Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladeshi Hindu: পদ্মাপারে বিপন্ন হিন্দুরা! শনিবার গঙ্গাপারে পথে নামছেন সাধু-সন্তরা

    Bangladeshi Hindu: পদ্মাপারে বিপন্ন হিন্দুরা! শনিবার গঙ্গাপারে পথে নামছেন সাধু-সন্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা (Bangladeshi Hindu)। তাঁদের নিরাপত্তার দাবিতে শনিবারই কলকাতার রাজপথে নামছেন বাংলার সাধু-সন্তরা। হিন্দুদের নিরাপত্তার দিকটি যাতে ভারত সরকার খতিয়ে দেখে সেই দাবি জানাতেই রাজ্যপাল (Governor of West Bengal) সিভি বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাবেন সাধু-সন্তরা। জানা গিয়েছে, সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ নামের (Bangladeshi Hindu) ওই সংগঠনের তরফ থেকে শনিবার বিকাল ৫টা নাগাদ রাজ্যপালের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন ভারত সেবাশ্রমের কার্তিক মহারাজ। পদ্মাপারে রাজনৈতিক অস্থিরতা যেভাবে সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে, সেই আবহে গঙ্গাপারে সাধুদের রাস্তায় নামা যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন ছিল আসলে মুখোশ। পিছনে থাকা জামাতের মুখ সামনে আসায় বাংলাদেশে হিন্দু মন্দিরগুলিতে লুট, অগ্নিসংযোগ, মূর্তি ভাঙচুরের মতো ঘটনাগুলি কার্যত নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    কী বলছেন কার্তিক মহারাজ? (Bangladeshi Hindu)

    সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত খোদ প্রধানমন্ত্রীও। বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে। তাঁর বার্তায় সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টিও অন্তবর্তী সরকারকে সুনিশ্চিত করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। কার্তিক মহারাজকে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি নিয়ে মত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘‘উচিত কাজই করেছেন প্রদানমন্ত্রী, আমরাও তাঁর কাছে ইমেল মারফত বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের বিষয়টি তুলে ধরেছি। ’’রাজ্যপালের (Governor of West Bengal) কাছে যাওয়া নিয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘‘আমরা রানি রাসমণি রোড থেকে মিছিল করে রাজভবনের উদ্দেশে যাব শনিবার। বিকাল ৫টা নাগাদ রাজ্যপাল সিভি বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, তাঁর কাছে দাবি জানাব যাতে ভারত সরকার বাংলাদশের হিন্দুদের সুরক্ষায় সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে, এর পাশাপাশি নির্যাতিত হয়ে কোনও হিন্দু ভারতে এলে তাঁর যেন আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করে সরকার, সেই দাবিও জানানো হবে।’’

    ১৭ অগাস্ট শ্যামবাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ (Bangladeshi Hindu) 

    তবে এখানেই যে শেষ নয়, তাও জানিয়েছেন কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রমের সন্ন্যাসী (Bangladeshi Hindu) বলেন, ‘‘আগামী ১৭ অগাস্ট বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদে শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশও করা হবে সাধু-সন্তদের তরফে।’’ অর্থাৎ বাংলার সাধু-সন্তরা যে চুপ করে বসে থাকবে না প্রতিবেশী রাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতনু হলে তা এমন কর্মসূচিগুলি থেকেই পরিষ্কার। অনেকেই এমন বিক্ষোভ কর্মসূচিকে সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন। কোনও কোনও মহলের মতে, আদতে সাধু-সন্তদের সমাবেশ হলেও ১৭ অগাস্ট বিক্ষোভ কর্মসূচি ও ১০ অগাস্টের মিছিলে অসংখ্য সাধারণ মানুষকেও ভিড় করতে দেখা যাবে, কারণ বাংলাদেশে  হিন্দুদের ওপর যে ধরনের হামলা হয়েছে, তা মানবাধিকারকেই লঙ্ঘিত করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    Paris Olympics 2024: এল ব্রোঞ্জ পদক, প্যারিস অলিম্পিক্সে পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির, কোন পথে সাফল্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্সে ফের বাজিমাত। প্যারিস অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) হকিতে ব্রোঞ্জ আনল ভারতীয় পুরুষ দল। এ দিন ব্রোঞ্জের ম্যাচে স্পেনের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও ২-১ ব্যবধানে জিতে যায় ভারত। এর আগে টোকিও অলিম্পিক্সেও ব্রোঞ্জ এসেছিল ভারতীয় হকি দলের (Indian Hockey Team) ঝুলিতে। এবার প্যারিসও ব্রোঞ্জ এল। একই সঙ্গে এবারের অলিম্পিক্সে চতুর্থ পদক জিতে নিল ভারত। হকিতে অলিম্পিক্সের মঞ্চে এই নিয়ে ১৩তম পদক জিতে নিল ভারতীয় হকি দল। ১৯৬৮ ও ১৯৭২ পরপর দুবার অলিম্পিক্সে পদক জিতেছিল ভারত।  এর পর ৫২ বছর পর ফের টানা দুটো অলিম্পিক্সে পদক জিতল টিম ইন্ডিয়া। 

    পুনর্জন্ম ভারতীয় হকির (Indian Hockey Team) 

