Tag: Bengali news

Bengali news

  • Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই ডিভোর্স। এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। আবার অনেকে ৬০ বছরে বয়সে এসে স্ত্রীকে ছেড়ে অন্যজনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে একেবারে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরবাসী। পাঁচ দশক ধরে এক ছাতার তলায় কাটানো দম্পতি, জীবনের শেষবেলায় এসেও মৃত্যুও আলাদা করতে পারল না তাঁদের। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁর বুকে মাথা দিয়ে মৃত্যু হল স্ত্রীর। হয়তো এরই নাম ভালোবাসা। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানা এলাকার ভোলতা গ্রামের বাসিন্দারা চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে কার্যত থ হয়ে গিয়েছেন।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Murshidabad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শঙ্কর মণ্ডল (৮৫) এবং  তাঁর স্ত্রী নিয়তি মণ্ডল (৬৮)। ছেলেপুলে, নাতি-নাতনি নিয়ে ভরা সংসার। একসঙ্গে দু’জনে ভরতপুরের (Murshidabad) ভোলতা  গ্রামে কাটিয়ে ফেলেছেন ৫০টা বছর। দীর্ঘদিন থেকেই শঙ্করবাবু ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত সমস্যায়। কয়েকদিন আগে তাঁকে ভরতপুর (Bharatpur) গ্রামীণ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর ফের শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। প্রায় ৬ দিন আর বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেননি। অবশেষে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন তিনি। সবে তখন বাড়িতে উঠেছে কান্নার রোল। গ্রামের লোকজনও বাড়িতে এসে ভিড় জমান। বৃদ্ধ স্ত্রীকে অনেকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ৫০ বছর ধরে এক সঙ্গে পথ চলার সাথীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বৃদ্ধের স্ত্রী। স্বামীর বুকের ওপর মাথা দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে এক সময় থেমে যান। কিছুক্ষণ পর পাড়ার লোকজন লক্ষ্য করেন, শঙ্করবাবুর বুক থেকে আর মাথা তুলছেন না নিয়তিদেবী। চুপচাপ হয়ে রয়েছেন। এ দৃশ্য দেখে সকলে ততক্ষণে ভেবেছেন হয়তো শোকের ধাক্কায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু, কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও কাজ হয়নি। কিছু সময় পর দেখা গেল তাঁর নিথর দেহ পড়ে গেল মাটিতে। খবর গেল গ্রামের চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক এসে জানালেন স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে স্ত্রীর। স্বামীর মৃত্যু শোক সামলাতে না পেরেই বোধহয় স্ত্রী নিজেও মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বলে মনে করছেন সকলে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    গ্রামবাসীরাও হতহবাক

    একযোগে মা-বাবাকে হারিয়ে শোকে পাথর সন্তান-সন্ততি থেকে নাতিনাতনিরাও। নতুন করে নিয়তি দেবীর মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই একেবারে গোটা গ্রাম (Bharatpur) ভেঙে পড়ে মণ্ডল বাড়িতে। গ্রামবাসীরা হতবাক হয়ে যান। তাঁরা বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দারুন মিলছিল। গ্রামে সকলে দাদু-ঠাকুমা বলত। কিন্তু, দুজনেই এভাবে একসঙ্গে চলে যাবে তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hardeep Puri: ইউপিএ আমলে চাকরি হয়েছে ২.৯ কোটি, মোদি জমানায় ১২.৫ কোটি, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Hardeep Puri: ইউপিএ আমলে চাকরি হয়েছে ২.৯ কোটি, মোদি জমানায় ১২.৫ কোটি, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্টেট ব্যাঙ্কের রিপোর্টকে (SBI Report On Employment) হাতিয়ার করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Puri) তোপ দাগলেন ইউপিএ-কে। তিনি জানিয়েছেন, ইউপিএ সরকারের জমানায় ১০ বছরে মাত্র ২.৯ কোটি কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছিল অন্যদিকে, মোদির আমলে দশ বছরে ১২.৫ কোটি চাকরি হয়েছে। পেট্রোলিয়াম ও ন্যাচারাল গ্যাস মন্ত্রকের মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে ভারতবর্ষ ক্রমশই এগিয়ে চলেছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে। 

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী (Hardeep Puri)?

