Tag: Bengali news

Bengali news

  • Uttar Dinajpur: বর্ষায় অজানা পোকার কামড়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু! তীব্র আতঙ্ক রায়গঞ্জে

    Uttar Dinajpur: বর্ষায় অজানা পোকার কামড়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু! তীব্র আতঙ্ক রায়গঞ্জে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বর্ষাতে নতুন আতঙ্ক দেখা গিয়েছে। অজানা এক পোকার কামড়ে শরীরে পড়ছে ফোসকা, আসছে বেদম জ্বর। ইতিমধ্যে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। তবে আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগ মহিলা এবং শিশু। তবে এই পোকার উপদ্রব কীভাবে আটকানো যায়, তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন এলাকার মানুষ। ঘটনা ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    পোকা কামড়ালেই বেদম জ্বর আসে (Uttar Dinajpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পোকা (Insect) কামড়ালে বেদম জ্বর আসছে। শরীরের অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। ৮ থেকে ৮০, কেউই এই পোকার প্রকোপ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। রায়গঞ্জের (Uttar Dinajpur) কুলিক নদীর সংলগ্ন দেবীনগর, বীরনগর, শক্তিনগর, পশ্চিম বীরনগর এলাকার ২২, ২৩, ২৬, ২৭, ৮, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বহু মানুষ ইতি মধ্যে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। কিন্তু এই পোকা কী? কথা থেকে এসেছে, কেউ নাম বলতে পারছেন না। রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে একাধিক মানুষ গৃহেবন্দি হয়ে রয়েছেন। পোকার কামড়ে অসুস্থ হয়ে একজন ইতিমধ্যে মারাও গিয়েছেন।

    শরীরে তীব্র জ্বালা শুরু হয়

    এলাকার (Uttar Dinajpur) এক যুবতী রুনা সিং আক্রান্ত হয়েছেন এই পোকার কামড়ে। তিনি বলেছেন, “যখন পোকা (Insect) কামরায় তখন অনেকেই বুঝতে পারেননি। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই শরীরে জ্বালা শুরু হয়ে যায়। আমি যখন জঙ্গলের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম, সেই সময় আচমকা কিছু একটা পোকা কামড়ে দিয়েছিল। এরপর শুরু হয় ব্যাপক জ্বালা। হাত দিয়ে ধরতেই ফোসকা পড়ে গেল। একই ভাবে আমার চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল। এরপর ডাক্তারকে দেখাতে গেলে পোকার কামড়ে সংক্রমণ হয়েছে বলে জানতে পারি।”

    কেমন দেখতে পোকা?

    এই পোকা (Insect) দেখতে বাদামি রঙের। দিনে ভালো করে দেখা যায় না। রাতে আলোর দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে। বর্ষায় জল জমে, গাছ লতাপাতা বাড়ে সেখানে নানা পোকার বাসা হয়। এই পোকা এইরকম ভাবেই এলাকায় বাসা বেঁধেছে। তবে চিকিৎসা করতে গিয়ে ডাক্তাররাও একে বারে নাজেহাল। আবার রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) পুরসভার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঝোপঝাড় বাড়লেও সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত সাফাই অভিযান চালানো হয়। প্রশাসন বর্ষার পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেতে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyberattacks: সপ্তাহে ৩ হাজার! সর্বাধিক সাইবার হানার শিকার দেশের তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

    Cyberattacks: সপ্তাহে ৩ হাজার! সর্বাধিক সাইবার হানার শিকার দেশের তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে সাইবার হানা (Cyberattacks)। নিয়মিত এই হানার সম্মুখীন হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা (India Business)। জানা গিয়েছে, ফি সপ্তাহে প্রতিটি সংস্থা যারা এপিএসি রিজিয়নের কিউ২ ২০২৪ এ রয়েছে, তাদের ওপর বাড়ছে সাইবার হানা। গোটা বিশ্বে যেখানে সাইবার হানার হার ৩০ শতাংশ, সেখানে ভারত-ভিত্তিক সংস্থাগুলির ওপর এই হামলার হার ৪৬ শতাংশ।

