Tag: Bengali news

Bengali news

  • Supreme Court: “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় আমরাই আতঙ্কিত”, সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    Supreme Court: “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় আমরাই আতঙ্কিত”, সুপ্রিম কোর্টে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কোর্টকে বুধবার সাফ কথায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলেছে,“ইডিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি বরং বাংলায় ইডিই আতঙ্কিত হয়েছে।” অপর দিকে ইডির পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথার ইডিকে টার্গেট করে বলেন, “অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে।”

    গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং দফতরে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ওই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তে বাধা এবং নথি কেড়ে নিয়ে যান। এই ভাবে তদন্তকে প্রভাবিত করার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইডি।

    শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এদিন বিচারপতি হিসেবে ছিলেন, প্রশান্ত কুমার মিশ্র, বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন। ইডির পক্ষে প্রশ্ন তোলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু। এর আগে মমতার আইনজীবী কপিল সিব্বলের অসুস্থতার জন্য শুনানি একবার স্থগিত রাখা হয়েছিল। এরপর আদালত ১৮ ফেব্রিয়ারি পরবর্তী শুনানি ঘোষণা হয়। এদিন সলিসেটার জেলারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, ইডি শুনানির দিনেই ইডি হলফনামা জারি করে। এরপর ১৮ মার্চ পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

    পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে মমতার (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ইডি জানিয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি করেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ চাই।” যদিও কোর্টের তরফে ১৫ জানুয়ারি একটি নির্দেশনামায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের দায়ের করা এফআইআর-এর উপর স্থগিতাদেশ দেয়। সেই সঙ্গে ৮ জানুয়ারি তল্লাশি অভিযান দিনের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল রেকর্ড সংগ্রহ করতে বলা হয়।

    দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত আইপ্যাক কর্তা

    ওপরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আইনজীবী আদালতে (Supreme Court) নিজেদের হালফ নামা দিয়ে জানায়, তৃণমূল কংগ্রেসের গোপন এবং মালিকানাধীন তথ্য উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হয়, গত ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে আই প্যাকের সহ প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে এবং বিধাননগরে ভারতীয় কর্ম কমিটির আইপ্যাক দফতরে তল্লাশির সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে বলে খবর পান। মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তথ্য এবং ডিভাইসগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তদন্তকারী অফিসাররা পাত্তা দেননি। এরপর বাধ্য হয়ে নিজের কিছু ডিভাইস নিয়ে চলে যান। এখানে যাকে অভিযুক্ত বলা হচ্ছে তিনি কোন মামলায় অভিযুক্ত নন ফলে দলের মালিকানাধীন তথ্যের উপর ইডির কোনও অধিকার নেই। ২০২৬ সালের আগে এই ভাবে ইডির এই অভিযান অত্যন্ত উদ্দেশ্য প্রণেদিত। এই অফিসে আইপ্যাকের দফতরে আসন্ন নির্বাচনের তালিকা এবং আরও নথি ছিল। এক প্রকার ইডির এই ভাবনা গোপন রাজনৈতিক তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্য নিয়ে তল্লাশি চালানো।

  • NGT: আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত নিকোবর দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প

    NGT: আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত নিকোবর দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়সড় আইনি বাধার পাহাড় পার হল নয়াদিল্লির সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী কৌশলগত দ্বীপ উন্নয়ন প্রকল্প। এটি রয়েছে (NGT) ভারতের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত ইন্দিরা পয়েন্ট থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে (Andaman Island China Trade)। এটি রয়েছে বিশ্বের ব্যস্ততম সমুদ্রপথগুলির নাগালের মধ্যেই। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল (এনজিটি) ৮১ হাজার কোটি টাকার গ্রেট নিকোবর মেগা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিবেশগত ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপ করতে রাজি নয় জানিয়ে প্রকল্পের পথ পরিষ্কার করে দিয়েছে।

    ‘হংকং’ গড়ার স্বপ্ন (NGT)

    প্রসঙ্গত, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধীরা একসময় এই প্রকল্পকে ‘অপরিণত এবং ভুল পরিকল্পিত’ বলে অভিহিত করেছিল। তবে এনজিটির এই রায় আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারতের ‘হংকং’ গড়ার স্বপ্ন—গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। লক্ষ্য হল, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ প্রান্তে একটি ট্রান্সশিপমেন্ট ও লজিস্টিকস হাব গড়ে তোলা, যা চিনের জন্য হংকং যে ভূমিকা পালন করেছে, ভারতের জন্যও তেমন ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্র ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প বাণিজ্য প্রবাহকে শক্তিশালী করবে, বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং মালাক্কা প্রণালীর নিকটবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথে ভারতের সামুদ্রিক শক্তির উপস্থিতি জোরদার করবে (Andaman Island China Trade)।

    উদ্বেগের অবসান

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী পরিবেশ ও আদিবাসী অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। একাধিক আবেদনে উপকূলীয় নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয় এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ছয় সদস্যের এনজিটি বিশেষ বেঞ্চ রায়ে জানায়, “ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপের মতো উপযুক্ত কারণ তারা পায়নি।” বেঞ্চ প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়ে বলেছে যে যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে একগুচ্ছ আইনি চ্যালেঞ্জের নিষ্পত্তি হয়েছে। এনজিটির চেয়ারপার্সন বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের নেতৃত্বাধীন বিশেষ বেঞ্চ জানায়, ২০২২ সালে প্রদত্ত পরিবেশগত ছাড়পত্রে হস্তক্ষেপের যথার্থ ভিত্তি নেই। ছাড়পত্রের শর্তাবলীতে যথেষ্ট সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করে। বেঞ্চ এই বিষয়টিকে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখেছে। তাদের মতে, প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না, আবার আইল্যান্ড কোস্টাল রেগুলেশন জোন (আইসিআরজেড) বিধিও উপেক্ষা করা যায় না (NGT)।

