Tag: Bengali news

Bengali news

  • Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    Supreme court: টেটের শূন্যপদ নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কী বলল শীর্ষ আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এবার বড় নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত। প্যানেলের মেয়াদ শেষে কোনও নিয়োগ নয়, নির্দেশে সাফ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ ২০২০ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রয়ে যাওয়া শূন্যপদে নতুন করে কোনও নিয়োগ নয়, এমনটাই নির্দেশ বিচারপতি হৃষীকেশ রায়ের বেঞ্চের।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Supreme court) 

    ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে একটি ২০১৬ সালে এবং অপরটি ২০২০ সালে। ২০২০ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্যদের তরফে ১৬ হাজার ৫০০ শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। কিন্তু, বিভিন্ন কারণের জন্য ৩৯২৯ টি পদ শূন্যই থেকে গিয়েছিল। এই প্রায় ৪ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার কাদের রয়েছে? এই সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ২০১৪ সালে টেট পাশ করে তাঁদের দাবি ছিল বাকি পদগুলিতে রয়েছে তাঁদের অগ্রাধিকার। উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতা হাইকোর্টে এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা গিয়েছিল তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। তিনি সেই সময় মেধার উপর ভিত্তি করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme court) সেই নির্দেশকে মান্যতা দিল না। 

    শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ 

    বৃহস্পতিবার মামলাটি আদালতে (Supreme court) উঠতে সেখানেই এই দাবি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এই শূন্যপদগুলিতে নিয়োগের (Primary Recruitment) ক্ষেত্রে যে পদগুলি বাকি রয়েছে সেগুলি আগামী নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের (Supreme court) তরফে। অর্থাৎ ২০২২ সালের যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল তার সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সেই মতোই করা হবে নিয়োগ।

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    অন্যদিকে আবার এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জলও গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটিই বাতিল করে দেয়। আর এই নির্দেশে শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী মিলিয়ে মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি যায়। আর অযোগ্য চাকরি প্রাপকদের সুদ সমেত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও সেই মামলায় আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যায় হ্রাস, ‘‘কংগ্রেসের হাতে দেশ ছাড়লে…’’, তোপ বিজেপির

    India Hindu Population: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যায় হ্রাস, ‘‘কংগ্রেসের হাতে দেশ ছাড়লে…’’, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর ইকোনমিক অ্যাডভাইসারি কাউন্সিলের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে ভারতে হিন্দুদের সংখ্যা কমেছে ৭.৮%। অন্যদিকে, এই সময় দ্রুত বেড়েছে সংখ্যালঘু মুসলমান-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ সমেত অন্যান্য সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা। এই ইস্যুতে বিজেপি তোপ দেগেছে কংগ্রেসকে (India Hindu Population)। পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা বিজেপির সর্বভারতীয় আইটি সেলের ইনচার্জ অমিত মালব্য হিন্দু জনসংখ্যা কমার জন্য কংগ্রেসকেই দায়ী করেছেন। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘‘যদি কংগ্রেসের হাতে দেশকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে এই পৃথিবীতে কোনও দেশই আর হিন্দুদের থাকবে না।’’

    উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যের তোপ

    অমিত মালব্যের মতোই উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য একইভাবে তোপ দেগেছেন কংগ্রেসকে। তিনি জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মুসলিম তোষণ নীতির কারণেই দেশে দ্রুত বেড়েছে মুসলিম জনসংখ্যা এবং কমেছে হিন্দু জনসংখ্যা। এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেশব প্রসাদ মৌর্য বলেন, ‘‘কংগ্রেস পার্টি চিরকালই (India Hindu Population) মুসলিম তোষণ করে এসেছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য থাকছে না বলেই প্রয়োজন হয়েছে ইউনিফর্ম সিভিল কোড-এর। ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হলে হিন্দু মুসলিম সমেত অন্যান্য সমস্ত সম্প্রদায় শুধুমাত্র একটি বিয়েই করতে পারবে।’’ কেশব প্রসাদ মৌর্য সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, ‘‘ইউনিফর্ম সিভিল কোড লাগু হলে ‘হাম ৫ হামারে ২৫’- এই ফর্মুলা কাজ করবে না।’’