    সবার ওপরে তাইওয়ান (Cyberattacks)

    সাইবার হানায় সবার ওপরে রয়েছে তাইওয়ান। তার পরেই সাইবার-শিকারিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে ভারত। ‘চেক পয়েন্ট রিসার্চে’র রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের বিভিন্ন সংস্থা প্রতি সপ্তাহে ৩ হাজার ২০১বার সাইবার হানার শিকার হয়। এর আগে রয়েছে একমাত্র তাইওয়ান। বর্তমানে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে অনলাইনে কাজের বহর। অনলাইনের ওপর নির্ভরতা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার হানা। চলছে প্রতারণাও। বছর দুয়েক আগেই একটি মার্কিন সংস্থা জানিয়ে দিয়েছিল, ভারতে সাইবার হানার হার ক্রমেই ঊর্ধ্বগামী। বর্তমানে এই ছবিটাই যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে, তার প্রমাণ চেক পয়েন্ট রিসার্চের রিপোর্ট।

    বাড়ছে সাইবার হামলার ঘটনা

    কেবল ভারত নয়, তামাম বিশ্বেই বাড়ছে সাইবার হামলার ঘটনা। প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রতিটি সংস্থায় সাইবার হানা (Cyberattacks) হয় ১ হাজার ৬৩৬টি। কিছুদিন আগেই সাধারণ নির্বাচন হয়েছে ইংল্যান্ডে। সেখানেও সরকারের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল, সে দেশের যেসব সাংসদ সাইবার হানার শিকার হয়েছিলেন, তার নেপথ্যে ছিল চিনের হাত। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটও হ্যাক করার অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    জানা গিয়েছে, ভারতের যেসব সংস্থা সাইবার হানার শিকার হয়েছে, তাদের একটা বড় অংশই এডুকেশনাল সেক্টর। বস্তুতঃ, সাইবার অপরাধীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুই হল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইন্ডাস্ট্রি। কারণ এই ক্ষেত্রগুলিতে আবেদনকারীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া থাকে। অনলাইন ব্যবহারকারীদের নেটওয়ার্কের ভেতরে ও বাইরে থাকা একাধিক গ্রুপের কারণেও হামলা বেড়েছে ভেক্টর সারফেসের ওপর।

