Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladeshi Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ চার শঙ্করাচার্যের, কী বললেন তাঁরা?

    Bangladeshi Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ চার শঙ্করাচার্যের, কী বললেন তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়ে (Bangladeshi Hindus) একসঙ্গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেন দেশের চার শঙ্করাচার্য (Four Shankaracharyas)। একইসঙ্গে, অবিলম্বে সাহায্যের হাত বাড়াতে ভারত সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

    শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হিন্দুরা ইসলামি জেহাদিদের হাতে আক্রান্ত হয়েই চলেছেন। ভারতের চার শঙ্করাচার্য হিন্দু-বিরোধী এই হিংসার তীব্র নিন্দা করেছেন। বাংলাদেশে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ষড়যন্ত্রের পিছনে কমিউনিস্ট চিন সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন শঙ্করাচার্যরা। আবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সমস্ত ষড়যন্ত্রের পিছনে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার হাত বলে উল্লেখ করেছেন তাঁরা। চার শঙ্করাচার্য— পুরী শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী, দ্বারকার শঙ্করাচার্য স্বামী সদানন্দ সরস্বতী, কাঞ্চি শঙ্করাচার্য শঙ্করবিজয়েন্দ্র সরস্বতী এবং জ্যোতির্মঠ শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী,— প্রত্যকেই বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন। 

    পুরীর শঙ্করাচার্যের বক্তব্য (Bangladesh Crisis)

    পুরীর শঙ্করাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ সরস্বতী (Four Shankaracharyas) বাংলাদেশে হিন্দুদের (Bangladesh Crisis) আক্রমণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অবিলম্বে এই অত্যাচার বন্ধ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সব সমস্যাকে নিষ্পত্তি করা যায়। হিন্দুরা শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং হিন্দুরা নিরাপদ থাকলে দেশও নিরাপদে থাকে। বাংলাদেশে এ ধরনের হিংসাত্মক ষড়যন্ত্রের পিছনে চিন দায়ী। চিনে মসজিদ ধ্বংস করা হচ্ছে এবং মুসলমানদের দেশ থেকে বিতাড়িত করা হচ্ছে। এখন ভারতকে অস্থিতিশীল করতে বাংলাদেশকে ব্যবহার করছে চিন। ভারতীয় মুসলমানদেরও এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত।”

    দ্বারকার শঙ্করাচার্যের বক্তব্য

    দ্বারকার শঙ্করাচার্য স্বামী সদানন্দ সরস্বতী বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের সরকারের যৌথ ভাবে উচিত হিন্দুদের দুর্দশা (Bangladesh Crisis) নিয়ে পর্যবেক্ষণ এবং পর্যালোচনা করা। পাকিস্তান বা বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা ভালো নয়। গত ৫০ বছর ধরে হিন্দুদের নিধন হচ্ছে ওখানে। হিন্দুদের কী দোষ? কেন তাঁদের বেছে বেছে হত্যা করা হচ্ছে? কেন মন্দির ধ্বংস করা হচ্ছে? দ্রুত এ সমস্যার সমাধান বের করা উচিত। যদি তা না হয় তাহলে এটা একটা নিয়ম হয়ে যাবে। ফলে সারা বিশ্বের যেখানেই হিন্দুরা বসবাস করুক, সমস্যা দেখা দিলে তাঁদের সাহায্য করার কেউ থাকবে না। হিন্দুদের ওপর কারা অত্যাচার করছে, তা নিয়ে বাংলাদেশের মুসলমানদের মত প্রকাশ করা উচিত। বাংলাদেশে এখনও প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ হিন্দু বাস করেন। বর্তমানে তাঁরা সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন।”

    কাঞ্চির শঙ্করাচার্যের বক্তব্য

    কাঞ্চির শঙ্করাচার্য শঙ্করবিজয়েন্দ্র সরস্বতী (Four Shankaracharyas) বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের উপর ব্যাপক অত্যাচার চলছে। দেশে শান্তি ও স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ প্রার্থনা জানাই। বাংলাদেশের অন্যতম একটি শক্তিপীঠ হল ঢাকেশ্বরী মন্দির। এই মন্দির এবং মন্দির সংলগ্ন হিন্দুদের ঐতিহাসিক উপাসনাস্থলগুলিকে সুরক্ষিত করতে হবে। বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে হবে। দ্রুত দেশে শান্তি এবং স্থিতিশীলতাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। ভারত সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্যের বক্তব্য

    জ্যোতির্মঠের শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী (Four Shankaracharyas) বাংলাদশে কট্টর মুসলমান আক্রমণের শিকার হিন্দুদের বাঁচাতে ভারত সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বাংলাদেশি (Bangladesh Crisis) হিন্দুদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এটি নিশ্চিত করতে হবে, যে কোনও দেশে নিপীড়নের মুখোমুখি হিন্দুদের ভারতে স্বাগত জানাতে হবে। কারণ হিন্দুদের ভূমি হল ভারতবর্ষ। বাংলাদেশে হিন্দুদের রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকে ভুলে গেলে চলবে না যে হাজার হাজার বাংলাদেশি ভারতেও বাস করে। আমরা তাঁদের জন্য জমি এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছি। আমরা তাঁদের খাদ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এই বিষয়ে সরকারের ওপর বোঝা চাপতে দেব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    RG Kar Incident: ‘‘কেন ছড়িয়ে পড়ল নির্যাতিতার ছবি-নাম?’’ আরজি কর কাণ্ডে প্রশ্ন উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে কর্মরত তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে গোটা দেশ। সকলেই সুবিচারের জন্য লড়ছেন। আরজি কর কাণ্ডের এই ঘটনার প্রায় দেড় সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মাধ্যমে সামনে এসেছে নির্যাতিতার নাম। ছড়িয়ে পড়েছে ছবিও। এবার তা নিয়েই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রসঙ্গত, এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানেই মামলা চলাকালীন কার্যত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