    এইচপিসির রিপোর্ট

    এনজিটি একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির (এইচপিসি) প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন পরিবেশ সচিব লীনা নন্দন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে এনজিটির নির্দেশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল পরিবেশগত ছাড়পত্রের কিছু বিষয় পুনর্বিবেচনার জন্য। প্রকল্পের কোনও অংশ নিষিদ্ধ আইসিআরজেড অঞ্চলে পড়ে কি না, সে বিষয়ে এনজিটি জানিয়ে দিয়েছে, প্রকল্পের কোনও অংশই নিষিদ্ধ অঞ্চলের মধ্যে পড়ে না (Andaman Island China Trade)। আইসিআরজেড হল কেন্দ্রের জারি করা পরিবেশগত বিধিমালা, যা বিশেষ করে আন্দামান-নিকোবর ও লক্ষদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জের উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রণীত। পরিবেশ সুরক্ষা আইনের অধীনে জারি হওয়া এই বিধিতে উপকূলীয় এলাকাকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে, যেমন আইসিআরজেড-১, যা পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেখানে নির্মাণ ও বাণিজ্যিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

    এনজিটির বিশেষ বেঞ্চ

    এনজিটির বিশেষ বেঞ্চ জানায়, পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্তাবলী আবেদনে উত্থাপিত উদ্বেগের যথাযথভাবে সমাধান করেছে। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সরকারকে আরোপিত শর্ত কঠোরভাবে মানতে হবে (NGT)। ১৬৬ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত গ্রেট নিকোবর প্রকল্প সাম্প্রতিক বছরগুলির অন্যতম বৃহৎ গ্রিনফিল্ড পরিকাঠামো পরিকল্পনা। এতে ১৩০ বর্গকিলোমিটার বনভূমি অন্য খাতে রূপান্তর এবং প্রায় ১০ লাখ গাছ কাটার প্রস্তাব রয়েছে (Andaman Island China Trade)। প্রকল্পের মূল উপাদানগুলি হল, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর, সমন্বিত টাউনশিপ, বেসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দর এবং ৪৫০ এমভিএ গ্যাস ও সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

    ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু

    ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু। লক্ষ্য হল, মালাক্কা প্রণালীর নিকটবর্তী অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে গ্রেট নিকোবরকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিষ্ঠিত বন্দরগুলির প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে গড়ে তোলা। এই কৌশলগত সমুদ্রপথ দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে বিপুল পরিমাণ বৈশ্বিক বাণিজ্য হয়। চিনের অধিকাংশ জ্বালানি আমদানিও এই পথেই পরিবাহিত হয় (NGT)। বর্তমানে ভারত ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ব্যাপকভাবে বিদেশি বন্দরের ওপর নির্ভরশীল। প্রস্তাবিত এই হাব পূর্ব-পশ্চিম সমুদ্রপথে চলাচলকারী পণ্যের বড় অংশ আকর্ষণ করতে চায়। টাউনশিপ প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মী ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সমর্থন করবে। বিমানবন্দরটি বেসামরিক ও কৌশলগত উভয় উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য পরিকল্পিত। বিদ্যুৎকেন্দ্র শক্তি স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করবে (Andaman Island China Trade)।

    গ্রেট নিকোবরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা

    ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব নৌসীমান্তে গ্রেট নিকোবরের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও পরিসরই এই প্রকল্পের পরিচয় নির্ধারণ করে। এনজিটি স্পষ্টভাবে এর কৌশলগত গুরুত্ব স্বীকার করেছে, যা তাৎপর্যপূর্ণ (NGT)। গ্রেট নিকোবর পূর্ব ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চোকপয়েন্টগুলির কাছে অবস্থিত। এখান থেকে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি ও দ্রুত বাহিনী মোতায়েনের ক্ষমতা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতের সামুদ্রিক উপস্থিতি জোরদার করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। বন্দর ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য বিমানবন্দর নৌ ও বিমান অভিযানে লজিস্টিক সহায়তা বাড়াবে।চিনের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে নয়াদিল্লি এই প্রকল্পকে শক্তি-বর্ধক  হিসেবে দেখছে। ফলে এটি কেবল অর্থনৈতিক নয়, একটি কৌশলগত আপগ্রেডও (Andaman Island China Trade)। ২০২১ সালে নীতি আয়োগ কমিশন করা সম্ভাব্যতা প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই প্রকল্পটি বিতর্কে জড়ায়। পরিবেশবাদী আশিস কোঠারি আইসিআরজেড ২০১৯ লঙ্ঘনের অভিযোগে এনজিটিতে আবেদন করেন। দাবি করা হয়েছিল, প্রস্তাবিত এলাকার প্রায় ৭০০ হেক্টর সংরক্ষিত উপকূলীয় অঞ্চলে পড়ে। বিশেষ বেঞ্চ এই দাবি খারিজ করে দেয়।

    প্রবালপ্রাচীর

    প্রবালপ্রাচীর সম্পর্কিত উদ্বেগের কথাও বিবেচনা করা হয়। জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পূর্ববর্তী উপস্থাপনার ভিত্তিতে এনজিটি জানায়, প্রকল্প এলাকার ভেতরে কোনও প্রবালপ্রাচীর নেই। ছড়িয়ে থাকা প্রবাল বৈজ্ঞানিকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্থানান্তরিত করা হবে। পরিবেশমন্ত্রককে প্রবাল পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (NGT)। উপকূলবর্তী এলাকায় উন্নয়নের কারণে যেন ক্ষয় বা তটরেখা পরিবর্তন না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। কচ্ছপ ও পাখির গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল বালুকাময় সৈকত সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে (Andaman Island China Trade)। লেদারব্যাক সামুদ্রিক কচ্ছপ, নিকোবর মেগাপোড, লবণাক্ত জলের কুমির, রবার ক্র্যাব এবং নিকোবর বানরের মতো প্রজাতি সংরক্ষণের শর্তও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এনজিটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পরিবেশগত শর্ত মানা বাধ্যতামূলক।

    এই রায়ে গ্রেট নিকোবর প্রকল্পের ওপর থাকা বড় আইনি অনিশ্চয়তা দূর হয়েছে। যদিও রাজনৈতিক ও পরিবেশগত বিতর্ক শেষ হয়নি, তবে কেন্দ্রীয় সরকার এখন স্থগিত পরিকাঠামো উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে (NGT)। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে, গ্রেট নিকোবর প্রকল্প ভারতের সামুদ্রিক ভূগোল বদলে দিতে পারে। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে একটি গভীর সমুদ্রবন্দর এবং দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য বিমান চলাচল কেন্দ্র গড়ে উঠবে। এনজিটির এই ছাড়পত্র ভারতের কৌশলগত সামুদ্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার ইঙ্গিত (Andaman Island China Trade)।