    কমেছে হিন্দুর হার

    ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৫ এই পর্বে ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার ভাগ ৮৪ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। এই সময় মুসলমানদের ভাগ ৯.৮৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ। ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা যে হারে কমছে, সেদিক থেকে ভারতের স্থান হয়েছে পড়শি দেশ মায়ানমারের পরেই। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ। ভারতে এই হার ৭.৮ শতাংশ। হিন্দুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ নেপালেও। এখানেও হিন্দুরাই সংখ্যা গরিষ্ঠ। তবে তাদের বৃদ্ধির হার মাত্রই ৩.৬ শতাংশ। যে রিপোর্টের ভিত্তিতে এসব বলা হচ্ছে, তা সংগ্রহ করা হয়েছে বিশ্বের ১৬৭টি দেশ থেকে। গবেষণাপত্রটির লেখকদের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ভারতে সংখ্যালঘুরা কেবল নিরাপদেই রয়েছেন তা নয়, তাঁরা ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে (India Hindu Population)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: ভোট বয়কট করা মালদার সেই গ্রামে পুলিশি অত্যাচার, পুরুষশূন্য গ্রাম, সরব বিজেপি

    Malda: ভোট বয়কট করা মালদার সেই গ্রামে পুলিশি অত্যাচার, পুরুষশূন্য গ্রাম, সরব বিজেপি

    মাধ্যম  নিউজ ডেস্ক: দাবি আদায়ের জন্য গ্রামের সকলে ভোট বয়কট করেছিলেন। আর তার জেরেই গ্রামবাসীদের ওপর পুলিশি অত্যাচার শুরু হয়েছে। আর এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মালদার (Malda) হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর এলাকায়। পুলিশি অত্যাচারের কারণে গ্রামে পুরুষ থাকতে পারেন না। চরম আতঙ্কিত গ্রামের মহিলারা। অসহায় গ্রামবাসীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Malda)

    মালদার (Malda) হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধাকান্তপুর এলাকায় সাড়ে তেরোশো ভোটার। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা এবং ব্রিজ তৈরির দাবি ছিল। ৭ মে ভোটের দিন সেই দাবি আদায়ের জন্য ভোটাররা ভোট না দিয়ে বুথের বাইরে জমায়েত হয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। রামকৃষ্ণপুর, রাধাকান্তপুর, জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দাদের কেউই ভোট দেননি। ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পরই এলাকায় পুলিশি অত্যাচার শুরু হয়। গ্রামের মহিলাদের বক্তব্য,আন্দোলনকারী মহিলারা পুলিশের অত্যাচারে বাড়িতে থাকতে পারছেন না। গোটা গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।  রাতের বেলা মহিলারা পুলিশি অত্যাচারে মাঠে-ঘাটে অন্যত্রে লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ গ্রামে অকথ্য অত্যাচার করেছে। বাড়িতে কাউকে থাকতে দিচ্ছে না। মুখ খুললে কেস দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে গোটা গ্রাম এখনও থমথমে হয়ে রয়েছে। পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা দুটি ভোটে বয়কট হয়ে যাওয়ায় এলাকার উন্নয়ন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেজেন প্রশাসনের কর্তারা।

    আরও পড়ুন: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    গ্রামবাসীদের পাশে বিজেপি

    সাহস জোগাতে এগিয়ে এলেন বিজেপির নেত্রী তথা গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী গাঙ্গুলী সরকার। নির্যাতিতাদের গ্রামে গিয়ে তিনি পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রাধাকান্তপুর কে পুলিশ প্রশাসন দ্বিতীয় সন্দেশখালি বানাতে চাইছে। মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। তাঁরা যেখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। হকের আদায় চাওয়া কি অপরাধ? এভাবে পুলিশি অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে এ নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    Sandeshkhali news: সন্দেশখালির ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপির গঙ্গাধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও শিরোনামে সন্দেশখালি। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali news) ভাইরাল হওয়া ‘ভুয়ো ভিডিও’ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। অভিযোগ, তাঁর ছবি ব্যবহার করে ‘ভুয়ো’ ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তার পর তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সমাজমাধ্যমে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলার অনুমতি চেয়েছেন গঙ্গাধর। অনুমতি দিয়েছে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চ। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। 

