Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ration Distribution Scam: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি রেডারে আরও ৫০ খ্যাতনামা! কবে তলব?

    Ration Distribution Scam: রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি রেডারে আরও ৫০ খ্যাতনামা! কবে তলব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তই নন, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Distribution Scam) ইডির আতশকাচের তলায় রয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা (ED) সূত্রে খবর, যে ৫০ জন তাদের আতশকাচের তলায় রয়েছেন, তাঁদের কাছে ঘুরপথে গিয়েছে রেশন কেলেঙ্কারির টাকা। এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে সন্দেহভাজনদের ব্যাঙ্কের কাগজপত্র-সহ অন্যান্য নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হতে পারে তাঁদের।

    ঋতুপর্ণাকে তলব ইডির

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় (Ration Distribution Scam) সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। যদিও বিদেশে থাকায় ওই দিন তিনি গরহাজির ছিলেন। ১৯ জুন তাঁকে ফের ইডির দফতরে যেতে বলা হয়েছে। ইডির এক আধিকারিকের দাবি, রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। লেনদেনের পরিমাণ প্রায় কোটি টাকা।

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত 

    অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তবে বিদেশে থাকায় তিনি যে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি, ইমেল করে সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থাকে। প্রসঙ্গত, রেশন বিলি কেলেঙ্কারিকাণ্ডের (Ration Distribution Scam) তদন্তে নেমে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে গ্রেফতার করেছে ইডি। গ্রেফতার করা হয়েছে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তৃণমূলের শঙ্কর আঢ্য, রেশন সামগ্রী ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান এবং সন্দেশখালির মাফিয়া তৃণমূলের শেখ শাহজাহানকে। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। এই বাকিবুরই ষড়যন্ত্রের চাঁই বলে অনুমান তদন্তকারীদের একাংশের।

    আর পড়ুন: উত্তর সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি, ধসে মৃত তিন, হড়পা বানে ভাসল ৫

    এই কেলেঙ্কারির জাল গুটোতে গিয়ে ইডি জানতে পারে ঋতুপর্ণার নাম। ইডির (ED) আতশকাচের নীচে রয়েছে আরও অন্তত ৫০ জন খ্যাতনামা ব্যক্তি। ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে কেলেঙ্কারিতে (Ration Distribution Scam) যুক্ত থাকার প্রমাণ মিললেই তলব করা হবে ওই খ্যাতনামাদের। উনিশের জুলাই মাসে একবার ইডির মুখোমুখি হয়েছিলেন ঋতুপর্ণা। রোজভ্যালিকাণ্ডে সেবার জেরা করা হয়েছিল তাঁকে। আর এবার ফের তাঁকে সম্মুখীন হতে হবে ইডির তদন্তকারীদের জেরার। রোজভ্যালিকাণ্ড নয়, এবার তাঁকে জেরা করা হবে রেশন বিলি কেলেঙ্কারিকাণ্ডে। এদিকে, ঋতুপর্ণাকে তলব করা হতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল জানিয়ে দেয়, তাদের সঙ্গে ঋতুপর্ণার কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    Pema Khandu: টানা তিনবার অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ বিজেপির পেমা খান্ডুর, উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি ঝড়। দেশে তৃতীয়বার জয়ের পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশেও (Arunachal Pradesh CM) অটুট রইল বিজেপির ঘাটি। বৃহস্পতিবার দর্জি খান্ডু কনভেনশন হলে টানা তৃতীয় বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন পেমা খান্ডু (Pema Khandu)। তাঁর সঙ্গেই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছে চওনা মেইন। পেমা এবং মেইনের পাশাপাশি এদিন রাজ্যপাল কেটি পরনায়েকের কাছে মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজেপির আরও ১০ জন বিধায়ক। শপথ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, জে পি নাড্ডা সহ দলের সর্বভারতীয় নেতারা। 

    অরুণাচলে বিজেপি ঝড় (Arunachal Pradesh CM) 

