Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nabanna Abhijan: হাতে জাতীয় পতাকা, জলকামান-টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করেই নবান্নর পথে প্রতিবাদীরা

    Nabanna Abhijan: হাতে জাতীয় পতাকা, জলকামান-টিয়ার গ্যাস উপেক্ষা করেই নবান্নর পথে প্রতিবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছিল ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্রসমাজ’, যাকে ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল শহর কলকাতা ও হাওড়ার বেশকিছু এলাকা। ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধে হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় (Protest March)। এদিকে নবান্নে যাওয়ার সমস্ত রাস্তা বিশাল ব্যারিকেড করে বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অভিযান আটকাতে সাঁতরাগাছি, হাওড়া ময়দান, ফরশোর রোড, লক্ষ্মীনারায়ণতলা এবং মন্দিরতলায় বড় ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। এর পর বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেডের কাছে পৌঁছলে তাদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ও জল কামান ছোড়ে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার পর আন্দোলনকারীদের ধরপাকড়ও শুরু করে পুলিশ। তার মধ্যে স্লোগান ওঠে, ‘দফা এক দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। 

    আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে লাঠি চার্জ (Nabanna Abhijan) 

    নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় হাওড়ায়। জল কামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল উপেক্ষা করে নবান্নর দিকে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। নিজেদের দাবিতে অনড় ছিলেন প্রতিবাদীরা (Protest March)। তাঁদের দাবি— মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ। ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে স্লোগান দিতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। কারও হাতে প্ল্যাকার্ড, লেখা ‘মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। আবার ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘উই ওয়াণ্ট জাস্টিস’। বৃহৎ মিছিল নিয়ে একাধিক জায়গা থেকে নবান্নের (Nabanna Abhijan) দিকে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার জন্য সুবিচার চেয়ে এগিয়ে চলেন। অপর দিকে পুলিশ জল কামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবিতে অনড়। সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেছেন আন্দোলনকারীরা (Protest March)। অপর দিকে হাওড়ায় আন্দোলনকারীদের নির্বিচারে লাঠি চার্জ করলে পাল্টা জন সাধারণের সঙ্গে তুমুল ধুন্ধুমার বাঁধে। ইতিমধ্যে অনেক পড়ুয়া এবং সাধারণ মানুষ লাঠির আঘাত এবং কাঁদানে গ্যাসের কারণে আহত হয়েছেন। অপর দিকে এক পুলিশ কর্তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। একই ভাবে কলেজ স্ট্রীট থেকে ছাত্র সমাজের আরও একটি মিছিল নবান্নের দিকে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ মিছিল আটকাতে রাস্তায় অত্যন্ত মরিয়া হয়ে উঠেছে।

    নবান্নর সামনে চলে এলেন প্রতিবাদীরা

    একদিকে, যখন আন্দোলনকারীদের (Protest March) ঠেকাতে মরিয়া মমতার পুলিশ, ঠিক সেই সময় নবান্নর একেবারে সামনে চলে আসেন প্রতিবাদীরা। নবান্ন (Nabanna Abhijan) থেকে ১০ মিটার দূরে হঠাৎই আন্দোলনকারীরা চলে আসেন। আন্দোলনকারীরা হঠাৎই চলে আসেন নর্থ গেটের থেকে ১০ মিটার দূরে। নবান্নের সামনে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা সত্ত্বেও চলে আসেন আন্দোলনকারীরা। ব্যারিকেডের সামনেই বসে পড়েন তাঁরা (Protest March)। বসে স্লোগান দিতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। জাতীয় পতাকা হাতে চিৎকার করতে শুরু করেন। বলতে থাকেন ‘দাবি এক, দফা এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। খানিকক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন তাঁরা। পরে পুলিশ তাঁদের সরিয়ে দেয়।

    সাঁতরাগাছিতে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা (Protest March)

    সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। একের পর এক ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে উপড়ে ফেলেন। আন্দোলনকারীরা (Nabanna Abhijan) মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগের দাবি করলে, পুলিশের সঙ্গে ছাত্র সমাজের ব্যাপক বাদানুবাদ বাঁধে। ব্যারিকেড তুলে ফেলতেই আন্দোলনকে দমন করতে একযোগে পুলিশ এবং র‌্যাফ নামে ঘটনাস্থলে। এরপর জল কামান থেকে শুর হয় জল বর্ষণ। পুলিশ সামনে এগিয়ে যেতেই আন্দোলনকারীরা কিছু সময়ের জন্য পিছিয়ে যান। এরপর আবার আন্দোলনকারীরা সামনে এগিয়ে যান।

    হাওড়ায় জল কামান বর্ষণ

    অপরদিকে হাওড়া ব্রিজের উপর আরও একটি দল নবান্নের দিকে যেতে ব্যারিকেডকে সরিয়ে ক্রমেই এগিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু পাল্টা পুলিশ বিশাল এই মিছিলের (Nabanna Abhijan) লোকজনকে আটকাতে অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে। আচমকা পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। একই ভাবে ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল। এরপর উত্তেজিত জনতার রোষ সামলাতে জলকামান থেকে শুরু করা হয় জলবর্ষণ। এখানে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে সবকিছুকে অতিক্রম করে মানুষ আন্দোলনে এখনও অনড় হয়ে ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘আদালতে দেখা হবে…’’, ধৃত ৪ ছাত্রকে আইনি সহায়তার আশ্বাস, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    কলেজ স্ট্রীটের মিছিলে (Protest March) স্কুল পড়ুয়ারা

    আন্দোলন (Nabanna Abhijan) আটকাতে পুলিশ ব্যারিকেডের উপর মোবিল এবং গ্রিজ লাগিয়ে দিয়েছিল পুলিশ। একই ভাবে রাস্তা আটকাতে শহরের একাধিক জায়গায় ক্রেনের মাধ্যমে বড় বড় কন্টেনার নামিয়ে দেয় পুলিশ। কলজে স্ট্রিট এবং এজসি বোস রোডে রাস্তার উপর কন্টেনার নামানো হয়। এগুলির সামনে বেশ কিছু ক্রেন রাখা ছিল। এদিকে কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ‘নবান্ন চলো’ ব্যানার লিখে একটি বড় মিছিল যাত্রা শুরু করে। এই মিছিলে স্কুল পড়ুয়ারাও যোগদান ছিলেন। এদিকে এই আন্দোলনকে সমর্থন করে কল্যাণীর বিজেপি নেতা অম্বিকা রায় যোগ দেন। একই সঙ্গে মিছিলে (Protest March) দেখা গিয়েছে বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংকে। মানুষের একটাই দাবি, ‘নির্মম মমতার পদত্যাগ’। 

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    Ramakrishna 115: “একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে প্রয়োজন নাই”

    সার্কাস রঙ্গালয়েগৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    শ্রীযুক্ত মনোমোহন ও শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্রের বাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণ

    পরের পরিবারে (১৯ শে নভেম্বর ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ) জগদ্ধাত্রীপূজা, সুরেন্দ্র নিমন্ত্রণ করিয়াছেন। তিনি ঘর বাহির করিতেছেন—কখন ঠাকুর (Ramakrishna) আসেন। মাস্টার দেখিয়া তিনি বলিতেছেন (Kathamrita), তুমি এসেছ, আর তিনি কোথায়? এমন সময় ঠাকুরের গাড়ি আসিয়া উপস্থিত। কাছে শ্রীযুক্ত মনোমোহনের বাড়ি, ঠাকুর প্রথমে সেখানে নামিলেন, সেখানে একটু বিশ্রাম করিয়া সুরেন্দ্রের বাড়িতে আসিবেন।

    মনোমোহনের বৈঠকখানায় ঠাকুর বলিতেছেন, যে আকিঞ্চন যে দীন তাঁর ভক্তি ঈশ্বরের প্রিয় জিনিস। খোল মাখানো জাব যেমন গরুর প্রিয়! দুর্যোধন অত টাকা অত ঐশ্বর্য দেখাতে লাগল; কিন্তু তার বাটিতে ঠাকুর গেলেন না। তিনি বিদুরের বাটি গেলেন। তিনি ভক্তবৎসল, বৎসরের পাছে যেমন গাভী ধায় সেইরূপ তিনি ভক্তের পাছে পাছে যান।