    সংবাদ মাধ্যমকে হরদীপ পুরী (Hardeep Puri) বলেন, ‘‘স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রধান অর্থনীতিবিদ একটি রিপোর্ট সামনে এনেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে মোদি জমানায় অর্থাৎ ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২.৫ কোটি যুবক-যুবতীর চাকরি হয়েছে, এর সঙ্গে যদি আমরা যদি তুলনা করি ইউপিএ জমানার, তাহলে সে ক্ষেত্রে তখন শুধু চাকরি (SBI Report On Employment) হয়েছিল ২.৯ কোটি মানুষের।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আগামী আর্থিক বছরে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ৭.৫ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। আগামী দুবছরের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি পাঁচ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি ভারতীয়দের মাথাপিছু আয় অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে ধারণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর (Hardeep Puri)।

    দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরী (Hardeep Puri) আরও বলেন, ‘‘একসময় বিশ্বের অর্থনৈতিক মানচিত্রে ভারতের স্থান ছিল দশ ও এগারো নম্বরে, বর্তমানে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে ভারত। দেশ এগিয়ে চলেছে মোদিজীর নেতৃত্বে। বিগত ১০ বছরেই এমনটা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশ তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। আপনারা যদি আবাসন থেকে পরিকাঠামো থেকে মোবাইল রফতানি দেখেন তাহলে সব কিছুতেই আমাদের দেশ এগিয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও গত ১০ বছরে আমরা অনেকটাই উন্নতি করতে পেরেছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    Success Story: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন নিবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত জয় চৌধুরী (Jay Chaudhry), কখনও ভাবেননি যে তিনি একজন সফল (Success Story) ব্যবসায়ী হবেন! ব্যবসার জগতে বিপুল সৌভাগ্যের অধিকারী হবেন! একটি শিল্পের মালিকও হবেন! জয় চৌধুরী কখনও ভাবেননি যে তিনি চাকরি ছেড়ে ব্যবসায়ী হয়ে ১,১০০ কোটি ডলারের মালিক হবেন! জয় চৌধুরীর শৈশব কাটে ভারতে। পরবর্তীকালে ১৯৮০ সালে তিনি মার্কিন দেশে পাড়ি দেন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মার্কেটিং পড়তে। পড়া শেষে কাজে যোগ দেন IBM and Unisys এর মতো সংস্থায়। মোটা বেতনের চাকরি করতেন তিনি! কিন্তু তাতে কি? তাঁর মন তো ব্যবসায়।

    কী বলছেন জয় চৌধুরী (Success Story)?

    সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয় চৌধুরী বলেন, ‘‘আমাদের পরিবার ছিল ক্ষুদ্র চাষী, সেই পরিবার থেকে শিল্পপতি হওয়ার কোনও নজিরই নেই কারও, তাই আপনারা যদি আমাকে প্রশ্ন করেন, আমি কি ছোট থেকেই একজন উদ্যোক্তা বা শিল্পপতি হওয়ার কথা ভেবেছিলাম? তাহলে এর উত্তর হবে ‘না’।’’ প্রসঙ্গত, জয় চৌধুরীর (Jay Chaudhry) প্রতিষ্ঠিত সংস্থার নাম ক্লাউড সিকিউরিটি কোম্পানি জেডস্কেলার। মার্কিন দেশে চাকরি করতে করতে সিলিকন ভ্যালিতে ডট কম বুম, নেটস্কেপ- এর মতো প্রযুক্তির স্টার্টআপগুলির সাফল্য নিজের চোখেই দেখতে থাকেন জয় চৌধুরী। তিনিই জানিয়েছেন, ১৯৯৬ সাল থেকেই তিনি ভাবতে শুরু করেন উদ্যোক্তা হওয়ার কথা। তখন তিনি আটলান্টায় আইকিউ সফটওয়্যারের উচ্চপদে চাকরি করতেন। কিন্তু শিল্পপতি হওয়ার স্বপ্নের (Success Story) কারণে একটা সাহসী সিদ্ধান্ত তিনি নেন। ছেড়ে দেন চাকরি।

    ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু

    ১৯৯৭ সালে স্ত্রী জ্যোতি চৌধুরীর সঙ্গেই শুরু করেন সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার স্টার্টআপ যার নাম ছিল SecureIT. ১৯৯৭ সালে তাঁর সঞ্চয় করা পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার তিনি তাঁর নতুন প্রতিষ্ঠা করা সংস্থায় বিনিয়োগ করেন। ১৯৯৮ সালেই জয় চৌধুরী তার SecureIT-কে বিক্রি করেন VeriSign-এর কাছে। এর জন্য জয় চৌধুরী পান সাত কোটি মার্কিন ডলার। এর পরবর্তীকালে চৌধুরী দম্পতি আরও দুটি সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানি এবং একটি ই-কমার্স কোম্পানি স্থাপন করেন বলে জানা যায়। এর প্রত্যেকটি তাঁরা বিক্রি করে দেন ২০০৭ সালের মধ্যেই। দম্পতি সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

    বড় কোম্পানি স্থাপন

    এই সময়ে জয় চৌধুরী সিদ্ধান্ত (Success Story) নেন একটি বড় কোম্পানি চালু করার। তখনই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জেড স্কেলার-এর এই কোম্পানিতে তাঁরা বিনিয়োগ করেন পাঁচ কোটি মার্কিন ডলার। বর্তমানে জয় চৌধুরীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার, এ কথা জানিয়েছে ফোর্বস। অন্য একটি সাক্ষাৎকারের জয় চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি প্রযুক্তি খুবই পছন্দ করতেন, ১৯৯৬ সালে নেটস্কেপ সবেমাত্র চালু হয়েছিল এবং তা সবার মধ্যে বিপুল জনপ্রিয় হয়েছিল। এতেই তিনি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি ভাবতে থাকেন যে যদি এরা পারে তাহলে তিনি কেন পারবে না! এটাই মোড় ঘুরিয়ে দেয় তাঁর জীবনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 24 july 2024: এই রাশির জাতকদের পেটের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে

    Daily Horoscope 24 july 2024: এই রাশির জাতকদের পেটের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) মায়ের দিক থেকে কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ৩) স্ত্রীর সঙ্গে একটু বুঝে চলুন। 

    বৃষ

    ১) ব্যবসায় ভালো যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য কাজের ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পেটের সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    মিথুন

    ১) পিতা-মাতার জন্য মনখারাপ।

    ২) মধুর কথাবার্তা বলায় বিপদ থেকে উদ্ধার লাভ।

    ৩) শত্রুর ব্যাপারে চাপ বাড়তে পারে।

    কর্কট

    ১) পরিস্থিতির জটিলতা ক্ষণস্থায়ী।

    ২) কোনও কিছুতেই বিব্রত হওয়ার কিছু নেই।

    ৩) সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ হতে পারে।

    সিংহ

    ১) জীবনকে গুছিয়ে নেওয়ার জন্য নিজেকে সময় দিন।

    ২) ব্যবসায় সাফল্যের পথ খুঁজে পাবেন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে শিখুন।

    কন্যা

    ১) দিনটি প্রতিকূল।

    ২) প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে সর্বত্র।

    ৩) পদক্ষেপ করুন বুদ্ধি খাটিয়ে।

    তুলা

    ১) অতীত আঁকড়ে পড়ে থাকবেন না।

    ২) পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা হবে।

    ৩) ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি ভালো।

    বৃশ্চিক

    ১) অর্থভাগ্য ভালো হলেও পরিশ্রম থাকবে প্রচুর।

    ২) পেশাদারদের জন্য খুব উপযুক্ত সময়।

    ৩) বাড়িতে জীবজন্তু কেনার যোগ আছে।

    ধনু

    ১) প্রেমে সফল হবেন।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। 

    ৩) শরীরে যন্ত্রণা বাড়তে পারে। 

    মকর

    ১) সন্তানদের সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে।

    ২) ভাগ্যোন্নতির উপায় খুঁজে পেতে পারেন।

    ৩) ফাটকা ও লটারিতে আয় বাড়তে পারে। 

    কুম্ভ

    ১) পড়াশোনার ব্যাপারে সুবিধা পেতে পারেন।

    ২) প্রতিবেশীর সঙ্গে কোনও বিষয়ে ঝামেলা বাধতে পারে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে খুব সতর্ক থাকতে হবে, মিথ্যে অপবাদে ফাঁসতে হতে পারে।

    মীন

    ১) পর্যবেক্ষণ এবং বিচারমূলক মনোবৃত্তি প্রকাশ পাবে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি হবে।

    ৩) চাকরিজীবীদের জন্য শুভ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বাড়ল বরাদ্দ, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় জোর?

