Tag: Bengali news

Bengali news

  • Shravan Shivratri: আজ শ্রাবণ শিবরাত্রি, কীভাবে করবেন পুজো? কখন লাগছে তিথি?

    Shravan Shivratri: আজ শ্রাবণ শিবরাত্রি, কীভাবে করবেন পুজো? কখন লাগছে তিথি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার শ্রাবণ শিবরাত্রি (Shravan Shivratri)। প্রতি মাসেই একটি করে শিবরাত্রি আছে কিন্তু মহাশিবরাত্রি ছাড়াও শ্রাবণ শিবরাত্রি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয় হিন্দু ধর্মে। কিংবদন্তি অনুসারে, এই দিনেই শিব-পার্বতীর বিবাহ হয়েছিল। আবার এই দিনেই সমুদ্র মন্থনে ওঠা বিষ দেবাদিদেব মহাদেব পান করেছিলেন বলে ভক্তদের বিশ্বাস। এই দিনটি শিব-শক্তির মিলন হিসাবে পরিচিত। শ্রাবণ হল ভগবান শিবের প্রিয় মাস। শ্রাবণ শিবরাত্রিতে (Shravan Shivratri) দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনা করলে জীবন সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধিতে ভরে যায় বলেই বিশ্বাস ভক্তদের।

    শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর দিনে পড়ে শ্রাবণ শিবরাত্রি (Shravan Shivratri)

    শ্রাবণ মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশীর দিনে পড়ে শ্রাবণ শিবরাত্রি। এই বছর শ্রাবণ শিবরাত্রি (Shravan Shivratri) আজ অর্থাৎ ২ অগাস্ট। ভগবান শিবকে জল নিবেদনের জন্য এই দিনটিকে সবচেয়ে বিশেষ বলে মনে করা হয়। শ্রাবণ কৃষ্ণ চতুর্দশী তারিখ ২ অগাস্ট ২০২৪ দুপুর ৩ টে ২৬ মিনিট থেকে শুরু হবে এবং ৩ অগাস্ট  ২০২৪ দুপুর ৩ টে ৫০ মিনিটে শেষ হবে। গঙ্গার জল ভরে নিয়ে আসা ভক্তরা শ্রাবণ শিবরাত্রির দিনেই ভগবান শিবের জলাভিষেক করেন। কথিত আছে যে এর দ্বারা ব্যাক্তি মোক্ষ লাভ করেন।

    কীভাবে করবেন পুজো?

    শিবরাত্রিতে (শ্রাবণ শিবরাত্রি) চার প্রহর পুজো করতে হয়। শাস্ত্রবিদরা বলছেন, প্রথমার্ধে দুধ, দ্বিতীয়ার্ধে দই, তৃতীয়ার্ধে ঘি এবং চতুর্থাংশে মধু দিয়ে পুজো করলে বিশেষ ফল মেলে। প্রতি পুজোতেই জল ব্যবহার করা উচিত, কারণ জল ভগবান শিবের খুব প্রিয় বলে মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে শিব যখন সমুদ্র মন্থন থেকে বেরিয়ে আসা বিষ পান করেছিলেন, তখন কেবল জলের দ্বারাই তাঁর ব্যথা উপশম হয়। তাই শ্রাবণ মাসে যে ব্যক্তি মহাদেবকে (Lord Mahadev) জল নিবেদন করেন তাঁর সমস্ত কষ্ট ভোলেনাথ দূর করেন।

    শ্রাবণ মাসের শিবরাত্রিকে অহোরাত্রি কেন বলে?

