Tag: Bengali news

Bengali news

  • Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের পদযাত্রায় পুলিশের বাধা, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বচসা, বর্ধমানে উত্তেজনা

    Dilip Ghosh: দিলীপ ঘোষের পদযাত্রায় পুলিশের বাধা, বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুমুল বচসা, বর্ধমানে উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) পদযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে  উত্তেজনা ছড়ালো বর্ধমান শহরের বীরহাটা মোড়ে। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। পরে, পুলিশি বাধার কারণে দিলীপবাবু আর পদযাত্রা করেননি। তবে, ভোটের আগে বিজেপি প্রার্থীকে জনসংযোগে পুলিশ এভাবে বাধা দেওয়ার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dilip Ghosh)

    বর্ধমান শহরে পদযাত্রা করার জন্য দুদিন আগেই বিজেপির পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু, কোনও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ অনুমতি বাতিল করে দেয় বলে বিজেপির অভিযোগ। দলীয় পতাকা ছাড়া বুধবার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) পদযাত্রা করতে গেলে পুলিশ বর্ধমান শহরের বীরহাটার কাছে বাধা দেয়। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের কিছুটা ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি নেতা পুষ্পজিৎ সাঁই বলেন, আমাদের প্রার্থী কোনও রোড শো করছেন না। সকালে যখন মর্নিং ওয়ার্ক করেন, তখন কি পুলিশের অনুমতি লাগে? আসলে বিজেপির প্রতি মানুষের আস্থা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাই, পুলিশ দিয়ে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। দিলীপ ঘোষ ২ লক্ষ ভোটে জয়ী হবে।

    পুলিশকে তুলোধনা করলেন দিলীপ ঘোষ

    বৃহস্পতিবার সকালে বর্ধমানের বড়নীলপুর মোড় থেকে বটতলা পর্যন্ত প্রাত:ভ্রমণের মাধ্যমে জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। পুলিশি বাধা প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন,’রোজ চমকাচ্ছে। পুলিশ প্রোগ্রাম ক্যানসেল করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাতদিন বসে থেকে এই সব করে গেছেন। ওদের কাছে লোক নেই। পুলিশ আছে। আমি এবারে বিডিও, ডি এম ঘেরাও করব। শেষের দিকে ওর (আই সি-র) দম বের করে দেব। বের হতে দেব না ঘর থেকে। আরো উত্তেজিত হয়ে দিলীপ আই সি র উদ্দেশ্যে বলেন, ও ভেবেছে, এমন চামচাবাজি করে চলবে। কত বড় চামচা হয়েছে, আমি ওকে দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fake Aadhaar Cards: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    Fake Aadhaar Cards: জাল আধার কার্ড বানিয়ে কেরলে রয়েছে ৫০ হাজার অনুপ্রবেশকারী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যটি বাম শাসিত। সেখানেই রমরমা কারবার জাল আধারকার্ডের (Fake Aadhaar Cards)। অনুপ্রবেশকারীদের স্বর্গরাজ্য বললেও অত্যুক্তি হয় না। কারণ ছোট্ট রাজ্যটিতে অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি। এঁরা সবাই এসেছেন বাংলাদেশ, মায়ানমার এবং শ্রীলঙ্কা থেকে।

    জাল আধারকার্ড (Fake Aadhaar Cards)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই অনুপ্রবেশকারীরা জাল আধারকার্ড বানিয়ে নিয়ে কেরলে রয়েছে বহাল তবিয়তে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, অসমের মধুপুর এবং নাগাঁও, পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর ও নদিয়া এবং কেরলের পেরামবাভুরে রমরমিয়ে চলছে জাল আধারাকার্ড তৈরির চক্র। এসব জায়গা থেকেই নকল আধারকার্ড সংগ্রহ করে কেরলে ঘাঁটি গেড়েছে এই অনুপ্রবেশকারীরা। কেবল অনুপ্রবেশকারীরাই নয়, অনেক ভারতীয়ও এই সব কেন্দ্র থেকে বানিয়ে নিচ্ছে নকল আধার কার্ড (Fake Aadhaar Cards)। এদেশে দুষ্কর্ম করে অনায়াসে পালিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র। জাল আধারকার্ডের ভিত্তিতে যখন পুলিশ অভিযুক্তদের খুঁজছে, ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা পগার পার।

    হ্যাকারদের হানা

    অথচ অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে রয়েছে বিএসএফের কড়া নজরদারি। উপকূলীয় রাজ্য কেরলের ওপর বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে ইন্ডিয়ান কোস্ট গার্ডও। তার পরেও বন্ধ হয়নি অনুপ্রবেশ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টেও বলা হয়েছে, ভিনদেশিরা এদেশে ঢুকছে জাল আধারকার্ড সংগ্রহ করেই। জানা গিয়েছে, কেরল, পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডের একটি ইন্টারনেট সিস্টেমে হানা দিয়েছে হ্যাকাররা। সেখান থেকেই তথ্য জোগাড় করছে তারা। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তৈরি করা হচ্ছে আধারকার্ড। নকল আধারাকার্ড তৈরি হচ্ছে পেরামবাভুরের ‘ভাই মার্কেটে’র একটি দোকানেও। কেরলে পা রেখেই এই এলাকায় ভিড় করেন অস্থায়ী শ্রমিকরা। জানা গিয়েছে, এই দোকানটিতে আধারকার্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে একই ছবি, যদিও বদলে দেওয়া হচ্ছে নাম-ঠিকানা।

