Tag: Bengali news

Bengali news

  • Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুভয় রুখে দেবে তিন পদক্ষেপ! কী করলে কমবে প্রাণ-সংশয়? 

    Heart Attack: হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুভয় রুখে দেবে তিন পদক্ষেপ! কী করলে কমবে প্রাণ-সংশয়? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে হৃদরোগের সমস্যা। তরুণ প্রজন্মের একাংশ ভুগছে নানান‌ হৃদ সমস্যায়। খুব কম বয়স থেকেই কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ আর ডায়াবেটিসের কবলে পড়ছেন অনেকেই। আর এর জেরেই বাড়ছে হৃদরোগের (Heart Attack) ঝুঁকি। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগ মানেই মৃত্যুভয় নয়! বরং সচেতনতা থাকলেই কমবে প্রাণ-সংশয়। তাই বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে অযথা উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। বরং চটজলদি সচেতন ভাবে কিছু পদক্ষেপ নিলেই বড় বিপদ এড়ানো যাবে। তাহলে জেনে নিন, কোন তিন পদক্ষেপ কমাবে মৃত্যুর আশঙ্কা?

    গোল্ডেন আওয়ারে হাসপাতালে নিয়ে যেতেই হবে (Heart Attack)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু হয় না। হার্ট অ্যাটাকের পরের ৪৫ মিনিট সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে চিকিৎসা শুরু করতে পারলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এই সময়কেই বলা হয় গোল্ডেন আওয়ার। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই রোগী এই গোল্ডেন আওয়ারের পরে হাসপাতালে পৌঁছন। চিকিৎসা শুরু হয় অনেকটাই দেরিতে। এর জেরে সমস্যা আরও জটিল হয়। প্রাণ-সংশয়ের আশঙ্কা বাড়ে। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা না বাড়লে এই সমস্যা কমবে না। হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর ঘটনাও বাড়বে। পরিবারের কেউ উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগলে তার নির্দিষ্ট সময় অন্তর চিকিৎসকের পরামর্শ মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো দরকার। এর পরেও হৃদরোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীর খুব ঘাম হওয়া, জ্ঞান হারানো কিংবা বুকে যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা দিলে একেবারেই দেরি করা চলবে না। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। হাসপাতালে সময় মতো নিয়ে যেতে পারলে, মৃত্যু ঝুঁকি কমবে।

    আক্রান্তকে জাগিয়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে (Heart Attack) 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাক হলে অনেকেই জ্ঞান হারান। আর এই উপসর্গ যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পরিবারের সদস্যদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আক্রান্তকে সজাগ রাখার চেষ্টা করতে হবে। হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে, যেন রোগী জ্ঞান না হারান, সে দিকে নজর দিতে হবে (Heart Attack)। এতে মস্তিষ্কে প্রভাব পড়ার ঝুঁকি কমে। মস্তিষ্ক ও স্নায়ু সক্রিয় থাকে। ফলে, শারীরিক পরিস্থিতি সহজে অবনতি হয় না। পাশপাশি তার শ্বাস নেওয়ায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। কেউ বুকের যন্ত্রণা অনুভব করলে কিংবা শারীরিক অস্বস্তি হলে, ভিড় এলাকা থেকে সরিয়ে আনতে হবে। আশপাশের পরিবেশ যাতে শান্ত থাকে, সেটা সুনিশ্চিত করতে হবে। অকারণ উত্তেজনা তৈরি হলে শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।

    চেস্ট কম্প্রেসন সম্পর্কে সচেতন হলেই ঝুঁকি কমবে (Heart Attack)

    হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর চেস্ট কম্প্রেসন দিতে পারলে তা খুবই উপকারী। এমনটাই জানাচ্ছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই নিয়ে একাধিক কর্মশালা হয়। তাই পরিবারের কেউ হৃদ সমস্যায় আক্রান্ত থাকলে, সদস্যদের এই বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার। মিনিটে ১০০ বার হালকা চেস্ট কম্প্রেসন করলে হৃদ রোগে আক্রান্তের প্রাণের ঝুঁকি অনেক কমে। রক্ত সঞ্চালন কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতাও ফিরিয়ে আনার প্রাথমিক চেষ্টা হয়। তাই হাসপাতালে আনার পথে এই চেস্ট কম্প্রেসন দিতে পারলে রোগীর ঝুঁকি অনেকটাই কমবে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 

