Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ananta Rai BJP: শাহের পরে মোদির সঙ্গেও বৈঠক অনন্তর, তৃণমূলে যাওয়ার জল্পনাতে ঢাললেন জল

    Ananta Rai BJP: শাহের পরে মোদির সঙ্গেও বৈঠক অনন্তর, তৃণমূলে যাওয়ার জল্পনাতে ঢাললেন জল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাত করেন কোচবিহারের অনন্ত মহারাজ (Ananta Rai BJP)। এনিয়ে শুরু হয় জল্পনা। এরপর বুধবারই দিল্লিতে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসতে দেখা যায় বিজেপির এই রাজ্যসভার সাংসদকে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন অনন্ত মহারাজ। তবে বৈঠকের বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি তিনি। সাংবাদিকদের অনন্ত বলেন, ‘‘দু’জনের সঙ্গেই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হয়েছে। আর যে বিষয়েই আলোচনা হয়ে থাকুক সেটা সফল হয়েছে।’’

    আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন কোচবিহার যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই মুখ্যমন্ত্রী চলে যান অনন্তের বাড়ি। মমতাকে স্বাগতও জানান অনন্ত। রাজবংশী উত্তরীয় আর ঐতিহ্যবাহী গুয়াপান তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। এর পরেই শুরু হয় জল্পনা। মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরে এ দিন সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে অনন্ত বলেন, ‘‘এ সব জল্পনার কোনও উত্তর হয় না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আমার বাড়িতে গিয়েছিলেন। আমি স্বাগত জানিয়েছি। এর বেশি তো কিছু নয়।’’ একই সঙ্গে শাহ ও মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। এক জন বিজেপি কর্মী এবং সাংসদ হিসাবে এতে নতুন কী রয়েছে? এর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর আমার (Ananta Rai BJP) বাড়িতে যাওয়ার কোনও সম্পর্কই নেই।’’ একই সঙ্গে তিনি প্রশ্নের সুরে বলেন, ‘‘একুশে জুলাই তৃণমূলের কর্মসূচিতে আমি যেতে যাব কেন?’’

    জল্পনাতে জল ঢেলে দিলেন অনন্ত নিজেই

    প্রসঙ্গত, কোচবিহার লোকসভায় এ বার পরাস্ত হয়েছে বিজেপি (West Bengal BJP)। নিশীথ প্রামাণিক হেরেছেন ৩৯ হাজারের ব্যবধানে। ভোটের প্রচারে অনন্তকে সেভাবে দেখাও যায়নি। লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরেই মমতার সঙ্গে সাক্ষাত নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। তবে সাক্ষাতের মাত্র ৯ দিনের মাথায় যাবতীয় জল্পনাতে জল ঢেলে দিলেন অনন্ত নিজেই। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। এখানকার রাজবংশী ভোটে একচেটিয়া বিজেপি পেয়ে থাকে। রাজবংশীদের মধ্যে অনন্তর (Ananta Rai BJP) যথেষ্ঠ প্রভাব রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    Birbhum: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশই সার! কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বুলডোজার চলল বীরভূমে, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজার নামানোয় রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের আঁচ পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মুখ খোলেন। একমাসের জন্য বুলডোজারে না করে দিয়েছেন তিনি। হকারদের পুনর্বাসনের কথাও উঠে এসেছে নবান্নের বৈঠকে। কিন্তু, তারপরেও ভিন্ন ছবি দেখা গেল বীরভূমে (Birbhum)। শুক্রবার সকালে বোলপুর শহরে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে চলল বুলডোজার। আর এই উচ্ছেদ অভিযানে ব্যবহার করা হল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    এদিন পুরসভার পক্ষ থেকে বোলপুর (Birbhum) শহরের চৌরাস্তা মোড় থেকে শান্তিনিকেতন মোড় পর্যন্ত এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উচ্ছেদ যে হবে সে কথা পুরসভার পক্ষ থেকে আগাম মাইকিং করে জানিয়েও দেওয়া হয়। তারপর থেকেই তা নিয়ে এলাকায় বাড়ছিল চাপানউতোর। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস পেয়ে দোকানদাররা ভেবেছিলেন, এখনই এসব আর কিছু হবে না। তবে, এদিন সকালে দোকান ভাঙতে বুলডোজার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে, হতবাক হয়ে যান ব্যবসায়ীরা। এই বিষয়ে এলাকারই এক হকার বলেন, “আমাদের স্থায়ী দোকান। ১৯৯৮ সাল থেকে আছে। এটাই আমাদের উপার্জনের একমাত্র পথ। এখন যদি এটাও ভেঙে দেয় তাহলে খাব কী আমরা? উচ্ছেদ করার আগে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক। মুখ্যমন্ত্রী সময় দেওয়ার পরও কেন এভাবে দোকান ভাঙা হল তা বুঝতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    প্রশাসনের কর্তাদের কী বক্তব্য?

