Tag: Bengali news

Bengali news

  • Indian Railways: রেলে প্রচুর নিয়োগ, অতিরিক্ত ১৩ হাজার অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদের বিজ্ঞপ্তি

    Indian Railways: রেলে প্রচুর নিয়োগ, অতিরিক্ত ১৩ হাজার অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদের বিজ্ঞপ্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেই কর্মসংস্থানে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৩ হাজার অতিরিক্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদে নিয়োগ করবে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। রেলের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল মন্ত্রক। মঙ্গলবার ভারতীয় রেলের তরফে ঘোষণা করা হয়, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে সহকারি ট্রেন চালক (রেলের পরিভাষায় লোকো পাইলট) নিয়োগের সংখ্যা তিনগুণ বাড়ানো হবে। রেলওয়ে বোর্ডের একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সব মিলিয়ে সহকারি ট্রেন চালক পদে নিয়োগ করা হবে ১৮ হাজার ৭৯৯ জনকে।

    বিপুল নিয়োগের সিদ্ধান্ত (Indian Railways)

    অবসর নেওয়ায় কমছিল ট্রেন (Indian Railways) চালক ও সহকারি ট্রেন চালকের সংখ্যা। তাই কর্মরত চালক ও সহকারি চালকদের ওপর বাড়ছিল কাজের চাপ। চালকদের ২১ শতাংশ ও সহকারি চালকদের ৮ শতাংশ পদ শূন্য রয়েছে বলে অভিযোগ রেলের বিভিন্ন সংগঠনের। তাই শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের দাবি জানাচ্ছিল তারা। চালক ও সহকারি চালকদের যাতে কাজের চাপ কমে, তাই প্রায় উনিশ হাজার পদে সহকারি চালক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল।

    বাড়ানো হল তিনগুণ

    রেল সূত্রে খবর, প্রথমে ঠিক ছিল সহকারি চালক পদে নিয়োগ করা হবে ৫ হাজার ৬৯৬ জনকে। পরে যাত্রী সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানের বিষয়টির কথা মাথায় রেখে ঠিক হয় নিয়োগ করা হবে ১৮ হাজার ৭৯৯ জনকে। রেলের তরফে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জোনকে শূন্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলা হয়েছে। রেল সূত্রে খবর, শূন্য পদ পূরণে অন্তত ছ’মাস সময় লাগবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর হবে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা, অ্যাপটিটিউড টেস্ট এবং মেডিক্যাল পরীক্ষা। তার পরে হবে প্রশিক্ষণ পর্ব। প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে হবে লাগানো হবে কাজে।

    আর পড়ুন: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    সহকারি চালক পদে নিয়োগের খবরে খুশির হাওয়া লোকো পাইলট মহলে। অল ইন্ডিয়া লোকো রানিং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ভি বালাচন্দ্রন বলেন, “রেলওয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এতে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের কাজের চাপ কমবে (Indian Railways)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    Last Metro: আর ছাড়বে না রাত ১১টায় মেট্রো, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের সুবিধার্থে বেশ কয়েকদিন ধরে রাত ১১:০০ টা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আগামী সোমবার থেকে আর রাত এগারোটা পর্যন্ত (Last Metro) মেট্রো পাওয়া যাবে না। ২৪ শে জুন থেকে রাত ১১:০০ টার বদলে (Metro Time Change) ১০:৪০-এ ছাড়বে শেষ মেট্রো। ফলে রাতের দিকে যাতায়াতে মেট্রোর সুবিধা থেকে বঞ্চির হতে পারেন বেশ যাত্রীরা।  

    যাত্রী কম, খরচ প্রচুর 

    সূত্রের খবর দমদম এবং কবি সুভাষ এর মধ্যে রাত ১১:০০ টার (Last Metro) ট্রেনে যাতায়াতকারী যাত্রী সংখ্যা মাত্র ৩০০র কাছাকাছি ছিল। এদিকে ট্রেন চালানোর খরচ হিসেবে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসেবে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আবার অনেক স্টেশনের কাউন্টার খোলা রেখে হাতেগোনা কয়টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। রাতে যারা যাতায়াত করছেন তাঁরা বেশিরভাগ মেট্রো কার্ড ব্যবহার করছেন। টোকেন বিক্রির হার যথেষ্ট কম। ফলে কাউন্টারে খোলা রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাতেরপরিষেবায় কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীরা ইউপিআই পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো মেশিন থেকে টোকেন নিতে পারবেন। আর যাদের কাছে মেট্রোর কার্ড আছে তাঁরাও ব্যবহার করতে পারবেন।

