Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rajmata Ahilyabai Holkar: তাঁর রাজত্ব মন্দির পুনরুদ্ধারের স্বর্ণযুগ, জানুন রানি অহল্যাবাঈয়ের জীবনী

    Rajmata Ahilyabai Holkar: তাঁর রাজত্ব মন্দির পুনরুদ্ধারের স্বর্ণযুগ, জানুন রানি অহল্যাবাঈয়ের জীবনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন আধুনিক ও আদর্শবাদী রানি ছিলেন অহল্যাবাঈ হোলকার (Rajmata Ahilyabai Holkar)। রানির জন্ম ১৭২৫ সালের ৩১ মে। তিনি ছিলেন মারাঠা মালওয়া রাজ্যের রানি। রাজমাতা অহল্যাবাঈ মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের জামখেদ অঞ্চলের চৌন্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। ১৭৫৪ সালে কুমহেরের যুদ্ধে অহল্যাবাঈয়ের স্বামী খান্দেরাও হোলকর নিহত হন। এর ঠিক বারো বছর পরে, তাঁর শ্বশুর মল্লার রাও হোলকর মারা যান। এক বছর পর তিনি মালওয়া রাজ্যের রানি হিসেবে দায়িত্বভার নেন। যুদ্ধক্ষেত্রে রানি অহল্যাবাঈ নিজেই সেনাকে নেতৃত্ব দিতেন। তিনি তুকোজিরাও হোলকরকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন বলে জানা যায়। 

     রানি ছিলেন (Rajmata Ahilyabai Holkar) একজন বিচক্ষণ ও অত্যন্ত মমতাময়ী শাসক

    মারাঠা মালওয়া রাজ্যের এই রানি (Rajmata Ahilyabai Holkar) তাঁর পিতা ও পরিবারের পরামর্শে স্বামীর মৃত্যুর পরে সতী না হওয়ার পথকেই বেছে নিয়েছিলেন। ভারতবর্ষের ইতিহাসের রানি অহল্যাবাঈয়ের একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। রানি হিসেবে তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও অত্যন্ত মমতাময়ী শাসক। তাঁর প্রশাসনে প্রতিফলিত হত ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণ। জানা যায়, তিনি অসংখ্য মন্দিরও নির্মাণ (Hindu Heritage) করেছিলেন। অনেক ভগ্নপ্রায় মন্দিরকে পুনঃনির্মাণ করেছিলেন। নদীর ঘাট নির্মাণ থেকে কূপ খনন, সড়ক নির্মাণ করেছিলেন এই রানি। তিনি ছিলেন দেবাদিদেব মহাদেবের ভক্ত। রানি অহল্যাবাঈয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব ছিল বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

    কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির পুনঃনির্মাণ (Hindu Heritage)

    রাজমাতা অহল্যাবাঈয়ের (Rajmata Ahilyabai Holkar) গল্প শুরু হয় তাঁর শ্বশুর মল্লার রাও হোলকারকে দিয়েই। যিনি স্বপ্ন দেখতেন কাশীর ঐতিহাসিক বিশ্বেশ্বর মন্দিরকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার। হিন্দু সমাজকে সংঘটিত করার স্বপ্ন দেখতেন অহল্যাবাঈয়ের শ্বশুর। কাশীর এই মন্দিরই মসজিদে পরিণত করেছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব ১৬৬৯ সালে। কিন্তু মল্লার রাও হোলকারের এই স্বপ্ন পূরণে বাধা ছিল অযোধ্যার নবাব। কারণ তিনি কখনই চাননি ঔরঙ্গজেবের তৈরি করা মসজিদকে সরিয়ে সেখানে মন্দির নির্মাণ করা হোক। পরবর্তীকালে ১৭৫০ সাল নাগাদ জয়পুরের রাজা কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির নির্মাণের জন্য একটি সমীক্ষা শুরু করেন কিন্তু পরবর্তীকালে তাঁর প্রচেষ্টাটিও মাঠে মারা যায়। কিন্তু শ্বশুরের দেখানো পথে চলেই পরবর্তীকালে ১৭৮০ সাল নাগাদ প্রচেষ্টা শুরু করেন অহল্যাবাঈ (Rajmata Ahilyabai Holkar)। আদি মন্দিরটি ছিল ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। জানা যায়, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের ধ্বংস করা মন্দিরের কাছেই ১৭৮০ সাল নাগাদ নতুন ভাবে বিশ্বেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এই মহান কাজে হিন্দুরা হারিয়ে যাওয়া জ্যোতির্লিঙ্গের পূজা পুনরায় শুরু করতে পারে। তবে শুধুমাত্র কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে তিনি থামেননি তিনি।