    স্বাধীনতার আগে এবং পরে হকিতে ভারতের অভূতপূর্ব সাফল্য নজর এড়ায়নি কারওরই। বেশির ভাগ খেলার মতো এটিও ব্রিটিশদের থেকেই শিখেছিল ভারত। তবে ভারতীয়েরা এটি রপ্ত করে নিয়েছিলেন নিজের মতো করে। অলিম্পিক্সে কোনও খেলাধুলোয় ভারতের সর্বাধিক সাফল্য বলতে গেলে সবার আগে আসবে হকির নাম। ক্রিকেট নয়, ভারতকে সর্বপ্রথম গোটা বিশ্বে পরিচিতি দিয়েছিল যে খেলা, তা হকি। তবে এই খেলায় একচ্ছত্র আধিপত্য দেখানোর পর সত্তরের দশক থেকে ভারত হকিতে দুর্বল হতে শুরু করে। ১৯৮০ সালে শেষ বার সোনা। তারপরে ৪১ বছরের খরা কাটিয়ে টোকিয়োয় পদক জয়। আর এবার প্যারিসের সাফল্য প্রমাণ করল, ভারতীয় হকি আবার ঠিক দিকেই এগোচ্ছে। খেলাধুলোর টেকনিক্যাল দিকগুলির কথা বাদ দিলে বলতে হয়, আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনাই ভারতের সাফল্যের অন্যতম কারণ। 

    কোন পথে এল সাফল্য? (Paris Olympics 2024) 

    প্যারিসে যাওয়ার আগে ভারতীয় দল তিন দিন কাটিয়ে এসেছে আল্পস পর্বতে। বিখ্যাত অভিযাত্রী মাইক হর্নের অনুপ্রেরণা শুনেছেন মনপ্রীত সিংরা। জীবনের কঠিনতম সময়েও কী ভাবে বেঁচে থাকা যায়, সেই গল্প তিরের মতো গেঁথে যায় প্রত্যেকের হৃদয়ে। সঙ্গে ছিলেন মনোবিদ প্যাডি আপটন। দু’জনেই অতীতে ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে কাজ করেছেন। হকিতে এই জুটি ভারতীয় খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসই বদলে দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর ফোন 

    পদক (Paris Olympics 2024) জয়ের পরই নরেন্দ্র মোদি ফোনে কথা বলেন ভারতীয় হকি টিমের সঙ্গে। হরমনপ্রীতকে ফোনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কাপ্তান সাহাব’, শুরুতেই এই কথা শুনে মুখে গর্বের হাসি খেলে যায় হরমনপ্রীত সিংয়ের। সতীর্থরাও হেসে ওঠেন। ভারতীয় হকি টিমের ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং মোদির এ কথাতে যেন একটু লজ্জাও পেলেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও যোগ করেন, ”আপনার নেতৃত্ব এবং পুরো টিমের চেষ্টাতেই পদক এসেছে। আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে, হকিতে আমাদের যে সোনালি অধ্যায় ছিল, তা আবারও আপনারা ফেরাতে চলেছেন।” 

    খেলোয়াড়দের জন্য নগদ পুরস্কার ঘোষণা 

    উল্লেখ্য, প্যারিস অলিম্পিকে (Paris Olympics 2024) ভারতীয় খেলোয়াড়দের ব্রোঞ্জ পদক জয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরুষ হকি দলের খেলোয়াড়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা এবং সাপোর্ট স্টাফেদের প্রতিটি সদস্যের জন্য ৭.৫ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করেছে হকি ইন্ডিয়া। এ প্রসঙ্গে হকি ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি জেনারেল ভোলা নাথ সিং বলেছেন, “ভারতীয় পুরুষ হকি দল আবারও প্যারিসে তাদের অসাধারণ কৃতিত্বের মাধ্যমে দেশকে গর্বিত করেছে। দলের একতা, দক্ষতা এবং অধ্যবসায় সারা দেশের লাখ লাখ হকি ভক্তদের জন্য আনন্দ নিয়ে এসেছে। আমি ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত সিং, কিংবদন্তী পিআর শ্রীজেশ এবং পুরো হকি স্কোয়াডকে তাদের ঐতিহাসিক কৃতিত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। ভারতে হকির আরও উন্নতির জন্য আমরা সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    Tiger: ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে ছত্তিশগড়ে, ছাড়পত্র দিল বিজেপি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র (Tiger) সংরক্ষণ কেন্দ্র হবে। বিগত কংগ্রেস সরকারের আমলে এই প্রকল্প দীর্ঘদিন আটকে ছিল। এবার রাজ্যের বিজেপি সরকার তাতে অনুমোদন দিয়েছে। বন্যপ্রাণী ও পরিবেশপ্রেমীরা সরকারের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে অন্ধ্রপ্রদেশের নাগার্জুন সাগর শ্রীশৈলম টাইগার রিজার্ভ ভারতের বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র। ঠিক তার পরেই রয়েছে অসমের মানস টাইগার রিজার্ভ কেন্দ্র। এটি আনুমানিক ২৮৩৭.১৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকার।

    ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ (Tiger)