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই এ বার অরুণাচল প্রদেশে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। ৬০ সদস্যের বিধানসভায় ৪৬টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। উল্লেখ্য, ভোটের আগেই পেমা সহ বিধানসভার ১০ জন বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিলেন। বাকি যে ৫০টি আসনে ভোট হয়েছিল তার মধ্যে ৩৬টিতে জিতে ৪৬-এ পৌঁছে গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী পেমার (Pema Khandu) নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন বিজেপি। 

    আরও পড়ুন: চিঠিতে হাতের লেখা কার? রহস্য উন্মোচনে বালুর হস্তাক্ষরের নমুনা চায় ইডি

    পেমা খান্ডুর মন্তব্য (Pema Khandu)

    বুধবার এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে পেমা খান্ডুকে বিজেপির আইনসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে তিনি বলেন, “আমার প্রতি বিশ্বাস রাখার জন্য আমি আমাদের সহ বিজেপি বিধায়কদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আমাদের সাংসদ, দলের নেতা এবং কর্মীদেরও আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছি, দিনরাত কাজ করে ভোটে জয়লাভ নিশ্চিত করার জন্য।” এছাড়াও পেমা এদিন আরও বলেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়নমুখী শাসনের আরেকটি মেয়াদে বিজেপিকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 
    প্রসঙ্গত, ২০১৪-র বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচলে কংগ্রেস সরকার (Arunachal Pradesh CM) গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী পেমা (Pema Khandu) অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এরপর ২০১৯-এর ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছিল পদ্মশিবির। সেই সফলতাকে সঙ্গে নিয়েই এবারও জয়ী হল বিজেপি।  কংগ্রেস, এনপিপির মতো বিরোধী দলগুলি থাকলেও অরুণাচলে বিজেপি নিজের ঘাটি ধরে রেখেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Force Deployment: ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Central Force Deployment: ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ২১ জুন পর্যন্ত মোতায়েন থাকবে (Central Force Deployment) কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানি শেষে বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (High court)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের আদালতে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ। এর আগে ১৯ জুন পর্যন্ত বাহিনী থাকবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ ছিল বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকরা শাসকদলের হিংসার শিকার হচ্ছেন। অনেকে বাড়িছাড়া হয়েছেন, বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে, মারধর করা হচ্ছে । এমতাবস্থায় যাতে রাজ্য থেকে এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার না করা হয় সেই আর্জি ছিল তাঁদের।

    বিরোধীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বের হওয়ার পরেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ফের শাসক দলের তাণ্ডব। বিরোধী দলগুলির, বিশেষ করে বিজেপি কর্মীদের ঘর ছাড়া করার প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতায় অবস্থিত মহেশ্বরী ভবনে কয়েকশো বিজেপি কর্মী ঠাঁই নিয়েছেন। তাঁরা যে কবে বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন সেই নিশ্চয়তা নেই। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পরেও। প্রসঙ্গত কমিশনের সিদ্ধান্ত ছিল ১৯ জুন পর্যন্ত বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force Deployment) রাখা হবে। এরপর পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: নিটে খারাপ ফল হতেই বেপাত্তা সৌদীপ, দুর্নীতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন

    ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার শুনানিতে ২১ জুন পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (High court)। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মাত্র দুদিন অতিরিক্ত মোতায়েন নিয়ে ভোট পরবর্তী হিংসা আদৌ কি কমবে এবং এই সিদ্ধান্তে বিরোধীদলের কর্মীরা কতটা উপকৃত হবেন তা নিয়ে সংশয় কিন্তু থাকছেই।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ জুন (Central Force Deployment)

    এই মামলায় বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি হিরণময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে ১৪ই জুন আদালতে হলফনামা হিসেবে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে (High court)। তাতে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বহাল রাখার জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে যাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে কতজন রাজনৈতিক কর্মী অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়েছেন তাও জানাতে বলা হয়েছে। রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে  তা সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা করতে বলা হয়েছে। ১৮ জুন এই (Central Force Deployment) মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood Situation: উত্তর সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি, ধসে মৃত তিন, হড়পা বানে ভাসল ৫

