Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    Bangladesh: হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার দেহ! বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু যুবক, ইউনূসের ভূমিকায় প্রশ্ন সব মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগের রাতে বুধবার বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলভীবাজার জেলায় ২৮ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবককে খুন করা হয়ছে। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজকে টার্গেট করেছে কট্টরমৌলবাদীরা। লাগাতর হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িতে আগুন দিয়ে দেশে ভয়ভীতির বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে। জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে এই হত্যা প্রমাণ করে মহম্মদ ইউনূসের (Hindu Murder) রাজত্বে আইন শৃঙ্খলা কতটা ভেঙে পড়েছে। ভোটের পরে কী পরিস্থিতি দাঁড়ায় তাই এখন দেখার।

    হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার (Bangladesh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত হিন্দু ব্যক্তির নাম রতন সাহুকার, তিনি চম্পা এলাকার একজন চা বাগানের (Bangladesh) শ্রমিক ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে একাধিক গভীর আঘাত ছিল এবং মৃতদেহ উদ্ধারের সময়ও ক্ষত থেকে রক্ত ​​ঝরছিল বলে জানা গেছে। সাহুয়াকারের সহকর্মীরা খুনের অভিযোগ তুলেছেন এবং ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর চলমান অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যে এই হত্যাকাণ্ড সর্বশেষ। এই সপ্তাহের শুরুতে, আরেকটি পৃথক ঘটনায় আরও একজন হিন্দু ব্যক্তি নিহত হন। সোমবার রাতে, ময়মনসিংহে ৬২ বছর বয়সি চাল ব্যবসায়ী সুসেন চন্দ্র সরকারকে রাত ১১টার দিকে তাঁর দোকানের ভেতরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে লুট করা হয়েছে দোকানের টাকা।

    এখনও পর্যন্ত ৬১টি হত্যাকাণ্ড

    কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশে (Bangladesh) গণতান্ত্রিক শাসনকে প্রত্যাবর্তনের জন্য যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার আগে লাগাতার হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলি চূড়ান্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক হিন্দু সংগঠনগুলি।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুরা সংখ্যালঘু, যাদের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ। দেশের মোট ১৭ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ৮ শতাংশ হিন্দু। মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯১ শতাংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ বলেছে, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে সাম্প্রদায়িক হিংসার ২,০০০ এরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে রয়েছে ৬১টি হত্যাকাণ্ড (Hindu Murder), নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার ২৮টি ধর্ষণ ও গণধর্ষণ সহ এবং ভাঙচুর, লুটপাট এবং মন্দিরে অগ্নিসংযোগ মতো ৯৫টি আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের বিরুদ্ধে চরম অবহেলা করার অভিযোগও করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ।

  • Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    Ramakrishna 579: “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়, খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১৮ই অক্টোবর

    পুরুষ-প্রকৃতি — অধিকারী

    ডাক্তার ঠাকুরের জন্য ঔষধ দিলেন—দুটি Globule; বলিতেছেন, এই দুইটি গুলি দিলাম-পুরুষ আর প্রকৃতি। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—হাঁ, ওরা এক সঙ্গেই থাকে। পায়রাদের দেখ নাই, তফাতে থাকতে পারে না। যেখানে পুরুষ সেখানেই প্রকৃতি, যেখানে প্রকৃতি সেইখানেই পুরুষ।

    আজ বিজয়া। ঠাকুর ডাক্তারকে মিষ্টমুখ করিতে বলিলেন। ভক্তেরা মিষ্টান্ন আনিয়া দিতেছেন।

    ডাক্তার (খাইতে খাইতে)—খাবার জন্য ‘Thank you’ দিচ্ছি। তুমি যে অমন উপদেশ দিলে, তার জন্য নয়। সে ‘Thank you’ মুখে বলব কেন?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—তাঁতে মন রাখা। আর কি বলব? আর একটু একটু ধ্যান করা। (ছোট নরেনকে দেখাইয়া) দেখ দেখ এর মন ঈশ্বরে একেবারে লীন হয়ে যায়। যে-সব কথা তোমায় বলছিলাম।

    ডাক্তার—এদের সব বলো।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যার যা পেটে সয়। ওসব কথা কি সব্বাই লতে পারে? তোমাকে বললাম, সে এক। মা বাড়িতে মাছ এনেছে। সকলের পেট সমান নয়। কারুকে পোলোয়া করে দিলে, কারুকে আবার মাছের ঝোল। পেট ভাল নয়। (সকলের হাস্য)