    বোলপুরের (Birbhum) এসডিও অয়ন নাথ বলেন, ” রাস্তার ফুটপাতের পাশে থাকা দোকানগুলি অনেক সময় অস্থায়ীভাবে স্ট্রাকচার বানিয়ে তা একেবারে ফুটপাতের ওপর তুলে দিয়ে জিনিসপত্র রাখে। জোর করে দখল রেখেছে। সাধারণ পথচারীদের হাঁটাচলায় অসুবিধা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সম্ভাবনাও বাড়ছে। অবৈধ নির্মাণগুলিও সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যাঁদের কাছে স্থায়ী দোকানের বৈধ কাগজ রয়েছে তাও দেখাতে বলা হয়েছে।”

    সরব বিজেপি

    বুলডোজারের বিরুদ্ধে এর আগে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী একমাসের সময়সীমা ধার্য করার পরও বোলপুরের এই উচ্ছেদ অভিযান হওয়ায় সরব হয়েছে বিজেপি (BJP)। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঠিকমতো করে ব্যবহার করা হয়নি। এখন উচ্ছেদ অভিযানে বুলডোজারের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নামানো হয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 60: “হৃদি-কমলাসনে ভাব তাঁর চরণ,  দেখ শান্ত মনে, প্রেমনয়নে, অপরূপ প্রিয়দর্শন”

    Ramakrishna 60: “হৃদি-কমলাসনে ভাব তাঁর চরণ, দেখ শান্ত মনে, প্রেমনয়নে, অপরূপ প্রিয়দর্শন”

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    কীর্তনানন্দ নরেন্দ্র প্রভৃতি সঙ্গে—নরেন্দ্রকে প্রেমালিঙ্গন

    বৈকাল হইয়াছে—নরেন্দ্র (Ramakrishna) গান গাহিতেছেন—রাখাল, লাটু, মাস্টার, নরেন্দ্র ব্রাহ্মবন্ধু প্রিয়, হাজরা—সকলে আছেন।

    নরেন্দ্র কীর্তন গাহিলেন, খোল বাজিতে লাগিলঃ

    চিন্তয় মম মানস হরি চিদঘন নিরঞ্জন;

    কিবা অনুপম ভাতি, মোহন মূরতি, ভকত-হৃদ্য-রঞ্জন

    নবরাগে রঞ্জিত, কোটি শশী-বিনিন্দিত,

    (কিবা) বিজলি চমকে, সেরূপ আলোকে, পুলকে শিহরে জীবন।

    হৃদি-কমলাসনে ভাব তাঁর চরণ,

    দেখ শান্ত মনে, প্রেমনয়নে, অপরূপ প্রিয়দর্শন।

    চিদানন্দরসে, ভক্তিযোগাবেশে, হও রে চিরগমন।

    নরেন্দ্র আবার গাহিলেনঃ

    সত্যং শিব সুন্দর ভাতি হৃদি মন্দিরে।

    নিরখি নিরখি অনুদিন মোর ডুবিব রূপসাগরে।

    (সেদিন কবে হবে) (দীনজনের ভাগ্যে নাথ)।

    জ্ঞান-অনন্তরূপে পশিবে নাম মম হৃদে,

    অবাক্‌ হইয়ে অধীর মন শরণ লইবে শ্রীপদে।

    আনন্দ-অমৃতরূপে উদিবে হৃদয়-আকাশে,

    চন্দ উদিলে চকোর যেমন ক্রীড়য়ে মন হরষে,

    আমরাও নাথ, তেমনি করে মাতিব তব প্রকাশে।

    শান্তং শিব অদ্বিতীয় রাজ-রাজ চরণে,

    বিকাইব ওহে প্রাণসখা, সকল করিব জীবন।

    এমন অধিকার, কোথা পাব আর, স্বর্গভোগ জীবনে (সশরীরে)

    শুদ্ধমপাপবিদ্ধিবং রূপ, হেরিয়ে নাথ তোমার,

    আলোক দেখিলে আঁধার যেমন যায় পলাইয়ে সত্ত্বর;

    তেমনি নাথ তোমার প্রকাশে পালাইবে পাপা-আঁধার।

    ওহে ধ্রুবতারা সম হৃদে জলন্ত বিশ্বাস হে;