    Budget 2024: বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বাড়ল বরাদ্দ, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় জোর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024) পেশ করল তৃতীয় মোদি সরকার। সংসদে বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে সব চেয়ে বেশি বরাদ্দ প্রতিরক্ষা (Defence) মন্ত্রকে। প্রতিরক্ষায় দক্ষতা ও আত্মনির্ভরতা বাড়াতে নজিরবিহীনভাবে এদিন পেশ হওয়া বাজেটে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৬.২২ লাখ কোটি টাকা। এবারের বাজেটের মোট বরাদ্দের ১২.৯ শতাংশ। গত বাজেটের চেয়ে ৪.৭৯ শতাংশ বেশি।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য (Budget 2024)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বাজেট বরাদ্দের মধ্যে থেকে ১.৭২ লাখ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম অধিগ্রহণের জন্য। এর মধ্যে যেমন থাকবে অত্যাধুনিক এবং প্রাণঘাতী অস্ত্রশস্ত্র, তেমনি থাকবে যুদ্ধবিমান, জাহাজ, সাবমেরিন এবং ড্রোনও। ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী যাতে যুদ্ধের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকে, তা নিশ্চিত করতে, রক্ষণাবেক্ষণ ও অপারেশনাল প্রস্তুতির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৯২ হাজার ৮৮ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে গত অর্থবর্ষের চেয়ে ৪৮ শতাংশ। বাজেট বরাদ্দের ১.০৫ লাখ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে দেশীয় সংস্থাগুলির থেকে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য। এই উদ্যোগ ভারতের আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। অর্থনীতিবিদদের আশা, এতে একদিকে যেমন বাড়বে জিডিপি সংগ্রহ, তেমনি তৈরি হবে কর্মসংস্থানও।

    আরও পড়ুন: বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি, ভাষণে নিলেন যাদের নাম

    মেক ইন ইন্ডিয়া

    বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ায় খুশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, “প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ((Budget 2024)) আত্মনির্ভরতা ও মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচি আরও গতি পাবে।” অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার আধুনিকীকরণের জন্যই এই অর্থ ব্যয় করা হবে বলেও জানান তিনি। সীমান্ত এলাকায় পরিকাঠামো উন্নয়নকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বাজেটে। এজন্য বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনকে দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা। উপকূলীয় নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় কোস্ট গার্ডের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭,৬৫১.৮০ কোটি টাকা। কেবল দ্রুতগামী টহলদারি যান, বৈদ্যুতিন নজরদারি (Defence) ব্যবস্থার উন্নতি ও অস্ত্র সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা (Budget 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET-UG: নতুন করে আর নিট-ইউজি পরীক্ষা নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    NEET-UG: নতুন করে আর নিট-ইউজি পরীক্ষা নয়, জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে আর নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষা নয়, এবার জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ২০২৪ সালের সর্বভারতীয় ডাক্তারি পরীক্ষা পুরোপুরি বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “রেকর্ডে থাকা নথিগুলি প্রশ্নপত্রের পদ্ধতিগত ফাঁসের ইঙ্গিত প্রকাশ করে না।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (NEET-UG)