     

  • India AI Impact Summit: চিনা রোবট-কুকুরকে নিজস্ব উদ্ভাবন দাবি করায় এআই সম্মেলন থেকে বরখাস্ত গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

    India AI Impact Summit: চিনা রোবট-কুকুরকে নিজস্ব উদ্ভাবন দাবি করায় এআই সম্মেলন থেকে বরখাস্ত গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে তৈরি রোবট-কুকুর নিয়ে বিতর্কের জেরে গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে (Galgotia University) ইন্ডিয়া এআই সামিট থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানে আয়োজিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (India AI Impact Summit) থেকে গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের স্টল সরিয়ে নিতে এবং জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিনে তৈরি একটি রোবট-কুকুরকে নিজেদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি হিসেবে প্রদর্শনের দায়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে ‘ওরিয়ন’ (India AI Impact Summit)

    পুরো ঘটনাটি ঠিক কী? জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে (India AI Impact Summit) গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্টলে (Galgotia University) সরাসরি চিনে তৈরি করা একটি রোবট-কুকুরকে নিজেদের উদ্ভাবন ও উৎপাদন দাবি করে প্রচার করে বেরিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করে, ওই  রোবট-কুকুরটির নাম ‘ওরিয়ন’। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা দাবি করেছিলেন যে, এটি তাদের নিজস্ব ৩৫০ কোটি টাকার এআই প্রজেক্টের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা যায় যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে এই রোবটটির ভিডিও শেয়ার করে প্রশংসা করেছিলেন।

    একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে এটা করল?

    কিন্তু পরে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়টি যাকে নিজেদের উদ্ভাবন হিসেবে তুলে ধরছে সেটি আসলে চিনা কোম্পানি ‘ইউনিট্রি’ (Unitree) তৈরি করেছে। যার দাম আনুমানিক ২-৩ লক্ষ টাকা। সামাজিক মাধ্যমের অনেকই তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে নেট নাগরিকরা বলেন, রোবটটি আসলে ইউনিট্রি গো-২ (Unitree Go2) মডেলের একটি চিনা পণ্য, যা অনলাইনে সহজেই কেনা যায়। এমনকি রোবটটির শরীরের এক জায়গায় চিনা কোম্পানির লোগোও স্পষ্টই দেখা যাচ্ছিল। খবর জানাজানি হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে, কীভাবে অন্য দেশের প্রস্তুত সামগ্রীকে নিজেদের বলে প্রচার করল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান? একটি চিনা সংস্থার তৈরি পণ্যকে নিজেদের বলে দাবি করে ফলাও প্রচার চালানো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। নেটাগরিকদের একাংশ কেন্দ্রীয় সরকারকেও একহাত নেয়। তাদের প্রশ্ন, কী করে এধরনের জিনিস সম্মেলনে প্রবেশ করল? কেন কেউ খতিয়ে দেখল না? এর পরই, পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। এইভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এআই সামিটে অংশগ্রহণ করায় কড়া অবস্থান নিয়েছে আয়োজক সংস্থা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা

    সরকারের কড়া পদক্ষেপ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ এআই সামিটের (India AI Impact Summit) আয়োজকরা। কারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে চিনা পণ্যকে ‘ভারতীয় উদ্ভাবন’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে। এর ফলে মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) এবং ভারতের এআই মিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে এই বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয় (Galgotia University) কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে সামিট প্রাঙ্গণ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশের পর তাদের স্টলটি ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    চিনের একটি সংস্থার দাবি

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Galgotia University) বক্তব্যের বিরুদ্ধে একটি এক্স হ্যান্ডল কমিউনিটি ব্যাপক ভাবে আপত্তি জানিয়েছে। এতে দাবি করা হয়, রোবটটিকে নিজস্ব হিসেবে উপস্থাপন করেনি বলে যে দাবি করছে তা কার্যত মিথ্যা। কমিউনিটি নোটে বলা হয়েছে, এআই সামিটের (India AI Impact Summit) উপস্থাপনার সময় রোবটটিকে স্পষ্টভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তৈরি করেছে বলে বর্ণনা করেছিল। এমনকি চিন-সংযুক্ত একটি এক্স অ্যাকাউন্টও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিটি পোস্ট করেছে। দিল্লিতে এআই সামিটে এই বিতর্কিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিনা রোবট ইউনিট্রি গো২-কে তাদের নিজস্ব উদ্ভাবন হিসেবে সাফ জানিয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তব্য

    গালগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Galgotia University) তরফে বলা হয়, আমরা কখনই বলেনি যে রোবটটি আমাদের তৈরি। এটিকে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য এবং এআই সিস্টেম পরীক্ষার জন্য কেনা হয়েছিল। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, রোবটটির সফটওয়্যার মডিউল নিয়ে তারা কাজ করছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোতে (India AI Impact Summit) দেখা যাচ্ছে কীভাবে তাঁকে ঘিরে একতা উত্তেজনা এবং আকর্ষণের ভরকেন্দ্র হয়েছে। রোবোডগটি আসলে একটি চীন-নির্মিত ইউনিট্রি গো২ এবং অভ্যন্তরীণ উদ্ভাবন নয়। প্রকৃতপক্ষে, ইউনিট্রি গো২ একটি বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ, ব্যাপকভাবে উৎপাদিত রোবোডগ যা প্রায় ২-৩ লক্ষ টাকা দিয়ে সহজেই কেনা যায়।