    তবে, হার্ট অ্যাটাক রুখতে সচেতনতা ও সতর্কতা আরও বাড়ানো দরকার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, জীবন যাপন স্বাস্থ্যকর করলে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চললে বড় বিপদ এড়নো সম্ভব (Heart Attack)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • CPM: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    CPM: দুর্দিনের বাজারে জামানত খুইয়েছেন ২১ সিপিএম প্রার্থী, কত টাকা খোয়াল আলিমুদ্দিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় যে বামেদের দাপটে ট্যাঁ-ফোঁ করার জো ছিল বাংলায়, এখন সেখানেই কিনা খাবি খাচ্ছে বামফ্রন্ট! রাজ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৪২ (CPM)। তার মধ্যে ২৩টিতে প্রার্থী দিয়েছিল সিপিএম। বামফ্রন্টের শরিকদলগুলি প্রার্থী দিয়েছিল সাতটি আসনে। সিপিএম যে ২৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তার মধ্যে ২১ জন প্রার্থীই জামানত খুইয়েছেন। দলের এই দুর্দিনে জলে গিয়েছে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ রাজ্যে সিপিএমের একজন প্রার্থীও জিততে পারেননি। তবে জামানত বাঁচিয়ে মুখরক্ষা করেছেন দুই বাম প্রার্থী।

    বৃদ্ধতন্ত্রের তকমা ঝেড়ে ফেলতে নয়া মুখ! (CPM)

    দলের গা থেকে বৃদ্ধতন্ত্রের তকমা ঝেড়ে ফেলতে এবার একঝাঁক তরুণ মুখকে প্রার্থী করেছিল বিমান বসুদের দল (CPM)। এঁদের সকলেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তমলুকে বিজেপি প্রার্থী করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে সিপিএম লড়িয়ে দিয়েছিল পেশায় আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বামেরা বোধহয় ভেবেছিলেন, সমানে সমানে টক্কর হবে। ওমা! কোথায় কী! এই কেন্দ্রে মাত্র ৫.৪১ শতাংশ ভোট পেয়ে জামানত খুইয়েছেন সিপিএমের আইনজীবী প্রার্থী।

    বাজেয়াপ্ত জামানত

    ৫.৬৮ শতাংশ ভোট পাওয়ায় জামানত রক্ষা করতে পারেননি ডায়মন্ড হারবারের সিপিএম প্রার্থী প্রতীক-উর রহমানও। এই কেন্দ্রে হইহই করে জিতে গিয়েছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জামানত খুইয়েছেন যাদবপুরের সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্য এবং শ্রীরামপুরের দীপ্সিতা ধরও। তবে হেরে গেলেও, জামানত বাঁচিয়েছেন মুর্শিদাবাদের সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম এবং দমদমের সুজন চক্রবর্তী। রাজনীতি তো বটেই, বয়সেও যাঁরা প্রবীণ। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে সিপিএম। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এই হার ছিল ৬.৩৩ শতাংশ। সব শরিক মিলিয়ে বামেরা এবার সাকুল্যে ৬.১৪ শতাংশ ভোট পেয়েছে। উনিশে এই হার ছিল ৭.৫ শতাংশ। ২০১৪ সালে ছিল ১৬.৭২ শতাংশ।

    আর পড়ুন: এনডিএ শিবিরে তৎপরতা, সরকার গড়ার প্রস্তুতি সারা, শুক্রবারই রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি পেশ?

