Tag: Bengali news

Bengali news

  • Nabanna Abhijan: ‘ছাত্র সমাজের’ নবান্ন অভিযানকে সমর্থন বিজেপির, জানিয়ে দিলেন সুকান্ত

    Nabanna Abhijan: ‘ছাত্র সমাজের’ নবান্ন অভিযানকে সমর্থন বিজেপির, জানিয়ে দিলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি বিভিন্ন অরাজনৈতিক সংগঠন। আন্দোলনে সামিল হয়েছে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা। এই আবহের মধ্যে এবার নির্যাতিতার সুবিচারের দাবিতে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। নিজেদের অরাজনৈতিক বলেই দাবি করেছে তারা। তবে, কোনও রাজনৈতিক দল চাইলেই সমর্থন করতে পারে তাদের কর্মসূচিকে। ছাত্র সমাজের ডাকে সাড়া দিয়ে বিজেপি এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে। এরমধ্যে আবার ২৭ অগাস্ট যে নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে, তাতে রাজনীতির রং লাগছে বলে এদিনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পুলিশের কর্তারা। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত? (Nabanna Abhijan)

    এমনিতেই সিপিএম প্রথম থেকেই জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই কর্মসূচিতে নেই। তবে, অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, ছাত্রদের অধিকার আছে যে পথেই হোক প্রতিবাদ করার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আন্দোলনকে (Nabanna Abhijan) দেখে ভয় পেয়েছেন। তাই মেঘের আড়ালে লুকিয়ে তির চালাচ্ছেন। সামনে এসে লড়ার সৎ সাহস নেই, পুলিশকে সামনে রেখে এসব অভিযোগ করছে। নবান্ন অভিযান কর্মসূচির আমরা উদ্যোক্তা না হলেও আন্দোলনে আমাদের সমর্থন আছে।” এদিন সুকান্ত দাবি করেন, “ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হলে সীমান্তে যত না ব্যারিকেড করা হবে, তার থেকে বেশি ব্যারিকেড রাজ্য পুলিশ দিচ্ছে। ভয়ের বাতাবরণ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ, তৃণমূল একইসুরে কথা বলছে। উভয়ই বলছে, অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হবে। তাতে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। আইজি আইনশৃঙ্খলা তো আইজি বেআইন ও উচ্ছৃঙ্খলায় পরিণত হয়েছে। পুলিশ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ‘নবান্ন অভিযানকে ঘিরে কাঁপছে সরকার’

    এদিন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “এই নবান্ন অভিযানকে (Nabanna Abhijan) ঘিরে সরকার কাঁপছে। বলেন, আসলে পুলিশ ভয় পাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কোনও বাধা দেওয়া চলবে না। যেভাবে রাত দখলে রাত দখলে লাখ লাখ মানুষ নেমে পড়েছিল, ঠিক সেই ভাবেই এখানেও মানুষ নামবে। আর তাই সিপিএমের একটা অংশ, পুলিশ এবং তৃণমূল মিলে বোঝাতে চাইছে, এটা এবিভিপি, এটা বিজেপি। আরে বিজেপি হোক, এবিভিপি হোক সমস্ত সাধারণ মানুষ, যাই রাজনৈতিক পরিচয় হোক না কেন, তাঁরা একসঙ্গে নামবে। মাথায় রাখবেন বাঙাল-ঘটি মিশে গেছে।” তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের অভিযোগ, সোশাল মিডিয়ায় লোক খেপিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chickpeas Benefits: সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা! নিমেষেই কাবু কোন কোন রোগ?

    Chickpeas Benefits: সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা! নিমেষেই কাবু কোন কোন রোগ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস জল। আর ঠিক তার পরেই রাতের ভেজানো ছোলা। এই খাবার খেয়েই কি দিন শুরু করেন? তাহলে কিন্তু একাধিক রোগকে সহজেই কাবু করা সম্ভব! পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলার একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। তার উপরে খালি পেটে ভেজা ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়। এবার দেখে নেওয়া যাক, নিয়মিত ভিজে ছোলা খেলে কোন রোগকে কাবু করা সম্ভব?