    ডাক্তার চলিয়া গেলে। আজ বিজয়া। ভক্তেরা সকলে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে সাষ্টাঙ্গ প্রণিপাত করিয়া তাঁহার পদধূলি গ্রহণ করিলেন। তৎপরে পরস্পর কোলাকুলি করিতে লাগিলেন। আনন্দের সীমা নাই। ঠাকুরের অত অসুখ, সব ভুলাইয়া দিয়াছেন! প্রেমালিঙ্গন ও মিষ্টমুখ অনেকক্ষণ ধরিয়া হইতেছে। ঠাকুরের কাছে ছোট নরেন, মাস্টার ও আরও দু’চারিটি ভক্ত বসিয়া আছেন। ঠাকুর আনন্দে কথা কহিতেছেন। ডাক্তারের কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — ডাক্তারকে আর বেশি কিছু বলতে হবে না।

    “গাছটা কাটা শেষ হয়ে এলে, যে ব্যক্তি কাটে সে একটু সরে দাঁড়ায়। খানিকক্ষণ পরে গাছটা আপনিই পড়ে যায়।”

    ছোট নরেন (সহাস্যে)—সবই Principle!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারকে)—ডাক্তার অনেক বদলে গেছে না?

    মাস্টার—আজ্ঞা হাঁ। এখানে এলে হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। কি ঔষধ দিতে হবে আদপেই সে কথা তোলেন না। আমরা মনে করে দিলে তবে বলেন (Kathamrita), হাঁ হাঁ ঔষধ দিতে হবে।

    বৈঠকখানা ঘরে ভক্তেরা কেহ কেহ গান গাহিতেছিলেন।

    ঠাকুর যে ঘরে আছেন, সেই ঘরে তাঁহারা ফিরায়া আসিলে পর ঠাকুর বলিতেছেন, “তোমরা গান গাচ্ছিলে,—তাল হয় না কেন? কে একজন বেতালসিদ্ধ ছিল — এ তাই!” (সকলের হাস্য)

    ছোট নরেনের আত্মীয় ছোকরা আসিয়াছেন। খুব সাজগোজ, আর চক্ষে চশমা। ঠাকুর ছোট নরেনের সহিত কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—দেখ, এই রাস্তা দিয়ে একজন ছোকরা যাচ্ছিল, প্লেটওলা জামা পরা। চলবার যে ঢঙ। প্লেটটা সামনে রেখে সেইখানটা চাদর খুলে দেয় — আবার এদিক-ওদিক চায়, — কেউ দেখছে কিনা। চলবার সময় কাঁকাল ভাঙা। (সকলের হাস্য) একবার দেখিস না।

    “ময়ূর পাখা দেখায়। কিন্তু পাগুলো বড় নোংরা। (সকলের হাস্য) উট বড় কুৎসিত, — তার সব কুৎসিত।”

    নরেনের আত্মীয়—কিন্তু আচরণ ভাল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Kathamrita)—ভাল। তবে কাঁটা ঘাস খায়—মুখ দে রক্ত পড়ে, তবুও খাবে! সংসারী, এই ছেলে মরে, আবার ছেলে ছেলে করে!

  • RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    RSS: রাজ্যে রাজ্যে চলছে সংঘের হিন্দু সম্মলেন, শতবর্ষে আরএসএস-এর লক্ষ্য হিন্দু সমাজের একত্রীকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতাব্দী বর্ষ উপলক্ষে সমগ্র ভারতজুড়ে ৮০,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আরএসএস-এর আদর্শের মতোই এই অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজনও অনন্য এবং অনুকরণীয়। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যখন আমরা এই হিন্দু সম্মেলনের (Hindu Sammelan) খবর শুনি, তখন আমাদের তাৎপর্য, ভবিষ্যতের ভূমিকা এবং সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। আসুন দেখে নিই একনজরে হিন্দু সম্মলেনের উদ্দেশ্য কী?