    জ্বলি দিয়ে দীনবন্ধু পুরাও মনের আশ;

    আমি নিশিদিন প্রমানন্দে মগন হইয়ে হে;

    আপনার ভুলে যাব, তোমারে পাইয়ে হে।

    (সেদিন কবে হবে হে)

    আনন্দবনে মল মধুর ব্রহ্মনাম (Ramakrishna)।

    নামে উথলিবে সুধাসিন্ধু পিয় অবিরাম। (পান কর আর দান কর হে)।

    যদি হয় কখন শুদ্ধ হৃদয়, কর নামগান।

    (বিষয়-মরীচিকায় পড়ে হে) (প্রেমে হৃদয়, সরস হবে হে)

    (দেখ যেন ভুল না রে সেই মহামন্ত্র)

    সবে হুঙ্কারিয়ে ছিন্ন কর পাপের বন্ধন। (জয় ব্রহ্ম জয় বল হে)

    এস ব্রহ্মানন্দ বাতি সবে হই পূর্ণকাম।(প্রেমযোগে যোগী হয়ে হে)

    খোল করতাল লইয়া কীর্তন হইতেছে। নরেন্দ্রাদি ভক্তেরা ঠাকুরকে বেড়িয়া বেড়িয়া কীর্তন করিতেছেন। কখন গাহিতেছেন, প্রেমানন্দ রসে হও রে চিরগমন! আবার কখন গাহিতেছেন, সত্যং শিব সুন্দররূপ ভাতি হৃদিমন্দিরে।

    কীর্তনান্তে নরেন্দ্রকে ঠাকুর অনেকক্ষণ (Ramakrishna) করিয়া বারবার আলিঙ্গন করিলেন! বলিতেছেন, তুমি আজ আমায় আনন্দ দিলে !!!

    আরও পড়ুনঃ “মা, কোথায় আনলে! আমি যে রাসমণির মন্দিরে খুব ভাল ছিলাম”

    আরও পড়ুনঃ “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমির মাফিয়ারাজ নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি করল বিজেপি। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা দেবাশিস প্রামাণিক গ্রেফতার হতেই ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের মদতে জমি মাফিয়াদের সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করার ঘটনায় শিলমোহর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর এই সরব হওয়া ও দলের প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেফতার করানোর ঘটনার পিছনে অন্য অভিসন্ধি দেখছে বিজেপি। শিলিগুড়ি জুড়ে জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি।

     মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগলেন বিজেপি বিধায়ক (Siliguri)

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষও এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এমন ভাব দেখাচ্ছেন তাতে মনে হয়, ২০১১ সালে তিনি শপথ নেওয়ার পর বিদেশ চলে গিয়েছিলেন। এখন ফিরে এসে তিনি জানতে পারছেন, তাঁর দলের নেতারা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিজেকে বাঁচাতে ও সৎ প্রমাণ করতে তাঁর দলের নিচুতলার কর্মীদের বলির পাঁঠা করছেন। সৎ সাহস থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই জমি মাফিয়ারাজে যারা যুক্ত তাদের সকলকে গ্রেফতার করুন। শুধু আইসি-ওসি নয়, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও যেন রেহাই না পান।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

      ওসি, আইসিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে!

    দেবাশিস প্রামাণিককে গ্রেফতারের পর পুলিশ প্রথমে ঠিক করে বলতে পারেনি কোন অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল মারধর, খুনের চেষ্টার অভিযোগ। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে মান্যতা দিতে জমি কেলেঙ্কারির দিকটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনও চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। কেননা দেবাশিস ও তাঁর বাহিনী  দিনের পর দিন এভাবে সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করে দিয়েছে, তা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা জানতেন না, এটা কেউ বিশ্বাস করতে চাইছে না। পুলিশ সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের উঁচুতলরার কর্তাদের বাঁচাতে এনজেপি থানায় এই সময়কালে যারা ওসি, আইসি ছিলেন তাদের ভূমিকা নিয়ে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিখা চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিশের মদতে তৃণমূল নেতারা এখানে বুক ফুলিয়ে জমির কারবার ফেঁদেছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের শীর্ষ কর্তারা যদি বলেন, তারা জানতেন না তাহলে তারা এই চাকরি করার যোগ্য নন। সব থেকে বড় কথা,  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের পরিবার আদিগঙ্গায় জমি দখল করে রেখেছে। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছেন। তাই, শিলিগুড়ির এই জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্ত হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে মহিলার উপর অত্যাচারের ঘটনায় বাংলায় দল পাঠানোর আর্জি শুভেন্দুর