    ঠাকুর (Ramakrishna) গান গাহিতেছেনঃ

    যে ভাব লাগি পরম যোগী, যোগ করে যুগ-যুগান্তর।

    হলে ভাবের উদয় লয় সে যেমন লোহাকে চুম্বক ধরে।

    চৈতন্যদেবের কৃষ্ণনামে অশ্রু পড়ত। ঈশ্বরই বস্তু, আর সব অবস্তু। মানুষ মনে করলে ঈশ্বরলাভ করতে পারে। কিন্তু কামিনী-কাঞ্চন ভোগ করতেও মত্ত। মাথায় মাণিক রয়েছে তবু সাপ ব্যাঙ খেয়ে মরে!

    ভক্তিই সার। ঈশ্বরকে (Ramakrishna) বিচার করে কে জানতে (Kathamrita) পারবে। আমার দরকার ভক্তি। তাঁর অনন্ত ঐশ্বর্য অত জানবার কি দরকার? এক বোতল মদে যদি মাতাল হই শুড়ির দোকানে কত মন মদ আছে, সে খবরে আমার কি দরকার? একঘটি জলে আমার তৃষ্ণার শান্তি হতে পারে; পৃথিবীতে কত জল আছে, সে খবরে আমার প্রয়োজন নাই।

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    PM Modi: “হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় জোর দিয়েছি”, বাংলাদেশ ইস্যুতে বাইডেনকে বলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে জোর দিয়েছি।” মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে আলোচনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh Crisis) নিয়েও আলোচনা করেছি এবং দ্রুত স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরে।”

    মোদির শিরঃপীড়ার কারণ হিন্দু নিপীড়ন (PM Modi)

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে হিংসার আগুন জ্বলছে বাংলাদেশে। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দুদের। ঘরবাড়ি জ্বালানোর পাশাপাশি করা হয় খুন। হিন্দু মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ধর্ষণের অভিযোগও উঠেছে। জোর করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় হিন্দু পদাধিকারিদের। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর হিংসা ওঠে চরমে। পড়শি দেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিরঃপীড়ার কারণ, তার আঁচ মিলেছিল ১৫ অগাস্ট, ৭৮তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এদিন দিল্লির লালকেল্লায় দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “১৪০ কোটি ভারতীয় হিন্দু বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। ভারত সর্বদাই বাংলাদেশের শুভাকাঙ্খী। ভারত বাংলাদেশের অগ্রগতি চায়। আমরা আশা রাখি, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শীঘ্রই স্বাভাবিক হবে। ভারতীয়রা চায়, বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হোক।”

    আরও পড়ুন: ভারত-বিরোধী জঙ্গি জসিমউদ্দিনকে মুক্ত করল বাংলাদেশ সরকার

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    বাইডেনকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত সব সময় শান্তি বজায় রাখার পক্ষে। আমেরিকা ও ভারত দুই দেশই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।” ইউক্রেন ইস্যুতেও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইউক্রেনের পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আমাদের বিশদ মত বিনিময় হয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই ইউক্রেন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বৈঠক করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে। বর্তমান (Bangladesh Crisis) যুগে যুদ্ধে যে কোনও সুফল মেলে না, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা, পুলিশ কমিশনারের ফোন বাজেয়াপ্ত করুক সিবিআই’, দাবি সুকান্তর

    RG Kar Incident: ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা, পুলিশ কমিশনারের ফোন বাজেয়াপ্ত করুক সিবিআই’, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) কাণ্ডে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। আদালতের নির্দেশে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও করছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে রবিবার সাতসকালে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ করের বাড়ি সহ ১৫টি জায়গায় সিবিআই দল হানা দিয়েছিল। এবার দুর্নীতির তদন্তে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফলে, আরজি কর দুর্নীতির তদন্তে মমতাকে নিশানা করলেন সুকান্ত। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফোন বাজেয়াপ্ত করার দাবি (RG Kar Incident)

