Tag: Bengali news

Bengali news

  • CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে”, চোপড়া ইস্যু নিয়ে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) শিলিগুড়ি পৌঁছান। ঠিক ছিল সড়কপথে তিনি চোপড়া পৌঁছবেন। ঠিক ছিল, চোপড়াকাণ্ডের আক্রান্ত এবং তাঁদের পরিবারের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। কিন্তু, আচমকা তাঁর চোপড়া সফর বাতিল হয়ে যায়। তিনি ফের শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি ফিরে যান। তবে, আচমকা কেন তাঁর সফর বাতিল হল তা জানা যায়নি।

    চোপড়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা (CV Ananda Bose)

    এদিন শিলিগুড়ি সার্কিট হাউসে বসে চোপড়াকাণ্ড নিয়ে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। যেভাবে প্রকাশ্যে মহিলার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, “যে সমাজ মহিলাদের রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ সভ্যসমাজ বলে গণ্য হয় না। সরকারের সমর্থনে হিংসা চলছে রাজ্যে।” রাজ্যপালের এই বক্তব্যে তৃণমূল সরকার যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    চোপড়ায় ঠিক কী ঘটেছিল?

    রবিবারই চোপড়ার (Chopra Incident) লক্ষ্মীপুরে হওয়া একটি ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, এক তরুণ এবং এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে একছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন এক ব্যক্তি। মার খেতে খেতে  প্রায় গুটিয়ে যাওয়া তরুণীকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে আবার চলছে মার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মহিলা বিবাহিত। তবে, তিনি এক ব্যক্তির সঙ্গে চলে যান। পরে ফিরে এলে তাঁদের কাছে ১০ হাজার টাকা জরিমানা চাওয়া হয়। টাকা না দিলে এলাকায় (Chopra Incident) থাকতে দেওয়া হবে না ফতোয়া দেওয়া হয়। তার পরও সেই টাকা না দেওয়ায় রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় তাঁদের। পরে, জানা যায়, ভিডিও যিনি তাঁদের মারছিলেন, তাঁর নাম তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবি। তিনি তৃণমূল নেতা। তবে এলাকায় পরিচিত চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ বলে। আর এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    Rituparna Sengupta: ‘‘৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাই’’, রেশন দুর্নীতি মামলায় জানালেন ঋতুপর্ণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় আবারও নয়া মোড়। মঙ্গলবার ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পরই ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চেয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। 

    আগে কী ঘটেছিল? (Ration Scam) 

    রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ১৯ জুন ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যান অভিনেত্রী। পাঁচ ঘণ্টা পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে থেকে বেরিয়ে ঋতুপর্ণা দাবি করেছিলেন, ‘রেশন দুর্নীতি’র সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কাছে যা নথি চাওয়া হয়েছিল, তা তদন্তকারীদের দিতেই তিনি এসেছেন। ইডি সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কে লেনদেনের তথ্যর উপর নির্ভর করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিনেত্রীকে ইডি তলব করেছিল। কারন, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি। কিন্তু এর দুসপ্তাহের মধ্যেই এবার ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চাওয়ার কথা জানালেন ঋতুপর্ণা। 

    আরও পড়ুন: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    ঋতুপর্ণার বক্তব্য (Rituparna Sengupta) 

    এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী ইডি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, সিনেমার পারিশ্রমিক বাবদ তিনি ওই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ওই টাকা যে রেশন দুর্নীতির (Ration Scam), তা তিনি জানতেন না। আইনজীবী মারফত তিনি ইডির আধিকারিকদের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানিয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। তবে শুধু ঋতুপর্ণাই নয়, এর আগে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়, অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীও ইডিকে টাকা ফেরত দিয়েছেন।   
    উল্লেখ্য, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির আর্থিক নয়ছয়ের মামলায় নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর (Rituparna Sengupta)। ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেসময় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। আর এবার রেশন দুর্নীতিতে নাম জড়িয়ে ইডির মুখোমুখি অভিনেত্রী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lancet Global Study: অর্ধেক ভারতীয়ই শারীরিকভাবে ‘আনফিট’! দাবি ‘ল্যানসেট গ্লোবাল স্টাডি’ রিপোর্টের