    পুরাণে শ্রাবণ মাসের শিবরাত্রিকে (Shravan Shivratri) অহোরাত্রিও বলা হয়েছে। ধর্মীয় ধারণা অনুযায়ী শ্রাবণ মাসের শিবরাত্রিতে ঘুমালে ভাগ্যও ঘুমিয়ে পড়ে। তাই এই শিবরাত্রিতে রাত্রি জাগরণ এবং শিব (Lord Mahadev) পুরাণের কাহিনি পাঠ করা উচিত ভক্তদের, এমনটাই জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। এই বিশেষ দিনে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করতে পারেন। এর ফলে ভাগ্যোদয় হয় এবং পরিবারে সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির আগমন ঘটে। রাত্রি জাগরণ করলে সমস্ত কষ্ট দূর হয়, পাশাপাশি মোক্ষ লাভ করা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway Minister: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    Railway Minister: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে ঠিক কী বলেছিলেন! সেই তথ্য-পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাঁকে তুলোধনা করলেন বর্তমান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সম্প্রতি, ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে রেলমন্ত্রককে (Railway Minister) কাঠগড়ায় তোলে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই নিয়েই রীতিমতো তথ্য তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেসকে এক হাত নেন বর্তমান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৃহস্পতিবার সংসদে ট্রেন দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অভিযোগের একের পর এক জবাব দিতে থাকেন তিনি। মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ট্রেন দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তিনি এই সংসদে দাঁড়িয়েই বলতেন, দেশে ট্রেন দুর্ঘটনা ০.২৪ শতাংশ থেকে কমে ০.১৯ শতাংশ হয়েছে। তখন এখানে বাকিরা হাততালি দিতেন। আর এখন, যখন দেশের ট্রেন দুর্ঘটনার পরিমাণ ০.১৯ থেকে কমে ০.০৩ শতাংশ হয়েছে, তখন তাঁরা উল্টে আমাকে দোষারোপ করছেন! এ ভাবে কি দেশ চলবে?’’

    আক্রমণ কংগ্রেসকেও (Railway Minister)

    রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘কংগ্রেস তার দলবল নিয়ে সমাজমাধ্যমে মিথ্যা দাবি করছে। এই দেশে প্রতি দিন দু’কোটি মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাঁদের সকলের মনে কি বিরোধীরা এ ভাবে ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছে?’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যাঁরা এখানে বেশি চিৎকার করছেন, তাঁদের জিজ্ঞেস করা উচিত, ৫৮ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরেও কেন তাঁরা এক কিলোমিটারেও ‘স্বয়ংক্রিয় রেলসুরক্ষা’ (এটিপি) চালু করতে পারেননি?’’ চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘লোকো পাইলটদের গড় কাজ এবং বিশ্রামের সময়গুলি ২০০৫ সালে প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত হয়। ২০১৬ সালে, কয়েকটি বিধি সংশোধন করে এবং লোকো পাইলটদের আরও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা রিল তৈরি করে সহানুভূতি দেখান, তাঁদের এই তথ্য জানা উচিত।’’

    বাড়ছে জেনারেল কোচের সংখ্যা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই লোকসভায় রেলমন্ত্রী (Railway Minister) জানিয়েছেন যে মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনে এবার থেকে বাড়ছে জেনারেল কোচের সংখ্যা। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলি জানানো হচ্ছে যাত্রীদের তরফ থেকে এবং সেই দাবিকেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সমস্ত এক্সপ্রেস মেল ট্রেনের ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ জেনারেল কোচ ও এক ভাগ এসি কোচ থাকে। জেনারেল কোচের চাহিদা যে বাড়ছে সে কথাও এদিন উল্লেখ করেন তিনি। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নতুন প্রায় আড়াই হাজার মতো জেনারেল কোচ তৈরি করা হবে। আগামী দিনে দশ হাজার জেনারেল কোচ তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah Bridge: ২৬ হাজার ৫০০ টন স্টিল! নাট-বোল্ট ছাড়াই কীভাবে তৈরি হয়েছিল হাওড়া ব্রিজ?

    Howrah Bridge: ২৬ হাজার ৫০০ টন স্টিল! নাট-বোল্ট ছাড়াই কীভাবে তৈরি হয়েছিল হাওড়া ব্রিজ?

    হরিহর ঘোষাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় তখনও বিদ্যুতের আলো আসেনি। রাস্তায় জ্বলে হাতে গোনা কয়েকটি গ্যাসবাতি। হুগলি নদীর ওপারে হাওড়ার বুক চিড়ে তখন ছুটছে রেলগাড়ি। ব্যান্ডেল, বর্ধমান, রানিগঞ্জ পর্যন্ত যাচ্ছে ট্রেন। একদিনের মধ্যে সহজেই বর্ধমান থেকে ঘুরে আসাও যাচ্ছে। কিন্তু,হাওড়া স্টেশনে যাওয়ার জন্য কলকাতাবাসীর (Kolkata) কাছে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়াল হুগলি নদী। সেই নৌকার ভরসায় থাকা। তাই, নদীর ওপর ব্রিজ তৈরি হোক, এটা কলকাতাবাসী মনেপ্রাণে চাইছিলেন। আর দরবারও শুরু হল সমস্ত স্তর থেকে। ব্রিটিশ সরকারও উদ্যোগী হল। বহুদিনের আশা অবশেষে হাওড়া ব্রিজ (Howrah Bridge) হিসেবে পূর্ণতা পেলে

