আশেপাশের এলাকায় শীঘ্রই বিনিয়োগ করবে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জেরেই আটকে ছিল কাজ

    ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৈঠকে বসেছিলেন মায়ানমারের বিদেশমন্ত্রী থান সোয়ের সঙ্গে। মায়ানমারের কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তিনি। এই বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল ভারত-মায়ানমার-তাইল্যান্ড ত্রিপাক্ষিক মহাসড়কের ওপর। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই প্রকল্প শেষ করতে চেয়েছিল ভারত। কিন্তু মায়ানমারের রাজনৈতিক অশান্ত পরিস্থিতির কারণে তা শেষ করা সম্ভব হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জেরেই এই রাস্তার কাজ থমকে গিয়েছিল। এবার মনে করা হচ্ছে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা বাংলা বন‍্ধে (BJP Bangla Bandh) রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া-বর্ধমান শাখার হুগলির (Hooghly) মানকুন্ডু স্টেশন। ট্রেন আটকাতে এই স্টেশনে রেললাইনের ওপর নেমে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। উন্মত্ত কর্মীদের রেললাইন থেকে হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে বন‍্‍ধ সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলে বিজেপি। কর্মীরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বন‍্‍ধ সমর্থকরা এদিন হুগলি জেলার একাধিক রেল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করেন। শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হুগলি, হিন্দমোটর, কোন্নগর, ত্রিবেণী স্টেশনেও অবরোধ করা হয়। তাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। কোথাও দেড় ঘণ্টা, কোথাও দুঘণ্টা অবরোধ চলে। বুধবার সকাল থেকেই রেল অবরোধে (BJP Bangla Bandh) সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। মানকুন্ডু স্টেশনেও এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে আপ ও ডাউন লাইনে রেল অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। দুটি লাইনেই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। একটিতে দূরপাল্লার বালুরঘাট এক্সপ্রেসও দাঁড়িয়ে পড়ে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। জিআরপি ও আরপিএফ অবরোধ হঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। দীর্ঘক্ষণ হাওড়া-বর্ধমান মেন ও ব্যান্ডেল শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পুলিশ লাইন থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী-র‍্যাফ-উইনার্স টিম ও কমব্যাট ফোর্সও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপরেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মানকুণ্ডু স্টেশনের অবরোধ নিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    রেল অবরোধ (BJP Bangla Bandh) নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে বলেন, বনধের সমর্থনে সাধারণ মানুষও সামিল হয়েছেন।

    <p

    পথ অবরোধে বিজেপি কর্মীরা

    ট্রেন ছাড়া হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় পথ অবরোধও (BJP Bangla Bandh) করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। শ্রীরামপুরের পেয়ারাপুরের কাছে দিল্লি রোডের মোড়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতি হয়। হাতাহাতিতে আহত হন দুপক্ষের বেশ কয়েকজন। শ্রীরামপুর থানা থেকে পুলিশের বড় বাহিনী গিয়ে দুপক্ষকে বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, শনিবার পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা, মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, শনিবার পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা, মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সাতদিন মাঝারি বৃষ্টির (Weather Update) পূর্বাভাস রয়েছে বঙ্গে। একই সঙ্গে ১২টি জেলায় রয়েছে হলুদ সর্তকতা (Yellow warning)। বঙ্গোপসাগরে এখনও রয়েছে একটি নিম্নচাপ। এর ফলে শনিবার পর্যন্ত সমুদ্র উত্তাল থাকবে। হাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

    বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Update)

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর জানা গিয়েছে, আগামী সাতদিন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে মাঝারি বৃষ্টিপাত (Weather Update) হবে। তবে কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে একাধিক এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। মঙ্গলবার কলকাতা শহরের একাধিক জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমের একাধিক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বৃহস্পতিবার দুই চব্বিশ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা (Yellow warning)।

    আরও পড়ুন: একসঙ্গে নবান্ন-লালবাজার-কালীঘাট অভিযান! বড় কর্মসূচির ডাক দিলেন শুভেন্দু

    কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে

    অনুরূপ আবহাওয়ার পরিবেশ থাকবে উত্তরবঙ্গেও। উত্তরের দার্জিলিং, কালিম্পং বাদে বাকি জেলায় ভারী বৃষ্টির (Weather Update) তেমন কোনও সম্ভাবনা না থাকলেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় তেমন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির কারণে শহরের তাপমাত্রা কিছুটা কম হয়েছে।বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৫ কিমি বেগে বাতাস বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূলে আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত এই উত্তাল পরিস্থিতি থাকবে। শুক্র ও শনিবার পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হতে পারে। প্রতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে সমুদ্রে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধের বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ, মামলাকারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধের বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ, মামলাকারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির বন‍্ধের (BJP Bangla Bandh) বিরোধিতা করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে আদালতে মুখ পুড়ল সঞ্জয় দাস নামে এক আইনজীবীর। আইনজীবীর করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। জনস্বার্থ মামলা করার জন্য মামলাকারীকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। একইসঙ্গে কড়়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বনধের বিরুদ্ধে মামলা (BJP Bangla Bandh)

    নবান্ন অভিযানে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বিজেপির পক্ষ থেকে ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) ডাকা হয়। মঙ্গলবারই বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বন‍্‍ধ ঘোষণা করেন। আর সেই বন‍্‍ধকে অবৈধ ঘোষণার দাবিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী সঞ্জয় দাস। দেশের একাধিক হাইকোর্টের রায় উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, হঠাৎ করে ডাকা এই বন‍্‍ধ জনস্বার্থের পরিপন্থী। বুধবারই মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। নিয়ম মেনে এদিন সকালে জনস্বার্থ মামলাটি ওঠে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। মামলাকারীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, তিনি যে নিজেকে জনহিতকারী এবং জনদরদি হিসাবে তুলে ধরেছেন, সেই সংক্রান্ত কোনও কাজের উদাহরণ পেশ করতে পারবেন কি? মানুষের জন্য তিনি কাজ করেছেন বা গরীব মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন সেই সংক্রান্ত কোনও উদাহরণ দিতে পারেননি মামলাকারী আইনজীবী। এর পরই মামলাটি খারিজ করে মামলাকারীকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    জনস্বার্থ মামলায় নিষেধাজ্ঞা, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    এদিন আদালতে (Kolkata High Court) শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই মামলার (BJP Bangla Bandh) মাধ্যমে আদালতকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আইন প্রক্রিয়ার অপব্যবহার করেছেন মামলাকারী আইনজীবী। হাইকোর্টের বিচারপতিদের বিচার্য বিষয় পরিবর্তনের আবেদন করে একটি মামলা করেছিলেন। তিনি বিচারপতি অমৃতা সিনহার আদালত থেকে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা সংক্রান্ত মামলাগুলি সরানোর আবেদন করে মিথ্যা তথ্য আদালতে পরিবেশন করেছিলেন। সেই আবেদন আদালতের কাজে হস্তক্ষেপের সামিল। তাই, আদালত নির্দেশ দিচ্ছে, সঞ্জয় দাস কখনই আর কোনও জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে পারবেন না। সঙ্গে আদালতের কাজে হস্তক্ষেপের জন্য তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: শান্তিপূর্ণ অবস্থান সত্ত্বেও ২ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতার মমতার পুলিশের

    BJP Bangla Bandh: শান্তিপূর্ণ অবস্থান সত্ত্বেও ২ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতার মমতার পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানে পুলিশি হামলায় তুলকালাম পরিস্থিতির প্রতিবাদে বুধবার বিজেপি ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) ডাকে। সকাল ৬টা থেকে বন‍্‍ধ শুরু হয়। কোচবিহারে (Cooch Behar) বন‍্‍ধ পালন করতে গিয়ে আটক হন দুই বিজেপি বিধায়ক। তাঁদের জোর করে টেনে হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এলাকায় বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    এদিন সকালেই বিজেপির দুই বিধায়ক মালতী রাভা রায় এবং নিখিল রঞ্জন দে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস টার্মিনাসের সামনে আসেন। বাস আটকানোর চেষ্টা করেন। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের নতুন বাসস্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে (BJP Bangla Bandh) বসেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বাসের সামনে বসে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। এরপরই আটক করা হয় তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় ও কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে-কে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের টেনে-হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মালদায় সরব বিজেপি সাংসদ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে পুরাতন মালদার বুলবুলি মোড় এলাকার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় উল্টোদিক থেকে তৃণমূলের একটি মিছিল আসে। তারা বনধের বিরোধিতায় মিছিল করছিল। দুই মিছিল সামনা-সামনি হয়ে যাওয়ায় সেখানে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের সামনেই চলে ধাক্কাধাক্কি। একে অপরকে ঠেলাঠেলি করতে শুরু করে দেন। প্রতিবাদে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পুরাতন মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়কে বসে পড়েন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। বুলবুলি মোড় থেকে পুরাতন মালদায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। সাংসদের অভিযোগ, বুলবুলি মোড়ে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘নবান্ন অভিযানে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে’’, মমতার সরকারকে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘‘নবান্ন অভিযানে জাতীয় পতাকার অবমাননা হয়েছে’’, মমতার সরকারকে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) পুলিশের হামলা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে থাকা আন্দোলনকারীদের ওপর কীভাবে আক্রমণ চালাল পুলিশ? এতে জাতীয় পতাকাকে অপমান করা হয়েছে বলে জানান তিনি। রাজ্যপালের মতে, কলকাতার রাস্তায় যা হয়েছে, তা গণতান্ত্রিক ভাবে জয়ী সরকারের কাছ থেকে আশা করা যায় না। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।

    জাতীয় পতাকার অবমাননা!

