Tag: Bengali news

Bengali news

  • CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    CV Anand Bose: বোসের গায়ে ‘কালির ছিটে’! দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালকে (CV Anand Bose) নানা সময় অসম্মান প্রদর্শন করতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতাকেও। কটু কথা বলতে শোনা গিয়েছে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমোকেও। এবার রাজ্যপালের অফিসকে কলঙ্কিত করার অভিযোগে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (MHA Action)। কলকাতার ডিসি এবং ডিসিপি সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়ে দিল্লিতে রিপোর্ট পাঠিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার প্রেক্ষিতেই পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    রাজ্যপালের চিঠি (CV Anand Bose)

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপালের পাঠানো চিঠিতে নাম গিয়েছিল ডিসি বিনীত গোয়েল এবং ডিসিপি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের। গোয়েল ও মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিংকে চিঠি লিখেছিলেন রাজ্যপাল। তার জেরেই পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর। যদিও দুই পুলিশ কর্তাই জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না। রাজ্যের তরফেও এখনও কিছু জানানো হয়নি তাঁদের। বিষয়টি নিয়ে রা কাড়েনি রাজভবনও।

    বাংলা থেকে সরানোর চক্রান্ত!

    এদিকে, রাজ্যের মুখ্যসচিব গোপালিকার বিরুদ্ধেও আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন ও দুর্নীতিতে সাহায্য করা ও উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগও এনেছেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো রিপোর্টে রাজ্যপাল এও লিখেছেন, বাংলা থেকে তাঁকে সরাতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সেই চক্রান্তে শামিল রয়েছেন এই আধিকারিকরাও। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন রাজভবনের এক কর্মী। ওই মহিলা প্রথমে অভিযোগ জানান রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যপাল তাঁকে কু-ইঙ্গিত করছিলেন। সেদিন সন্ধেয় চেম্বারে ডেকে পাঠিয়ে অশালীন আচরণ করেন বলেও অভিযোগ। রাজভবনের অফিসার ইনচার্জের কাছে অভিযোগ জানানোর পর তিনি সটান চলে যান হেয়ারস্ট্রিট থানায়।

    আর পড়ুন: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা না গেলেও, অভিযোগকারিণীর বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করতে (MHA Action) শুরু করে কলকাতা পুলিশ। এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেসে’র অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন রাজ্যপাল (CV Anand Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, রথের উৎসবে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ওড়িশার মতো বাংলাকেও রক্ষা করুন প্রভু জগন্নাথ’’, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের বোয়ালদারের রথযাত্রায় সামিল হয়ে এমনটাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই ওড়িশাতে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি সরকার। বিপুল সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। সেই পালাবদলের কথা মাথায় রেখেই জগন্নাথদেবের কাছে বাংলাতেও অনুরূপ পালাবদলের প্রার্থনা করেন সুকান্ত মজুমদার। সাংবাদিকদের কাছে এই মনোবাসনার কথা নিজেই জানিয়েছেন বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumdar)।

    জেলা অফিসের ভূমি পূজন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    চলতি বছরের তিথি অনুযায়ী, জগন্নাথদেবের রথযাত্রা শুরু হয় দুপুরে। সেই মতোই গোটা জেলার সমস্ত রথযাত্রা দুপুরের পরেই শুরু হয়। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এদিন প্রথমে বালুরঘাট ব্লকের বোয়ালদারে রথের দড়ি টানেন। এরপর সেখান থেকে তপন রাধাগোবিন্দ মন্দিরের রথযাত্রা, বালুরঘাটে নিউ টাউন ক্লাবের রথযাত্রার পাশাপাশি শহরের বহু পুরোনো দিপালী নগর মাঠের রথযাত্রাতেও সামিল হন তিনি। পাশাপাশি রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি পার্টি অফিসের ভূমি পূজনও করেন তিনি। এর মাধ্যমে জেলা বিজেপির সদর কার্যালয়ে নির্মাণ কাজের সূচনা হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপির সদর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয় একটি পুরোনো বাড়ি, যেটা বছর ৭ আগে দলের পক্ষ থেকে কেনা হয়েছিল। সেই বাড়িটি ভেঙেই নতুন ভবন তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। সুকান্ত মজুমদারের দাবি, অফিসের সমস্ত রকমের পরিকাঠামো থাকবে নতুন এই ভবনে। এই নতুন ভবনটি তিন তলা হবে বলে জানা গিয়েছে। ভূমি পূজন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা নেতৃত্বও।