    রাজ্যের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গুরু ঘাসীদাস-তামর পিংলা টাইগার (Tiger) রিজার্ভের জন্য মোট ২৮২৯.৩৮০ বর্গ কিমি জমি বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠনের জন্য দেওয়া অঞ্চলটি বেশ সুরক্ষিত। এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং আবাসস্থল বাঘের জন্য ভীষণ উপযুক্ত। ফলে বাঘের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুরু ঘাসীদাস জাতীয় উদ্যান এবং তামোর পিংলা অভয়ারণ্যের অঞ্চলগুলিকে একত্রিত করে নতুন ব্যাঘ্র অভয়ারণ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হবে। একই ভাবে মানেন্দ্রগড়-চিরমিরি-ভরতপুর, কোরিয়া, সুরাজপুর এবং বলরামপুর জেলাগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    সর্বশেষ গণনায় বাঘের সংখ্যা রাজ্যে ১৭

    ভারতে যাতে বাঘের (Tiger) সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক প্রকল্পের বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যাঘ্র সংরক্ষণ অভয়ারণ্য কেন্দ্র হিসেবে ছত্তিশগড়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তাই এই রাজ্যের বিজেপি সরকার দেশে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে সামনে রেখে প্রকল্পের ছাড়পত্র দিয়েছে। উল্লেখ্য আগেই ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক অনুমোদন দিয়েছে। এবার এই প্রকল্পের বাস্তবায়নে আর কোনও বাধা রইল না।

    বিগত কয়েক বছরে ক্রমেই ছত্তিশগড়ে বাঘের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছিল। এই পটভূমিতে সরকারের অনুমোদন অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের একাংশ। সর্বশেষ গণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী এই রাজ্যে বাঘের সংখ্যা মাত্র ১৭। অথচ ২০১৪ সালের গণনায় এই সংখ্যা ছিল ৪৬। ফলে ব্যাঘ্র বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    Bangladesh Crisis: ৭ হাজারের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে দেশে ফিরেছেন, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ হাসিনা পদত্যাগ করার পরও অশান্ত বাংলাদেশ। আর আগে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জুলাই মাস থেকে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এখনও দেশজুড়ে বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কত ভারতীয় পড়়ুয়া বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) থেকে দেশে ফিরেছেন রাজ্যসভায় সেই তথ্য দিয়েছেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং।

    ৭২০০ বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ফিরেছেন (Bangladesh Crisis)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, শিক্ষা বা ব্যবসার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বসবাসকারী ভারতীয়দের মোট সংখ্যা কত? বাংলাদেশে বসবাসরত গুজরাটের লোকের সংখ্যা এবং হিংসায় বিধ্বস্ত প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য কোনও বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে কিনা। এই বিষয়ে বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, আমাদের রেকর্ড অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৯ হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তারমধ্যে ৯ হাজারের বেশি ছাত্র রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে ৭ হাজার ২০০ জনের বেশি ভারতীয় পড়ুয়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন। বাংলাদেশে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, তামিলনাড়ু, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম রাজ্যের। বাংলাদেশে আমাদের মিশন এবং পোস্টগুলি রাজ্যভিত্তিক তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তিনি আরও বলেন, ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারি হাইকমিশনগুলো ভারতীয় নাগরিকদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবর্তনে সাহায্য করছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে অপেক্ষারত পড়ুয়াদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও সমন্বয় করছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৮ জুলাই থেকে শুরু করে ১ অগাস্ট পর্যন্ত ৭২০০ বেশি ভারতীয় ছাত্র ভারতে ফিরে এসেছেন।  

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    চিনা প্রভাব নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    বিদেশ প্রতিমন্ত্রী তথ্য ভাগ করে বলেন, ‘‘ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (IRCC) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় (Indian) ছাত্রের ভর্তি গত তিন বছরে বেড়েছে। ২০২১ সালে ছিল ২,১৬,৩৬০ জন। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ৩, ১৮,৩৮০ জন। আর ২০২৩ সালে সংখ্যা আরও বেড়ে হয় ৪,২৭,০৮৫ জন।’’ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ‘ক্রমবর্ধমান চিনা প্রভাব’ সম্পর্কে সরকার সচেতন কিনা তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে। তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে এই দেশগুলির সম্পর্ক থেকে যা স্বাধীন। সরকার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন সমস্ত উন্নয়নের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখে। আর এটি রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nag Panchami 2024: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    Nag Panchami 2024: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় নাগ পঞ্চমী। এ বছর আজ, ৯ অগাস্ট শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী (Nag Panchami 2024)। সনাতন ধর্মে, নাগ দেবতাকে ভগবান ভোলানাথের অত্যন্ত প্রিয় বলে মনে করা হয়। এই বিশেষ দিনে তাই নাগ দেবতার পুজো করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে যে নাগ পঞ্চমীতে নাগ দেবতার পুজো করলে ভগবান শিব অত্যন্ত প্রসন্ন হন এবং ব্যক্তি জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করেন।

    তিথি ও পুজোর সময় (Nag Panchami 2024)

    ৯ অগাস্ট সকালেই শুরু হয়ে গিয়েছে তিথি। পঞ্জিকা অনুসারে, পুজোর শুভ সময় সকাল ৫টা ৪৭ মিনিট থেকে ০৮টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত রয়েছে। দুপুরে পুজোর শুভ সময় হবে দুপুর ১২টা ১৩ মিনিট থেকে ১টা পর্যন্ত। সন্ধ্যা বেলায় পুজোর সময় ০৬টা ৩৩ মিনিট থেকে রাত ০৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।