    জামানত রক্ষা হয়নি বামফ্রন্টের বাকি শরিকদের প্রার্থীদেরও। আরএসপি তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। সিপিআই এবং ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী দিয়েছিল দুটি করে আসনে। এই সাত কেন্দ্রেই জামানত খুইয়েছেন বাম প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী হতে গেলে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জমা রাখতে হয়। একে জামানত বলে। লোকসভা নির্বাচনে জামানতের পরিমাণ ২৫ হাজার টাকা। কোনও একটি কেন্দ্রে যত ভোট পড়ে, তার এক ষষ্ঠাংশ ভোট পেলে কোনও প্রার্থীর জামানত রক্ষা হয়। না হলে টাকা জমা থাকে নির্বাচন কমিশনে। ফেরত পাওয়া যায় না (CPM)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Partha Chatterjee: নিয়োগ-দুর্নীতি তদন্তে নয়া মোড়! জেলবন্দি পার্থর আরও সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি

    Partha Chatterjee: নিয়োগ-দুর্নীতি তদন্তে নয়া মোড়! জেলবন্দি পার্থর আরও সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া মোড়। এবার জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আরও সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি। ইডি সূত্রে খবর, এই সম্পত্তি মূলত রয়েছে বীরভূমে (Birbhum)। এর আগে পার্থ-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে বীরভূমেরই বোলপুরে একটি বাড়ির হদিশ পেয়েছিল ইডি। আর এবার ইডির সাম্প্রতিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পার্থের আরও অন্তত ৫টি সম্পত্তি রয়েছে সেই বোলপুরেই। 

    ঠিক কী জানা গিয়েছে তদন্তে?

    সূত্রে খবর, বোলপুরের (Bolpur) বুকে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর যে সম্পত্তি রয়েছে তা মূলত জমি। বর্তমানে যার বাজারদর কয়েক কোটি টাকা। যদিও এই সম্পত্তি কিন্তু পার্থর নামে নেই। বরং সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, ওই সম্পত্তিগুলির নথিতে এক পার্থ ঘনিষ্ঠের নাম রয়েছে। ঠিক যেমন এর আগে পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতার নামে সম্পত্তির হদিশ পেয়েছিল ইডি। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি ওই ঘনিষ্টের নামে জমিগুলি কেনা হলেও সংশ্লিষ্ট জমিগুলির মালিক আদতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) নিজেই। এমনকী তদন্তকারীরা এও জানতে পেরেছেন, সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে মাঝেমধ্যেই আসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে খবর, গত কয়েক দিনে পার্থ-ঘনিষ্ঠ এক প্রোমোটার-সহ বেশ কয়েক জনকে জেরা করে এই তথ্য পেয়েছে তারা।

    কোন দিকে মোড় নেবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জল? 

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের জুলাই মাসে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। সেই থেকে জেলের চার দেওয়ালের মধ্যে জীবন কাটছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর। প্রায় দুবছর ধরে ওটাই তাঁর ঠিকানা। আর এরই মধ্যে আবারও জেলবন্দি পার্থর আরও সম্পত্তির খোঁজ পেল ইডি। বলাই বাহুল্য যে দীর্ঘদিন ধরে এই নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। আর এরই মধ্যে ফের পার্থর সম্পত্তির খোঁজ মেলায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলার মোড় অন্যদিকে বাঁক নেয় কিনা এখন সেটাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: ৩৫০ বছর আগে এই দিনেই ছত্রপতি হন শিবাজি! ফিরে দেখা সেই ইতিহাস

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠকে তলব ইডির (Partha Chatterjee)