    সুপ্রিম কোর্টের নিট (NEET-UG) মামলার বিষয়ে রায় প্রদানের সময়ে বিচারকেরা এদিন মন্তব্য করেছেন, “গত ৫ মে ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় কিছু ত্রুটি ছিল। কিন্তু পরীক্ষা পরিচালনায় সামগ্রিক ভাবে পদ্ধতিগত লঙ্ঘন হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পাওয়া নথি বিশ্লেষণ করে দেখার পর তা প্রমাণিত হচ্ছে না। ২৪ লাখ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কথা ভেবে নতুন করে নিট নেওয়ার আর দরকার নেই। কারণ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হলে তা বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়বেন।” এই প্রসঙ্গে আবার প্রধান বিচারপতি (Supreme Court) আরও বলেছেন, “ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ এবং বিহারের পাটনায় নিট ইউজির প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যে চক্র এর পিছনে ছিল, তারা কিছু নথি পুড়িয়ে ফেলেছে। অভিযুক্তরা এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছে। এই প্রশ্ন ফাঁসের কারণে মোট ১৫৫ জন পরীক্ষার্থী লাভবান হয়েছে। তার মধ্যে ৩০ জন পাটনার এবং ১২৫ জন হাজারিবাগের।”

    আরও পড়ুনঃ বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি, ভাষণে নিলেন যাদের নাম

    এক সঙ্গে ৬৭ জন প্রথম নিটে!

    এবছর ৫ মে ৫৭১টি শহরের ৪ হাজার ৭৫০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা (NEET-UG) অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ লাখেরও বেশি প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে একসঙ্গে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মোট ৬৭ জন পড়ুয়া। এরপর থেকেই ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে বিশেষ গ্রেসমার্কসের অভিযোগও তোলা হয়। এই নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: সাট্টার কারবার চালাতেন তৃণমূল কর্মীরা! প্রতিবাদ করতেই যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার

    Barrackpore: সাট্টার কারবার চালাতেন তৃণমূল কর্মীরা! প্রতিবাদ করতেই যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের ছত্রছায়ায় থেকে চলত জুয়া-সাট্টার কারবার। আর এলাকায় এসব কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য প্রতিবাদ করেছিলেন অনিল রায় নামে যুবক। আর সেই প্রতিবাদী  যুবককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুরের (Barrackpore) মোহনপুরে। আক্রান্ত যুবকের বাড়ি চক কাঁঠালিয়া এলাকায়। তাঁকে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোহনপুর (Barrackpore) এলাকায় খাস জমিতে বেশ কয়েকটি দোকানঘর রয়েছে। সেখানে অনিল রায় নামে স্থানীয় এক যুবক দোকান ঘর করার পরিকল্পনা করেন। ওই জমির ওপর স্থানীয় তৃণমূল কর্মী শেখ মুন্নার, মোশারেক আলিদের নজর ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই অনিল দোকান ঘর তৈরির কাজ করছিলেন। সোমবার শেখ মুন্না, মোশারেক আলি দলবল নিয়ে অনিলের ওপর হামলা চালান। বাঁশ দিয়ে তাঁকে রাস্তায় ফেলে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। পরে, স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। অনিলের এক আত্মীয় বলেন, এলাকায় তৃণমূলের নামে করে মুন্নারা যা খুশি করে বেড়ায়। এই এলাকায় সাট্টার কারবার চালায় তৃণমূল কর্মীরা। অনিল তার প্রতিবাদ করেছিল। সেই রাগ ছিল। এবার দোকান করার সময় পুরানো রাগ ওরা মিটিয়ে নিল। আমরা চাই, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। কারণ, অনিল সব সময় অন্যায়ের প্রতিবাদ করে। তাই, তৃণমূলের (Trinamool Congress) ওই কর্মীরা তাকে সহ্য করতে পারে না। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক কী বললেন?

    জানা গিয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় ৮ জন তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীর নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, কী কারণে হামলা চালাল তা পরিষ্কার নয়। আমরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nikhil Lemo: ওষুধ খেতে ভুলে গিয়েছেন? চিন্তা নেই, মনে করিয়ে দেবে রোবট