    কী নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত? (RG Kar Incident) 

    এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ‘‘আমরা নির্দেশ দিচ্ছি মৃতের নাম ছবি প্রকাশ করা যাবে না। সমস্ত স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে মৃতের ছবি সরাতে হবে।’’ আসলে এদিন মামলা চলাকালীন দুজন আইনজীবী অভিযোগ করেছিলেন যে, মৃতের ছবি-নাম কোথাও কোথাও প্রকাশ করা হচ্ছে। এর পরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, “নির্যাতিতার নাম ও ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী ময়নাতদন্তের আগের ও পরের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেহ দেখা যাচ্ছে। একটা প্যারামিটার আছে, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইনও আছে। তারপর কীভাবে এটা হল?” এরপরেই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘একজন তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে, তাঁকে এইটুকু মর্যাদা দেওয়া উচিত।’’ প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে আইনজীবী (রাজ্য সরকারের তরফে) কপিল সিব্বল বলেন, ‘‘পুলিশ যাওয়ার আগেই ছবি তোলা হয়েছে। আমরা পুরো জায়গাটা ঘিরে রেখেছিলাম।’’

    আরও পড়ুন: এক বছরে ভারতে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৭.৩ কোটি! বৃদ্ধি ব্রডব্যান্ড সংখ্যাতেও

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) গাইডলাইনই শুধু নয়, নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনও আছে। ভারতীয় আইনে ধর্ষণ বা যৌন হেনস্থার ঘটনায় নির্যাতিতার নাম, পরিচয় বা ছবি প্রকাশ করা যায় না। এমন কোনও তথ্য যা প্রকাশ করলে নির্যাতিতার পরিচয় জানা যেতে পারে, তাও প্রকাশ করা যায় না। আসলে আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় কলকাতা সহ গোটা রাজ্য। এই আবহে মানুষ প্রতিবাদ করছেন রাস্তায় ও সোশ্যাল মিডিয়ায়। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকেই নির্যাতিতার ছবি পোস্ট করছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জাস্টিস দাবি সহ নাম দিয়ে তৈরি হয়েছে হ্যাশট্যাগ। তাই আইন অনুযায়ী নির্যাতিতার নাম প্রকাশ্যে আনা বন্ধ করতে এই নির্দেশ দিল আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ‘‘সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মনের জোর বাড়িয়েছে’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    RG Kar Incident: ‘‘সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ মনের জোর বাড়িয়েছে’’, বললেন নির্যাতিতার মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। সর্বস্তরের মানুষ সুবিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সিবিআই আধিকারিকরা নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর এফআইআর করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে খুশি নিহত চিকিৎসকের মা। পাশাপাশি রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) ফোন করে তাঁদের পাশে থাকার তিনি বার্তা দিলেন। 

    দেরিতে এফআইআর নিয়ে প্রশ্ন (RG Kar Incident)

    নিহত চিকিৎসকের মৃতদেহ দাহ করার প্রায় তিন ঘণ্টা পর এফআইআর করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ নিয়ে নিহত চিকিৎসকের মা বলেন,  ‘‘মেয়ের মৃতদেহ দাহ করার তিন ঘণ্টা পরে এফআইআর হয়। এই দেরি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। বিষয়টি জেনে মনে জোর পাচ্ছি। শীর্ষ আদালত নিশ্চয়ই দেখবে যে এফআইআর করতে কেন দেরি হল? ইতিমধ্যেই আদালতের তরফ থেকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষকে তলব করা হয়েছে। ওইদিন আমরা বিকেল পাঁচটার সময় এফআইআর করেছিলাম, কিন্তু পুলিশের তরফ থেকে কখন সেটিকে দেখানো হয়েছে সেটা ওরাই বলতে পারবে। ’’আন্দোলনকারীদের ওপর রাজ্য সরকার যাতে বল প্রয়োগ না করে সে ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তা নিয়েও শীর্ষ আদালতকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। আন্দোলন প্রত্যাহার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের তরফে যে আর্জি জানানো হয়েছে তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই কোনও একটি বিষয় ভেবে শীর্ষ আদালত  এ কথা বলেছে। আমি চাই আন্দোলন চলুক, তাছাড়া দেখা যাচ্ছে যে সকলেই আন্দোলনে করছে। ন্যায় বিচারের জন্য যাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে আছি।’’

    প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা!

    নিহত চিকিৎসকের বাবা বলেন, ‘‘গোটা ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়েছে। শুধু  আমি নই,  গোটা দেশ সে কথা বলছে। হাসপাতালে (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ যদি প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করে থাকেন, তবে শাস্তি পাবেন। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই। গোটা বিশ্বে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। আমি সকলকে কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, পুরো বিচার বিভাগের ওপর আস্থা আছে। তবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আরজি করে সিআইএসএফ মোতায়ন নিয়ে আমি এখনি কোনও কথা বলব না। যেহেতু এটি বিচারাধীন বিষয়।’’  

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কী বললেন রাজ্যপাল

    মঙ্গলবার বেলা ২টো নাগাদ দিল্লি থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) ফোনে চিকিৎসকের বাবাকে বলেছেন, ‘‘আপনি হিম্মত রাখুন। আমাদের যতদূর যাওয়ার যাব। আপনি ন্যায় বিচার পাবেন।’’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে আসবেন বলেও জানান রাজ্যপাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: ক্যামেরা দেখেই দৌড়! এক ছুটে সিবিআই দফতরে সঞ্জয়-ঘনিষ্ঠ এএসআই, রইল ভিডিও

    RG Kar Rape-Murder: ক্যামেরা দেখেই দৌড়! এক ছুটে সিবিআই দফতরে সঞ্জয়-ঘনিষ্ঠ এএসআই, রইল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যামেরা দেখেই সোজা দৌড়! গাড়ি থেকে নেমেই ছুটে সিবিআই দফতরে ঢুকে পড়লেন আরজি কর শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়-ঘনিষ্ঠ পুলিশের এএসআই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর হত্যাকাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) ধৃত ব্যক্তির সম্পর্কে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার এই সূত্র ধরেই তদন্তকারী অফিসাররা তলব করেন এই পুলিশ অফিসারকে। ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    কবে থেকে সঞ্জয় রায়কে চিনতেন (RG Kar Rape-Murder)?