    নাগ পঞ্চমীর (Nag Panchami 2024) পৌরাণিক আখ্যান

    হিন্দু ধর্মের অন্যতম জনপ্রিয় উৎসব হল নাগ পঞ্চমী। প্রসঙ্গত শুধুমাত্র ভারতেই নয়, পার্শ্ববর্তী নেপালেও পালন হয় এই উৎসব। নাগপঞ্চমী ঘিরে রয়েছে বেশ কিছু পৌরাণিক কাহিনীও। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণ একবার যমুনা নদীর ধারে খেলছিলেন। এমন সময়ে শ্রীকৃষ্ণ নদীতে পড়ে যান এবং কলিঙ্গ নামের একটি সাপ তাঁকে জাপটে ধরে। নিজেকে বাঁচানোর জন্য কঠিন লড়াই শুরু করেন ভগবান। কলিঙ্গ সাপ বুঝে যায় যে শ্রীকৃষ্ণ কোনও সাধারন শিশু নয়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মারে কলিঙ্গ সাপের তখন বেসামাল অবস্থা। কলিঙ্গ সাপ এরপর শ্রীকৃষ্ণকে অনুরোধ করেন, তাঁকে হত্যা না করার জন্য। শ্রীকৃষ্ণ আশ্বাস দেন এবং কলিঙ্গ সাপকে ছেড়ে দেন। এর পাশাপাশি ওই সাপকে তিনি বলেও দেন যে সাধারণ মানুষের কোনও রকম ক্ষতি না করার জন্য। সাধারণভাবে নাগ পঞ্চমী শ্রীকৃষ্ণের বিজয়কেই চিহ্নিত করতে উদযাপিত হয়, বলে বিশ্বাস করেন অনেক ভক্ত।

    বৃষ্টি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয় নাগদেবতার কাছে

    হিন্দু ধর্মে এই দিন গোবর দিয়ে সাপের প্রতিকৃতি বানানোর প্রথা দেখা যায়। নাগ পঞ্চমীর দিন বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে গোবর দিয়ে সাপের প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়। সনাতন ধর্মে, নাগ দেবতাকে জল এবং খাদ্যের দেবতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। গোবর দিয়ে তৈরি সাপ রূপী নাগ দেবতার পুজো করা হয় এবং বৃষ্টি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করা হয় তাঁর কাছে।

    শিব ও পার্বতীকেও এইদিন পুজো করা হয়

    নাগ দেবতা (Nag Panchami 2024) শিবের (Lord Shiva) গলায় অবস্থান করেন। নাগ পঞ্চমীর এই বিশেষ দিনে শিব ও পার্বতীকেও পুজো করা হয় বেশ কিছু জায়গায়। ভক্তদের বিশ্বাস, এর ফলে পরিবারে সুখের আগমন ঘটে। এর সঙ্গে ইতিবাচক শক্তিও সঞ্চারিত হয় মনে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে গোবর দিয়ে তৈরি সাপের প্রতিকৃতি ঘরে মঙ্গল বয়ে আনে। এটি তৈরি করলে ঘরে কখনও সাপের ভয় থাকে না।

    নাগ দেবতাকে সম্পদ ও শস্যের দেবতাও মনে করা হয়

    নাগ দেবতাকে সম্পদ ও শস্যের দেবতাও মনে করা হয়। বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে একটি নাগদেবতার প্রতিকৃতি তৈরি করলে গৃহে সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়। শুধু তাই নয়, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মূল দরজায় সাপের প্রতিকৃতি তৈরি করলে ঘরে প্রবেশকারী সমস্ত মানুষের উপর নাগ দেবতার আশীর্বাদ থাকে। এছাড়া মূল ফটকে সাপের প্রতিকৃতি তৈরি করলে ভগবান শিবেরও (Lord Shiva) আশীর্বাদ মেলে বলে ভক্তদের বিশ্বাস।

    পশ্চিমবঙ্গ বাদে অন্যত্রও হয় নাগ পঞ্চমী উৎসব

    শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ নয়, মহারাষ্ট্র কেরল সর্বত্র এই উৎসব দেখা যায়। মহারাষ্ট্রে এই দিন থালায় করে সাপ নিয়ে গৃহস্থের দরজায় দরজায় যাওয়ার রীতি রয়েছে। অন্যদিকে, কেরলেও একইভাবে সাপের মূর্তি পুজো করার রীতি দেখা যায়। অনেক জায়গাতে ভারতবর্ষে কাদা ও বালির তৈরি সাপের মূর্তিও পুজো করা হয়। নাগ দেবতাকে দুধ, ধান, দুর্বা অর্পণ করা হয়। হিন্দুদের বিশ্বাস রয়েছে, দেবাদিদেব মহাদেবের গলায় জড়িয়ে থাকে নাগ দেবতা, তাই সেই নাগ দেবতাকে খুশি করলে সুফল পাওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    PM Modi: হিন্দুদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আহ্বান, ইউনূসকে শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পাশাপাশি, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু হিন্দুদের রক্ষা করার আহ্বানও জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সমাজ মাধ্যমের পাতায় মহম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) লিখেছেন, ‘‘নতুন দায়িত্ব পাওয়ার মহম্মদ ইউনূসকে শুভেচ্ছা। আশা করি বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’’ তারপরেই তিনি লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্য সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হবে বলে আমরা আশা করছি।’’