    প্রসঙ্গ উপ নির্বাচন

    সাংবাদিক সম্মেলনে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘সরকার পুলিশকে বলে দিচ্ছে, হকার উচ্ছেদ করো, কোথাও বলছে বিজেপি নেতাদেরকে কেস দাও। অনৈতিক কাজ করার জন্য পুলিশের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, ১০ জুলাই ৪ বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচন রয়েছে। গত বিধানসভা ভোটে চারটি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতেই তৃণমূল হেরেছিল। উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কি কনফিডেন্ট? এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘যে তিনটি সিট আমাদের ছিল, সেগুলি আবার জিতব ও চতুর্থ সিট যা আমরা ৫ হাজার ভোটে হেরেছিলাম সেইটাও জিতব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    Bolpur Fire: বোলপুরে তিনজনকে অগ্নিদগ্ধ করার আগে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে করা হয়েছিল অবশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির এক বউয়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম ওরফে চন্দনের। এমন পরকীয়া করতে ছোট জা’কে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলেছিলেন বড় জা। ঠিক এই কারণে চরম খেসারত দিতে হল বড় জায়ের গোটা পরিবারকে। ছোট্ট সন্তানও নিস্তার পেল না নৃশংসতা থেকে। বোলপুরের (Bolpur Fire) রজতপুরে ফিরে এল বগটুইয়ের স্মৃতি। ছোট জা স্মৃতিবিবি আগুনে পুড়িয়ে মারল ভাসুর শেখ তোতা, জা রুপা বিবি ও তাঁদের ছোট্ট ৪ বছরের সন্তানকে। শুধুই কী তাই! নিখুঁত অপারেশন চালাতে ব্যবহার করা হল ক্লোরোফর্ম। জানলা থেকে ক্লোরোফর্ম (Chloroform) ছিটিয়ে দেওয়া হল বড় জায়ের ঘরে। ঘুমন্ত অবস্থায় ক্লোরোফর্মে সবাই তখন অজ্ঞান। এরই মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেয়া হল ঘরে। যাতে কোনওভাবেই চিৎকার করতে না পারে তাঁর জায়ের পরিবার। স্মৃতি বিবির পক্ষে ক্লোরোফর্ম জোগাড় করাও সহজ ছিল। তার কারণ প্রেমিক ছিল পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক, এমনটাই মনে করছে পুলিশ। জেরায় উঠে এসেছে এই খুনের রোমহর্ষক ঘটনার বিবরণ। নৃশংস ঘটনা শোনার পরে বাকরুদ্ধ গোটা সভ্যসমাজ।

    গভীর রাতে স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক আসবেন (Bolpur Fire)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন গভীর রাতে (Bolpur Fire) স্মৃতি বিবি অপেক্ষা করতে থাকেন কখন তাঁর প্রেমিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক আসবেন। এর পরবর্তীকালে জানলা দিয়ে ঘরে ক্লোরোফর্ম ছিটিয়ে দেন তিনি। তখনই তাঁর জা রুপা বিবি, স্বামী সন্তান সহ চৈতন্য হয়ে পড়েন ঘুমের মধ্যেই। সেই সময়ই পেট্রোল ঢেলে দেওয়া হয় ঘরে। ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। যতক্ষণে তাঁদের জ্ঞান (Chloroform) ফেরে ততক্ষণে দেখা যায় শরীরের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পুরে গিয়েছে। এর ফলে বাঁচার সম্ভাবনাও ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসে। পুলিশের ধারণা, আগুন লাগার পরে যাতে তাঁরা কেউ চিৎকার করতে না পারেন সেজন্যই অজ্ঞান (Bolpur Fire) করে দেওয়া হয়েছিল আগে থেকে।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    ঘটনা প্রসঙ্গে, নিহত রূপা বিবির বাবা শেখ করিম বলেন, ‘‘আমার জামাই বোলপুরে ঠিকাদারির কাজ করত। ওর তেমন কেউ ছিল কি না জানি না। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’’ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২১ মার্চ রাতে বীরভূমের রামপুরহাট থানার বগটুইয়ের এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বগটুই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। সেই সময় এই ঘটনাকে ঘিরে আলোড়িত হয়েছিল গোটা রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra 2024: পুরীতে রথের দড়ি যেত বাংলার এই গ্রাম থেকেই! বারাসতে সম্প্রীতির ছবি

    Rath Yatra 2024: পুরীতে রথের দড়ি যেত বাংলার এই গ্রাম থেকেই! বারাসতে সম্প্রীতির ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর রথযাত্রার দড়ি যেত একসময় পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের কুলিনগ্রাম থেকে। রবিবার এই গ্রামের ৫০০ বছরের পুরনো রথযাত্রায় (Rath Yatra 2024) সামিল হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্ত। পূর্ব বর্ধমানের এই রথ আজও টেনে নিয়ে যাচ্ছে সেই ইতিহাসকেই। অন্যদিকে রবিবার রথযাত্রার দিন বারাসতে (Barasat) ধরা পরল এক অনন্য ছবি। হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই টান দিলেন রথের দড়িতে। এমন নানা ঘটনা-ঐতিহ্য-ইতিহাস নিয়েই মহা সমারোহে বাংলাতে পালিত হল রথযাত্রা। পা মেলালেন লক্ষ লক্ষ ভক্ত।

    কুলিনগ্রামের রথযাত্রা (Rath Yatra 2024) 