    Lancet Global Study: অর্ধেক ভারতীয়ই শারীরিকভাবে ‘আনফিট’! দাবি ‘ল্যানসেট গ্লোবাল স্টাডি’ রিপোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়দের ফিটনেস নিয়ে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে গ্লোবাল হেলথ জার্নালে। ল্যানসেট গ্লোবাল স্টাডির (Lancet Global Study) ওই সমীক্ষা অনুসারে, অর্ধেক ভারতীয়ই শারীরিকভাবে ‘আনফিট’। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন তথ্য রীতিমতো উদ্বেগের। ওই সমীক্ষায় আরও দেখা গিয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়দের মধ্যে অর্ধেকের চেয়ে বেশি সংখ্যক নাগরিকই পর্যাপ্ত পরিমাণে শরীর চর্চা করেন না এবং শরীর চর্চার ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও-এর যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা কোনওভাবেই তাঁরা মেনে চলেন না। যার কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়ছেন তাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষমতার দিক থেকে ভারতীয় পুরুষদের থেকে মহিলাদের হার অনেক বেশি। ওই রিপোর্ট অনুসারে দেখা যাচ্ছে, পুরুষদের মধ্যে শারীরিকভাবে আনফিট ৪২ শতাংশ এবং মহিলাদের মধ্যে এই সংখ্যা ৫৭ শতাংশ অর্থাৎ পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের শারীরিক অক্ষমতার হার বেশি।

    ২০৩০ সালের মধ্যে ৬০ শতাংশ ভারতীয় নাগরিকই শারীরিক সক্ষমতা হারাবেন!

    সবচেয়ে উদ্বেগ ওই সমীক্ষায় (Lancet Global Study) প্রকাশিত হয়েছে যে প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়দের মধ্যে শরীরচর্চার প্রবণতা একেবারেই নেই। শরীরচর্চার বিষয়ে অবহেলা করেন তাঁরা। রিপোর্টে আরও দেখা যাচ্ছে, ২০০০ সালে পুরুষদের মধ্যে শরীরচর্চা করতেন না ২২.৩ শতাংশ। ২০২২ সালে সেই হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯.৩ শতাংশ। অর্থাৎ উদ্বেগজনক ভাবে রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৬০ শতাংশ ভারতীয় নাগরিকই শারীরিক সক্ষমতা হারাবেন, শরীরচর্চা না করার জন্য।

    শরীরচর্চা নিয়ে কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO Health Guidelines)

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ (WHO Health Guidelines) সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিটের শরীরচর্চা করার সুপারিশ করে। প্রতিদিন গড়ে ২০ মিনিটের শরীরচর্চা যেকোনও ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে সক্ষম করে তুলতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও জানিয়েছে, শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয়তার কারণেই প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে হৃদরোগের সম্ভাবনা (Lancet Global Study) বেড়েই চলেছে। বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, টাইপ টু ডায়াবেটিস, ডিমনেশিয়া এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি।

    ল্যানসেট গ্লোবাল স্টাডি (Lancet Global Study), ১৯৫ দেশের ওপর এই সমীক্ষা চালিয়েছিল

    ল্যানসেট গ্লোবাল স্টাডি (Lancet Global Study), ১৯৫ দেশের ওপর এই সমীক্ষা চালিয়েছিল। সমীক্ষাতে দেখা গিয়েছে, তালিকায় ভারত গোটা বিশ্বে ১২তম স্থান অধিকার করেছে। বিশ্বব্যাপী প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশই শরীর চর্চা করেন না বলে ওই রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৮০ কোটি মানুষ ২০২২ সালে শরীরচর্চার কোনও নির্দেশিকা মানেনি। শরীরচর্চার বিষয়ে সবথেকে বেশি অবহেলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরী অঞ্চলে। যেখানে ৪৮ শতাংশ মানুষই শরীরচর্চার বিষয়ে অবহেলা করেন। পশ্চিমীদেশ গুলোতে এই হার ২৮ শতাংশ। এবিষয়ে ডাক্তার প্রজ্ঞা শুক্লা বলেন, ‘‘যুব সমাজের মধ্যে ক্যান্সারের প্রবণতা বাড়ছে। শরীরচর্চা না করার জন্য।’’ একই মত ভারতীয় ডাক্তার অনুপ সারিয়ারও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra: ২৮ জুন বসেছিল জেসিবির ‘ইনসাফ’ সভা! নির্যাতনের ঘটনা কার নির্দেশে ২ দিন চাপা ছিল?