    ৮৪ বছর বয়সি ইউনূস ২০০৬ সালেই পেয়েছিলেন নোবেল

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট বার্তায় আরও জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য উভয় দেশের জনগণের যৌথ আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রসঙ্গত, ৮৪ বছর বয়সি মহম্মদ ইউনূস হলেন একজন অর্থনীতিবিদ। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। ২০০৬ সালে তাঁর গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ভাবনার জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি, নানান জাতীয় আন্তর্জাতিক স্তরের সম্মানও পেয়েছেন তিনি।

    বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন, মোদিকে (PM Modi) চিঠি ছাত্রীর

    প্রসঙ্গত, অশান্ত বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থা খুবই খারাপ। বাংলাদেশের হিন্দুদের দুর্দশা নিয়ে এক কিশোরী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি লেখেন। বৃহস্পতিবারই সামনে আসে ওই চিঠি। হিন্দুদের করুণ অবস্থার কথা বর্ণনা করে ওই ছাত্রী লেখেন, ‘‘এ দেশে সব চেয়ে খারাপ যে জিনিসটা ঘটছে, তা হল হিন্দুদের ওপর নিয়মতান্ত্রিক আক্রমণ ও নির্যাতন। আমরা খুব খারাপ অবস্থায় আছি, যা ভাষায় বর্ণনা করতে পারব না। চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আমাদের ওপর অকল্পনীয় নির্যাতন শুরু করেছে। মহিলারা ধর্ষিত (Bangladesh Crisis) হচ্ছেন। ওরা বাড়িঘর-মন্দিরে গুলি চালাচ্ছে। হিন্দুদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালাচ্ছে, ভাঙচুর করছে। লাখ লাখ টাকা চাঁদা চাইছে। না দিলে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই যা দেখছে, তার চেয়েও খারাপ অবস্থা। আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হচ্ছে। এ দেশে সব অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার আমাদের রয়েছে। আমি একে চিরতরে বাজে লোকদের হাতে ছেড়ে দেওয়ার মধ্যে ভালো কিছু দেখি না। বরং এই অপশক্তিকে রুখতে সকলের এগিয়ে আসা উচিত। আমি মনে করি, এ পৃথিবীতে ওদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 09 August 2024: প্রতিবেশীর অশান্তির দায় কাঁধে চাপতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 09 August 2024: প্রতিবেশীর অশান্তির দায় কাঁধে চাপতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ২) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে। 

    ৩) বিবাদে জড়াবেন না।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণাবোধ।

    ৩) চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ দেখাবেন না।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে অন্যদের সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) সকালের দিকে একই ব্যাপারে খরচ বার বার হবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবে না।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তহীনতা দেখা দিতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা খুলে বলুন।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তি বোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মানহানির সম্ভাবনা। 

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে বিবাদ হতে পারে। 

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে বন্ধুদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladeshi Hindu: বাংলাদেশে হিন্দু নিধন! আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল দিল্লির সংস্থা

    Bangladeshi Hindu: বাংলাদেশে হিন্দু নিধন! আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল দিল্লির সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির একটি স্বাধীন সংস্থা হল ‘দ্য সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড অ্যান্ড হলিস্টিক স্টাডিস’ (CIHS)। সম্প্রতি, এই সংস্থা একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে বাংলাদেশি হিন্দুদের (Bangladeshi Hindu)  ওপর। ওই রিপোর্টে শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, ‘হিন্দু জেনোসাইড আনফোল্ডিং ইন বাংলাদেশ’,  এবং এখানেই উল্লেখ করা হয়েছে, কীভাবে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে বেছে বেছে টার্গেট বানানো হচ্ছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের। এর ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রে সর্বদাই লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, এমন কথাও উল্লেখ রয়েছে ওই রিপোর্টে। এর পাশাপাশি, ওই সংস্থার পক্ষ থেকে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপেরও দাবি জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত ওই সংস্থা, ‘সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড অ্যান্ড হলিস্টিক স্টাডিজ’- এই রিপোর্ট তৈরি করেছে ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। বিগত ৭৬ বছরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের সংখ্যা ক্রমশই কমেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। হিন্দু জনগোষ্ঠীর (Bangladeshi Hindu) এমন সংখ্যা ক্রমশই কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে সাম্প্রদায়িক হিংসা, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের পাশাপাশি বৈষম্যকেও দায়ী করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুর জনসংখ্যা ছিল ৩০ শতাংশ কিন্তু ২০২৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৮ শতাংশে।

    মহিলাদের ওপর নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে বেশিরভাগ ধর্মান্তকরণ সম্ভব হয়েছে (Bangladeshi Hindu) 