    জানা যায়, ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ কাব্যের রচয়িতা মালাধর বসুর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত বসুকে পুরীর জগন্নাথ দেবের রথ টানার জন্য বর্ধমানের কুলিনগ্রাম থেকে রথের দড়ি আনার নির্দেশ পান। লক্ষীকান্ত বসু রথ টানা দড়ি নিয়ে পুরীতে গিয়েছিলেন। তারপর থেকেই শুরু হয় জামালপুরের ঐতিহ্যমন্ডিত এই রথযাত্রা। মাঝখানে কখনও বন্ধ হয়নি। ৮ দিনের পরিবর্তে ৯ দিনের রথ হয় এখানে। এলাকার মানুষরা জানিয়েছেন, একটা সময় ছিল যখন নিয়মিত ভাবে পুরীতে কুলিনগ্রাম থেকেই রথের (Rath Yatra 2024) দড়ি যেত, তবে ধীরে ধীরে তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এলাকায় বসু পরিবারের সদস্যরা কাজের সূত্রে এখন আর গ্রামে থাকেন না। তাঁরা নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছেন। তবে গ্রামে রথযাত্রা হয় ধুমধাম করেই।

    কী বলছেন উদ্যোক্তারা?

    কাঠের তৈরি রথের উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট। দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ১৬ ফুট। ৬টি লোহার চাকা রয়েছে রয়েছে রথে। তিন তলা এই রথে রথের ওপরের তলায় থাকেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রা। গ্রামের মাঝেই গড়ে উঠেছে জগন্নাথ মন্দির। সেখান থেকে বিশেষ পুজো করা হয়।  উদ্যোক্তাদের মধ্যে থেকে দেবব্রত সিংহ বলেন, “চৈতন্যদেব যখন এসেছিলেন তখন থেকে এই রথ। সেই থেকে রথ চলে আসছে। ৫০০ বছরের বেশি সময় হয়ে গেল। পট্টডোর এক সময় পুরীতে যেত। তা বিলুপ্ত হয়। তবে আমরা আবার সেই প্রথা ফেরাতে চাইছি।”

    বারাসাতে (Barasat) হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির নজির

    রথের (Rath Yatra 2024) রশি গড়ে দিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির। এমনই চিত্র দেখা গেল বারাসতে। হিন্দু-মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে টান দিলেন রথের রশিতে। ধর্ম যার যার উৎসব তো সবার, এই কথা আক্ষরিক অর্থে সত্যি হল বারাসতে। পশ্চিমবঙ্গের দূর্গা পুজোর সময় দুই সম্প্রদায়ের মানুষ মিলে অনেক জায়গাতেই উৎসবে মেতে ওঠেন। খবরের শিরোনামেও আসে সেই ঘটনাগুলি। এবার রথযাত্রাতেও সেই ছবি ধরা পরল। ঘুচে গেল দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভেদাভেদ। জগন্নাথ দেব হয়ে উঠলেন সবার প্রভু।

    রথটি বানিয়েছেন এক মুসলিম

    জানা গিয়েছে, বারাসতের এই রথটি যিনি তৈরি করেছেন তিনিও আদতে একজন মুসলমান। বারাসতের কাজীপাড়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি তাই আজ রাজ্য জুড়ে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার রথযাত্রার সামিল হন দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষ। ভারতের মধ্যে সবথেকে বড় রথযাত্রা হয় পুরীতে। ঘণ্টা-কাঁসর, জয় জগন্নাথ ধ্বনিতে শ্রী ক্ষেত্র ছিল একেবারে মুখরিত (Rath Yatra 2024)। এর পাশাপাশি রথ নিয়ে বের হয়েছিল ইসকনও। মাহেশের রথেও পা মেলান অসংখ্য ভক্ত।  কিন্তু এরই মধ্যে ব্যতিক্রমী হয়ে উঠল বারাসতের কাজীপাড়ার রথযাত্রা। উদ্যোক্তাদের কথায়, এই উৎসবে কোনও রাজনৈতিক রঙ নেই। বারাসত পুরসভার ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সকলের উপস্থিতি থাকে এইদিন।গত ৬ বছর ধরে এইভাবেই হয়ে আসছে সম্প্রীতির মেলবন্ধন রথযাত্রা উৎসবের মধ্য দিয়ে।

    শাসনেও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ছবি

    তবে শুধু বারাসতের কাজীপাড়াতে নয়, উত্তর ২৪ পরগনার শাসনেও দেখা গিয়েছে একই ছবি। রাজনৈতিক হানাহানির খবরে প্রায় শিরোনামে আসে শাসন কিন্তু সেসবকে ছাপিয়ে রবিবার খবরের শিরোনামে এল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রথযাত্রা। রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে শাসনের সর্দারহাটিতেও দেখা গেল বারাসতের কাজীপাড়ার মতো ছবি। হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই রথের রশিতে টান দিয়ে সামিল হলেন উৎসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 08 july 2024: মকর রাশির জাতকরা সাবধানে গাড়ি চালান

