Tag: Bengali news

Bengali news

  • Harbhajan Singh: ‘‘তোমার নোংরা মুখ…’’, শিখ-বিদ্বেষী মন্তব্য করায় কামরানকে যোগ্য জবাব হরভজনের

    Harbhajan Singh: ‘‘তোমার নোংরা মুখ…’’, শিখ-বিদ্বেষী মন্তব্য করায় কামরানকে যোগ্য জবাব হরভজনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পেস বোলার অর্শদীপ সিং ও শিখ ধর্ম নিয়ে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেছিলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার কামরান আকমল (Kamran Akmal)। তাঁর অর্শদীপ ও শিখ ধর্ম নিয়ে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রাক্তন ভারতীয় স্পিন বোলার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। এক্স হ্যান্ডেলে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে হরভজন কামরান আকমালকে ভর্ৎসনা করে লেখেন, “কামরান তোমাকে লক্ষ ভর্ৎসনা। তোমার নোংরা মুখ খোলার আগে শিখদের ইতিহাস সম্পর্কে জানা উচিত। আক্রমণকারীরা যখন তোমাদের মা-বোনকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল তখন শিখরাই বাঁচিয়েছিল। কিছু কৃতজ্ঞতা বাঁচিয়ে রাখ।”

    বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের জবাব দিলেন টার্বুনেটর (Harbhajan Singh)

    প্রসঙ্গত পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ইউকেটকিপার কামরান আকমল একটি লাইভ টেলিভিশন শোতে অর্শদীপ সিং এবং শিখ ধর্ম সম্পর্কে একটি কুরুচিকর মন্তব্য করেন। বিষয়টি ভাইরাল হতেই অর্শদীপ এবং শিখ ধর্ম সম্পর্কে কামরান আকমলের কুমন্তব্যের জবাব দিতে ময়দানে নামেন হরভজন সিং (Harbhajan Singh)।

    চাপে পড়ে ক্ষমা চাইলেন কামরান আকমল

    প্রসঙ্গত শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আশাপ্রদ ব্যাটিং হয়নি ভারতের। যেভাবে বোলিং হচ্ছিল তাতে পাকিস্তান চাপে থাকলেও শেষ দিকে হেরে যাবে এমনটা ভাবাও কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই সময় কামরান আকমল টিভি শোতে আর অর্শদীপ এবং শেখ সম্প্রদায় নিয়ে কুমন্তব্য করেন। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস ফাইনাল ওভারে ছয় রানে হেরে যায় পাকিস্তান। এর পরেই ময়দানে নামেন ‘টার্বুনেটর’ হরভজন সিং। হরভজন (Harbhajan Singh) উত্তর দিতেই কামরান আকমল ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট করেন।প্রসঙ্গত পাকিস্তানে মুসলিম বাদে অন্য ধর্মের ক্রিকেটারদের নিয়ে কুমন্তব্য করার ঘটনা নতুন কিছু নয়।

     

    আরও পড়ুন: এত কম রানের পুঁজি নিয়েও জয়! পাকিস্তান ম্যাচে নজির ভারতের

    পাকিস্তানের শেষ হিন্দু ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়া আগেই জানিয়েছেন কীভাবে তাঁকে কোনঠাসা করে রাখা হত। পাকিস্তানি ক্রিকেটে তাঁর মেয়াদ ছোট করার যথাসম্ভব চেষ্টা করেছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। এমনকি পাকিস্তান ক্রিকেটে সংখ্যালঘুদের সুযোগই দেওয়া হয় না অভিযোগ ছিল তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বাগদায় উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই দেওয়াল লিখন শুরু বিজেপির, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী

    North 24 Parganas: বাগদায় উপনির্বাচন ঘোষণা হতেই দেওয়াল লিখন শুরু বিজেপির, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশের অষ্টাদশ লোকসভার নির্বাচন শেষ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে গতকাল সোমবার উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আর তাই ২৪ ঘন্টা পেরোতে না পেরোতেই দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করল বিজেপি। মঙ্গলবার সকালে উত্তর ২৪ পরগণার (North 24 Parganas) বাগদার বানেশ্বরপুর বাজার সংলগ্ন মনোহরপুর এলাকায় দেওয়াল লিখেন শুরু করে দেয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তবে প্রার্থী নামের জায়গা ফাঁকা রাখা হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য (North 24 Parganas)

