Tag: Bengali news

Bengali news

  • West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের জেরে বঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি, মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    West Bengal Weather Update: নিম্নচাপের জেরে বঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি, মৎস্যজীবীদের সাগরে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী কয়েক দিন বর্ষা হবে বঙ্গ জুড়ে। স্বস্তির বৃষ্টি বেশ কয়েকদিন স্থায়ী হবে এমনটাই পূর্বানুমান আবহাওয়া দফতরের। একাধিক জেলায় (West Bengal Weather Update) দুর্যোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে রাজ্যে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে চলেছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় বৃষ্টিপাত হবে। বঙ্গোপসাগরে ঘনিয়েছে নিম্নচাপ। যা উড়িষ্যার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে বঙ্গেও বৃষ্টিপাত হবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবন।

    ২১ জুলাইয়ের সভা নিয়ে চিন্তা শাসকের (West Bengal Weather Update)

    উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলা সহ দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাকি জেলায় মাঝারি বৃষ্টি হবে (West Bengal Weather Update) বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ২০ এবং ২১ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের অনুমান ২১ জুলাই কলকাতায় (Kolkata Weather) ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

    আরও পড়ুন: শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে নামবে ভক্তদের ঢল, বিশেষ ট্রেন চালাবে রেল

    সে ক্ষেত্রে ২১ জুলাইয়ের সভা পণ্ড হওয়ার একটি সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবছর রাজ্যের শাসক দল ২১ জুলাই কলকাতায় একটি সমাবেশ করে থাকে। বৃষ্টির জেরে সমাবেশ নিয়ে চিন্তিত শাসক শিবির।

    মৎস্যজীবীদের সুমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা

    বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উত্তরের অংশ ঝঞ্ঝাপূর্ণ হবে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা বেগে হাওয়া বইবে সমুদ্র ও উপকুলে। ১৯ থেকে ২২ জুলাই ঝঞ্ঝা থাকবে সমুদ্রে। সেই সময় (West Bengal Weather Update)  সাগর অত্যন্ত চঞ্চল থাকবে। এই সময় মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।   

  • Sonarpur:  জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    Sonarpur: জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনারপুরে (Sonarpur) শিকলকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী জামালউদ্দিন সর্দার ওরফে জামাল (Jamal Sardar) এখনও অধরা। তিনি ভোট পরবর্তী হিংসায় একটি খুনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন ২০২১ সালে। তাঁর নির্মাণ করা প্রাসাদোপম বাড়ি এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। ছেলের অট্টালিকা থাকলেও ঠাই নেই মায়ের। একটি জীর্ণ কুঁড়েঘরেই দিন কাটাচ্ছেন, সেই সঙ্গে জামালের বাকি তিন ভাইয়ের আশ্রয়স্থল ঝুপড়িতেই। এই খবরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় অভিযুক্ত জামাল (Sonarpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় সোনারপুরের (Sonarpur) একটি খুনের মামলায় জামালের নাম জড়িয়েছিল। সিবিআই তদন্ত করে যে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল তাঁদের মধ্যে তিনিও ছিলেন। কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে দুমাস পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরেও তাঁর দৌরাত্ম্য থেমে যায়নি। পুলিশ এদিন তাঁর এই বিরাট বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিল, কিন্তু বাড়ির গেট বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে এই প্রাসাদোপম বাড়ি তল্লাশি অভিযান করবে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “সম্ভাব্য যে সমস্ত জায়গায় জামাল থাকতে পারে, সেখানেই তল্লাশি চলছে। আশা করছি খবু তাড়াতাড়ি ধরা পড়বে।”

    জোড়াতাপ্পি দেওয়া কুঁড়ে ঘরে দিন কাটছে মা!