    Flood Situation: উত্তর সিকিমে বন্যা পরিস্থিতি, ধসে মৃত তিন, হড়পা বানে ভাসল ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারী বৃষ্টির জেরে বন্যা পরিস্থিতি (Flood Situation) উত্তর সিকিমে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জলের তোড়ে কোথাও ভেসে গিয়েছে রাস্তা, আবার কোথাও রাস্তার ধারে দাঁড় করিয়ে রাখা গাড়ির ওপর দিয়ে বইছে জল। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে চলে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    অবিরাম বর্ষণ উত্তর সিকিমে (Flood Situation)

    গত কয়েকদিন ধরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে উত্তর সিকিমে। আজ, বৃহস্পতিবারও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে শুরু হয়েছে আকাশভাঙা বৃষ্টি। বৃষ্টির জলে ক্ষতিগ্রস্ত মঙ্গন, লাচুং, লাচেন, চুংখাং-সহ উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিম্ভিকখোলার কাছেও একই পরিস্থিতি। বিপন্নদের উদ্ধার করতে পথে নেমেছেন সেনা জওয়ান ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর লোকজন। বিলি করা হচ্ছে ত্রাণ সামগ্রী। সব (Flood Situation) চেয়ে বেশি বিপদে পড়ছেন মঙ্গন জেলার বাসিন্দারা। 

    হড়পা বানে ভাসলেন পাঁচ

    মঙ্গনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলা সীমানার কালিম্পং জেলার তিস্তা বাজার এলাকাও। তিস্তার উৎপত্তিস্থল সিকিম। তবে তিস্তা বাজার এলাকা দিয়েই নদীটি প্রবেশ করেছে বাংলায়। তাই সিকিমে তিস্তায় জল বাড়লে ভয়ে বুক কাঁপে তিস্তা বাজার এলাকার বাসিন্দাদের। গত অক্টবরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল তিস্তায় হড়পা বানের জেরে। এবারও তেমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে ভেবে ভয়ে কাঁটা উত্তর সিকিমের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, এদিন মঙ্গন এলাকায় হড়পা বানে ভেসে গিয়েছেন পাঁচজন।

    আর পড়ুন: জিডিপি বাড়েনি, বেড়েছে গাধা, পাক অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট দেখে হাসির রোল

    সিকিমের বাকি অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে মঙ্গনের। সোমবার প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নেমে মারা গিয়েছিলেন দক্ষিণ সিকিমের ইয়ানগাংয়ের মাজুয়া বস্তির তিন বাসিন্দা। বিপন্নদের সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এই মুহূর্তে সিকিমে রয়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের নিরাপদে সমতলে ফেরাতে প্রাণপাত করছে সিকিম সরকার। প্রবল বৃষ্টির জেরে বৃহস্পতিবার ধস নামে লাচুং এলাকায়ও। পার্কসাঙ্গ এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে তিনজনের দেহ। ধসের নীচে আর কেউ চাপা পড়ে রয়েছেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। এদিকে, তিস্তার জলের তোড়ে মাল্লিতে ধসে গিয়েছে জাতীয় সড়কের একাংশ। তবে এখনও বন্ধ হয়নি যান চলাচল। অন্যদিকে, কালিম্পং যাওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ (Flood Situation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    World Blood Donor Day: রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন! কেন বাড়ছে সংকট?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্য জুড়ে বাড়ছে রক্তের সংকট। ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন রোগীর আত্মীয়-পরিজন। সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, রাজ্যের অধিকাংশ ব্লাড ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরেও কার্যত বিফল হয়েই ফিরে যেতে হচ্ছে। আর এর জেরেই বিপদ বাড়ছে রোগীদের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জটিল অস্ত্রোপচার থেকে মুমূর্ষু রোগী, ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের আকালের (World Blood Donor Day) জেরে ভোগান্তি বাড়ছে।