    পন্টুন ব্রিজ (Howrah Bridge)

    আজকের যে হাওড়া ব্রিজ (Howrah Bridge) দিয়ে প্রতিদিন ১ লক্ষ যানবাহন, দেড় লক্ষ পথচারী চলাচল করেন, সেই ব্রিজ প্রথমেই গড়়ে ওঠেনি। ১৮৬২ সালে হাওড়া ব্রিজ তৈরির প্রথম প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল। ১৮৭৪ সালে হাওড়া এবং কলকাতার মধ্যে একটি পন্টুন ব্রিজ বা ভাসমান সেতু তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু দুই শহরের মধ্যে বিশাল যানজট সামলাতে বা এলাকায় ঘন ঘন ঝড়ের মোকাবিলা করার জন্য এটি যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল না। আর হুগলি নদীতে জাহাজ চলাচলের জন্য রাতের দিকে নির্দিষ্ট একটি সময়ে এই সেতু খুলে দেওয়া হত। আর সকালে সেতু জুড়়ে দেওয়া হত। তবে, ভারী যানবাহন যাওয়ার সময় সেতু নড়বড় করত। ফলে, এই সেতুর ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমশ কমছিল। তাছাড়া কলকাতার জনসংখ্যা বাড়ছিল। মহানগরীতে ব্যবসা- বাণিজ্য-অফিস কাছারিও গড়়ে উঠতে শুরু করেছে তখন। পাশাপাশি, হাওড়াতেও একের পর এক শিল্পের রমরমা কারবারের দরুণ লোকজনের সংখ্যা, গাড়ি চলাচলও বাড়ছিল। গঙ্গাপাড়ের একদিকের হাওড়া আর অপর প্রান্তে কলকাতা শহরকে জুড়ে দেওয়ার জন্য মজবুত সেতুর প্রয়োজন দেখা দেয়। হাওড়া স্টেশনে ট্রেনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করায় সেই প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। তাই পরিকল্পনা হয় নতুন ব্রিজের।

    নতুন হাওড়়া ব্রিজ

    নতুন হাওড়া ব্রিজ (Howrah Bridge) তৈরির জন্য ১৯০৬ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়। পুরানো সেতুর ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়। আগামী দিনে সেতু তৈরির রূপরেখা তৈরি করা হয়। তবে,  কিছুদিনের মধ্যে উদ্যোগ ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। এরই মধ্যে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) শুরু হয়ে যায়। যুদ্ধের কারণে বেশ কয়েক বছর আর এই সেতু তৈরির উদ্যোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ১৯২১ সালে আর এন মুখোপাধ্যায়, কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের চেয়ারম্যান স্যার ক্লেমেন্ট হিন্ডলি এবং চিফ ইঞ্জিনিয়র জে ম্যাকগ্লাশানের নেতৃত্বে ‘মুখার্জি কমিটি’ নামে ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে একটি কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটি প্রথম একক স্প্যান আর্চ ব্রিজ তৈরির প্রস্তাব দেয়।

    নতুন হাওড়া ব্রিজের কাজ কবে শুরু হল?

    ১৯৩৬ সালে পাকাপাকিভাবে ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়। একেবারে স্টিল দিয়ে ব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। ইংরেজ সাহেবদের লক্ষ্য ছিল, এমনভাবে ব্রিজটি তৈরি করতে হবে যাতে এই ব্রিজের নীচের অংশে কোনও পিলার না থাকে। যাতে গঙ্গা দিয়ে ভেসে যাওয়া জাহাজ বা নৌকা চলাচলের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা না হয়। ব্রিজের শুরু ও শেষে চারটি করে পিলার থাকলেও মাঝে সেই কারণেই কোনও পিলার নেই। এই ব্রিজটি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পুরানো পন্টুন ব্রিজটি হাওড়া স্টেশনের একেবারেই সামনে ছিল। এবার পন্টুন ব্রিজ থেকে কিছুটা উত্তর দিকে নতুন হাওড়া ব্রিজের কাজ শুরু হয়। স্টেশন থেকে কিছুটা দূরে ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়।

    হাওড়া ব্রিজে কত টন স্টিল ব্যবহার হয়েছিল জানেন?