    স্থূলতা কাবু সহজেই (Chickpeas Benefits)

    সকালে খালি পেটে ভিজে ছোলা খেলে স্থূলতা সহজেই কাবু হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। পাশপাশি ছোলায় গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই অল্প পরিমাণ ছোলা খেলেও পেট ভরে যায়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকি কমে (Empty Stomach)। স্থূলতার সমস্যাকেও সহজেই এড়ানো যায়।

    কাবু ডায়াবেটিসও

    ছোলা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ভেজানো ছোলায় থাকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফাইবার। এর জেরে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এর জেরেই টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। তাই নিয়মিত ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ যেমন কমে, তেমনি ডায়াবেটিস আক্রান্তরাও নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে তাঁদের সহজেই রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, মহিলাদের আয়রনের ঘাটতির সমস্যা বেশি দেখা যায়। এর জেরে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়‌। শরীর দুর্বল হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে। আয়রনের ঘাটতির জেরে কার্যক্ষমতাও কমে। নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে (Empty Stomach) আয়রনের ঘাটতি সহজেই পূরণ হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, গর্ভবতী মহিলারা এবং সদ্যোজাতের মায়েরা নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে বাড়তি উপকার পাবেন‌। অ্যানিমিয়ার ঝুঁকিও কমবে।

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে (Chickpeas Benefits)

    ভেজানো ছোলা সকালে নিয়মিত খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ছোলায় থাকে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের মতো খনিজ। এই ধরনের উপাদান হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত ভেজানো ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আবার কোলেস্টেরলের মাত্রাও ঠিক থাকে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে‌।

    চুল ও ত্বকের সমস্যা কমে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, ভেজানো ছোলায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এই উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমায়। হজম শক্তি বাড়ায়। এর ফলে চুল ও ত্বকের সমস্যা কমে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, হজমের গোলমালের জেরেই অধিকাংশের চুল ও ত্বকের সমস্যা হয়। শরীরে নানান রকম অ্যাসিড তৈরি হয়। তার ফলেই ত্বকে নানান সমস্যা হয়‌। চুল পড়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়। তাই নিয়মিত ছোলা (Chickpeas Benefits) খেলে এই ধরনের সমস্যা কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘অভয়া’র সৎকারের পর সরকারি রেজিস্টারে পরিবারের সই নেই কেন? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) নির্যাতিতার দাহ খরচ সংক্রান্ত রেজিস্টারে স্বাক্ষর পরিবারের কারোর নয়। ঠিক এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সাধারণত শ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করার পর পরিবারকেই স্বাক্ষর করে টাকা জমা দিতে হয়। কিন্তু অভয়ার ক্ষেত্রে তা ঘটেনি। এই দাহ কাজে তৃণমূলের স্থানীয় কাউন্সিলর এবং পুলিশের ভূমিকা অতি সক্রিয় বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, সবটাই সন্দেহের বাইরে নয়। একই ভাবে তিনি আক্রমণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও।

    ঠিক কী বললেন শুভন্দু (Suvendu Adhikari)?

    হাওড়ায় দলীয় কর্মসূচীতে যোগদান করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “ঘটনার দিন নির্যাতিতার (RG Kar Rape-Murder) দেহকে তড়িঘড়ি করে শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে। এই কাজে যারা উপস্থিত ছিল তারা কেউ এলাকার লোক নয়। শেষকৃত্যের খরচ মৃত চিকিৎসকের পরিবার দেয়নি। তাহলে দিল কে? দাহের কাজ শেষ করার পর যেসব সরকারি খাতায় স্বাক্ষর করা হয়েছে, সেখানেও কোনও বাড়ির লোকের স্বাক্ষর ছিল না। তাহলে সরকারি রেজিস্টারে সই কে করল?”