    Cooch Behar: কোচবিহারে মহিলার উপর অত্যাচারের ঘটনায় বাংলায় দল পাঠানোর আর্জি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) সংখ্যালঘু মহিলা বিজেপি কর্মীর উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে বিধানসভা চত্বরে ধরনায় বসতে চায় বিজেপির (BJP)। এ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন বিধানসভার বিজেপির মুখ্য সচেতক শংকর ঘোষ। ধরনায় বসার জন্য অধ্যক্ষের অনুমতি চেয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বিজেপির তরফে। যদিও এই চিঠি সম্পর্কে কোন প্রতিক্রিয়া দেননি অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

    তিন কমিশনের কাছে টিম পাঠানোর আর্জি (Cooch Behar)

    কোচবিহারে সংখ্যালঘু মহিলা বিজেপি কর্মীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। সেই বিতর্কের আঁচ এসে পড়ল বিধানসভাতেও। এ বিষয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন। কোচবিহারের (Cooch Behar) ঘটনায় ওই তিন কমিশনের কাছে বাংলায় টিম পাঠানোর আবেদন জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    সোমবার বিধানসভায় বিজেপির ধরনা (BJP)

    কোচবিহারের ঘটনা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্যর টুইট থেকে বিষয়টি নজরে আসে জাতীয় মহিলা কমিশনেরও। মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন রেখা শর্মা এই ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন। এ বিষয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বাংলার মেয়েকে ভোট দিন বলে মুখ্যমন্ত্রী ২১-এ ক্ষমতায় এসেছিলেন। তাঁর আমলে মহিলারা সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত। তিনি নিজেকে সংখ্যালঘুদের দরদী বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন। অথচ সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত হচ্ছে সংখ্যালঘুরা। তৃণমূল না করলে সংখ্যালঘুদের রেহাই মিলছে না। রামপুরহাটের বগটুইতে মুসলিম মহিলাদের পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। ২০২১ শে ৯১% এবং ২০২৪ এ তৃণমূলকে ৯৫% ভোট দিয়েছে মুসলিমরা।

    আরও পড়ুন: অপহরণ করেও ধরে রাখতে পারল না তৃণমূল! বিজেপিতেই ফিরলেন পঞ্চায়েত সদস্যা

    অথচ তাঁরাই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত। সুকুমার রায়ের ফোনে (Cooch Behar) আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। আমরা আক্রান্ত পরিবারের সঙ্গে আছি। তাঁদের সব রকম ভাবে সহযোগিতা করা হবে। বিজেপির মহিলা বিধায়করা সোমবার থেকে আম্বেদকর মূর্তির পাদদেশে এই অত্যাচারের বিরোধিতায় ধরনায় বসবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TET Recruitment Case: বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে উদ্ধার বস্তাভর্তি নথি! কী মিলল সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযানে?

    TET Recruitment Case: বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে উদ্ধার বস্তাভর্তি নথি! কী মিলল সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে উঠে এল নিয়োগ দুর্নীতির (TET Recruitment Case) প্রসঙ্গ। গত তিন দিন ধরে তল্লাশি অভিযান চলছিল রাজ্যের শিক্ষা দফতরের কার্যালয় বিকাশ ভবনে। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে সল্টলেকের বিকাশ ভবনের গুদাম থেকে বস্তাভর্তি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ নথিপত্র উদ্ধার করল সিবিআই। শিক্ষা দফতরের বিভিন্ন কাগজপত্র রাখার জন্য ব্যবহৃত ওই গুদামটি ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিল করে দিয়েছিল সিবিআই (CBI)। প্রায় দেড় বছর পরে বুধবার থেকে সেই গুদামে আবার আসেন সিবিআই তদন্তকারীরা। 

    উদ্ধার হওয়া বস্তাভর্তি নথিপত্রে কী আছে? 