    ওই রিপোর্টে উল্লেখযোগ্যভাবে দাবি করা হয়েছে, বিগত ৭৬ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা কোনও স্বাভাবিক কারণে কমেনি। উপরন্ত তা কমানো হয়েছে অত্যাচারের মাধ্যমে, ধর্মান্তকরণের (Bangladeshi Hindu) মাধ্যমে। ওই সংস্থার রিপোর্টে আরও দাবি জানানো হয়েছে যে, মহিলাদের ওপর নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে বেশিরভাগ ধর্মান্তকরণ সম্ভব হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, রিপোর্টে এও বলা হয়েছে যে, বেছে বেছে হিন্দুদের ধর্মীয় স্থান এবং মূর্তিগুলির উপরে হামলা চালানো হয়েছে। ঘটেছে লুট এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাও। হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে বাংলাদেশ থেকে মুছে দেওয়ার জন্যই এমন তাণ্ডব সেখানে মৌলবাদীরা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ওই রিপোর্টে ইতিমধ্যে উঠে এসেছে বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের নতুন কালী মন্দির অথবা চট্টগ্রামের শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের কথা। এই মন্দিরগুলিতে লুট হয়, মূর্তি ভাঙা হয় এবং সম্পূর্ণভাবে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সম্প্রতি, বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলাতে গৌড়-নিতাই মন্দিরে হামলা চালায় একদল মৌলবাদী। সেখানকার হিন্দু জনগোষ্ঠীগুলির বাড়িতেও লুট চালানো হয়।

    ২০২৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত ৫৭ টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে

    সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন ছিল আসলে মুখোশ, যার মুখ বেরিয়ে এল গত সোমবারই। ক্ষমতার রাশ সম্পূর্ণভাবে চলে এসেছে জামাত-ই-ইসলাম এবং বিএনপি’র মতো সংগঠনগুলির হাতে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশে বর্তমানে হেফাজতি ইসলামের মতো সংগঠনগুলিও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে আন্তর্জাতিকভাবে গণহত্যার যে সংজ্ঞা রয়েছে তার প্রতিটি শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশের (Bangladeshi Hindu) মৌলবাদীরা হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, হিন্দু পুলিশ কনস্টেবল সুমন কুমারকে কুপিয়ে হত্যা করে জেহাদিরা। অন্যদিকে হিন্দু রাজনৈতিক নেতা হারাধন রায় ও তাঁর ভাইপোকে যেভাবে হত্যা করা হয় তাতে বোঝাই যায় যে সম্পূর্ণভাবে এই ঘটনা সাম্প্রদায়িক। ওই সংস্থার (CIHS) রিপোর্টে ২০২৪ সালের ১৪ জুন থেকে ২০২৪ সালের ৬ অগাস্ট পর্যন্ত ৫৭টি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে।

    জুন মাসের ঘটনাগুলি

    রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে ১৪ বাংলাদেশের (Bangladeshi Hindu) লক্ষীপুরের একটি ঘটনা ঘটে, যখন ১৪ বছরের একজন হিন্দু নাবালিকাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় জেহাদিরা, স্থানীয় গালইয়ারচর গ্রাম থেকে। ঠিক তার পরের দিন ঢাকাতেই একটি হিন্দু পরিবার, যারা লালবাগ অঞ্চলে বসবাস করত তাদের ওপরে ভয়ঙ্কর হামলা চালায় মৌলবাদীরা। তাদের বাড়িতে লুট চালানো হয়। অন্যদিকে, চট্টগ্রামে একাধিক ঘটনা ঘটে যখন হিন্দুর মন্দিরগুলিতে উগ্র মৌলবাদীরা হামলা চালায়। এই ঘটনা ঘটে গত জুনের ২৫ তারিখ।

    জুলাই ও অগাস্টের হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা

    জুলাই মাসেও একই ধরনের তাণ্ডবলীলা চালাতে থাকে মৌলবাদীরা। ১০ জুলাই নারায়ণগঞ্জে ইসলামিক মৌলবাদীরা হিন্দুদের দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পাশাপাশি, হিন্দুদের বাড়িগুলিতেও হামলা চালানো হয়। ১৪ জুলাই ঢাকাতে একই ধরনের ঘটনা ঘটে। ২০ জুলাই বরিশালে হিন্দুদের ব্যবসার প্রতিষ্ঠান এবং বাড়িতে হামলা চালানো হয়। চলতি অগাস্ট মাসের ৪ তারিখ হিন্দু কাউন্সিলর কাজল রায়কে হত্যা করা হয়। ইস্কন ও কালী মন্দির ভাঙচুর করা হয় নোয়াখালিতে। একই দিনে উগ্র মৌলবাদীরা তাণ্ডব চালাতে থাকে এবং সেখানকার রায়গঞ্জের হিন্দু সাংবাদিক প্রদীপ কুমার ভৌমিককে হত্যা করা হয়। চট্টগ্রামে হিন্দু দোকানগুলিকে লুট করা হয়, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ও সংগঠনগুলি অভিযোগ, ২৯টি জেলাতেই হিন্দুদের উপরে আক্রমণ চলে।

    রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে দাবি

    ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে সিআইএইচএস আবেদন জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হিন্দু জনগোষ্ঠীকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য তারা এমন দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ এবং গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের কাছে। ভারত সরকারের কাছে একইভাবে ওই সংস্থা দাবি জানিয়েছে যে, কূটনৈতিকভাবে চাপ তৈরি করে বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে যেন রক্ষা করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Victoria Memorial: ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির সঙ্গে জড়িয়ে এক বাঙালির নাম! জানেন কে তিনি?

    Victoria Memorial: ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির সঙ্গে জড়িয়ে এক বাঙালির নাম! জানেন কে তিনি?