    উল্লেখ্য, সন্দেশখালির যে ভিডিও ভাইরাল (sandeshkhali viral video) হয়েছিল তাতে স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালকে দেখা গিয়েছিল। ভিডিওতে দেখা যায়, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কাছে তিনি নিজে স্বীকার করছেন, সন্দেশখালির আন্দোলন সাজানো। টাকার বিনিময়ে সেখানকার মহিলারা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং অত্যাচারের ভুয়ো অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভিডিওতে বিজেপি নেতা গঙ্গাধরকে বলতে শোনা গেছিল, “বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন অভিযোগকারী মহিলাদের। সন্দেশখালির ঘটনা পুরোটাই সাজানো। ২০০০ টাকা দিয়ে তাদের ভুয়ো অভিযোগ করতে বলা হয়েছিল।” এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যে। 

    কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ গঙ্গাধর

    এবার সেই ভিডিও ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন গঙ্গাধর। যদিও বিষয়টি নিয়ে ইতমধ্যেই সিবিআই-এর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনও নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন তাঁরা। তাই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার জন্য বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে আবেদন জানান। এই বিষয়ে বিচারপতি বলেন, “কী করে সিবিআই সরাসরি এই ভাবে মামলা নেবে? তাছাড়া সন্দেশখালির সব মামলা এখন ডিভিশন বেঞ্চে। মামলা দায়ের হোক। সোমবার শোনা হবে।” 

    আরও পড়ুন: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    বিজেপির দাবি 

    এ প্রসঙ্গে যদিও ভিডিওটিকে প্রথম থেকেই ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওই ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। তৃণমূল ভুয়ো ভিডিও তৈরি করে সন্দেশখালি (Sandeshkhali news) নিয়ে মানুষের ক্ষোভ কমানোর চেষ্টায় রয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rekha Patra: গরিবের মেয়ে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সম্পত্তি কত জানেন?

    Rekha Patra: গরিবের মেয়ে বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের সম্পত্তি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন সন্দেশখালির প্রতিবাদী চরিত্র গরিবের মেয়ে রেখা পাত্র (Rekha Patra)। বিজেপির কাছে এই কেন্দ্র ভীষণ আকর্ষণীয়। সম্প্রতি সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতনের ঘটনায় সারা দেশ ব্যাপি ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তৃণমূলনেতা শেখ শাহজান এবং তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা এলাকায়। লোকসভা ভোটে গতকাল নিজের কেন্দ্রে মনোনয়ন করেছেন রেখা পাত্র। মনোনয়ন অনুযায়ী তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ কত আসুন জেনে নিই।

    সাধারণ একজন গৃহবধূ (Rekha Patra)

    নিজের মনোনয়নে রেখা পাত্র (Rekha Patra) জানিয়েছেন, তিনি নিজে সাধারণ একজন গৃহবধূ। তাঁর স্বামী সন্দীপ পাত্র। তিনি নিজে পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করেন তাঁর স্বামী। নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে রেখা আরও জানিয়েছেন, উত্তর বউঠাকুরানি এফপি বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছেন ২০০৩ সালে। এটাই তাঁর সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা।

    নগদ অর্থ কত?

    রেখা (Rekha Patra) তাঁর হলফ নামায় নিজের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়েছেন, তাঁর হাতে মাত্র নগদ টাকা রয়েছে তিন হাজার টাকা। তবে নির্বাচনী অ্যাকাউন্ট সহ তাঁর আরও দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই দুটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় রয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ১০ হাজার ৭৬৪.৫৪ টাকা। তবে এছাড়া তাঁর হাতে নগদ অর্থ নেই। আবার স্বামী সন্দীপ পাত্রের নামে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এই অ্যাকাউন্টে রয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৬৯২ টাকা। রেখা পাত্র অথবা স্বামীর কাছে এর বাইরে কোনও টাকা নেই। নগদ টাকা ছাড়া ফিক্সড ডিপোজিট, অলংকার নেই। সেই সঙ্গে কোনও যানবাহন নেই বলে জানিয়েছেন রেখা।

    আরও পড়ুনঃভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    স্থাবর সম্পত্তি কত?