    আরও পড়ুুন: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    কেরল পুলিশের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী ইউনিট দিন কয়েক বেশ কিছু জাল আধারকার্ডের সন্ধান পেয়েছে। জাল আধারকার্ড তৈরি কিংবা এর অপব্যবহার রুখতে দেশে রয়েছে আধারকার্ড অ্যাক্ট, ২০১৬। ধরা পড়লে ১০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হয়। তিন বছর ধরে খাটতে হয় জেলও। তার পরেও চলছে জাল আধারকার্ডের রমরমা কারবার। যে কার্ড জোগাড় করে ভিন দেশিও রাতারাতি হয়ে যাচ্ছে খাঁটি দেশি (Fake Aadhaar Cards)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Govardhan Hill: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    Govardhan Hill: ৫০ বছর পর মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে ফের খনন শুরু এএসআই-এর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝে পাঁচ দশকের বিরতি। এবার ফের মথুরার গোবর্ধন পাহাড়ে (Govardhan Hill) খননকাজ শুরু করেছে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই। পুরাণখ্যাত এই স্থানে এক সময় খোঁড়াখুঁড়ি হয়েছিল। পরে বন্ধ হয়ে যায়। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের লীলাক্ষেত্রে এবার ফের সেই কাজই শুরু করেছে এএসআই।

    কৃষ্ণময় ভূমি (Govardhan Hill)

    মথুরা, ব্রজধাম, বৃন্দাবন – এ সবের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের নাম। তিনি দেবতা না মানব, সে প্রশ্ন আলাদা। তবে তিনি যে ছিলেন, তা নিয়ে কোনও প্রশ্নই ওঠে না বলে অভিমত পুরাণবিদদের একাংশের। এঁদের অনেকেই মনে করেন, ক্ষুরধার বুদ্ধির অধিকারী ছিলেন কৃষ্ণ। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি উন্নীত হয়েছেন দেবত্বে। এই কৃষ্ণের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে গোবর্ধন পর্বত (Govardhan Hill)। কথিত আছে, একবার হঠাৎ করে ঘোর বৃষ্টি চলে এলে সহ-রাখাল ও তাঁদের গোরুদের বাঁচাতে গোবর্ধন পাহাড় আঙুলে করে তুলে ধরেন কৃষ্ণ। যার জেরে বৃষ্টিভেজার হাত থেকে রক্ষা পান কৃষ্ণ, তাঁর সঙ্গীরা এবং তাঁদের গোরুগুলি।

    গোবর্ধন পাহাড়

    গোবর্ধন পাহাড়টির অবস্থান উত্তরপ্রদেশ সীমান্ত লাগোয়া রাজস্থানের ডিগ জেলার বাহজ গ্রামে। এলাকাটি জাঠ অধ্যুষিত। প্রত্নধন পাওয়ার আশায় এক সময় খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছিল এই পাহাড়ে। সেই কাজই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এএসআইয়ের জয়পুর সার্কেলের সুপারিনটেডিং প্রত্নতাত্বিক বিনয়কুমার গুপ্ত বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হল মথুরার প্রাচীন অতীত ও আশপাশের এলাকাগুলিতে অনুসন্ধান কাজ চালানো। ভারতীয় সংস্কৃতিতে ব্রজধামের গুরুত্ব রয়েছে। হিন্দু দেবতাদের উপাসনা পদ্ধতি ও ভাস্কর্য শিল্পের ওপর এর প্রভাবও রয়েছে।” প্রাচীন সংস্কৃতির খোঁজে ২০২২-২৩ সালে এএসআই দেশজুড়ে ৫১টি জায়গায় খননকার্য চালানোর অনুমোদন দেয়। সেই কাজ শুরু হতেই মিলছে একের পর এক চমকপ্রদ প্রত্ন-রত্ন। রাজস্থানের সিকারের বেনওয়া গ্রামে আবিষ্কৃত হয়েছে সম্ভবত প্রাথমিক হরপ্পা সভ্যতার মৃৎশিল্প। গোবর্ধন পাহাড়ে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হতেই মিলেছে শুঙ্গ যুগের হাড়ের সরঞ্জাম, মৌর্য যুগের প্রত্নধন। মৌর্য যুগের পোড়া ইটও মিলেছে।