    Chopra: ২৮ জুন বসেছিল জেসিবির ‘ইনসাফ’ সভা! নির্যাতনের ঘটনা কার নির্দেশে ২ দিন চাপা ছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ায় (Chopra) মহিলা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল ২৮ জুন। কিন্তু এই ঘটনার ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ৩০ জুন, রবিবার। প্রশ্ন উঠেছে দুদিন ধরে এত বড় ঘটনা কার নির্দেশে চাপা ছিল? কার ভয়ে এই কথা প্রকাশ্যে আসেনি? ইতিমধ্যে এই প্রশ্ন এখন সকলের মুখে। যদিও মূল অপরাধী জেসিবি তাজমুলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার আদালতে তোলা হলে, বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কেসের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল।

    ইনসাফ সালিশি সভা(Chopra)!

    সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেছেন, “যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি এসআই, তাঁর নাম সঞ্জিত ঘোষ। তাঁর বক্তব্য তিনি একটি ভিডিও ক্লিপ পান, যেখানে দেখা গিয়েছে, একজন ব্যক্তি অপর আরেক মহিলা এবং পুরুষকে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারছেন। এরপর তদন্ত শুরু করেন। জানা গিয়েছে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ইনসাফ নামে একটি সালিশি সভা বসেছিল গত ২৮ জুন তারিখে। তবে এই ঘটনায় জেসিবির (JCB) প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ছিল। নিজে খুব খারাপ ভাষায় কথা বলছিলেন এবং এরপর মারধর করেন।” আইনজীবী আরও বলেছেন, “অভিযুক্ত জেসিবির নামে আরও ১২টি মামলা রয়েছে।” এখন প্রশ্ন উঠছে এইরকম এক ব্যক্তিকে নিয়ে প্রশাসন কেন কোনও সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেনি? নাকি শাসক দলের হাত তাঁর মাথায় ছিল? কোন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার হাত ওঁর মাথায় রয়েছে, তাই এখন সংবাদ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছে। যদিও জেসিবির সম্পর্কে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান ও জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল আগেই সাফাই দিয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য (Chopra)

    ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি থমাস বলেন, “আমরা ভাইরাল ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে একজনকে (JCB) গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় (Chopra) যারা জড়িত তাদের কাউকে ছাড়া হবে না। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেই।”

    আরও পড়ুনঃ জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মুসলিম রাষ্ট্রের সামজিক আচার-বিচার

    ঘটনায় চোপড়ার (Chopra) তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ব্যাখ্যা আরও ভয়ানক ছিল। তিনি বলেছিলেন, “মুসলিম রাষ্ট্রের সামজিক আচার-বিচার হয়েই থাকে। সমাজকে খারাপ করছিল। তাই গ্রামে সালিশি বসানো হয়েছিল। তাই শাসন করতে গিয়েছিল। কিন্তু যেটা করেছে, একটু বেশি বেশি করে দিয়েছে। তার জন্য আমরাও দুঃখিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    PM Modi: রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন মোদি, আমেরিকাকে ঠিক কোন বার্তা দিতে চাইছে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে ‘আক্রমণাত্মক খেলতে’ চাইছে নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের সিংহভাগের মতে, সেই কারণেই তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েই রাশিয়া (Russia) সফরে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।

    ভারত-রাশিয়ার পুরানো বন্ধুত্ব (PM modi)

    রাশিয়া ভারতের দীর্ঘদিনের পুরানো বন্ধু। ঠান্ডা যুদ্ধের যুগে যে বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল, সেই বন্ধুত্ব আজও অটুট। অথচ এই সময়ের মধ্যে বদলেছে বিশ্বের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। পরিবর্তন হয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রেক্ষাপট। শুরু হয়েছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভর করে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে রাশিয়ার অর্থনীতি, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় সেই তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে পাশ্চাত্যের বহু দেশ। ভারত যাতে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল না কেনে, সে চেষ্টাও করেছিল জো বাইডেনের দেশ।

    অপ্রতিরোধ্য মোদির ভারত!