    ১১:০০টার বদল ১০:৪০ এ শেষ মেট্রো (Last Metro)

    মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মতে রাত ১১:০০টা পর্যন্ত মেট্রো চালিয়ে যত যাত্রী আশা করা হচ্ছিল, আসলে তত যাত্রীর মেট্রোতে উঠছেন না। ফাঁকা মেট্রো চালাতে হচ্ছে। ফলে ক্ষতি হচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের। রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেন, “রাতে মেট্রো চললে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন এবং তাঁদের চাহিদা পূরণ করা হবে এটা ভাবা হয়েছিল। এই কারণেই রাতের পরিষেবা শুরু করা হয়েছিল। তবে দেখা যাচ্ছে রাতের এই পরীক্ষামূলক (Last Metro) পরিষেবায় মেট্রোয় বেশি যাত্রী হচ্ছে না। অন্যদিকে এই পরিষেবা চালু রাখার জন্য মেট্রোর প্রচুর খরচ হচ্ছে। তাই সোমবার থেকে রাতের মেট্রোর সময় কমিয়ে আনা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ূন: জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রসঙ্গত ২৪ জুন থেকে মেট্রো পরীক্ষামূলক এই পরিষেবা কবি সুভাষ থেকে এবং দমদম স্টেশন থেকে ১০:৪০ শেষ (Last Metro) মেট্রো ছাড়বে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত এই পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে মেট্রো ট্রেন থামবে। শহর কলকাতায় যাত্রার ক্ষেত্রে যাত্রীরা মেট্রো খুবই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিষেবা মেলে খুব অল্প দামে। অবশ্য করোনা অতিমারির আগে শেষ মেট্রো ছাড়ত রাত ০৯:৫৫ মিনিটে।

     

     

     

  • Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। ঠিক এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইতিমধ্যেই থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও চেয়েছেন বিচারপতি। বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ওপর তাদের ভরসা নেই। সিবিআই তদন্তে করলে ন্যায় বিচার পাবে পরিবার।

    কী বললেন বিচারপতি? (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিজেপি কর্মীর মৃত্যু মামলায় নির্দেশে বলেছেন, “মৃতের স্ত্রী এবং তাঁর কোনও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এসএসকেএমে দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া হবে। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করতে হবে। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court)

    গত ৪ জুন মেদিনীপুরের ডেবরার ভরতপুর অঞ্চলে পুরুষোত্তম নগরে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কিছু লোকজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৪২ বছরের বিজেপি কর্মী সঞ্জয়। কিন্তু জেলে মাথা ফেটে যায় তাঁর। এরপর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু জেলে কীভাবে মাথা ফাটল এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের তরফে মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Calcutta High Court) করলে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মৃত বিজেপি কর্মী সঞ্জয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তৃণমূলের নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। সঞ্জয়ের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে সামজিক মাধ্যমে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতার পুলিশের বর্বরতায় হেফাজতে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সিবিআই তদন্ত বা বিচার বিভাগীয় (Calcutta High Court) তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Steel: উদ্যোগ কেন্দ্রের, দেশে উৎপাদিত ইস্পাতে সাঁটানো হচ্ছে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেবেল

    Indian Steel: উদ্যোগ কেন্দ্রের, দেশে উৎপাদিত ইস্পাতে সাঁটানো হচ্ছে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেবেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্যোগী হয়েছিল স্টিল মন্ত্রক (Indian Steel)। ফলতে শুরু করেছে তার সুফল। ভারতে তৈরি স্টিলের প্রোডাক্টের ৮০ শতাংশেরই ওপর সাঁটানো হচ্ছে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেবেল। গত বছরের নভেম্বরে এই উদ্যোগ শুরু হয়েছিল। তার জেরেই তামাম বিশ্বে বিকোচ্ছে মেড ইন ইন্ডিয়ার স্টিল প্রোডাক্ট।