    সুকান্ত  (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস, সিবিআই এই তদন্তের মধ্যে দিয়ে বাংলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় (RG Kar Incident) যে ঘুন ধরেছে, বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অস্বাস্থ্যকর হয়ে গিয়েছে, তাকে ঠিক করার দিকে অগ্রসর হবে। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালায় একটা দুষ্ট চক্র। এই চক্রে বেশ কিছু প্রভাবশালী ডাক্তার আছেন। সবাই মিলেই ডুববেন। চিন্তা নেই। বাংলার মানুষ দেখতে চাইছেন, কবে বাংলার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ঢুকে সিবিআই রেড করবে। যাঁরা যাঁরা দুর্নীতিতে এবং চক্র চালানোতে জড়িত, তাঁদের সবার বাড়িতে সিবিআই পৌঁছবে। এটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু, বারবার একটা কথাই বলছি, বাংলার মানুষের ইচ্ছা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বাড়িতে সিবিআই যাক। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ফোনটা বাজেয়াপ্ত করুক। নারায়ণ স্বরূপ নিগম সাহেবের ফোনটা, বিনীত গোয়েলের ফোনটা বাজেয়াপ্ত করুক। দুজন যে মাথা রয়েছে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমার তাঁদের ফোনের তদন্ত হওয়া উচিত। এঁরা হলেন নাটের গুরু। তাঁরা দুজনে ওপরে বসে সমস্ত বুদ্ধিদাতার কাজ করেন।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিজেপির একগুচ্ছ কর্মসূচি

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) দোষীদের শাস্তি এবং মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে আগামী সপ্তাহে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অবস্থান বিক্ষোভ সহ চাক্কা বন‍্ধের ডাক। জানা গিয়েছে, আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে ২৮ অগাস্ট ধর্মতলা থেকে ধর্না কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে ২৮ অগাস্ট রাজ্য মহিলা কমিশনের দফতরে তালা লাগানোর কর্মসূচি রয়েছে। ২৯ অগাস্ট প্রতিটি জেলায় বেলা ১২টা নাগাদ জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও করা হবে। ২ সেপ্টেম্বর জেলার সমস্ত ব্লকে সকাল ১১টা থেকে এক দিনের অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে চাক্কা বন‍্ধের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ন্যায় বিচারের দাবিতে বুধবার ধর্মতলা অভিযানের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    RG Kar Rape-Murder: ন্যায় বিচারের দাবিতে বুধবার ধর্মতলা অভিযানের ডাক জুনিয়র ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) চিকিৎসক তরুণীর হত্যাকাণ্ডে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। বিজেপি সরাসরি এই আন্দোলনের ডাক না দিলেও, নৈতিক সমর্থন করে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মিছিলে থাকার বার্তা দিয়েছে। একই ভাবে বাংলার প্রত্যেক পরিবার থেকে একজন করে আন্দোলনে যোগদানের জন্য আহ্বান করা হয়েছে। ঠিক একই ভাবে ন্যায় বিচারের (justice) দাবিতে জুনিয়র ডাক্তাররা বুধবার ধর্মতলা অভিযানের কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁরাও সমাজের সকল স্তরের আপামর জন সাধারণ মানুষকে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন।

    দুপুর ১২ টায় শ্যামবাজার থেকে মিছিল (RG Kar Rape-Murder)

    সোমবার, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন নাগরিক গণ কনভেনশনের বৈঠক হয়। সেখানে ‘অভয়া’র হত্যাকারীদের (RG Kar Rape-Murder) ফাঁসির দাবিতে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টায় শ্যামবাজার থেকে শুরু হবে ডাক্তারদের মিছিল। এই মিছিলে যে শুধু জুনিয়র ডাক্তাররাই থাকবেন তা নয়, বড় অংশের সাধারণ ছাত্র সমাজও থাকবেন। তাঁদের সঙ্গে থাকবেন তাঁদের পরিবার-পরিজনরাও। একই ভাবে, বিশিষ্ট নাগরিক থেকে শুরু করে শিক্ষক, অভিনেতা, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী-সহ সমাজের একটা বড় অংশ আন্দোলনে যোগদান করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীকে জবাব দিতে হবে