    কাদের বিপদ বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রক্তের সংকটের জেরে সব চেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হাজার হাজার মানুষ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই রাজ্যের কয়েক লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। আক্রান্তের তালিকায় শিশু থেকে বয়স্ক, সব বয়সের মানুষ রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে তাদের রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্লাড ব্যাঙ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না থাকায়, তাদের বিপদ বাড়ছে (Blood Crisis)। ঠিক সময়ে রক্তের জোগান না হলে তাদের প্রাণ-সংশয় হতে পারে। 
    রক্তের অসুখে আক্রান্ত রোগীদের পাশপাশি যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে বাধার কারণ হচ্ছে রক্তের সংকট (World Blood Donor Day)। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারে রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের একাধিক ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের জোগান নেই। তাই পরিস্থিতি বিপজ্জনক। 
    এছাড়াও জরুরি বিভাগে রোগীর চিকিৎসা করা কঠিন হয়ে উঠছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, দুর্ঘটনা বা কোনও আপৎকালীন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে সব গ্রুপের পর্যাপ্ত রক্তের জোগান থাকা জরুরি। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রক্ত পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে চিকিৎসা শুরু করতেই অনেকটা সময় চলে যাচ্ছে।

    রক্তের সংকট কতখানি? কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের হিসেব? (World Blood Donor Day)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরেই রাজ্যে রক্তের সংকট দেখা দিচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, গোটা রাজ্যে দৈনিক গড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ বছরে ১৪ লাখ ইউনিটের বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়। গত বছরেও রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক মোট ১০ লাখ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করেছিল। চলতি বছরে এই সংগ্রহের পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।

    কেন রাজ্যে রক্তের সংকট? (Blood Crisis)

    রক্তদান কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের মোট রক্তদান শিবিরের ৬০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে হয়। বাকি ৪০ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয়। কিন্তু চলতি বছরে গরমের পারদ বেশি‌। তাই প্রথম থেকেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন (World Blood Donor Day) কম হয়েছে। তার উপরে ছিল নির্বাচন। রাজনৈতিক দল নির্বাচনের কাজেই ব্যস্ত ছিল। ফলে, রক্তদান শিবিরের আয়োজন বিভিন্ন জায়গায় দীর্ঘ দিন ধরে হয়নি। এছাড়াও, স্বেচ্ছায় রক্তদানের পরিবর্তে, উপহারের বিনিময়ে রক্তদানের আয়োজনে মদত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক দল। এমন অভিযোগও উঠছে। এই সব কিছুর জেরেই রক্তদানের উৎসাহ কমছে। যার জেরে ভোগান্তি বাড়ছে রোগীদের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ কী? (who) 

    ১৪ জুন ওয়ার্ল্ড ব্লাড ডোনার ডে। এই উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে রক্তদানের উৎসাহ বাড়ানো দরকার। তাহলেই রক্তের সংকট কমবে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রক্তদান কর্মসূচি পালনে জোর দিতে হবে। রক্তদান সামাজিক দায়িত্ব-এই বিষয়ে সব মহলের আরও জোরালো প্রচার জরুরি বলেও জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পাশপাশি, রক্তদান করলে রক্তদাতাও সুস্থ থাকে, এবিষয়েও প্রচার জরুরি (World Blood Donor Day)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: নিটে খারাপ ফল হতেই বেপাত্তা সৌদীপ, দুর্নীতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন

    Hooghly: নিটে খারাপ ফল হতেই বেপাত্তা সৌদীপ, দুর্নীতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো রেজাল্ট করেছিলেন হুগলির (Hooghly) পোলবার উচাই গ্রামের সৌদীপ বাগ। ছোট থেকেই তাঁর স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। আর সেই স্বপ্নপূরণের জন্য গত ২ বছর ধরে টানা পরিশ্রমও করেছিলেন। নিট পরীক্ষা আশানুরূপ হয়েছিল তাঁর। আশা ছিল, রেজাল্টও ভালো হবে। ফল, বের হতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে তাঁর। রেজাল্ট খারাপ হওয়ার পর তিনি কিছুটা হতাশ হয়ে পড়েন। এরপরই বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান সৌদীপ।