    কংগ্রেসের তোপ

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বিরোধীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারকে কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি সরকার যাচাই না করেই চিনা পণ্যকে ভারতের সাফল্য হিসেবে প্রচার করছে। এই ‘রোবোডগ ফিয়াস্কো’ বা রোবট-কুকুর কেলেঙ্কারি (India AI Impact Summit) বর্তমানে ভারতের প্রযুক্তি মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সরকারকে আরও দায়বদ্ধতার দিকে নজর দিতে হবে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপির মন্ত্রিসভায় (BNP Led Cabinet) ঠাঁই হল দুই সংখ্যালঘুরও। বিএনপির নবনির্বাচিত সাংসদরা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বিএনপি নেতা তথা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের পথ সুগম হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হিন্দু নেতা নিতাই রায়চৌধুরী এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দীপেন দেওয়ান। নতুন মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় শপথ নেন।

    নয়া মন্ত্রিসভা (Bangladesh)

    সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জন নেতা পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ও বৌদ্ধ পরিচয়ের কারণে চৌধুরী ও দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দুর বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সাধারণ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকজন হিন্দুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সেই সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ফলাও করে। যদিও বিএনপি মন্ত্রিসভায় একজন হিন্দু ও একজন বৌদ্ধ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, তবুও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন কমাতে এর প্রভাব পড়বে কি না—তা সময়ই বলবে (BNP Led Cabinet)।

    পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকা

    এবার দেখে নেওয়া যাক পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকাটি (Bangladesh)। মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, খালিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কাইকোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরি, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আফরোজা খানম রিতা, শহিদউদ্দিন চৌধুরি অ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মহম্মদ আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, এএনএম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং শেখ রাবিউল আলম।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় ঠাঁই হয়েছে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মহম্মদ শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মহম্মদ রাজীব আহসান, মহম্মদ আবদুল বারি, মির শাহে আলম, জুনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরি, একে ইকবাল (BNP Led Cabinet) হোসেন, এমএ মুহিত, আহমেদ সোহেল মনজুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলি নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম (Bangladesh)।

  • Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য মোট ৫টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ আসন-সহ দেশের মোট ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ৩৭টি আসনে নির্বাচনের (Election Commission) জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৬ মার্চ, এবং প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ মার্চ। ভোটগ্রহণ ১৬ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে, ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোট গণনা একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা ২০ মার্চ।

    পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে (Election Commission)

    রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদের মধ্যে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন মৌসুম বেনজির নূর। তৃণমূলের এখন রাজ্যসভায় সাংসদ রয়েছেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী। যাদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২ এপ্রিল। সেই সঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ দেশ করবেন সিপিএমের নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিধানসভার প্রেক্ষিতে ৫ আসনের মধ্যে ৪টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় খুব পাকা। বিধানসভায় বিজেপির সমীকরণ অনুযায়ী একটি আসনে জয়ী (Election Commission) হওয়ার কথা বিজেপির। তবে পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে।

    কোন রাজ্যে কটা আসন?

    ১০টি রাজ্য থেকে মোট ৩৭টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন খালি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক সংখ্যক আসন রয়েছে ৭টি, তামিলনাড়ু-বিহারে মোট ৬টি করে, পশ্চিমবঙ্গে ৫টি, ওড়িশায় ৪টি, আসামে ৩টি, তেলেঙ্গানায়-ছত্তিশগড়-হরিয়ানায় ২টি করে, হিমাচল প্রদেশে ১টি করে। তবে রাজ্যভার এই আসনগুলিতে এপ্রিল মাসে সদস্যদের অবসর গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, “আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়ন যাচাই করা হবে ৬ মার্চ। মনোনয়ন প্রত্যহারের শেষদিন ৯ মার্চ। তবে একটি আসনে যদি মাত্র একজন মনোনয়ন জমা করেন তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না।

  • SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    SIR in Bengal: কমিশনের কড়া ‘ডোজ’, সময়সীমা শেষের আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেকে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিল জাতীয় কমিশন। সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সময় অতিক্রম করার আগেই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (SIR in Bengal) করল রাজ্য সরকার। এই চার জনের মধ্যে ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও। শেষ পর্যন্ত কমিশনের চাপে রাজ্য সরকার এফআইআর করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য নিয়ম না মানলে এই রকম আরও অনেক এফআইআর (FIR files against 4 officials) হবে।

    নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা (SIR in Bengal)

    এসআইআর-এ (SIR in Bengal) ২ জন ইআরও এবং ২ জন এইআরও–র বিরুদ্ধে ভোটার লিস্টে কারচুপি করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এর সঙ্গে নাম জারিয়েছে ডেটা অপারেটারের। সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ না মানার অভিযোগও উঠেছিল নবান্নের বিরুদ্ধে। শেষে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে ডেকে কড়া বার্তা দেয় নির্বাচন কমিশন। চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার বিকেল ৪ টে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় শেষ হওয়ার আগেই সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR files against 4 officials) করল রাজ্য সরকার।

    এই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা নিয়ে তৃণমূলের আইটি সেলের ইনচার্জ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা আইন নিশ্চয় মানব। আইন আইনের পথে চলবে। তুঘলকি কমিশনের যেটুকু আইন মানার প্রয়োজনে সেটা নিশ্চয় মানব। কিন্তু, তার একটা বাউন্ডারি আছে। বাউন্ডারির বাইরে গেলে কিন্তু ছক্কা খেতে হবে।”

    সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে

    অপরদিকে বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “গতকালই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেমন সাত জনকে সাসপেন্ড করেছে, তেমন মুখ্যসচিবকে বলা হয়েছিল, যদি ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তাতে কাজ হয়েছে। ইআরও এবং এইআরও-দের (SIR in Bengal) কাছে স্পষ্ট বার্তা, সাত ও চার মিলে এগারো হল, এটা ১১১ হতে বেশি সময় লাগবে না। এটা ২০০২ সালের মতো এসআইআর হচ্ছে না। এখানে কোন বিএলও, কোন ইআরও, কোন ডিইও কী কাজ করছেন, তার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট রয়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর কোনও গাফিলতি ধরা পড়লে, তাহলে নির্বাচন কমিশন কী করতে পারে, তার হাল্কা ইঙ্গিত (FIR files against 4 officials) দিয়েছে।”

  • Red Fort Blast: দিল্লিকাণ্ডের আগেই ‘আনসার ইন্টেরিম’ সন্ত্রাসী সংগঠন গড়েছিল চিকিৎসক-জঙ্গি উমর নবি