    বিধানসভার উপনির্বাচনকে ঘিরে বিজেপির কর্মীদের মধ্যে এখন ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এই বিধানসভায় ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন বিশ্বজিৎ দাস। কিন্তু পরবর্তী সময়ে, তিনি দল বদল করে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন। তিনিই আবার বনগাঁ লোকসভা (North 24 Parganas) কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। যদিও বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের কাছে পরাজিত হন তিনি। এইবার এই উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় বিজেপির কর্মীদের বক্তব্য, “যেই প্রার্থী হোক আমরা তাঁকে সমর্থন করব। আমরা জয় লাভ করব, তাই সময় নষ্ট না করে দেওয়াল লিখন শুরু করলাম।” আবার বিজেপির বাগদা মন্ডল ১-এর যুব মোর্চার সভাপতি অর্ঘ্য হালদার বলেন, “সকাল ৫টা থেকে আমরা দেওয়াল লেখন শুরু করেছি। বাগদায় সকল বিজেপি কর্মীরা একযোগে কাজ শুরু করে দিয়েছে। প্রার্থী যেই হোক না কেন আমাদের মূল লক্ষ্য হল বিজেপিকে জয়ী করা। প্রত্যেক বুথে বুথে আমরা প্রচার করব।”

    আরও পড়ুন: “মিছিল থেকেই বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করল তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বাগদা (North 24 Parganas) পশ্চিম ব্লকের তৃণমূল সভাপতি অঘোর চন্দ্র হালদার বলেন, “গতকাল নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। তবে দুই এক দিনের মধ্যেই হয়ে যাবে। এই নির্বাচন, লোকসভার নির্বাচন নয় এটা বিধানসভার নির্বাচন, তাই এই এলাকার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বিশ্বাস রাখবেন। বিজেপি যত চেষ্টা করুক জয় তৃণমূলেরই হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Men’s Health Week: ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে কোন কোন রোগ বাড়ছে? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    International Men’s Health Week: ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে কোন কোন রোগ বাড়ছে? কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    জুনের ১০ থেকে ১৬ তারিখ বিশ্ব জুড়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল মেন হেলথ উইক’ (International Men’s Health Week) পালন করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর অসচেতনতার জেরে সময়ের আগে মারা যান কয়েক লাখ মানুষ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, পুরুষেরা ঠিকমতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান না। আর তার জেরেই নানান জটিল রোগে তাঁরা আক্রান্ত হন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। তাই এ বছরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পুরুষদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়েই আরও বেশি সচেতনতা কর্মসূচি চালানো‌ হবে। যাতে রোগের চিকিৎসার দরকার না হয়‌। রোগের প্রকোপ আগেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তাই দরকার ঠিকমতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা। ভারতের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই ভারতীয় পুরুষদের মধ্যেও সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। তার জেরেই সময়ের আগে অনেক সময় প্রাণ সংশয় দেখা দিচ্ছে‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে যে সব রোগের প্রকোপ বেশি, সেগুলো অধিকাংশ জীবন যাপন অস্বাস্থ্যকর হওয়ার জন্য হচ্ছে। জেনে নিন, কোন রোগের প্রকোপ বাড়ছে ভারতীয় পুরুষদের?

    ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে (International Men’s Health Week) 

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে‌। অধিকাংশ ভারতীয় পুরুষদের সময়ের আগে মৃত্যুর অন্যতম কারণ ফুসফুসের ক্যান্সার। দেশজুড়ে নানান ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে। তবে পুরুষদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সার প্রথম সারিতে রয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অসচেতনতার কারণে অনেক দেরিতে রোগ নির্ণয় হয়। তাই চিকিৎসা শুরু করতেও সময় চলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তবে, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন এই রোগের অন্যতম কারণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পৃথিবী জুড়ে বায়ু দূষণ বাড়ছে। তাই সব বয়সের মানুষের ফুসফুসের নানান সংক্রমণ রোগের দাপট বাড়ছে‌। তবে, ফুসফুসের ক্যান্সারের অন্যতম কারণ তামাক সেবন। খুব কম বয়স থেকেই ভারতীয় পুরুষদের একাংশ সিগারেট, বিড়ির মতো তামাকজাত দ্রব্যের সেবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন। আর এর জেরেই ফুসফুসের ক্যান্সারের মতো রোগের শিকার হচ্ছেন।