    জামালের বাড়ির (Sonarpur) খানিক কাছেই বাঁশ বাগানের মধ্যে জোড়াতাপ্পি দেওয়া কুঁড়ে ঘরে দিন কাটছে মা শাহজাদি সর্দার। প্রতিমাসে যে বিধবা ভাটার হাজার টাকা করে পান, তা দিয়েই কোনও রকমে সংসার চলে। তিনি অবশ্য ছেলেকে দোষারোপ করেননি। তিনি বলেছেন, “আমাকে অনেক বার ওর বাড়িতে থাকার জন্য বলেছে। আমিই রাজি হইনি। ওর দিন ভালই কাটছে, তবে ভালো থাকে বলে শত্রু বেশি। কোনও অবৈধ কাজ করেনি।” আবার জামালের মেজদা থাকেন তাঁরই বাড়ির রাস্তার উল্টো দিকে। তবে কেন ছেলে এই ভাবে রাজপ্রাসদে থাকেন আর মা ও ভাইয়েরা ঝুপড়িতে থাকেন, তার উত্তর পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    দালালি পেশা

    জানা গিয়েছে জামালের (Jamal Sardar) আয়ের উৎস হল জমি কেনাবেচা, দলালি এবং টাকার বিনিময়ে সালিশি করে বিচার করা। তবে বিচারের নিদান না মানলে ধরে এনে বাড়িতে শিকল বেঁধে অত্যাচার করা তাঁর কাজেরই অঙ্গ। রুজিনা বিবি নামক এক মহিলকে অন্ধকার ঘরে শিকল দিয়ে বেঁধে অত্যাচারের ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। এরপর থেকেই পলাতক জামাল। এদিকে ঘটনায় মুজিদ খাঁ এবং অরবিন্দ সরকার নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বুধবার বারুইপুর (Sonarpur) আদালতে তোলা হয়েছিল। অপর দিকে জামাল এখনও পলাতক এলাকায়। পুলিশের কাছে ইতিমধ্যে ভূরি-ভূরি অভিযোগ জমা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 20 july 2024: এই রাশির জাতকরা বন্ধুদের থেকে একটু সাবধান থাকুন, অশান্তি বাড়তে পারে

    Daily Horoscope 20 july 2024: এই রাশির জাতকরা বন্ধুদের থেকে একটু সাবধান থাকুন, অশান্তি বাড়তে পারে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত আশার জন্য বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন নিয়ে অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। 

    ৩) দিনভর সতর্ক তাকুন।

    বৃষ

    ১) সম্পত্তি ব্যাপারে আইনি সাফল্য আসতে পারে।

    ২) বাড়িতে বিরোধী মনোভাব ত্যাগ করাই ভাল হবে।

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    মিথুন

    ১) বিবাদ মারামারি পর্যন্ত যেতে পারে।

    ২) সারা দিন ব্যবসা ভালো চলা সত্ত্বেও চিন্তা থাকবে। 

    ৩) অর্থনৈতিক বাবে লোকসান।

    কর্কট

    ১) সকালের দিকে অশান্তির জন্য মন ভাল থাকবে না।

    ২) কর্মজগতে জনপ্রিয়তা পেতে পারেন। 

    ৩) সাবধান থাকুন।

    সিংহ

    ১) বাড়িতে ভালো সংবাদ আসতে পারে।

    ২) নতুন কর্মের সন্ধান করতে হতে পারে।

    ৩) অর্থ রোজগার ভালোই হবে।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত কাজের জন্য ক্লান্তি আসতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর দ্বারা ব্যবসায় উপকার পেতে পারেন। 

    ৩) লাভের মুখ দেখবেন আজ।

    তুলা

    ১) মানসিক উদ্বেগের জন্য কাজ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের চিকিৎসার কাজে অর্থ ব্যয় হতে পারে। 

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করুন।

    বৃশ্চিক

    ১) অপরকে সুখী করতে গিয়ে নিজেকে আত্মত্যাগ করতে হবে।

    ২) অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শে আইনি সুরক্ষা পেতে পারেন। 

    ৩) সারাদিন ভালো কাটবে।

    ধনু

    ১) গানবাজনার দিকে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) অতিরিক্ত লোভ আপনার জীবনে বিপদ ডেকে আনতে পারে। 

    ৩) গুণীজনের পরামর্শ নিন।

    মকর

    ১) বন্ধুদের থেকে একটু সাবধান থাকুন, অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) অপরের নামে সমালোচনা করতে যাবেন না, সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। 