    অবশ্য তার পরেও রোখা যায়নি নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভারতকে। বিপদের সময় স্বার্থপরের মতো ছেড়ে দেয়নি মস্কোর বন্ধুত্বের হাত। বরং আমেরিকার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিয়মিত তেল কিনে গিয়েছে নয়াদিল্লি। এবং এখনও তেল কিনে চলেছে। যার জেরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বের সম্পর্ক হয়েছে আরও মজবুত। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণেই তৃতীয়বার দিল্লির কুর্সিতে বসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাচ্ছেন রাশিয়া সফরে। এতে এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মারার চেষ্টা করছেন পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই রাশিয়া সফরে এক দিকে যেমন বার্তা দেওয়া যাবে আমেরিকাকে, তেমনি রাশিয়াকে বুঝিয়ে দেওয়া যাবে ফিকে হয়ে যায়নি ভারত-রাশিয়ার সম্পর্কও।

    ভারতকে পাশে পেতে মুখিয়ে সবাই

    মোদি জমানায় ভারত (PM Modi) হয়ে উঠেছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্রশক্তি। তাই মোদির ভারতকে পাশে পেতে মুখিয়ে বিশ্বের বহু দেশ। ভারতের মজবুত অর্থনীতি, এ দেশের বিশাল বাজার, তরুণ কর্মশক্তির প্রতুলতা এবং অবশ্যই উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে বর্তমানে ভারতকে সমঝে চলতে শুরু করেছে বিশ্বের বহু দেশ। এহেন আবহেই তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই মোদি ছুটছেন মস্কোয়। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েও মোদি গিয়েছিলেন রাশিয়ায়। বৈঠক করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। আগামী ৮ জুলাই আবারও রাশিয়া সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। মস্কোভা নদীর (Russia) পাড়ে ফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে মোদি-পুতিনের।

    নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্ক তলানিতে

    উনিশে মোদির রাশিয়া সফরের পরেই ভারতের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ঘনিষ্ঠ হয়েছিল বন্ধুত্ব। প্রেসিডেন্ট পদে বাইডেন বসার পরে মজবুত হয়েছিল সেই বন্ধুত্বও। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই পর্বে আমেরিকা ও রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রেখে চলেছিল নয়াদিল্লি। তাল কাটল মাস কয়েক আগে। খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরুপতবন্ত সিং পান্নুনকে খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভারতের দিকে আঙুল তোলে আমেরিকা। পান্নুনকে হত্যার পরিকল্পনা কারা করেছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে বাইডেন প্রশাসন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এক ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলার চার্জশিটে তদন্তকারীরা ভারত সরকারের এক পদস্থ আধিকারিকের কথাও উল্লেখ করেছেন। যদিও নাম না করে চার্জশিটে তাঁকে সিসি-১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিসি-১ এর পরিচয় প্রকাশ না করে ভারতকে চাপে রাখতে চাইছে ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এমতাবস্থায় শপথ নিয়েই প্রথমে রাশিয়া সফরের সিদ্ধান্ত নিয়ে বাইডেন প্রশাসনকে বার্তা দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (PM Modi)।

    ‘বন্ধুত্বে’র চুক্তি!