    Nikhil Lemo: ওষুধ খেতে ভুলে গিয়েছেন? চিন্তা নেই, মনে করিয়ে দেবে রোবট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনে হয়তো দশ-বিশটা ওষুধ খেতে হয়। মনেও থাকে না সব সময়। তাই কোনও ওষুধ হয়ত দুবার খাওয়া হয়ে গেল। কোনওটা হয়ত আবার খাওয়াই হল না। নিট ফল, ব্যাধির বিকার বেড়েই চলল। কষ্টার্জিত পয়সা ধ্বংসের পাশাপাশি রোগীরও আর রোগ আরোগ্য হয় কই? তবে এবার আর এসব নিয়ে ভাবতে হবে না আপনাকে। কারণ আবিষ্কার হয়ে গিয়েছে ‘মেডিটেল’ (Meditel) নামের একটি পুচকে রোবট। আবিষ্কারকও যে কেউকেটা, তা কিন্তু নয়। মেডিটেল যার ব্রেন চাইল্ড, সে (Nikhil Lemo) পড়ে একাদশ শ্রেণিতে, গুজরাটের ভাদোদরার নবরচনা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।

    নিখিল লেমোর আবিষ্কার (Nikhil Lemo)

    নয়া আবিষ্কৃত এই যন্ত্রের একটা জুতসই নামও দিয়েছে নিখিল লেমো নামের ওই পড়ুয়া। মানবযন্ত্রটির নাম মেডিটেল। তার দাদু-ঠাকুমাকে সাহায্য করার কথা ভাবতে গিয়ে জন্ম হয় মেডিটেলের। যেহেতু এই যন্ত্রমানব ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়, তাই তার নামেই রয়েছে মেডিসিনের গন্ধ। নিখল বলে, “আমি দেখেছিলাম, প্রায়ই ওষুধ খেতে ভুলে যায় আমার দাদু-ঠাকুমা। তখনই মাথায় আসে, এমন একটা অ্যালার্ম সিস্টেম তৈরি করতে হবে, যা বাজলেই মনে পড়ে যাবে ওষুধ খাওয়ার কথা।” একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়া জানায়, তার একটি খাতার শেষ পৃষ্ঠায় একটা ডুডল ছিল। বিজ্ঞান মেলায় যোগ দেবে বলে বারংবার সে ডুডলটি দেখছিল। এর পরেই মাথায় চলে আসে মেডিটেলের আইডিয়া। মেডিটেলের (Meditel) ‘বাবা’ বলে, “ একটি বিজ্ঞান মেলায় যোগ দেওয়ার শর্ত হিসেবে আমাদের নতুন কিছু করে নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। তখনই ডুডল এবং আমার দাদু-ঠাকুমার সমস্যার কথাটা মাথায় চলে আসে। ব্যাস, জন্ম নিল মেডিটেল।”

    কী বলছে খুদে বিজ্ঞানী?

    এই খুদে বিজ্ঞানী (Nikhil Lemo) বলে, “আপনাদের তো বললামই যে প্রথমে আমি একটা অ্যালার্ম সিস্টেম বানাব ভেবেছিলাম। পরে ভাবলাম, ওষুধ খাওয়ার সময় না হয় মনে করিয়ে দিল অ্যালার্ম। ওষুধও না হয় হাতের কাছে রয়েছে। কিন্তু, জল! সেটা তো কাউকে এনে দিতে হবে। নয়তো নিজেকে গিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয় অপশনটা বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশ সমস্যার। তাই তাঁরা ওষুধ খাবেন কী করে?” এই ভাবনা থেকেই নিখিল এই ডিভাইসের সঙ্গে একটি জলের বোতলও জুড়ে দিল। ভেলক্রো দিয়ে সেটা জোড়া হল ডিভাইসের সঙ্গে। এতেই কেল্লাফতে। যন্ত্রমানব যেমন রোগীকে তাঁর ওষুধ খাওয়ার কথাটা মনে করিয়ে দেবে, তেমনি এগিয়ে দেবে জলও। এর পর আর ওষুধ না খেয়ে থাকেন কী করে রোগী?