    শুরু হয়েছে ব্র্যান্ডিং(Indian Steel)

    সরকারি এক আধিকারিকের দাবি, ‘স্টিল মন্ত্রক প্রথম এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়। তার পরেই শুরু হয় ব্র্যান্ডিং। সেই প্রচেষ্টার জেরেই প্রথম দফায় দেশে উৎপাদিত ১২৫ মিলিয়ন টন স্টিলের মধ্যে ৮০ মিলিয়ন স্টিলে ব্র্যান্ডিং হয়েছে।’ জানা গিয়েছে, ভারতীয় স্টিল (Indian Steel) উৎপাদনকারীরা প্রোডাক্টের ক্যাটেগরির ওপর কমন লেবেল চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। প্রতিটিতে মেড ইন ইন্ডিয়া লোগো লাগাতে যে সাইজ এবং জায়গা প্রয়োজন, তাও ঠিক করে ফেলেছেন।

    মেড ইন ইন্ডিয়া লেবেল

    সূত্রের খবর, দেশের সব আইএসপি নির্বাচিত কিছু স্টিল প্রোডাক্টের ওপর ব্র্যান্ডিং করতে শুরু করে দিয়েছে। তারা তাদের নয়া প্রোডাক্টে মেড ইন ইন্ডিয়া লেবেল সেঁটে দিচ্ছে। ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর থেকে এটা শুরু করেছে তারা। জানা গিয়েছে, আরআইএনএল, জেএসপিএল এবং টাটা স্টিল লিমিটেড তাদের একশো শতাংশ প্রোডাক্টেই মেড ইন ইন্ডিয়া লেবেলিং করছে। বাকিরা জুনের মধ্যেই এই কাজ শেষ করে ফেলবে।কী কারণে ব্র্যান্ডিংয়ের প্রয়োজন? সরকারি সূত্রের দাবি, সমস্ত স্টিল প্রোডাক্টের ওপর মেড ইন ইন্ডিয়া ব্র্যান্ড লেবেল সাঁটানো থাকলে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতীয় প্রোডাক্টের ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়বে।

    আর পড়ুন: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    উৎসাহিত হবেন উৎপাদকরা। তাঁরাও তাঁদের প্রোডাক্ট ব্র্যান্ডিং করতে শুরু করবেন। যার সুফল কুড়োবে ভারতীয় অর্থনীতি। লম্বা দৌড়ে আদতে লাভবান হবে ইন্ডিয়ান স্টিল সেক্টর। তামাম বিশ্বে তার একটা নিজস্ব বাজার তৈরি হবে। জানিয়ে দেবে বিশ্ব বাজারে ভারতের অবস্থানটা ঠিক কোথায়।

    ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র স্লোগান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়েই এই স্লোগান দিয়েছিলেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রোডাক্টের গায়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেবেল সাঁটানো থাকলে ভারত এবং বিশ্বে ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া মিশন আত্মনির্ভর ভারতের পরিপূরক হয়ে উঠবে। সূত্রের দাবি, এই কনসেপ্টটি প্রথম দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেটাকেই কার্যকর করছে স্টিল মন্ত্রক (Indian Steel)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jagannath Temple Ratna Bhandar: চার দ্বারের পর এবার খুলতে চলেছে জগন্নাথ ধামের রত্ন ভান্ডার, প্রকাশ্যে তারিখ

    Jagannath Temple Ratna Bhandar: চার দ্বারের পর এবার খুলতে চলেছে জগন্নাথ ধামের রত্ন ভান্ডার, প্রকাশ্যে তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরী জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডার (Jagannath Temple Ratna Bhandar) ৮ জুলাই খুলতে চলেছে। একথা জানিয়েছেন ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের (ASI) সার্ভে সুপার ড. ডিবি গড়নায়ক। পুরীর রত্নভান্ডারে প্রায় ১৫০ কেজি সোনার গয়না আছে। ২৫৮ কেজি রুপোর গয়না আছে। রত্নভান্ডার খোলা হলে সেদিকে নজর থাকবে গোটা দেশের।