    গত বুধ এবং বৃহস্পতি— দুদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে তল্লাশি চালান তাঁরা। এরপর শুক্রবার বেলায় আবার শুরু হয় তল্লাশি। দুপুরেই সেখান থেকে বস্তাভর্তি নথিপত্র নিয়ে বাইরে আসতে দেখা যায় সিবিআইয়ের গোয়েন্দাদের। সূত্রের খবর, ওই সমস্ত নথিপত্রে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার (TET Recruitment Case) সঙ্গে সম্পর্কিত বহু ‘জরুরি তথ্য’ রয়েছে। এছাড়াও সিবিআই সূত্রে খবর, প্রাথমিকে নিয়োগের পরীক্ষা টেট সংক্রান্ত জরুরি তথ্য ছাড়াও সেখানে রয়েছে পরীক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রাপ্তদের নামের তালিকা। যা প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নতুন দিক খুলে দিতে পারে। আর যদি সত্যি এমনটা হয় তাহলে এই মামলার মোড় ঘুরে যেতে পারে বলে অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: রিচার্জের দাম বাড়াল জিও-এয়ারটেল! কোন প্ল্যানে কত খরচ? জানুন খুঁটিনাটি

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের পর চলতি বছর ৪ জানুয়ারি ফের বিকাশ ভবনে গিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা (CBI)। জানা গিয়েছে দুবারই ওই ভবনের ছয় তলায় গিয়েছিলেন আধিকারিকরা। শেষবার সেখানে রাজ্যের শিক্ষাসচিব মনীশ জৈনের ঘরে তাঁকে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর কিছু দরকারি নথি সংগ্রহ করে গুদাম সিল করে দিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। আর এবার বুধবার ফের সেখানে হানা দিয়ে বস্তাভর্তি নথি উদ্ধার করে সিবিআই আধিকারিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: নন্দীগ্রামে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Nandigram: নন্দীগ্রামে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে (Nandigram) নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। এই ধর্ষণকাণ্ডে মূল অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘটেছে নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকে। নির্যাতিতার অভিযোগের উপর নির্ভর করে পরিবার এবং এলাকার মানুষ থানায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, মেয়েটি এখানে নিজের মামার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। দিল্লিতে বাবা-মায়ের কাছে থাকত এবং ওখানেই পড়াশুনা চলছিল তার। এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ছাত্রীর পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তকে রাজনৈতিক সংরক্ষণ যেন না দেওয়া হয়। কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক অভিযুক্তকে। পাল্টা তৃণমূলের বক্তব্য, “আইন আইনের পথে চলবে। দোষী কেউ থাকলে শাস্তি চাই।”

    পরিবারের অভিযোগ (Nandigram)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় মাস আগে ছুটিতে মামার বাড়ি নন্দীগ্রামে (Nandigram) এসেছিল ছাত্রী। গত ২৫মে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। অভিযুক্ত ব্যক্তি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। এই ব্যক্তি আবার বিবাহিত এবং এক সন্তানও রয়েছে তার। প্রথমে অভিযুক্ত ব্যক্তি, ছাত্রীর সঙ্গে পরিচয় করে এবং এরপর ভাব করে, তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। সেই সঙ্গে হুমকি দেয়, যদি মুখ খুলিস, তাহলে প্রাণে মেরে ফেলব। কিন্তু বাড়িতে এসে ছাত্রী ভয়ে প্রথমে কিছু না বললেও পরে সবটা খুলে বলে। এরপর নির্যাতন সম্পর্কে জেনে পরিবার এবং এলাকার মানুষ ১০ জুন নন্দীগ্রাম থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করে। পরিবারের আরও দাবি, ঘটনার পর কয়েক সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার প্রতিবেশীদের অভিযোগ, “অভিযুক্ত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। পুলিশ হয়তো শাসকদলের কর্মী বলেই গ্রেফতার করছে না।“

    আরও পড়ুনঃ রোবট অনন্যার প্রেমে ভোজনরসিকরা এই রেস্তোরাঁয় কেন ভিড় জমাচ্ছেন জানেন?

    তৃণমূলের বক্তব্য

    নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। দোষীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে। এই মর্মে একাধিক সামজিক সংগঠনের তরফ থেকে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। আবার স্থানীয় (Nandigram) তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান বলেছেন, “অভিযুক্ত কে? তাঁর রাজনীতির রং না দেখেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।” অপর দিকে সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী এখন এলাকা থেকে পলাতক। রাজ্যে নাবালিকা ধর্ষণের অভিযোগ আগেও শাসক দলের একাধিক নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে উঠে এসেছিল। ঘটনায় তৃণমূল অনেকটাই চাপের মুখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অপহরণ করেও ধরে রাখতে পারল না তৃণমূল! বিজেপিতেই ফিরলেন পঞ্চায়েত সদস্যা