    পিছিয়ে থাকা মানুষের সঙ্গে সংযোগ (RSS)

    একশ বছর আগে সংঘের (RSS) যাত্রা শুরু হয়েছিল সমগ্র হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে। ঔপনিবেশিক শাসনামলে আত্মবিস্মৃতি ও হতাশায় নিমজ্জিত ছিল তখন গোটা ভারতবর্ষ। গত একশ বছরে আরএসএস ভারতজুড়ে প্রশিক্ষিত স্বয়ংসেবকদের একটি বিশাল ভিত্তিভূমি তৈরি হয়ে গিয়েছে। যাদের কাছে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি, সংঘ এখন ব্যক্তিগত এবং গণযোগাযোগের মাধ্যমে সমাজের সেই সব মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। বর্তমান হিন্দু সম্মেলনগুলো (Hindu Sammelan)  সেই গণসংযোগেরই একটি অংশ। সমগ্র হিন্দু সমাজকে একত্রিত করাই প্রধান লক্ষ্য।

    ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে সম্মলেন

    হিন্দু সামাজের (RSS) যখন সমাজকে জাতিভেদ, ভাষা বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত করার চেষ্টা চলছে, তখন বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ৮০,০০০-এরও বেশি স্থানে ‘হিন্দু’ হিসেবে একত্রিত হচ্ছে—যা সমাজ পরিবর্তনের পথ প্রদর্শনের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এই সম্মেলনগুলোতে (Hindu Sammelan) স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সন্ত, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করছেন। অনুষ্ঠানগুলো শুরু হয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে এবং শেষ হয় সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে। এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে যৌথ আত্মবিশ্বাস ও শক্তি বৃদ্ধি করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতা

    কেবল একত্রিত হওয়াই যথেষ্ট নয়, একসঙ্গে চিন্তা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কারা? বাহ্যিক বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও কোন সাধারণ যোগসূত্রগুলো আমাদের একটি রাষ্ট্র হিসেবে ঐক্যবদ্ধ করে? ‘হিন্দু’ মানে অস্তিত্বের একতাকে দেখায়। বৈচিত্র্য হল সেই একই শক্তি বা দৈব সত্তার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। ‘ভিন্ন ভিন্ন পথ একই গন্তব্যে নিয়ে যায়’—এই ধারণাটি সমস্ত ভারতীয় সম্প্রদায়ের (Hindu Sammelan) কাছে সাধারণ। তাই অন্তর্নিহিত ঐক্য উপলব্ধি করার পাশাপাশি বৈচিত্র্যগুলিকে সমন্বয় করা উচিত। এই মৌলিক ‘দর্শন’ বা দার্শনিক অভিজ্ঞতাই আমাদের হিন্দু করে তুলেছে।

    বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এই মৌলিক চিন্তা পবিত্র ভারতভূমিতে অনুভূত হচ্ছে। আমরা দেশকে মাতৃভূমি হিসেবে পূজা করি। এটিই আমাদের ভ্রাতৃত্বের এক দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে। যেহেতু আমরা একটি সাধারণ বিশ্বদর্শন এবং একটি সাধারণ মাতৃভূমি ভাগ করে নিই, তাই আমাদের পূর্বপুরুষ এবং জীবনদর্শনের (RSS) প্রতি একটি জাতীয় চেতনা রয়েছে।

    স্থানীয়-বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জগুলিকে গ্রহণ করতে হবে

    ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত অস্থিরতার মাঝে স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীনও প্রতিনিয়ত হতে হচ্ছে। আমাদের এগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। হিন্দু হিসেবে এই সমস্যাগুলো (Hindu Sammelan) নিয়ে চিন্তা করা হিন্দু সম্মেলনগুলোর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। যে কোনও সাফল্যের জন্য একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত অপরিহার্য। একত্রিত হওয়া এবং একসাথে চিন্তা করার পর, আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে সাধারণ মূল্যবোধ এবং লক্ষ্যগুলোকে স্থির করতে হবে।

    ‘পঞ্চ-পরিবর্তন’-এর কর্মসূচি—সামাজিক সম্প্রীতি, পারিবারিক মূল্যবোধ, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা, স্বাতন্ত্র্যবোধ এবং জাতীয় কর্তব্য প্রচার—হলো ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা যা আমাদের সেই ‘রাষ্ট্র’ (RSS) হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম করবে যা স্বামী বিবেকানন্দ কল্পনা করেছিলেন।

    বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রা

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) যখন তার শতবর্ষ পূর্ণ করছে। শতবর্ষ যাত্রা সাংগঠনিক ভাবে মাইলফলক। ‘হিন্দু সম্মেলন’ বা সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে অভিন্ন সভ্যতাগত পরিচয়-দায়িত্ববোধের একটি যৌথ চেতনাকে জাগ্রত ও সমন্বয় করার কাজ করছে আরএসএস।  সনাতন হিন্দু সম্মেলনের সূচনা উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় খাগড়ার বেলদৌর ব্লকের ফুলওয়ারিয়া গ্রামে একটি বর্ণাঢ্য কলশ শোভাযাত্রার (Hindu Sammelan) আয়োজন করা হয়েছিল। এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য ছিল গ্রামবাসীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

    ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ

    গত রবিবার আয়োজিত এই কলশ শোভাযাত্রায় ১৫১ জন কুমারী মেয়ে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি গ্রামের শিব মন্দির থেকে শুরু হয়ে  বিভিন্ন গলি ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে শ্রীকৃষ্ণ মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা সমাপ্ত হওয়ার পর একটি সম্মিলিত ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে অংশগ্রহণকারী মেয়েদের প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

    সংঘের আয়োজক কমিটির (RSS) সভাপতি সুবোধ কুমার বলেন, সনাতন হিন্দু সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় এই কলশ শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। পুরো শোভাযাত্রা চলাকালীন গ্রামজুড়ে “জয় শ্রী রাম” ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, হিন্দু সমাজের মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য, কারণ সংহতির অভাব বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।”

    কুমারী মেয়েদের ভোজনের অংশ হিসেবে ক্ষীর পরিবেশনের বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ঋষভ কুমার, কোষাধ্যক্ষ পবন কুমার হিটলার, অজয় কুমার শর্মা, ঘনশ্যাম কুমার, রঞ্জিত কুমার, পূরণ মণ্ডল, রাজেশ কুমার সহ আরও অনেক গ্রামবাসী ও সমাজকর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটিকে (Hindu Sammelan) সফল করতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন এলাকার গোটা হিন্দু সমাজ।

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    Bangladesh: বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে হিন্দু চাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা! লুট ১৫ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে (Hindu Businessman) তাঁর দোকানের ভেতরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যা করে দুষ্কৃতীরা ১৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভোটের আগে হিন্দু হত্যাকে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন বলেছেন আন্তর্জাতিক মহল।

    পেশায় ছিলেন চাল ব্যবসায়ী (Bangladesh)

    নিহত ব্যক্তির নাম সুশেন চন্দ্র সরকার (৬২)। তিনি ময়মনসিংহের (Bangladesh) ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার মোড়ে অবস্থিত ‘মেসার্স ভাই ভাই এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক। পেশায় তিনি একজন চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি ওই এলাকার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা। গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দু হত্যা (Hindu Businessman) চলছে। এবার এই লিস্টে আরও এক হিন্দুর হত্যা যুক্ত হলো।

    কীভাবে করা হয়েছে হত্যা?

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সুশেন চন্দ্র যখন তাঁর দোকানের ভেতরে ছিলেন, তখন অজ্ঞাতপরিচয় একদল দুষ্কৃতী হামলা করে। প্রথমে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর (Hindu Businessman) ওপর চড়াও হয়। এরপর শাটার নামিয়ে দোকানের ভিতরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই হত্যার পেছনে সঠিক কারণ কী, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই হত্যার পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে, তার সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপট

    গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে (Bangladesh) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কট্টরপন্থী ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে বেশ কিছু স্থানে হামলা ও উত্তেজনার খবর মারাত্মক আকার নিয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক পোশাক শ্রমিককে (Hindu Businessman) পিটিয়ে হত্যা করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাজবাড়ীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আবার গত বছর কালীগঞ্জে লিটন চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ী গণপিটুনিতে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধারাবাহিক হামলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং হিন্দু সংগঠনের নেতারা সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে এই হিন্দু হত্যা নিয়ে এখনও কোনও সদর্থক ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

  • Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    Spain: কোমর বেঁধেছে ১৭টি সনাতনী সংগঠন, এবার হিন্দু ধর্ম স্পেনে স্বীকৃতিলাভের পথে

    মাধ্যম ডেস্ক নিউজ: ১৭টি সনাতনী সংগঠন একত্রিত হয়েছে, হিন্দু ধর্ম স্পেনে (Spain) স্বীকৃতিলাভ করতে এগিয়ে চলেছে। স্পেনে হিন্দুধর্মের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পথে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই যুগান্তকারী সমাবেশে স্পেনের বিভিন্ন প্রান্তের ১৭টি হিন্দু সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। স্পেনে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma) মধ্যে বার্তালাপ এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার সংকল্প এখন বিরাট শক্তিকে প্রদর্শিত করেছে।

    বৈঠকের মূল লক্ষ্য ও আলোচনা (Spain)