    চার দ্বার খোলার পর এবার খুলবে রত্ন ভান্ডার  

    সম্প্রতি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের চারটি দ্বার খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। এর পর থেকে রত্ন ভান্ডার (Jagannath Temple Ratna Bhandar) খোলার কথা সামনে আসতে থাকে। বিজেপির ঘোষণাপত্রে মন্দিরের চারটি দ্বার ও রত্নভান্ডার খোলার প্রতিশ্রুতি ছিল। ১৯৭৮ সাল থেকে রত্ন ভান্ডার খোলা হয়নি। ফলে মন্দিরের সম্পত্তির পরিমাণ সংক্রান্ত কোনও অডিট হয়নি। জানা গেছে রত্ন ভান্ডার খোলার দাবি উঠলেও চাবি হারিয়ে আওয়ার অজুহাতে রত্ন ভান্ডার খোলা এবং অডিটের চেষ্টা বিফল হয়ে যায়।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য (Jagannath Temple Ratna Bhandar)

    জগন্নাথ ধাম মন্দির কমিটির তরফে সুদর্শন পট্টনায়েক বলেন, ‘রত্ন ভান্ডার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায় কমিটি। ২০১৮ সালে পরীক্ষায় উঠে আসে রত্ন ভান্ডারে বৃষ্টির জল ঢোকা সহ একাধিক সমস্যার কথা। ছয় বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর এখনও পর্যন্ত রত্ন ভান্ডার সারাইয়ে কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অভিযোগ ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাকে (ASI) চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। লেজার স্ক্যানিংয়ে রত্ন ভান্ডারে ফাটল নজরে এসেছে। মন্দির সুরক্ষার দায়িত্ব সকলের উপর বর্তায়। রত্ন ভান্ডারের মেরামতিতে ছয় বছর দেরি হওয়ার কারণ অনুসন্ধান হওয়া উচিত। আমি এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝিকে ASI, মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।’ শ্রী জগন্নাথ মন্দির অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (SJTA)-এর তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডারের চাবি হারানোর ঘটনাকে এবার ভোটপ্রচারের হাতিয়ার করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের চারটি প্রবেশদ্বারের পিছনে লুকিয়ে কোন ইতিহাস?

    আরও জানা গেছে পুরী জগন্নাথ মন্দির কমিটির বৈঠকে শেষেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার হয়েছে। পুরী জগন্নাথ ধামে রথযাত্রার আগেই রত্ন ভান্ডার (Jagannath Temple Ratna Bhandar) খোলা হলে এটি বিজেপির নৈতিক জয় হবে। কারণ বিজু জনতা দলের আমলে একবারও রত্ন ভান্ডার খোলা হয়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Haryana Congress: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    Haryana Congress: হরিয়ানা কংগ্রেসে ‘রাম’ধাক্কা, বিজেপিতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বংশীলালের পুত্রবধূ, নাতনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে জোর ধাক্কা হরিয়ানা কংগ্রেসে (Haryana Congress)। মঙ্গলবার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন বিধায়ক কিরণ চৌধুরী। জানিয়েছিলেন বুধবার মেয়ে শ্রুতিকে নিয়ে তিনি যোগ দেবেন বিজেপিতে। সেই মতো এদিন শিবির বদলালেন কিরণ ও শ্রুতি। দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দল বদলান কিরণ-শ্রুতি। উপস্থিত ছিলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নায়েব সিংহ সাইনি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুং।

    কী বললেন কিরণ? (Haryana Congress)

    হাতে গেরুয়া পতাকা তুলে (Haryana Congress) নিয়ে কিরণ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্যই আজ আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়বেন। আমার পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে যে ভারত বিশ্বে উজ্জ্বলভাবে কিরণ দেবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেসব জনকল্যাণমূলক কাজ করছেন, তার জেরেই কেন্দ্রে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।” তিনি বলেন, “আমি খট্টরজির সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। আমাদের মধ্যে অনেকবার তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু তিনি যেভাবে কাজ করেছেন, তা আমার কাছে প্রেরণার উৎস।”