    Daily Horoscope 08 july 2024: মকর রাশির জাতকরা সাবধানে গাড়ি চালান

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) রাতে স্ত্রীর কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীদের মেজাজ খারাপ থাকবে।

    ৩) সন্তানের তরফে সুসংবাদ পাবেন।

    বৃষ

    ১) পরিজনদের সঙ্গে সুখকর সময় কাটাবেন।

    ২)  ব্যস্ততায় দিন কাটবে।

    ৩) স্বাস্থ্যের প্রতি কোনও গাফিলতি করবেন না।

    মিথুন

    ১) কোনও দামী বস্তু কিনতে পারেন।

    ২) পরিবারে আনন্দের পরিবেশ থাকবে।

    ৩)  ব্যবসায়িক জীবনে ব্যস্ততা থাকবে।

    কর্কট

    ১) মান-সম্মান বাড়বে এই রাশির জাতকদের।

    ২) ধর্মীয় কাজে রুচি বাড়বে।

    ৩) ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় সাফল্য আসবে।

    সিংহ

    ১) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের আজকের দিনটি অত্যন্ত লাভজনক। 

    ২) বহুদিন ধরে আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    কন্যা

    ১) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ২) বন্ধুদের সহযোগিতা অর্জন করবেন।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা আকস্মিক ধনলাভের যোগ রয়েছে।

    তুলা

    ১) ধনলাভের যোগ।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন, সম্মান পাবেন।

    ৩) ব্যস্ততার কারণে স্বাস্থ্যের ওপর প্রতিকূল প্রভাব পড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) বিপরীত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন।

    ২) ধৈর্য ধরে কাজ করুন ও বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) আটকে থাকা কাজ সম্পন্ন হবে।

    ধনু

    ১) আইনি সমস্যায় জয়ী হবেন।

    ২) পারিবারিক জিনিস কেনাকাটায় টাকা খরচ হবে।

    ৩) আর্থিক পরিস্থিতি অনুযায়ী অর্থ ব্যয় করুন।

    মকর

    ১) ধর্মীয় স্থানের যাত্রার যোগ রয়েছে।

    ২) সাবধানে গাড়ি চালান।

    ৩) সন্ধ্যাবেলা গাড়ি খারাপ হওয়ায় ব্যয় বাড়তে পারে।

    কুম্ভ

    ১) জীবনসঙ্গীর আকস্মিক শারীরিক কষ্ট হতে পারে।

    ২) অর্থ ব্যয় বেশি হবে।

    ৩) পারিবারিক বিবাদ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    মীন

    ১) দাম্পত্য জীবন আনন্দে কাটবে।

    ২) দূরে কোথাও যাত্রা করতে পারেন।

    ৩) ছাত্রছাত্রীরা চাপ থেকে মুক্তি পাবে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Congress: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    Congress: হিন্দু বিরোধিতা কংগ্রেসের ট্র্যাডিশন! জেনে নিন বহমান সেই ধারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের নিয়ে সম্প্রতি পার্লামেন্টে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, “হিন্দুরা কেবল হিংসার কথা বলেন, বলেন ঘৃণার কথা, মিথ্যেও বলেন।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল হিন্দুদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা নতুন কিছু নয়, বরং এটা কংগ্রেসের ঐতিহ্যের সঙ্গেই সম্পৃক্ত। রাহুলের এহেন মন্তব্যে নিঃসন্দেহে আঘাত পেয়েছেন এ দেশের সংখ্যাগুরু হিন্দুরা (Hindu Bashing)।

    রাহুলের বেফাঁস মন্তব্য (Congress)

    তবে তাতে রাহুল কিংবা কংগ্রেস, কারও কিস্যু যায় আসে না! রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে অভ্যস্ত কংগ্রেসের কাছে এই জাতীয় মন্তব্যই কাঙ্খিত। এর আগেও রাহুলকে হিন্দু ধর্ম নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, তিনি শক্তির বিরুদ্ধে লড়ছেন। ‘শক্তি’ বলতে হিন্দু ধর্মে আদ্যাশক্তিকে বোঝায়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কংগ্রেসের জন্ম ব্রিটিশদের হাতে, আর বর্তমানে তাকে চালনা করছেন ইটালিয়ানরা। তাই তাঁরা যে হিন্দু-বিরোধী হবেন, তাতে আর আশ্চর্যের কী আছে? এ প্রসঙ্গে (Congress) পণ্ডিত জওহর লাল নেহরুর মন্তব্যটি প্রনিধানযোগ্য। ১৯২৯ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত লাহোর কংগ্রেসে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “আমি হিন্দু হয়ে জন্মেছিলাম। কিন্তু আমি জানি না, আমার নিজেকে কতটা হিন্দু বলে দাবি করা ঠিক হবে।”