    মেডিটেলের কাজ

    মেডিটেলের আবিষ্কর্তা বলে, “মেডিটেল প্রতিদিন ছ’টা পর্যন্ত ওষুধ খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেবে রোগীকে। সকালে না রাতে, জলখাবারের আগে না পরে, বিকেলে টিফিনের আগে না পরে, নাকি লাঞ্চ কিংবা ডিনারের পরে কখন খেতে হবে ওষুধ, তা মনে করিয়ে দেবে এই যন্ত্র।” একাদশ শ্রেণির এই পড়ুয়ার বক্তব্য, মেডিটেলের যন্ত্রাংশ জোগাড় করা এবং ডিভাইসগুলোকে এক জায়গায় করা এক জিনিস। আর কোডিং করে অ্যালার্ম সিস্টেমটাকে ঠিকঠাক করানোটা আর এক জিনিস। দ্বিতীয়টা চ্যালেঞ্জিং। সে বলে, “স্ক্র্যাচ করে আমি এ পর্যন্ত যতগুলো মডেল বানিয়েছি, এটা সেগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: বাজেটে কর্মসংস্থানে ৩ প্রকল্পের ঘোষণা সীতারামনের, জানুন বিশদে

    ইউনিসেফের স্বীকৃতি

    নিখিলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার মেন্টর মুকেশ বিন্দ। তিনি বলেন, “২০১৯ সালে বিশ্ব রোবট অলিম্পিয়াডের সময় নিখিলের সঙ্গে আমার দেখা হয়। পরে সে আমার কাছে রোবটিক্স শিখতে শুরু করে। আমাদের একটা সেশনের সময় যে এমন একটা ডিভাইস তৈরির ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল, যেটা তার দাদু-ঠাকুমাকে ওষুধ খেতে সাহায্য করবে।” গত নভেম্বরে নিখিলের (Nikhil Lemo) মেডিটেল পায় ইউনিসেফের স্বীকৃতি। তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত ডেভিড বেকহ্যাম স্বয়ং। বেকহ্যামের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ায় যারপরনাই খুশি খুদে বিজ্ঞানী। তবে সে যে ইউনিসেফের কাছে প্রকল্পটি পাঠায়নি, তাও জানিয়েছে নিখিল। বলে, “আমি কখনওই ইউনিসেফের কাছে আবেদন করিনি। গুজরাট ইউনিভার্সিটির ইনকিউবেশন সেন্টার আয়োজিত অন্য একটি প্রতিযোগিতায় আবেদন করেছিলাম। তারাই আমার প্রকল্প পাঠিয়েছিল ইউনিসেফে।”

    মেডিটেলের অপার সম্ভাবনা

    গুজরাট ইউনির্ভাসিটি স্টার্টআপ অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিউরশিপ কাউন্সিলের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সানিয়াম ছাজেদ বলেন, “মেডিটেলের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।” তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, মেডিটেলের (Meditel) মতো একটি ডিভাইস তার ছোট আকার ও সহজ ব্যবহারযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য বয়স্কদের কাছে একটি যুগান্তকারী পণ্য বলে পরিগণিত হবে (Nikhil Lemo)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Expensive City: বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর হংকং, সব থেকে সস্তা ইসলামাবাদ, কলকাতা কত নম্বরে?

    Expensive City: বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর হংকং, সব থেকে সস্তা ইসলামাবাদ, কলকাতা কত নম্বরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি আর্থিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি শহর (Expensive City) হল হংকং। সবচেয়ে সস্তার শহর হল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। মোট ২২৬টি মহানগরীর জীবন ধারণের খরচের তুলনামূলক হিসেব তুলে ধরা হয়েছে এই রিপোর্টে। আবার ভারতের সব থেকে সস্তার শহর বলা হয়েছে কলকাতাকে (Kolkata)। সমীক্ষায় কী বলছে আসুন জেনে নিই।

    বিশ্বের কোন শহর কোথায় (Expensive City)?

    আর্থিক সমীক্ষা সংস্থা মারসর প্রকাশিত ‘কস্ট অব লিভিং সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৪’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০টি প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং চারটি আরও মাপকাঠির বিচারে সবথেকে বেশি খরচ করতে হয় চিনের হংকং শহরে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ—পূর্ব এশিয়ার সিঙ্গাপুর এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ সুইৎজারল্যান্ডের জুরিখ। এরপর ক্রমে রয়েছে জেনেভা, বাসেল, বার্ন, নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, বাহামাসের নাসাউ এবং লস অ্যাঞ্জেলেস। খরচের তুলনামূলক পরিসংখ্যান তুলে ধরে রিপোর্টে জানা গিয়েছে বিশ্বের সব থেকে সস্তার শহর ইসলামাবাদ। তার উপরে রয়েছে আফ্রিকার দেশ নাইজিরিয়ার দুটি শহর লাগোস এবং আবুজা। পাকিস্তানের বেহাল আর্থিক পরিস্থিতির জন্য এই অবস্থা এসে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মোদি, ভাষণে নিলেন যাদের নাম