    নিটে খারাপ ফল হতেই বেপাত্তা সৌদীপ! (Hooghly)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিটের রেজাল্টে দেখা যায়, ৭২০ নম্বরের মধ্যে ১০৩ পেয়েছেন সৌদীপ। আর ফল বের হওয়ার পর থেকেই বেপাত্তা সৌদীপ। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে গ্রামের লোকেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও দেখা পাননি। শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন পরিবারের লোকজন। পোলবা থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছে। পুলিশও খোঁজ শুরু করে। বিভিন্ন রেল স্টেশন থেকে হাসপাতাল, সব জায়গাতেই চলছে খোঁজ। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত হদিশ মেলেনি সৌদীপের। এদিকে ছেলের চিন্তায় ঘুম নেই মা দীপালি বাগের চোখে। চোখের কোণে জল বাবা সুজয় বাগেরও।

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    ছেলের খারাপ ফল নিয়ে সরব বাবা

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলি (Hooghly) কলিজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন সৌদীপ। তাঁর আগে পাউনান হাইস্কুল থেকে তিনি মাধ্যমিক পাশ করেন। ছোট থেকেই স্কুলে মেধাবী ছাত্র হিসেবে তাঁর খ্যাতি রয়েছে। বাবা সুজয় বাগ বলেন, চুঁচুড়ায় গৃহ শিক্ষকদের কাছে অঙ্ক, রসায়ন,পদার্থবিদ্যার পাঠ নেওয়ার পাশাপাশি কলকাতার একাধিক ইন্সস্টিটিউটেও অনলাইন কোচিং নিত সৌদীপ। মক টেস্টেও পায় ভাল নম্বর। শেষ মক টেস্টে ৭২০ এর মধ্যে ও ৬৭০ পেয়েছিল। সেই ছেলে কীভাবে মূল পরীক্ষায় (NEET Exam 2024) এত কম পায় তা ভেবে উঠতে পারছি না।

    দুর্নীতির অভিযোগে সরব পরিবারের লোকজন

    সৌদীপের পিসতুতো দাদা ইন্দ্রজিৎ ধাড়া বলেন, “ও তো ছোটো থেকেই খুব মেধাবী। ওর যা প্রস্তুতি ছিল তাতে কোনওভাবে এত খারাপ ফল হতে পারে না। এবার তো শুনছি নিটের (NEET Exam 2024) ফলে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। জানি না ঠিক কী থেকে কী হয়েছে। তবে, সৌদীপের অত খারাপ ফল আমরা মেনে নিতে পারছি না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: জিডিপি বাড়েনি, বেড়েছে গাধা, পাক অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট দেখে হাসির রোল

    Pakistan: জিডিপি বাড়েনি, বেড়েছে গাধা, পাক অর্থনৈতিক সমীক্ষা রিপোর্ট দেখে হাসির রোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্যপূরণ হয়নি জিডিপি বৃদ্ধির। তবে তাতে কী! দেশটার নাম যে পাকিস্তান (Pakistan)! অতএব, ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা প্রশাসনের। গাধার সংখ্যা বৃদ্ধি দিয়েই জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যপূরণ করতে না পারার ব্যর্থতা ঢেকেছে ইসলামাবাদ।

    পাক অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট (Pakistan)

    বিষয়টি তাহলে খুলেই বলা যাক। ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষের জন্য পাকিস্তান যে জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩.৫ শতাংশ। যদিও বৃদ্ধির হার ২.৩৮ শতাংশ। বুধবার পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশ করেন সে দেশের অর্থমন্ত্রী মহম্মদ ঔরঙ্গজেব। এই সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত মাত্রায় বৃদ্ধি হয়নি বলেই পূরণ হয়নি জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা। এই সমীক্ষায়ই তুলে ধরা হয়েছে, পাকিস্তানে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে গাধার সংখ্যা।