    আরও পড়ুনঃ ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    প্রথম থেকেই পুলিশের ভূমিকা সন্দেহজনক!

    উল্লেখ্য, শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) মৃতদেহের সৎকার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, “সেই রাতে শ্মশানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। চিকিৎসকের (RG Kar Rape-Murder) দেহ দাহ হয় বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায়। কিন্তু গোটা প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্ত। সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশের আরও দুইজন আইসিও। সম্পূর্ণ ঘটনায় নজর রেখেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।” ফলে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে দাহকাজে পুলিশকে ব্যবহার করেছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন। ঘটনার দিন থেকেই ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের বিষয়কে ধামাচাপা দিতে চাইছে পুলিশ, এমন অভিযোগে বিজেপি সরব হয়েছে বার বার। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা পুলিশের কাছে থেকে সিবিআইকে দেওয়া হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    Janmashtami 2024: মায়াপুর ইসকনে জন্মাষ্টমী উৎসব, সামিল হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১ তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে নদিয়ার মায়াপুর ইসকনে (ISKCON) জাঁকজমকভাবে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী উৎসব। আর এই উৎসবে (Janmashtami 2024) সামিল হতে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত ইসকনের প্রধান কেন্দ্র মায়াপুরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। সোমবার সকাল থেকেই ভক্তরা উৎসবে মেতে উঠেছেন।

    জন্মাষ্টমীতে দেশি-বিদেশি ভক্ত সমাগম (Janmashtami 2024)

    জানা গিয়েছে, সোমবার ইসকন মায়াপুরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার পালন করা হবে নন্দ উৎসব। ইসকন মন্দিরে তৈরি করা হয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম মন্দির। মন্দিরের চূড়াই রয়েছে সোনায় মোড়ানো চক্র। বিদেশ থেকে আনা হয়েছিল এই তিনচক্র। তারপর বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মন্দিরের মূল চূড়ায় সেই চক্র স্থাপন করা হয়। শুধু জন্মাষ্টমী নয়, সারা বছরই বিভিন্ন তিথিতে সুসজ্জিত হয়ে ওঠে ইসকন মন্দির। শ্রীকৃষ্ণের ভোগ নিবেদনে থাকে বিপুল আয়োজন। আর প্রত্যেকটি তিথিতেই লক্ষ লক্ষ দেশি-বিদেশি ভক্তদের সমাগম লেগেই থাকে। বিশেষ করে ঝুলন যাত্রা এক অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তারপরে জন্মাষ্টমী (Janmashtami 2024) তিথি শুরু হয়।

    সোমবার সকাল থেকেই সাজো সাজো রব মায়াপুর ইসকন মন্দির চত্বর। প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ এসে পৌঁছেছেন। নদী ঘাটগুলিতে রয়েছে প্রশাসনিক বিশেষ তৎপরতা। কারণ, মায়াপুর ইসকন মন্দিরে পৌঁছাতে গেলে নদীপথ পার করতে হয় ভক্তদের। তবে, সারা বছর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মায়াপুর ইসকনের নিজস্ব নিরাপত্তায় মুড়ে রাখা হয় মন্দির চত্বর। আজ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে ইসকন কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক কী বললেন?