    Nadia: অপহরণ করেও ধরে রাখতে পারল না তৃণমূল! বিজেপিতেই ফিরলেন পঞ্চায়েত সদস্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক দলীয় পতাকা ধরানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত বিজেপি নেত্রী কোনওরকমে প্রাণে বেঁচে ফেরেন। পরে, ফের বিজেপির পতাকা তুলে নেন হাতে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) গাংনাপুর থানার দেবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    জানা গিয়েছে, দেবগ্রাম গ্রাম (Nadia) পঞ্চায়েতের ২৪৩ নম্বর বুথের বিজেপির নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যা সঞ্চিতা সরকার। ২৬ জুন শুভঙ্কর বারুই ওরফে হরি নামে এক যুবক তাঁকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান তৃণমূল কর্মী সুবীর ধরের বাড়িতে। সেখানে জোর করে তাঁকে তৃণমূলের পতাকা হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী, প্রাণনাশের  হুমকি দিয়ে তৃণমূলে যোগদানের ভিডিও করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু, সঞ্চিতাদেবী সেখান থেকে কোনওরকমে  পালিয়ে আসেন। এরপর তিনি দলীয় নেতৃত্বদের কাছ থেকে ফের বিজেপির পতাকা তুলে নেন। এই বিষয়ে সঞ্চিতা বলেন, ওই দুই তৃণমূল কর্মী জোরপূর্বক আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। আমি রাজি হইনি। আমি আজীবন বিজেপি করে এসেছি। ভবিষ্যতে বিজেপিতেই থাকতে চাই। তৃণমূলের ওই দুই কর্মীর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গাংনাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে গাংনাপুর থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সুবীর ধর বলেন, ‘তৃণমূল কোনওদিনই এরকম জোরজুলুম করে দলে যোগদান করায় না। তিনি নিজেই গাড়ি করে এসে তৃণমূলের পতাকা ধরেছিলেন।’ অপরদিকে, নদিয়ার চাকদার বিজেপি (BJP) বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ বলেন, ‘তৃণমূল ভয় পেয়েছে বিজেপিকে, তাই নির্বাচনের আগে পঞ্চায়েত সদস্যাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে জোর করে তৃণমূলে যোগদান করিয়েছেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। তবে, ওই মহিলা অত্যন্ত সাহসী। তাই তিনি দেখিয়ে দিলেন, দলকে ভালোবাসলে দলের বিরুদ্ধে যাওয়া যায় না। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং এই ঘটনাটি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে জানানো হয়েছে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনেও জানানো হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Parliament: বিরোধীদের হাঙ্গামার জেরে সোমবার পর্যন্ত স্থগিত সংসদ  

    Parliament: বিরোধীদের হাঙ্গামার জেরে সোমবার পর্যন্ত স্থগিত সংসদ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার লোকসভায় (Parliament) মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের উপর চর্চার দাবিতে বিরোধীদের হাঙ্গামার জেরে সোমবার পর্যন্ত স্থগিত হয়ে গেল লোকসভা। রীতি ভেঙে রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনার আগে নিট (NEET) বিতর্কে আলোচনা চায় কংগ্রেস।

    নিটের উপর চর্চা চেয়ে হাঙ্গামা (Parliament) 

    লোকসভার (Parliament) বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আগে নিজের প্রস্তাবিত বিষয়ের উপর চর্চার দাবি তোলেন। পাল্টা সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর চর্চা হয়। ধন্যবাদ প্রস্তাবের পরেই অন্য বিষয়ে চর্চা হতে পারে। এ বিষয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, “আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ প্রস্তাব হবে। ধন্যবাদ প্রস্তাবের আগে বা কার্য স্থগিত রাখা বা অন্য কোণও প্রস্তাব নেওয়া হবে না।” তিনি বিরোধীদের সংসদ চলতে দেওয়ার অনুরোধ করেন। এরপর নিটসহ অন্যান্য বিষয়ে কথা হতে পারে।

    সংসদ শুরু হতেই বিরোধীদের হাঙ্গামা

    দুপুর ১২:০০ টায় সংসদ স্থগিত হওয়ার পর যখন ফের সংসদ (Parliament) শুরু হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হাজী নুরুল ইসলাম সদস্যতার শপথ নেন। অসুস্থ থাকার কারণে তিনি এর আগে শপথ নিতে পারেননি। এরপর থেকেই বিরোধীরা নিট সহ অন্যান্য পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ বিষয়ে চর্চার দাবি তোলেন। যদিও ওম বিড়লা এদিন রাষ্ট্রপতির ধন্যবাদ প্রস্তাব চলাকালীন বিরোধীদের প্রস্তাব নেওয়া হবে বলে জানান। তা সত্ত্বেও বিরোধীদের তরফ থেকে হাঙ্গামা বজায় থাকে। পাল্টা স্পিকার বলেন, “পরিকল্পিতভাবে সংসদ চলতে না দেওয়া সংসদীয় গণতন্ত্রে কাম্য নয়। জনগণ সাংসদদের সংসদে হাঙ্গামা করার জন্য পাঠায় না। রাস্তায় বিরোধিতা করা আর সংসদে বিরোধিতা করার মধ্যে পার্থক্য থাকা উচিত।”