    উদ্যোগী মোদি

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রাচীন ভারতের ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক জায়গাগুলির অতীত খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হয় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। তার জেরেই প্রত্নরত্নের সন্ধানে জোরকদমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খননকাজ করছে এএসআই। বর্ষীয়ান প্রত্নতাত্ত্বিক বিবি লালের মতে, দিল্লির পুরাণ কিলা কমপ্লেক্সে মহাভারত যুগের নিদর্শন খুঁজে বের করাই খনন কার্যের উদ্দেশ্য। এখানে যেসব প্রাচীন জিনিসের খোঁজ মিলেছে, তারই একটি হল প্রাকৃতিক বালিতে ভরা ছোট্ট একটি পাত্র। ভারতীয় পুরাতাত্ত্বিক খননে এর আগে এমন পাত্রের খোঁজ মেলেনি। মাটির বিভিন্ন স্তরে মিলেছে এমন পাত্র। যা থেকে প্রমাণিত হয়, এই অঞ্চলের বাসিন্দারা মাটির পাত্র তৈরি করতেন। খোঁড়াখুঁড়িতেই মিলেছে শয়ে শয়ে ছোট ছোট পুঁতি। যার জেরে বোঝা যায়, এই অঞ্চলের মানুষ পুঁতির কাজ করতেন, পুঁতির ব্যবসাও ছিল। এই পুঁতি তৈরির কাঁচামাল আসত গুজরাট থেকে। গুপ্তর মতে, এক সময় যে দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে গুজরাটের ব্যবসায়িক যোগাযোগ ছিল। এ তারই প্রমাণ। বাহাজ গ্রামে এএসআই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করতেই স্থানীয়দের উৎসাহের অন্ত নেই। খননকার্য চাক্ষুষ করতে দলে দলে ভিড় করছেন তাঁরা। স্থানীয়দের উৎসাহের জেরে মথুরার অতীত খুঁজে বের করতে (Govardhan Hill) মরিয়া এএসআই। 

    গোবর্ধন’ শব্দের অর্থ

    ‘গোবর্ধন’ শব্দের দুটি অর্থ। একটি অর্থে, ‘গো’ মানে গোরু, এবং ‘বর্ধন’ শব্দের অর্থ হল আশ্রয় স্থল। এই অর্থ ধরলে, এই পাহাড় অঞ্চলে এক সময় ব্যাপকভাবে গো-ধন পালিত হত। আর একটি অর্থ হল, ‘গো’ মানে ইন্দ্রিয় এবং ‘বর্ধন’ মানে নিয়ন্ত্রণ করা। এই অর্থ ধরলে, গোবর্ধন শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, এটি এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ তাঁর লাগামহীন ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন, সংযত রাখতে পারেন।

    ‘গোবর্ধন’ শব্দের অর্থ যা-ই হোক না কেন, পাহাড়টি রয়েছে বৃন্দাবন থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে। ভাগবত গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং বলেছেন, “গোবর্ধন পর্বত আমার থেকে আদালা নয়। তাই আমার উপাসকরা যেমন আমার মূর্তি পুজো করে, তেমনি তাঁরা যেন গোবর্ধন পাহাড়কেও পুজো করে।” জানা গিয়েছে, পাহাড়টি বেলেপাথর দিয়ে গঠিত। কৃষ্ণভক্তদের কাছে গোবর্ধন পাহাড়ের গুরুত্ব অপরিসীম। গুরুপূর্ণিমা, গোবর্ধন পুজো, জন্মাষ্টমী সহ কষ্ণ-সম্পৃক্ত নানা অনুষ্ঠানে ভক্তরা খালি পায়ে এই গোবর্ধন পাহাড় পরিক্রমা করেন। পুরো পথটির দৈর্ঘ ২৩ কিলোমিটার। পায়ে হেঁটে ঘুরতে সময় লাগে ৬-৮ ঘণ্টা। ভক্তদের বিশ্বাস, গোবর্ধন পাহাড় (Govardhan Hill) পরিক্রমা করলে ভক্তরা আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও চিত্তশুদ্ধি লাভ করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    এহেন গুরুত্বপূর্ণ একটি পাহাড়ে ফের খননকার্য শুরু করেছে এএসআই। ব্রজ অঞ্চলের প্রাচীন কোনও সংস্কৃতির নিদর্শন মেলে কিনা, সেই আশায়। যদি পুরাণযুগের কোনও প্রত্নরত্নের খোঁজ মেলে, তাহলে তা যেমন একদিকে মথুরার সমৃদ্ধশালী অতীত গৌরবের হদিশ দেবে, তেমনি ফেরাবে কৃষ্ণ-অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস। তখন আর কবিকেও কেঁদে কেঁদে বলতে হবে না, “আমি শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে কৃষ্ণ কোথায় বল…।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    Sam Pitroda: কংগ্রেসের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পিত্রোদা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ণবাদের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda)। তার জেরে বুধবার পদত্যাগ করলেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ এই নেতা। এই মুহূর্তে দেশে চলছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। তার মধ্যেই পিত্রোদার মতো ওজনদার এক নেতা পদত্যাগ করায় বিপাকে কংগ্রেস। রবিবারই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এআইসিসির মুখপাত্র রাধিকা খের। পরের দিনই দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কার্যত তোপ দেগেছিলেন রাধিকা। সেই ঘা শুকনোর আগেই পিত্রোদার বিতর্কিত মন্তব্য। এবং তারই জেরে পদত্যাগ কংগ্রেসের এই ওভারসিজ নেতার।

    কী বলেছিলেন পিত্রোদা? (Sam Pitroda)

    প্রসঙ্গত, দিন দুয়েক আগে পিত্রোদা বলেছিলেন উত্তর-পূর্ব ভারতের বাসিন্দারা চিনাদের মতো দেখতে, পশ্চিমের লোকেরা আরবদের মতো দেখতে, আর দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দারা দেখতে আফ্রিকানদের মতো। বর্ণবাদের মতো একটি সংবেদনশীল বিষয়ে মন্তব্য করে নিজে তো বটেই, দলকেও বিপাকে ফেলে দেন পিত্রোদা (Sam Pitroda)। কংগ্রেস-বিরোধীরা যাতে এর ফায়দা তুলতে না পারে, তাই পিত্রোদার মন্তব্য যে তাঁরই, কংগ্রেসের নয়, ফলাও করে তা বলতে হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে।