    রেখা পাত্র (Rekha Patra) এবং তাঁর স্বামীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ হল দুই জনের নামে কোনও চাষের জমি নেই। এছাড়াও অচাষযোগ্য জমিও নেই। তাঁদের কোনও পাকা বাড়ি বা কোনও ঋণ নেই। সব মিলিয়ে স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ শূন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    India Maldives Row: আর ভুল হবে না! মোদীকে কটাক্ষ প্রসঙ্গে ভারতে এসে নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিরুদ্ধে মলদ্বীপের কয়েকজন মন্ত্রীদের অবমাননাকর (India Maldives Row) মন্তব্য প্রসঙ্গে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। ভারতে তার প্রথম সরকারি সফরে এসে বলেছেন, “তার সরকার ওই নেতাদের মন্তব্য থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে এবং “সঠিক ব্যবস্থা” নিয়েছে। ওই ঘটনার কোনও পুনরাবৃত্তি হবে না। নিশ্চিত করবে মলদ্বীপ।” 

    নতিস্বীকার মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মালদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী জমির বলেছেন, ” আমরা আগেই বলেছি ভারতের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যে মন্তব্য করা হয়েছে তা আমাদের সরকারের অবস্থান নয় বা এটি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি নয়। এবং আমরা বিশ্বাস করি এটি করা উচিত ছিল না। এবং তারপরে এটি যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    প্রসঙ্গত ভারতে এসেছিলেন মলদ্বীপের (Maldives) বিদেশমন্ত্রী মুসা জমির। দেখা করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। মুইজ্জু (Md. Muijju) ক্ষমতায় এসে ভারতের বিরুদ্ধে উগ্র মনোভাব (India Maldives Row) দেখালেও ধীরে ধীরে ভারত ছাড়া যে তাদের গতি নেই তা ভালই বুঝতে পেরেছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার পক্ষ।ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শংকর (S Jaishakar) মুসা জমিরের (Musa Jameer) সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পর বলেন, “ভারত (India) ও মলদ্বীপর সম্পর্ক পারস্পরিক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সংবেদনশীলতার উপর নির্ভরশীল। আমরা অতীতে মলদ্বীপকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। কোভিড কালে ভ্যাকসিন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পাঠিয়েছি। দেশটির বিপদের সময় ভারত পাশে ছিল।”  প্রসঙ্গত মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর (India Maldives Row) এটাই মুসা জমিরের প্রথম ভারত সফর। প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি ভালো সফর ছিল এবং ভারতের তরফে খুবই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছি। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আমাদের আলোচনা ফলপ্রসু হয়েছে। আমি ভারত সরকারকে এবং ভারত সরকারের বিদেশ মন্ত্রককে ধন্যবাদ জানাই।”

    আরও পড়ুন: ভারতে হিন্দু জনসংখ্যার হার কমেছে ৮ শতাংশ, তরতরিয়ে বেড়েছে সংখ্যালঘুরা

    দূরত্ব বজায় নীতি থেকে সরছে মলদ্বীপ (India Maldives Row)

    প্রসঙ্গত ১৯৬৫ সালে মলদ্বীপ যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন ভারত মলদ্বীপকে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলির মধ্যে প্রথম ছিল। কিন্তু রাজনীতির স্বার্থে মুইজ্জু প্রথম থেকেই ভারত বিরোধী নীতি নিয়েছিলেন। “ইন্ডিয়া আউট” (India Maldives Row) স্লোগান তুলে তিনি দেশের মসনদে বসেন। স্বাভাবিকভাবেই ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার নীতি তার রাজনীতির অঙ্গ ছিল। দেশের মসনদে বসে তিনি প্রথমে চিন সফরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেই তিনি বুঝতে পারেন ভারত ছাড়া তাঁর চলবে না। যদিও ভারত কখনই মুইজ্জুর বিরোধিতার পরেও মলদ্বীপকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করেনি। সম্প্রতি মলদ্বীপকে ভারত চিনি, গম, চাল, পেঁয়াজ এবং ডিম সহ প্রয়োজনীয় পণ্যের  রফতানির ঘোষণা করেছে। যাতে ওই দেশের মানুষ রাজনীতির শিকার হয়ে খাদ্যাভাবে না ভোগেন। 

    প্রথম সফরের অভিজ্ঞতা বয়ান মন্ত্রীর

    মলদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রী নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “নয়া দিল্লিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শংকরের সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের আমাদের দীর্ঘ ইতিহাসকে প্রতিফলিত করেছি। আমরা দুই দেশের (India Maldives Row) মধ্যে সম্পৃক্ততা এবং আদান-প্রদানের বিষয়ে অনুকূল দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income tax raid: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    Income tax raid: ভোটের মধ্যেই হুগলিতে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে আয়কর হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করতেই হুগলিতে আয়কর দফতরের (Income tax raid) হানা তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য বিজেপির নির্দেশেই এই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অপরে বিজেপি নেত্রী লকেট অবশ্য জানিয়েছেন দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না। ভোটের মধ্যে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    মগড়া ও বাঁশবেড়িয়ায় আয়করের হানা (Income tax raid)