    মঙ্গলবার নন্দ উৎসবে সকাল থেকেই চলবে হরিনাম সংকীর্তন। কীর্তনের ছন্দে নাচে-গানে মেতে উঠবেন দেশি-বিদেশি ভক্তরা। জানা গিয়েছে, যত দিন যাচ্ছে ততই বিদেশি ভক্তদের আনাগোনা বাড়ছে। মায়াপুর ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস বলেন,  ‘‘জন্মাষ্টমীকে (Janmashtami 2024) কেন্দ্র করে তিনদিন ধরে অনুষ্ঠান চলছে। প্রথমদিন অধিবাস ছিল। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত জন্মাষ্টমী উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার নন্দ উৎসবেও দেশ-বিদেশের ভক্তরা সামিল হবেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    RG Kar Rape-Murder: ‘মর্গে পানশালা, দেহ ঘিরে দালাল চক্র’! বিস্ফোরক আরজি করের প্রাক্তন কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক তোলপাড়। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের একাধিক দুর্নীতির (Corruption Nexus) কথা উঠে এসেছে। হাসপাতালের মর্গে রাখা থাকত মদ। চিকিৎসালয় যেন রীতিমত পানশালায় পরিণত করেছিলেন এই অধ্যক্ষ। একই ভাবে মৃতদেহ নিয়ে চলত দালাল চক্র। ময়নাতদন্ত থেকে বাড়িতে পৌঁছানো, সবটাই চলত প্যাকেজ সিস্টেমে। একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) ফরেন্সিক মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন হেড-ক্লার্ক (Head clerk) তারক চট্টোপাধ্যায়।

    রীতিমতো  হাসপাতাল যেন পানশালা (RG Kar Rape-Murder)

    আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) কর্মী তারক চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, “মদ খাইয়ে কিছু লোককে হাতে রাখতেন সন্দীপ ঘোষ। গেস্ট হাউসে তাঁর প্রত্যক্ষ মদতে বসত মদের আসর। কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার এবং বাউন্সারের গ্রুপ ছিল তাঁর। পড়াশুনায় পাশ-ফেলের বিষয় একক ভাবে দেখতেন নিজে তিনি। কাছের ছাত্রদের মদ খাওয়াতেন। তাঁর অনুগামী হলে ফেল করার সম্ভাবনা থাকত না। বাইরে থেকে লোক এলে গেস্ট হাউসে বসত মদের আসর। মর্গের কর্মী সন্তোষ, তাঁর অনুগামী ছিলেন। মর্গের পাশে বসার ঘরকে রীতিমতো পানশালা বানিয়ে তুলেছিলেন। একই ভাবে মর্গেই রাখা থাকত মদের বোতল।”

    আরও পড়ুনঃ আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    কাটা বডি দেখিয়ে জোর করে টাকা নেওয়া হতো!

    একই ভাবে আগেই (RG Kar Rape-Murder) প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন এবং স্ত্রী কাকলি সেন, হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন। আবার প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলিও সন্দীপের বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চাল্য অভিযোগ তুলেছেন। এবার তারক চট্টোপাধ্যায় বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেছেন, “মৃতদেহ প্রতি ১০ হাজার করে টাকা নেওয়া হতো (Corruption Nexus)। দেহের ময়নাতদন্তের পর স্টিচ করতে হতো মোটা টাকা দিয়ে। টাকা না দিলে বলা হতো, নিজেরাই স্টিচ করে নিন। ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতেন মৃতের পরিবার। অতিরিক্ত সময়ে মর্গে দেহ রাখতেও নেওয়া হতো মোটা টাকা। অনেক সময় মৃতার পরিবার আর্থিক ভাবে সক্ষম না হলে, কাটা বডি দেখিয়ে জোর করে ৫০০, ১০০০, ২০০০, ৫০০০ করে টাকা নেওয়া হতো।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barasat: নির্যাতিতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুর্গাপুজোর অনুদানে ‘না’, ঘোষণা বারাসতের ক্লাবের

    Barasat: নির্যাতিতার বিচার না হওয়া পর্যন্ত দুর্গাপুজোর অনুদানে ‘না’, ঘোষণা বারাসতের ক্লাবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল দেশ। নিজেদের মতো করে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সবাই। কয়েকদিন আগেই হাইল্যান্ড পার্ক, উত্তরপাড়া, তারকেশ্বরের কয়েকটি দুর্গাপুজো কমিটি তৃণমূল সরকারের অনুদান প্রত্যাখ্যান করেছে। এবার সেই তালিকায় যোগ দিল বারাসতের (Barasat) একটি  পুজো কমিটি। আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান নিচ্ছেন না বারাসতের সরোজিনী পল্লি উন্নয়ন সমিতি নামে একটি ক্লাবের সদস্যরা।