    তবে এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামে বীরভূমে এই কোটি কোটি সম্পত্তির হদিশ এই প্রথম নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির পর পার্থ-অর্পিতার নামে যৌথ একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছিল তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। ইডি সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের মধ্যে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যেই বীরভূমের (Birbhum) জায়গায় জায়গায় অনুসন্ধানে নেমেছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ওই ঘনিষ্ঠকে খুব শীঘ্রই তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raju Bista: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    Raju Bista: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে খুব বেশি দাঁত ফোটাতে পারেনি তৃণমূল। তবে, দক্ষিণবঙ্গে সবুজ ঝড় বয়ে গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি হেরেছে। বিশেষ করে হিরণ চট্টোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীও পরাজিত হয়েছেন। আর তৃণমূলের এই বিপুল জয় নিয়ে এবার মুখ খুললেন দার্জিলিংয়ের জয়ী বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা (Raju Bista)। সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিজেপি ফের কেন দাপট দেখাতে পেরেছে তা তিনি ব্যাখ্যা করেন। একইসঙ্গে দক্ষিণবঙ্গে শাসক দলের জয় নিয়ে একেবারে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন বিজেপির জয়ী প্রার্থী।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল (Raju Bista)

    রাজু বিস্তা (Raju Bista) বলেন, ” লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল। সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে এসে যারা ভোটার কার্ড তৈরি করালেন, তাদের আটকাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। আমরা চাইছি এই সমস্যা নিয়ে দ্রুত তদন্ত করে দেখা হোক। ভোটারেরা বৈধ নাগরিক কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। উত্তরবঙ্গে অনুপ্রবেশ সমস্যা কম, তাই এখানে বিজেপি জিতেছে। দক্ষিণবঙ্গে অনুপ্রবেশ বেশি। আর অনুপ্রবেশকারীদের পাশে থাকে তৃণমূল। তাই, এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই তৃণমূলের এই ফল।”

    আরও পড়ুন: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, নদিয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    কংগ্রেস ও বামের দুই শতাংশ করে ভোট তৃণমূলে গিয়েছে

    তিনি (Raju Bista) আরও বলেন, “রাজ্যে কংগ্রেস ও বামের দুই শতাংশ করে ভোট তৃণমূলে যাওয়ায় আসন কমেছে বিজেপির। তবে, শতাংশের বিচারে বিজেপির ভোট কমেনি।” রাজু বলেন, “উত্তরপ্রদেশে আসন কমেছে এটা যেমন ঠিক, তেমনি ওড়িশায় আসন পেয়েছি। আমার মতে অনুপ্রবেশকারীদের ভোট,কংগ্রেস-সিপিএমের ভোট তৃণমূলে যাওয়ায় বাংলায় এই ফল।” এই মুহুর্তে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোই মূল লক্ষ্য বলে জানান বিজেপির জয়ী প্রার্থী। তিনি বলেন, “বাংলায় নেতৃত্ব ব্যার্থ এমনটা নয়। আমরা হারিনি। তবে, তৃণমূল জিতেছে। কেউ হয়তো ভাবছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য এই ফল। কিন্তু, আমার মনে হয় মোদি সরকারের কাছেও এমন অনেক ভান্ডার ছিল। ফলে, লক্ষ্মীর ভান্ডার একমাত্র কারণ এমন ভাবা ভুল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odisha CM: মোদির মাণদণ্ড মেনেই হবে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন, ঘোষণা ওড়িশা বিজেপি নেতৃত্বের

    Odisha CM: মোদির মাণদণ্ড মেনেই হবে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন, ঘোষণা ওড়িশা বিজেপি নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল ভোটে ওড়িশা বিজয় বিজেপির। পদ্ম ঝড়ে খড়কুটোর মতো ভেসে গিয়েছে নবীন পট্টনায়েকের দল। রেকর্ডের দোরগোড়া থেকে ফিরে গেলেন নবীন। সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং রাজ করেছেন ২৪ বছর ১৬৫ দিন। আর নবীনের মুখ্যমন্ত্রিত্বের কাল ২৪ বছর ৮৮ দিন। ওড়িশায় (Odisha CM) নবীন ‘বধে’র পর সরকার গড়ার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে বিজেপি।

    কী বলছে ওড়িশা বিজেপি (Odisha CM)