    পিত্রোদার পদত্যাগ 

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেছিলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যকে চিত্রিত করার জন্য মিঃ স্যাম পিত্রোদা একটি পডকাস্টে যে সাদৃশ্যগুলি এঁকেছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই উপমা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, বিভিন্ন দিক থেকে চাপের মুখে পড়ে গিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন পিত্রোদা। কংগ্রেসের তরফে এদিন সেই জয়রাম রমেশই বলেন, “মিঃ স্যাম পিত্রোদা নিজের ইচ্ছায় ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কংগ্রেস সভাপতি তাঁর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    পিত্রোদার মন্তব্যের পরে পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে নিশানা করেছিলেন। বুধবারই সকালে তিনি বলেছিলেন, “আমি আজ ভীষণ রেগে রয়েছি। কেউ আমায় গালি দিলে আমি রাগ করি না। আমি সহ্য করে নিই। কিন্তু শাহজাদার (রাহুল গান্ধী) মার্কিন প্রবাসী দার্শনিক ও গাইড কাকু যে মন্তব্য করেছেন, তাতে আমার রাগ চরমে উঠেছে।” তাঁর প্রশ্ন, “মানুষের ক্ষমতা এবং যোগ্যতা কি (Sam Pitroda) তার গায়ের রং দিয়ে বিচার করা যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ০৯/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার ০৯/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কাজে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) মনস্কামনা পূরণ হবে।

    বৃষ

    ১) আজ কিছু সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে।

    ২) সাবধানে নিজের কাজ করুন।

    ৩) সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) নিজের জীবনে নতুন ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে পারবেন।

    ৩) কাজকর্মে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, তাই নিজের ওপর ভরসা রাখুন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছবেন।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) নতুন সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

    ৩) বিয়ের ইচ্ছা থাকলে তা পাকা হতে পারে।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) প্রতিদিনের কাজকর্মে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    ৩) সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করুন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি শুভ।

    ২) সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) প্রতিযোগীদের পরাজিত করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সতর্কতার সঙ্গে কাজ করুন, ধৈর্য সহকারে কাজ করবেন।

    ২) বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবেন।

    ৩) বড়দের পরামর্শ মেনে কাজ করুন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) সাফল্য ও আনন্দ লাভ করবেন।

    ৩) স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি প্রতিকূল।

    ২) ভাগ্যের সঙ্গ পাবেন না।

    ৩) সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।

    কুম্ভ

    ১) আজ কাজকর্মে অধিক পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    ৩) সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সাফল্য লাভ করবেন।

    ৩) ধন লাভের যোগ রয়েছে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ECI: ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি বন্ধ রাখুন, তেলঙ্গনা সরকারকে নির্দেশ কমিশনের

    ECI: ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি বন্ধ রাখুন, তেলঙ্গনা সরকারকে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলছে লোকসভা নির্বাচন। এহেন আবহে ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলি করার কথা ঘোষণা করে বিপাকে তেলঙ্গনা সরকার। সে খবর কানে যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI)। নির্বাচন কমিশনের তরফে তেলঙ্গনা সরকারকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার কৃষকদের যে অর্থ দিচ্ছে, তা বন্ধ রাখতে হবে। ৯ মে-র মধ্যে সমস্ত অর্থ দিয়ে দেওয়া হবে আশ্বাস দিয়ে নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি ভেঙেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ১৩ মে ভোট (ECI)

    তেলঙ্গনায় ভোটগ্রহণ (ECI) হবে ১৩ মে। নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ততদিন পর্যন্ত এই প্রকল্পে অনুদান দেওয়া বন্ধ রাখতে হবে। তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী এ রেভেনাথ রেড্ডি। তাঁর বিবৃতির প্রেক্ষিতেই তেলঙ্গনার মুখ্য নির্বাচনী কার্যালয়ে অভিযোগ জমা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার আবার এ বিষয়ে রিপোর্ট পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি রেড্ডি আবার তেলঙ্গনা কংগ্রেসের প্রেসিডেন্টও। সেই তিনিই রাজ্যের কোথাকোটায় ৪ মে একটি রোড-শো চলাকালীন ৯ মে-র মধ্যে ওই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিলেন। এটি নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন। প্রসঙ্গত, রবি মরশুমে বীজ বপনের জন্য সরকার কৃষকদের একর প্রতি পাঁচ হাজার করে টাকা দিচ্ছে। সেই টাকা বিলিই আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    কী বলছে কমিশন

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, কমিশন প্রথমে তেলঙ্গনা সরকারকে ওই প্রকল্পে টাকা বিলির জন্য পাঁচটি শর্ত আরোপ করেছিল। অভিযোগ, সেই শর্ত না মেনেই ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে টাকা বিলির কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। এভাবে নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছেন। কমিশনের এক আধিকারিক বলেন, “এই প্রকল্পে টাকা দেওয়া হয় বীজবপনের জন্য। সেটা দেওয়ার কথা নভেম্বর-ডিসেম্বরে। সরকারি প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করতে গিয়ে সেই প্রকল্পেই টাকা বিলির কথা ঘোষণা করা হয়েছে যখন আক্ষরিক অর্থেই দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন। সরকারের এই জাতীয় ভোটারদের প্রভাবিত করার শামিল।” গত বছরের নভেম্বরে হয়েছে তেলঙ্গনা বিধানসভার নির্বাচন। ‘ঋতু ভরসা’ প্রকল্পে সেই সময়ও টাকা বিলি করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করায় নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে (ECI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারও  আদালতে সুরাহা হল না, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এসএসসি কর্তাদের (SSC Scam) বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি কে দেবেন তা নিয়ে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এ বিষয়ে মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকের মত জানতে চেয়েছেন। এ ব্যাপারে আইন কী বলছে! তা রাজ্যকে আদালতে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    নিয়োগ কর্তা কে?