    হৃদরোগের সমস্যা বেশি

    ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের সমস্যা বাড়ছে। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদ সমস্যা। আর অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনকেই এই জন্য দায়ী করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় পুরুষ খাবারে অতিরিক্ত তেলের ব্যবহার, অতিরিক্ত মশলাজাতীয় খাবার খাওয়া, প্রাণীজ প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ায় অভ্যস্থ। আর এর জেরেই অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে হৃদপিণ্ডের উপরে। তাই ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে হৃদরোগের (International Men’s Health Week) ঝুঁকি বাড়ছে।

    কিডনির সমস্যা দেখা দিচ্ছে (International Men’s Health Week) 

    খুব কম বয়স থেকেই ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে কিডনির নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যার জেরে স্বাভাবিক জীবন যাপনে বিঘ্ন ঘটছে‌। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এর নেপথ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস। ভারতীয়দের মধ্যে ডায়াবেটিস বাড়ছে‌‌। শিশুদের মধ্যেও টাইপ ২ ডায়াবেটিস বাড়ছে। আর এর জেরেই কিডনির রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    মানসিক অবসাদ বাড়ছে

    ভারতীয় পুরুষদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ার অন্যতম কারণ মানসিক চাপ বা অবসাদের মতো সমস্যা। আধুনিক জীবন যাপনে অনেকেই ব্যস্ততার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। পাশপাশি মানসিক চাপ বাড়ছে। একাকিত্বও বাড়ছে। আর তার জেরেই মানসিক স্বাস্থ্যে (International Men’s Health Week) প্রভাব পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক স্বাস্থ্যে বিপর্যয়ের জেরেই ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তলানিতে। ঠিকমতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেন না। আর তার জেরেই অনেক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকছে না।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা? (International Men’s Health Week) 

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা আরও বাড়ানো জরুরি। কর্মস্থলে আরও বেশি করে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জোর দিতে হবে। যাতে বছরে অন্তত একবার ঠিকমতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়‌। তাতে রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রা বোঝা যাবে। হৃদরোগের ঝুঁকি কতখানি সে বিষয়েও আন্দাজ করা যাবে। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চললে বড় বিপদ এড়ানো যাবে। তবে পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ধূমপানের মতো অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi 3.0: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    PM Modi 3.0: মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা? জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা তৃতীয় মেয়াদে (PM Modi 3.0) ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর নতুন লোকসভা গঠন করেন নরেন্দ্র মোদি। এবারে তাঁর জোট সরকারে মোট মন্ত্রী সংখ্যা ৭২ জন। এদের একজন প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে আর বাকি ৭১ জনের মধ্যে ৩০ জন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পাঁচজন স্বতন্ত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ৩৬ জন প্রতিমন্ত্রী। তবে মোদির নতুন মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet) সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা হলেন জানেন!

    মোদি মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী কারা?    

    জানা গিয়েছে, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকালুমের তেলেগু দেশম পার্টির (TDP) সাংসদ, কিঞ্জরাপু রাম মোহন নাইডু, মোদির মন্ত্রিসভার সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী৷ তাঁর বয়স বর্তমানে ৩৬ বছর। অন্যদিকে হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চার (ধর্মনিরপেক্ষ) প্রতিষ্ঠাতা জিতন রাম মাঞ্জি সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রী। তার বয়স ৭৯ বছর। তবে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর তালিকায় রাম মোহন নাইডুর পরেই নাম রয়েছে ৩৭ বছর বয়সী রক্ষা খডসের। এবারের লোকসভা নির্বাচনে, তিনি (Raksha khadse) রাভারে জয়ী হয়েছিলেন। ২,৭২,১৮৩ ভোটের ব্যবধানে নিকটতম এনসিপি-শারদ পাওয়ার প্রার্থীর বিরুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেন। 

    কে এই রাম মোহন নাইডু?  