    বিজেপির ওড়িশা সভাপতি মনমোহন সামল বুধবার বলেন, “বিজেডি সরকারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়েই লোকজন এই নির্বাচনে বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। এই নির্বাচন ছিল ওড়িয়া অশ্মিতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের। ওড়িশাবাসী বিজেপির আশ্বাসে ভরসা রেখেছেন। নয়া সরকার দ্রুত তাঁদের জন্য কাজ শুরু করে দেবে। ওড়িয়া নন এমন মুখ্যমন্ত্রীকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছেন, ভোট দিয়েছেন বিজেপির পক্ষে।” কেন্দ্রে তৃতীয় মোদি সরকার শপথ (Odisha CM) নেবেন ৮ জুন। পরের দিন শপথ নেওয়ার কথা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর।

    ওড়িশায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগেই জানিয়েছিলেন, ওড়িশায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে ১০ জুন। বিজেপির ওড়িশা সভাপতি জানান, ওড়িশায় মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবেন, এক-দুদিনের মধ্যেই সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে দলের সংসদীয় বোর্ড। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বেঁধে দেওয়া মাণদণ্ডের ভিত্তিতেই ওড়িশায় মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়া হবে। এই পদে কোনও ওড়িয়া নারী কিংবা পুরুষকেই বসানো হবে, যিনি ওড়িয়া সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবেন।”

    আর পড়ুন: এনডিএ শিবিরে তৎপরতা, সরকার গড়ার প্রস্তুতি সারা, শুক্রবারই রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি পেশ?

    সামল বলেন, “রাজ্যে যে স্বাস্থ্যকার্ড চালু রয়েছে, তা দ্রুত বদল করা হবে। ওড়িশায় চালু হবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। রাজ্যের বাইরে থাকা দেড় কোটি ওড়িয়াও এই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। বর্তমানে রাজ্যে যে বিস্কি (BSKY) চলে, তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষ পাঁচ লাখ টাকার একশো শতাংশই পাবেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনও সীমাবদ্ধতা থাকবে না। আয়ুষ্মান ভারত খুবই জনপ্রিয় একটি প্রকল্প। নয়া সরকার শপথ নেওয়ার পরেই এই প্রকল্প লাগু হবে।” সামল বলেন, “রত্ন ভাণ্ডার খোলাই হোক কিংবা শ্রীমন্দিরের গেট খোলা, প্যাডি এমএসপি কিংবা অন্য কিছু – শীঘ্রই শুরু হয়ে যাবে এসব কাজ (Odisha CM)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Post Poll Violence: বর্ধমান জেলা বিজেপির অফিসে হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর!

    Post Poll Violence: বর্ধমান জেলা বিজেপির অফিসে হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, একাধিক গাড়ি ভাঙচুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের পর জেলায় জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) অব্যাহত। এবার বর্ধমান বিজেপির জেলা অফিসে হামলার অভিযোগ উঠলো শাসকদলের বিরুদ্ধে। একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে ইট, লাঠি নিয়ে হামলা করেছে। কিন্তু কার্যালয়ে অশান্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই পার্টি অফিসের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    বিজেপির অভিযোগ (Post Poll Violence)

    বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতা সুমিত দত্ত বলেন, “ভোটের ফল প্রকাশের পর আজ বৃহস্পতিবার তৃণমূল আশ্রিত দুস্কৃতীরা আমাদের পার্টি অফিসের সামনে এসে হামলা (Post Poll Violence) চালায়। জেলা সভাপতির গাড়িতে ইট মারা হয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকেই জেলার বিভিন্ন জায়গার দলীয় কর্মীরা ঘর ছাড়া হয়ে পড়েছেন। আমাদের অনেক কর্মীরা পার্টি অফিসে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিন হামলার সময় আমাদের দলীয় কর্মীদের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বাইরে থেকে দলীয় কার্যালয় লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীরা প্রতিরোধ করলে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা পালিয়ে যায়।” বিজেপির আর এক নেতা দেবজ্যোতি সিংহ রায় বলেন, “বর্ধমান উত্তর বিধানসভা এলাকায় আজ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের বাইক মিছিল হয়। সেই মিছিল শেষে আমাদের পার্টি অফিসে হামলা করে।”

    পানীয় জলের লাইন কাটা হয়েছে!

    বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, “জেলার বিভিন্ন জায়গার বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা (Post Poll Violence) করা হচ্ছে। ভাতারে পানীয় জলের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। তিনি বলেন প্রশাসনের উপর ভরসা আছে। পুলিশের কাছে আমাদের আবেদন দুস্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ মিনাখাঁয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, চলল টিভি-ফ্রিজ লুটপাট, আতঙ্ক!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বর্ধমানের তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, “জেলায় বিজেপি সাফ হয়ে গেছে। তাই ওদের তৃণমূল কেন আক্রমণ (Post Poll Violence) করবে? বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে গোলমাল হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shopping Mall: অধিকাংশ দোকান খালি, ক্রেতা নেই বললেই চলে, কলকাতাতেও বাড়ছে ‘ভুতুড়ে শপিং মল’

    Shopping Mall: অধিকাংশ দোকান খালি, ক্রেতা নেই বললেই চলে, কলকাতাতেও বাড়ছে ‘ভুতুড়ে শপিং মল’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা ভারতবর্ষে বাড়ছে ভুতুড়ে শপিং মলের সংখ্যা, যাকে ইংরেজি পরিভাষায় ঘোস্ট শপিং মলও (Shopping Mall) বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন সার্ভে থেকে জানা গিয়েছে, এই ভুতুড়ে শপিং মলের সংখ্যা ২০২৩ সালে সব থেকে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২০২২ এর তুলনায় ৫৯ শতাংশ বেশি। অনেকের হয়তো মনে হতে পারে, এই ভুতুড়ে শপিং মল মানে শপিং মলে ভূতের উপদ্রব। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। সাধারণত যে শপিং মলগুলির অধিকাংশ দোকান খালি পড়ে থাকে এবং ক্রেতার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকাংশে কম হয়, সেগুলিকে সাধারণত ভুতুড়ে শপিং মল অথবা ঘোস্ট শপিং মল বলা হয়। এই ধরনের শপিং মলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া মানে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে যাওয়া। এই ধরনের শপিং মলের সংখ্যা বাড়তে থাকলে ভারতবর্ষ এক সময় কঠিন আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হবে। ‘থিঙ্ক ইন্ডিয়া থিঙ্ক রিটেইল ২০২৪: শপিং সেন্টার অ্যান্ড হাই স্ট্রিট ডায়নামিকস অ্যাক্রস ২৯ সিটি’ নামক এক  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভুতুড়ে শপিং মলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ২০২৩ সালে ভারতের মোট ৬৭০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    ঘোস্ট শপিং মলের কবল থেকে বাদ যায়নি কলকাতাও (Shopping Mall)

    সার্ভে রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, গোটা ভারতবর্ষের মধ্যে কলকাতার অবস্থা সব থেকে খারাপ। গোটা ভারতবর্ষের মধ্যে ভুতুড়ে শপিং মলের প্রসার সব থেকে বেশি ঘটেছে কলকাতার মধ্যেই। ২০২২ সালে কলকাতায় ইজারাযোগ্য জায়গার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৭ শতাংশের মতো। কলকাতায় এই ধরনের জায়গার পরিমাণ ছিল ৩ লক্ষ বর্গফুট, যা সাম্প্রতিক কালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লক্ষ বর্গফুটের কাছাকাছি। ২০২২ এ ভুতুড়ে শপিং মলের সংখ্যা কলকাতায় ছিল চারটি, যেখানে ২০২৩ এ আরও ২ টি যোগ হয়েছে।

    ভুতুড়ে শপিং মলের সংখ্যা দিনদিন বাড়ার কারণ কী? (Shopping Mall)

    গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে ভুতুড়ে শপিং মল বাড়ার পিছনে রয়েছে অসংখ্য কারণ। বিশেষজ্ঞদের মতে তার কিছু কারণ হল, শপিং মলগুলির (Shopping Mall) অবস্থানগত অসুবিধা। আবার দেখা গিয়েছে, আকার ছোট হওয়ার কারণেও ভুতুড়ে হয়ে উঠেছে শপিং মলগুলি। আর আকার ছোট হওয়ার কারণে বিভিন্ন বড় বড় ব্র্যান্ড শপিং মলে জায়গা পায় না। এছাড়াও আরও একটি বিশেষ কারণ হল, কোভিড মহামারীর পর মানুষ বিশেষ করে অনলাইন শপিংয়ে ঝুঁকে পড়েছে। মানুষ ভালো পণ্য কেনাকাটা করার জন্য বড় শপিংমলগুলিতে পা বাড়াচ্ছে। ফলে ছোট শপিং মলগুলি বাদ যাচ্ছে সেই তালিকা থেকে। আর সেই সব ছোট শপিং মলগুলি পরিণত হচ্ছে ঘোস্ট শপিং মলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: মিনাখাঁয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, চলল টিভি-ফ্রিজ লুটপাট, আতঙ্ক!

    Post Poll Violence: মিনাখাঁয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, চলল টিভি-ফ্রিজ লুটপাট, আতঙ্ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ভোট পরবর্তী হিংসার (Post Poll Violence) জেরে মিনাখাঁর আটপুকুর অঞ্চলের কচুরহূলো এলাকার ১১৩ নম্বর বুথে বিজেপি সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আনুমানিক ১০ থেকে ১২টি ঘর ভাঙচুর করার পাশাপাশি ওই এলাকা থেকে দুটি মোটর বাইক, তিনটি সাইকেল সহ একাধিক বাড়ি থেকে টিভি, ফ্রিজ নানা জিনিসপত্র লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে ওই এলাকার শতাধিক বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।

    বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য (Post Poll Violence)

    উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর আটপুকুরের আক্রান্ত এক বিজেপি কর্মী বলেছেন, “লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে পুলিশের প্রত্যক্ষ মদতে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের পরিবারের উপর আক্রমণ (Post Poll Violence) করেছে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার করছে। চলছে লুটপাট, বাড়ি ভাঙচুর। এমনকী আমাদের বাড়ির বাইকে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করছে তৃণমূল। নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে নিপীড়িত মানুষের জীবন এবং সম্পত্তিকে রক্ষা করা। দেশের গণতান্ত্রিক উৎসবে অংশ গ্রহণের পর, নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়াটা কি এই রাজ্যে অন্যায়? তৃণমূল স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে।”

    আরও পড়ুনঃ শিলিগুড়িতে ধরাশায়ী গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র! অধিকাংশ ওয়ার্ডে বাজিমাত করল বিজেপি

    তৃণমূলের বক্তব্য

    লোকসভার ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সন্ত্রাসের (Post Poll Violence) অভিযোগকে অস্বীকার করে মিনাখাঁ তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়, “বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিরোধিতার নামে চক্রান্ত করেছে বিজেপি। তৃণমূল ব্যাপক জনমত নিয়ে এই ভোটে জয়ী হয়েছে। বিজেপি নিজেদের মধ্যে টাকার ভাগাভাগি নিয়ে গোলমাল বাঁধিয়েছে। পুরোটাই একটা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূল এই ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবে যুক্ত নয়।” অপর দিকে বারাসত, মধ্যমগ্রাম, বারাকপুর, নিউটাউন, ক্যানিং, কোচবিহার, নদিয়া, বীরভূমের একাধিক এলাকায় ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope 07 June 2024: ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে

    Daily Horoscope 07 June 2024: ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) নিজের প্রতিভা প্রকাশের বিশেষ দিন। বন্ধুদের সাহায্য নিন।

    বৃষ

    ১) ধর্মালোচনায় আপনার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। সমাজে খ্যাতি বাড়বে।

    ২) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ রয়েছে।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীর দুর্বল হতে পারে।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়। কোথাও বের হলে সতর্ক থাকুন।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    তুলা