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    বিরোধীদের হাঙ্গামা কিরেন রিজিজু বলেন, “সংসদের ইতিহাসে রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর ধন্যবাদ প্রস্তাব ছাড়া অন্য বিষয়ে চর্চার পরম্পরা নেই। এই প্রথমবার কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের সদস্যরা অন্য বিষয়ে চর্চা চাইছেন। তাঁরা স্পিকারের আসনের কাছে চলে এসে চিৎকার চেঁচামেচি করছেন। আমরা এর নিন্দা করছি।” তিনি আরও বলেন, “চর্চা চলাকালীন (Parliament) যে সমস্ত বিষয়ে আসবে সরকার তার উপরে জবাব দেবে। কিন্তু সংসদ চলতে দিতে হবে।” হাঙ্গামা না থামায় স্পিকার দুপুর ১২:০৭ নাগাদ সোমবার সকাল ১১:০০ পর্যন্ত সংসদ স্থগিত থাকবে বলে ঘোষণা করেন।”

    আরও পড়ূন: বৃন্দাবনে ২০০ বছর পুরানো রাম-সীতার জরাজীর্ণ দোলনা সারাবেন মুসলিম কারিগর

    এদিন সকাল ১১ টা নাগাদ সংসদের কাজ শুরু হয় সংসদ শুরু হতেই স্পিকার ১৩ জন প্রাক্তন সাংসদদের মৃত্যুর জেরে নীরবতা পালনের সিদ্ধান্ত নেন। নীরবতা শেষ হতেই কংগ্রেসসহ বিরোধীদলেরা নিট পরীক্ষায় বিষয়ে চর্চার দাবি তোলে। স্পিকার রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপরে ধন্যবাদ প্রস্তাব চলাকালীন সকলকে নিজেদের দাবি জানানোর কথা বলেন। তিনি বলেন বিরোধীদের সমস্ত বিষয়ে সরকার জবাব দেবে আপনাদের কাছে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে কিন্তু তা সত্ত্বেও বিরোধীদের স্লোগান চিৎকার ও হাঙ্গামা থমসেনা দেখে দুপুর দুটো পর্যন্ত বারোটা পর্যন্ত সংসদে স্থগিত করে দেওয়া হয়।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jio-Airtel Price Hike: রিচার্জের দাম বাড়াল জিও-এয়ারটেল! কোন প্ল্যানে কত খরচ? জানুন খুঁটিনাটি

    Jio-Airtel Price Hike: রিচার্জের দাম বাড়াল জিও-এয়ারটেল! কোন প্ল্যানে কত খরচ? জানুন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিও ও এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য বড় খবর। মোবাইল রিচার্জ করতে গেলে এবার অতিরিক্ত গ্যাটের কড়ি খরচ করতে হবে গ্রাহকদের। কারণ সম্প্রতি রিচার্জের দাম বাড়িয়েছে দেশের বৃহত্তম টেলিকম সংস্থা রিলায়েন্স জিও (Jio-Airtel Price Hike)। প্রিপেইড এবং পোস্টপেইড দুই রিচার্জের দামই বাড়িয়েছে রিলায়েন্স জিও। আনলিমিটেড ৫জি নিয়েও বড় ঘোষণা করেছে সংস্থা।
    তবে শুধু জিও নয় জিও-এর পর এবার এয়ারটেলও (Jio-Airtel Price Hike) রিচার্জ প্ল্যানগুলির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল। ১১ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে খরচ। জানা গিয়েছে আগামী ৩ জুলাই থেকে লাগু হবে এই দাম। প্রিপেইড-পোস্টপেইড ছাড়াও, অ্যাড-অন ডেটা ভাউচার প্ল্যানগুলির দামও বাড়ানো হয়েছে। জিও-এর মতো এয়ারটেলও আনলিমিটেড ৫জি পরিষেবা দিয়ে থাকে। সেই নিয়েও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম সংস্থা।

    কত টাকা বাড়ল জিও রিচার্জের দাম? (Jio-Airtel Recharge Plans)