    ২০০০ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে। এই চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর একবার করে দেখা করবেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ২০১৯ সাল পর্যন্ত একবারের জন্যও ব্যত্যয় হয়নি এই চুক্তির। অতিমারীর কারণে ২০২০ সালে এই বৈঠক হয়নি। তবে তার পরের বছরই ভারত সফরে এসেছিলেন পুতিন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন মোদি-পুতিন। তার পরেই ছেদ পড়ে এই প্রথায়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, পান্নুনকাণ্ডের জেরে যখন ভারতকে চাপে রাখার কৌশল নিয়েছে বাইডেন প্রশাসন, তখন রাশিয়া সফরের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ওয়াশিংটনকে পাল্টা চাপে রাখতে চাইছে মোদি সরকার। এর পাশাপাশি ভারত যে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক নীতির পক্ষেই সেই বার্তাও দিয়ে দিল নয়াদিল্লি।

    আর পড়ুন: এবছর জগন্নাথ ধামে হবে না ‘নব যৌবন’ দর্শন, বিকেলে গড়াবে রথের চাকা, কেন জানেন?

    এই সফরেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন মোদি-পুতিন। দুই দেশই চাইছে প্রতিরক্ষা ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রসারিত হোক বাণিজ্যিক সম্পর্ক। জ্বালানি, ওষুধপত্র, পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও দুই দেশই বাড়াক সহযোগিতার হাত। এমন ব্যবস্থা হোক, যাতে সুরক্ষিত হয় ভারত-রাশিয়া দুই দেশেরই স্বার্থ। মোদির এ বারের রাশিয়া সফরে আরও একটি বিষয় প্রাধান্য পেতে পারে। রাষ্ট্রসংঘে স্থায়ী সদস্যপদের দাবিদার ভারত। তবে চিনের ‘ভেটো’ প্রয়োগের জেরে বারংবার বাড়া ভাতে ছাই পড়ছে ভারতের। অথচ রাশিয়া চাইছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক নয়াদিল্লি। এই বিষয়েও এবার আলোচনা হতে পারে দুই দেশের। আলোচনায় উঠতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি এবং স্পেস টেকনোলজি নিয়েও। এই সব বিষয়ে ভারত-রাশিয়া (Russia) সহযোগিতার হাত বাড়ালে তা যে আমেরিকার চক্ষুশূল হবে, তা বলাই বাহুল্য। কারণ মস্কোর পাশাপাশি ওয়াশিংটনও যে মোদির (PM Modi) হাত ধরতে ব্যাকুল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    Tamluk: চোর সন্দেহে শিশুসহ দুই মহিলাকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি, তমলুকে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও ছেলেধরা সন্দেহে, কখনও শিশু চুরির ঘটনায় গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে রাজ্যে। এবার ঘটনাস্থল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) নিশ্চিন্তবসান গ্রাম। চোর সন্দেহে দুই মহিলা এবং এক শিশুকে পিছমোড়া করে বেঁধে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠল গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীপালি বেরা নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে দুই অপরিচিত মহিলা ঢুকে চুরি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। দীপালি বলেন, “সোমবার দুপুরে দুই মহিলা একটি বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাড়ির সামনে আসে। এক জন শিশুটিকে নিয়ে বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকলেও অন্য মহিলা বাড়ির ভিতরে ঢুকে  পড়ে। সোনার গয়না হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে। চোখের সামনে দেখে আমি চিৎকার করি। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা আমার বাড়িতে ছুটে আসেন। সেই সময় অভিযুক্ত মহিলাকে ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপরই তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে আমার গয়নার ব্যাগ উদ্ধার হয়।” জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর গ্রামবাসীদের কয়েকজন দুই মহিলাসহ তিনজনকে পিছমোড়া করে বেঁধে বেধড়ক মারধর চলে। ওই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় তমলুক থানার পুলিশ। তারা দুই মহিলা-সহ শিশুকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মহিলার চিৎকার শুনে আমরা ছুটে যাই। বাড়ি থেকে অপরিচিত মহিলা দুজনকে দেখে আমরা চেপে ধরি। তাদের কাছে থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রী পাওয়া যায়। এরপরই উত্তেজিত হয়ে তাদের ওপর চড়াও (Lynching) হয় এলাকার লোকজন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্তেরা দলবেঁধে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তারা আর কোথাও এই ধরনের কাজ করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর ওই দলে আর কোনও সদস্য রয়েছেন কি না, সে সম্পর্কে পুলিশ খোঁজখবর চালাচ্ছে। আর কারা হামলা (Lynching) চালাল সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Purba Bardhaman: জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুন কেতুগ্রামে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত জুতোপেটা করে বৃদ্ধাকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতাকে। অভিযুক্তকে পূর্ববর্ধমানের (Purba Bardhaman) কেতুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ আচার্য। তাঁর বাড়ি নৈহাটি নামক গ্রামে। তিনি এলাকার তৃণমূল (TMC) পঞ্চায়েত সদস্য। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেল হফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Purba Bardhaman)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার দুপুরের ঘটনা। সীতাহাটি (Purba Bardhaman) পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দুটি গ্রাম এনায়েতপুর এবং নৈহাটি। এনায়েতপুরের বাসিন্দা ইতি দাস এবং দীপক দাসের মেয়ে সম্পর্কে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মা অবশ্য জানতে পারেন নৈহাটি গ্রামের এক বাসিন্দার বাড়িতে রয়েছেন মেয়ে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই বাড়ি থেকে মেয়েকে আনতে গেলে, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে ওই বাড়িরই লোকজন। দ্বিতীয়বার ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে আনতে গেলে বিশ্বজিৎ আচার্য, ইতির মা ইন্দুবালালকে জুতো খুলে ব্যাপক মারধর করেন। এরপর অসুস্থ অবস্থায় মৃত্যু হয় বৃদ্ধার।