    নির্যাতিতার স্মরণে অনুষ্ঠান (Barasat)

    রবিবার বারাসতের (Barasat) সরোজিনী পল্লিবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। সেখানেই পুজোয় সরকারি অনুদান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু পুজোর অনুদান না নেওয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ক্লাবটি। সেই সঙ্গে এবছরের দুর্গাপুজোও অনাড়ম্বরভাবে করতে চলেছেন তাঁরা। শুধু আরজি করের নির্যাতিতার প্রতি সহমর্মিতা রয়েছে পুজো কমিটি। নির্যাতিতার স্মরণে দুর্গাপুজোতে রক্তদান এবং বস্ত্র বিতরণের মতো সমাজসেবামূলক কর্মসূচিও নেওয়া হয়েছে। বারাসতের এই ক্লাব কমিটি বেশ ধুমধাম করেই প্রতিবছর দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। পুজোর তিনদিন পাড়ার সমস্ত লোকজনকে নিয়ে চলে খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু, এবছর তার কোনওটাই হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    ক্লাবের কর্মকর্তারা কী বললেন?

    ক্লাবের (Barasat) সম্পাদক কার্তিক কর্মকার বলেন, ‘‘আরজি করে (RG Kar Incident) যা হয়েছে তা  নিন্দনীয়। এই ঘটনায় প্রশাসন এখনও বিচার দিতে পারেনি। সরকার সঠিক বিচার দিতে পারছে না বলেই আমরা এবছর পুজোর অনুদান বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা শীঘ্রই জেলাশাসককে এই বিষয়ে জানিয়ে দেব। আর এবছর যদি নির্যাতিতা বিচার না পান, তাহলে আগামী বছরও সরকারি অনুদান নেব না আমরা। সুবিচারের দাবিতে আমাদের সংগ্রাম চলবে।’’ ওই ক্লাবেরই আরেক সদস্য কমল মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাদের পুজো কমিটির মিটিংয়ে একজনও অনুদান নেওয়ার পক্ষে ছিলেন না। সরকার যদি পরের বছর দুর্গাপুজোর অনুদান না দিতে চায়, তাতেও আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা অনুদানের ওপর ভরসা করে পুজো করি না। আমাদের পুজো ঠিক হয়ে যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 114: “পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে, মুখে করে খাবার নিয়ে যায়”

    Ramakrishna 114: “পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে, মুখে করে খাবার নিয়ে যায়”

    সার্কাস রঙ্গালয়ে—গৃহস্থের ও অন্যান্য কর্মীদের কঠিন সমস্যা ও শ্রীরামকৃষ্ণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর (Ramakrishna) আবার বলিতেছে, জীব যেন ডাল, জাঁতার ভিতর পড়েছে; পিষে যাবে। তবে যে কটি ডাল খুঁটি ধরে থাকে, তারা পিষে যায় না। তাই খুঁটি অর্থাৎ ঈশ্বরের শরণাগত হতে হয়। তাঁকে ডাক, তাঁর নাম কর তবে মুক্তি। তা না হলে কালরূপ জাঁতায় পিষে যাবে। ঠাকুর আবার গান গাহিতেছেনঃ (Kathamrita)

    পাড়িয়ে ভবসাগরে ডুবে মা তনুর তরী।

    মায়া-ঝড় মোহ-তুফান ক্রমে বাড়ে গো শঙ্করী।।

    একে মন-মাঝি আনাড়ি, তাহে ছজন গোঁয়াড় দাঁড়ি;

    কুবাতাসে দিয়ে পাড়ি, হাবুডুবু খেয়ে মরি।

    ভেঙে গেল ভক্তির হাল; ছিঁড়ে পড়ল শ্রদ্ধার পাল,

    তরী হল বানচাল, উপায় কি করি;