    ১৭৯১ সালে বারাণসীতে সমগ্র মনিকর্ণিকা ঘাট পুনঃনির্মাণ 

    ১৭৯১ সালে বারাণসীতে সমগ্র মনিকর্ণিকা ঘাট পুনঃনির্মাণ করেন রানী অহল্যাবাঈ। ১৭৮৭ সালে তিনি বিষ্ণুপদ মন্দিরও পুনঃনির্মাণ করেন। প্রসঙ্গত, এই মন্দিরটি বিহার রাজ্যের গয়াতে অবস্থিত। ফল্গু নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দির ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এখানে ভক্তরা ভগবান বিষ্ণুর পদচিহ্নের পূজা করেন। সোমনাথ মন্দিরের নামও এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। বারবার মুসলিম আক্রমণের শিকার হতে হয় এই মন্দিরকে। ঐতিহাসিকরা বলেন, গজনীর সুলতান মামুদ, আলাউদ্দিন খিলজি এবং জাফর খানের নেতৃত্বে সতেরোবার লুট চালানো হয় এই মন্দিরে। কিংবদন্তি অনুসারে, রানি একটি স্বয়ম্ভূ লিঙ্গের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নই তাঁকে মন্দির নির্মাণে অনুপ্রাণিত করে।

    নেপালের কাঠমান্ডুতেও মন্দির নির্মাণে তাঁর অবদান দেখা যায়

    এভাবে মুসলিম আক্রমণকারীদের ভেঙে ফেলা মন্দিরের জায়গায় তিনি হিন্দুদের মন্দির নতুনভাবে গড়ে তোলেন। হিন্দু জাতির ধর্ম ও উপাসনা কেন্দ্রগুলি পুনরুদ্ধার করার জন্য অহল্যাবাঈ হোলকারের প্রচেষ্টা সারা ভারত জুড়ে বন্দিত। তিনি অসংখ্য মন্দির নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ করেছিলেন। শ্রীনগর, হরিদ্বার, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, ঋষিকেশ, প্রয়াগরাজ, নাসিক, ওমকারেশ্বর, মহাবালেশ্বর, পুণে, ইন্দোর এমনকি নেপালের কাঠমান্ডুতেও মন্দির নির্মাণে তাঁর অবদান দেখা যায়। জানা যায়, হিন্দু সমাজের আধ্যাত্মিকতা ও সাংস্কৃতিক কাঠামোকে অত্যন্ত শক্তিশালী করার জন্যই তিনি মন্দির নির্মাণে ব্রতী (Rajmata Ahilyabai Holkar) হয়েছিলেন। তাঁর রাজত্বে মন্দির পুনরুদ্ধারের একটি স্বর্ণযুগ হিসেবে স্মরণ করা হয়। তাঁর অবদান আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

    অহল্যাবাঈ হোলকারের জীবনী আধুনিক নারীদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে

    অহল্যাবাঈ হোলকারের জীবনী আধুনিক নারীদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। অহল্যাবাঈ হোলকার দেখিয়েছিলেন একজন রানি সহানুভূতিশীল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালীও হতে পারেন। রাজমাতা অহল্যাবাঈ ছিলেন একজন দূরদর্শী সম্পন্ন নারী। হিন্দু সমাজকে সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবিরাম প্রচেষ্টা  ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভারতীয়ত্ববোধের প্রতি তাঁর আস্থা নিশ্চিত ভাবে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হতে পারে। ১৭৯৫ সালের ১৩ অগাস্ট তিনি প্রয়াত হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নকল সোনা বিক্রির চক্রের পান্ডা কুলতলির পয়তারহাটে সাদ্দাম সর্দারের ডেরায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। খাটের নীচে হদিশ মিলল বিশাল সুড়ঙ্গের। অতীতে রাজা বাদশাহ, সুলতানদের বাসভবনে এই ধরনের সুড়ঙ্গের কথা শোনা যেত। সেসব সুরঙ্গে আজও অনেকের কাছে কৌতুহল জাগায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পয়তারহাটে বসেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নকল সোনার কারবার চালাচ্ছিল প্রতারক সাদ্দাম সর্দার, তার ভাই সায়রুল-সহ গোটা পরিবার। কিন্তু, শুধুই কি সোনা পাচার? নাকি তলায় তলায় চলত দুর্নীতির এক বিরাট চক্র ? উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে জাল টাকার ব্যবসার আশঙ্কার কথাও।

    কেন সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল? (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে খবর, নকল সোনা বিক্রির পাশাপাশি, জাল নোট চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল কুলতলির (South 24 Parganas) সাদ্দামরা। খাটের নীচেই তাই কাটা হয়েছিল সুড়ঙ্গ। যাতে লোকচক্ষুর আড়াল দিয়েই বেরিয়ে যাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ বছর ধরে নকল সোনার মূর্তির কারবারে হাত পাকিয়ে ফেলেছিল তারা। ক্রেতাদের টোপ দিয়ে কুলতলির ডেরায় ডেকে মারধর করে টাকা লুট করায় সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছিল এই পরিবার। ছিল জাল নোটের কারবারও। গ্রেফতারের পর এই সব তথ্য স্বীকার করেছে সাদ্দাম ও সায়রুলের স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    কীভাবে খোঁজ মিলল এই সুড়ঙ্গের?