    রাজনীতির পরিবার থেকে আসা রাম মোহন নাইডু প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইয়েরান নাইডুর ছেলে। এবছর লোকসভা ভোটে টিডিপির টিকিটে জেতা রাম মোহন নাইডু জায়গা পেলেন মোদির তৃতীয় দফার (PM Modi 3.0) ক্যাবিনেটে। এর আগে, রাম মোহন লং আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার পর সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন। তবে ২০১২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যুর পর চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার মন্ত্রিসভায়, দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন কিঞ্জারাপু ইয়েরান নাইডু। তারপর ২৮ বছর তাঁর সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল। তবে এবার ২০২৪ সালের ৯ জুন, সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন তাঁর ছেলে রামমোহন নাইডু।

    আরও পড়ুন: পেয়েছেন নাসার ‘হল অফ ফেম’ স্বীকৃতি, এথিক্যাল হ্যাকিংকেই পেশা করেছেন কাশ্মীরের মুনীব

    জিতন রাম মাঞ্জির পরিচয় 

    জিতন রাম মাঞ্জি বিহারের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে একজন উল্লেখ্যযোগ্য ব্যাক্তিত্ব। ১৯৮০ সালে কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর কয়েক বছর ধরে নীতীশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) এবং লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল সহ অনেক দলের অংশ হয়েছেন। তিনি নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায় তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি কল্যাণ মন্ত্রী হিসাবেও কাজ করেছিলেন। এরপর ২০১৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গয়া আসনে জয়ী হন।  
    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে তৃতীয় মেয়াদে (PM Modi 3.0) এসে প্রথমবারের মতো জোট সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোদি। তাঁর মন্ত্রিসভায় (Modi Cabinet) এবার নতুন মুখ ৯টি। অন্যদিকে মন্ত্রিসভায় নারী মন্ত্রী রয়েছেন সাতজন। এদের মধ্যে দুইজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, তারা হলেন নির্মলা সীতারমণ ও ঝাড়খণ্ডের কোডারমা থেকে নির্বাচিত বিজেপি সাংসদ অন্নপূর্ণ দেবী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcium: শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! মোকাবিলা করবেন কীভাবে? 

    Calcium: শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নানা রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে! মোকাবিলা করবেন কীভাবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বয়স বাড়ার সঙ্গে কমে ক্যালসিয়াম। এমন ধারণা এখন বদলে যাচ্ছে। তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়েই অনেকের কমছে ক্যালসিয়াম (Calcium)। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুদের মধ্যেও বাড়ছে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। আর এর জেরে বাড়ছে নানান রোগের ঝুঁকি। তাই সতর্কতা জরুরি। কারণ, চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ক্যালসিয়ামের অভাব শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। কম বয়স থেকে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে দীর্ঘমেয়াদি একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যার জেরে স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়।

    কী কী রোগের প্রকোপ বাড়ায়? (Calcium)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের হাড় ও স্নায়ুর একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে‌। পেশির জোর কমে। এর ফলে শিশুদের মধ্যে দুর্বলতা দেখা যায়। হাত ও পায়ে মাঝে মধ্যে খিঁচুনি হতে পারে। এমনকী অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যা পরবর্তীতে নানান জটিল রোগের কারণ হয়। ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের অস্টিওপেনিয়া, রিকেটের মতো রোগ হতে পারে। এর ফলে শিশুর হাত ও পায়ের গঠন ঠিকমতো হয় না। দীর্ঘমেয়াদি স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যাহত হয়। 
    তরুণ বয়সে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে হাড়ের একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সি বিশেষত মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে অস্ট্রিয়পোরেসিসের সমস্যা। এটা এক ধরনের হাড়ের ক্ষয় রোগ। ক্যালসিয়ামের (Calcium) অভাবের জেরেই এই রোগ হয়। 
    এছাড়াও, দাঁতের সমস্যার কারণ ক্যালসিয়ামের অভাব। অনেকেই দাঁতে ব্যথা অনুভব করেন। মাড়িতে নানান সংক্রমণ ঘটে। এগুলোর কারণ, শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না থাকা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পড়ে গেলে অনেকের হাড় ভেঙে যায়। সামান্য দুর্ঘটনাতেও তাই ভোগান্তি বাড়ে। ক্যালসিয়ামের অভাব থাকলে হাড় দুর্বল হয়। এর জেরেই সামান্য আঘাতেও হাড় ভাঙার মতো বিপত্তি ঘটতে পারে। ছোটদের পাশপাশি বড়দেরও শরীরে দুর্বলতা বা ক্লান্তি বাড়ায় ক্যালসিয়ামের অভাব।