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি এক ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচিত সরকার থেকে এটা প্রত্যাশা ছিল না। নিরীহ প্রতিবাদীরা সম্ভবত কোনও রাজনৈতিক দলের ছিলেন না। তাঁদের হাতে জাতীয় পতাকা ছিল। কিন্তু, তাঁদের ওপর আক্রমণ চালাল পুলিশ। ‘উই ওয়ান জাস্টিস’ স্লোগানে মুখরিত প্রতিবাদকারীদের জলকামান দ্বারা আঘাত করা হয়েছে। লাঠিপেটা করা হয়েছে পুলিশ দ্বারা। তাঁদের হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা ছিল। জল কামান চালিয়ে জাতীয় পতাকা ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। রক্তাক্ত হয়েছেন প্রতিবাদীরা। জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছে। জাতীয় সম্মানকে অপমান করা হয়েছে। এটা শেষের শুরু। তা-ই হওয়া উচিত। বিদায় হিংসা, খুন। বাংলা হিংসামুক্ত হওয়া উচিত। এখানে সরকার অপরাধীদের রক্ষা করছে। এই খুনের খেলা বন্ধ হোক।”

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    নির্যাতিতার বিচার চেয়ে মানুষ কী পেল?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “নির্যাতিতার বিচার চেয়ে মানুষ কী পেল? লাঠিচার্জ, মারধর, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান! মনে রাখতে হবে, বিচার চেয়ে এই দাবি উঠে এসেছে কবিগুরুর বাংলায়। অথচ রবীন্দ্রনাথের বাংলায় তিনি নিজেই বলেছিলেন, ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির।’ নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দিল্লি চলো ডাক দিয়েছিলেন। আর আজকে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে নবান্ন চলো ডাক দিয়েছিলেন নিরীহ আন্দোলনকারীরা। কিন্তু, তাঁদের ওপরে আক্রমণ চালানো হল। খুন, ধর্ষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার সমস্তটাই বন্ধ করতে হবে। বাংলাকে অন্যায় অত্যাচার খুন, ধর্ষণ মুক্ত হতে হবে। এই নৃশংসতা ধ্বংসের খেলা বন্ধ করতে হবে। বিচারের দাবিতে, মানুষ সরব হয়েছেন। মানুষকে বিচার দিতেই হবে। বিচার পাওয়া মানুষের জন্মগত অধিকার। মনে রাখবেন সত্য এবং অপরাধ চিরদিন চাপা রাখা যায় না। একদিন না একদিন প্রকাশ পাবেই। ঠিক তেমনি আরজি করে নির্যাতিতাও বিচার পাবেন। আমরা এই পরিবেশ থেকে দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি! জখম ৩

    BJP Bangla Bandh: ভাটপাড়ায় বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাবাজি! জখম ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্ধের (BJP Bangla Bandh) মধ্যেই চলল গুলি। বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সাত সকালে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। গুরুতর জখম ব্যক্তি বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডের গাড়ির চালক। তিনিও বিজেপি কর্মী বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জখম বিজেপি কর্মীর রক্তবমি হচ্ছে, অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বিজেপির ডাকা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) সমর্থন করতে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো ভাটপাড়ায় (Bhatpara) বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় নামেন। বন‍্‍ধ বানচাল করতে তৃণমূলের লোকজনও জমায়েত হন। এদিন সকালে ভাটপাড়ায় বিজেপির পক্ষ থেকে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই মিছিলে যোগ দিতেই কাঁকিনাড়া থেকে গাড়ি করে বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডে যাচ্ছিলেন। ঘোষপাড়া রোডে তাঁর গাড়়ি যাওয়ার সময় বেশ কিছুটা দূরে তৃণমূলের লোকজন জমায়েত করেছিলেন। আচমকা সেই জমায়েত থেকে এক যুবক বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি চালকের ডান কান ঘেঁষে গুলি বেরিয়ে যায়। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট, পাথর ছোড়া হয়। বোমাবাজিও করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতা প্রিয়াঙ্গু পাণ্ডে বলেন, ‘‘বন‍্ধের সমর্থনে দলীয় মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছিলাম। তখনই হামলার ঘটনা ঘটে। পাথর ছোড়ার সঙ্গে এভাবে গুলি, বোমা ছুড়বে তা ভাবতে পারিনি। গাড়ির চালক সহ আমরা তিনজন জখম হয়েছি। দুজনের চোট গুরুতর। হাসপাতালে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন অর্জুনের

    বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন। তিনি বলেন, ‘‘বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) বানচাল করতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রাস্তায় নেমেছে। তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছে। ছয়-সাত রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। বিজেপি নেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, বোমাও ছোড়া হয়েছে। তাতে দুজন জখম হয়েছে। এছাড়া বিজেপি নেতার অল্পবিস্তর চোট লেগেছে। সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। আর প্রকাশ্যে গুলি চালানো হলেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল। পুলিশ তৃণমূলের তাঁবেদারি করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Flood: ‘কথা বলেই ফরাক্কার জল ছাড়া হয়েছে’, বাংলাদেশে বন্যা নিয়ে বার্তা ভারতের

    Bangladesh Flood: ‘কথা বলেই ফরাক্কার জল ছাড়া হয়েছে’, বাংলাদেশে বন্যা নিয়ে বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। বানভাসি (Bangladesh Flood) ওপার বাংলা। এহেন আবহে বারবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতকে দায়ী করে নানা পোস্ট করা হচ্ছে। কখনও গোমতীর জল, কখনও আবার ফরাক্কার জলে বাংলাদেশ প্লাবিত বলে দাবি করা হচ্ছে। আর এনিয়েই ভারতকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে পড়শি দেশ। দু’দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফরাক্কা ব্যারাজের গেট খোলায় বিপত্তি হয়েছে বলে অভিযোগ সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের। এবার তারই জবাব দিল ভারত সরকার। ভারতের তরফে বারংবার একটা দাবি করা হয়েছে, এটা ভারতের একার সিদ্ধান্ত নয়, প্রতিবারের মতো বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলেই জল ছাড়া হয়েছে।

    সরকারি মুখপাত্র কী বললেন? (Bangladesh Flood)

    সরকারি মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “আমরা দেখছি একাধিক সংবাদমাধ্যম এবং সোশাল মিডিয়ায় নানা ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ছে। বলা হচ্ছে ফরাক্কা থেকে ১১ লক্ষ কিউসেক জল গঙ্গা এবং পদ্মায় ছাড়ার জন্য না কি বাংলাদেশে বন্যা (Bangladesh Flood) হচ্ছে। কিন্তু এটা তো প্রতিবছর এই মরসুমে হয়। বর্ষায় বৃষ্টি হলে নদীর জলস্তর এমনই বাড়তে থাকে। আর এটাও মনে রাখতে হবে এটা ড্যাম নয়, ব্যারেজ। দুই নদীতে জলস্তর ঠিক রাখতেই ফরাক্কা বিশাল কাজ থাকে। আর প্রোটোকল মেনেই বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে ডেটা জানিয়ে উদ্বেগও জানানো হয়। প্রতি বছরই তা করা হয়, এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আর বন্যায় বাংলাদেশ যখন ভাসছে, তখন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে, ফরাক্কার ১০৯টি গেটের সবগুলিই খুলে দেওয়া হয়েছে। তাই নাকি বাংলাদেশে এমন প্লাবণ। কিন্তু ফরাক্কা ব্যারাজ। তাই নির্দিষ্ট পরিমাণের পর আর জল ধরে রাখতে পারে না। বর্ষায় ফি বছরই গেটগুলি খোলা থাকে।”


     বাংলাদেশের ৮টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত

    বাংলাদেশের (Bangladesh Flood) সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বন্যায় দেশটির ৮ জেলার ৩৫৭টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ২৯ লক্ষ মানুষ। জলবন্দি হয়ে পড়েছে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার ৮৪০টি পরিবার। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাদুর্গত আটটি জেলা হল ফেনি, কুমিল্লা, নোয়াখালি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এদিকে এর আগে বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারত ত্রিপুরার গোমতী নদীর ডুম্বুর বাঁধের স্লুইস গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে সেই অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গোমতী নদীর ডুম্বুর বাঁধ খুলে দেওয়ায় বন্যার যে দাবি বাংলাদেশের তরফে করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত গোমতী নদীর অববাহিকায় গত কয়েকদিন ধরে চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share