    Red Fort Blast: দিল্লিকাণ্ডের আগেই ‘আনসার ইন্টেরিম’ সন্ত্রাসী সংগঠন গড়েছিল চিকিৎসক-জঙ্গি উমর নবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরের লালকেল্লা (Red Fort Blast) বিস্ফোরণের জন্য দায়ী আইসিসের সন্ত্রাসী মডিউলের বিরুদ্ধে তদন্তে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে । জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ প্রথমে এই মডিউলটি আবিষ্কার করেছিল। এখন জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তদন্ত করছে। তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, ধৃত ব্যক্তিরা ২০১৬ সালেই জেহাদি সংগঠনে যোগদান করেছিল এবং “আনসার ইন্টেরিম” নামে (Terrorist Umar Un Nabi) তাদের নিজস্ব সন্ত্রাসী সংগঠন গঠন করেছিল।

    ইদগাহে মিলিত হয়েছিল (Red Fort Blast)

    তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, “২০২২ সালের এপ্রিল মাসে শ্রীনগর শহরের ইদগাহে এই সংগঠনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মিলিত হয়েছিল। সভায় উপস্থিত ছিল মুজাম্মিল গনাই, লালকেল্লা বিস্ফোরণের আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উন নবি (Terrorist Umar Un Nabi), আদিল রাথের, তার পলাতক ভাই মুজাফফর রাথের, মৌলবি ইরফান, ক্বারি আমির এবং তুফায়েল গাজি। এই বৈঠকে তারা আনসার ইন্টেরিম (Red Fort Blast) নামে একটি নতুন সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

    আদিলকে দলের প্রধান হিসেবে মনোনীত করা হয়। মৌলবি ইরফান উপ-প্রধান নির্বাচিত হয় এবং গনাই আর্থিক বিষয়গুলি দেখাশোনা করত। “আনসার” শব্দটি প্রায়শই বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্তরা তদন্তকারীদের জানিয়েছে, তারা সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন। তাই তারা নিজস্ব দল গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই বৈঠকের সময় বিস্ফোরণের পরিকল্পনা এবং গোপন কোডগুলি দেওয়া হয়েছিল।

    মৌলবাদ এবং বিস্ফোরক প্রস্তুতি

    তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, উমর-উন নবি ছিল সবচেয়ে কট্টরপন্থী (Red Fort Blast) সদস্যদের একজন। ২০১৬ সালে এবং ২০১৮ সালে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে যোগদানের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ব্যর্থ হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে হামলার পরিকল্পনায় গভীরভাবে জড়িত হয়ে পড়ে। এর পর, ২০২৩ সালে, এই জঙ্গি সংগঠনটি হরিয়ানার সোহনা এবং নুহ থেকে হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। উমেরের নির্দেশে, ফরিদাবাদের একটি রাসায়নিক দোকান থেকে এনপিকে পটাসিয়াম নাইট্রেট  কেনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময়, ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, উমর ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) তৈরি শেখার জন্য অনলাইন ভিডিও দেখতে শুরু করেছিল। অবশেষে সে ট্রায়াসিটোন ট্রাইপেরক্সাইড (TATP) তৈরি করতে সক্ষম হয়। এটি একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিস্ফোরক যা বিশ্বব্যাপী বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে।

    আদিল রাথার আরও নতুন সদস্য সংগ্রহ শুরু করে। দক্ষিণ কাশ্মীরের বাসিন্দা দানিশ, যার নাম জসির— আদিল তাকে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভাড়া ঘরে নিয়ে যায়, যেখানে উমর এবং গনাই বিস্ফোরক তৈরি করছিল। উমর দানিশকে আত্মঘাতী হামলা চালাতে রাজি করানোর চেষ্টাও করেছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে সে পিছু হটে যায়। দানিশ জানিয়েছিল যে, ইসলামে আত্মহত্যা নিষিদ্ধ এবং তার আর্থিক অবস্থা খারাপ।

    প্লট এবং পতন

    তদন্তকারী অফিসারদের মতে, উমর কোনও জনাকীর্ণ স্থানে, সম্ভবত দিল্লিতে অথবা কোনও ধর্মীয় স্থানে, যানবাহনে বহনযোগ্য বিস্ফোরক ডিভাইস (ভিবিআইইডি) হামলার পরিকল্পনা করছিল। কর্মকর্তাদের ধারণা, মূল পরিকল্পনা ছিল বিস্ফোরক-বোঝাই (Red Fort Blast) গাড়িটি রেখে পালিয়ে যাওয়া। তবে, শ্রীনগর পুলিশ যখন তাদের তদন্ত জোরদার করে তখন পরিকল্পনাটি উন্মোচিত হতে শুরু করে।

    জৈশ-ই-মহম্মদের পোস্টার

    ১৯ অক্টোবর শ্রীনগরের উপকণ্ঠে নওগামের বুনপোরায় জৈশ-ই-মহম্মদের পোস্টার দেখা যাওয়ার পর এই সাফল্য আসে। পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে আগে পাথর ছোড়ার মামলায় জড়িত তিন স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মৌলবি ইরফান আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়, যে একজন প্রাক্তন প্যারামেডিক ছিল এবং শোপিয়ানে ইমাম হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে পোস্টার সরবরাহ এবং গোষ্ঠীর সদস্যদের মৌলবাদ (Terrorist Umar Un Nabi) প্রচার করার ভূমিকা পালনের অভিযোগ দায়ের হয়।

    এর পরপরই, গনাইকে গ্রেফতার করা হয় এবং বিস্ফোরক (Red Fort Blast) বাজেয়াপ্ত করা হয়। অফিসাররা মনে করেন, এই ঘটনায় ফরিদাবাদস্থিত নেটওয়ার্কের শীর্ষস্তরে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। চাপ বাড়ার সঙ্গে উমর অকাল আক্রমণে এগিয়ে যায়, যার ফলে লাল কেল্লার বাইরে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তে এখন একটি আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্কের সন্ধান মিলেছে যারা সম্মানজনক পেশার আড়ালে বছরের পর বছর ধরে জঙ্গি কর্মকাণ্ডকে নীরবে কাজ করে আসছিল। এনআইএ তাদের তদন্ত অব্যাহত রাখার সঙ্গে সঙ্গে অফিসাররা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহগুলিতে এই “হোয়াইট-কলার” সন্ত্রাসী মডিউলের তহবিল, নিয়োগ এবং সম্ভাব্য বিস্তৃত সংযোগ সম্পর্কে আরও বিশদ প্রকাশ পেতে পারে।