    শুক্রবার সকালে হুগলির মগড়া ও বাঁশবেড়িয়ার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী কমল দাস, বৈদ্যনাথ সাহা, সত্যরঞ্জন শীল, দিলপ্রীত সিংহ, অভিজিৎ ঘটক সহ একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এবং অফিসে হানা (Income tax raid) দিয়েছে আয়কর দফতর। আয়কর দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। উল্লেখ্য গত ৩ এপ্রিল তারিখে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় এই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। এই ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছিল। এরপর থেকেই হানা বলে মনে করা হচ্ছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় জেলার হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম গুইন বলেন, “ব্যবসা করা কী অপরাধ? নাকি তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অপরাধ? বিজেপির নেত্রী আগেই বলে রেখেছেন ইডি কোথায় যাবে। এছাড়াও আয়কর দফতর (Income tax raid) কোথায় যাবে এই কথাই ঘোষণা করেছিলেন তিনি। সমস্ত এজেন্সি এখন বিজেপির হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ “শাহজাহানের বিরুদ্ধে এফআইআর তুলে নিতে বলেছিল পুলিশ”, বিস্ফোরক রেখা পাত্র

    কী বললেন লকেট?

    আয়কর দফতরের (Income tax raid) হানা প্রসঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট তোলাবাজি চলছে। যারা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত তাদের ছাড়া যাবে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন না খাবো, না খেতে দেবো। আমরা তাঁর সৈনিক। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে। রাজ্যের দুর্নীতি, গুন্ডাগিরি, মাফিয়ারাজ চলছে রাজ্যে। এই অপ শাসনের শেষ দেখতে চাই। দুর্নীতির করলে কেউ ছাড় পাবন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: গরমে  ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    Siliguri: গরমে ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শিলিগুড়ি! দুর্ভোগে পুরবাসী, তৃণমূলকে দায়ী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমের মধ্যে শুক্রবার থেকে আগামী ২৪ দিন নির্জলা থাকবে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। পুরসভার তরফে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে সে কথা জানানো হয়েছে। ফলে, চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা শহরবাসীর। পুর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন পুরবাসী।

    কেন জল সঙ্কট? (Siliguri)

    তিস্তা মহানন্দা ক্যানেল থেকে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল নেওয়া হয়। গত পুজোর আগে সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে গজলডোবার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। শুক্রবার থেকে সেই বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে। বাঁধ মেরামত করার জন্য গজলডোবা ব্যারেজের সব স্লুইস গেট খুলে জলস্তর নামানো হয়েছে। এই তাই বাঁধ মেরামত চলাকালীন তিস্তা থেকে আর জল পাওয়া যাবে না।

      মেয়র কী সাফাই দিলেন?

    মেয়র গৌতম দেব বলেন, গজলডোবায় তিস্তা ব্যারেজে বাঁধ মেরামতির কাজ করতেই হবে।  না হলে এই বর্ষায়  বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে যাবে। প্রচুর মানুষ  ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। সেই বিপর্যয় এড়ানোর জন্যই এই বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। তবে, মানুষ যাতে নির্জলা না থাকে তারজন্য শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় ২১ টি জলের ট্যাঙ্ক রাখা থাকবে। পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের তরফে ১ লক্ষ জলের পাউচ বিলি করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই পরিস্থিতি দেখা দিত না। বামেরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় শিলিগুড়ির পানীয় জল প্রকল্পের বিকল্প জলাধার তৈরি করেনি। বিকল্প জলাধার থাকলে এধরনের পরিস্থিতির জন্য আগাম জল ধরে রেখে তা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যেত।