    ঘটনার দিন থেকেই আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder) মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশ প্রথমে আত্মহত্যার তত্ত্ব দিলেও মানতে নারাজ ছিল মৃতার পরিবার এবং বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা। পাশবিক নির্যাতন এবং হত্যার সঠিক তদন্তে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা মেডিক্যাল কলেজ। হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা সিবিআইয়ের কাছে যায়। এর পর থেকেই, সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে চত্বরে ব্যস্ততা তুঙ্গে ওঠে। দফতরের বাইরে সবসময় রয়েছে সংবাদমাধ্যম।

    “একটু দাঁড়িয়ে যান, পড়ে যাবেন, আস্তে…”

    মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ দফতরের সামনে এসে দাঁড়ায় পুলিশ স্টিকার সাঁটা একটি গাড়ি। এই গাড়ি থেকে নামেন পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত। আরজি কর কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই। জানা যায়, তিনি ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারের ঘনিষ্ঠ। এরপর তাঁকে প্রশ্ন করতে গেলে সাংবাদিকদের দেখে দৌড়ে সিজিও কমপ্লেক্সের দিকে ছুটে যেতে শুরু করেন। সাংবাদিকরা অনুপকে প্রশ্ন করেন, “কবে থেকে সঞ্জয় রায়কে চিনতেন? কী সম্পর্ক রয়েছে তাঁর সঙ্গে? উত্তর দিন।” অনুপ কোনও জবাব না দিয়েই ছুটতেই থাকেন। বৃষ্টিভেজা পথে যেতে গিয়ে সামান্য পিছলে যান। এর পরই সাংবাদিকরা বলেন,  “একটু দাঁড়িয়ে যান। পড়ে যাবেন। আস্তে…” কিন্তু কোনও উত্তর না দিয়ে ছুটে চলে যান ওই পুলিশ। কোনওমতে, সাংবাদিকদের বুম এড়িয়ে সিআইএসএফ নিরাপত্তারক্ষীদের পাশ দিয়ে সিজিও-তে ঢুকে পড়েন ওই এএসআই।  ফলে প্রশ্ন উঠছে কোন সত্যকে আড়াল করতে চাইছেন এই পুলিশকর্তা?

    আরও পড়ুনঃ ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    কী বললেন সুকান্ত মুজদার?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার ২০১৯ সালে কাজে যোগদান করেছিলেন। তিনি বেশ প্রভাবশালী ছিলেন। কিছুদিন পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর হয়ে কাজ করলেও তারপর তাঁকে ওয়েলফেয়ার কমিটিতে পাঠানো হয়। একজন সিভিক ভলান্টিয়ার কতটা প্রভাবশালী হলে ওয়েলফেয়ার থাকতে পারেন, এটাই এখন প্রশ্নের বিষয়। অপর দিকে সিজিওতে দৌড়ে ঢোকা এই এএসআই অয়েলফেয়ার কমিটির সদস্য। তাঁদের মাথার উপর কে রয়েছেন? সিনহাবাবুর হাত নেই তো, স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী এই সব কাজে প্রত্যক্ষ মদত দেন। এই পুলিশরা পঞ্চায়েত, পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করছে। আর জি করকাণ্ডে (RG Kar Rape-Murder) সবাইকে জেরা করে সত্যকে সামনে তুলে ধরা উচিত।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Bypolls: রাজ্যসভা উপনির্বাচন, ৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Rajya Sabha Bypolls: রাজ্যসভা উপনির্বাচন, ৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার ১২টি আসনে উপনির্বাচন (Rajya Sabha Bypolls) হবে। মঙ্গলবার তার মধ্যে ৯টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিল বিজেপি (BJP)। এই ন’জনের মধ্যে রয়েছেন মমতাও। তবে ইনি বন্দ্যোপাধ্যায় নন, মহন্ত। মমতা মহন্ত। ওড়িশা থেকে প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। ২১ অগাস্ট মেয়াদ শেষ হচ্ছে ১০ জনের। আর রাজ্যসভার দু’জন সদস্য পদত্যাগ করেছেন লোকসভায় নির্বাচিত হওয়ার পরে। তাই সব মিলিয়ে শূন্য হয়েছে ১২টি আসন। এর মধ্যে ঘোষণা করা হল ৯ পদ্ম-প্রার্থীর নাম।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকায় কারা (Rajya Sabha Bypolls)

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টুকে প্রার্থী করা হয়েছে রাজস্থান থেকে। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে আগে কংগ্রেস ছেড়ে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। লোকসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের লুধিয়ানা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। হেরে যাওয়ায় তাঁকে এবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাজ্যসভায়। কারণ তিনি কেন্দ্রীয় রেল ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পমন্ত্রী। নিয়ম অনুযায়ী, ছ’মাসের মধ্যে সংসদের যে কোনও একটি কক্ষের সদস্য হতে হবে তাঁকে। মধ্যপ্রদেশ থেকে প্রার্থী করা হয়েছে মৎস্য, পশুপালন ও ডেয়ারি মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ কুরিয়েনকে। গুণা কেন্দ্র থেকে লোকসভায় গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। সেই আসনেই প্রার্থী করা হয়েছে কুরিয়েনকে। 