    পাক অর্থনীতিতে গাধার ভূমিকা

    পাকিস্তানের অর্থনীতিতে গাধা-সহ গবাদি পশুর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সে দেশের ৮০ লাখেরও বেশি গ্রামীণ পরিবার পশু পালনের সঙ্গে যুক্ত। প্রাণিসম্পদই গ্রামীণ পাকিস্তানের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, গত বছরের তুলনায় গাধার সংখ্যা ১.৭২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫৯ লাখ। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে বর্তমানে গোরু রয়েছে ৫ কোটি ৭৫ লাখ, মহিষের সংখ্যা ৪ কোটি ৬৩ লাখ, ভেড়া রয়েছে ৩ কোটি ২৭ লাখ, আর ছাগলের সংখ্যা ৮ কোটি ৭০ লাখ। এসব গবাদি পশুর পাশাপাশি বেড়েছে উটের সংখ্যাও। পাকিস্তানে কাঁটাভোজী এই প্রাণী রয়েছে ১২ লাখ। গত বছর এই সংখ্যাটাই ছিল ১১ লাখ।

    আর পড়ুন: জি৭ সম্মেলনে আমন্ত্রণ, বৃহস্পতিতে ইটালি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    পাকিস্তানের জিডিপিতে ১৪.৬৩ শতাংশ অবদান এই প্রাণিসম্পদ ক্ষেত্রের। ঔরঙ্গজেব জানান, অন্যান্য সব ক্ষেত্রকে ছাপিয়ে গিয়েছে কৃষিক্ষেত্রের বৃদ্ধি, বৃদ্ধির হার ৬.২৫ শতাংশ। তাঁর দাবি, গত উনিশ বছরে কৃষি খাতে এত শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা যায়নি। পাকিস্তানের মূল্যবৃদ্ধির হার অবশ্য কমেছে। এই হার নেমে এসেছে ১১.৮ শতাংশ। অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারি সম্পদ বিক্রির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সমীক্ষায়। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী বলেন, “পাক সরকার লোকসানে থাকা সরকারি সংস্থাগুলি বিক্রি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” পাকিস্তান এয়ারলাইন্সকেও বেসরকারিকরণ করা হবেও বলেও জানান (Pakistan) তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ration Scam: চিঠিতে হাতের লেখা কার? রহস্য উন্মোচনে বালুর হস্তাক্ষরের নমুনা চায় ইডি

    Ration Scam: চিঠিতে হাতের লেখা কার? রহস্য উন্মোচনে বালুর হস্তাক্ষরের নমুনা চায় ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে রেশন দুর্নীতি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার পর এবার রেশন দুর্নীতিতে (Ration Scam) প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (যিনি রাজনৈতিক মহলে বালু নামে সমধিক পরিচিত) হাতে লেখা চিঠির ফরেন্সিক তদন্ত করাতে চলেছে ইডি। জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) হস্তাক্ষরের নমুনা সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। 

    কী জানিয়েছে ইডি? 

    রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Scam) গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গ্রেফতারির পর পরই অসুস্থতার কারণে তাঁকে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে। হাসপাতালে যখন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী চিকিৎসাধীন ছিলেন, সেই সময়েই একটি চিঠিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই চিঠিতে হাতের লেখা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকেরই (Jyotipriya Mallick) কিনা সেই বিষয়টি নিশ্চিত হতেই তাঁর হস্তাক্ষরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    কী ছিল সেই চিঠিতে? (Ration Scam)  

    এ প্রসঙ্গে ইডি অভিযোগ করেছিল, এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন শাহজাহান, শঙ্কর আঢ্যের নাম লেখা একটি চিঠি তাঁর মেয়েকে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বালু (Jyotipriya Mallick)। তবে সেই চিঠি কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক কর্মীর হাতে চলে যায়। ওই চিঠিটি খুলতেই বেশকিছু তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। তাতে টাকা দেওয়া-নেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশ ছিল বলে ‘খবর’। সেই চিঠির ভিত্তিতেই শাহজাহনের বাড়িতে তল্লাশিতে যায় ইডি। চিঠির সূত্র ধরেই শঙ্করের বাড়িতে ১৬ ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি অভিযান। গ্রেপ্তার করা হয় শঙ্করকে। প্রশ্ন ওঠে, হেফাজতে থাকাকালীন কী করে লেখার জন্য পেন, কাগজ পেলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী।  