    ১) ভাল কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভাল হবে। লাভের মুখ দেখবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে। সতর্ক থাকুন।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে। অনেক দিনের ইচ্ছাপূরণ।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে। ডাক্তার দেখান।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি বজায় থাকবে।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ। সন্তানের সাফল্যে আনন্দিত হবেন।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে ধরাশায়ী গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র! অধিকাংশ ওয়ার্ডে বাজিমাত করল বিজেপি

    Siliguri: শিলিগুড়িতে ধরাশায়ী গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র! অধিকাংশ ওয়ার্ডে বাজিমাত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী না হয়েও দুটি লোকসভা আসনে পরাজিত শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। এর পরেও শিলিগুড়ির মেয়র পদে থাকার ক্ষেত্রে গৌতম দেবের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে দলের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। শুধু গৌতম দেবের ওয়ার্ড নয়, গোটা শিলিগুড়ি পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে বিজেপি।

    প্রার্থী না হয়েও কেন পরাজিত গৌতম দেব? (Siliguri)

    দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে রয়েছে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৩টি ওয়ার্ড। আর জলপাইগুড়ি লোকসভার অধীনে রয়েছে ১৪ টি ওয়ার্ড। শিলিগুড়ি পুরসভার তৃণমূলের দখলে থাকার পরেও ৪৬ টি ওয়ার্ডে বিজেপি বিপুল ভোটে লিড নিয়েছে। দার্জিলিং আসনে পুরসভার ৩৩  টি ওয়ার্ডে  গতবার ৬৫ হাজার ৪৮৬ ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। এবার তা বেড়ে ৬৬ হাজার ৯ ভোট হয়েছে। এরমধ্যে মেয়রের নিজের পাড়া ও ডেপুটি মেয়রের ওয়ার্ডও রয়েছে। একমাত্র ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সামান্য কিছু ভোটে তৃণমূল প্রার্থী লিড নিয়েছেন। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি আসনে শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত ১৪ টি ওয়ার্ডেও একই অবস্থা। মেয়র গৌতম দেবের নিজের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডেও তৃণমূল প্রার্থী পিছিয়ে রয়েছেন। এই ১৪ টি ওয়ার্ড ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে। এই এলাকায় দলের নির্বাচনী দায়িত্বে ছিলেন গৌতম দেব। এই বিধানসভা এলাকায় তিনি এর আগে ১০ বছর বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। তারপরেও এবার এই বিধানসভা এলাকায় বিজেপি ৭২ হাজার ২৪৫ ভোটে লিড নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, নদিয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    পুরসভা চালাতে ব্যর্থ মেয়র!

    মেয়র গৌতম দেব ও তাঁর কাউন্সিলারদের ব্যর্থতা ও ব্যবহারের জন্যই শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের এই ভরাডুবি বলে মনে করছেন দলের একাংশ। তৃণমূলের এক জেলা নেতা বলেন, “মেয়র হয়ে গৌতম দেব  নিজের সুবিধা ও প্রচার ছাড়া তিনি কিছু বোঝেন না। এবার নিজের মতো করে বিক্ষিপ্তভাবে ভোটের প্রচার করেছেন। কতটা প্রচার করছেন তা দেখানোর জন্য সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন। আর্থিক সঙ্কটের কারণে শহরে পরিষেবা যখন ব্যাহত হচ্ছে, তখন তিনি কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরসভার ঝাঁ চকচকে নতুন ভবন তৈরি করেছেন। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারের অনুকরণে নিজের চেম্বার বানিয়েছেন। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার ভালো নয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। এসবের কারণেই এই ভরাডুবি। ” দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল নেতৃত্বও নির্বাচনে গৌতম দেবের ভূমিকা নিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে রিপোর্ট দিচ্ছে।

    কী বলছেন মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র ২০০৯ সাল থেকে বিজেপির দখলে রয়েছে। এই আসনে আমরা কেন ভালো ভোট জোগাড় করতে পারছি না তা বুঝতে পারছি না। কেন এরকম বারবার হচ্ছে তা পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। জলপাইগুড়ি সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ফল নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share