    ব্রিটিশ আমলে এই ব্রিজ তৈরির কাঁচামাল-সহ সব জিনিসই জাহাজে চাপিয়ে ভারতে আনা হবে বলে ঠিক হয়েছিল। বিশেষ করে ব্রিজ তৈরির জন্য ২৬ হাজার ৫০০ টন স্টিল আসার কথা ছিল ইংল্যান্ড থেকে। তবে, শেষমেশ এসে পৌঁছায় মাত্র ৩ হাজার ৫০০ টন স্টিল। ফলে, বাকি ২৩ হাজার টন স্টিল আর আসেনি। তাই, নতুন হাওড়া ব্রিজ তৈরি প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তখন অনেকটা ত্রাতার মতো এগিয়ে এসেছিল দেশিয় উদ্যোগপতি টাটা গোষ্ঠী। তারা বাকি ২৩ হাজার টন স্টিল সরবরাহ করেছিল। এই ব্রিজে কোনও নাট-বোল্ট ব্যবহার করা হয়নি। মেটাল প্লেটগুলিকে এমনভাবে চেপে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনও নাট-বোল্ট বা স্ক্রু ছাড়াই এই ব্রিজটি দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। ব্রিজ তৈরির সময় এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম ব্রিজ ছিল। তবে বর্তমানে এটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার ব্রিজ।

    হাওড়া ব্রিজ থেকে রবীন্দ্র সেতু

    হাওড়া সেতু বা হাওড়া ব্রিজ চালু হয়েছিল ১৯৪৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি। নতুন ব্রিজটি ৭০৫ মিটার লম্বা, ৭১ ফুট চওড়া। আর ব্রিজটির উচ্চতা ৮২ মিটার। এই ব্রিজের দু’পাশে পথচারীদের জন্য ১৫ ফুট চওড়া ফুটপাত রয়েছে। আগে কলকাতা (Kolkata) থেকে ট্রামও এই ব্রিজের ওপর চলত। ১৯৯২ সাল নাগাদ তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ব্রিজ চালু হওয়ার সময় নাম ছিল, নতুন হাওড়া ব্রিজ। পরবর্তীকালে, ১৯৬৫ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামানুযায়ী এই সেতুর নামকরণ করা হয় রবীন্দ্র সেতু। ৮১ বছর পেরোলেও এই ব্রিজ দেশের অন্যতম একটি স্থাপত্য। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয়েছিল এই ব্রিজটি। আজও একইরকমভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে গর্বের হাওড়া ব্রিজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 02 August 2024: এই রাশির জাতকদের কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে

    Daily Horoscope 02 August 2024: এই রাশির জাতকদের কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়ির কোনও সদস্যের বিষয়ে আপনাকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    ২) কাজের ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেমতো চলবেন না।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) পরিবারে কোনও বিবাদ চললে তা সমাধানের চেষ্টা করুন।

    ২) সন্তান কোনও কারণে রেগে গেলে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন।

    ৩) নতুন গাড়ি কেনার স্বপ্ন পূরণ হতে পারে। 

    মিথুন

    ১) বন্ধুদের জন্য অশান্তি বাড়তে পারে।

    ২) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা। 

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কর্কট

    ১) কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন, যা আপনার জন্য ভালো হবে।

    ২) পরিবারে আপনার প্রিয়জনের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পাবেন।

    ৩) আপনার সম্মান বৃদ্ধি হতে পারে।

    সিংহ

    ১) যানবাহন ব্যবহার করার সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।

    ২) বেশ কয়েকদিনের ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন।

    ৩) পরিবারের মধ্যে কোনও দ্বন্দ্ব চললে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করুন।

    কন্যা

    ১) বিতর্ক থেকে দূরে থাকুন।

    ২) স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য আপনি অস্থির থাকতে পারেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে, আপনার বস আপনার উপর দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দিতে পারেন।

    তুলা

    ১) অর্শের যন্ত্রণা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় অশান্তি হতে পারে।

    ২) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন। 

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    ধনু

    ১) জেদের কারণে কোনও ক্ষতি হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির ব্যাপারে কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মকর

    ১) শারীরিক কারণে ব্যবসায় সময় দিতে পারবেন না।

    ২) স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    কুম্ভ

    ১) চিকিৎসার জন্য খরচ নিয়ে চিন্তা।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মীন

    ১) স্ত্রীর কথায় বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    ২) খেলাধুলায় নাম করার ভালো সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে। 

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না, মিথ্যা বলছে তৃণমূল’’, সাফ জবাব দিলীপের