    তোমার বাড়ির মেয়ে হলে কী করতে?

    পরিবারের (Purba Bardhaman) পক্ষ থেকে ইতি দাস বলেছেন, “মায়ের কথাতে আমি ওই বাড়িতে যাই। তখনও বিশ্বজিৎ আচার্য আমাদের সামনে এসে গালিগালাজ করতে থাকেন। ওই রূপ দেখে মা বলে ফেলেন, গাধা কোথাকার! তোমার বাড়ির মেয়ে হলে কী করতে? এ কথা বলার পরেই বিশ্বজিৎ মাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েই জুতো খুলে বুকে মারতে থাকেন। এরপর মা আর উঠতে পারেননি। ওখানেই মৃত্যু হয়। তৃণমূল নেতা বিশ্বজিতের মারের আঘাতেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হয়েছি। অভিযুক্তকে রবিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    বৃদ্ধার হার্টের অসুখ ছিল (Purba Bardhaman)

    পাল্টা কেতুগ্রাম-২ (Purba Bardhaman) তৃণমূল (TMC) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেছেন, “শুনেছি আগে থেকে বৃদ্ধার হার্টের অসুখ ছিল। আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যকে ফাঁসনো হয়েছে।” পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করলেও আরও ২ জনের সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    PM Modi: মস্কো সফরের পরেই ভিয়েনা যাওয়ার পরিকল্পনা মোদির! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে অস্ট্রিয়া (Austria) যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। প্রস্তাবিত মস্কো সফরের পর ভিয়েনা (Vienna) যেতে পারেন বলে খবর। অর্থাৎ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক সেরেই ইউরোপীয় দেশটির রাজধানী ভিয়েনায় (Vienna) যাবেন তিনি। একদিন সেখানে থাকবেন। সেই সফরে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর কার্ল নেহামারের সঙ্গে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন নমো। প্রায় চার দশক ধরে ইউরোপের এই দেশটিতে পা রাখেননি ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রী। ১৯৮৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী শেষবার অস্ট্রিয়া গিয়েছিলেন। আর তারপর প্রায় ৪১ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি অস্ট্রিয়া যাচ্ছেন। 

    এই সফরের লক্ষ্য কী? (PM Modi) 

    কূটনৈতিক সূত্রে খবর, মোদি সে দেশে গেলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি ভারতের স্টার্ট আপ, উৎপাদন ক্ষেত্র, তথ্যপ্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে অস্ট্রিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো সফরের অন্যতম লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রীর। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মোট ৩৫টি ভারতীয় প্রযুক্তি সংস্থা রয়েছে অস্ট্রিয়ায়। ভারতে বিশেষ করে প্রযুক্তির শহর বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রিয়ার লগ্নির জন্য মোদির (PM Modi) এই সফর গুরুত্বপূর্ণ। যদিও অস্ট্রিয়া নেটো’র সদস্য রাষ্ট্র নয়। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের আবহে তারাও রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক এবং বাণিজ্য সম্পর্ক বহাল রেখেছে। তবে তারা প্রকাশ্যে রাশিয়াকে ভৎর্সনাও করেছে, একতরফা ভাবে ইউক্রেনের উপর হামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য। পাশাপাশি রাজনৈতিক সমাধানও খুঁজছে যুদ্ধ বন্ধের। বিশ্বের রণকৌশলগত খেলায় কিছুটা সংযোগ রয়েছে ভারত এবং অস্ট্রিয়ার। 