    কীভাবে সহজে মিটবে ক্যালসিয়ামের অভাব? (Calcium)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সহজেই ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করা সম্ভব। তাছাড়া শিশুরা খাবার থেকেই প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পেতে পারে। তাই ছোট থেকেই খাবারে নজরদারি করলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেবে না।‌ 
    নিয়মিত দুধ, পনির বা দই  খাওয়া জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও দুগ্ধজাত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ করে‌। মহিলারা নিয়মিত টক দই খেতে পারেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের ক্যালসিয়ামের অভাব বেশি দেখা যায়‌। তাই দুধের পাশাপাশি দই খেলে হাড় মজবুত হবে। 
    রোজ যে কোনও এক ধরনের বাদাম খাওয়া জরুরি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম হোক কিংবা কাজুবাদাম, নিয়মিত যে কোনও ধরনের বাদাম খাদ্যতালিকায় রাখা দরকার। কারণ, বাদাম ক্যালসিয়ামের অন্যতম উৎস। নিয়মিত বাদাম খেলে কমবে ক্যালসিয়ামের (Calcium) ঘাটতি। 
    ডিম এবং লেবু ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়। তাই শিশুর আট মাস বয়স থেকেই নিয়মিত ডিম খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। পাশপাশি যে কোনও এক ধরনের লেবু নিয়মিত খেলে ক্যালসিয়ামের চাহিদা সহজেই পূরণ হবে। 
    পালং শাকের মতো সবুজ সবজিও শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন, দুধের পাশপাশি এই ধরনের সবুজ সবজি নিয়মিত খাওয়া জরুরি। তবেই শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mohan Bhagwat: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “রটনায় নাম জড়ানো হচ্ছে আরএসএসের, এটা ঠিক নয়”, বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রযুক্তির সাহায্যে মিথ্যে রটিয়ে নির্বাচনের সঙ্গে যে আরএসএসের নাম জড়িয়ে ফেলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়।” সোমবার নাগপুরে কথাগুলি বললেন আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। ১০ জুন, সোমবার এখানেই বসেছিল কার্যকর্তা বিকাশ বর্গের বিদায়ী অধিবেশন। প্রধান অতিথি ছিলেন গোদাবরী ধামের রামগিরি মহারাজ, আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ সর্দার ইকবাল সিং।

    কী বললেন রামগিরি মহারাজ? (Mohan Bhagwat)

    রামগিরি মহারাজ বলেন, “সঙ্ঘে আপনারা সংস্কার শেখেন, অনুকূল হোক কিংবা প্রতিকূল যে কোনও পরিস্থিতিতে কীভাবে মূল্যবোধ বজায় রাখা যায়, সেই শিক্ষাও দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “যখন আপনি আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত হন, তখন আপনি ডেডিকেশন শেখেন, সামাজিক ঐক্য কীভাবে বজায় রাখতে হয়, তা-ও শেখেন।” আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “আজ পঞ্চম গুরু অর্জুন দেবজি মহারাজের বলিদান দিবস। তিনি দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ করেছিলেন।” তিনি বলেন, “গ্বালিয়র দুর্গে গুরু অর্জুন দেবকে অনেক নৃশংসতার শিকার হতে হয়েছিল। তা সত্ত্বেও স্রেফ ধর্মের কারণে তিনি হাসতে হাসতে জীবন বলিদান দিয়েছিলেন।”

    ভাগবত উবাচ…

    আগের দিন মহারাণা প্রতাপের জন্মজয়ন্তী ছিল। এই দিনটিতেই আত্ম-বলিদান করেছিলেন বিরসা মুন্ডাও। এই দুই প্রসঙ্গের অবতারণা করে ভাগবত বলেন, “এই প্রশিক্ষণ শিবিরে আমরা জেনেছি কীভাবে একদল মানুষ দেশের স্বার্থে নিজেদের জীবন বলিদান দিয়েছিলেন।” লোকসভা নির্বাচনের শেষে যেভাবে আরএসএস সম্পর্কে মিথ্যে কথা রটানো হয়েছে, এদিন সে প্রসঙ্গেরও উল্লেখ করেন সরসঙ্ঘচালক। বলেন, “নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। নয়া সরকার শপথও নিয়ে নিয়েছে। তাই আর নির্বাচনের ফল নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই।”