    সাদ্দামের বাড়িতে চড়াও হয় পুলিশ। বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালানো হয়। ঘরের ভিতরে খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গের মুখটা খুব একটা বড় নয়। তবে, সেই সুরঙ্গের মুখে একটি গেটও রয়েছে। সেই সুরঙ্গ সোজা গিয়ে পড়েছে খালের জলে। আর সেই খালে রাখা থাকত ডিঙি নৌকা। পুলিশ তাড়া করলে সেই খাল পথেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল অভিযুক্তদের। সেই খালের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাতলা নদীর। সেই পথে বাংলাদেশে বা অন্য দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে ঘরের মধ্যে এই সুরঙ্গ দেখে কার্যত হতবাক পুলিশ কর্তারাও। সূত্রের খবর, কুলতলিতে নকল সোনার কারবার চলছে বলে পুলিশ খবর পেয়েছিল। এরপরই পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ ওই গ্রামে গেলে পুলিশের ওপর সাদ্দামের লোকজন চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে সাদ্দামের ভাই গুলি চালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পরে, বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায়। ততক্ষণে বেপাত্তা সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা। এরপর সাদ্দামের বাড়িতে যায় পুলিশ। আর সেখানে সাদ্দামের খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে সুড়ঙ্গ একদিনে তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। দিনের পর দিন সময় লেগেছে কংক্রিটের সুড়ঙ্গ তৈরি করতে। কিন্তু, তারপরেও কেন জানতে পারল না পুলিশ? আর সেই সুড়ঙ্গে মুখটা খোলা রয়েছে। তারপরেও তা জানতে পারল না পুলিশ।

    সাদ্দামের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল যন্ত্র

    কুলতলির (Kultuli) সাদ্দামদের বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে একটি যন্ত্র। মনে করা হচ্ছে, এই যন্ত্র দিয়ে ধাতু গলানো হত। আসলে লোক ঠকানোর জন্য নানা পদ্ধতি নিত সাদ্দামরা। বড় টিম কাজ করত। সোনা বলে ভুল বুঝিয়ে মানুষকে সর্বস্বান্ত করত তারা। সোনার মূর্তি, সোনার কয়েনের নাম করে এরা সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিত। এরপর পুলিশ বিরাট বাহিনী নিয়ে কুলতলি (Kultuli) এলাকায় যায়। আর সেই অভিযানে মিলল সুড়ঙ্গ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    China: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) কি দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে মসজিদ? উৎখাত করবে উইঘুরদের (চিনা মুসলমান) (Uyghur)? তাঁদের মিশিয়ে দেবে চিনা সংস্কৃতির সঙ্গে? অন্তত সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই মিলেছে এহেন তথ্য। জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভেঙে দিয়েছে, মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে মাজার-সহ অন্যান্য ইসলামিক শ্রাইন।

    ইসলামিক সংস্কৃতি মুছে ফেলার উদ্যোগ! (China)

    শিনজিং প্রদেশ থেকে তারা ইসলামিক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ। উইঘুরদের আত্তীকরণ করতে বাধ্য করছে হান চাইনিজ সংস্কৃতি। এই তথ্য যে অতিরঞ্জিত নয়, তা জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসও। এক্স হ্যান্ডেলে তারা জানিয়েছে, ‘সেই ষোড়শ শতাব্দী থেকে অধিকাংশ উইঘুর ইসলাম ধর্মাচরণ করছেন। কিন্তু চিনের এতে আগ্রহ নেই। তার বদলে চিন থেকে তারা উইঘুরদের মুছে ফেলতে চাইছে। গত কয়েক বছরে তারা শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভেঙে দিয়েছে, গুঁড়িয়ে দিয়েছে মুসলিম শ্রাইনগুলিও’। প্রকাশিত এই রিপোর্টের শিরোনাম, ‘চায়না ইজ ইউজিং আর্কিওলজি অ্যাজ ওয়েপন’। এই রিপোর্টেই বিশদে বলা হয়েছে, কীভাবে ইসলামি ঐতিহাসিক নিদর্শন মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয়েছে চিন। শি জিনপিংয়ের রাজত্বকালেই যে এটা হচ্ছে, তারও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। কাশগড়ে যে মিউজিয়াম রয়েছে, সেখানে ইসলামের উল্লেখ নগন্য। সেখানে এ-ও উল্লেখ করা হয়েছে, উইঘুররা প্রকৃতিগতভাবে মুসলমান নন।

    উইঘুর মুসলমানদের ধর্মত্যাগ করানো হচ্ছে!