    হরিহর ঘোষাল

    ১৯০১ সালের ২২ জানুয়ারি প্রয়াত হন রানি ভিক্টোরিয়া। ব্রিটিশ শাসন চলাকালীন কলকাতা ছিল ভারতের রাজধানী। ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়া তখন আবার ভারতেরও সম্রাজ্ঞী। তাঁর রাজত্বকাল ১৮৫৭ থেকে ১৯০১-এর ২২ জানুয়ারি। সেই বিশেষ দিনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বলা বাহুল্য, মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর রাজত্বকালও শেষ হয়। রানির (Victoria Memorial) প্রয়াণের পর কলকাতায় তড়িঘড়ি এক বৈঠক ডাকেন তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন। প্রয়াত রানিকে বিশেষভাবে সম্মান জানানোর প্রস্তাব রাখেন তিনি। প্রস্তাব ওঠে তাক লাগানো এক স্মৃতিসৌধ তৈরির। এশিয়াটিক সোসাইটিতে তিনি সে কথা বলেনও। শুরু হয় প্রস্তুতি।

    তাজমহলের আদলে ভিক্টোরিয়া (Victoria Memorial)

    স্মৃতিসৌধ বানাতে কলকাতায় (Kolkata) জমি খোঁজা শুরু হয়। যে জমিতে আজ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল (Victoria Memorial) অবস্থান করছে, অতীতে সেটি ছিল প্রেসিডেন্সি জেলের জমি। প্রধানত রাজনৈতিক বন্দিদেরই এই জেলে রাখা হত। তবে, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির প্রস্তাবের পর প্রেসিডেন্সি জেল সেই জমি থেকে আলিপুরে স্থানান্তরিত করা হয়। ভিক্টোরিয়াকে হঠাৎ দেখলে তাজমহল বলে ভুল হয়। আসলে তাজমহলের অনুসরণেই এই স্মৃতিসৌধটি তৈরি করা হয়েছিল। বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন। তাঁকে ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগ তাঁর পছন্দ ছিল না। তাই ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল শিল্পকলা যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন এমারসন। এছাড়াও ভিক্টোরিয়াতে মিশরীয়, ইসলামিক, ভেনেটিয়ান এবং ডেকানি সংস্কৃতির প্রভাব স্পষ্ট। রানির নামে সেই সৌধের নাম রাখা হয় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল।

    স্মৃতিসৌধ করতে লেগেছিল ১১ বছর

    ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার নামাঙ্কিত স্মৃতিসৌধ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল (Victoria Memorial) তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয় ১৯০১ সালে, যেখানে থাকবে প্রচুর গাছ এবং ফুলের বাগান। ভাইসরয়ের ইচ্ছে ছিল, তাক লাগানো সেই স্মৃতিসৌধ দেখতে পর্যটকরা কলকাতায় ভিড় জমাবেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল তাজমহলকে টেক্কা দেওয়ার। তবে তাজমহলকে টেক্কা দিতে না পারলেও জনপ্রিয়তায় তাজের ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাজা পঞ্চম জর্জ। রানির স্মৃতিসৌধ বা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির প্রস্তাব করা হয় ১৯০১ সালে। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তার নকশা তৈরি সহ অন্যান্য কাজ এগোতে থাকে। ১৯০৬ সালে শুরু হয় সৌধ নির্মাণের কাজ। সৌধটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাজা পঞ্চম জর্জ। বোন ভিক্টোরিয়ার মৃত্যুর পর তাঁরই রাজা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, বাবা সপ্তম এডওয়ার্ড বেঁচে থাকা পর্যন্ত তিনি রাজা হতে পারেননি। পঞ্চম জর্জ যখন ভারতে এসেছিলেন, ভারতীয়দের প্রতি ব্রিটিশদের জাতিগত বিদ্বেষ দেখে অত্যন্ত বিরক্ত হন। ভারতীয় রাজনীতি এবং প্রশাসনিক কাজে ভারতীয়দের অংশগ্রহণকে উৎসাহ দেন। তাঁর রাজত্বকালেই ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত হয়।

    ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরি হতে সময় লাগে প্রায় ২০ বছর। রানি ভিক্টোরিয়া প্রয়াত হন ১৯০১ সালে। তাঁর স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় ১৯০৬ সালে। অফিশিয়ালি নির্মাণকাজ শুরু হয় তার প্রায় চার বছর পর অর্থাৎ ১৯১০ সালে। নির্মাণকাজ শেষ হতে সময় লাগে ১১ বছর। সব মিলিয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নির্মাণ শেষ হয় ১৯২১ সালে। এর নকশা করেছিলেন স্যার উইলিয়ম এমার্সন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ইনস্টিটিউট অফ আর্কিটেক্ট-এর প্রেসিডেন্ট। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। সৌধ নির্মাণের বরাত দেওয়া হযেছিল কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোং-কে। এই সংস্থার যুগ্ম মালিক ছিলেন স্যার থমাস অ্যাকুইনাস এবং স্যার রাজেন মুখোপাধ্যায়। সৌধ নির্মাণের পর রাজেন মুখোপাধ্যায়কে নাইট উপাধি দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার।

    কত খরচ?