    আর পড়ুন: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    তিনি বলেন, “মানুষ তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তার ফলও বেরিয়ে গিয়েছে। এর সঙ্গে সঙ্ঘের কোনও যোগ নেই।” বলেন, “প্রতিটি নির্বাচনে সঙ্ঘ জনমত পরিশুদ্ধ করে, যেমন এই নির্বাচনেও করেছিল। যদিও ফলের কোনও বিশ্লেষণ সঙ্ঘ করেনি।” ভাগবত বলেন, “সঙ্ঘ সব সময় মর্যাদা রক্ষা করে চলে। কখনও তার সীমা ছাড়িয়ে যায় না (Mohan Bhagwat)।”

     

    শের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    TMC Conflict: নিজেদেরই মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে পেটাল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায়। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানের ওপর হামলা! (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রকোণার বান্দিপুর-১  নং গ্রাম  পঞ্চায়েত অফিসে বসে কাজ করছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই। আচমকাই অফিসের ভিতর ঢুকে পড়েন বেশ কয়েকজন মহিলা। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রধানের চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। এখানেই শেষ নয়, টানতে টানতে বাইরে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ফেলে পঞ্চায়েত প্রধানকে লাথি-ঘুষি মারারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামনে এসেছে ইতিমধ্যেই। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (TMC Conflict) প্রকাশ্যে এসেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    ব্লক সভাপতির মদতেই হামলা

    পঞ্চায়েত প্রধান পিঙ্কি দলুই বলেন, “তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মদতেই আমার ওপর হামলা হয়েছে। আমাকে প্রধানের পদ থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে অনেকদিন ধরেই। এদিন দুপুরে আমি কাজ করছিলাম। আচমকাই বেশ কয়েকজন মহিলা আমার ওপর হামলা চালায়। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে লাথি-ঘুষি মারল তৃণমূল কর্মীরা। হাতে চোট লেগেছে। পায়ে চোট লেগে রক্ত বেরিয়েছে। আমাকে বারবার তোলাবাজি এবং চুরি করতে বলেছিল। তাতে সায় না দেওয়ায় আমার ওপর এই হামলা।”

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী সাফাই দিলেন?

    অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষ। তিনি বলেন, “পুরো অভিযোগটাই ভিত্তিহীন। আমিও বলতে পারি, আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ চাই।” এই ঘটনায় স্তম্ভিত গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা। অনেকেই এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুদীপ কুশারি বলেন, মহিলাকে মারধরের ঘটনায় নিন্দা জানাচ্ছি । তবে, তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) নিয়ে কোনওরকম আগ্রহ নেই। বরং, এই অবস্থায় এলাকার উন্নয়ন আদৌ হবে তো!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 45: “আমরা জেলেডিঙি, খাল বিল আবার বড় নদীতেও যেতে পারি, কিন্তু আপনি জাহাজ!”

    Ramakrishna 45: “আমরা জেলেডিঙি, খাল বিল আবার বড় নদীতেও যেতে পারি, কিন্তু আপনি জাহাজ!”

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর অহেতুক কৃপাসিন্ধু

    বিদ্যাসাগর (সহাস্যে)—তা আপনি বলতে পারেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (সহাস্যে)—হাঁ গো, অনেক বাবু জানে না চাকর-বাকরের নাম (সকলের হাস্য)—বা বাড়ির কোথায় কি দামী জিনিস আছে।

    কথাবার্তা শুনিয়া সকলে আনন্দিত। সকলে একটু চুপ করিয়াছেন। ঠাকুর আবার বিদ্যাসগারকে সম্বোধন করিয়া কথা কহিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—একবার বাগান দেখতে যাবেন, রাসমণির বাগান। ভারী চমৎকার জায়গা।

    বিদ্যাসাগর-যাব বই কি। আপনি এলেন আর আমি যাব না!

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আমার কাছে? ছি! ছি!

    বিদ্যাসাগর—সে কি! এমন কথা বললেন কেন? আমায় বুঝিয়ে দিন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) (সহাস্যে)—আমরা জেলেডিঙি। (সকলের হাস্য) খাল বিল আবার বড় নদীতেও যেতে পারি। কিন্তু আপনি জাহাজ, কি জানি যেতে গিয়ে চড়ায় পাছে লেগে যায়। (সকলের হাস্য)

    বিদ্যাসাগর সহাস্যবদন, চুপ করিয়া আছেন। ঠাকুর হাসিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্য)—তার মধ্যে এ-সময় জাহাজও যেতে পারে।

    বিদ্যাসাগর (সহাস্য)—হাঁ, এটি বর্ষাকাল বটে! (সকলের হাস্য)

    মাস্টার (স্বগতঃ)—নবানুরাগের বর্ষা, নবানুরাগের সময় মান-অপমান বোধ থাকে না বটে!