    প্রসঙ্গ যখন সোমনাথ মন্দির

    বিধর্মীদের হাতে ধ্বংস হয়েছিল সোমনাথ মন্দির। সেই মন্দির পুনর্গঠন করতে যখন রাজেন্দ্রপ্রসাদ, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, কেএম মুন্সি, এনভি গ্যাডগিলের মতো নেতারা জোট বাঁধছেন, তখন তার বিরোধিতা করেছিলেন নেহরু স্বয়ং। এই মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বাবু রাজেন্দ্র প্রসাদ। তাঁকে যেতে নিষেধ করেছিলেন নেহরু। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই সোমনাথ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। কংগ্রেসের সেই ‘মেকি ধর্মনিরপেক্ষতা’র মুখোশ আমরা দেখলাম এই ২০২৪ সালেও। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। এই অনুষ্ঠানেও আমন্ত্রণ পেয়ে যাননি কংগ্রেসের কেউ। অথচ এসেছিলেন দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিরা।

    নেহরুর দ্বিচারিতা

    স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহেরু। তিনি প্রথমবার নির্বাচিত হন ১৯৫২ সালে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তার পরের লোকসভা নির্বাচনেও। যদিও ১৯৫৮ সালেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। এর অন্যতম প্রধান কারণ হিন্দুত্ব নিয়ে তাঁর দ্বিচারিতা। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রথম দফায়ই তিনি বিরোধিতা করেছিলেন প্রো-হিন্দু নেতাদের (Congress)। পাকিস্তানে থেকে যাওয়া হিন্দুদের কী হবে, সে প্রশ্ন তুলেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এবং কংগ্রেসের অন্য প্রো-হিন্দু নেতারা। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছিলেন ১৯৫০ সালের নেহেরু-লিয়াকত দিল্লি চুক্তি নিয়েও। এই চুক্তিতেই বলা ছিল, দুই দেশই তাদের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করবে। পাকিস্তানের মতো একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে যা অকল্পনীয় বলেই ধারণা হিন্দুত্ববাদী নেতাদের সিংহভাগেরই। ১৯৫০ সালে অকালে প্রয়াত হন শ্যামাপ্রসাদ। বস্তুত তার পরেই খোলা মাঠ পেয়ে যান নেহরু। এই হিন্দুত্ব নিয়ে নেহরুর সঙ্গে মতদ্বৈততার কারণে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। নেহরুর হিন্দু কোড বিলের প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন প্রো-হিন্দু নেতারা।

    নেহরু ‘সাম্প্রদায়িক’!

    পার্লামেন্টে তো নেহরুকে ‘সাম্প্রদায়িক’ বলে দেগে দিয়েছিলেন জেবি কৃপালনী। সংবিধান রচয়িতা আম্বেডকর বলেছিলেন, যে দেশে যে ধর্মের প্রধান্য সেই ধর্মের লোকজন চলে যান সেই দেশে। এটাই স্থায়ী সমাধান। (সেই সূত্রে মেনেই বোধহয়) গিয়েছিলেন পূর্ব ভারতের দলিত নেতা যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল। পাকিস্তানে গিয়ে মন্ত্রীও হয়েছিলেন। তবে তিক্ত অভিজ্ঞতার জেরে আবারও ফিরে আসেন ভারতে। আম্বেডকর এবং মুখার্জি দুজনেই খোলাখুলি নেহরুর হিন্দু-বিরোধী অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছিলেন। যার জেরে ১৯৫৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন ইন্দিরা গান্ধীর বাবা জওহর লাল। রাজনীতিকদের একাংশের মতে, মেকি-ধর্ম নিরপেক্ষতার আড়ালে নেহরু আসলে চিরকাল করে গিয়েছেন তুষ্টিকরণের রাজনীতি। নেহরু সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে সীতারাম গোয়েল বলেছিলেন, “পণ্ডিত জওহর লাল নেহরু একজন গর্বিত বাদামি সাহেব। নেহরুর ফর্মুলা হল, প্রতিটি পরিস্থিতিতে হিন্দুদের দোষী করা উচিত, সে তাঁরা প্রকৃত দোষী হোন বা না হোন।”

    আর পড়ুন: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    বিলম্বিত বোধদয়

    নেহরুর সেই ধারা আজও বহমান কংগ্রেসে। তুষ্টিকরণের রাজনীতি করতে গিয়ে দিনের পর দিন তারা দোষারোপ করে চলেছে হিন্দুদের। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ হল সংসদে রাহুল গান্ধীর হিন্দু বিরোধী মন্তব্য। রাহুলের আগে প্রো-মুসলিম মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। তিনি বলেছিলেন, “এই দেশের সম্পদের ওপর সবার আগে অধিকার মুসলমানদের।” মৃত্যুর আগে বোধহয় চৈতন্যোদয় হয়েছিল (Hindu Bashing) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর। ১৯৬৩ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি আহ্বান জানিয়েছিলেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকদের। যে জনসংঘকে ১৯৪৮ সালে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন নেহরু, সেই জনসংঘকেই ১৯৬২ সালে ভারত-চিন যুদ্ধের পর নেহরু বলেছিলেন, “জনসংঘ দেশপ্রেমিক একটি দল।”

    একেই বোধহয় বলে বিলম্বিত বোধদয় (Congress)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET UG 2024: নিট-ইউজির কাউন্সেলিং কবে শুরু জানেন?