    BJP: ‘‘বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না, মিথ্যা বলছে তৃণমূল’’, সাফ জবাব দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাগের চেষ্টার অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী সোমবার সরকার পক্ষের তরফে বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব আনা হচ্ছে। বিজেপিকে বাংলা ভাগের মদতদাতা বলে প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মমতা সরকার। তবে সরকারের এমন প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে, সে নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক মহল। এই আবহে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি (BJP) কখনও কোনওদিন বাংলাকে ভাগ করতে চায় না। মানুষকে বিভ্রান্ত করে মিথ্যা কথা বলছে রাজ্যের বর্তমান সরকার তৃণমূল কংগ্রেস। যাঁরা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে মদত দেয়, তাঁরা বিজেপির (BJP) সম্পর্কে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। কামতাপুরি আন্দোলন থেকে গোর্খাল্যান্ডকে যাঁরা সমর্থন করেছিল তাঁরাই এখন বিজেপির (BJP) সম্পর্কে মানুষকে মিথ্যা কথা বলছে। বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না।’’

    প্রস্তাবে উল্লেখ সুকান্ত মজুমদারের নামও

    বিধানসভার অধিবেশন পরিচালনা বিধির ১৮৫ নম্বর ধারায় এই প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বিধানসভার বুলেটিনে আজ তা প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ভাগের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার জন্য বিধানসভা রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবের শেষ অংশে রাজ্যের সকল শ্রেণির ঐক্য, সংহতি, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গকে অটুট রাখার জন্য সকল স্তরের জনগণের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। নাম না করে সুকান্ত মজুমদারের কথাও প্রস্তাবে বলা হয়েছে। উত্তর-পূর্বের সঙ্গে সংযুক্ত করা রাজ্য ভাগের নামান্তর বলা হয়েছে শাসক শিবিরের আনা প্রস্তাবে। নাম না করে উল্লেখ করা হয়েছে নিশিকান্ত দুবের মন্তব্যও। এমন প্রস্তাব যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা বুঝতে বাকি থাকছে কারও।

    রাজ্য সরকার বঞ্চনা করেছে উত্তরবঙ্গকে (BJP)

    এনিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার করেছে, সড়ক থেকে হাসপাতাল সবকিছুই বানিয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা করেছে রাজ্য সরকার। সুকান্তদা উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য নয়া মডেল সামনে রেখেছেন। বিজেপি কখনও বাংলাভাগের পক্ষে নয়, কখনও কোথাও কোনও সংকল্পপত্রে বিজেপি তা উল্লেখ করেনি। আমরা বাংলাকে পাকিস্তানের কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছি। যারা বাংলাকে ভাগ করেছে, তারাই এখন রাজ্যের জন্য প্রেম দেখাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

    Firhad Hakim: বিজেপির লাগাতার বয়কটে ধর্ম নিয়ে নিজের মন্তব্য থেকে পিছু হটলেন ফিরহাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘মুসলিম হয়ে যাঁরা জন্মগ্রহণ করে না তাঁরা হতভাগ্য। এরকম প্রত্যেককে ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে।’’ সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) এমন মন্তব্যের জন্য ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয় রাজ্য জুড়ে। বিধানসভায় বিরোধীদল বিজেপি ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্য বয়কট করতে শুরু করে বিধানসভায়। ঠিক এই আবহে চাপে পড়ে বিধানসভায় তাঁর করা মন্তব্য থেকে পিছু হঠে কার্যত ক্ষমা চাইলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম।

    ১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)

    গত কয়েকদিন ধরেই ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) বিজেপি বয়কট করতে থাকে। এদিনও বিধানসভা শুরু হতেই সেই একই ছবি দেখা যায়। পরপর দুবার ফিরহাদ হাকিম নিজের বক্তব্য শুরু করার সময় বেরিয়ে যান শুভেন্দু অধিকারী সহ বিজেপি (BJP) বিধায়করা। তাঁর সঙ্গে কক্ষ ছাড়েন বাকি বিজেপি বিধায়করাও। তবে তৃতীয়বার ফিরহাদ হাকিম বক্তব্য রাখতে গিয়ে কার্যত যখন ক্ষমা চান তখন বসেই শোনেন বিজেপি বিধায়করা। নিজের করা মন্তব্য থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে ফিরহাদ হাকিম এদিন বলেন, “মাননীয় সদস্যরা যখন প্রশ্ন করেন তখন উত্তর দিতে হয়। যখন আমি উত্তর দিতে যাচ্ছি, তখন বেরিয়ে যাচ্ছেন। বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, আপনারা বিশ্বাস করেন আমি সেকুলার নই? বুকে হাত দিয়ে বলুন তো আমায় ধর্মনিরপেক্ষ ভাবেন কী ভাবেন না? কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে গিয়ে কী বলেছি, তা নিয়ে এরকম আচরণ করা হচ্ছে।”  

    কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য আমার ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফিরহাদের উদ্দেশে বলেন, “আপনি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেতে পারেন। আপনাকে মন্ত্রী বা মেয়র হিসাবে ডেকেছিল। আমরাও সনাতন হিন্দুর কথা বলি। এতে আপত্তির নেই। আমাদের আপত্তি দ্বিতীয় অংশে। আমাদের সেটা মনে হয়েছে এই আহ্বান যথাযথ নয়। আপনি ক্ষমা চাইবেন না, সেটা বলছি না। আপনি দুঃখিত সেটা বলুন। এখানেই মিটে যাবে।” এরপর ফিরহাদ বলেন, “কাউকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য আমার ছিল না। আমি ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলাম, মরার সময়ও তাই থাকব। আমি এই বিশ্বাসে বড় হয়েছি অন্য ধর্মকে সম্মান জানানো। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করলেও দুর্গা পুজোয় অংশ নিই। আমার মধ্যে কখনও অন্য ধর্মকে আঘাত করার উদ্দেশ্য ছিল না।”

    অগ্নিমিত্রা পলের বিবৃতি

    এদিন ফিরহাদ পিছু হঠায়, সাংবাদিকদের বিজেপি (BJP) বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, ‘‘উনি ক্ষমা না চাইলেও, ক্ষমা চাওয়ার মতো বিবৃতি দিয়েছেন। আমরা ওনাকে আর বয়কট করব না।’’ রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লাগাতার গেরুয়া শিবিরের দেওয়া চাপের কাছে কার্যত নতি স্বীকার করলেন ফিরহাদ হাকিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    Jamat-e-Islami: কপাল পুড়ল বিএনপির, জামাত ও তার সমস্ত শাখা সংগঠন নিষিদ্ধ বাংলাদেশে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) ও তাদের শাখা সংগঠনগুলিকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য নিষিদ্ধ হল বাংলাদেশের এই বিতর্কিত সংগঠন। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের জননিরাপত্তা বিভাগের জারি করা বিজ্ঞপ্তি এই তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮(১) ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি, তাঁদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশিবির এবং অন্যান্য শাখা সংগঠনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    নিষিদ্ধ হল জামাত (Jamat-e-Islami)

    প্রসঙ্গত ২০১২ সাল থেকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার চলাকালীন সময় থেকে জামাত শিবিরকে (Jamat-e-Islami) নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছিল। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লীগের নেতা-মন্ত্রীরা বহুবার দলটিকে নিষিদ্ধ করার কথা বললেও ১২ বছরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। অবশেষে (Bangladesh) কোটা সংস্কার আন্দোলনকে হাইজ্যাক করার পর সরকারের চোখ খুলল। জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কড়া ধাক্কা দিল সরকার। সরকারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে জামাত শিবির দেশজুড়ে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। সোমবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক বৈঠকে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামি লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট।

    বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Bangladesh)

    বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে যেভাবে দেশজুড়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে জামাত, তার জন্য ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী জামাত-ই-ইসলামি (Jamat-e-Islami) এবং তাদের সমত শাখা সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল।

    দুই বার নিষিদ্ধ হল জামাত

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সন্ত্রাস বিরোধী আইনের ১৮ নম্বর ধারায় সন্ত্রাসী কাজের সংজ্ঞা ঘোষিত আছে। এই ধারায় সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। মূলত রাষ্ট্রের অখণ্ডতা, সংহতি, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার কর্মকাণ্ড সম্পাদন করলে এই ধারায় ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা কোনও দলের বিচার করা হয়। বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক, দাহ্য ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এই ধারা বাংলাদেশে প্রয়োগ হয়। প্রসঙ্গত ১৯৭২ সালেও সংবিধানের ৩৮ ধারা প্রয়োগ করে জামাত শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে এই (Jamat-e-Islami) সংগঠনের বিরুদ্ধে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংগঠিত গণহত্যা, যুদ্ধ, মানবতা বিরোধী অপরাধে দায়ী হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল এই সংগঠনকে।