    আরও পড়ুন: “নৈহাটিতে সব থেকে বেশি ভোটে হারবে তৃণমূল,” ঘোষণা অর্জুনের

    জল সঙ্কটের জন্য দায়ী তৃণমূল, বলছে  বিজেপি

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈন এই পরিস্থিতির জন্য মেয়রের অযোগ্যতাকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, গত একমাস ধরে শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জলের সঙ্কট চলছে। ভোট নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য মেয়র ও তাঁর কাউন্সিলররা কাজ করেননি। সেই ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তিস্তা বাঁধ মেরামতকে অজুহাত করা হচ্ছে। ছ’মাস আগে কেন বাঁধ মেরামত করা হল না? কেন্দ্রীয় সরকার অম্রুত-২ প্রকল্পে শিলিগুড়ি পুরসভার জল প্রকল্পের জন্য টাকা অনুমোদন করেছে। সেই টাকা পেয়েও মেয়র কাজ শুরু করতে পারেনি। একাধিকবার টেন্ডার ডেকেও বিডার পাওয়া যায়নি। ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।  গৌতম বাবু ১০ বছর মন্ত্রী ছিলেন। তাহলে তিনি নিজের শহরের জন্য পানীয় জল প্রকল্পের ব্যাপারে উদ্যোগ নেননি কেন? আসলে রাজনীতি, দলবাজি করার করতে গিয়ে তিনি  শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সমস্যাকে জটিল করেছেন। তার জেরে এখন তীব্র গরমে শহরবাসীকে জলকষ্টে থাকতে হচ্ছে।  তিনদিনের মধ্যে যদি শিলিগুড়ি শহরের পানীয় জল সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাস্তায় নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ship Seized by Iran: অবশেষে দেশে ফিরছেন ইরানের হাতে আটক ১৬ জন ভারতীয় নাবিক

    Ship Seized by Iran: অবশেষে দেশে ফিরছেন ইরানের হাতে আটক ১৬ জন ভারতীয় নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে মুক্তি। গত ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বিশেষ বাহিনী ‘রেভোলি‌উশনারি গার্ডস অ্যারোস্পেস ফোর্স’-এর হাতে একটি ইজরায়েলি জাহাজ আটক (Ship Seized by Iran) হয়। জানা যায় সেই জাহাজের মধ্যে ছিল ২৫ জন নাবিক। এরমধ্যে ১৭ জন ছিল ভারতীয়। তাঁদের মধ্যে এক জন মহিলা নাবিক দেশে ফিরলেও বাকিরা এত দিন আটক ছিলেন। অবশেষে তাঁরা মুক্তি (Indian Sailors Released) পেতে চলেছেন। শুধু ভারতীয়রাই নন, আটক হওয়া অন্যান্য নাবিকেরাও মুক্তি পেতে চলেছেন শীঘ্রই। 

    জাহাজ বাজেয়াপ্তর কাহিনী (Ship Seized by Iran) 

    জানা গিয়েছে আটক হওয়া জাহাজটির পরিচালনা দায়িত্বে ছিল ইটালীয়-সুইস সংস্থা এমএসসি। ইতিমধ্যেই তারা ইরান প্রশাসনের দ্বারা জাহাজটির আটকের বিষয়টি স্বীকার করে। সংস্থা জানায়, হেলিকপ্টারে চেপে ওই জাহাজে ওঠেন ইরানের প্রশাসনের আধিকারিকেরা। সূত্রের খবর, জাহাজটি আদতে লন্ডনের জোডিয়াক গোষ্ঠীর। জোডিয়াক গ্রুপ হল ইজরায়েলি ধনকুবের ইয়াল অফারের। গত ১২ এপ্রিল দুবাই থেকে জাহাজটি মুম্বইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। পরের দিনই হরমুজ প্রণালীতে সেই জাহাজটি বাজেয়াপ্ত (Ship Seized by Iran) করে ইরানের বিশেষ বাহিনী। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    অন্যদিকে জাহাজটি ইরান বাহিনির হাতে আটক (Ship Seized by Iran) হওয়ার পর সেই খবর দেশে আসতেই ১৭ জন ভারতীয়কে মুক্তি দেওয়ার জন্য ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এরপর ভারতের আবেদনে সারা দিয়ে ওই মহিলা নাবিককে দেশে ফেরায় ইরান। গত ১৮ এপ্রিল কোচিন বিমানবন্দরে পা রাখেন তিনি। দেশে ফিরে ত্রিশূরের অ্যান টেসা জোসেফ নামের ওই মহিলা নাবিক জানিয়েছিলেন, বন্দি থাকলেও ভারতীয় নাবিকদের কোনও অসুবিধা হয়নি। তবে টেসার মুক্তি হলেও বাকিদের মুক্তি নিয়ে এতদিন কূটনৈতিক আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনার পরেই অবশেষে আশার আলো মিলল। 

    আরও পড়ুন: ভক্তদের জন্য সুখবর! অক্ষয় তৃতীয়ায় খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দ্বার