    কিরণের হাতে গেরুয়া ঝান্ডা

    তোশাম কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন কিরণের শ্বশুর প্রয়াত বংশীলাল। কংগ্রেসের টিকিটে জেতা বংশীলাল একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন হরিয়ানার। তাঁর স্বামী প্রয়াত সুরেন্দ্র সিংহও হরিয়ানা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। ২০০৫ সালে সুরেন্দ্রর অকাল প্রয়াণের পরে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন কিরণ। কিরণের মেয়ে শ্রুতি ভিওয়ানি মহেন্দ্রগড় লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন ২০০৯ সালে, কংগ্রেসের টিকিটে। এহেন ‘কংগ্রেসি’ কিরণ এবং শ্রুতি হাতে তুলে নিলেন গৈরিক ঝান্ডা।

    মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে চিঠি লিখে দল ছাড়ার কথা জানিয়ে কিরণ লিখেছিলেন, “সব চেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয় হল যে হরিয়ানায় কংগ্রেস পার্টি আমার মতো আন্তরিক কণ্ঠস্বরগুলির জন্য কোনও পরিসর না রেখে কয়েকজনের ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।”

    আর পড়ুন: “ভারতের নয়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আশ্বাবাদী”, বলছেন ট্রুডো

    বুধবার কিরণ বলেন, “তিনি (খট্টর) যে সততার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেছেন, তা অতুলনীয়। আজ আমরা বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নেব। হরিয়ানায় বিজেপি সরকার গড়বে তৃতীয়বারের জন্য।” শ্রুতি বলেন, “দেশের জন্য প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক নানা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর জন্যই বিশ্বের দরবারে ভারতের গুরুত্ব বেড়েছে। খট্টরজিকে দেখে প্রেরণা পেয়েই আমি এখানে এসেছি। দেশ এবং রাজ্যে বিজেপিকে শক্তিশালী করতেই আমরা পদ্ম শিবিরে (Haryana Congress) যোগ দিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam ends VIP culture: মন্ত্রী-আমলাদেরই চোকাতে হবে নিজ বিদ্যুৎ বিল! অসমে ভাঙল ভিআইপি-সংস্কৃতি

    Assam ends VIP culture: মন্ত্রী-আমলাদেরই চোকাতে হবে নিজ বিদ্যুৎ বিল! অসমে ভাঙল ভিআইপি-সংস্কৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদনি ধরে রাজ্যের বহু সরকারি কর্মীর আবাসনের বিদ্যুতের বিল মেটাত সরকার। তবে এবার থেকে সেই সুবিধা বন্ধ করা হচ্ছে বলে সম্প্রতি ঘোষণা করলেন অসমের (Assam Government) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রবিবার তিনি ঘোষণা করেছেন যে তিনি এবং মুখ্যসচিব আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের বিদ্যুতের বিল দেওয়া শুরু করবেন। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এতদিন ওই রাজ্যের যে সকল মন্ত্রী-আমলা এই সুবিধা পেতেন, আগামী মাস থেকে তাঁরাও আর এই সুবিধা পাবেন না।  

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মন্তব্য (Assam Government) 

    রবিবার মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এখন সরকার কোনও সরকারি কর্মচারী বা রাজনীতিবিদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করবে না। এবার থেকে তাঁকে নিজেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তা পোস্ট করে তিনি বলেছেন, “আমাদের মন্ত্রী ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন বা সচিবালয়ের বিদ্যুৎ বিল এতদিন ধরে সরকার পরিশোধ করে আসছিল। এটি ৭৫ বছর ধরে চলে আসছে, কোনও নতুন ব্যবস্থা নয়। কিন্তু এবার আমরা ভিআইপি সংস্কৃতি (Assam ends VIP culture) ভাঙছি। করদাতাদের টাকা দিয়ে আমরা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারি না। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে এখন থেকে গোটা রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও রাজনীতিবিদদের নিজেদেরই বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে হবে।”
    অর্থাৎ করদাতাদের টাকা দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের ‘ভিআইপি কালচার’ খতমের কথা ঘোষণা করলেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আগামী মাস থেকেই এই জরুরি পরিষেবা পাওয়ার জন্য অসমের সরকারি কর্মীদের খসাতে হবে নিজের পকেটের টাকা। 

    আরও পড়ুন: ইডির ডাকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    ৩০ লক্ষ টাকা মাসিক সাশ্রয়