    আরও পড়ূন: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করায় জামাত-ই-ইসলামিকে ১৯৭২ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারের কারণে। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে জামাত রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hamas: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    Hamas: খতম হামাস প্রধান! কী উদ্দেশ্যে হামাস ভারতে সিমিকে প্রতিষ্ঠিত করছিল? জানুন ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি তেহরানে নিজের বাড়িতে গুপ্তঘাতকের হাতে প্রাণ দেয় গাজার জঙ্গি সংগঠন, হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়ে। তেহরানে বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়েছে হামাস (Hamas) প্রধানকে। বিবৃতি দিয়ে এমন দাবি করল স্বাধীনতাপন্থী প্যালেস্টাইনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। শুধু তিনি একা নন, তাঁর দেহরক্ষীকেও গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডও বুধবার সকালে হানিয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। 

    সিমির লক্ষ্য 

    স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (সিমি) মূলত জামাত-ই-ইসলামি হিন্দের (JIH) ছাত্র শাখা, যেটি ১৯৮১ সালে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের নেতা ইয়াসির আরাফাতের ভারত সফর নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে মূল সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে হামাস (Hamas) এবং সিমির যৌথ লক্ষ্য ভারতে (India) একটি ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরি করা। সিমি ভারতের প্রেক্ষাপটে ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের উপর বিশেষ জোর দেয়। তারা মনে করত যে, দেশে সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও, মুসলমানদের শরিয়ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করা উচিত, কারণ তা করতে ব্যর্থ হলে তাদের নরকে ঠাঁই হবে। 

    আরও পড়ুন: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    সিমির আর্থিক উৎস 

    উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট, দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ এবং জম্মু ও কাশ্মীর সহ একাধিক রাজ্যে ঘাঁটি সহ উপস্থিত ছিল সিমি। জামাত বাংলাদেশের ছাত্র শাখা ইসলামি ছাত্র শিবির (আইসিএস) এবং সৌদি আরবের জামাইয়াতুল আনসার (জেএ) উভয়ের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছিল সিমি। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় মুসলমানদের পরামর্শদাতা কমিটি, কুয়েতে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ফেডারেশন অফ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনস এবং রিয়াধে মুসলিম যুবদের বিশ্ব সমাবেশকে অর্থের অন্যান্য উৎস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সিমি সদস্যরা পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (পিএফআই) এর মতো দলে যোগ দিয়েছিল। এরপর সিমির পুনর্গঠনের বিষয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হলেও অনেকেই সিমিতে যোগদানে অনুপস্থিত ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে অস্থায়ী, ঠিকা, চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগে সংরক্ষণের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে অস্থায়ী, ঠিকা, চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগে সংরক্ষণের দাবি জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্থায়ী পদে নিয়োগ নেই বললেই চলে। তবে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন দফতরে অস্থায়ী ও ঠিকা কর্মী নিয়োগ করা হয়। এবার সেই নিয়োগেও সংরক্ষণের দাবি তুললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মূলত, পঞ্চায়েত দফতরে অস্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। সেখানেও নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করে নিয়োগ করার দাবি জানান বিরোধী দলনেতা।

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বিজেপি (BJP) বিধায়ক শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যে অস্থায়ী, ঠিকা, চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেও সংবিধান মেনে তফসিলি জাতি, জনজাতি, অনগ্রসর শ্রেণি, শারীরিকভাবে অক্ষমদের জন্য আসন সংরক্ষণ করা হোক।” জানা গিয়েছে, সম্প্রতি অস্থায়ী পদে ৬,৬০০ কর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর। ‘জেলা সিলেকশন কমিটি’ করে নিয়োগ করা হবে। এই প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরে অস্থায়ী পদে নিয়োগের জন্য যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে সংরক্ষণের কোনও উল্লেখ নেই। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ‘১০০ পয়েন্ট রোস্টার’ মেনে চলা হয়, এ ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের নীতি অনুযায়ী মোট শূন্যপদের মধ্যে কত সংখ্যক আসন সংরক্ষিত থাকবে তা-ই লেখা থাকে এই ‘১০০ পয়েন্ট রোস্টার’-এ। এটি রাজ্য সরকারের প্রতি ১০০ শূন্যপদে নিয়োগের ক্রমতালিকা। সেখানে বলা হয়, প্রতি ১০০ শূন্যপদে কোন শ্রেণির জন্য কত অনুপাতে আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেই নিয়োগের ক্ষেত্রেও আসন সংরক্ষিত রাখার আমি দাবি জানাচ্ছি।” বিধানসভার দৃষ্টি আকর্ষণ পর্বে  তিনি বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ নিয়ে ‘আইনি জটিলতা’ তৈরি হয়েছে। সেই ‘আইনি জটিলতা’ মিটিয়ে অস্থায়ী, ঠিকা এবং চুক্তিভিত্তিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতি কার্যকর করার আমি দাবি জানাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    বিধানসভায় শুভেন্দুর ঘরে দিলীপের জন্মদিন পালন