    কলকাতা শহর ২০৭ নম্বরে

    আবার ‘কস্ট অব লিভিং সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৪’ অনুযায়ী ভারতের সবচেয়ে দামি শহর (Expensive City) মুম্বই। এই শহর হল ভারতের আর্থিক রাজধানী। বিশ্বের মোট ২২৬টি শহরের তালিকায় মহারাষ্ট্রের রাজধানীর স্থান রয়েছে ১৩৬ নম্বরে। তারপরে দেশের রাজধানী দিল্লি ১৬৫ নম্বর স্থানে। এছাড়াও, চেন্নাই শহর রয়েছে ১৮৯ নম্বরে, বেঙ্গালুরু রয়েছে ১৯৫ নম্বরে, হায়দরাবাদ রয়েছে ২০২ নম্বরে এবং পুণের স্থান ২০৫ নম্বরে। তালিকায় ভারতের মধ্যে সবচেয়ে কম খরচের শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কলকাতাকে (Kolkata)। বিশ্বের ২২৬টি শহরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের এই রাজধানীর স্থান রয়েছে ২০৭ নম্বরে। তবে এই মান বিচার করা হয়েছে শহরের আবাসন, পরিবহণ, খাদ্য, পোশাক এবং বিনোদনকে মাথায় রেখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: লোকসভায় লিড পেয়েছে বিজেপি, আদিবাসী গ্রামে জল বন্ধ করল তৃণমূল! আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    Birbhum: লোকসভায় লিড পেয়েছে বিজেপি, আদিবাসী গ্রামে জল বন্ধ করল তৃণমূল! আন্দোলনে গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোটে দিয়েছিলেন গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা। ভোটের ফল বের হওয়ার পর দেখা যায়, বীরভূমের (Birbhum) নারায়ণপুরের খড়িডাঙা নামে আদিবাসী গ্রামে তৃণমূলকে হারিয়ে লিড পেয়েছে বিজেপি। এটাই ছিল ওই গ্রামের বাসিন্দাদের অপরাধ। কারণ, তারপর থেকেই এই আদিবাসী গ্রামে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে তৃণমূল পঞ্চায়েত। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি। পানীয় জল সরবরাহ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার থেকে রামপুরহাট মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে বসে বিজেপি। এদিনের অবস্থান বিক্ষোভে বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা সহ স্থানীয় নেতা, কর্মী-সমর্থকেরা হাজির ছিলেন। তিন ধরে এই ধর্না চলবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবি (Birbhum)

    এমনিতেই বেশ কিছুদিন ধরেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে রামপুরহাট (Birbhum) জুড়ে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়ার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেনি প্রশাসন। অসহায় ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। উচ্ছেদ হওয়া ফুটপাত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছে। এদিনের অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিজেপি নেতারা বলেন, অবিলম্বে উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আমাদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে।

    আরও পড়ুন: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    বিজেপি জেলা সভাপতি কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) জেলা (Birbhum) সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, লোকসভা ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছে বলে খড়িডাঙার আদিবাসী গ্রামের মানুষ পানীয় জল পাচ্ছেন না। তৃণমূল নোংরা রাজনীতি করছে। আমরা এর আগে বিডিও অফিসে দ্বারস্থ হয়ে সমস্যার কথা বলেছিলাম। কিন্তু, তাতেই প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই, বাধ্য হয়ে মহকুমা শাসকের দরবারে আমরা সেই একই আর্জি জানিয়েছি। পাশাপাশি জেলায় যে সব জায়গায় বিজেপির (BJP) ফল ভালো হয়েছে, সেখানেই তৃণমূল আমাদের কর্মীদের বঞ্চিত করছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের এই আন্দোলন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share