    বছর চারেক আগেও চিনের (China) এই উইঘুর-ধ্বংসযজ্ঞের খবর শিরোনাম হয়েছিল সংবাদমাধ্যমের। সেবার জানা গিয়েছিল, শিনজিয়াং প্রদেশের ১৬ হাজার মসজিদ মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে চিন। ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে ধর্মত্যাগ করানো হয়েছে। সেবার এ খবর জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিশি ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট। এই রিপোর্ট সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে এ-ও বলা হয়েছিল, তুর্কিভাষী ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে শিনজিয়াংয়ের বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। আধুনিক শিক্ষা দেওয়ার নামে সেখানে মুসলমানদের অন্য ধর্মের আচার-আচরণ পালন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ইসলামিক সংস্কৃতির সঙ্গে কোনও সম্পর্কই রাখতে দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    তসলিমার কটাক্ষ

    চিন উইঘুরদের ওপর নির্যাতন চালালেও, অদ্ভুতভাবে নীরব বিশ্বের মুসলিম দেশগুলি। এনিয়ে ওই দেশগুলির রাষ্ট্রনায়কদের কটাক্ষ করেছিলেন বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন। শিনজিয়াং প্রদেশে প্রচুর মসজিদ ভেঙে সুলভ শৌচালয় বানানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ। সেই প্রেক্ষিতেই ট্যুইট-বাণ হেনেছিলেন তসলিমা। লিখেছিলেন, “চিন উইঘুর মুসলমানদের ওপর অত্যাচার করছে। কিন্তু ক’টা মুসলিম দেশ এর বিরোধিতা করছে? আসলে চিন মুসলিম দেশগুলিতে বিপুল পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করে। তারা ভালো করেই জানে, ধর্মের চেয়ে অর্থ অনেক বেশি প্রয়োজন।”

    চিনা প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি

    কেবল মসজিদ নয়, বৌদ্ধস্তূপ এবং মন্দির ধ্বংসেও মেতেছে ড্রাগনের দেশ। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, শিনজিয়াংয়ের পশ্চিমাঞ্চলের শহর কাশগড়ের একটি বৌদ্ধ স্তূপ ও তার পাশের একটি মন্দির নির্মিত হয়েছিল প্রায় ১৭০০ বছর আগে। পরে সেগুলি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ২০১৯ সালে ওই জায়গায় খননকার্য চালান চিনা প্রত্নতাত্ত্বিকরা। পাথরের হাতিয়ার, তামার মুদ্রা ও একটি বুদ্ধ মূর্তির অংশ বিশেষ উদ্ধার করেন তাঁরা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি, এসব নিদর্শন প্রাচীন চিনা ঐতিহ্যের নিদর্শন। তাঁদের বিবৃতির উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোয়ের মন্দিরে যেসব প্রত্ন-নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, সেগুলির সঙ্গে মিল রয়েছে হাজার হাজার মাইল দূরের হান সংস্কৃতির নিদর্শন স্বরূপ পাওয়া প্রত্নরত্নের। চিনের প্রধান এথনিক গ্রুপ হল হানেরা। মন্দিরের কিছু অংশ হান বৌদ্ধদের স্টাইলে বানানো হয়েছিল। সপ্তম শতকে সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে এই মন্দির দর্শনে এসেছিলেন সুয়াঝাং। বৌদ্ধ ধর্ম প্রসারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন তিনি। চিনের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক জেনোসাইডের অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকরা। আধিকারিকদের মতে, ধর্মীয় উগ্রবাদকে দূর করার চেষ্টা চলছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শিনজিংয়ের বাসিন্দারা যদি চিনাই হন, তবে তাঁদের আত্তীকরণের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন।

    কী বলছে ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম?