    ভিক্টোরিয়া (Victoria Memorial) স্মৃতি সৌধ তৈরির জন্য পাথর আনা হয়েছিল রাজস্থান থেকে। বিশালাকার স্মৃতসৌধটির উচ্চতা প্রায় ৫৬ মিটার। মধ্যভাগে রয়েছে একটি বিশালাকার গম্বুজ এবং চার ধারে রয়েছে চারটি ছোট গম্বুজ। দেশের টাকায় রানির স্মৃতিসৌধ তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন ব্রিটিশ ভাইসরয়। অথচ সেটি তৈরির খরচ প্রধানত বহন করতে হয়েছিল দেশের মানুষকে। তুলনায় ব্রিটিশদের খরচ ছিল অনেক কম। স্মৃতিসৌধ তৈরির জন্য লর্ড কার্জন ভারতীয় রাজা, জমিদার, ধনী-অভিজাত ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীদের কাছে অর্থদানের আবেদন জানান। আদতে তা ছিল ভাইসরয়ের আদেশ। সেই আদেশ খণ্ডন করার সাহস কারও ছিল না। সেই সময় স্মৃতিসৌধ তৈরি করতে খরচ পড়েছিল প্রায় ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কালো রং

    শ্বেত পাথরের তৈরি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালকে (Victoria Memorial) একবার সম্পূর্ণ কালো রং করে দেওয়া হযেছিল। সালটা ছিল ১৯৪৩। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছিল সেই সময়। এমনকী জাপানি সৈন্যদের আক্রমণের ভয়ে ভিক্টোরিয়ার ছবি প্রকাশও বন্ধ করে দিয়েছিল ব্রিটিশ সরকার। শ্বেত পাথরের সাদা ইমারত বহু দূর থেকেও দেখা যায়। ফলে সে সব স্থান বোমায় উড়িয়ে দেওয়া সহজ। সে কারণেই সতর্কতা স্বরূপ স্বরূপ ভিক্টোরিয়ার রং কালো করে দেওয়া হয়। আগাগোড়া শ্বেত পাথরের তৈরি এই স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে একটি জাতীয় সংগ্রহশালা এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    Ramakrishna 98: “তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক”

    সিঁথি ব্রাহ্মসমাজ-দর্শন ও শ্রীযুক্ত শিবনাথ প্রভৃতি ব্রাহ্মভক্তদিগের সহিত কথোপকথন ও আনন্দ

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ক্লৈব্যং মাস্ম গমঃ পার্থ নৈতিৎ ত্বয্যুপপদ্যতে

      ক্ষুদ্রং হৃদয়দৌর্বল্যং ত্যক্তোত্তিষ্ঠ পরন্তপ।।

    গীতা—২/৩/

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ভক্তির তমঃ যার হয়, তার বিশ্বাস জ্বলন্ত। ঈশ্বরের কাছে সে রূপ ভক্ত জোর করে। যেন ডাকাতি করে ধন কেড়ে লওয়া। মারো কাটো বাঁধো! এইরূপ ডাকাত-পড়া ভাব।

    ঠাকুর ঊর্ধব দৃষ্টি, তাঁহার প্রেমরসাভিসিক্ত কণ্ঠে গাহিতেছেনঃ (Kathamrita)

    গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায়।

    কালী কালী কালী বলে আমার অজপা যদি ফুরায়।।

    ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায়।

    সন্ধ্যা তার সন্ধানে ফেরে, কভু সন্ধি নাহি পায়।।

    দয়া ব্রত দান আদি, আর কিছু না মনে লয়।

    মদনের যাগযজ্ঞ, ব্রহ্মময়ীর রাঙা পায়।।

    কালীনামের এত গুণ, কেবা জানতে পারে তায়।

    দেবাদিদেব মহাদেব, যাঁর পঞ্চমুখে গুণ গায়।।

    ঠাকুর ভাবোন্মত্ত, যেন অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হইয়া গাহিতেছেনঃ

    নামমাহাত্ম্য ও পাপ—তিন প্রকার আচার্য

    আমি দুর্গা দুর্গা বলে মা যদি মরি।

    আখেরে এ-দীনে, না তারো কেমনে, জানা (Kathamrita) যাবে গো শঙ্করী।

    কি! আমি তাঁর না করেছি—আমার আবার পাপ! আমি তাঁর ছেলে। তাঁর ঐশ্বর্যের অধিকারী! এমন রোখ হওয়া চাই!

    তমোগুণকে মোড় ফিরিয়ে দিলে ঈশ্বরলাভ (Ramakrishna) হয়। তাঁর কাছে জোর কর, তিনি তো পর নন, তিনি আপনার লোক। আবার দেখ, এই তমোগুণকে পরের মঙ্গলের জন্য ব্যবহার করা যায়। বৈদ্য তিনপ্রকার। উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ঔষধ খেও হে এই কথা বলে চলে যায়, সে-অধম বৈদ্য—রোগী খেলে কিনা এ-খবর সে লয় না। যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়—যে মিষ্ট কথাতে বলে, ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে। লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও—সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য, রোগী কোনও মতে খেলে না দেখে বুকে হাঁটু দিয়ে, জোর করে ঔষুধ খাইয়ে দেয়—সে উত্তম বৈদ্য। এই বৈদ্যের তমোগুণ, এ-গুণে রোগীর মঙ্গল হয়, অপকার হয় না।

     

    আরও পড়ুনঃ “সংসারীর তমোগুণের লক্ষণ—নিদ্রা, কাম, ক্রোধ, অহংকার”

    আরও পড়ুনঃ “বিবেক, বৈরাগ্যরূপ হলুদ মাখলে তারা আর তোমাকে ছোঁবে না”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share