    উপায় না দেখি আর, অকিঞ্চন ভেবে সার;

    তরঙ্গে দিয়ে সাঁতার, শ্রীদুর্গানামের ভেলা ধরি।।

    বিশ্বাসবাবু অনেকক্ষুণ বাসিয়াছিলেন, এখন উঠিয়া গেলেন। তাঁহার অনেক টাকা ছিল, কিন্তু চরিত্র মলিন হওয়াতে সমস্ত উড়িয়া গিয়েছে। এখন পরিবার, কন্যা প্রভৃতি কাহাকেও দেখেন না। বলরাম তাঁহার কথা পাড়াতে ঠাকুর (Ramakrishna) বলিলেন (Kathamrita), ওটা লক্ষ্মীছাড়া দারিদ্দির। গৃহস্থের কর্তব্য আছে, ঋণ আছে, দেব-ঋণ, পিতৃ-ঋণ, ঋষি-ঋণ আবার পরিবারদের সমন্ধে ঋণ আছে। সতী স্ত্রী হলে তাকে প্রতিপালন; সন্তানদিগকে প্রতিপালন যতদিন না লায়েক হয়।

    সাধুই কেবল সঞ্চয় করবে না। পঞ্জি আউর দরবেশ সঞ্চয় করে না। কিন্তু পাখির ছানা হলে সঞ্চয় করে। ছানার জন্যে মুখে করে খাবার নিয়ে যায়।

    বলরাম—এখন বিশ্বাসের সাধুসঙ্গ করবার ইচ্ছা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—সাধুর কমণ্ডলু চারধামে ঘুরে আসে, কিন্তু যেমন তেতো তেমনি তেতো থাকে। মলয়ের হাওয়া যে গাছে লাগে, সে—সব চন্দন হয়ে যায়! শিমুল, অশ্বথ, আমড়া এরা চন্দন হয় না। কেউ কেউ সাধুসঙ্গ করে গাঁজা খাবার জন্য। (হাস্য) সাধুরা গাঁজা খায় কিনা, তাই তাদের কাছে এসে বসে গাঁজা সেজে দেয় আর প্রসাদ পায়। (সকলের হাস্য)

     

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pavel Durov: প্যারিসে গ্রেফতার টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ! তবে কি বন্ধ হবে অ্যাপ?

    Pavel Durov: প্যারিসে গ্রেফতার টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ! তবে কি বন্ধ হবে অ্যাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হয়েছেন জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দুরভ। প্যারিসের বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ফ্রান্সের পুলিশ। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রাম সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে। তিনি আজারবাইজানের বাকু থেকে প্যারিসে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে (Pavel Durov)?

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালকদের বিরুদ্ধে হওয়া হিংসা রুখতে কাজ করে ফ্রান্সের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘অফমিন’। তারাই দুরভের (Pavel Durov) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ জারি করেছিল। পাভেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁর নৈতি করা টেলিগ্রাম অসামাজাকি কার্যকলাপের আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে। ওই সামাজিক মাধ্যম মারফৎ প্রতারণা, মাদক পাচার, সাইবার বুলিং, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ প্রচারের মতো গুরুতর কাজ হয়। একাধিকবার বলা সত্ত্বেও টেলিগ্রামে অপরাধীদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি তিনি। ফলে অভিযোগ যে মারাত্মক ছিল, তা অনুমেয়।