    তালিকায় আইনজীবী, জাঠ নেতা

    বিহার থেকে রাজ্যসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী মনন কুমার মিশ্র। ত্রিপুরা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে রাজীব ভট্টাচার্যকে। হরিয়ানা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে কংগ্রেস ছেড়ে আসা কিরণ চৌধুরীকে। মহারাষ্ট্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে ধৈর্যশীল পাটিলকে। পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Bypolls) একটি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপিকে। বিহারে যে দ্বিতীয় আসনটি খালি হবে, সেটা দেওয়া হবে জোট শরিক উপেন্দ্র কুশওয়াহাকে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    বিজেপির এই প্রার্থী তালিকায় যেমন রয়েছে ব্রাহ্মণ মুখ, তেমনি রয়েছেন জাঠ প্রার্থীও। কিরণ জাঠদের প্রতিনিধি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে অ্যান্টি-জাঠ সেন্টিমেন্ট কাজ করেছে। সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতেই রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হচ্ছে কিরণকে। অসম থেকে প্রার্থী করা হয়েছে (BJP) রামেশ্বর তেলিকে। প্রাক্তন এই মন্ত্রী অসমের টি-ট্রাইবের প্রতিনিধি (Rajya Sabha Bypolls)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Broadband Users: এক বছরে ভারতে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৭.৩ কোটি! বৃদ্ধি ব্রডব্যান্ড সংখ্যাতেও

    Broadband Users: এক বছরে ভারতে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে ৭.৩ কোটি! বৃদ্ধি ব্রডব্যান্ড সংখ্যাতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে দ্রুত হারে বাড়ছে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ও ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীর (Broadband Users) সংখ্যা। সম্প্রতি কেন্দ্রের পেশ করা রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে গত এক বছরে ভারত ৭.৩ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক এবং ৭.৮ কোটি ব্রডব্যান্ড গ্রাহক সংযুক্ত করেছে। আর দেশে (India) বর্তমানে টেলিফোন গ্রাহকের সংখ্যা ১১৯.৯ কোটিতে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালে মার্চ মাসের শেষে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৮৮.১ কোটি। সেখানে এই বছর মার্চের শেষে সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫.৪ কোটিতে। ফলে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা বার্ষিক ৮.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ঊর্ধ্বমুখী ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের সংখ্যাও (Broadband Users) 

    টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ট্রাই)-র থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, ইন্টারনেট গ্রাহকের পাশাপাশি ব্রডব্যান্ড পরিষেবাগুলিও তাদের ঊর্ধ্বমুখী গতিপথ বজায় রেখেছে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের (Broadband Users) সংখ্যা ছিল ৮৪.৬ কোটি। সেখানে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে সেই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে ৯২.৪ কোটিতে। ৭.৮ কোটি নতুন ব্রডব্যান্ড গ্রাহকের এই সংযোজনের ফলে ৯.১৫ শতাংশ বৃদ্ধির হার দেশে উচ্চগতির সংযোগের গুরুত্বকে তুলে ধরে। টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর) ২০২২-২৩ সালের ২,৪৯,৯০৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ সালে ২,৭০,৫০৪ কোটিতে এসে পৌঁছেছে। ফলে এই ক্ষেত্রে বার্ষিক বৃদ্ধির হার ৮.২৪ শতাংশ। ভারতে সামগ্রিক টেলি-ঘনত্ব ২০২৩ সালের মার্চের শেষে ৮৪.৫১ শতাংশ থেকে ১.৩৯ শতাংশ বেড়ে এই বছর মার্চ মাসে ৮৫.৬৯ শতাংশ হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    ওয়্যারলেস ডেটা গ্রাহকের সংখ্যা (India) 

    অন্যদিকে, ওয়্যারলেস ডেটা গ্রাহকের সংখ্যা ২০২২-২৩ সালের শেষে ৮৪.৬ কোটি থেকে বার্ষিক ৭.৯৩ শতাংশ বেড়ে ২০২৩-২৪ সালের মার্চের শেষে ৯১.৩ কোটিতে পৌঁছেছে। সর্বোপরি ভারতে টেলিফোন গ্রাহক গত বছরের মার্চের শেষে ১১৭.২ কোটি থেকে বার্ষিক ২.৩ শতাংশ বেড়ে ১১৯.৯ কোটিতে পৌঁছেছে। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF: নদিয়ার বাংলাদেশ সীমান্তে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার বিএসএফ-এর

    BSF: নদিয়ার বাংলাদেশ সীমান্তে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার বিএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে (Nadia) ফের সোনা উদ্ধার করল বিএসএফের ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিজয়পুর গ্রাম। এই গ্রামে চোরাচালানের কারবার বহু বছর থেকেই চলে আসছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত জওয়ানরা এক পাচারকারীকে হাতনাতে ধরেন। বাজেয়াপ্ত করা হয় বিপুল পরিমাণ সোনা। পাচার করতেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে বিএসএফ আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিজয়পুর গ্রামে সকালে টহল দিচ্ছিলেন বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত জওয়ানরা। সেই সময় ওই গ্রাম থেকে একজন পাচারকারী সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল। কর্তব্যরত জওয়ানদের ওই ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ হয়। বিএসএফ সূত্রের খবর, সীমান্ত পারে বাঁশ বাগানের মধ্যে দিয়ে ওই ব্যক্তি সাইকেলে করে যাচ্ছিল। তার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করে বিএসএফ। তৎক্ষণাৎ ওই সাইকেল-আরোহী পালানোর চেষ্টা করে। ওই পাচারকারীর সঙ্গে বিএসএফের জওয়ানদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ওই চোরাচালানকারী পালানোর চেষ্টায় বিএসএফ জওয়ানদের ওপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। তাড়াহুড়োয় পালানোর সময় ওই পাচারকারীর কোমরে বাঁধা সোনার বিস্কুটগুলি পড়ে যায়। তখনই বিএসএফের সন্দেহ প্রমাণিত হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় সমস্ত সোনা।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কত সোনা বাজেয়াপ্ত?