    উল্লেখ্য, এদিন মুখ্যমন্ত্রী  আসাম (Assam Government) সচিবালয় কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জনতা ভবন সৌর প্রকল্প, ২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, গ্রিড-সংযুক্ত ছাদ এবং গ্রাউন্ড-মাউন্টেড সোলার পিভি সিস্টেমের উদ্বোধন করেন। প্রকল্পটি মাসে গড়ে ৩ লক্ষ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ ১২.৫৬ কোটি টাকা ৪ বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধার করা হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এর ফলে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মাসিক সাশ্রয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে (Abhijit Das Suspend)। এই বারের লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছিল তাঁকে। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ভূমিপুত্রকে দাঁড় করিয়ে চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তাঁকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও ববির বক্তব্য, তিনি কোনও চিঠি পাননি।

    কেন বরখাস্ত (Abhijit Das Suspend)?

    মঙ্গলবার বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করতে গিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, মারধরের একাধিক অভিযোগের ঘটনা সমানে উঠে এসেছে। এমনকী, বেশ কিছু গ্রামের মানুষ বিজেপি করায় আক্রমণ করে বহু পরিবারের মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে। তৃণমূলের অত্যাচারে গ্রামগুলি জনশূন্য হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই এলাকা পরিদর্শন করতে আসা কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের গাড়ি আটকে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপিরই একাংশ। এই বিশৃঙ্খলার সময় ববি (Abhijit Das Suspend) উপস্থিত থাকলেও কার্যত নিস্ক্রিয় ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেখানে ভোট-পরবর্তী হিংসার তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছেন, তাঁদের সমানে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল? এটাই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে প্রশ্ন। তাই আগামী সাত দিনের জন্য তাঁকে দলের তরফ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আক্রান্ত কর্মীদের নিয়ে বৈঠক ছিল

    আমতলার পার্টি অফিসে গতকাল মঙ্গলবার বিজেপির বৈঠক ছিল। তবে এই বৈঠকে ববি (Abhijit Das Suspend) এবং তাঁর অনুগামীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এখানে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবার কথা ছিল বিজেপির তথ্যানুসন্ধানকারী দলের। তবে এই বৈঠকে হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু সবটাই ববি পরিকল্পনা করে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের শৃঙ্খলা কমিটি থেকে বলা হয়, আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে হবে ববিকে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বললেন ববি?

    তবে ববির (Abhijit Das Suspend) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি এখনও কোনও এমন নির্দেশ পাইনি। ইমেইল বা ফোনে কোনও বার্তা পাইনি। পার্টির গোপনীয় চিঠি সংবাদ মাধ্যমের হাতে দিয়ে দলকে বদনাম করছে কিছু মানুষ। দলে থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যের হাত শক্ত করছেন অনেকে। আমি এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ১০০ কোটি ঘুষ চেয়েছিলেন কেজরিওয়াল! ‘প্রমাণ রয়েছে’, আদালতে দাবি ইডির

    Arvind Kejriwal: ১০০ কোটি ঘুষ চেয়েছিলেন কেজরিওয়াল! ‘প্রমাণ রয়েছে’, আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার আবগারি দুর্নীতি মামলার শুনানি ছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) এই মামলায় ৩ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়িয়েছেন বিচারপতি। এদিন ইডির তরফ থেকে দাবি করা হয়, আবগারি দুর্নীতিতে ১০০ কোটির ঘুষ চেয়েছিলেন কেজরিওয়াল এবং তার প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে।

    কী বললেন ইডির আইনজীবী? 

    ইডির হয়ে এদিন সওয়াল জবাবে অংশ নেন আইনজীবী এএসজি রাজু। তিনি বলেন, ‘‘তদন্তে জানা গিয়েছে কেজরিওয়াল ১০০ কোটি টাকার ঘুষ চেয়েছিলেন আবগারি দুর্নীতিতে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির আগেই এ বিষয়ে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। দুর্নীতি যে হয়েছে আদালতে প্রাথমিকভাবে তা প্রমাণও করা গিয়েছে।’’

    ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে কেজরিওয়াল

    প্রসঙ্গত, এদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশগ্রহণ করানো হয়। কেজরিওয়ালের আইনজীবী হিসেবে হাজির ছিলেন বিক্রম চৌধুরী এবং তিনি জানান, এর আগে দায়ের হওয়া কোনও চার্জশিটে আপ সুপ্রিমোর নাম ছিল না। সিবিআই-এর দায়ের করা এফআইআরেও কেজরিওয়ালের নাম ছিল না বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে আম আদমি পার্টির আইনজীবীর এই সমস্ত দাবি এদিন আদালতে টেকেনি।

    গত মার্চ মাসে গ্রেফতার করা হয় কেজরিওয়ালকে

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় গত মার্চ মাসে গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালের সঙ্গেই জেলে রয়েছেন (Arvind Kejriwal) দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও। কেজরিওয়ালে গ্রেফতারির দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয় বিআরএস নেত্রী কে কবিতাকে। প্রসঙ্গত, গ্রেফতারির আগে এই মামলায় ইডি ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। নানা অজুহাতে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। ঘুষের বিনিময়ে মদ নীতিতে সুবিধা পাওয়ানোর অভিযোগ ওঠে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: নৈসর্গিক ডাল লেকের পাড়ে যোগ দিবস পালন, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আঁটসাঁট নিরাপত্তা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sensorineural deafness: রোগী হারিয়ে ফেলেন শোনার ক্ষমতা,  জানুন সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস সম্পর্কে

    Sensorineural deafness: রোগী হারিয়ে ফেলেন শোনার ক্ষমতা, জানুন সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খ্যাতনামা সঙ্গীত শিল্পী অলকা ইয়াগনিকের জীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। জটিল রোগে আক্রান্ত তিনি। তাতেই হারিয়েছেন শোনার শক্তি। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই রোগের নাম সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস। অভ্যন্তরীণ কানের সংবেদনশীল কোষ বা মস্তিষ্কে শ্রবণ স্নায়ু পথের ক্ষতির কারণে এই রোগ হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মস্তিকে শব্দের সিগন্যাল পৌঁছায় না। ফলে শোনার শক্তি থাকে না।

    সেন্সরিনিউরাল ডেফনেস কীভাবে হয়? 

    বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে শব্দ তরঙ্গকে স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায় কক্লিয়ার স্টেরিওসিলিয়া, যা আসলে এক ধরনের স্নায়ু তন্তু। যদি ৮৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দের সংস্পর্শে আসে কান, তখন তন্তুগুলি ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ৩০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ কক্লিয়ার স্টেরিওসিলিয়া ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে বধিরতা আসে না। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এই রোগের ফলে উভয় কানই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    রোগের কারণ কী?

    এই রোগের কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা, সংক্রমণ, মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার, অটোমিউন ডিজিজ, মিনিওর ডিজিজ, যেকোনও বিরল রোগ, ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, জেনেটিক কারণ, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, তীব্র আওয়াজ, জিনগত অসুস্থতা, মাদকের প্রভাবকেই দায়ী করছেন।

    কী কী লক্ষণ দেখা যায়?

    এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি শোনার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। পিছনে চলা যেকোনও রকমের গোলমালেরও শব্দ শুনতে পান না রোগীরা। শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সমস্যা হয়। মাথা ঘুরতে থাকে। এই রোগে আক্রান্তের পক্ষে আশপাশের শব্দ ও আসল শব্দগুলি আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে কানে গুনগুন শব্দ হতে থাকে বা স্পষ্ট শোনা যায় না। কানের কাছে অসাড়তা দেখা দিতে শুরু করে। চিকিৎসকরা তাই পরামর্শ দিচ্ছেন এই রোগ থেকে দূরে থাকতে উচ্চ মানের শব্দ এবং হেডফোনের হেভি এক্সপোজার থেকে প্রত্যেকে যেন দূরে থাকেন।

    চিকিৎসা

    এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ দেওয়া হয়। যদি দ্রুত উন্নতি না হয়, সরাসরি ইন্ট্রাটাইমপ্যানিক স্টেরয়েড কানে দেওয়া হয়। উন্নতি তিন সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান হয়। চিকিৎসকদের মতে, রোগীর যদি ইতিমধ্যেই কোনও রোগ থাকে বা খুব গুরুতর ভাইরাস আক্রমণে ভুগে থাকে, তবে এটি নিরাময় করা কিছুটা কঠিন। তবে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share