    রাশিয়া ছেড়েছিলেন ২০১৪ সালে

    টেলিগ্রাম মূলত মেসেজিং অ্যাপ। এটি মূলত দুবাই কেন্দ্রিক। অন্যান্য বার্তা বাহক অ্যাপ হিসেবে এই টেলিগ্রাম বেশ কিছু সময় ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করে থাকে। একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে দুরভ (Pavel Durov) বলেন, “প্রথমে একটি সোশ্যাল নেট ওয়ার্কিং সাইট তৈরি করেছিলাম। তা নিয়ে রাশিয়া সরকার ব্যাপক চাপ তৈরি করেছিল। পরে তা বিক্রি করে রাশিয়া ছেড়েছি ২০১৪ সালে। এরপর এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ নির্মাণের ভাবনাও ভেবেছিলাম এবং তৈরি করলাম টেলিগ্রাম। এরপরে দুবাইতে ভিত্তি করে টেলিগ্রামের ব্যবসা শুরু করি।” উল্লেখ্য এই অ্যাপ দুই লক্ষ সদস্য নিয়ে গ্রুপ তৈরি করতে দেয়। ফলে এই মাধ্যমে খুব সহজেই দ্রুত যেকোনও বার্তাকে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। আর এখানেই বিদ্বেষমূলক ভাবনা, মিথ্যে তথ্য, ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    ২০২১ সাল থেকে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব নেন

    মূলত রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন পাভেল দুরভের (Pavel Durov)। এখন বয়স মাত্র ৩৯। তিনি টেলিগ্রাম অ্যাপের মালিক। একপ্রকার হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, উইচ্যাটের মতো প্রতিযোগী এই মেসেজিং অ্যাপ। রাশিয়া, ইউক্রেন এবং সাবেক সোভিয়েত ভেঙে তৈরি হওয়া দেশগুলিতে ব্যাপক জনপ্রিয় টেলিগ্রাম। ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, পাভেলের সম্পত্তির পরিমাণ হল ১৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে তিনি ২০২১ সাল থেকে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব নিয়েছেন। এখন দুবাই থেকে ব্যবসা চালাতেন। এবার, পাভেল গ্রেফতার হওয়ার জেরে টেলিগ্রামের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেই নিয়ে কৌতুহল নেট-দুনিয়ায়।

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের অতর্কিত হামলা। ট্রাক ও বাস (Bus Attack) থেকে যাত্রী নামিয়ে পরিচয় যাচাই করে পরপর গুলি করে ২৩ জনকে খুন করা হল পাকিস্তানে (Pakistan)। সোমবার সকালে বালুচিস্তান প্রদেশের মুসাখাইল জেলায় এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই হামলার নিন্দা করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই অঞ্চলে হিংসা মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Pakistan)

    পাকিস্তানের (Pakistan) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুচিস্তানের মুসাখেলে রারাশামের কাছে আগে থেকেই হাইওয়ে আটকে দাঁড়িয়েছিল জঙ্গিরা। এই পথে আসা সমস্ত বাস ও ট্রাক থেকে যাত্রীদের নামতে বাধ্য করে তারা। এরপর এক এক করে সকলের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখে বেছে বেছে ২৩ জন যাত্রীকে গুলি করে মারা হয়। নিহতেরা সকলেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এর পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাস ও ট্রাকগুলিতে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কমপক্ষে ১০টি গাড়ি। বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নিহতরা সাধারণ পোশাকে সামরিক কর্মী ছিল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পাঞ্জাবি শ্রমিক এবং দুই আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। সহকারি কমিশনার মুসাখাইল নজিব কাকারের বলেন, সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা মুসাখেলের রারাশাম জেলার হাইওয়ে অবরোধ করে। বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে দুষ্কৃতীরা ১০টি গাড়িতে আগুনও দেয়।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    আগেও হামলা!