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২২টি সোনার বিস্কুট, ৮টি সোনার ইট এবং ১টি ছোট সোনা আটক করা করেছে বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়রের অধীনস্থ বিজয়পুর বর্ডার ফাঁড়ির ৩২তম ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। ইতিমধ্যেই সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার কথা বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে। যে সোনা বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধারের খবর এলাকায় চাউর হতেই তা নিয়ে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। এই পাচারের কাজে আর কারা যুক্ত তা জানতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    হরিহর ঘোষাল

    রাজ্যজুড়ে মিষ্টির বাহার প্রচুর। জায়গা ভেদে সেখানকার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিখ্যাত, নামকরা কিছু মিষ্টি। রসগোল্লা, পান্তুয়া ছাড়াও রসের মিষ্টি হোক কিংবা ছানার সন্দেশ-মিষ্টির তালিকা বললে শেষ করা যাবে না। তবে, নাম যাই হোক না কেন, মিষ্টি খাওয়াতে খাদ্যরসিক বাঙালির জুড়ি ভার। এই প্রতিবেদনে আমরা জানাব, ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া মনোহরা (Monohora Sweet) মিষ্টির আদি কথা। বাংলাদেশের ঢাকার প্রাণহরার সঙ্গে মনোহরার ব্যুৎপত্তিগত সাদৃশ্যকে তুলে ধরার জন্য কবি মোহিতলাল মজুমদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বলতেন, “তোরা মিষ্টির নাম রাখিস প্রাণহরা, আর আমরা নাম রাখি মনোহরা।”

     নবাবি আমলের মনোহরা! (Monohora Sweet)

    মনোহরা হুগলি না মুর্শিদাবাদের, তা নিয়ে বিতর্ক চলতেই পারে। হুগলিবাসীর দাবি, এই মিষ্টি জনাইয়ে প্রথম তৈরি হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে নবাবের দেশের মানুষরা আবার মনোহরা মিষ্টির (Monohora Sweet) তৈরির কৃতিত্ব বেলডাঙা, কান্দির ময়রাদের দিতে চান। বিতর্কে না গিয়ে, দুটি জেলারই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস আমরা তুলে ধরছি। একটি মত থেকে জানা যায়, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রজগোপাল সাহা বেলডাঙায় প্রথম মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেছিলেন। বাংলা টপ্পার জনক রামনিধি গুপ্ত ওরফে নিধুবাবু শহরের বাবুগিরির গানে লিখেছেন “খাওয়াইব গণ্ডা গণ্ডা মনোহরা দেদো মণ্ডা। খেয়ে খেয়ে যাবে প্রাণটা, বলবে বলিহারি যাই।” মুর্শিদাবাদের কান্দি, বেলডাঙার মনোহরার সুখ্যাতি সেকালে কালাপানি পাড় হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সাহেবদের দেশেও।

    অন্য একটি মতে, মুর্শিদাবাদের নবাবদের খাস ময়রা এই মিষ্টি অষ্টাদশ শতকে আবিষ্কার করেন। জনৈক ময়রা বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার দহগ্রামের নিকট কিরীটকোনা গ্রামের কিরীটেশ্বরী মন্দিরের নিকট বাস করতেন। সেখানেই তিনি প্রথম মনোহরা মিষ্টি প্রস্তুত করেন। মুর্শিদাবাদের নবাবরা ডাবের শাঁস, কাজুবাদাম, এলাচ ও ক্ষীর দিয়ে তৈরি মনোহরা পছন্দ করতেন। নবাবির পতনের সঙ্গে সঙ্গে মনোহরা রাজকীয় পৃষ্ঠাপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়। যে মিষ্টি এককালে সমগ্র মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রস্তুত হত, তা ক্রমে বেলডাঙা, কান্দির মতো বিশেষ কিছু জায়গায় প্রস্তুত হতে থাকে। বাংলার মিষ্টির ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, মনোহরার জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে তাঁদের মধ্যে অনেক মতভেদ রয়েছে। সে যাই হোক, দুধসাদা মনোহরার মাথায় বাহারি কিসমিসের অলঙ্করণে সত্যিই মনোহরা মুর্শিদাবাদের এই মিষ্টি। বেলডাঙার মনোহরা যদি অসিত সাহা, মদনগোপাল সাহারা বাঁচিয়ে রাখেন, তবে কান্দির সুনাম রক্ষা করে চলেছেন শিবশক্তি দে বা রুদ্রদেব দত্তেরা। সেই ট্রাডিশন এখনও চলছে।

    কীভাবে বানানো হয়?

    চাঁচি, ক্ষীর আর ছানার সঙ্গে এলাচ, জায়ফল আর জয়িত্রীর মিশ্রণে তৈরি ‘পুর’ চিনির মোটা রসের আস্তরণে ঢেকে রাখার অননুকরণীয় শিল্পের নাম মনোহরা। ছানা এবং চিনি হল এই মিষ্টির আসল উপকরণ। ছানা ভালো করে মেখে নেওয়ার পরেই তাকে চিনির সঙ্গে পাক দেওয়া হয়। মেশানো হয় এলাচ, ডাবের শাসের পাতলা আস্তরণ। তারপর সেই পাক হাতে গোল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এটিকে রূপদান করা হয়। সবশেষে শিরায় সেটিকে মেশানো হয়। একবার কোট করেই তুলে নেওয়া হয়। ব্যস, মনোহরা তৈরি!