    আগে ফোন চালু রাখার জন্য নূন্যতম প্রিপেইড প্ল্যান ছিল ১৫৫ টাকা। এবার সেই প্ল্যান বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৮৯ টাকা। এই প্ল্যানে ২৮ দিন আনলিমিটেড কল এবং মোট ২ জিবি ডেটা পাওয়া যাবে। একই ভ্যালিডিটিতে দৈনিক ১ জিবি ডেটা চাইলে, খরচ করতে হবে ২৪৯ টাকা, আগে যা ছিল ২০৯ টাকা। একইসঙ্গে ২৩৯ টাকার প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ২৯৯ টাকা। ২৯৯ টাকা প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩৪৯ টাকা। ৩৪৯ টাকার প্ল্যান এখন ৩৯৯ টাকা। ৩৯৯ টাকার প্ল্যান এখন ৪৪৯ টাকা। দুমাসের প্রিপেইড প্ল্যানের দাম ৪৭৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৭৯ টাকা। ৫৩৩ টাকা প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৭৯ টাকা। তিন মাসের সবথেকে সস্তা প্ল্যান এখন ৪৭৯ টাকা, যা আগে ছিল ৩৯৫ টাকা। ৬৬৬টাকার রিচার্জ প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৯৯ টাকা। ৭১৯ টাকার রিচার্জ প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে করা হয়েছে ৮৫৯ টাকা। 

    কত টাকা বাড়ল এয়ারটেল রিচার্জের দাম? (Jio-Airtel Recharge Plans)

    বর্তমানে এয়ারটেলে নূন্যতম প্রিপেইড রিচার্জ প্ল্যানের খরচ ১৭৯ টাকা। তবে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৯৯ টাকা। ২৬৫ টাকার প্ল্যান বেড়ে হয়েছে ২৯৯ টাকা। ২৯৯ টাকার প্ল্যান বেড়ে হয়েছে ৩৪৯ টাকা। ৩৫৯ টাকা প্ল্যানের নতুন খরচ ৪০৯ টাকা। ৩৯৯ টাকা প্ল্যানের নতুন খরচ ৪৪৯ টাকা। ৪৫৫ টাকার যে প্ল্যান ছিল, তার খরচ বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৯৯ টাকা। ৪৭৯ টাকা প্ল্যানের দাম বেড়ে হয়েছে ৫৭৯ টাকা। ৫৪৯ টাকা প্ল্যানের দাম বেড়ে হয়েছে ৬৪৯ টাকা। ৭১৯ টাকা প্ল্যানের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৫৯ টাকা। ৮৩৯ টাকা প্ল্যানের দাম বেড়ে হয়েছে ৯৭৯ টাকা। আর ১৭৯৯ টাকার প্ল্যান বেড়ে হয়েছে ১৯৯৯ টাকা।  

    আনলিমিটেড ৫জি তে কী সুযোগ থাকছে? 

    আনলিমিটেড ৫জি পরিষেবা চালু রাখছে জিও। তবে এর জন্য দৈনিক ২ জিবি ডেটার যে প্ল্যান রয়েছে, সেগুলি রিচার্জ করতে হবে। আর এই রিচার্জ প্ল্যানের দাম শুরু ২৩৯ টাকা থেকে। অন্যদিকে এয়ারটেলে আনলিমিটেড ৫জি পরিষেবা পেতেও নূন্যতম ২৩৯ টাকা রিচার্জ করতে হবে। তাহলেই বিনামূল্যে ৫জি ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকেরা। 

    আরও পড়ুন: বৈদেশিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে বিদেশী সামরিক কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিল ভারত

    পোস্টপেইড ও ডেটা ভাউচার  

    জিও পোস্টপেইড ৩০ জিবি প্ল্যানের দাম ২৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৪৯ টাকা করা হয়েছে। ৭৫ জিবি প্ল্যানের দাম ৩৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪১৯ টাকা করা হয়েছে। এক বছরের রিচার্জ প্ল্যান এবং অ্যাড-অন ডেটা ভাউচারের দামও বাড়িয়েছে রিলায়েন্স জিও। একইসঙ্গে এরায়টেলে এতদিন ১৯ টাকায় এক দিনের ১ জিবি ডেটা ভাউচার পাওয়া যেত। এই প্ল্যানের দাম (Jio-Airtel Price Hike) বাড়িয়ে করা হয়েছে ২২ টাকা। ২৯ টাকার ভাউচার হতে চলেছে ৩৩ টাকা এবং ৫৫ টাকার ডেটা ভাউচারের দাম বেড়ে হয়েছে ৭৭ টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share