    লাল কেল্লা বিস্ফোরণ এবং হোয়াইট কলার সন্ত্রাসী মডিউল

    গত বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লার (Red Fort Blast) কাছে এক বড় গাড়ি বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত এবং ২৫ জনের বেশি আহত হন। এই বিস্ফোরণে, বিস্ফোরক ভর্তি একটি হুন্ডাই আই২০ গাড়ি চালাচ্ছিল পুলওয়ামার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সি চিকিৎসক-জঙ্গি উমর-উন নবি। লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Terrorist Umar Un Nabi) তদন্ত এবং কাশ্মীরে “হোয়াইট-কলার” মডিউল প্রকাশ্যে আসায় একটি আন্তঃসংযুক্ত জিহাদি নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হয়েছে, যার কেন্দ্রে ছিল ধৃত জিএমসি অনন্তনাগের র্মী আদিল এবং মুজাম্মিল গনাই।

    ডাক্তারদের ছদ্মবেশে গভীর ষড়যন্ত্র

    প্রথমে যাকে একটি স্বতন্ত্র সন্ত্রাসী হামলা বলে মনে হয়েছিল, এখন তা আরও গভীর এবং সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের উন্মোচন করেছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন পুলওয়ামার ডাঃ মুজাম্মিল শাকিল গনাই, অনন্তনাগের ডাঃ আদিল আহমেদ রাথের, লখনউয়ের ডাঃ শাহিন সঈদ এবং শোপিয়ানের মুফতি ইরফান আহমেদ ওয়াগে। ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত দুই চিকিৎসককেও (Red Fort Blast) দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

  • Ramakrishna 583: “এ পথ নয়, ওই পথে যাও, ভক্তটি শেষে পুরীতে গিয়ে জগন্নাথদর্শন করলে”

    Ramakrishna 583: “এ পথ নয়, ওই পথে যাও, ভক্তটি শেষে পুরীতে গিয়ে জগন্নাথদর্শন করলে”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে — জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    ডাক্তার—জ্ঞানে মানুষ অবাক্‌ হয়, চক্ষু বুজে যায়, আর চক্ষে জল আসে (Kathamrita)। তখন ভক্তি দরকার হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ভক্তি মেয়েমানুষ, তাই অন্তঃপুর পর্যন্ত যেতে পারে। জ্ঞান বারবাড়ি পর্যন্ত যায়। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার—কিন্তু অন্তঃপুরে যাকে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। বেশ্যারা ঢুকতে পারে না। জ্ঞান চাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঠিক পথ জানে না, কিন্তু ঈশ্বরে ভক্তি আছে, তাঁকে জানবার ইচ্ছা আছে — এরূপ লোক কেবল ভক্তির জোরে ঈশ্বরলাভ করে। একজন ভারী ভক্ত জগন্নাথদর্শন করতে বেরিয়েছিল। পুরীর কোন্‌পথ সে জানত না, দক্ষিণদিকে না গিয়ে পশ্চিমদিকে গিছিল। পথ ভুলেছিল বটে, কিন্তু ব্যাকুল হয়ে লোকদের জিজ্ঞাসা করত। তারা বলে দিলে, ‘এ পথ নয়, ওই পথে যাও।’ ভক্তটি শেষে পুরীতে গিয়ে জগন্নাথদর্শন করলে। দেখ, না জানলেও কেউ না কেউ বলে দেয়।

    ডাক্তার—সে ভুলে তো গিছিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হাঁ, তা হয় বটে, কিন্তু শেষে পায়।

    একজন জিজ্ঞাসা করিলেন, ‘ঈশ্বর সাকার না নিরাকার।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— তিনি সাকার আবার নিরাকার। একজন সন্ন্যাসী জগন্নাথদর্শন করতে গিছিল। জগন্নাথদর্শন করে সন্দেহ হল ঈশ্বর সাকার না নিরাকার। হাতে দণ্ড ছিল, সেই দণ্ড দিয়ে দেখতে লাগল, জগন্নাথের গায়ে ঠেকে কিনা। একবার এ-ধার থেকে ও-ধারে দণ্ডটি নিয়ে যাবার সময় দেখলে যে, জগন্নাথের গায়ে ঠেকল না—দেখে যে সেখানে ঠাকুরের মূর্তি নাই! আবার দণ্ড এ-ধার থেকে ও-ধারে লয়ে যাবার সময় বিগ্রহের গায়ে ঠেকল; তখন সন্ন্যাসী বুঝলে যে ঈশ্বর নিরাকার, আবার সাকার (Kathamrita)।

    “কিন্তু এটি ধারণা করা বড় শক্ত। যিনি নিরকার, তিনি আবার সাকার কিরূপে হবেন? এ-সন্দহ মনে উঠে। আবার যদি সাকার হন, তো নানারূপ কেন?”

    ডাক্তার—যিনি আকার করেছেন, তিনি সাকার। তিনি আবার মন করেছেন, তাই তিনি নিরাকার। তিনি সবই হতে পারেন।

  • Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    Gujarat: সমুদ্রের বুক চিরে চলে গিয়েছে রাস্তা, গুজরাটের এই সড়ক মন কাড়ছে পর্যটকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বৈচিত্র্যময় দেশ। তাই সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ করে। হিমালয়ের পাহাড়ে ঘুরে বেড়াতে চাইলে কিংবা গোয়ার সমুদ্রসৈকতে রোদ পোহাতে চাইলে এই দেশই সবার সেরা। এখানেই (Gujarat) প্রত্যেক পর্যটকই তাঁর স্বপ্নের গন্তব্য খুঁজে পেতে পারেন। এই মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যের মাঝেই রয়েছে এক স্বপ্নিল সড়ক, যার দু’পাশ জুড়ে অসীম জলরাশি। ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথের নাম, ‘রোড টু হেভেন’। মূল ভূখণ্ড কচ্ছকে গুজরাটের ধোলাভিরা গ্রামের সঙ্গে যুক্ত করেছে এই রাস্তা (Float On Water)।