    আরও পড়ুন: আরও একটা হামলা! জঙ্গি সংঘর্ষে ডোডা জেলায় আহত এক জওয়ান

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে চিঠি উদ্ধারের পরে বালুর (Jyotipriya Mallick) বয়ান নেওয়া হয়েছিল। গত ১৯ ডিসেম্বর মেয়েকে চিঠি লেখার কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। তবে পরে তিনি তা অস্বীকার করেন। ফলে চিঠি বালুরই লেখা কি না তা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষা করানো ছাড়া উপায় নেই বলে দাবি করেন তদন্তকারীরা। এইপরেই বাংলা ও ইংরেজি মিশিয়ে লেখা সেই চিঠির ফরেন্সিক পরীক্ষা (Ration Scam) করাতে ইডির তদন্তকারীরা বালুর হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শেষ চার বছরে ২০০ কোটি টাকা উপার্জন শাহজাহানের, চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    Sheikh Shahjahan: শেষ চার বছরে ২০০ কোটি টাকা উপার্জন শাহজাহানের, চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দখল, মহিলাদের নির্যাতন সহ ইডির (Enforcement Directorate) উপর হামলার একাধিক অভিযোগ শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। তদন্তকারী আধিকারিকরা এবার জানতে পেরেছেন শেখ শাহজাহান মাত্র চার বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি করেছে। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবুকে জেরা করে টাকার পাহাড় তৈরি করতে ব্যবসার মডেল জানতে পেরেছেন ইডি আধিকারিকরা।

    ৯০০ বিঘা জমি দখল করে মাছের ব্যবসা

    চার্জশিটে ইডি উল্লেখ করেছে প্রায় ৯০০ বিঘা জমি শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা দখল (Sheikh Shahjahan) করে রেখেছিল। সেই জমিতে মাছের চাষ করত তাঁরা সেই মাছ রফতানি করা হত। মাছ রফতানি করেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে অভিযোগ। চাষ করা মাছের একটা অংশ স্থানীয় বাজারেও বিক্রি করা হত। শেখ শাহজাহানের নিজস্ব একটি বাজারও ছিল। সেই বাজারেও যে মাছ বিক্রি হত। মাছের ব্যবসার নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ইটভাটাও ছিল শেখ শাহজাহানের নিয়ন্ত্রণে। অর্থাৎ চাষ থেকে শুরু করে একাধিক ব্যবসা চালাত শেখ শাহজাহান। জানা গিয়েছে শেখ শাহজাহানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত মোট পাঁচ জন ব্যক্তি। তাঁরা শাহজাহানের কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করত এবং এর হিসেব রাখত। সূত্রের খবর এই পাঁচ জন ব্যক্তির খোঁজেও রয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা।

    মেয়ের নামেও অগাধ সম্পত্তি

    আরও জানা গিয়েছে, শেখ শাহজাহানের মেয়ে সাবিনার নামে (Sheikh Shahjahan) রয়েছে একটি সংস্থা। এই সংস্থা প্রায় ৯০ কোটি টাকা উপার্জন করেছে। এই সংস্থার মাধ্যমেই বেশিরভাগ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ ইডি আধিকারিকদের। প্রসঙ্গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি (ED) আধিকারিকরা (Enforcement Directorate)। এরপর দীর্ঘ টালবাহানের পর রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (CID) হাতে গ্রেপ্তার হয় শাহজাহান। সিবিআই শেখ শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে ৭ জুন ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ জেলবন্দি শেখ শাহজাহানকে তোলা হয় বসিরহাট মহকুমা আদালতে। তাঁর সঙ্গেই তাঁর ভাই শেখ আলমগীর, শেখ শাহজাহানের অনুগামী দিদার বক্স মোল্লা সহ আরও কয়েকজনকে আদালতে তোলা হয়েছিল।  