    উইঘুরদের ওপর চিন প্রশাসনের অত্যাচার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ। কালচারাল জেনোসাইডের অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি বিষয়টিতে আলোকপাত করেছে ব্রিটেনের স্কাই নিউজও। এই রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে, কী কঠোর বিধিনিষেধ এবং নজরদারির মধ্যে থাকতে হচ্ছে উইঘুরদের (China)। বিশেষ করে মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলে এসব ঘটছে। রিপোর্টের এক জায়গায় বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল চিনের একটি ধুলোময় ঠান্ডা জায়গায় একটি ছোট্ট মসজিদের সামনে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন একজন মুসলমান নেতা। ‘ধর্ম মৃতপ্রায়’ বলে বিলাপ করছেন তিনি। এই রিপোর্টেও বলা হয়েছে, চিনে মসজিদ ধ্বংসের কথা। কীভাবে ধর্মীয় আচার পালানে জারি করা হচ্ছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, কীভাবে ধর্মীয় পোশাক পরায় জারি করা হচ্ছে (Uyghur) নিষেধাজ্ঞা, সেনসর করা হচ্ছে ইসলামিক টেক্সট (China)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে খাড়াই-বন্ধুর পথ অতিক্রম করে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath temple) যান ভক্তরা। তবে এবার থেকে আর মহাদেবের দর্শনের জন্য কেদারনাথ পাড়ি দিতে হবেনা, কারন এবার দিল্লিতেই দর্শন হবে কেদারনাথের। গত বুধবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ঘোষণা করেছেন, এবার দেশের রাজধানীতেই কেদারনাথ দর্শন সম্পন্ন হবে। দিল্লির বুরারিতে ৩ একর জমির ওপর মন্দির তৈরি করছে কেদারনাথ দিল্লি ধাম ট্রাস্ট। ধামীর মতে, দিল্লির কেদারনাথ মন্দির ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। 

    দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়

    এ প্রসঙ্গে রবিবার কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, ”দিল্লিতে তৈরি করা কেদারনাথ মন্দিরটি (Kedarnath temple) একটি মন্দির হিসেবে তৈরি হবে, এটি কোনও ধাম নয় এবং এর সাথে উত্তরাখণ্ড সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। পুষ্কর সিং ধামী এই মন্দিরের ভূমি পুজোর জন্য আমাদের অনুরোধে দিল্লি এসেছিলেন। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। মন্দিরটি ট্রাস্টিদের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। উল্লেখ্য এই ট্রাস্টিদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা।”   
    এছাড়াও তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন শহরে বিখ্যাত ধামের নামে ইতিমধ্যেই অনেক মন্দির তৈরি করা হয়েছে, তা ইন্দোরের কেদারনাথ মন্দির হোক বা মুম্বইয়ের বদ্রিনাথ মন্দির। এই মন্দিরগুলিও উদ্বোধন করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত।”

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    সুরিন্দর রাউতেলার বার্তা 

    উল্লেখ্য, ১০ জুলাই, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বুরারির কাছে হিরাঙ্কি পাড়ায় এই মন্দিরের ভূমি পূজায় অংশ নিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। ওইদিন সেখানে নতুন কেদারনাথ মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নয়া এই মন্দির নির্মাণ নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেন উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath temple) পুরোহিতরা। এ প্রসঙ্গে  সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, “দিল্লিতে নির্মিত মন্দিরের নাম শ্রী কেদারনাথ ধাম রাখার বিষয়ে ইতিমধ্যেই যে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা এড়ানো উচিত। কিছু নেতা তাদের রাজনৈতিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিতর্ক সৃষ্টি করছেন। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধাম ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। আমরা শুধু দিল্লিতে একটি মন্দির তৈরি করছি। এর আগে ভারতের বিভিন্ন শহরে এরকম বিভিন্ন মন্দির তৈরি রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপের সবচেয়ে দুর্গম এবং উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয় করে ভারতীয় হিসেবে নজির গড়েছেন হুগলির (Hooghly) ছেলে শুভম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই জয়ে উজ্জ্বল হয়েছে বাংলার মান। তিনিই প্রথম ভারতীয় বাঙালি যুবক, যিনি এই পর্বত আরোহণ করেছেন। আগেও মাউন্ট কিলিমাঞ্জার জয় করেছেন তিনি, পরবর্তী মিশন ওশিয়ানিয়া।

    ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বত শৃঙ্গ জয় (Hooghly)

    ইউরোপের এই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস হল রাশিয়ায় অবস্থিত। শুভম এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। শুভমের বাড়ি হুগলির (Hooghly) হিন্দমোটর এলাকায়। টানা ৯ দিনের কঠিন পথকে অতিক্রম করে ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন তিনি। তবে এই পর্বত আরোহণের পথ অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। নানা সমস্যা এবং প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। একদিকে তুষার ঝড় অপর দিকে বরফে ঢাকা পাহাড়ে বড় বড় গর্ত। এই সব কিছুকে অতিক্রম করে ভারতের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন শুভম। তবে তুষার ঝড়ের তাপে মুখের চামড়া পুড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তবুও নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন তিনি। তাঁর জয়ে রাজ্য সহ গোটা দেশ কুর্নিশ জানিয়েছে। পরিবারে উচ্ছ্বাস এবং খুশির আবহ।

    বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্য

    এই পর্বতশৃঙ্গ জয়ের পর শুভম (Hooghly) বলেছেন, “মাউন্ট এলব্রুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্ত বাধাকে অতিক্রম করে সফল হতে পেরে খুব আনন্দিত আমি। ভারতীয় হিসেবে আমি প্রথম এই দুর্গম পর্বতশৃঙ্গের উত্তর দিক থেকে উঠে আবার উত্তর দিক ধরেই নামতে পেরেছি। তবে আমার সঙ্গে আরও একজন ভারতীয় ছিলেন। তিনি অবশ্য উত্তর দিক থেকে উঠে আবার দক্ষিণ দিকে অবতরণ করেছেন। ফলে বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্ব অনুভব হচ্ছে। তবে অভিযানে ভাষার একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সকলে সকলকে সহযোগিতা করায় অভিযান সফল হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    পরিবারের বক্তব্য

    শুভমের মা তাঁর এই সাফল্যে বলেছেন, “ছেলের কর্মের জন্য আজ আমার বেশ গর্ব হচ্ছে, তবে অনেক ভয়ের মধ্যে ছিলাম। কখনও কখনও সাত-আট দিন পর্যন্ত কথা হতো না। খুব উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হতো। তবে ছেলে প্রতি বছর কোথাও না কোথাও আরোহণ করে থাকে। আবার বাড়ি (Hooghly) ফিরেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ওর স্বপ্ন পূরণ হোক এই কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি চলছেই। বর্ষায় যেমন বাঙালির পাতে থাকে ইলিশ, তেমনি বর্ষার মরশুমের আরেক খাবারও বাঙালির প্রিয়। আর সেটা হল আনারস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস খুবই উপকারী। বিশেষত এই সময়ে আনারস (Pineapple) নিয়মিত খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতাও জরুরি। না হলে আনারস বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক, আনারসের উপকার কতখানি?

    আনারস কমায় ডায়ারিয়ার ঝুঁকি

    বর্ষায় (Rainy Season) ডায়ারিয়ার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিভিন্ন জায়গায় জমা ও অপরিচ্ছন্ন জলের জেরে ডায়ারিয়ার মতো পেটের অসুখের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস ডায়ারিয়ার ঝুঁকি কমায়। তাই বর্ষার সময় অন্তত সপ্তাহে দু’দিন আনারস খেলে একাধিক পেটের অসুখের মোকাবিলা সহজ হয়। আনারস পেটের জন্য খুবই উপকারী। তাই ডায়ারিয়ার মতো রোগকেও সহজেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

    কাশি কমাতে সাহায্য করে আনারস (Pineapple)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষায় অনেকেই মারাত্মক সর্দি-কাশিতে ভোগেন। আনারস এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় সাহায্য করে। আনারস গলার সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। তাই আনারস খেলে কাশির সমস্যার সহজেই মোকাবিলা করা যায়।

    ত্বকের সমস্যা কমায় আনারসের রস

    বর্ষায় স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থাকে। আর তার জেরেই অনেকে নানান ফাঙ্গাস ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়। দেহের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানি বা লাল হয়ে থাকা এর প্রধান লক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারসের (Pineapple) রস সেই জায়গায় লাগালে দারুণ উপকার হয়। দ্রুত সংক্রমণ কমে। চুলকানির সমস্যাও কমে।

    কিডনি ভালো রাখে আনারস

    কিডনির জন্য আনারস ভীষণ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস মূত্রনালীর সংক্রমণ ও কিডনির সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই মূত্রনালীর সংক্রমণে ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এক কাপ আনারসের রস নিয়মিত খেলে কিডনি সুস্থ থাকে‌। কিডনিতে পাথরের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি অনেক কমে। আবার মূত্রনালীর সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। তাই মহিলাদের বিশেষ করে এই দিকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কাদের বিপদ বাড়াতে পারে বর্ষার এই ফল? (Pineapple)

    লিভার, কিডনি কিংবা ত্বকের জন্য উপকারী হলেও আনারস নিয়মিত খেলে কিছু ক্ষেত্রে তা বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নিয়মিত আনারস খেলে বিপদ হতে পারে। এবার দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।

    ক্যাভেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়! 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দাঁতের জন্য অনেক সময়েই আনারস (Pineapple) ঝুঁকি তৈরি করে‌। ক্যাভেটিস এবং জিংজাইভেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি অনেক সময় আনারস বাড়িয়ে দেয়।

    রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়

    আনারস মিষ্টি ফল। আবার অনেকেই চিনি মিশিয়ে আনারস খান। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তরা নিয়মিত আনারস খেলে অনেক সময়েই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই বাড়তি বিপদ তৈরি হয়।

    অ্যালার্জি থাকলে ভোগান্তি বাড়াবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অ্যালার্জিপ্রবণ হন।‌ বিভিন্ন ধরনের খাবারে তাঁদের চুলকানি, ঠোঁট ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। তাঁদের জন্য আনারস বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। তাই আনারস খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Rainy Season)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা প্রজেক্ট (Teesta Project) করুক ভারত। চান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এই প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল চিনও। এগিয়েছিল ভারতও। এহেন আবহে দিন কয়েক আগে চিন সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ভারত সফর সেরে গিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? (Sheikh Hasina)

    কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি চান তিস্তা প্রকল্পটি করুক ভারত। কী জন্য এই প্রকল্প রূপায়ণে তিনি ভারতকে চান, তাও ব্যাখ্যা করেছেন আওয়ামি লিগের সর্বময় কর্ত্রী। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিনা বলেন, “ভারতের পাশাপাশি এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চিন-ও। তবে সব দিক বিবেচনা করে আমি চাই তিস্তা প্রকল্পটি রূপায়ণ করুক ভারত।” তিনি বলেন, “তিস্তার জল ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই তারা এই প্রজেক্ট করুক। তারা যদি এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে চায়, তাহলে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে।”

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তিকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে নদীটি গিয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশে। তাই তিস্তার জলের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশও। তবে বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ জল নেই বলে তিস্তা চুক্তিতে সায় দেননি পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেছিলেন (Sheikh Hasina) তিনি। বলেছিলেন, “ওরা কীভাবে তিস্তার জল দিতে পারে? সিকিম ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে। সিকিমের প্রজেক্ট তৈরির সময় খেয়াল রাখা উচিত ছিল কেন্দ্রের। সব জল সিকিম নিয়ে যাচ্ছে…।” মমতার দাবি, বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিলে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, তিস্তার অববাহিকায় বিরাট জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির জল ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পই রূপায়ণ করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। আগ্রহী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। টানটান করা (Teesta Project) স্নায়ুর লড়াইয়ে যে শেষ হাসি হাসল ভারতই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষিত আসনে জাল জাতিগত শংসাপত্র (ওবিসি সার্টিফিকেট) ব্যবহার করে ভোটে লড়ার দায়ে হাইকোর্টের নির্দেশে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করল জেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের বেওয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। জঙ্গিপুরের মহকুমা শাসক শ্রীকান্ত জি সিং ইতিমধ্যেই রেখা খাতুন নামে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিলের চিঠি সকল আধিকারিককে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলের প্রকাশ হওয়ার কিছুদিন পর সিপিএমের তিলডাঙা (Murshidabad) শাখা কমিটির সম্পাদক শাকির শেখ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা রেখা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়েছিলেন এবং আসনে জয়লাভ করেছেন। এরপর অভিযোগকারী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং কোর্টের নির্দেশে রেখা খাতুনকে ‘শোকজ’ করে জেলা প্রশাসনের তরফে এই ঘটনার শুনানি শুরু হয়। ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর সেই ওবিসি সার্টিফিকেট জাল প্রমাণিত হওয়ায় তৃণমূলের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    অভিযোগকারী কী বললেন?

    অভিযোগকারী শাকির শেখ বলেন, ” তৃণমূল সদস্যা রেখা খাতুন (Trinamool Congress) ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। প্রায় ৭-৮ বছর আগে তিলডাঙা গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত সদস্যার দুটি জাতিগত শংসাপত্র রয়েছে। একটি শংসাপত্রে তাঁর বাবার নাম রয়েছে গিয়াসউদ্দিন শেখ এবং অপরটিতে ধর্মডাঙা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক গিয়াসউদ্দিন মোমিনকে তাঁর বাবা বলে দেখানো হয়েছে। আমরা জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়াই করি। সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করি। তৃণমূলের (Trinamool Congress) ওই সদস্যা ওবিসি শংসাপত্র জাল করে তিনি মানুষের সঙ্গেই জালিয়াতি করেছেন। জালিয়াতি করা তৃণমূলের কাজ। ওবিসি শংসাপত্র জাল করার পিছনে তৃণমূল নেতাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমাদের লড়াইয়ে আমরা জিতবই। তৃণমূলের জালিয়াতি মানুষের সামনে এনে দিয়েছি। প্রশাসন পদক্ষেপ নেওয়ায় আমরা খুশি। আমরা চাই, ওই আসনে পুনরায় ভোট হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উল্টোরথের অনুষ্ঠানে যোগদান করে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ার সাঁকরাইলের নবঘরায় তিনি বলেছেন, “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে তাঁর এই ভাষণের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রথযাত্রার দিনেই রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) চলা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এরপর একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, “যদু বংশ ধ্বংসের সময় মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও তাই শুরু হয়েছে। এই ভাবেই তাঁদের দল শেষ হয়ে যাবে।” শুধু তাই নয় এই বর্ষায় সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতার সরকারে সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন রাজ্য পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। আর বাংলায় তৃণমূল সরকার অতিরিক্ত কর বসিয়েছে। গ্রাম থেকে সবজি, আনাজ, ফল গাড়িতে করে শহরে আসে। ফলে জ্বালানির দাম না কমালে সবজির দাম কমবে না, লোক দেখানো টাস্ক ফোর্স দিয়েও কমবে না।”