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তি প্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র সরকার, অশোক সাহার মতো এসএসসির (SSC Scam) প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং সেক্রেটারিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন কে দেবেন তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ধোঁয়াশা চলছে। আদালতের নির্দেশের পরেও নানা কারণ দেখিয়ে এদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তই জানাননি মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। একাধিকবার কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে। কিন্তু গত শুনানিতে অভিযুক্তদের এক আইনজীবী বলেন, ‘‘শান্তি প্রসাদ সহ বেশ কয়েকজনের নিয়োগ কর্তা রাজ্যপাল নিজে। এরফলে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার মুখ্য সচিবের নেই।’’

    কী বলছেন সিবিআইয়ের আইনজীবী?

    এদিন মামলার শুনানিতে সিবিআইয়ের (SSC Scam) আইনজীবী ধীরাজ ত্রীবেদী দাবি করেন, ‘‘আইন অনুসারে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর আবেদন মুখ্যসচিবের কাছেই পাঠাতে হবে। তিনি রাজ্যপালের কাছে সেই আবেদন পাঠাবেন।’’

    কী বললেন বিচারপতি?

    এর পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে আদালত বলে, ‘‘মুখ্যসচিব রাজ্যপালকে সুপারিশ করতে পারেন কি না তা তাঁকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে আইন ঠিক কী বলছে তা আদালতকে (SSC Scam) জানাতে হবে রাজ্যকে।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘এমনও হতে পারে, পদাধিকারবলে রাজ্যপাল এদের নিয়োগকর্তা হলেও বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি মুখ্যসচিবের হাতে ন্যস্ত থাকতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ জুন। ওই দিন মুখ্যসচিবকে আদালতে তাঁর জবাব জানাতে হবে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ancient Universities of India: নালন্দা থেকে তক্ষশীলা! প্রাচীন ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

    Ancient Universities of India: নালন্দা থেকে তক্ষশীলা! প্রাচীন ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারত ছিল শিক্ষার পীঠস্থান (Ancient Universities of India)। অতীত ভারতের বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছিল যা নিয়ে আজও আমরা গর্ব অনুভব করি। পঠনপাঠন শিক্ষাদানের কৌশল- এ সমস্ত কিছুতে প্রাচীন ভারত অনেকটাই এগিয়েছিল। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় এবং নালন্দা ভারতের এই দুই প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় আজও বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সারিতে স্থান পেয়েছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়। সে সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও ভারতে আসতেন পড়ুয়ারা। দর্শন, গণিত, চিকিৎসাবিদ্যা, কলা বিদ্যা, প্রভৃতি বিষয়ে পাঠদান চলত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। আজকে আমরা ভারতবর্ষের এমনই কিছু বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে আলোচনা করব।

    নালন্দা ও তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়

    – জানা যায়, ভারতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India) ৪২৭ থেকে ১১৯৭ সাল পর্যন্ত ভারতের উচ্চ শিক্ষার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম শতাব্দীতে স্থাপিত হয়েছিল। অবস্থান ছিল বর্তমান দক্ষিণ নেপাল সীমান্তের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারতে।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৌদ্ধ বিষয়গুলিতে পাঠদান করা হতো। এর পাশাপাশি চিকিৎসাশাস্ত্র, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, রাজনীতি, যুদ্ধবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়ে সেখানে পাঠদান চলত বলে জানা যায়।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ৮ টি বড় বড় প্রাঙ্গণ ছিল। দশটি মন্দির ছিল। ধ্যান ঘর ছিল, আলাদা আলাদা বিষয়ে পাঠদানের জন্য শ্রেণীকক্ষ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেই ছিল হ্রদ। সময় কাটানোর জন্য পার্কও ছিল। একটি নয় তলা লাইব্রেরী ছিল, যেখানে সন্ন্যাসীরা হাতে লিখে বিভিন্ন বইকে অনুবাদ করতেন।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসও ছিল। সেখানে ১০,০০০ এরও বেশি ছাত্রদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। জানা যায়, অধ্যাপকদের থাকার জন্য সেখানে আবাসন গড়ে উঠেছিল এবং এগুলিতে দুই হাজারেরও বেশি অধ্যাপক থাকতেন।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরিয়া, জাপান, চিন, তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, তৎকালীন পারস্য বা বর্তমান দিনের ইরান, তুরস্ক সহ অন্যান্য দেশ থেকে পন্ডিত ও ছাত্ররা আসতেন বলে জানা যায়।