    কনভেনশনের বক্তব্যে এদিন উঠে আসে, ‘‘বিচার দাবি করে পাওয়া যাবে না, ছিনিয়ে আনতে হবে। রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অপরাধতন্ত্র চলছে। দুর্নীতি দেখেছিল বলেই তরুণী চিকিৎসককে খুন (RG Kar Rape-Murder) হতে হয়েছে। যে শাসক দল বলে খেলা হবে, সেই খেলাকে আমরা মানি না। হাসপাতাল হল প্রাণ বাঁচানোর জায়গা এখানে কোনও হত্যালীলা চলতে পারে না। আন্দোলন আরও চালিয়ে যেতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী আবার স্বাস্থ্যমন্ত্রীও তাই প্রশ্ন তাঁকেও করতে হবে। তাই মমতা বন্দ্যোয়াধ্যায়কে জবাব দিতে হবে।’’

    আরও পড়ুনঃ নবান্ন অভিযান নিয়ে শঙ্কিত পুলিশ! ছাত্র আন্দোলন নিয়ে কীসের ভয় মমতার?

    উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা

    নাগরিক কনভেনশনের মঞ্চে (RG Kar Rape-Murder) এদিন নির্যাতিতার ন্যায় বিচারের (justice) দাবিতে অনেক সিনিয়র ডাক্তার, গবেষকরা যোগদান করেছিলেন। একই ভাবে একাধিক বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা অংশ গ্রহণ করেছেন। বিশিষ্ট চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন, উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায়, কাজলকৃষ্ণ বণিক, পুণ্যব্রত গুণ, বিনায়ক সেন প্রমুখ। একই ভাবে বিশিষ্ট অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে ছিলেন সোহিনী সরকার, দেবলীনা দত্ত, জিতু কমল, মীর আলি-সহ আরও অনেকে। ন্যায় বিচারের দাবিতে সকলেই সরব হয়েছেন এদিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    RG Kar: ‘স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট’ কি সব হাসপাতালেই সক্রিয়? কাদের দাপটে চলছে এই সিন্ডিকেট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রোগ ছড়িয়েছে সর্বত্রই! অন্তত এমনই অভিযোগ তুলছে রাজ্যের চিকিৎসক মহল। দুর্নীতির শিকড় (Health Syndicate) নাকি গভীরে পৌঁছে গিয়েছে! আরজি কর (RG Kar) হাসপাতাল ব্যতিক্রম নয়, রাজ্যের অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজেই চলছে এমন দুর্নীতি। এমন অভিযোগ তুলেই সরব হয়েছে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ। আর তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক কলেজ কাউন্সিল অভিযুক্ত চিকিৎসক ও পদাধিকারীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে! এমনটাই জানাচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহল।

    স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট কী?

    রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজেই এক অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে। কলেজের হস্টেলে ঘর পাওয়া থেকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার অনুমতি, এমনকী পাশ করানোর ক্ষেত্রেও দুর্নীতির এই চক্র সক্রিয় থাকে। তাঁদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা না করলে পড়ুয়াদের পাশ করানো হবে না, এমন হুমকিও দেওয়া হয়। পাশপাশি অভিযোগ, ইন্টার্ন কিংবা হাউজ স্টাফদের হুমকি দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা না দিলে ওই পড়ুয়ার এমবিবিএস সার্টিফিকেট আটকে দেওয়া হবে। এমনকী এমবিবিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রেরও ‘দাম’ নির্ধারিত রয়েছে। মেডিক্যাল পড়ুয়াদের একাংশ জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট দাম দিতে পারলে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া যায়। এমনকী পরীক্ষার সময়ে অবাধে বই দেখে লেখার সুযোগও পাওয়া যায়।

    কাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ?

    সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, রাজ্যের কয়েকজন প্রভাবশালী চিকিৎসক এই স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের মাথায় রয়েছেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এনআরএস হাসপাতাল, এমনকী খোদ স্বাস্থ্য ভবনেও রাজ্যের শাসক দলের ঘনিষ্ঠ কিছু চিকিৎসকের ছবি দিয়ে পোস্টার আটকেছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, ওই চিকিৎসক নেতাদের অঙ্গুলি হেলনেই রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য দুর্নীতি চলছে। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, রাজ্য স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য এবং বারাসত মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সুহৃতা পাল এবং রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা সুদীপ্ত রায়, শাসক ঘনিষ্ঠ এই তিন চিকিৎসক রাজ্যের একাধিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজে নানান অসাধু চক্র চালাচ্ছেন।

    কেন উঠছে অভিযোগ?

    আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর পরেই রাজ্যের চিকিৎসক মহল সরব হয়। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার পাশপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য দুর্নীতি নিয়েও নানান অভিযোগ উঠছে। নির্যাতিতার মৃত্যুর (RG Kar) পিছনে এই দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করার কারণও থাকতে পারে বলে মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ। কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষের দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। 
    আর তার সঙ্গেই জোরালো হচ্ছে রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালেও দুর্নীতির আঁতুরঘরের অভিযোগ। সম্প্রতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে সরব হন পড়ুয়া ও চিকিৎসকদের একাংশ। এরপরেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ওই হাসপাতালের আরও তিনজন চিকিৎসক-শিক্ষকের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের হেনস্থা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ওঠে। এরপরেই দ্রুত কলেজ কাউন্সিলের তরফে ওই তিন জন চিকিৎসক-শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত কলেজের কোনও কাজ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নর্থ বেঙ্গল মেডিক্যাল কলেজেও পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে নানান অভিযোগ উঠছে। অসৎ উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া এবং পাশ করানোর অভিযোগও উঠেছে। যদিও ওই কলেজ কর্তৃপক্ষ এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। আর এই সব ঘটনার জেরেই জোরালো হচ্ছে রাজ্য জুড়ে স্বাস্থ্য সিন্ডিকেটের অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযুক্তরা?

    রাজ্যের স্বাস্থ্য সিন্ডিকেট নিয়ে মূলত তিনজন চিকিৎসকের নাম বারবার সামনে আসছে। এই নিয়ে অবশ্য স্বাস্থ্য ভবন মুখ খুলতে চায়নি। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের (Health Syndicate) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এই বিষয়ে কিছুই বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন। আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। সুহৃতা পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনের উত্তর দেননি। সুদীপ্ত রায় অবশ্য জানান, তিনি কোনও মন্তব্য করবেন না।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champai Soren: পদ্ম শিবিরে চললেন চম্পাই সোরেন, ভোটের আগে বিপাকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    Champai Soren: পদ্ম শিবিরে চললেন চম্পাই সোরেন, ভোটের আগে বিপাকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন ‘ঝাড়খণ্ডের বাঘ’ চম্পাই সোরেন (Champai Soren)। সোমবার রাতে এ খবর জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sharma)। এ বছরই ঝাড়খণ্ড বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে চম্পাই গেরুয়া খাতায় নাম লেখালে ঝাড়খণ্ডে যে শাসক দল ঝড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) বিপাকে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি জানান, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    চম্পাইকে সরতে হয় (Champai Soren)

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রবীণ নেতা চম্পাই। ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন। তখনই হেমন্তর স্ত্রীকে ওই পদে না বসিয়ে বসানো হয় চম্পাইকে। হেমন্ত জামিন পাওয়ার পর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করা হয় চম্পাইকে। তখন থেকেই জেএমএম-এর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে চম্পাইয়ের (Champai Soren)। তাঁর অভিযোগ, দলের নেতারা তাঁকে অসম্মান করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই থেকে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হচ্ছিল চম্পাইয়ের। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, চম্পাইয়ের সেই ক্ষোভকেই কাজে লাগাল গেরুয়া শিবির।

    কবে যোগ চম্পাইয়ের?