    NEET UG 2024: নিট-ইউজির কাউন্সেলিং কবে শুরু জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজির (NEET UG 2024) কাউন্সেলিং কবে হবে, তা নিয়ে কৌতূহলের অন্ত নেই পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে। তবে এই কাউন্সেলিং (Counselling) কবে হবে জানানো হবে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন কটি আসন রয়েছে, তা জানানোর পর। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তারা এই ঘোষণা করবে। শনিবার এ খবর জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। প্রথমে ঠিক ছিল, নিট ইউজি (NEET UG 2024) ২০২৪ সালের কাউন্সেলিং হবে ৬ জুলাই। সেটাই আপাতত স্থগিত হয়ে গিয়েছে। কতগুলি আসন রয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন তা জানালে তবেই শুরু হবে কাউন্সেলিং।

    নিট ইউজি পরীক্ষা (NEET UG 2024)

    নিট ইউজি পরীক্ষা নিয়েছিল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। দেশের সব ধরনের বড় পরীক্ষাই নেয় এরা। তবে চলতি বছর এই সংস্থার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে রয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগও। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অধীন। লিখিত পরীক্ষা নেয় এরাই। আর কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াটি সম্পাদন করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এবং ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার। শুক্রবার এই মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিট-ইউজি-র কাউন্সেলিংয়ের তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তাই এটি পিছিয়ে যাচ্ছে বলে যে খবর ছড়াচ্ছে, সেটি ভুল।’

    আর পড়ুন: কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল রোবট!

    কী বলা হয়েছে বিবৃতিতে?

    এই বিবৃতিতেই আরও বলা হয়েছে, ‘মেডিক্যাল কাউন্সেলিং কমিটির অধীনে থাকা ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেল্থ সার্ভিসের তরফে এখনও নিট ইউজি এবং পিজি ২০২৪ সালের কাউন্সেলিং সিডিউল ঘোষণা করা হয়নি। নিট পিজি ২০২৪ পরীক্ষা জুন থেকে পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে করা হয়েছে অগাস্টে।’ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এবং ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এমসিসি তাদের ওয়েবসাইটে নিট ইউজি এবং পিজির কাউন্সেলিংয়ের সিডিউল ঘোষণা করবে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন কতগুলি আসন রয়েছে তা জানাবে এবং পরীক্ষা প্রক্রিয়া (Counselling) সম্পূর্ণ হওয়ার পর এই নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে (NEET UG 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jon Landau: ক্যান্সারে ভুগে প্রয়াত টাইটানিকের অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক জন ল্যান্ডিন

    Jon Landau: ক্যান্সারে ভুগে প্রয়াত টাইটানিকের অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র পরিচালক জন ল্যান্ডিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র দুনিয়ায় শোকসংবাদ। প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক জন ল্যান্ডো (Jon Landau) প্রয়াত হয়েছেন। যিনি বিজ্ঞান কল্পকাহিনী মূলক চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার’ এবং ‘টাইটানিক’-এর মতো হলিউডে সিনেমা নির্মাণ করেছিলেন। মাত্র ৬৩ বছর বয়সে জীবনাবসান হয়েছে তাঁর। এই সংবাদ প্রকাশ্যে আসতেই চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোক প্রকাশ করেছেন বিখ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামরন। তবে কী ভাবে মারা গিয়েছেন এই পরিচালক, তা এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। মৃত্যুর কারণ শুধু ক্যান্সার বলা হয়েছে।

    ‘অবতার ২’-তে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন (Jon Landau)

    জেমস ক্যামরনের চলচ্চিত্র ‘অবতার ২’ সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। ১৯৯৭ সালে বিখ্যাত চলচ্চিত্র টাইটানিক ছবিতেও অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। সেই সময় জনকে অনেকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তিনি তিনবার অস্কার পুরস্কার পেয়েছিলেন। একই সঙ্গে সেরা পুরস্কারও জিতে ছিলেন। এই ছবিতে তাঁর সঙ্গে জেমস ক্যামেরনেরও পূর্ণ অবদান ছিল।

    প্রোডাকশন ম্যানেজার দিয়ে কাজ শুরু (Jon Landau)

    জন কর্মজীবনে প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। প্রসঙ্গত, জন ল্যান্ডিউ তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ১৯৮০ সালে। তিনি কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সঙ্গে চলচ্চিত্র প্রযোজক হওয়ার যাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি বিখ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামেরনের সঙ্গে বিশাল ব্যয়ের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁরা ১১ বার অস্কার মনোনয়ন পেয়েছিলেন। জনের দুই ছেলে জেমি ল্যান্ডো এবং জোডি। তাঁর স্ত্রীর নাম জুলি। তাঁদের রেখে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন জন।

    আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    পুত্রের শোক প্রকাশ

    প্রযোজকের ছেলে জেমি ল্যান্ডিউ এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমার বাবা আর পৃথিবীতে নেই।” অন্যদিকে, জনের মৃত্যুতে জেমস ক্যামেরন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে এই চলচ্চিত্র নির্মাতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রচুর ভক্ত। এছাড়াও হলিউডের আরও অনেক তারকা জনের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তাঁরা জনের (Jon Landau) পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindus Under Attack: ভারতে কি শুরু হয়ে গেল হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’?

    Hindus Under Attack: ভারতে কি শুরু হয়ে গেল হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে কি হিন্দু ‘নিধন যজ্ঞ’ শুরু হয়ে গেল? গত এক সপ্তাহে ভারত (India) এবং বহির্ভারতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) ওপর অত্যাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই উঠছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের এই প্রশ্ন। কখনও জোর করে ধর্মান্তকরণ, কখনও আবার বেছে বেছে হিন্দুদের খুন-মারধর, কখনও আবার হিন্দুদের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, মন্দিরে ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ এবং যৌন হিংসার ঘটনা শুরু হতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি হিন্দু ধর্মের ওপর ফের নেমে এল অত্যাচারীদের খড়্গ-কৃপাণ? এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক গত ৩০ জুন থেকে ৬ জুলাই- এই এক সপ্তাহের ঘটনাপ্রবাহ।

    হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাপ্রবাহ (Hindus Under Attack)

    মহারাষ্ট্রের ঠানেতে এক হিন্দু মহিলাকে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে এক মুসলমানের বিরুদ্ধে। আফসানা পারভিন এই মিথ্যে পরিচয়ে দিল্লির এক তরুণকে ফাঁদে ফেলা হয়েছিল। তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের সিএসআই ইমানুয়েল চার্চে রবিবারের প্রার্থনাসভায় হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করার অভিযোগ ওঠে প্রিন্স কেলভিনের বিরুদ্ধে। প্রার্থনাসভাটি পরিচালনা করছিলেন তিনিই (Hindus Under Attack)। অসমের গুয়াহাটিতে এক কুখ্যাত যুবকের প্রেম-প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় অপহরণ করা হয় এক আইনের ছাত্রীকে। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় আশরাফ জামান নামে এক যুবককে।

    তালিকায় হরিয়ানা, রাজস্থান…

    হরিয়ানার ফরিদাবাদে জনতা কলোনি এলাকার এক কালী মন্দিরের সামনে নিদারুণভাবে নির্যাতন করা হয় মন্দিরের পুরোহিত রবি কাশ্যপকে। জখম অবস্থায় তাঁকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। রাজস্থানের মহাত্মা গান্ধী পার্ক এলাকায় কর্মসূচি পালন করছিলেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা। অদূরেই ক্রিকেট খেলছিল কয়েকজন মুসলমান ছেলে। স্বয়ংসেবকদের ওপর হামলার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে ৬ জন ইসলাম ধর্মাবলম্বীকে।

    আর পড়ুন: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে দুই মুসলিম যুবক তানিম এবং ফৈজান হিন্দুদের কয়েকটি দোকানে ঢুকে পড়ে মারধর করে দোকানদার ও তাঁদের কর্মীদের। কর্ণাটকের কালাবুর্গি এলাকায় ভীমশঙ্কর দাশারা নামে এক তরুণকে বেধড়ক মারধর করে কয়েকজন মুসলমান যুবক। পাঞ্জাবে শিবসেনা প্রধান সন্দীপ থাপারের ওপর কয়েকজন শিখ তরোয়াল নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে এক মুসলমান ফল বিক্রেতা পাথরের আঘাতে একটি চোখ নষ্ট করে দেয় নিতু সিং নামে একজনের। কেবল ভারত নয়, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশেও এই জাতীয় ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (India) বলে অভিযোগ।