    অস্ত্র লুকোতে ইডির উপর হামলা

    অন্যদিকে, তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আরও দাবি করেছে ইডির উপর ৫ জানুয়ারি যে হামলা হয়েছিল সেই হামলা শেখ শাহজাহানের নির্দেশেই হয়েছিল। শেখ আলমগীর ও জিয়াউদ্দিনকে ফোন করে তিনি ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা করার নির্দেশ দিয়েছিল শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাহজাহানের নির্দেশেই শেখ আলমগীর ও জিয়াউদ্দিন এলাকার মহিলা ও পুরুষদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা চালিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    ইডি অধিকারিকরা (Enforcement Directorate) আক্রমণের শিকার হয়ে ফিরে যেতেই শাহজাহানের বাড়ি থেকে অস্ত্র সরানো হয় আবু তালেবের বাড়িতে। সিবিআই চার্জশিটে এমনটাই দাবি করেছে। শাহজাহানের বাড়িতে রাখা বিপুল অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপরে হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এমনকি ওই চার্জশিটে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পাশাপাশি তার ভাই শেখ আলমগীরকেও গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    Nisith Pramanik: “ইভিএম বদল হয়েছে, যতদূর যেতে হয় যাব”, বিস্ফোরক নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে পরাজিত হয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। তৃণমূলের জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার কাছে প্রায় ৩৯ হাজার ২৫০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি। ভোটে হেরে যাওয়ার পর এবার মুখ খুললেন বিজেপি প্রার্থী। হারের জন্য ইভিএম বদলের কথাও বললেন তিনি।

    ঠিক কী বললেন বিজেপি প্রার্থী? (Nisith Pramanik)

    ভোটের ফল বের হওয়ার পর নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) বলেন, “ভোট হয়ে যাওয়ার পর ইভিএম মেশিন সিল করা হয়েছিল। গালা সিল করে লক করা হয়। পরবর্তী সময় সেই ইভিএমের নম্বর কীভাবে বদলে যায়? এটা আমার অভিযোগ নয়, গণনা কেন্দ্রে আমাদের দলের যে সব কাউন্টিং এজেন্ট ছিলেন, তাঁরা এই অভিযোগ করেছেন। ফলে, বিষয়টিকে আমরা একেবারেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। এজেন্টদের কথার আমরা গুরুত্ব দেব। ইভিএম বদল হয়েছে, এটা পরিষ্কার। আর সেই মতো আমরা পদক্ষেপ নেব। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় একই ব্যক্তি বার বার বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন। ছাপ্পা ভোট হয়েছে। সেই অভিযোগও আমার কাছে এসেছে। ফলে, এরজন্য যতদূর যেতে হয় যাব। এর শেষ দেখে ছাড়ব।”

    আরও পড়ুন: কুয়েতে মৃত ভারতীয়দের পরিবারকে ২ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ, সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

    তথ্য জোগাড় করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের সব আসনে বিজেপি ভাল ফল করলেও কোচবিহারে নিশীথ (Nisith Pramanik) হেরেছেন। জানা গিয়েছে, গণনা কেন্দ্রে এজেন্টরা যে ধরনের অভিযোগ নিশীথকে করেছেন, সেই মতো তিনি রাজ্য নেতৃত্বকে সমস্ত বিযয়টি জানিয়েছেন। নিশীথ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, কোচবিহারের ব্যাপারে খোঁজখবর করছি। কোচবিহারের ব্যাপারে তথ্য জোগাড় করার পরে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতীম রায় বলেন, ফল বের হওয়ার আগে বিজেপি প্রার্থীর এসব মনে হয়নি। আসলে হারের বিষয়টা তিনি মানতে পারছেন না। তাছাড়া, উত্তরবঙ্গে বিজেপির অন্যরা জয়ী হয়েছেন, তিনি হেরে গিয়েছেন, সেটার জন্যই এখন নানা অজুহাত খাড়া করছেন। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষই বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share