    দিন কয়েক আগে ক্ষুব্ধ চম্পাই জানিয়েছিলেন, নতুন দল গঠন করছেন তিনি। বছর সাতষট্টির চম্পাই কবে নয়া দল গড়বেন, তা নিয়ে জল্পনার আবহেই সোমবার অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sharma) বলেন, “আমি চাই চম্পাই সোরেন বিজেপিতে (BJP) যোগ দিন। আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করুন।” সোমবার রাতে দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন চম্পাই। তার পরেই তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার ৩০ অগাস্ট রাঁচিতে পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন তিনি। শাহের সঙ্গে বৈঠকের ছবি পোস্ট করে হিমন্ত লেখেন, ‘‘কিছুক্ষণ আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আদিবাসী নেতা চম্পাই সোরেন। ৩০ অগাস্ট রাঁচিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবেন বিজেপিতে (BJP)।” এ ব্যাপারে অবশ্য চম্পইয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    প্রসঙ্গত, ঝড়খণ্ডের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের বাবা শিবু সোরেনকে রাজনৈতিক ‘গুরু’ বলে মনে (Himanta Biswa Sharma) করেন চম্পাই। সেই ‘গুরু-পুত্র’র সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরেই চম্পাই (Champai Soren) নাম লেখাতে চলেছেন গেরুয়া (BJP) খাতায়। তাও আবার এমন একটা সময়, যখন শিবু-হেমন্তের রাজ্যে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল, নাকি গরু চরার মাঠ’’, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুলোধনা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল, নাকি গরু চরার মাঠ’’, ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তুলোধনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলছে। চিকিৎসকদের লাগাতার আন্দোলনে ইতিমধ্যেই যোগ দেওয়ার কথা বলেছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। একইসঙ্গে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করেছেন তাঁরা। এই আবহে সোমবার সন্ধ্যায় নির্যাতিতার বাড়িতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি।

    আন্দোলন জোরদার করার ডাক (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘রবিবার ধর্না মঞ্চ থেকে জানিয়েছিলাম, আরজি করের নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে দেখা করব তাঁর বাবা, মা’র সঙ্গে। সেই মতো নির্যাতিতার বাড়িতে এসে তাঁদের সমবেদনা জানালাম। ওর বাবা, মা অত্যন্ত মর্মাহত। তাই বেশি সময় আমি ছিলাম না। ওঁরা সবাইকে অনুরোধ করেছেন আন্দোলন চালিয়ে যেতে যাতে ন্যায়বিচার হয়। কী কারণে মেয়ের এই পরিণতি হল? সেই প্রশ্নের জবাব খুঁজছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। কোনও ধর্ষিতা এই রাজ্যে ন্যায় পাচ্ছে না। সব থেকে বড় উদাহরণ কামদুনি। তখন আইজি সিআইডি ছিলেন বিনীত গোয়েল। এখন উনিই কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাই, পরিবারের সন্দেহ, আন্দোলন থেমে গেলে ন্যায়বিচার হবে না। সে জন্য আমিও আবেদন জানাচ্ছি সকলের কাছে। রাজনৈতিক রং দূরে সরিয়ে সকলে সামিল হন আন্দোলনে। যেভাবে আন্দোলন চলছে, তার থেকেও তীব্র প্রতিবাদ হওয়া উচিত।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    নবান্ন অভিযান নিয়ে হুঁশিয়ারি

    নবান্ন অভিযানে পুলিশের অনুমতি না-থাকা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী ভয়ে আছেন। কোনও অভিযানের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয় না। নবান্ন অভিযান অরাজনৈতিক। এর প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। আগেও বলেছি সেখানে যাব না। তবে, এমন পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয় যেখানে আমাদের পথে নামতে বাধ্য করা হয়। নবান্ন অভিযানে পুলিশ দমন-পীড়ন করলে, বিজেপি পাল্টা নবান্ন অভিযানের ডাক দেবে।’’

    ক্রাইম স্থল নাকি গরু চরার মাঠ!

    আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Incident) সেমিনার হলের ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘ওটা ক্রাইম স্থল নাকি গরু চরার মাঠ! সেটাই তো বোঝা দায়! দেখে মনে হচ্ছে, নাটকের পুরো স্ক্রিপ্ট রচিত হয়েছে আগেই। ওই ভিডিওতে সবকিছু প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দেখে মনে হয়েছে, কী করতে হবে। কী বলতে হবে। সেই চিত্রনাট্য যেন আগে থেকেই তৈরি। অপরাধীরা শাস্তি পাচ্ছে না বলে মানুষ প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ। কারণ, প্রমাণ গায়েব করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রমাণ ছিল মৃতদেহ। স্থানীয় বিধায়ক শ্মশান ও লোকাল প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অন্য মৃতদেহ টপকে নির্যাতিতার দেহ দাহ করেছে। এরকম ঘটনা অন্য কোনও রাজ্যে ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই। এখন তো আমার মনেও সন্দেহ, যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে আদৌ অপরাধী কি?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 27 August 2024: সকালের দিকে অশান্তির জন্য মন ভালো থাকবে না এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 27 August 2024: সকালের দিকে অশান্তির জন্য মন ভালো থাকবে না এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত আশার জন্য বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তির ব্যাপারে আইনি সাফল্য আসতে পারে।