    আরও পড়ুনঃ রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করেছে তৃণমূল!

    এদিন এই সভা থেকে রাজ্যে চার আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল (TMC) উপনির্বাচনে ব্যাপক ভাবে রিগিং করেছে। মাত্র এক মাস আগেই লোকসভার ভোটে যে কেন্দ্রগুলিকে বিজেপি এগিয়ে ছিল, সেখানে তৃণমূল কোন কাজ করল যে মানুষ এতো পরিমাণে ভোট দিল! এটা সম্পূর্ণ ভাবে রিগিং এবং ছাপ্পার ফলাফল। আগে হুগলির আরামবাগে সিপিএম নেতা অনিল বসু তিন-চার লাখ ভোটে জিতে মমতাকে পশ্চাৎদেশ দেখিয়ে ছিলেন। আজ সেই অনিল বসু এবং সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে। না হলে এক একটি বুথে বিজেপি মাত্র ২-৩টি করে ভোট পায়? আগে সিপিএম যা করেছে, তৃণমূল এখন তাই করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরে ফের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দিনদুয়েক আগেই নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছিলেন। এবার সরকারিভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পদপ্রার্থী হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম ব্যক্তি যিনি যুক্তরাষ্ট্রে তিনবার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হচ্ছেন। সেই সঙ্গে তিনি বেছে নিলেন নয়া রানিং মেট, অর্থাৎ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে। তিনি নিজেই সেই নাম প্রস্তাব করেন। ট্রাম্পের সহাকারী হওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়বেন ৩৯ বছর বয়সি জেডি ভ্যান্স। 

    আনুষ্ঠানিক ভাবে সিলমোহর 

    চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (US President Election 2024) রয়েছে। তবে ট্রাম্পই (Donald Trump) যে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। সোমবার সেই খবরেই সিলমোহর পড়ল। এদিন মিলাউকিতে ছিল রিপাবলিকানদের সম্মেলন। সেখানে কার্যত নায়কের মতো করে বরণ করে স্বাগত জানানো হয় মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা ট্রাম্পকে। রিপাবলিকান পার্টির এই জাতীয় সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত করা হয়। সম্মেলনে ভোটাভুটিতে প্রায় আড়াই হাজার প্রতিনিধির সবকটি ভোটই পেয়েছেন ট্রাম্প। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও ১ হাজার ২১৫টি ভোটের (US President Election 2024) দরকার ছিলো ট্রাম্পের। নিজের ছেলে এরিক ট্রাম্প যখন ফ্লোরিডার প্রতিনিধিদের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন তখনই চূড়ান্ত হয়ে যায় ট্রাম্পের প্রার্থিতা। তুমুল করতালি, হর্ষধ্বনি ও বাদ্য বাজিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান সকলে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    ট্রাম্প বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায়  

    এর আগেও একাধিক বার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন ওহাইওর সেনেটর জেডি ভ্যান্স। পেশায় আইনজীবী ভ্যান্স ২০২৩ সালে ওহাইওর সেনেটর হিসাবে নির্বাচিত হন। একটা সময় তাঁকে ট্রাম্পের (Donald Trump) সবচেয়ে বড় সমালোচক বলে মনে করা হত। এমনকি ট্রাম্পকে ‘আমেরিকার হিটলার’ বলেও অভিহিত করেছিলেন ভ্যান্স। তবে ২০২১ সাল থেকে ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের মধ্যে বরফ গলতে শুরু করে। ফলে একসময় ট্রাম্পের ঘোরতর বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায় থাকবেন। 

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট ট্রাম্পের (Donald Trump)

    এ প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘‘ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে জেডি আমাদের সংবিধানের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন। আমাদের সেনাবিহিনীর পাশে দাঁড়াবেন। আমেরিকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমার পাশে থাকবেন।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share