    জনাইয়ের মনোহরা

    হুগলির (Hooghly) জনাইয়ে প্রথম মনোহরা (Monohora Sweet) তৈরি হয়েছিল। এই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস দু’শো বছরের ওপর। জনাইয়ের মনোহরার উৎপত্তি নিয়ে একাধিক মত প্রচলিত আছে। একটি মতে, ভীমচন্দ্র নাগের পিতা পরাণচন্দ্র নাগ ছিলেন বর্ধমান রাজের দেওয়ান। এক সময়ে তিনি দেওয়ানের চাকরি ছেড়ে মিষ্টির ব্যবসায় নামেন। হুগলি জেলার জনাইতে তিনি মিষ্টির ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সময়েই তিনি মনোহরা নামক মিষ্টির প্রচলন করেন। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের ময়রারা সন্দেশকে সংরক্ষণ করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ভুলবশতঃ সন্দেশকে চিনির রসে ডুবিয়ে ফেলেন। তার থেকেই সৃষ্টি হয় মনোহরা। এছাড়া জনাইয়ের জনৈক ললিত ময়রা ১৮৬০-এর দশকে মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেন বলে দাবি করা হয়। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের জমিদার তখন কালীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান ছিলেন। সমৃদ্ধি ছিল শহরে। এমনই এক সময় ইংরেজ এক সাহেবের আগমনে রাজবাড়ি (কালীবাবুর বাড়ি) জুড়ে হইহই রইরই রব। মিষ্টি তো সবাই বানায়। তবে রসের বাঁধন থাকবে, ধাঁচ হবে শুকনো এমন মিষ্টি কোথায় পাওয়া যায়? সালটা ১৮৬৮ হবে, কালীবাবুর অনুরোধেই ন্যাড়া ময়রা বানালেন দুর্দান্ত স্বাদের এক মিষ্টি, নাম তখনও অজানা। ইংরেজ সাহেবের পাতে পড়তেই স্বাদ আস্বাদনে আর দেরি করলেন না। মিষ্টি মুখে দেওয়ার পরই একেবারে মিলিয়ে গেল। আবেগে আপ্লুত সাহেব কাটা কাটা বাংলায় বললেন, “এই মিষ্টি আমার মন হরণ করে নিয়েছে।” ব্যস! সেই থেকে মন হরণ করা এই মিষ্টির নাম হল মনোহরা।

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার খুব ভক্ত ছিলেন!

    জনাইয়ের মনোহরা (Monohora Sweet) এক সময় কলকাতার রসগোল্লা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা ও বর্ধমানের সীতাভোগের মতো সমান জনপ্রিয় ছিল। মুখে মুখে এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায় এবং ক্রমে সারা ভারতে। ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিজাতরা অতিথি আপ্যায়নের জন্য জনাইয়ের মনোহরা আনাতেন। ক্রমে ব্রিটেনেও মনোহরার বাজার তৈরি হয়। পরবর্তীকালে মনোহরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানিতেও রফতানি হতে থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার (Monohora Sweet) খুব ভক্ত ছিলেন। ছবি বিশ্বাস, উত্তম কুমার ও ছায়া দেবীর মতো বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক-নায়িকারা আউটডোর শুট করে কলকাতা ফেরার পথে প্রায়ই গাড়ি থামিয়ে মনোহরা কিনে বাড়ি ফিরতেন। আজও হাজারো মিষ্টির ভিড়ে মনোহরা নিজের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। মুর্শিদাবাদ-হুগলিবাসী বলে নয়, মনোহরার স্বাদ একবার যিনি চেখে দেখেছেন, তাঁর মন জয় করে নিয়েছে ব্রিটিশ আমলে জন্ম নেওয়া এই মিষ্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে অশান্তি, ভারতে ঢুকে পড়তে পারে জঙ্গিরা, আশঙ্কা প্রাক্তন কূটনীতিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়শির ঘরে আগুন। স্বাভাবিকভাবেই গৃহস্থ যে নিশ্চিন্তে থাকবে না, এ আর নতুন কথা কী! ভারতের পড়শি বাংলাদেশের অশান্তির (Bangladesh Crisis) আঁচ লাগতে পারে এ পারেও। সংরক্ষণকে ঘিরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল (Terrorists Infiltration) বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালান শেখ হাসিনা। বর্তমান বাংলাদেশ চালাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের প্রধান নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূস। তার পর বাংলাদেশের পরিস্থিতি ছন্দে ফিরছে। তবে অনুপ্রবেশের আশঙ্কায় কাঁটা ভারত। প্রাক্তন হাইকমিশনার তথা প্রাক্তন সচিব এবং রাষ্ট্রদূত পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, “ভারতকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।”

    হতে পারে জঙ্গি অনুপ্রবেশ (Bangladesh Crisis)

    তাঁর মতে, ডামাডোলের বাজারে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে সন্ত্রাসবাদী এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। এ দেশে চালাতে পারে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের এই অশান্তির প্রভাব পড়তে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। ভারতের ‘নেইবারহুড ফার্স্ট পলিসি’ এবং ‘অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি’র ওপরও প্রভাব পড়বে। প্রভাব পড়বে আঞ্চলিক টাইয়ের ওপরও। আর এই রাজনৈতিক অনিশ্চিয়তা বাংলাদেশে সূচনা করবে অর্থনৈতিক দূরাবস্থা এবং সামাজিক অস্থিরতার।

    দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব!