    ইন্দিরা গান্ধীর অস্ট্রিয়া সফর

    প্রসঙ্গত, ভারত ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১০ নভেম্বর, ১৯৪৯ সালে। এরপর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ১৯৮৩ সালে অস্ট্রিয়া সফর করেছিলেন, এবং ১৯৮৪ সালে তৎকালীন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর, ফ্রেড সিনোওয়াটজ ভারত সফর করেছিলেন। যদিও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হেইঞ্জ ফিশার, ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে একটি রাষ্ট্রীয় সফরের প্রতিদান দিয়েছিলেন। তারপরের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলও ২০১১ সালে ৪-৭ অক্টোবর অস্ট্রিয়াতে একটি রাষ্ট্রীয় সফর করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটি হবে মস্কোতে মোদির (PM Modi) প্রথম সফর। শেষবার ২০১৯ সালে তিনি রাশিয়া সফর করেছিলেন। তবে ২০০০ সাল থেকে ভারতীয় ও রাশিয়ান নেতাদের মধ্যে বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকের আদলে এটি একটি স্বতন্ত্র সফর হবে। মোদি এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে শেষ ব্যক্তিগত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে উজবেকিস্তানের সমরকন্দে হয়েছিল। যদিও ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তাদের শেষ বার্ষিক সম্মেলনের পর থেকে আড়াই বছরে, মোদি এবং পুতিন অন্তত ১০টি টেলিফোন কথোপকথনের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    Chopra Incident: ‘মুসলিম রাষ্ট্র’ মন্তব্যের জের, চোপড়ার বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার (Chopra Incident) ঘটনা নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। আর এই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ‘দুশ্চরিত্র’ তকমা দেগে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। শুধু তাই নয়, বিধায়কের বক্তব্যে উঠে এসেছে ‘মুসলিম রাষ্ট্রের সামাজিক আচার বিচারের’ প্রসঙ্গও। আর এসবের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Chopra Incident)

    শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যের সম্প্রীতির বাতাবরণ নষ্ট করার জন্যই প্রকাশ্যে ওই মন্তব্য করা হয়েছে। ওই মন্তব্য শুধুমাত্র দেশের সংবিধানকেই (Chopra Incident) অপমান করে না, সঙ্গে ওই মন্তব্যের মাধ্যমে অশান্তির উদ্রেক হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় ওই মন্তব্যের জন্য বিধায়ক হামিদুল রহমানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    ঠিক কী বলেছিলেন চোপড়ার বিধায়ক?