    ‘রোড টু হেভেন’ (Gujarat)

    ‘রোড টু হেভেন’ তার দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক দৃশ্য ও অনন্য ভূপ্রকৃতির জন্য পরিচিত। বছরের প্রায় ছ’মাস রাস্তার দু’পাশে জল থাকে, বাকি সময়টা চোখে পড়ে সাদা নুনের প্রান্তর। কখনও মনে হয় যেন জলের ওপর দিয়ে গাড়ি চালানো হচ্ছে, আবার কখনও হয় বিশাল লবণ মরুভূমি পেরোনোর অনুভূতি। তবে এসবই নির্ভর করে কোন সময় আপনি ভ্রমণ করবেন, তার ওপর। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়ার ফলে এই রাস্তা কচ্ছের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক প্রতীকী পরিচয়ে পরিণত হয়েছে। এটি ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল। এই সড়কের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বও রয়েছে। এটি খাদির বেট দ্বীপে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরার সঙ্গে খাভদা গ্রামের সংযোগ স্থাপন করে, যে গ্রামটি হস্তশিল্প ও হোয়াইট রান অফ কচ্ছের নিকটবর্তী হওয়ায় পরিচিত। জি২০ সম্মেলনের সময় এই পথ প্রদর্শিত হওয়ার পর এটি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। পরে সরকার এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেয় এবং দ্রুতই এটি ভ্রমণপিপাসুদের জনপ্রিয় ড্রাইভিং রুটে পরিণত হয় (Gujarat)।

    ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা

    ট্রাভেল কনটেন্ট নির্মাতা অরিহন্ত বাইদ ইনস্টাগ্রামে এই রাস্তার একটি মনোমুগ্ধকর ভিডিও শেয়ার (Float On Water) করেছেন। ভিডিওর নোটে লেখা ছিল— “পাকিস্তান থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে ভারতের সবচেয়ে সুন্দর রাস্তা। ‘রোড টু হেভেন’ নামে পরিচিত এই ৩০ কিলোমিটার পথ মূল কচ্ছকে খাদির বেট দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যেখানে অবস্থিত ঐতিহাসিক শহর ধোলাভিরা।” নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি—শীতকালই ‘রোড টু হেভেন’ ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। এই সময় আবহাওয়া শীতল ও শুষ্ক থাকে, আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং সাদা লবণ মরুভূমির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

    যাবেন কীভাবে

    বিমানপথে যেতে গেলে ভুজ বিমানবন্দরে অবতরণের পর ট্যাক্সি ভাড়া করে ‘রোড টু হেভেনে’পৌঁছনো যায়। বিমানবন্দর থেকে দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার (Gujarat)। রেলপথে যেতে গেলে নিকটতম রেলস্টেশন ভুজ জংশনে আসতে হবে। সেখান থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে এই সড়ক, যা ট্যাক্সি বা ব্যক্তিগত গাড়িতে পৌঁছনো যায়। তবে এই মনোরম পথ উপভোগ করতে রোড ট্রিপই সেরা বিকল্প। রাজকোট, আহমেদাবাদ ও গান্ধীনগর-সহ গুজরাটের প্রধান শহরগুলির সঙ্গে এটি সুসংযুক্ত। অন্যরকম, স্বপ্নিল ড্রাইভিং অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকলে কচ্ছের এই (Float On Water) অসাধারণ সড়ক আপনার ভ্রমণতালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত (Gujarat)।

     

  • India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    India: বেঙ্গালুরুতে নয়া অফিসের উদ্বোধন করল আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে (India) এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ এর অনুষ্ঠান চলছে। এহেন আবহে আমেরিকা-ভিত্তিক এআই কোম্পানি অ্যানথ্রোপিক বেঙ্গালুরুতে তাদের নতুন (Claude Developers) অফিসের উদ্বোধন করে দিল। এর মাধ্যমে ভারতে তাদের এআই সম্প্রসারণে একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। অফিস উদ্বোধনের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি কর্পোরেট, স্টার্টআপ, শিক্ষা, কৃষি এবং সরকারি খাতজুড়ে বিস্তৃত অংশীদারিত্বের কথা ঘোষণা করেছে। টোকিওর পর বেঙ্গালুরু অফিসটি এশিয়ায় অ্যানথ্রোপিকের দ্বিতীয় কেন্দ্র। অ্যানথ্রোপিক ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইরিনা ঘোষ এই অফিসের নেতৃত্ব দেবেন। ভারতে কার্যকলাপ আরও বিস্তারের অংশ হিসেবে কোম্পানিটি বিভিন্ন পদে স্থানীয় প্রতিভা নিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

    ভারত এআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বাজার (India)

    ভারত দ্রুতই অ্যানথ্রোপিকের জনপ্রিয় এআই সহকারী ক্লড.এআই-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত হয়েছে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ভারত এখন বৈশ্বিকভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার। ভারতে ক্লডের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার হচ্ছে কারিগরি কাজে—যেমন কোডিং, গণিতভিত্তিক কাজ, অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পুরানো সিস্টেম আপগ্রেড এবং প্রোডাকশন সফটওয়্যার রিলিজে। এতে স্পষ্ট হয় যে ভারতীয় ডেভেলপাররা এআইকে শুধু কনটেন্ট তৈরি বা চ্যাটের জন্য নয়, বরং জটিল প্রযুক্তির কাজেও ব্যবহার করছেন। ইরিনা বলেন, “দায়িত্বশীল এআই বিকাশের জন্য ভারত একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করে। দেশের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবন উন্নয়নের সাফল্য—এই সমন্বয় ভারতকে বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় এআই সম্প্রসারণ ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলেছে (Claude Developers)।”