    – বর্তমান দিনে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India) হদিশ মেলে রাজগীর থেকে ঠিক আধাঘন্টা বাসযাত্রার করলেই। এখানে পাওয়া যায় বৌদ্ধ ধর্মের সারিপুত্রের স্তূপ। এগুলোতেই সন্ন্যাসীরা থাকতেন এবং পড়াশোনা করতেন বলে জানা যায়।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। চিন থেকে এসেছিলেন হিউয়েন সাং। অন্যান্য বিদেশী পর্যটকরাও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করতেন।

    – ৭০০ বছর ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয় ধীরে ধীরে বিকাশ লাভ করেছিল। কিন্তু দ্বাদশ শতকে ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজি, এই বিশ্ববিদ্যালয় আক্রমণ করে। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীকেও তিনি জ্বালিয়ে দেন। তখনই ধ্বংস হয় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়।

    – উনিশ শতকের শেষের দিক থেকে খননকার্য শুরু হয় এবং সেখান থেকেই বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে।

    – নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণটি বর্তমানে সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে একটি ছোট জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

     তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের অন্যতম একটি প্রাচীন শিক্ষা কেন্দ্র। জানা যায় খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে ওঠে।

    – পঞ্চম শতাব্দীর কাছাকাছি সময়ে সে সময় জাতকের গল্পে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে জড়িয়ে রয়েছে চাণক্যের নাম, যিনি বিখ্যাত অর্থশাস্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বহু শতাব্দী ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল ভারত সহ বিশ্বে।

    – জানা যায়, তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদ কলা বিভাগের বিভিন্ন বিষয়, আইন শাস্ত্র, চিকিৎসা, সামরিক বিজ্ঞান- এ সমস্ত কিছুতেই শিক্ষা প্রদান করা হত।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়া যায় তিনটি আলাদা আলাদা শহরে।

    – তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেখানে অবস্থিত ছিল তার আশেপাশে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার ও স্তুপ।

    – জানা যায়, রাজা তক্ষ বা তক্ষকের নামানুসারেই শহরের নাম হয় তক্ষশীলা এবং সেখান থেকেই তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়।

    – হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীদের কাছে তক্ষশীলার ব্যাপক ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষত, বৌদ্ধ ধর্মের মহাজান সম্প্রদায়ের বিকাশে তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল বলে মনে করা হয়।

    – চাণক্য, সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং চরকের মতো খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরা তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ভারতের অন্যান্য প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়

    ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India)

    – দেশের অন্যতম প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, বিহারে অবস্থিত ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়। পাল রাজবংশের রাজা প্রথম গোপালের সময় এটি নির্মিত হয়েছিল বলে জানা যায়।

    – ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ মহাবিহার হিসেবে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কেন্দ্র ছিল এবং তা মঠ হিসেবেও কাজ করতো
    – কিন্তু পরবর্তীকালে মুসলিম আক্রমণে ওদন্তপুরীদের সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয় এই আক্রমণ করেন

    বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়

    – জানা যায়, বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান বিহারের ভাগলপুর জেলায় অবস্থিত। পাল বংশের রাজা ধর্মপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন করেছিলেন।

    – জানা যায়, বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের জন্য শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বব্যাপী বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার হয়েছিল।

    – বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় চলত বৌদ্ধ ধর্মের বজ্রযান মত অনুসারে।

    – বৌদ্ধ ধর্মের বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়নের পাশাপাশি এখানে যুক্তিবিদ্যা, বেদ, জ্যোতির্বিদ্যা, নগর পরিকল্পনা, আইন, ব্যাকরণ দর্শন সমেত অন্যান্য বিষয়ে পাঠদান চলতো।
     
    জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয় (Ancient Universities of India)

    – বাংলায় অবস্থিত ছিল জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয়। জানা যায়, বৌদ্ধ ধর্মের বজ্রযান সম্প্রদায়ের মত অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয় পাঠদান চলত।

    – নালন্দা ও বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয় মুসলিম আক্রমণে ধ্বংস হওয়ার পরে অসংখ্য পণ্ডিত জগদ্দল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে আসেন বলে জানা যায়।

    – রাজবংশের রাজা রামপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

    ভালভী  বিশ্ববিদ্যালয়

    – গুজরাটের সৌরাষ্ট্রে অবস্থিত হল ভালভী বিশ্ববিদ্যালয়। বৌদ্ধ ধর্মের হীনযান মত অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হত।

    – প্রশাসন, শিল্প, আইন, দর্শন প্রভৃতি বিষয়ক পাঠদান করানো হত এখানে।

    – চিনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

    কাঞ্চীপুরম বিশ্ববিদ্যালয়

    – প্রথম শতাব্দীতে নির্মিত কাঞ্চীপুরম বিশ্ববিদ্যালয় হিন্দু ধর্ম, জৈন ধর্ম এবং বৌদ্ধ ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

    – জানা যায়, পল্লব রাজবংশের আমলে এই বিশ্ববিদ্যালয় খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।

    মানখেতা বিশ্ববিদ্যালয়

    – মানখেতা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমান কর্ণাটকে মালখেত নামে পরিচিত।

    – রাষ্ট্রকূট রাজবংশের আমলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি দুনিয়া ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা যায়।

    পুষ্পগিরি বিহার ও ললিতগিরি

    – ওড়িশার পুষ্পগিরি বিহার এবং ললিতাগিরি খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতাব্দীতে কলিঙ্গ রাজাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানা যায়। উদয়গিরি পাহাড়ের কাছে বৌদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এটি গড়ে উঠেছিল।