    রবিবার চোপড়ার ভিডিও (Chopra Incident) ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, জেসিবি নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ যুবক প্রকাশ্যে এক তরুণী এবং এক যুবককে নৃশংসভাবে মারধর করছে। সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় বইয়ে গিয়েছে। সরব হয়েছে বিজেপিও (BJP)। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেছিলেন, “মহিলাটি স্বামী ছাড়া অসামাজিক কাজকর্ম করছিলেন। অসামাজিক কাজে গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসেছিল। গ্রাম্য বৈঠকে যা হয়, সেই অনুপাতে বিচার-আচার হয়েছে। আমরাও বলছি না যে ভুল হয়নি। ভুল হয়েছে কিছুটা। গ্রামবাসীরা মিলে এটা করেছে। আমরা দেখছি বিষয়টি। যা হয়েছে সেটা বেশি বেশিই হয়েছে। এর জন্য আমরা দুঃখিত। আগামী দিনে যাতে এটা না হয়, সেটা আমরা চেষ্টা করব। তবে, অন্যায় তো মেয়েটাও করেছে। নিজের স্বামী, ছেলে-মেয়েকে বাদ দিয়ে দুশ্চরিত্রবান হয়েছে। মুসলিম রাষ্ট্রে সামাজিক আচার-বিচার হয়ে থাকে। কিন্তু, বিচারটা যেভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেটা না হয়ে বেশি বেশি হয়ে গিয়েছে।”মুসলিম রাষ্ট্র বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তবে, তাঁর মন্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই বক্তব্য নিয়ে আইনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    Hindenburg: আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত রিপোর্টকাণ্ডে হিন্ডেনবার্গকে কারণ দর্শানোর নোটিশ সেবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চকে শোকজ নোটিশ পাঠাল সেবি। আদানি গ্রুপ সংক্রান্ত যে রিপোর্ট হিন্ডেনবার্গ প্রকাশ করেছিল সে বিষয়েই এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছে সংস্থা। এ বিষয়ে তাদের ব্লগে পোস্টও করা হয়েছে আজ অর্থাৎ ২ জুলাই। মোট ৪৬ পাতার ওই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে গত ২৭ জুন। এটাই জানিয়েছে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg)।

    নোটিশের সারমর্ম

    জানা গিয়েছে, ওই নোটিশের সারমর্ম হল, শর্ট-সেলার বিষয়ে ভারতের নিয়মবিধিকে লঙ্ঘন করা। ওই নোটিশে হিন্ডেনবার্গ সংস্থার সঙ্গে আদানি গ্রুপে বিনিয়োগকারী এক ব্যক্তির সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওই নোটিশে আরও বলা হয়েছে, সেবির নিয়মবিধি লঙ্ঘন করেছে হিন্ডেনবার্গ। সেবির প্রতারণামূলক এবং অন্যায্য ব্যবসায়িক পন্থা অবলম্বন রোধ নিয়ন্ত্রণ আইনকে হিন্ডেনবার্গ লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ।

    সেবি (SEBI) কোনও অনিয়ম খুঁজে পায়নি

    হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ (Hindenburg) আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারের দাম প্রভাবিত করা সহ অনেক গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। এরপর হিন্ডেনবার্গ বিতর্কের জল অনেক দূর গড়ায়। প্রভাব পড়ে আদানিদের একাধিক সংস্থাতেও। বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি তদন্ত করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ রিপোর্টে করা আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা অনিয়মের অভিযোগ সত্য নয়।

    এই হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ কারা? 

    এক কথায় বলতে গেলে হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ একটি বিনিয়োগ গবেষণা সংস্থা। তাদের মূল লক্ষ্য হল শর্ট-সেলিংয়কে কাজে লাগিয়ে মুনাফা করা। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতার নাম নাথান অ্যান্ডারসন। সংস্থার সদর দফতর নিউ ইয়র্কে। ১৯৩৭ সালে মার্কিন বাজারে একটি আর্থিক কেলেঙ্কারি সংঘটিত হয়। তার নাম ছিল ‘হিন্ডেনবার্গ কাণ্ড’। জানা যায়, সেই ঘটনার সূত্রেই নিজের সংস্থার নাম দিয়েছেন নাথান। সংস্থার লক্ষ্য, এমন সব আর্থিক ফাঁক খুঁজে বের করা, যা ধরতে পারলে, আগে থেকেই বিপর্যয়ের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা যায়।

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সামনে আসে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকার শেয়ার লেনদেন এবং গবেষণাকারী সংস্থা হিন্ডেনবার্গ (Hindenburg) রিসার্চ কৃত্রিম ভাবে শেয়ার দর বাড়িয়ে প্রতারণা এবং বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ তুলেছিল আদানি গোষ্ঠির সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই তদন্তে নামে শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি। চলতি বছরের মে মাসে এই প্রেক্ষিতে গৌতম আদানির নথিভুক্ত ১০টি সংস্থার মধ্যে সাতটির বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি করে সেবি (SEBI)। ঠিক তার দুমাসের মাথায় হিন্ডেনবার্গকে নোটিশ ধরাল সেবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share