    ৩) বিবাদ এড়িয়ে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধির যোগ আছে।

    ২) উপকারের বিনিময়ে অপমানিত হতে হবে।

    ৩) মানসিকভাবে শক্ত হোন।

    মীন

    ১) বিশেষ ব্যক্তির দ্বারা সংসারে উন্নতির যোগ দেখা যাচ্ছে।

    ২) সন্তানদের পরীক্ষার ফল ভালো হবে। 

    ৩) বাড়িতে আনন্দের পরিবেশ।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vulture Population: ভারতে শকুনের সংখ্যা কমার ফলে বেড়েছে মানুষের মৃত্যুর হার, বলছে রিপোর্ট

    Vulture Population: ভারতে শকুনের সংখ্যা কমার ফলে বেড়েছে মানুষের মৃত্যুর হার, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশগত ভারসাম্য অথবা বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শকুন (Vulture Population)। পচাগলা মৃতদেহ ভূপৃষ্ঠ থেকে সরাতে স্যানিটাইজেশনের কাজ করে শকুন। অর্থাৎ প্রাকৃতিক স্যানিটাইজেশনের পরিষেবা শকুনের কাছ থেকেই পাওয়া যায়। একাধিক গবেষণায় সামনে এসেছে মানুষের জীবন রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শকুন (Vulture)। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ভারতে শকুনের সংখ্যা কমেছে বিগত বছরগুলিতে (Vulture Population)। এর ফলে পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে বাস্তুতন্ত্র ও জীববৈচিত্র্যের ওপর। বেড়েছে মানুষের মৃত্যুর হারও। ৯০-এর দশকের পর থেকে শকুনের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে দেশে, এমনই তথ্য সামনে এসেছে এক গবেষণায়। এর পরবর্তীকালে ২০০২ সালেই শকুনকে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে আইইউসিএন।

    কী বলছে নতুন গবেষণা (Vulture Population)? 

    নতুন একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে ভারতে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে মৃত প্রাণীর কাছ থেকে রোগ জীবাণু ছড়ানোর ফলে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মৃত প্রাণীর দেহ প্রাকৃতিকভাবে স্যানিটাইজেশনের কাজ করে শকুন, তাই শকুনের (Vulture) প্রজাতির কমার কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

    বিপুল পরিমাণে শকুনের মারা যাওয়ার কারণ কী?

    কিন্তু বিপুল পরিমাণে শকুনের মারা যাওয়ার (Vulture Population) কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধই শকুনের মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ। বিষাক্ত এই ওষুধের সংক্রমণ মৃত প্রাণীদের দেহ শকুনের দেহে ছড়ায়। তার প্রভাবে শকুনের দেহে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে পড়তে থাকে। কিডনি বিকল হয়ে যেতে থাকে। এরফলেই মারা যেতে থাকে শকুন। পরবর্তীকালে ভারত সরকার ২০০৬ সালে এই ডাইক্লোফেনাকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।

    যে অঞ্চলগুলিতে শকুন থাকত, সেখানে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৪.৭ শতাংশ

    গবেষণাতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের যে অঞ্চলগুলিতে প্রচুর পরিমাণে শকুন থাকত, সেখানে গড়ে মানুষের মৃত্যুর হার ৪.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ শকুনের সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, ২০০৫ সালের পরবর্তীকালে প্রতিবছর গড়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৩৮৬ জন অতিরিক্ত মানুষের মৃত্যু হয়েছে ওই অঞ্চলগুলিতে। এত মানুষের মৃত্যু, শকুনের সংখ্যা কমার ফলেই হয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ওই সমস্ত জায়গাতে মৃত প্রাণীর দেহ প্রাকৃতিকভাবে স্যানিটাইজেশন করত শকুন যার ফলে রোগ জীবাণুর ছড়ানো বন্ধ হত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardik Pandya: হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা নাতাশার! ৩ বছরের ছেলের কাস্টডি পেলেন কে?