    ইরানের অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ইরানের অর্থমন্ত্রী আমির আবদুল্লাহিয়ানের জানিয়েছেন, মানবিক দিক থেকে বিচার করেই ওই জাহাজের সঙ্গে আটক (Ship Seized by Iran) করা নাবিকদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, কিছু নথি সংক্রান্ত কাজকর্ম বাকি রয়েছে। সেগুলি মিটলেই সকলকে মুক্তি (Indian Sailors Released) দেওয়া হবে। 
    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছে, “ভারতের আবেদন মেনে আটক (Ship Seized by Iran) হওয়ার এক মাসের মধ্যে বৃহস্পতিবার এমএসসি এরিসের ৫ জন নাবিককে ইতিমধ্যেই ভারতে পাঠানো হয়েছে। ভারতের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আমরা ইরানের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এ কথা স্পষ্ট যে এই নাবিক মুক্তির পর ভারতের সঙ্গে ইরানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার হবে। “

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Padma Awards 2024: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন চিরঞ্জিবী ও বৈজয়ন্তীমালা

    Padma Awards 2024: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন চিরঞ্জিবী ও বৈজয়ন্তীমালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হলেন অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা ও দক্ষিণী তারকা চিরঞ্জিবী (Actor Chiranjivi) । তাঁদের পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হলে পদ্ম সম্মানের (Padma Awards 2024) পুরষ্কার বিতরন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

    সপরিবারে এসেছিলেন চিরঞ্জীবী

    চিরঞ্জীবী যখন রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার (Padma Awards 2024) নিচ্ছিলেন তখন উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরেখা, ছেলে অভিনেতা রামচরণ এবং তাঁর স্ত্রী উপাসনা কনিডেলা। কালো বন্ধগোলা স্যুটে দরবার হলে এসেছিলেন চিরঞ্জীবী। বর্ষীরান অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা এদিন হলুদ রঙের শাড়ি পরে উপস্থিত হয়েছিলেন পদ্ম সম্মানের অনুষ্ঠানে। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন পদ্ম সম্মানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল বহু মানুষকে। এর মধ্যে ৫ জনকে পদ্মবিভূষণ, ১৭ জনকে পদ্মভূষণ এবং ১১০ জনকে পদ্মশ্রী পুরষ্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল। চলতি বছর অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু, তেলেগু সিনেমার সুপারস্টার চিরঞ্জীবী, নৃত্যশিল্পী পদ্মা সুব্রমান্যম, ও সুলভ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিন্দেশ্বর পাঠককে  পদ্মবিভূষন (Padma Awards 2024) পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

    মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রীর ভারত সফর, ট্রোল নেটিজেনদের

    মিঠুন ও উষা পেয়েছিলেন পদ্মভূষন 

    অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) , গায়িকা উষা উথুপ, ও রাজাগোপাল, কেরালার বিজেপি নেতা তেজস মধুসূদন প্যাটেল, গুজরাটের কার্ডিওলজিস্ট রাম নায়েক, প্রবীণ বিজেপি নেতা এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল হরমুসজি এন. কামা, বোম্বে সমাচারের সিনিয়র প্রকাশক শিল্পপতি সীতা রাম জিন্দাল, প্রবীণ মারাঠি চলচ্চিত্র পরিচালক দত্তাত্রয় আম্বাদাস মায়ালু, হিন্দি সঙ্গীত পরিচালক প্যারেলাল শর্মা এবং সিনিয়র সাংবাদিক কুন্দন ব্যাসও চলতি বছর পদ্মভূষণে (Padma Awards 2024) ভূষিত হয়েছেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে যারা পেলেন পদ্মশ্রী 

    এবছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে মরণোত্তর পদ্মভূষণ (Padma Bhushan) পেয়েছেন সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। বাংলা থেকে পদ্মশ্রী (Padma Awards 2024)সম্মান পেয়েছেন আটজন। পুরুলিয়া জেলার আদিবাসী পরিবেশকর্মী দুখু মাঝি, ছৌ নাচের মুখোশ শিল্পী নেপালচন্দ্র সূত্রধর। নেপালচন্দ্রকে মরণোত্তর এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। মৃৎশিল্পী সনাতন রুদ্রপাল (Sanatan Rudra Pal) ও ভাদুশিল্পী রতন কাহার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছেন একলব্য শর্মা ও নারায়ণ চক্রবর্তী। শিল্পে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তাকদিরা বেগম এবং গীতা রায় বর্মন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share