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন ভক্তসঙ্গে। বিদ্যাসাগর আত্মীয়গণসঙ্গে দাঁড়াইয়াছেন। ঠাকুরকে গাড়িতে তুলিয়া দিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) এখনও দাঁড়াইয়া রহিয়াছেন কেন? মূলমন্ত্র করে জপিতেছেন; জপিতে জপিতে ভাববিষ্ট হইয়াছেন। অহেতুক কৃপাসিন্ধু! বুঝি যাইবার সময় মহাত্মা বিদ্যাসাগরের আধ্যাত্মিক মঙ্গলের জন্য মার কাছে প্রার্থনা করিতেছেন।

    ঠাকুর ভক্তসঙ্গে সিঁড়ি দিয়া নামিতেছেন। একজন ভক্তের হাত ধরিয়া আছেন। বিদ্যাসাগর স্বজনসঙ্গে আগে আগে যাইতেছেন—হাতে বাতি, পথ দেখাইয়া আগে আগে যাইতেছেন। শ্রাবণ কৃষ্ণষষ্ঠী, এখনও চাঁদ উঠে নাই। তমসাবৃত উদ্যানভূমির মধ্য দিয়া সকলে বাতির ক্ষীনালোকে লক্ষ্য করিয়া ফটকের দিকে আসিতেছেন।

     আরও পড়ুনঃ “মৃত্যুকে সর্বদা মনে রাখা উচিত, মরবার পর কিছুই থাকবে না।”

    আরও পড়ুনঃ“গীতা গীতা দশবার বলতে গেলে, ত্যাগী ত্যাগী হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 44: “নিষ্কামকর্ম করতে পারলে ঈশ্বরে ভালবাসা হয়, ক্রমে তাঁর কৃপায় তাঁকে পাওয়া যায়”

    Ramakrishna 44: “নিষ্কামকর্ম করতে পারলে ঈশ্বরে ভালবাসা হয়, ক্রমে তাঁর কৃপায় তাঁকে পাওয়া যায়”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ঈশ্বরকে ভালবাসা জীবনের উদ্দেশ্য—The End of life

                                                                                                                    নিষ্কামকর্মের উদ্দেশ্যে-ঈশ্বরদর্শন

    অন্তরে সোনা আছে, এখনও খবর পাও নাই। একটু মাটি চাপা আছে। যদি একবার সন্ধান পাও, অন্য কাজ কমে যাবে। গৃহস্থের বউ-এর ছেলে হলে ছেলেটিকেই নিয়ে থাকে, ওইটিকে নিয়েই নাড়াচাড়া; আর সংসারের কাজ শাশুড়ী করতে দেয় না। (সকলের হাস্য)

    আরও এগিয়ে যাও। কাঠুরে কাঠ কাটতে গিছিল; ব্রহ্মচারী বললে, এগিয়ে যাও। এগিয়ে গিয়ে দেখে চন্দনগাছ। আবার কিছুদিন পরে ভাবলে, তিনি এগিয়ে যেতে বলেছিলেন, চন্দনগাছ পর্যন্ত তো যেতে বলেন নাই। এগিয়ে গিয়ে দেখে রূপার খনি। আবার কিছুদিন পরে এগিয়ে গিয়ে দেখে, সোনার খনি। তারপর কেবল হীরা মাণিক। এই সব লয়ে একেবারে আণ্ডিল হয়ে গেল।

    নিষ্কামকর্ম করতে পারলে ঈশ্বরে Ramakrishna) ভালবাসা হয়, ক্রমে তাঁর কৃপায় তাঁকে পাওয়া যায়। ঈশ্বরকে দেখা যায়, তাঁর সঙ্গে কথা কওয়া যায়, যেমন আমি তোমার সঙ্গে কথা কচ্ছি। (সকলে নিঃশব্দ)   

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ঠাকুর অহেতুক কৃপাসিন্ধু

    সকলে অবাক ও নিস্তব্ধ হইয়া এই সকল কথা শুনতেছেন। যেমন সাক্ষাৎ বাগ্বাদিনী শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) জিহ্বাতে অবতীর্ণ হইয়া বিদ্যাসাগরকে উপলক্ষ করিয়া জীবের মঙ্গলের জন্য কথা বলিতেছেন। রাত্রি হইতেছে; নয়টা বাজে। ঠাকুর এইবার বিদায় গ্রহণ করিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিদ্যাসাগরের প্রতি সহাস্যে)—এ-যা বললুম, বলা বাহুল্য আপনি সব জানেন—তবে খপর নাই! (সকলের হাস্য) বরুণের ভাণ্ডারে কত কি রত্ন আছে! বরুণ রাজার খপর নাই!