    Hardik Pandya: হার্দিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা নাতাশার! ৩ বছরের ছেলের কাস্টডি পেলেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সত্যি হল জল্পনা। হার্দিক পান্ডিয়ার (Hardik Pandya) সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন নাতাশা স্তানকোভিচ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে বিবাহবিচ্ছেদ (Hardik-Natasa Divorce) ঘোষণা করলেন তিনি। একই পোস্ট করেছেন হার্দিকও। বেশ কিছু দিন ধরেই হার্দিক এবং নাতাশার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা চলছিল। বৃহস্পতিবার নাতাশা সেই সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানিয়ে দিলেন যে, তাঁদের চার বছরের সম্পর্কে ইতি টানছেন।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by @natasastankovic__

    পুত্র অগস্ত্যকে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত? (Hardik-Natasa Divorce) 

    বৃহস্পতিবার নাতাশা ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লেখেন, “চার বছর একসঙ্গে থাকার পর হার্দিক (Hardik Pandya) এবং আমি আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একসঙ্গে থাকার সব রকম চেষ্টা আমরা করেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা একসঙ্গেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আলাদা হওয়ার। এটাই আমাদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুবই কঠিন ছিল। আমরা একটা পরিবার তৈরি করেছিলাম। একে অপরের সঙ্গে আনন্দের সময় কাটিয়েছিলাম। আমাদের পুত্র অগস্ত্য রয়েছে। আমাদের দুজনের জীবনের অংশ হিসাবে থাকবে ও। আমরা একসঙ্গে বড় করব অগস্ত্যকে। ওকে আনন্দে রাখার জন্য আমরা সব কিছু করব। এই কঠিন সময়ে আমাদের একটু নিজেদের মতো থাকা প্রয়োজন। আশা করব আপনারা আমাদের সেই সহযোগিতাটুকু করবেন।”

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Hardik Himanshu Pandya (@hardikpandya93)

    চার বছরের ব্যাবধানে বদলে গেল সবকিছু

    চার বছর আগে নাতাশা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে রূপকথার বাগদান সেরেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। একেবারে ফিল্মি স্টাইলে দুবাইয়ের মাঝ সমুদ্রে হাঁটু গেড়ে বসে নাতাশাকে প্রোপোজ করেন ভারতীয় দলের এই তারকা অল-রাউন্ডার। এরপর ২০২০ সালের ৩১ মে বিয়ে করেছিলেন হার্দিক (Hardik Pandya) ও নাতাশা। বড় কোনও উত্‍সব নয়, আইনি মতেই চার হাত এক হয়েছিল। সেবছরই ৩০ জুন মা হন নাতাশা। ছেলের নাম অগস্ত্য। এরপর গতবছর অর্থাত্‍ ২০২৩ সালে ১৪ ফ্রেরুয়ারি হার্দিক-নাতাশার বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দুজনের পরিবার, বন্ধু ও ছেলে অগস্ত্যও। ১২ দিন পর অগস্ত্যের জন্মদিন। চার বছর পূর্ণ হবে তার। কিন্তু চার বছরের ব্যাবধানে বদলে গেল সবকিছু।

    আরও পড়ুন: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    প্রসঙ্গত, আগেই হার্দিক এবং নাতাশা ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি সরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে অগস্ত্যের সঙ্গে ছবি ছিল তাঁদের। তখনই জল্পনা তৈরি হয়েছিল হার্দিকদের বিবাহবিচ্ছেদ (Hardik-Natasa Divorce) নিয়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পরও নাতাশাকে কোনও রকম পোস্ট করতে দেখা যায়নি। এক সময় হার্দিকের (Hardik Pandya) খেলা দেখতে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতেন নাতাশা। কিন্তু এ বছর আইপিএল এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেখা যায়নি তাঁকে। বিশ্বকাপের পর দেশে ফিরেও নাতাশার সঙ্গে দেখা করেননি হার্দিক। আর এর পরেই নাতাশা ও হার্দিকের এই পোষ্ট। স্বাভাবিকভাবেই এমন খবর পেয়ে মন খারাপ ফ্যানেদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: একদিনে মৃত ১৯! সংরক্ষণ আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, মামলার শুনানি রবিতে