    শারদা পীঠ

    – শারদা পীঠ বর্তমানে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত। এটি সংস্কৃত শিক্ষাবিদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।

    – দেবী শারদাকে উৎসর্গ করে তৈরি করা হয়েছিল এই পীঠ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস এখানে স্বয়ং দেবাদিদেব মহাদেব বাস করেন।

    নাগার্জুনকোন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়

    – অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নাগার্জুনকোন্ডা একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ কেন্দ্র ছিল।

    – শ্রীলঙ্কা, চিন সহ বিভিন্ন দেশের পণ্ডিতরা এখানে এসেছিলেন বলে জানা যায়।

    – নাগার্জুনকোণ্ডা নামটি দক্ষিণ ভারতের একজন বিশিষ্ট মহাযন বৌদ্ধ শিক্ষক নাগার্জুনকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    Congress Treachery Exposed: পাকিস্তানের হাতে সিয়াচেন তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন সোনিয়া গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা ফাটালেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেজে সিং। তাঁর দাবি, ইউপিএ সরকার সিয়াচেন হিমবাহ তুলে দিতে চেয়েছিল পাকিস্তানের হাতে (Congress Treachery Exposed)। ভারতীয় সেনার ওপর আস্থা না রেখেই এহেন সংবেদনশীল একটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ সরকার।

    প্রাক্তন সেনা প্রধানের অভিযোগ (Congress Treachery Exposed)

    জেনারেল সিং জানান, ২০০৬ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও ভারতীয় গোয়েন্দাদের ওপর ভরসা করতে পারেনি সরকার। জেনারেল সিংয়ের কথা যে নিছক গল্পকথা নয়, তার প্রমাণ প্রায় একই দাবি করেছেন প্রাক্তন বিদেশ সচিবও। তিনিও জানিয়েছিলেন, ২০০৬ সালে দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে দুই দেশই সিয়াচেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছিল।

    কাঠগড়ায় ইউপিএ সরকার

    নানা দিক থেকে সিয়াচেন ভারতের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে ঝড়-বৃষ্টি-তুষারপাত উপেক্ষা করে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। এই সিয়াচেনকে রক্ষা করতেই হয়েছিল অপারেশন ‘মেঘদূত’। সেই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছিলেন আটশোরও বেশি জওয়ান। সেই সিয়াচেনকেই পাকিস্তানের হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন ইউপিএ সরকার প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের মনমোহন সিং। জানা গিয়েছে (Congress Treachery Exposed), জম্মু-কাশ্মীরে লাগাতার পাক জঙ্গিদের সন্ত্রাস কড়া হাতে সামলাতে ব্যর্থ মনমোহন চেয়েছিলেন সীমান্ত সমস্যায় জর্জরিত সিয়াচেনকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়ে ভূস্বর্গে শান্তি ফিরিয়ে আনতে। এর পুরো কৃতিত্ব কংগ্রেস নেত্রী তথা ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীকে দিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন ইউপিএর শরিক দলের নেতারা। তবে তৎকালীন সেনা প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের তীব্র বিরোধিতায় স্বপ্ন সফল হয়নি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউপিএ সরকারের ওই স্বপ্ন সফল হলে আর সুরক্ষিত থাকত না ভারতের সীমান্ত। কারগিল যুদ্ধের সময় পাক সেনা যেভাবে সিয়াচেন দখল করতে চেয়েছিল, সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হতে পারত ২০০৬ সালেই। সেক্ষেত্র গোটা কাশ্মীরের রাশ চলে যেত পাকিস্তানের হাতে।

    বড় প্রশ্ন

    ভারতীয় সেনার (Congress Treachery Exposed) ভূতপূর্ব জেনারেল বলেন, “প্রশ্নটা হল, যে সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হচ্ছেন জওয়ানরা, সেই সেনাই যখন সরকারকে পিছু হটার পরামর্শ দেয়নি, তখন কীসের ভিত্তিতে তৎকালীন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়েছিল? এরকম ক্ষেত্রে সরকারের এই জাতীয় কাজ দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিস্মিত করেছিল।” তিনি বলেন, “সিয়াচেনে ভারত যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি সমস্যার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাকিস্তান। কারণ হাই অলটিটিউডে যুদ্ধ করার অভিজ্ঞতা ভারতীয় সেনার রয়েছে। যা তাদের প্রতিবেশী দেশগুলির সেনাদের নেই।” প্রাক্তন সেনা প্রধান বলেন, “ভারত সরকার এই প্রস্তাব (সিয়াচেন হিমবাহকে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া) বিবেচনা করতে শুরু করলেও, আমার সঙ্গে একবারও কথা বলেননি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।” তাঁর অভিযোগ, পুরু বরফের চাদরে মোড়া সিয়াচেন রক্ষা করতে গিয়ে যেসব জওয়ান প্রাণ দিয়েছেন, কংগ্রেস সেই সব শহিদদের অপমান করার চেষ্টা করেছিল।

    বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন সিয়াচেন

    মনে রাখতে হবে, বিশ্বের উচ্চতম রণাঙ্গন হল সিয়াচেন। এই হিমবাহ প্রহরায় থাকা সেনা জওয়ানদের সব চেয়ে বড় শত্রু হল প্রতিকূল আবহাওয়া। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৫ হাজার মিটারেরও বেশি। কখনও কখনও তাপমাত্রা পৌঁছে যায় মাইনাস ৬০ ডিগ্রিতে। এখানে অক্সিজেনের মাত্র সমতলের প্রায় ১০ শতাংশ। তাই ৭৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হিমবাহে পৌঁছলেই কমতে থাকে ওজন। বমি হতে থাকে। খিদে থাকেই না। সিয়াচেনে প্রায়ই ঘণ্টায় একশো মাইল বেগে ঝড় ওঠে। কখনও কখনও এই ঝড় টানা তিন সপ্তাহ পর্যন্ত চলে। এহেন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বেঁচে থাকাটাই কঠিন নয়, কঠিনতম। সেসব বাধা-বিপত্তি-প্রতিকূলতা উপেক্ষা করেই বছরভর ঠায় দাঁড়িয়ে থাকেন দেশপ্রেমিক ভারতীয় জওয়ানরা।

    আরও পড়ুুন: “গায়ের রংয়ের ভিত্তিতে অপমান হজম করব না”, পিত্রোদার মন্তব্যকে কটাক্ষ মোদির

    সারা বছরে সিয়াচেনে বরফ পড়ে ৩০-৪০ ফুট উঁচু। মাসের পর মাস স্নান না করেই থাকেন জওয়ানরা। কারণ স্নান করলেই বিপদ। দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া একপ্রকার নিশ্চিত। অক্সিজেন কম থাকায় অনেক জওয়ান হারিয়ে ফেলেন স্মৃতি। শরীরে থাবা বসায় তুষারক্ষত। এই ক্ষতের জেরে হাত-পা-আঙুল খোয়ানোর নজিরও রয়েছে। বিশেষ হেলিকপ্টারে করে এখানে থাকা সেনাদের পৌঁছে দেওয়া হয় রসদ। সেই কাজটাও করতে হয় ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে। কারণ না হলেই পাক গোলায় ধ্বংস হয়ে যাবে হেলিকপ্টারটিই।

    প্রাক্তন সেনাপ্রধান বলেন (Congress Treachery Exposed), “দেশের সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করতে আত্মবলিদান দিচ্ছেন সেনারা। কিন্তু দুঃখের কথা কী জানেন, কংগ্রেস সরকার এটা ভুলে গিয়েছে। সিয়াচেনের অছিলায় ভারতের এই ভূখণ্ডটিকে পাকিস্তানকে উপহার দিতে প্রস্তুত ছিল তারা। সিয়াচেন হিমবাহ থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথাও ভেবেছিল কংগ্রেস সরকার। শান্তি ফেরাতেই এটা করতে চেয়েছিল তারা। তবে এর চেয়ে বোকা বোকা সিদ্ধান্ত আর কিছুই হতে পারে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: মমতার মঞ্চে ওঠার মুখে দুবারের সাংসদ অপরূপাকে আটকে দিলেন কল্যাণ! কোন্দল চরমে

    Arambagh: মমতার মঞ্চে ওঠার মুখে দুবারের সাংসদ অপরূপাকে আটকে দিলেন কল্যাণ! কোন্দল চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর দুবার আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন অপরূপা পোদ্দার। এবার দল তাঁকে টিকিট দেয়নি। এবার প্রার্থী করা হয়েছে মিতালী বাগকে। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে সভা করতে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিদায়ী সাংসদ হিসেবে অপরূপা পোদ্দার সভায় গিয়েছিলেন। কিন্তু, মঞ্চে তাঁর জায়গা হয়নি। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    এদিন মমতার সভা মঞ্চে উঠতে পারলেন না অপরূপা আরামবাগের (Arambagh) বিদায়ী তৃণমূল সাংসদ অপরুপা পোদ্দার। মঞ্চে উঠার আগেই আটকে দেওয়া হয় তাকে। মঞ্চের পাশে বসেছিলেন। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঞ্চে ওঠার সময় পাশে একটি চেয়ারে বসেছিলেন অপরূপা। তাঁর দিকে তৃণমূল নেত্রী ফিরেও তাকাননি। এরপর সেখানে বসেই একাই  তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য শোনেন তিনি। পরে, মঞ্চে উঠতে না পারার জন্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও নাম না করে মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও করবী মান্নার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেয় অপরুপা। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলিতদের বিরুদ্ধে। তিনি আর হরিপালের দাদা বউদি ( মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও করবী মান্নার) আমাকে মঞ্চে উঠতে বাধা দিয়েছে। মনে রাখতে হবে, আমি এখনও সাংসদ। আমাকে ইচ্ছা করেই আটকানো হয়েছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও ঘটনায় তৃণমূলের আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা তারকেশ্বরের বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায় বলেন, সভার প্রোটোকল রয়েছে। সেই প্রোটোকলে বেশি জনের স্থান রাখা হয়নি সভা মঞ্চে।তবে তিনি অপরূপাকে আমি দেখতে পাইনি।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অন্যদিকে, ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা পুরশুড়ার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের এধরনের ঘটনা প্রায় ঘটে। এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। তবে, এতদিনের সাংসদ, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে চিৎকার চেঁচামেচি করতেন, তাঁকে মঞ্চে উঠতে না দেওয়ায় আমারও খারাপ লাগছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share