    ২) বাড়িতে বিরোধী মনোভাব ত্যাগ করাই ভালো হবে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) কোনও বিবাদ মারামারি পর্যন্ত যেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কর্কট

    ১) সকালের দিকে অশান্তির জন্য মন ভালো থাকবে না।

    ২) কর্মজগতে জনপ্রিয়তা পেতে পারেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) বাড়িতে সুসংবাদ আসতে পারে।

    ২) নতুন কাজের সন্ধান করতে হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

    কন্যা

    ১) কাজের চাপে ক্লান্তি আসতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর দ্বারা ব্যবসায় উপকার পেতে পারেন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) উদ্বেগের জন্য কোনও কাজ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের চিকিৎসার কাজে অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) অপরকে সুখী করতে গেলে আত্মত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) সঙ্গীতে নাম বাড়তে পারে।

    ২) অতিরিক্ত লোভ আপনার জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) সংযমী হতে হবে।

    মকর

    ১) বন্ধুদের থেকে একটু সাবধান থাকুন, অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) কারও সমালোচনা করতে যাবেন না, সমস্যা হতে পারে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধির যোগ আছে।

    ২) উপকারের বিনিময়ে অপমানিত হতে হবে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) বিশেষ ব্যক্তির দ্বারা সংসারে উন্নতির যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ২) সন্তানদের পরীক্ষার ফল ভালো হবে। 

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Halisahar: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    Halisahar: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। দোষীদের শাস্তির দাবিতে রবিবার সন্ধ্যায় হালিশহরে (Halisahar) ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকরা মিছিল বের করেন। তাঁদের প্রিয় ফুটবল দলের পতাকা ও জার্সি গায়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। সেই মিছিলেই মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করার অভিযোগ উঠল হালিশহর থানার এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় এক মহিলাকে হেনস্থাও করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, ওই পুলিশ কর্মীকে ধরে স্থানীয় লোকজন তুমুল বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Halisahar)

    রবিবার সন্ধ্যায় বীজপুর থানা মোড় থেকে হালিশহর (Halisahar) বাগমোড় পর্যন্ত আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে সুবিচারের দাবিতে মিছিল বের হয়। প্রতিবাদ মিছিলকে ঘিরে যাতে কোনও অশান্তি না ছড়ায় সেজন্য সেখানে হাজির ছিল হালিশহর থানার পুলিশ। অভিযোগ, এক কনস্টেবল সেখানে মদ্যপ অবস্থায় ডিউটি করছিলেন। কাজ থেকে ফেরার পথে বিষয়টি এক মহিলার নজরে আসে। তিনি তার প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, ওই পুলিশ কর্মী উল্টে ওই মহিলাকে হেনস্থা করেন। এমনকী গালিগালাজ করেন। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ওই পুলিশ কর্মীকে ঘিরে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ। সহকর্মীরা কোনওভাবে সেখান থেকে ওই পুলিশ কর্মীকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে, ওই মহিলাসহ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান সমর্থকরা হালিশহর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    মহিলা কী বক্তব্য?

    মহিলার বক্তব্য, আমি কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলাম। আরজি কর (RG Kar Incident) নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল দেখে আমি তাতে সামিল হতে যাই। সেই সময় মদ্যপ অবস্থায় এক পুলিশ কর্মী বেসামালভাবে হাঁটছিলেন। আমি তার প্রতিবাদ করতেই তিনি আমাকে গালিগালাজ করেন। আমাকে হেনস্থা করেন। আমি ওই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে হালিশহর (Halisahar) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share