    Bangladesh: একদিনে মৃত ১৯! সংরক্ষণ আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, মামলার শুনানি রবিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh)। সে দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‘প্রথম আলো’র দাবি, বৃহস্পতিবার গোটা দেশে এমন সংঘর্ষে (Agitation in Bangladesh) মৃত্যু হয়েছে আরও ১৯ জনের। অর্থাৎ মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩২। তাঁদের মধ্যে কারও মৃত্যু হয়েছে গুলিতে, কারও বা ধারালো অস্ত্রের কোপে। ‘প্রথম আলো’র  আরও দাবি শুধু রাজধানী ঢাকাতেই মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এদের মধ্যে অধিকাংশই পড়ুয়া এবং প্রত্যেকেরই বয়স ৩০-এর নিচে বলে জানা গিয়েছে। মর্মান্তিকভাবে একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রেরও মৃত্যু হয়েছে বৃহস্পতিবার, এমনই খবর সামনে এসেছে। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশ (Bangladesh) জুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে।

     রবিবারই শুনানির দিন ধার্য করেছে বাংলাদেশের চেম্বার আদালত

    এই আবহে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীও জখম হয়েছেন। ভাঙচুর, অগ্নি-সংযোগের ঘটনাও ইতিমধ্যে ঘটছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হাজারেরও ওপরে পৌঁছেছে সেদেশে (Agitation in Bangladesh) জখম সংখ্যা। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে তারা নীতিগতভাবে সহমত এবং তারা আলোচনাতে বসতেও প্রস্তুত। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলাটির রবিবারই শুনানির দিন ধার্য করেছে বাংলাদেশের চেম্বার আদালত।

    সমাজমাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার রুখতে ইন্টারনেটে রাশ টেনে ধরেছে বাংলাদেশ সরকার

    পড়ুয়াদের এমন বিক্ষোভ আন্দোলনের জেরে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে গত কয়েকদিন ধরেই। মাঝখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার ঢাকায় মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশ জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবস্থাতে অশান্তির প্রভাব পড়েছে। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে সংঘর্ষের ছবি, ঠিক এই আবহে সমাজমাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার রুখতে ইন্টারনেটে রাশ টেনে ধরেছে বাংলাদেশ (Agitation in Bangladesh) সরকার। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়নি।

    কেন সংরক্ষণ ইস্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ?

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংরক্ষণের নিয়ম নিয়েই এই অশান্তির সূত্রপাত। ২০১৮ সালেও একই বিষয়ে আন্দোলন উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশটি। প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে সে দেশে মোট ৫৬ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল, যার মধ্যে ৪৪ শতাংশ আসন সাধারণের জন্য নির্ধারিত ছিল। ৫৬ শতাংশ আসনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০%, জেলার জন্য ১০%, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ ছিল। ২০১৮ সালে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ শতাংশ, নারীদের ১০ শতাংশ ও জেলার ১০ শতাংশ আসন বাতিল করে দেন। রাখা হয় শুধু জনজাতিদের ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষণ। এ নিয়ে মামলা গড়ায় বাংলাদেশের হাইকোর্টে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, হাসিনা সরকারের নির্দেশ অবৈধ। ফের প্রতিবাদ আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 19 july 2024: দাম্পত্য জীবনে অশান্তি কোন রাশির জাতকদের?

    Daily Horoscope 19 july 2024: দাম্পত্য জীবনে অশান্তি কোন রাশির জাতকদের?

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। 

    ৩) দাম্পত্য জীবন ভালো কাটবে।

    বৃষ

    ১) ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) নিজের অজান্তেই কোনও কাজের সুবাদে সকলের প্রীতিলাভ করবেন। 

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    মিথুন

    ১) কর্মক্ষেত্রে সম্মান পাবেন।

    ২) একাধিক পথে আয় বাড়তে পারে। 

    ৩) সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ৩) সারা দিন সাবধানতা অবলম্বন করে চলুন।

    সিংহ

    ১) অশান্তি থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ৩) অর্থ রোজগার ভালোই হবে।

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় কাজের দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    ৩) ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।