    বাংলাদেশের অস্থিরতার ব্যাপক প্রভাব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে পড়বে বলেও মনে করেন এই প্রাক্তন হাইকমিশনার। তবে বাংলাদেশের নয়া সরকারের সঙ্গে ভারত নতুন উদ্যমে কাজ করবে বলেও মনে করেন তিনি। প্রসঙ্গত, আওয়ামি লিগের সঙ্গে ভারত সরকারের বোঝাপড়া বেশ ভালো। পদ্মার এক পারে হাসিনা এবং অন্য পারে মোদি জমানায় দুই দেশের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছিল। অশান্তির আঁচ ‘গণভবনে’ (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন) আছড়ে পড়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন হাসিনা। দেশের রাশ চলে আসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে।

    কী বলছেন প্রাক্তন হাইকমিশনার

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সব কিছুই মসৃণভাবে চলছিল। সম্প্রতি একটি বিদেশি রাষ্ট্র তাঁকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে দাবি করেছিলেন হাসিনা।” বিশ্লেষকদের মতে, তার পর থেকেই একটু একটু করে গরম হতে থাকে আন্দোলনের তাওয়া। সংরক্ষণকে কেন্দ্র (Terrorists Infiltration) করে দেশজুড়ে হিংসার আগুন ছড়ায় সেই তাওয়া থেকে।

    হাসিনার সঙ্গে আমেরিকা-পাকিস্তানের সম্পর্ক

    হাসিনার সঙ্গে আমেরিকা ও পাকিস্তানের সম্পর্ক কোনও কালেই ভালো ছিল না। বাংলাদেশকে মিলিটারি ফেসিলিটি দিতে চেয়েছিল আমেরিকা। তা নিতে অস্বীকার করেন হাসিনা। হাসিনা সরকারের চিনের দিকে ঢলে পড়াটাও ভালো চোখে দেখেনি বাইডেনের দেশ। এদিকে, পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনওকালেই ভালো ছিল না। বাংলাদেশের জন্মের আগে পাকিস্তানিদের কাছে এই বাঙালি মুসলমানরা ছিল উপেক্ষার পাত্র। একাত্তরের মুক্তি যুদ্ধের সময় থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হওয়া ইস্তকও খান সেনারা বাঙালি মুসলমানদের ভালো চোখে দেখেনি। পাকিস্তানের হাতে খুন হন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মুজিবুর রহমান। সম্পর্কে তিনি শেখ হাসিনার বাবা। মুজিবুর খুন হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্পর্ক কার্যত তলানিতে চলে যায়।

    হিন্দুদের ওপর অত্যাচার

    বাংলাদেশ যখন ক্রমেই উন্নতির জন্য নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন মোদি জমানায় দ্রুত উন্নতি করছে ভারত। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারত। সেই দেশই আজ উঠে এসেছে ৫ নম্বরে। অচিরেই (Bangladesh Crisis) চতুর্থ স্থান দখল করবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে একাধিক সমীক্ষায়। রাষ্ট্রদূতের মতে, এমতাবস্থায় ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। তাই সীমান্তে অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন। কারণ ঝাঁকের কইয়ের সঙ্গে ঢুকে যাবে জঙ্গি এবং ধর্মীয় উগ্রপন্থীরা। ভারতে ঘটাবে নাশকতামূলক কাজ। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যখনই কোনও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তখনই তার ফল ভোগ করতে হয়েছে সে দেশের হিন্দুদের। দেশভাগ এবং সাম্প্রদায়িক উত্তরাধিকারের কারণে সে দেশের মুসলমানরা বারবার হামলা চালিয়েছে হিন্দুদের বাড়িঘরে। জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁদের জমিজিরেত।” তাঁর মতে, সেই কারণেই বাংলাদেশে হিন্দুদের সংখ্যা কমছে দ্রুত। কারণ এই দেশের হিন্দু নাগরিকরা সব সময় ভোগেন নিরাপত্তাহীনতায়।

    আওয়ামি লিগের ভবিষ্যৎ

    হাসিনার রাজনৈতিক কেরিয়ার আপাতত অনিশ্চিত বলেও মনে করেন এই রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, “তবে তাঁর কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে, এ কথা বলার সময় এখনও আসেনি। তাঁর দল আওয়ামি লিগ মুছে যাবে না।”  তিনি বলেন, “এটা বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। স্বাধীনতা আন্দোলনেও এর অবদান রয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচন (Terrorists Infiltration) হলে তাতে নিশ্চয়ই অংশ নেবে হাসিনার দল (Bangladesh Crisis)।”

     

  • Indian Air Force: মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানে ইজরায়েলি ‘র‌্যাম্পেজ’ ক্ষেপণাস্ত্র বসাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা, কতটা শক্তি বাড়বে?

    Indian Air Force: মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানে ইজরায়েলি ‘র‌্যাম্পেজ’ ক্ষেপণাস্ত্র বসাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা, কতটা শক্তি বাড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হওয়ার পথে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) ‘মিগ-২৯ ইউপিজি’ (MiG-29 UPG) যুদ্ধবিমান। রুশ-নির্মিত এই ফাইটার জেটগুলির আয়ু বাড়াতে বড় আধুনিকীকরণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর আওতায় একদিকে যেমন এভিয়োনিক্স ও কন্ট্রোল সিস্টেম সহ বিমানের একাধিক সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যার উন্নীত করা হবে, তেমনই এই যুদ্ধবিমানের অস্ত্রসম্ভারে ক্ষমতায় আনা হতে পারে বিরাট পরিবর্তন। সূত্রের খবর, মিগ-২৯ ইউপিজি’র (MiG-29 UPG) মারণ ক্ষমতা বাড়াতে ইজরায়েলের ঘাতক আকাশ থেকে ভূমি ‘র‌্যাম্পেজ’ ক্ষেপণাস্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার ভাবনাচিন্তা চলছে।