    স্পেনের (Spain) এই সভাটি উন্মুক্ত আলোচনা এবং কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। হিন্দুধর্মের (Sanatana Dharma) আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির জন্য ভবিষ্যতের কর্মপন্থা, দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলো ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক হিন্দু তাঁদের অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক ভাবনাচিন্তার বিনিময় করেন। ধর্মীয় অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে আন্দোলনকে সুসংগঠিত করার জন্য বিশেষ পরিকল্পনাও করা হয়।

    আন্দোলনের উদ্দেশ্য

    এই উদ্যোগটি কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় আন্দোলন। এর প্রধান উদ্দেশ্য হল-

    ১. স্পেনের (Spain) সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোতে হিন্দুধর্মের জন্য সরকারি স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।

    ২. স্প্যানিশ সমাজে হিন্দুদের (Sanatana Dharma) মর্যাদা, দৃশ্যমানতা এবং সমান অধিকার নিশ্চিত করা।

    ৩. বৃহত্তর সমাজের মধ্যে হিন্দু দর্শন, মূল্যবোধ, উৎসব এবং জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

    ঐক্যের শক্তি

    এই অভিযানের অন্যতম প্রধান শক্তি হল স্পেনের হিন্দু সংগঠনগুলোর (Sanatana Dharma) মধ্যে ক্রমবর্ধমান  একতা এবং ভাতৃত্ববোধ। বিভিন্ন গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠান তাদের মতপার্থক্য সরিয়ে রেখে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ (বিশ্বই একটি পরিবার)-এই চিরন্তন আদর্শকে সামনে রেখে একত্রিত হয়েছে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    সনাতন ধর্মে নিবেদিতপ্রাণ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি স্পেনের (Spain) বিভিন্ন অঞ্চলের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করতে, সাংগঠনিক সহযোগিতা জোরদার করতে এবং কর্তৃপক্ষের সাথে সংলাপের জন্য একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করতে কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে যে, ২০২৬ সালের মধ্যে এই উদ্যোগের কাজটি সঠিক ভাবে সফল হবে। মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের মাধ্যমে যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, তা স্পেনের হিন্দু সম্প্রদায়ের (Sanatana Dharma), স্থিতিস্থাপকতা এবং অংশীদারিত্বের প্রতীক হিসেবে মাইলফলক পদক্ষেপ।

  • Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    Maharashtra: মহারাষ্ট্রের উর্দু স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানি জেহাদি গানে নৃত্য! এফআইআর দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) যভতমাল জেলায় প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি (Pakistani Military Song) সামরিক বাহিনীর গান বাজানোর অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতারা। ইতিমধ্যে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেছে বিজেপি।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে পাকিস্তানের গান (Maharashtra)

    ঘটনাটি ঘটেছে যভতমালের (Maharashtra) উমরখেদ তালুকায় অবস্থিত ‘আবদুল গফুর শাহ নগর পরিষদ উর্দু স্কুল নম্বর ২’-এ। গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করার সময় স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে (Snehsammelan) কিছু ছাত্রছাত্রী একটি বিতর্কিত গানে নৃত্য পরিবেশন করেছে। অভিযোগ উঠেছে, যে গানটিতে নৃত্য হয়েছিল তা ছিল ‘অ্যায় মর্দ-এ-মুজাহিদ তেরি ললকার কেয়া হ্যায়’ (Pakistani Military Song)। এই গানটি পাকিস্তানের একটি সুপরিচিত সামরিক অনুপ্রেরণামূলক সঙ্গীত।

    পাকিস্তানের জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন গান

    বিজেপি নেতা গোপাল কালানে এই বিষয়ে উমরখেদ থানায় (Maharashtra) একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, এই গানটি জিহাদি মানসিকতা সম্পন্ন এবং ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান (Pakistani Military Song) যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীকে উৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ভারতীয় স্কুলে প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো জাতীয় অনুষ্ঠানে এমন গান বাজানো রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল এবং এটি শিক্ষার্থীদের মনে বিভ্রান্তি, দেশবিরোধী মনোভাব তৈরি করবে। কালানে স্কুল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষকদের শাস্তি দেওয়ার দাবি করেছেন।

    স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে?