    সনাতনীদের ওপর এহেন আক্রমণ কেন (Hindus Under Attack)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Medosh Munir Ashram: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    Medosh Munir Ashram: দুর্গাপুজোর প্রচলন এখানেই! বাংলাদেশের মেধস মুনির আশ্রমের জমি দখলের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেধস মুনির আশ্রম (Medosh Munir Ashram) বর্তমান বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার করলডাঙা পাহাড়ে অবস্থিত। প্রথম দুর্গাপুজোর (Durga Puja) প্রচলন এই আশ্রমেই হয়েছিল বলে বিশ্বাস হিন্দুদের। বাংলাদেশের হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান হল পাহাড়ের ওপর অবস্থিত মেধস মুনির আশ্রম। প্রতিবছর দুর্গাপুজোতে ভক্তদের ভিড়ে ঠাসা থাকে এই আশ্রম। শিব মন্দির, চন্ডী মন্দির সমেত অনেকগুলি মন্দিরও রয়েছে এখানে। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সৈন্যরা এই আশ্রমকে ভেঙে দেয়। পরবর্তীকালে এই আশ্রম পুনঃ প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এই মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন স্বরূপ চৌধুরী। তিনি জানান, ৩০জন লোক নিয়োগ করা হয়েছে মন্দিরকে দেখাশোনার জন্য। অন্যদিকে, আশ্রমেরই এক সন্ন্যাসী শ্রীমৎ বুলবুলানন্দ মহারাজ অভিযোগ এনেছেন যে শ্রী শ্রী চণ্ডী তীর্থ ও মেধস মুনির আশ্রমের মোট জমির পরিমাণ ছিল ৬৮.১৯ একর। কিন্তু বেশ কিছু প্রভাবশালী মানুষজন নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে এই জমি দখল করেছেন। জমি দখলের পরিমাণ ৫৫ একর।

    মেলেনি সরকারি সাহায্য (Medosh Munir Ashram)

    বোয়াখালী থেকে মন্দির যাওয়ার পথ একেবারেই দুর্গম কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন এই আশ্রমে (Medosh Munir Ashram)। আশ্রমকে ঘিরে রয়েছে অপূর্ব প্রাকৃতিক পরিবেশ। নির্জন ও শান্ত পরিবেশ আশ্রমের। কর্তৃপক্ষের আরও অভিযোগ, যদি যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত করা যেত তাহলে মন্দিরে ভক্তদের ভিড় আরও বাড়তে পারত। ভক্তদের দানের ওপর নির্ভর করেই চলে এই মন্দির, সরকারি সাহায্য মেলেনি বলেও অভিযোগ মন্দির কর্তৃপক্ষের।

    রাজা সুরথ ও সমাধি বৈশ্য

    দেবী মাহাত্ম্যে এবং মার্কণ্ডেয় পুরাণে রাজা সুরথকে চিত্রগুপ্ত বংশীয় রাজা অর্থাৎ চিত্রগুপ্তের বংশধর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি তাঁর রাজত্ব, সম্পত্তি সবকিছুই হারিয়েছিলেন। দাস দাসী, আত্মীয় স্বজন, তাঁর পোষ্য জন্তু-জানোয়ারদের কাছেও তিনি মর্যাদা হারিয়েছিলেন বলে জানা যায়। এরা কেউ তাঁর কথা শুনতো না। অসহায় রাজা মনের দুঃখে রাজ্য ছাড়েন। যদুবংশীয় এই রাজা বৈরাগী হয়েছিলেন। রাজ্য ছাড়ার পর তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় এক বণিকের। ওই বণিকও ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, একেবারে দেউলিয়া হয়েছিলেন তিনি। বণিকের নাম ছিল সমাধি বৈশ্য। তাঁর নিজের পরিবার, আত্মীয় স্বজনের প্রতারণার জন্যই তিনি দেউলিয়া হয়েছিলেন বলে পুরাণে জানা যায়। একদিকে এক ভাগ্যহীন রাজা অন্যদিকে এক ভাগ্যহীন বণিক। দুজনের সাক্ষাৎ যেন দৈব নির্ধারিত ছিল। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মেধস মুনির (Medosh Munir Ashram)।

    মেধস মুনির আশ্রমে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) পৌরাণিক আখ্যান

    রাজা সুরথ এবং বণিক সমাধি বৈশ্য দুজনে মেধস মুনির শরণাপন্ন হয়ে নিজেদের ভাগ্য বিপর্যয়ের কথা মুনিকে শোনাতে থাকেন। মেধস মুনি তাঁদের দেবী মাহাত্ম্য শোনান। মহিষাসুরমর্দিনীর স্তব করে শোনান। মুনি পরামর্শ দেন, একমাত্র দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গার আরাধনা এবং পুজো করলেই তাঁদের ভাগ্য ফিরবে। মুনির পরামর্শ মতো রাজা সুরথ ও বণিক সমাধি বৈশ্য মাটির প্রতিমা নির্মাণ করে ওই আশ্রমেই দুর্গাপুজো করেন। কথিত আছে মাতৃ আরাধনার পর রাজা সুরথ তাঁর রাজত্ব পুনরায় ফেরত পেয়েছিলেন, পরিবার পরিজনের কাছে তাঁর মর্যাদা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। অপরদিকে বণিক সমাধি বৈশ্যও একই ভাবে সৌভাগ্যের অধিকারী হয়ে, হারানো সমস্ত কিছু ফেরত পেয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে বলা দরকার মেধস মুনির আশ্রমে এই পুজো বসন্ত কালে সংঘটিত হয়েছিল। শরৎকালের দুর্গাপুজো শ্রী রামচন্দ্রের অকাল বোধনের কারণে হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share