    আরও ভয়ানক মিগ-২৯ ইউপিজি…

    যা জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকভাবে ২৪টি মিগ-২৯ ইউপিজি (ভারতীয় নৌসেনা ব্যবহার করে মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের ‘কে’ ভেরিয়েন্ট। বায়ুসেনা ব্যবহার করে এরই ‘ইউপিজি’ ভেরিয়েন্ট) যুদ্ধবিমানের আধুনিকীকরণ করা হবে। ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) অন্য যুদ্ধবিমানে ইজরায়েলের এই র‌্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যার পোশাকি নাম হাই-স্পিড লো ড্র্যাগ (এইচএসএলডি) মার্ক-২। এই মিসাইলের পাল্লা ১৮০ কিলোমিটারেরও বেশি। এবার, মিগ-২৯ ইউপিজি-তে (MiG-29 UPG) এই অস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, এর জন্য এই মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানে অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে— বিমানের দুপাশের ডানার বাইরের দিকের অংশের তলায় ক্ষেপণাস্ত্র ধরে রাখার নতুন র‌্যাক, অতিরিক্ত কেবল এবং রিগ। সেইসঙ্গে ঢোকাতে হবে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার। 

    কেন ভারতের (Indian Air Force) পছন্দ র‌্যাম্পেজ?

    র‌্যাম্পেজকে তৈরি করেছে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রথমদিকে শুধুমাত্র ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবেই তৈরি করা হয়েছিল। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মাল্টি-লঞ্চ রকেট সিস্টেম থেকে নিক্ষেপ করা হত। পরবর্তীকালে, এর আকাশ থেকে (বিমান থেকে) নিক্ষেপযোগ্য ভেরিয়েন্ট তৈরি করা হয়। ফলত, অন্যান্য ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় এই মিসাইলের উৎপাদন খরচ অনেকটাই কম। অর্থাৎ, কম অর্থ ব্যয় করেই ইজরায়েল থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি কিনতে পারে ভারত। নিজের টার্গেট বা লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে আইএনএস/জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। পাশাপাশি, এর পাল্লা বড় হওয়ায় শত্রুপক্ষের অ্যান্টি-এয়ারক্র্যাফট বা বিমান-বিধ্বংসী সিস্টেমের রেঞ্জের মধ্যে বিমান আসবে না। সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই মিসাইলের আরও একটি বড় ক্ষমতা হল— এটি শত্রুপক্ষের এয়ার-ডিফেন্স নেটওয়ার্ককে ভেদ করে উচ্চ-সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তু বা গুপ্ত বাঙ্কারকে ধ্বংস করতে ওস্তাদ।

    একই অঙ্গে এত গুণ!

    একবার লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত হয়ে গেলে, শেষ ধাপে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের গতি বাড়িয়ে নেয়। শুধু উচ্চ গতিই নয়, এই ক্ষেপণাস্ত্রের ম্যানুভরাবিলিটিও দুরন্ত। অর্থাৎ, শত্রুর ভূমি থেকে আকাশ বা আকাশ থেকে আকাশ অ্যান্টি-মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্রকে হাওয়ায় কাটাতে এই ক্ষেপণাস্ত্র সিদ্ধহস্ত। সর্বোপরি, এর ট্র্যাজেক্টরি (নিক্ষেপ হওয়া থেকে নিশানায় আঘাত করার আগে পর্যন্ত ক্ষেপণাস্ত্রের সমগ্র গতিপথ) ক্রুজ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মিশেল। এই সব কারণে, র‌্যাম্পেজকে চিহ্নিত করা বা ধ্বংস করা অত্যন্ত কঠিন। ভারতীয় নৌসেনা মিগ-২৯কে (MiG-29 UPG) যুদ্ধবিমানে এই র‌্যাম্পেজ মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। পাশাপাশি, ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) জাগুয়ার বম্বার এবং সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এই ইজরায়েলি-জাত মিসাইল।

    সুখোই-৩০ অন-দ্য ‘রকস্’

    এদিকে, সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানের জন্য ইজরায়েলের আরও একটি মিসাইল ‘রকস্’-কে অন্তর্ভুক্ত করার ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এটি তৈরি করেছে ইজরায়েলের অন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা রাফায়েল। এই ক্ষেপণাস্ত্রটিও বায়ুসেনার অন্য যুদ্ধবিমানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indian Air Force) এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম ‘ক্রিস্টাল মেজ ২’। এটি ২৫০ কিমি পাল্লার আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। র‌্যাম্পেজের মতো ‘রকস্’ ক্ষেপণাস্ত্রও প্রথমদিকে ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। পরে, এর আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ভেরিয়েন্ট তৈরি করা হয়, যাতে করে যুদ্ধবিমান থেকেও এটি নিক্ষেপ করা যায়। 

    ভারতে তৈরি হবে ‘রকস্’!

    সূত্রের খবর, এই ‘রকস্’ বা ক্রিস্টাল মেজ মিসাইলকে বিপুল পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। প্রথমে ইজরায়েল থেকে আমদানি করা হলেও, পরে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে এদেশেই উৎপাদন করতে তৎপর ভারত। এই ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা প্রশ্নাতীত। সম্প্রতি, ইরানের এস-৩০০ এয়ার-ডিফেন্স সিস্টেমের অংশ হিসেবে মোতায়েন করা ৩০এন৬ই রেডারকে চিহ্নিত করে ধ্বংস করতে এই ক্ষেপণাস্ত্রকেই ব্যবহার করেছিল ইজরায়েল। বলা বাহুল্য, রুশ-নির্মিত এস-৩০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমটি ইজরায়েলের র‌্যাম্পেজ ও ‘রকস্’-কে আটকাতেই বসিয়েছিল ইরান।

         

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share