    রাহুল পাতিলের বক্তব্য

    অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ডেভেলপার সম্মেলনে অ্যানথ্রোপিকের প্রধান প্রযুক্তি আধিকারিক রাহুল পাতিল বলেন, “অসম্ভবও ভারতেই সম্ভব।” বেঙ্গালুরুতে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তাঁর মা ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স শিক্ষক। তিনি বল্ডউইন ইনস্টিটিউশন, সেন্ট জোসেফস এবং পরে পিইএস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন, যেটিকে তিনি খুব কঠোর প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রযুক্তির প্রথম বর্ষেই তিনি তাঁর ভাবী (India) স্ত্রীকে চিনেছিলেন বলেও জানান। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, ভারত শুধু এআইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার নয়, বরং বৈশ্বিক প্রযুক্তি নেতৃত্ব গঠনের ক্ষেত্রও।

    অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের অন্যতম অগ্রাধিকার হল ভাষা। দেশে এক ডজনেরও বেশি সরকারি স্বীকৃত ভাষায় এক বিলিয়নের বেশি মানুষ কথা বললেও, এআই সিস্টেমগুলি ইংরেজিতে তুলনামূলক ভালো কাজ করে। এই সমস্যার সমাধানে ছ’মাস আগে কোম্পানিটি হিন্দি, বাংলা, মারাঠি, তেলুগু, তামিল, পাঞ্জাবি, গুজরাটি, কন্নড়, মালায়ালম এবং উর্দু—এই দশটি বহুল ব্যবহৃত ভাষায় পারফরম্যান্স উন্নত করার উদ্যোগ নেয়। উন্নত ও প্রতিনিধিত্বশীল প্রশিক্ষণ ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে সাবলীলতায় চোখে পড়ার মতো উন্নতি হয়েছে বলে কোম্পানি জানিয়েছে। ভারতীয় ভাষায় মডেল আরও শক্তিশালী করতে কাজ চলছে (Claude Developers)। কৃষি ও আইন খাতে ভারত-সংশ্লিষ্ট কাজ মূল্যায়নের জন্য অ্যানথ্রোপিক কারিয়া ও কালেকটিভ ইন্টেলিজেন্স প্রজেক্টের সঙ্গে কাজ করছে। ডিজিটাল গ্রিন ও আদালত এআইয়ের মতো অলাভজনক সংস্থার বিশেষজ্ঞরাও এতে যুক্ত। লক্ষ্য হল, মূল্যায়ন সরঞ্জামগুলি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা, যাতে অন্যরাও ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত এআই তৈরি করতে পারে।

    ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ

    অক্টোবর ২০২৫-এ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা ঘোষণা করার পর থেকে ভারতে অ্যানথ্রোপিকের আয়ের হার দ্বিগুণ হয়েছে। বড় কর্পোরেট, ডিজিটাল-ফার্স্ট কোম্পানি এবং প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপগুলি থেকে প্রবৃদ্ধি এসেছে (India)। এয়ার ইন্ডিয়া তাদের ডেভেলপারদের দ্রুত ও কম খরচে কাস্টম সফটওয়্যার তৈরি করতে ক্লড কোড ব্যবহার করছে। ফিনটেক প্ল্যাটফর্ম ক্রেড ক্লড কোড ব্যবহারে ফিচার ডেলিভারি দ্বিগুণ দ্রুত এবং টেস্ট কভারেজে ১০ শতাংশ উন্নতির কথা জানিয়েছে। কগনিজ্যান্ট বিশ্বব্যাপী ৩ লাখ ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ক্লড ব্যবহার করছে সিস্টেম আধুনিকীকরণে। রেজরপে তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে এআই যুক্ত করেছে। এন্টারপ্রেট ক্লড-চালিত এআই সহকারী তৈরি করেছে (Claude Developers)। স্টার্টআপ এমার্জেন্ট, যা ব্যবহারকারীদের সাধারণ ভাষায় সফটওয়্যার তৈরি করতে দেয়, ক্লড ব্যবহার করে পাঁচ মাসেরও কম সময়ে ২ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ও ২৫ মিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় অর্জন করেছে।

    ভারতে ক্লড ব্যবহার

    ভারতে ক্লড ব্যবহারের প্রায় ১২ শতাংশ শিক্ষা-সংক্রান্ত। অ্যানথ্রোপিক দেশের বৃহত্তম শিক্ষা-সংস্থা প্রাথমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। “এনিটাইম টেস্টিং মেশিন” নামের ক্লড-চালিত টুলটি বর্তমানে ২০টি স্কুলে ১,৫০০ শিক্ষার্থীর ওপর পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে ১০০ স্কুলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্কুল ছেড়ে দেওয়া মহিলাদের জন্য প্রাথমের সেকেন্ড চান্স প্রোগ্রামেও এটি ব্যবহার হচ্ছে (India)। ওপেনঅ্যাগ্রিনেট উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান পৌঁছে দিতে ক্লড ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে নূরা হেলথ ও ইন্টেলিহেলথের মতো সংস্থাগুলি ক্লড কোড ব্যবহার করছে। প্রায় ৫ কোটি বিচারাধীন মামলার প্রেক্ষাপটে আদালত এআইয়ের সহযোগিতায় হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইন চালু হয়েছে, যেখানে মামলার আপডেট, সারাংশ ও অনুবাদ পাওয়া যায়। অ্যানথ্রোপিক তাদের মডেল কনটেক্সট প্রোটোকল লিনাক্স ফাউন্ডেশনে দান করেছে। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রণালয় প্রথম ভারতীয় সরকারি এমসিপি সার্ভার চালু করেছে (India)।

    ওপেনএআই, মাইক্রোসফট ও গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও ভারতে গবেষণা ও বাজার সম্প্রসারণ বাড়িয়েছে। ভারতের তিনটি বড় সুবিধা হল—বৃহৎ ডেভেলপার ভিত্তি, শক্তিশালী ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং বহুভাষিক বাস্তব ব্যবহার ক্ষেত্র (Claude Developers)। আগামী বছরগুলিতে ভারতের এআই বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। অ্যানথ্রোপিকের বেঙ্গালুরু অফিস উদ্বোধন স্পষ্ট করেছে, ভারত এখন আর শুধু বৈশ্বিক এআই প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বরং পরবর্তী এআই উদ্ভাবনের নির্মাতা ও অংশীদার (India)।

     

LinkedIn
Share