    বালুচিস্তানের (Pakistan) বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়ই পাকিস্তানের পূর্ব পাঞ্জাব অঞ্চলের শ্রমিক ও অন্যদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করার প্ররোচণা দেয় দেয় বলে অভিযোগ। এদিনের এই হত্যালীলা তারই অংশ বলেই ধরা হচ্ছে। পাক পাঞ্জাবের মানুষদের লক্ষ্য করে একই ধরনের হামলা আগেও হয়েছে। প্রায় চার মাস আগে মুসাখেলে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। এপ্রিলে নোশাকির কাছে ১১ জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। তার আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে তুরবাতে ছয়জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভি এই হামলাকে “বর্বর” বলে অভিহিত করেছেন। যে বা যারা এর পিছনে রয়েছে, তাদের বিচার হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সন্ত্রাসবাদীদের বর্বরতার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অপরাধীদের সাজা হবেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Unrest: ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    Bangladesh Unrest: ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ, আনসার ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ! আহত ৪০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ (Bangladesh Unrest) ত্যাগ করার পর কোটা বিরোধী আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে আনসার বাহিনীর বেশ গালায় গালায় ভাব লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেই তাল কাটল রবিবার। ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের সঙ্গে আনসার বাহিনীর সংঘর্ষে (Student Ansar forces clash) এক সমন্বয়ক-সহ আহত ৪০ জন হয়েছেন। রবিবার রাতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অনেকে মনে করছেন এই ঘটনা কার্যত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের অশনি সংকেত। আহতদের মধ্যে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকেও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত (Bangladesh Unrest)?

    ঘটনার সূত্রপাত হয় ঢাকায় বাংলাদেশ (Bangladesh Unrest) সরকারের সচিবালয়ে। রবিবার কয়েকশো আনসার সদস্য ঢুকে স্লোগান দিতে শুরু করে। তাদের বক্তব্য ছিল, বৈষম্যের অবসান চেয়ে হাসিনার সরকারের পতন ঘটেছে। অভিযোগ, বিগত সরকারের দ্বারা আনসার বাহিনী সব থেকে বেশি বঞ্চনার শিকার হয়েছে। এবার তারা চাকরির স্থায়ীকরণের দাবিতে সরব হয়। তাদের আরও দাবি, প্রতি তিন বছর অন্তর ছয় মাসের জন্য চাকরি থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়, এই ব্যবস্থার দ্রুত অবসান করতে হবে। ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের উদ্দেশে তারা আরও জানায়, হাসিনার সময় ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে পুলিশের মতো আচরণ করেনি আনসাররা। কোথাও প্রকাশ্যে গুলি করা হয়নি, শূন্যে গুলি করা হয়েছিল কেবল। আজকে এই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা অভিযুক্ত পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যে রয়েছে, এটা অত্যন্ত অন্যায়।

    আরও পড়ুনঃ আত্মরক্ষার অধিকার! লেবাননে হিজবুল্লার কয়েক ডজন জঙ্গিঘাঁটিতে এয়ার স্ট্রাইক ইজরায়েলের

    নিয়ন্ত্রণে সেনা বাহিনী

    আনসার সদস্যদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকারীদের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধি পায়। ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে পড়েন সমন্বয়করা। আনসার বাহিনীর সদস্যদের আটকাতে গেলে ব্যাপক গোলমাল বাধে। ঘটনায় একপ্রকার সচিবালয় (Bangladesh Unrest) অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। এরপর সমস্ত গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। অফিসে আটকে পড়েন উপদেষ্টা এবং আমলা-কর্মচারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ঠিক হয়, ছয় মাস কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাকে অবিলম্বে অবসান করা হবে। পরে বাকি দাবি-দাওয়া নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। এরপর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ সচিবালয় ছাড়েন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। কিন্তু সমন্বয়ক নাহিদ, সারজিস আলম এবং হাসনাত আবদুল্লা সচিবালয়ে ছিলেন। এদিকে আনসাররাও সেখানে অপেক্ষা করেন। অপর দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হস্টেলে রটে যায় যে, আনসার বাহিনী সচিবালয় ঘেরাও করেছে। ছাত্ররা উদ্ধার করতে গেলে ব্যাপক সংঘর্ষের (Student Ansar forces clash) ঘটনা ঘটে। চলে দুই পক্ষের মধ্যে ইট বৃষ্টি। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সেনাবাহিনী নামানো হয়। উপদেষ্টাদের নিরাপদে বাড়িতে ফেরানো হয় এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share