    বিজেপি নেতা বাওয়ানকুলে (Maharashtra) এই ঘটনাকে ‘দেশদ্রোহিতা’ (Pakistani Military Song) বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। উমরখেদ পুলিশ ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। স্কুল এই ধরনের গানে কীভাবে অনুমতি দিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে পুলিশ এই অনুষ্ঠানের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    BJP in Bengal: সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে করতে হবে উঠোন-বৈঠক, বিজেপি বিধায়কদের নির্দেশ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সমস্ত বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ শেষ করতে হবে। বঙ্গ বিজেপির বিধায়কদের (BJP in Bengal) পরামর্শ দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সম্পূর্ণ জনসংযোগের কাজ। সামনেই নির্বাচন তাই গেরুয়া শিবির বিধায়কদের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিয়েছে। নির্বাচনকে মাথায় রেখে বিজেপির সাফ কথা, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে (Assembly Election) বুথ ভিত্তিক জনসংযোগ চালাতে হবে। প্রতিদিন অন্তত পাঁচটি করে বুথে টহল দিতে হবে। বাড়ির উঠোনে উঠোনে বৈঠক করতে হবে।

    নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যু অস্ত্র বিজেপির (BJP in Bengal)

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) বিজ্ঞপ্তি এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলি নিজের নিজের প্রচার শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি (BJP in Bengal) এখন থেকেই বুথ ভিত্তিক প্রচার শুরু করেছে। ভোটের আগেই নিজের নিজের প্রচার নিয়ে সকল দল এখন ময়দানে নেমে পড়েছে। বিজেপি শাসল শিবিরকে নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি ইস্যুতে আক্রমণ করছে। ওপর দিকে তৃণমূল নিজেদের ১৫ বছরের ভালো কাজ গুনছে। ভোটের আবহে নরমে-গরমে ক্রমেই পারদ চড়ছে।

    সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক

    রাজ্যে এখন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, মাধ্যমিক শেষ হলে আবার উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হবে। ফলে পরীক্ষার আবহে বড় বড় প্রচারের দিককে কিছুটা হালকা করে সাইলেন্ট পিরিয়ডে বাড়ির উঠোনে বৈঠক করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। যেহেতু এখন মাইক বাজিয়ে জনসভা করাটা ঠিক নয় তাই সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসম্পর্কের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সময় এবং অবসরকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি বেশি মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই রণনীতি ঠিক করেছে বিজেপি (BJP in Bengal)।

    মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে

    বাংলার বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের (Assembly Election) কেন্দ্র নেতৃত্ব সাফ নির্দেশ দিয়েছে, চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যে বুথ ভিত্তিক জনসংযোগের কাজ শেষ করতে হবে। প্রতিটি পাঁচটি করে বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি ঘুরতে হবে। মানুষের সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। একই ভাবে এলাকার মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে হবে। দলের নিচু তলার কর্মীদের সঙ্গে করতে হবে ভোজন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। মানুষের সুবিধা, অসুবিধার কথা শুনতে হবে। এলাকায় এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে উঠোনে বৈঠক শুরু করতে হবে।

    পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম নেবে বিজেপি

    বুথে বুথে এই জনসংযোগের সময়ে পরামর্শ বাক্স এবং পরামর্শ ফর্ম সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। এবারের বিজেপির সংকল্পপত্র কেমন হওয়া উচিত, তাতে কী কী ধরনের প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, সেগুলি সরাসরি জনতার মতামত নেওয়ার জন্য বিজেপি এই বাক্সে জমা নিয়ে দেবেন। দুবরাজপুরের বিধায়ক (Assembly Election) অনুপ সাহার কথায়, ‘‘এ বার আমাদের সঙ্কল্পপত্রে শুধু রাজ্যভিত্তিক পরিকল্পনা থাকবে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় সমস্যা সমাধানের কথা বা স্থানীয় চাহিদা পূরণের কথাও থাকবে। তাই বুথে বুথে যখন ঘুরব, তখন সেখানকার বাসিন্দারা একেবারে পাড়া স্তরের সমস্যা বা চাহিদার কথাও ফর্ম পূরণ করে জানাতে পারবেন।’’

    ইতিমধ্যে বিজেপি (BJP in Bengal) প্রত্যকে এলাকায় স্থানীয় সমস্যা এবং স্থানীয় অভাবের ভিত্তিতে চার্জশিট প্রকাশ করা হচ্ছে। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে কী কী করবে সেই বিষয়ে সংকল্প পত্র প্রকাশের কথাও বলা হয়েছে।

  • India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের চেনাব নদীর ওপর ৫,১২৯ কোটি টাকার সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিল ভারত (India)। সংবাদ সংস্থার খবর, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের অনুমোদন পাওয়া এটিই প্রথম নতুন প্রকল্প। জাতীয় জলবিদ্যুৎ শক্তি নিগম (NHPC) ৫ ফেব্রুয়ারি উধমপুর ও রামবান জেলাজুড়ে এই (Pakistan) বৃহৎ প্রকল্প নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে দরপত্র চেয়েছে।