    গোটা বিশ্বেই এডুকেশন এবং রিসার্চ সেক্টরের ওপর বেড়েছে সাইবার হানার (India Business) হার। ২০২৩ কিউ২-এর চেয়ে ২০২৪ কিউ২-এ এই হার বেড়েছে ৫৩ শতাংশ (Cyberattacks)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • TMC Conflict: দলেরই নেতার হাতে মার খেলেন তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: দলেরই নেতার হাতে মার খেলেন তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের ঠিক আগেই পার্টি অফিস চত্বরে নিজেদের মধ্যে মারপিটে জড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা স্তরের দুই নেতা। তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের (মাধ্যমিক) জেলা সভাপতি ভাস্কর মজুমদারের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই জেলা সাধারণ সম্পাদক অনুপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। তিনি আবার প্রাক্তন ডিপিএসসির চেয়ারম্যানও। তিনি হাইস্কুলের ক্লার্কে চাকরি করেন। প্রকাশ্যে জেলার দুই নেতাকে মারপিট করতে দেখে সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কোন্দল (TMC Conflict) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    শুক্রবার বিকেলে একুশে জুলাইয়ের জন্য একটি বাসে করে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা হতে দলের জেলা কার্যালয়ে এসেছিলেন। সেখানে দলের জেলা নেতারা ওই কর্মীদের জল ও শুকনো খাবার তুলে দেন। ওই কর্মসূচি চলাকালীন দলের জেলা কার্যালয় চত্বরে ভাস্কর মজুমদার ও অনুপ চক্রবর্তী দুজনেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের বচসার মূল বিষয়বস্তু ছিল, কে স্কুলে যান, কে স্কুলে যান না, তা নিয়ে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন দুই নেতা। পরবর্তীতে যা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে। ভাস্করবাবুর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে অনুপবাবুর বিরুদ্ধে। শাসকদলের জেলার দায়িত্বশীল নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্যে এই ধরনের মারধরের ঘটনায় চরম বিড়ম্বনায় জেলা নেতৃত্ব। হাতাহাতির ঘটনার সময় দুই নেতাকে সামাল দিতে শাসকদলের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা এগিয়ে আসেন। দুজনকেই শান্ত করার চেষ্টা করেন তাঁরা। ভাস্করবাবু বলেন, “সামান্য কথা নিয়ে বচসা হয়। অনুপবাবু আচমকা আমার ওপর হামলা চালায়।” অন্যদিকে, অনুপবাবু বলেন, “ভাস্করবাবু আমাকে মারতে এগিয়ে আসেন। আমি তাতে বাধা দিয়েছি। হামলা চালাইনি।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    যদিও বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহল থেকে শহরের আনাচে-কানাচে এখন একটাই চর্চা, নেতারাই যদি আক্রান্ত হন, সাধারণ কর্মীদের নিরাপত্তা কোথায়? বিজেপির জেলা সভাপতি তথা আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, “শাসক দলের নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দল এতটাই চরমে যে আলিপুরদুয়ারে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। রাজ্যজুড়েই ওরা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক।” তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা (Alipurduar) সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন,”দুজনের কাছেই অভিযোগ শুনেছি কেন এমন ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ভূস্বর্গে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)! গোয়েন্দা রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, পাক সেনার প্রাক্তন অফিসারদের মদতেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir Clash) ঘটছে একের পর এক জঙ্গি হানার ঘটনা। পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের প্রাক্তন আধিকারিকরাই জঙ্গিদের শেখাচ্ছেন দূরপাল্লার এম৪ কার্বাইনের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে চালাতে হয়, কীভাবেই বা ব্যবহার করতে হয় বিস্ফোরক। সেনার ওপর চিনা স্টিল কোর বুলেট ব্যবহার করে কীভাবে গেরিলা হানা চালানো যায়, সেই কৌশলও শেখানো হচ্ছে জঙ্গিদের।

    মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র (Jammu And Kashmir Clash)

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় প্রচুর অস্ত্র ফেলে যায় মার্কিন সেনা। নেটো এবং আমেরিকার সেনাদের ফেলে যাওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্রই হাতফের হয়ে চলে আসছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের কাছে। প্রমাণ হিসেবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি জুলাই মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নিহত জঙ্গিদের কাছে মিলেছিল আমেরিকায় তৈরি এম৪ কার্বাইন। কেন্দ্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল, পুঞ্চ হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও রসদের জোগান দিয়েছিল পাক সেনা। তদন্তের পরে স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছিল, ২০২১ সালে আমেরিকা যেসব বুলেট আফগানিস্তানে ফেলে গিয়েছিল, তারই কয়েকটা ব্যবহার করা হয়েছিল পুঞ্চ হামলার সময়।

    জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা!

    এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া বিপুল অস্ত্রভান্ডারই এখন রয়েছে তালিবানের হাতে। তালিবানের সাহায্য নিয়ে সেই অস্ত্র ব্যবহার করে উপত্যকায় (Jammu And Kashmir Clash) অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। অত্যাধুনিক এই সব অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করা হবে, কোন কৌশলে বধ করা যাবে শত্রুপক্ষকে, এসবেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা।

    আরও পড়ুন: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২১ সাল থেকে উপত্যকায় বেড়েছে একে সিরিজের রাইফেল, আইইডি-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ। এগুলির বেশিরভাগই আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া নেটো ও মার্কিন সেনার অস্ত্র। উপত্যকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পাক জঙ্গিদের পাশাপাশি তালিবানদের এই অস্ত্র সরবরাহকারীদের ভূমিকা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং উপত্যকাবাসীকে সুরক্ষা (Pakistan) দিতে বেশ কিছু বৈঠক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও (Jammu And Kashmir Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই! পেল ২ সমর্থকও

    Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই! পেল ২ সমর্থকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এখন বিসিসিআই ও আইসিসি-র সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছে। কারণ ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাতে নারাজ বিসিসিআই। আর ভারতীয় দল (India) পাক মুলুকে খেলতে না গেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সরতে পারে পাকিস্তান থেকে। আগামী বছর ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্ট। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ১ মার্চ। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও ক্রীড়াসূচির খসড়া আইসিসি-কে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে সূত্রের খবর। 
    আইসিসি-র এই প্রতিযোগিতাটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে দেশে গিয়ে খেলতে রাজি না-ও হতে পারে ভারত। গত বছর এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি তারা। ফলে আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে যেতে রাজি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিলে তবেই পাকিস্তানে পাঠানো হবে রোহিত শর্মাদের। 

    কোথায় হতে পারে টুর্নামেন্ট? (Champions Trophy)

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় দল পাক মুলুকে খেলতে না গেলে পাকিস্তান থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কা বা দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করা হতে পারে। ভেতরের খবর অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াও ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে সমর্থন করবে। তারাও পাকিস্তানে যেতে আপত্তি জানিয়েছে। 
    উল্লেখ্য, ৮ বছর পরে ক্রিকেট ক্যালেন্ডারে প্রত্যাবর্তন হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির। ভারতীয় দল পাকিস্তানে খেলতে যাবে, এমনটা ধরে নিয়েই সূচি তৈরি করেছিল পিসিবি। নিরাপত্তার কারণে একটি মাত্র মাঠেই ভারতের ম্যাচ আয়োজন করার কথা ভাবা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ খেলার কথা ছিল মেন ইন ব্লু’র। কিন্তু ভারত আপত্তি  জানানোয় এখন এই ম্যাচ (Champions Trophy) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে সেটাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    ভারতের ওয়ানডে দলে অনিশ্চিত হার্দিক পান্ড্য

    অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট দলের (India) ওডিআই স্কোয়াডের জন্য নিশ্চিত নয় হার্দিক পান্ড্য। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, যার বারবার খেলার মাঠে আহত হওয়ার ইতিহাস রয়েছে, তাকে আগে ঘরোয়া সার্কিটে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। ম্যানেজমেন্ট তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁকে আরও ভালো করে যাচাই করে নিতে চায়। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy) অলরাউন্ডারদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই-এ ওয়াশিংটন সুন্দর এবং অক্ষর প্যাটেলকে অগ্রাধিকার দিতে পারে বলে এমনটাই খবর মিলেছে। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে তৃণমূল বিধানসভা উপনির্বাচনের আগেরদিন হিন্দুদের বেছে বেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে। ভোটের দিন দুপুরে হিন্দু ভোটারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, হিন্দু ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না।” শুক্রবার নদিয়ার পায়রাডাঙ্গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের জেহাদিরা এসব করে বেড়াচ্ছে। এসব বেশিদিন চলতে পারে না। আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এসেছিলাম। আমাদের স্পষ্ট বার্তা, স্বৈরাচারী মমতার সরকারের অবসান করতে হবে। এরজন্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

    শুভেন্দুকে বাধা তৃণমূলের (Suvendu Adhikari)

    বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে রানাঘাট এবং গাংনাপুর এলাকার বিভিন্ন বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে যান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যখন গাংনাপুরে গিয়ে পৌঁছান, ঠিক তখনই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি কালো পতাকা দেখানো হয়। এরপরই দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিবাদ জানান। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল-পুলিশকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। আমাকে ওরা আক্রমণ করেছিল। ভেবেছিল আমি ভয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু, আমি একা তার প্রতিবাদ করেছি। ওদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছি। পুলিশের সামনেই সব কিছু হয়েছে। ওরা কিছু করেনি। আসলে গাংনাপুর থানার ওসি সম্পূর্ণ বিষয়টি সামনে থেকে করিয়েছেন। আমি সকলকে চিহ্নিত করব এবং গাংনাপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে আদালতে জানাব। আমি কোনওভাবেই এই ধরনের নোংরামো সহ্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “উন্নয়নের শেষ বলে কিছু হয় না।” ঝাড়খণ্ডের গুমলায় ‘বিকাশ ভারতী’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “মানুষের লক্ষ্যই হল নিরন্তর উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাওয়া। তাই সে সব সময় উন্নয়নের পেছনে ছোটে।” সরসঙ্ঘচালক বলেন, উন্নয়নের কি কোনও শেষ আছে? যখন আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছই, তখন আমরা দেখি, আমাদের আরও যেতে হবে। মানুষ দেবতাকে ছাপিয়ে গিয়ে সুপারম্যান হতে চায়।”