    তুলা

    ১) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে।

    ২) ব্যবসায় সমস্যা বাড়তে পারে। 

    ৩) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকুন।

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে অশান্তির সময়।

    ২) ব্যবসায় চাপ বাড়তে পারে। 

    ৩) সতর্কভাবে লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন।

    ধনু

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে। 

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    মকর

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন। 

    ৩) কর্মক্ষেত্রে সবাই আপনার নাম করবে।

    কুম্ভ

    ১) শারীরিক সমস্যার জন্য ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে শুভ সময় কাটাবেন।

    মীন

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ বৃদ্ধি।

    ২) কোনও বন্ধুর সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে। 

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Deep Sea Research Vessel: জাহাজ নির্মাণে গার্ডেনরিচ, সমুদ্রতলে লুকিয়ে থাকা রহস্যের সন্ধানে ভারত

    Deep Sea Research Vessel: জাহাজ নির্মাণে গার্ডেনরিচ, সমুদ্রতলে লুকিয়ে থাকা রহস্যের সন্ধানে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত মহাসাগরের অতলে লুকিয়ে রয়েছে রত্নভাণ্ডার (Oceans Mysteries)। এর মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি বিরল খনিজ এবং ধাতুও। সমুদ্রের বুক চিরে সেই রত্নের খোঁজ দিতে তৈরি হচ্ছে ভারতের বৃহত্তম ডিপ সি রিসার্চ ভেসেল (Deep Sea Research Vessel)। সমুদ্রের অতলে গবেষণা চালাবে এই জাহাজ। জাহাজটি তৈরি করছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা কলকাতার গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়র্স (GRSE)। গোয়া-ভিত্তিক একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তৈরি করা হবে অতিকায় এই জাহাজটি। বৃহস্পতিবার জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটি দৈর্ঘ্যে ৮৯.৫ মিটার। ভারতীয় শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত যত ধরনের ভেসেল বানিয়েছে, তার মধ্যে এটিই হবে বৃহত্তম। ভারত মহাসাগরের গভীরে অনুসন্ধান কার্য চালাবে ভারতীয় এই জাহাজটি।

    ‘ডিপ ওশেন মিশন’ (Deep Sea Research Vessel)

    গোয়ার ন্যাশনাল সেন্টার ফর পোলার অ্যান্ড ওশেন রিসার্চের তরফে জানানো হয়েছে, ভেসেলটি মোতায়েন করা হবে নিবিড় বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান কার্যে। সমুদ্রের অতল থেকে তুলে আনবে নমুনা। আর্থ সায়েন্স মন্ত্রকের ‘ডিপ ওশেন মিশনে’ তৈরি করা হচ্ছে এই জাহাজ। ভেসেলটি হবে সর্বংসহা। নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারবে দক্ষতার সঙ্গে। জাহাজটিতে এক সঙ্গে থাকতে পারবেন ৩৪ জন বৈজ্ঞানিক। ভারতের হয়ে এটি কাজ করবে আগামী তিরিশ বছর (Deep Sea Research Vessel)।

    খরচের বহর

    ভেসেলটি তৈরি করা হবে ৩৬ মাসের মধ্যে। খরচ ধরা হয়েছে ৮৩৯.৫৫ কোটি টাকা। ‘আত্মনির্ভর ভারত’ প্রকল্পেই তৈরি হচ্ছে জাহাজটি। জাহাজটির সর্বোচ্চ গতি হবে ১৪ নটিক্যাল কিলোমিটার। জাহাজের মধ্যেই থাকবে সর্বাধুনিক গবেষণাগার, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এবং হেভি-ডিউটি ডেক মেশিনারি। জাহাজটি তৈরিতে মেনে চলা হবে ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অফ শিপিং এবং আমেরিকান ব্যুরো অফ শিপিংয়ের মানদণ্ড। এমএআরপিওএল মান পূরণ করতে জাহাজটিতে থাকবে বিভিন্ন সমুদ্র প্রোফাইলার, সমুদ্রতলের স্যাম্পলার এবং অনবোর্ড অ্যানালিটিক্যাল সিস্টেম।

    আরও পড়ুন: সেই তৃণমূলের ‘দাদাগিরি’, বন্ধ হয়ে গেল জুনপুটে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের কাজও!