    আরও পড়ুনঃ “মহাকাল জেনেছেন কালীর মর্ম, অন্য কেবা জানে তেমন”

    আরও পড়ুনঃ“এই স্থানে নরেন্দ্রের গান ঠাকুর প্রথমে শুনেন ও তাঁহাকে দক্ষিণেশ্বরে যাইতে বলেন”

    আরও পড়ুনঃ “দক্ষিণেশ্বরের পরমহংস সামান্য নহেন, এক্ষণে পৃথিবীর মধ্যে এত বড় লোক কেহ নাই”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 43: “যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়, আর পাখার কি দরকার?”

    Ramakrishna 43: “যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়, আর পাখার কি দরকার?”

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    ঈশ্বরকে ভালবাসা জীবনের উদ্দেশ্য—The End of life

    চিত্ত তদগত হওয়া, তাঁকে খুব ভালবাসা। সুধাহ্রদ কিনা অমৃতের হ্রদ। ওতে ডুবলে মানুষ মরে না। অমর হয়। কেউ কেউ মনে করে, বেশি ঈশ্বর ঈশ্বর (Ramakrishna) করলে মাথা খারাপ হয়ে যায়। তা নয়। এ-যে সুধার হ্রদ! অমৃতের সাগর। বেদে তাঁকে অমৃত বলেছে, এতে ডুবে গেলে মরে না—অমর হয়।

    নিষ্কামকর্ম বা কর্মযোগ ও জগতের উপকার

    পূজা, হোম, যাগ কিছুই কিছু নয়। যদি তাঁর উপর ভালবাসা আসে, তাহলে আর এ-সব কর্মের বেশি দরকার নাই। যতক্ষণ হাওয়া পাওয়া না যায়, ততক্ষণই পাখার দরকার, যদি দক্ষিণে হাওয়া আপনি আসে, পাখা রেখে দেওয়া যায়। আর পাখার কি দরকার?

    তুমি যে-সব কর্ম করছ, এ-সব সৎকর্ম। যদি আমি কর্তা এই অহংকার ত্যাগ করে নিস্কামভাবে করতে পার, তাহলে খুব ভাল। এই নিস্কামকর্ম করতে করতে ঈশ্বরেতে (Ramakrishna) ভক্তি ভালবাসা আসে। এইরূপ নিস্কামকর্ম করতে করতে ঈশ্বরলাভ হয়।

    কিন্তু যত তাঁর উপর ভক্তি ভালবাসা আসবে, ততই তোমার কর্ম কমে যাবে। গৃহস্থের বউ, পেটে যখন ছেলে হয়—শাশুড়ী তার কর্ম কমিয়ে দেয়। যত মাস বাড়ে, শাশুড়ী কর্ম কমায়। দশমাস হলে আপদে কর্ম করতে দেয় না, পাছে ছেলের কোন হানি হয়, প্রসবের কোন ব্যাঘাত হয়। (হাস্য) তুমি যে-সব কর্ম করছ এতে তোমার নিজের উপকার। নিস্কামভাবে কর্ম করতে পারলে চিত্তশুদ্ধি হবে। ঈশ্বরের (Ramakrishna) উপর তোমার ভালবাসা আসবে। ভালবাসা এলেই তাঁকে লাভ করতে পারবে। জগতের উপকার মানুষ করে না, তিনিই করেছেন, যিনি চন্দ্র-সূর্য করেছেন, যিনি মা-বাপের স্নেহ, যিনি মহতের ভিতর দিয়া, যিনি সাধু-ভক্তের ভিতর ভক্তি দিয়েছেন। যে-লোক কামনাশূন্য হয়ে কর্ম করবে সে নিজেরই মঙ্গল করবে।

    আরও পড়ুন:“ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইলেন, দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলিয়া আবার সহাস্যে কথা কহিতেছেন”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    আরও পড়ুনঃ“বেঙাচির ল্যাজ খসলে জলেও থাকতে পারে, আবার ডাঙাতেও থাকতে পারে”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share