    নিজের জন্মদিনের দিনই বিধানসভায় বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাও আবার রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘরে। জানা যাচ্ছে, জন্মদিনের দিন শুভেন্দুর আমন্ত্রণেই বিধানসভায় যান তিনি। বিরোধী দলনেতার ঘরেই তাঁর ‘বার্থ ডে সেলিব্রেশন’ করা হয়। দলীয় বিধায়কদের উপস্থিতিতে দিলীপকে পুষ্পস্তবক দিয়ে উত্তরীয় পরিয়ে দেন শুভেন্দু। এরপর মিষ্টি মুখ করানো হয়।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad Scandal: উত্তরপ্রদেশে ৬ সপ্তাহে ৫ হিন্দু নারী নিখোঁজ! অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    Love Jihad Scandal: উত্তরপ্রদেশে ৬ সপ্তাহে ৫ হিন্দু নারী নিখোঁজ! অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউন জেলায় লাভ জিহাদের (Love Jihad Scandal) বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই এই এলাকায় গত ৬ সপ্তাহে পাঁচজন হিন্দু নারী নিখোঁজ হয়েছেন। যা নিয়ে হিন্দু গোষ্ঠীগুলির মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই নিখোঁজের ঘটনায় মুসলিম যুবকদেরই সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার প্রতিবাদে হিন্দু সংগঠনগুলি প্রশাসনের কাছে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছে। অন্যদিকে, অভিযুক্তর সন্ধানে কর্তৃপক্ষ ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে। 

    অনশন ঘোষণা হিন্দু গোষ্ঠীর

    হিন্দু নারীদের এই নিখোঁজ (Love Jihad Scandal) হওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই হিন্দু সংগঠনগুলি জেলা কর্মকর্তাদের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করে জানিয়েছেন, নিখোঁজ হওয়া নারীদের খোঁজ দিতে না পারলে ভবিষ্যতে তাঁরা অনশনে বসবেন। এরপরই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপারইন্টেনডেন্ট এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং তাঁরা আশ্বাস দেন যে এই গোটা ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা যুক্ত রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ সুপারইন্টেনডেন্টের এই আশ্বাসের পরেই বিক্ষোভ স্থগিত হয়। 

    আরও পড়ুন: সমুদ্রের নীচে ২১ কিমি টানেলের মধ্যে দিয়ে ছুটবে বুলেট ট্রেন! সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী

    একের পর এক নিখোঁজের ঘটনা (Uttar Pradesh) 

    জানা গিয়েছে, জালাউন শহরে মুসলিম যুবকরা হিন্দু মেয়েদের টার্গেট (Love Jihad Scandal) করে। কোতোয়ালি এলাকার একটি মেয়ের ১৪ জুলাই বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিয়ের আগেই ৩ জুলাই সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। তাঁর ভাই জালাউন থানায় তাঁর নিখোঁজের অভিযোগ জানায়। এরপর ১৫ জুলাই, হিন্দু সংগঠনের নেতারা একটি মৌন মিছিলের জন্য দ্বারকাধীশ মন্দিরে জড়ো হন এবং সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের (SDM) মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। কিন্তু এত চেষ্টা করেও এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ তরুণীর সন্ধান পায়নি পুলিশ। শুধু মামলার প্রাথমিক সন্দেহভাজন হিসেবে একজন কে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে কেবল এই মামলাটিই নয়, সম্প্রতি সময়ে আর যে ৪টি নিখোঁজের ঘটনা রয়েছে সব ঘটনারই তদন্ত চলছে। 
    অন্যদিকে, এ প্রসঙ্গে সার্কেল অফিসার রাম সিং জানিয়েছেন যে, আকরাম নামে এক যুবক একটি মামলার সঙ্গে (Love Jihad Scandal) জড়িত থাকতে পারে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁকে ধরার জন্য চারটি দল গঠন করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজ মেয়েটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। 
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share