    জাহাজটি কেবল গভীর মহাসাগরে অভিযান চালাতে সক্ষম হবে না, দক্ষিণ মহাসাগরের গবেষণায়ও যাত্রা করতে পারবে। এনসিপিও-র পরিচালক থামবান মেলোথ বলেন, “জাহাজটি গভীর সমুদ্রে খনিজ ও বিরল ধাতু অনুসন্ধানের কাজ করবে। সমুদ্রে ধাতু অনুসন্ধানের জন্য সরকার গভীর (Oceans Mysteries) সমুদ্র মিশনের অধীনে জাহাজটি নির্মাণে অর্থায়ন করেছে (Deep Sea Research Vessel)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Guru Purnima 2024: আজ গুরু পূর্ণিমা, কখন শুরু? জানুন এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য

    Guru Purnima 2024: আজ গুরু পূর্ণিমা, কখন শুরু? জানুন এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মের প্রতিটি পূর্ণিমা তিথি গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়। পূর্ণিমা তিথিগুলি পালনে মেলে নানা ফল, এমনটাই বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের। তবে সব পূর্ণিমার মধ্যে অন্যতম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হলো গুরু পূর্ণিমা উৎসব (Guru Purnima 2024)। সাধারণভাবে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের পূর্ণিমা তিথিতে গুরু পূর্ণিমা পালিত হয়, তাই একে অনেকে আষাঢ় পূর্ণিমাও বলেন। চলতি বছরে এই পূর্ণিমা শ্রাবণ মাসেই পালিত হচ্ছে। হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস অনুযায়ী এই পবিত্র তিথিতে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বেদব্যাস, তাই এটিকে ব্যস জয়ন্তী হিসেবেও পালন করা হয়। গুরু পূর্ণিমাতে পূজা-অর্চনা, ব্রত পালন করলে ব্যক্তির জীবন সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে বলে বিশ্বাস রয়েছে ভক্তদের।

    কবে গুরু পূর্ণিমা (Guru Purnima 2024)?

    পঞ্জিকা অনুযায়ী ২০ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা থেকে গুরু পূর্ণিমা (Guru Purnima 2024) তিথির সূচনা। ২১ জুলাই দুপুর ৩টে ৪৭ মিনিটে এই তিথি সমাপ্ত হবে। শাস্ত্র অনুযায়ী, পূর্ণিমা তিথিতে পূর্ণিমার ব্রত পালন করা হয়। রাত্রিবেলা পূর্ণিমা তিথি থাকলে সে দিন ব্রত ও পুজো করা উচিত। তাই ২০ জুলাই পূর্ণিমা ব্রত করা হয়। ২১ জুলাই গুরু পূর্ণিমার স্নান-দান করা যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কোন কোন  যোগ রয়েছে গুরু পূর্ণিমায় (Guru Purnima 2024)

    গুরু পূর্ণিমায় (Guru Purnima 2024) সর্বার্থসিদ্ধি যোগ থাকবে বলে জানাচ্ছেন জ্যোতিষীরা। এই যোগে করা যে কোনও কাজই সফল হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এ সময় শুভকর্ম করা উত্তম। ২১ জুলাই সকাল ৫টা ৩৬ মিনিট থেকে ২২ জুলাই মাঝরাত ১২টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত সর্বার্থসিদ্ধি যোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি গুরু পূর্ণিমায় বিষ্কম্ভ যোগও থাকবে। ২১ জুলাই মাঝরাত ১২টা ৮ মিনিট থেকে শুরু করে ২১ জুলাই রাত ৯টা ১১ মিনিটে এই যোগ সমাপ্ত হবে। জ্যোতিষীদের মতে, গুরু পূর্ণিমায় (Importance Of Guru Purnima) প্রীতি যোগও থাকবে। এই যোগকে প্রেম যোগও বলা হয়। শুভ ও ইতিবাচকতার প্রতীক এই যোগ। ২১ জুলাই রাত ৯টা ১১ মিনিট থেকে ২২ জুলাই সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত প্রীতি যোগ থাকবে।

    গুরু পূর্ণিমার দিনে, ভগবান শিব তাঁর প্রথম সাত শিষ্যকে যোগ-বিজ্ঞানের শিক্ষা দিয়েছিলেন