    কী বললেন আরএসএস কর্তা? (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন হোক কিংবা বাহ্যিক, উন্নয়নের কোনও শেষ নেই।” আরএসএস কর্তা বলেন, “উন্নয়ন একটা লাগাতার প্রসেস। তাই আমাদের কোনও না কোনও কাজ সমাধানহীন হয়ে থাকে।” তিনি বলেন, “দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এখনও অনেক বাকি রয়েছে। একজন কার্যকর্তার সব সময় ভাবা উচিত, তিনি অনেক করেছেন, তবে বাকি রয়ে গিয়েছে ঢের বেশি। কারণ সব সময়ই কিছু না কিছু করার থাকে। যদি উন্নয়ন নিরন্তর চলতেই থাকে, তাহলে সমাধানও খুঁজে পাওয়া যাবে।”

    বিশ্ব চিনেছে ভারতকে

    দ্রুত বদলে যাওয়া বিশ্বের প্রেক্ষিতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধ ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তারও উল্লেখ করেন সরসঙ্ঘচালক (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, “গত দু’হাজার বছর ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। তবে সেগুলো আমাদের সুখ-শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ এগুলো আমাদের জীবনের অঙ্গীভূত ছিল। করোনার পরে বিশ্ব চিনেছে ভারতকে। তারা এও জেনেছে সুখ-শান্তির রোডম্যাপও রয়েছে ভারতের হাতেই।” তিনি বলেন, “সনাতন ধর্ম সর্বদাই বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    সরসঙ্ঘচালক বলেন, “সনাতন সংস্কৃতি এবং ধর্ম রাজপ্রাসাদ থেকে আসেনি, এসেছে আশ্রম এবং বনজঙ্গল থেকে। বদলে যাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পোশাক বদলেছে। কিন্তু আমাদের (পড়ুন, সনাতনীদের) প্রকৃতি বদলায়নি।” দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি যে আদৌ চিন্তিত নন, তাও এদিন জানিয়ে দিয়েছেন আরএসএস (RSS) প্রধান। বলেন, “দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। ভালো ভালো কাজই হবে। কারণ যা হচ্ছে, তা ভালোর জন্যই হচ্ছে। আমরা ভালো করারই চেষ্টা করে চলেছি (Mohan Bhagwat)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের অন্দরে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল!

    Purba Medinipur: একুশে জুলাইয়ের আগে তৃণমূলের অন্দরে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের আগে আরও প্রবল অখিল-উত্তম কোন্দল! রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরির শিবির ২১ জুলাই উপলক্ষে সভা এবং মিছিল করলে, তার পাল্টা কর্মসূচি গ্রহণ করে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বকে আরও প্রকাশ্যে এনেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) জেলা পরিষদের সভাপতি উত্তম বারিকের গোষ্ঠী। গতকাল শুক্রবার রামনগরে এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    রামনগর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের মাঠে সভা হয়েছিল (Purba Medinipur)!