    সাওয়ালকোট প্রকল্প (India)

    জানা গিয়েছে, সাওয়ালকোট প্রকল্পটি দুটি ধাপে গড়ে তোলা হবে। প্রথম ধাপে ১,৪০৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১,৮৫৬ মেগাওয়াট। চেনাব নদীর উজানে বাগলিহার প্রকল্প এবং ভাটিতে সালাল প্রকল্পের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা এই প্রকল্পটি রান-অব-দ্য-রিভার পদ্ধতিতে নির্মিত হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ে প্রকল্প চালু করার লক্ষ্যে নির্মাণ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি নির্বাচন করা হয়েছে, যা প্রকল্পটির জরুরি গুরুত্বকে তুলে ধরে।
    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরে পরিবেশমন্ত্রকের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রকল্পটিকে ছাড়পত্র দেয়। এরপরই এনএইচপিসি দরপত্র প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতির পর বড় আকারের নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভূগর্ভস্থ কাজ সারা বছর চলবে, তবে ভূপৃষ্ঠে নির্মাণকাজ বর্ষাকালের পরে পূর্ণগতিতে এবং বর্ষাকালে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ হতে বছর নয়েক লাগবে (India)।

    ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ

    সাওয়ালকোট প্রকল্পটি চেনাব নদীকে ঘিরে ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে (Pakistan)। সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকাল দুল ও কিরু প্রকল্প চালু করতে, ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে কোয়ার প্রকল্প শেষ করতে এবং
    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাটলে বাঁধ নির্মাণের কাজ আরও দ্রুত করতে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কিস্তওয়ারে অবস্থিত ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাকাল দুল প্রকল্পটি সবচেয়ে বড়। এতে ১৬৭ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে, যা ভারতের সর্বোচ্চ। এটি পাকিস্তানে প্রবাহিত কোনও পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীতে ভারতের প্রথম জলাধার প্রকল্প, যা নয়াদিল্লিকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাই নয়, জলপ্রবাহের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণের সুযোগও দেয়, যা নিয়ে ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন।

    প্রকল্পের উদ্বোধন ২০১৮ সালে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। এটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা (India)। কিস্তওয়ারের আর একটি রান-অব-দ্য-রিভার প্রকল্প কিরু, যার বাঁধের উচ্চতা ১৩৫ মিটার। উজান ও ভাটির একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। সরকার কিরুর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে (Pakistan)। চেনাব নদীর ওপর ১০৯ মিটার উঁচু বাঁধযুক্ত কোয়ার প্রকল্প ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বড় সাফল্য অর্জন করে, যখন নির্মাণের সুবিধার্থে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়—যা পাকিস্তানে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, এটি ২০২৮ সালের মার্চে চালু হওয়ার কথা। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাটলে প্রকল্পটি সবচেয়ে বিতর্কিত। এতে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে এবং স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে পাকিস্তান বারবার আপত্তি জানিয়েছে। গত বছর সুড়ঙ্গের মাধ্যমে চেনাব নদীর প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়ার পর নির্মাণকাজে গতি আসে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

    উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের

    এছাড়া, গত ডিসেম্বরে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভারত চেনাব নদীর ওপর দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, এই বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। দ্রুতগতিতে এই প্রকল্পগুলি এগোনোর ফলে পাকিস্তানের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির কৃষি ও জলপরিকাঠামোর বড় অংশ এই নদীর ওপর নির্ভরশীল (India)। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভারত হয়ে প্রবাহিত পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি থেকে আসে, ফলে উজানে ভারতের প্রকল্পগুলি (Pakistan) রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তির সব ধরনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বন্ধ রেখেছে, যার ফলে এই প্রকল্পগুলিকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

  • Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    Vande Bharat: ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০, ২০৪৭-এর মধ্যে ৪,৫০০ বন্দে ভারত ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ‘বন্দে ভারত’ ট্রেন সম্প্রসারণের এক বিরাট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রায় ৪,৫০০টি বন্দে ভারত ট্রেন (Vande Bharat) চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রেলমন্ত্রী এই  বিষয়ে লোকসভায় বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন।

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের বক্তব্য (Vande Bharat)

    অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে বলেন, “ভারতীয় রেল ২৬০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat) তৈরির পরিকল্পনা করছে। ভারতীয় রেলের উৎপাদন ইউনিটগুলো বন্দে ভারত, নমো ভারত, র‍্যাপিড এবং রিজিওনাল মেট্রো রেক, কলকাতা মেট্রো রেক, অমৃত ভারত এবং এলএইচবি (LHB) কোচের মতো বিভিন্ন ধরণের যাত্রীবাহী রোলিং স্টক তৈরি করছে।” তিনি বিস্তারিত রেল বিষয়ক তথ্য দিয়েছেন সংসদে।

    আধুনিকীকরণের স্তম্ভ

    আগামী দশকগুলিতে ভারতের যাত্রী রেল পরিষেবাকে (Vande Bharat) আধুনিকীকরণের প্রধান ভিত্তি হিসেবে এই সম্প্রসারণকে দেখা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৮০০টি ট্রেনসেট চালানোর লক্ষ্যে পরিকাঠামোর প্রস্তুতি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    দেশীয় প্রযুক্তি

    এই সেমি-হাই-স্পিড ট্রেনগুলো ভারতের প্রথম নিজস্ব পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিতে তৈরি ট্রেনসেট। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত যাত্রী পরিষেবা এবং কম সময়ে ভ্রমণের মাধ্যমে আন্তঃশহর রেল পরিষেবাকে (Indian railway) শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এগুলো তৈরি করা হয়েছে।

    বর্তমান অবস্থা

    ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করার পর থেকে এই প্রকল্পটি যথেষ্ট গতি পেয়েছে। বর্তমানে ভারতের রেল নেটওয়ার্কে প্রায় ৮০টি বন্দে ভারত ট্রেন চলাচল করছে।

    মেক ইন ইন্ডিয়া

    ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (ICF) প্রায় ৯০ শতাংশ দেশীয় যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই ট্রেনগুলো তৈরি করা হচ্ছে। এই কাজের সবটাই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। টিটাগড় রেল (Vande Bharat) সিস্টেমসের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোও এই উৎপাদনে সহযোগিতা করছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য

    এই ট্রেনগুলোর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার এবং এতে শক্তি সাশ্রয়ের জন্য ‘রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম’ ব্যবহার করা হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য

    ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দে ভারত ট্রেনের সংখ্যা ৪,৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    অর্থনৈতিক প্রভাব

    এই কর্মসূচি উৎপাদন, ইস্পাত, ইলেকট্রনিক্স এবং শক্তি খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর পাশাপাশি ভারতকে এশিয়া ও আফ্রিকান বাজারে রেল প্রযুক্তি রফতানিকারক দেশ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।

    স্লিপার ভেরিয়েন্ট

    দূরপাল্লার যাত্রার জন্য বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের স্লিপার (Vande Bharat) সংস্করণটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি ট্রেন তৈরি করা হয়েছে, যা বর্তমানে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল করছে।

    উৎপাদন প্রক্রিয়া

    বিইএমএল (BEML), চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অংশীদারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে এই উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হবে। চাহিদা এবং পরিকাঠামোর প্রস্তুতির ওপর ভিত্তি করে এই ট্রেনগুলোকে যাত্রী পরিষেবায় আনা হবে।

    আধুনিক সুযোগ-সুবিধা

    এই ট্রেনগুলোতে উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং যাত্রীদের আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ—

    উন্নত সুরক্ষা

    এতে ‘কবচ’ (KAVACH) স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্র্যাশওয়ার্দি বডি ডিজাইন থাকবে।

    গতিবেগ

    এর নকশাকৃত সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৮০ কিমি এবং পরিচালনাগত গতিবেগ হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিমি।

    অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা

    ইলেকট্রিক্যাল ক্যাবিনেট এবং শৌচাগারে অ্যারোসল-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় অগ্নি শনাক্তকরণ ও নির্বাপণ ব্যবস্থা থাকবে।

    পরিচ্ছন্নতা ও বায়ু চলাচল

    শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে অতিবেগুনী (UV-C) রশ্মি ভিত্তিক জীবাণুনাশক ব্যবস্থা থাকবে যা ৯৯% ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

    অন্যান্য সুবিধা

    স্বয়ংক্রিয় প্লাগ ডোর, সিসিটিভি ক্যামেরা, জরুরি বার্তা আদান-প্রদান ইউনিট, এবং দিব্যাঙ্গ যাত্রীদের জন্য বিশেষ শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে।

    উন্নত মনিটরিং

    সেন্ট্রালাইজড কোচ মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ এবং আলোর ব্যবস্থা তদারকি করা হবে। এছাড়া ওপরের বার্থে ওঠার জন্য উন্নত নকশার মই ব্যবহার করা হয়েছে।

LinkedIn
Share