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় সভ্যতায় গুরুকে ঈশ্বরের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে গুরু পূজনের রীতি তাই দেখা যায়। সনাতন সংস্কৃতিতে গুরুর স্থান একটি বিশেষ পর্যায়ে রাখা হয়েছে। কারণ পিতা-মাতার পরে, গুরুই একমাত্র ব্যক্তি যিনি শিষ্যকে সঠিক পথ দেখান, এমনটাই ধারণা ভক্তদের। গুরু তাঁর শিষ্যকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এনে সাফল্যের দিশা দেখান বলেই বিশ্বাস ভক্তদের। ধর্মীয় শাস্ত্রমতে (Importance Of Guru Purnima), গুরু পূর্ণিমার দিনে, ভগবান শিব তাঁর প্রথম সাত শিষ্য, সপ্তঋষিদেরকে সর্বপ্রথম যোগ-বিজ্ঞানের শিক্ষা দিয়েছিলেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত’’, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বৃহস্পতিবারই তাঁর এক বক্তব্যে বলেন, ‘‘বিশ্বকে সুখ-শান্তির দিশা দেখিয়েছে ভারত।’’  তিনি জানান, করোনা মহামারীর পর থেকে সমগ্র বিশ্ব উপলব্ধি করেছে যে ভারতই সারা দুনিয়াকে শান্তি এবং সুখের দিশা দেখাতে পারে। তিনি আরও জানিয়েছেন, একমাত্র সনাতন ধর্মই মানব সভ্যতার কল্যাণের কথা ভাবে। মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) তাঁর এদিনের বক্তব্যে আরও বলেন, ‘‘বিগত ২,০০০ বছর ধরে অনেক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে গোটা পৃথিবী কিন্তু এই সমস্ত কিছুই মানব সভ্যতাকে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু একমাত্র ভারতবর্ষের চিরাচরিত জীবন পদ্ধতি, ভারতবর্ষকে নতুনভাবে সারা দুনিয়াকে সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধির দিশা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

    সনাতন ধর্ম অভিজাত প্রাসাদ থেকে নয়, আশ্রম ও অরণ্য থেকে উঠে এসেছে (Mohan Bhagwat)

    বৃহস্পতিবারই সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন, বিকাশ ভারতী নামের একটি সংগঠনের বৈঠকে। এই বৈঠকে হাজির ছিলেন গ্রামীণ স্তরের কর্মীরা। সেখানেই এই কথাগুলি বলেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। তিনি আরও বলেন, ‘‘সনাতন ধর্ম অভিজাত প্রাসাদ থেকে নয়, আশ্রম ও অরণ্য থেকে উঠে এসেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত কিছুতেই পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু আমাদের প্রকৃতি কখনও বদলায়নি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘সময়ের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের প্রয়োজন হল নতুন পথ এবং পদ্ধতিকে গ্রহণ করা।’’ মোহন ভাগবত এদিন আরও বলেন, ‘‘প্রত্যেককে মানব সভ্যতা তথা সমাজের কল্যাণের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাওয়া উচিত।

    আমাদের মনটা এক এবং যেটা অন্য কোনও দেশে দেখা যায় না 

    তিনি আরও (RSS) বলেছেন, ‘‘উপজাতি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে আমাদের আরও কাজের প্রয়োজন, সেখানকার শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কাজে আমাদের আরও জোর দিতে হবে।’’ বনাঞ্চলের মানুষরা শান্তিপূর্ণ এবং সরল জীবন যাপন করেন বলেও জানান তিনি। মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) এদিন আরও বলেন, ‘‘বিভিন্ন পদ্ধতিতে ৩৩ কোটি দেবদেবীকে আমরা পুজো করি। ৩,৮০০ এরও বেশি ভাষা রয়েছে ভারতে, যেখানে মানুষ একের সঙ্গে অপরের কথা বলে। আমাদের খাদ্যাভাসের মধ্যেও অনেক রকমের বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায়। এই সমস্ত কিছু সত্ত্বেও আমাদের মনটা এক এবং যেটা অন্য কোনও দেশে দেখা যায় না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share