    গত বৃহস্পতিবার রামনগরে ২১ জুলাই কর্মসূচী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা এবং মিছিল আয়োজন করেছিল তৃণমূলের একাংশ। রামনগর বাজারের পথসভার পাশাপাশি স্থানীয় বাড় সোলেমানপুর থেকে মিছিল করা হয়। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন অখিল গিরি। একই সঙ্গে মিছিলে যোগদান করেছিলেন কাঁথি তৃণমূল যুব সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই সার। ঠিক তারপরের দিন শুক্রবার এই একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূল নেতা উত্তম বারিক গোষ্ঠী পাল্টা প্রস্তুতি কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে রামনগর স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের মাঠে। আর তাকে ঘিরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    লোকসভার ভোটের সময় থেকেই কোন্দল

    মন্ত্রীপুত্র সুপ্রকাশ গিরি প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “চক্রান্তকারীদের ধোলাই হবে, পেটাই হবে।” তবে এই চক্রান্তকারী বলতে যে তৃণমূল নেতা উত্তমা বারিকের (Purba Medinipur) কথাই বলছেন, সে কথা তৃণমূলের সমর্থকেরা মেনেও নেন। লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী উত্তম বারিকের পরাজয়ের পর থেকে শাসকদলের মধ্যে কোন্দলের ঘটনা ঘটে চলেছে। তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটির জায়গায় মন্ত্রী অখিলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিলেন উত্তম বারিক। ভোট পর্ব থেকে একুশে জুলাই, যেন এই কোন্দল থামছেই না। দল চরম অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    জেলা তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার (Purba Medinipur) সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা বলেছেন, “সব শাখা সংগঠনগুলিকে নিজের মতো করে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর তাই যুব তৃণমূলের ব্যানারে কর্মসূচি করা হয়েছে। কোন্দলের কোনও ব্যাপার নেই। দল বড় হলে একটু সমস্যা হয়। তাই নিজেদের পরিবারের বিষয়।” তবে বিজেপির পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল এই কোন্দলকে কটাক্ষ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protests: বাংলাদেশে হিংসার নেপথ্যে মৌলবাদীরা! মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব

    Bangladesh Protests: বাংলাদেশে হিংসার নেপথ্যে মৌলবাদীরা! মনে করছেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশে (Bangladesh Protests) অশান্তি কি মৌলবাদী সংগঠনগুলি ছড়াচ্ছে? এমন প্রশ্নই মাথাচাড়া দিল এবার। এই প্রশ্ন তুললেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব হর্ষবর্ধন শৃঙলা। ক্রমশই সেখানকার পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সও সে দেশে কলকাঠি নাড়তে পারে বলে দাবি করলেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব তথা বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের প্রাক্তন হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শৃঙলা।

    জামাত-ই-ইসলামির মতো মৌলবাদী সংগঠন (Bangladesh Protests) ঢুকে পড়েছে

    ভারতের প্রাক্তন বিদেশ সচিব বলেন, ‘‘বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে জানতে পারছি যে এই বিষয়ে নাক গলাচ্ছে বিভিন্ন মহল। জামাত-ই-ইসলামির মতো মৌলবাদী সংগঠন ঢুকে পড়েছে। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে বিরোধী দল বিএনপি। যা এই বিক্ষোভের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিষয় যুক্ত করেছে।’’ সেইসঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘‘আইএসআই-ও (ISI) এই অস্থিরতার পিছনে যুক্ত থাকতে পারে। মানে এরকম রিপোর্ট শুনতে পাচ্ছি। সেটা ঠিক বা বেঠিক, সেটা তদন্ত চালিয়ে বাংলাদেশ (Bangladesh Protests) সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। তবে হ্যাঁ, এই পরিস্থিতির ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছেন লোকজন। আর ঘোলাজলে মাছ ধরার চেষ্টা করছেন।’’

    সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ হয়েছে বাংলাদেশ

    সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ হয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh Protests)। ঠিক এই আবহে সংবাদ সংস্থা এনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন বিদেশ সচিব জানিয়েছেন, সংরক্ষণ নিয়ে পড়ুয়ারা যা দাবি তুলেছেন সেটা নিয়ে শেখ হাসিনা সরকার অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ করেছে। পড়ুয়াদের দাবি পূরণ করার বার্তাও দিচ্ছে কিন্তু এই আবহে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে কয়েকটি সংগঠন। তিনি আরও বলেন, ‘‘হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্তের ওপরে স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে জনসক্ষমে এসে বলেছেন যে আমরা তোমাদের সঙ্গে আছি। তোমাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করছি আমরা। কিন্তু বিষয়টি আদালতে ঝুলে আছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    Microsoft Global Outage: বিমানবন্দরে ফিরল পুরনো স্মৃতি, যাত্রীরা পেলেন হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বড়সড় গোলযোগ। শুক্রবার ক্রাউডস্ট্রাইকের (CrowdStrike) প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে গোটা বিশ্বে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পরিষেবা। দীর্ঘ সময় ধরে টানা কাজের পরে আপাতত পরিস্থিতি অনেকটাই সামলে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট (Microsoft Global Outage) এবং ক্রাউডস্ট্রাইক। কিন্তু এই পরিস্থিতির জেরেই শুক্রবার ডিজিটাল যুগ থেকে এক ধাক্কায় কাগজ-কলমের যুগে ফিরেছিলেন সকলে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ মনে করিয়ে দিল ভারতীয় বিমানবন্দরগুলি। সৌজন্যে মাইক্রোসফ্টের সফ্টওয়্যার সমস্যা। বর্তমানে সমস্যা সমাধান হয়ে গেলেও এদিন হাজার-হাজার বিমানযাত্রীদের সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল।

    ফিরল হাতে লেখা বোর্ডিং পাস

    জানা গিয়েছে, এদিন মাইক্রোসফটের সমস্যার (Microsoft Global Outage) কারণে ভারতের অনেক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয় বিমানযাত্রীদের। এই ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়ে এমন হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সাধারণ মুদ্রিত বোর্ডিং পাস থেকে এটি ছিল অনেকটাই আলাদা। ছবিতে বোর্ডিং পাসের সমস্ত বিবরণ যেমন নাম, আসন, তারিখ এবং ডিপারচার সহ সব লেখা রয়েছে। ইন্ডিগো এয়ারলাইন কর্মীদের হাতে লেখা এই পাস দেখা গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  
    এ প্রসঙ্গে অক্ষয় কোঠারি নামের এক ব্যক্তির সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে হাতে লেখা বোর্ডিং পাসের ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, “মাইক্রোসফট/ ক্রাউডস্ট্রাইক বিভ্রাট ভারতের অধিকাংশ বিমানবন্দরের স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যহত করেছে। আমি আজ আমার প্রথম হাতে লেখা বোর্ডিং পাস পেয়েছি।”

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    ঠিক কী সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের? (Microsoft Global Outage) 

    তবে ঠিক কী কারনে এমন সমস্যা হয়েছে মাইক্রোসফটের, সে প্রসঙ্গে ১৯ জুলাই ভারতীয় সময় রাত ৯টা ২৯ মিনিটে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ খুলেছেন মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেলা (Satya Nadella)। তিনি জানান, ‘গতকাল ক্রাউডস্ট্রাইক একটি আপডেট বের করেছিল যা গোটা বিশ্বের আইটি সিস্টেমকে প্রভাবিত করেছিল। বিষয়টি নিয়ে ক্রাউডস্ট্রাইকের সঙ্গে আমরা কাজ করছি। সর্বক্ষেত্রে গ্রাহকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা করা হচ্ছে তাদের সিস্টেমকে অনলাইনে আনার জন্য।’

    সত্য নাদেলার (Satya Nadella) এই পোস্টের পরেই এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন এক্স-এর মালিক এলন মাস্ক। তিনি লিখেছেন, ‘এই সমস্যা অটোমেটিভ সাপ্লাই চেনকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।’  

    উল্লেখ্য, শুক্রবারে বিমান সংস্থাগুলির সার্ভারে সমস্যা (Microsoft Global Outage) হওয়ায় থমকে যায় টিকিট বুকিং। একের পর এক উড়ান বাতিল হতে থাকে। কোথাও কোথাও হাতে লেখা বোর্ডিং পাস দিতে হয়েছে যাত্রীদের। আমেরিকায় ২০০টিরও বেশি উড়ান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিশ্ব জুড়ে ব্যহত হয়েছে একাধিক পরিষেবা। আর এর ফলেই চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share