Tag: Bengali news

Bengali news

  • International Yoga Day 2024: আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, ডাল লেকে যোগাসন করবেন মোদি

    International Yoga Day 2024: আজ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস, ডাল লেকে যোগাসন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগব্যায়াম (Yoga) সারা দুনিয়া বিনা ওষুধে মানসিক ও শারীরিক সমস্যা দূর করতে ব্যবহার করে। এর শিকড় হাজার বছর পুরোনো। ভারতে উদ্ভূত যোগ ব্যায়াম একটি শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য-বর্ধক কার্যকলাপ। সারা বিশ্ব ২০২৪ সালে (International Yoga Day 2024) আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দশম বার্ষিকী উদযাপন করতে চলেছে। ফলে এটি একটি বিশেষ উপলক্ষ। এর মূল বিষয় হল যোগব্যায়ামকে একটি আন্দোলন হিসাবে প্রচার করা যা একজনের স্থিতিস্থাপকতাকে উন্নত করে এবং সমাজের প্রতিটি একক ব্যক্তির জন্য মঙ্গল প্রচার করে।

    যোগ দিবসে নরেন্দ্র মোদি থাকবেন জম্মু ও কাশ্মীরে

    ২১জুন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে ডাল লেকের তীরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করবেন। মনোরম বুলেভার্ড রোডের পাশে শের-ই-কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (SKICC) নির্ধারিত ইভেন্টে ৩ থেকে ৪ হাজার জনেরও বেশি লোক উপস্থিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যোগ ২০২৪ (International Yoga Day 2024) এর থিম হল ‘নিজের এবং সমাজের জন্য যোগ’।

    আরও পড়ূন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    যোগব্যায়াম স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে যা আমাদের ব্যস্ত জীবনে ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে। এই বিশেষ দিনে, আমরা এর রূপান্তরকারী শক্তি উদযাপন করি। যোগব্যায়াম শুধু ব্যায়াম নয়।  যোগ মনকে সুস্থ রাখে। এটি শরীর এবং মনের ক্ষমতায়নের পদ্ধতি। আজকের দৈনন্দিন জীবনে প্রত্যেকেরই উচিত অনুশীলনে মধ্যে যোগব্যায়ামকে নিয়ে আসা। প্রথম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ২১ জুন, ২০১৫ সালে পালিত হয়েছিল। এই দিনটি উত্তর গোলার্ধে বছরের দীর্ঘতম দিন এবং এটি আলো এবং স্বাস্থ্যের প্রতীক।

    আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে হবে অনুষ্ঠান 

    প্রতি বছর আয়ুষ মন্ত্রক নয়াদিল্লির রাজপথে একটি জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও বিশ্বব্যাপী লোকেদের (International Yoga Day 2024) যোগব্যায়াম করতে দেখা যায়। সরকারী প্রেস রিলিজ অনুসারে, সারা বিশ্ব থেকে মোট ২৩.৪ কোটি মানুষ ২০২৩ সালে (IDY) ইভেন্টে অংশ নিয়েছিল। যোগ সেশনে ৮৪ টি দেশ এক জায়গায় অংশগ্রহণ করেছিল এবং প্রতি বছর অংশগ্রহণকারীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bihar Caste Quota Hike: জাত ভিত্তিক সংরক্ষণ কোটা বিল খারিজ পাটনা হাইকোর্টে

    Bihar Caste Quota Hike: জাত ভিত্তিক সংরক্ষণ কোটা বিল খারিজ পাটনা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি চেয়েছিলেন সস্তায় বাজিমাত করতে! ভোট কুড়োতে তিনি হাতিয়ার করেছিলেন জাত ভিত্তিক সংরক্ষণ কোটাকে! তবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সেই উদ্যোগে (Bihar Caste Quota Hike) জল ঢেলে দিল পাটনা হাইকোর্ট। বিহারে সরকারি চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে সংরক্ষণ বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত একটি বিল গত বছর বিধানসভায় পাশ করিয়েছিলেন নীতীশ।

    জাতভিত্তিক সংরক্ষণ

    সেই সময় তিনি ছিলেন ‘মহগটবন্ধন’ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। নীতীশের সেই বিলই খারিজ করে দিল পাটনা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার পাটনা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রন ও বিচারপতি হরিশ কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, বিহারে জাতভিত্তিক সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে (Bihar Caste Quota Hike) ৬৫ শতাংশ করা যাবে না। উল্লেখ্য, গত বছর বিল পাশ করানোর সময় নীতীশ ছিলেন মহাগটবন্ধন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী। শিবির বদলে তিনি এখন এনডিএতে।

    বিল পাশ বিহার বিধানসভায়

    গত বছর ৫ নভেম্বর বিলটি পাশ হয়েছিল বিহার বিধানসভায়। সেই সময় বিধানসভায় দাঁড়িয়ে নীতীশ বলেছিলেন, “পিছিয়ে পড়াদের অধিকার দিতে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর।” বিল পাশ করিয়ে বিহারে ওবিসি এবং ইবিসিদের (অতি অনগ্রসর) জন্য সংরক্ষণের হার ২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৪৩ শতাংশ। এসসির সংক্ষরণ ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাবও ছিল ওই বিলে। বিল পাশ করানোর পর তার বিরোধিতা করে কয়েকটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় পাটনা হাইকোর্টে। মার্চে শুনানি শেষের পর রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত।

    আর পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী ঋতিকা রানি বলেন, “আমাদের আবেদনে জানিয়েছিলাম যে সংশোধনীগুলি সংবিধানের ১৪, ১৬ ও ২০ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছে, সেই দাবির সারবত্তা মেনে নিয়েছে আদালত।” আবেদনকারী পক্ষের আর এক আইনজীবী প্রশান্ত নির্ভয় বলেন, “সম্প্রতি মারাঠাদের জন্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলায়ও শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করেছে, কোনও রাজ্য সরকার ৫০ শতাংশের বেশি জাতভিত্তিক সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে না। নীতীশ সরকার অসাংবিধানিক পদক্ষেপ করেছিল।”

    প্রসঙ্গত, বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে সংরক্ষণ বিল পাশের পর ২১ নভেম্বর জাতভিত্তিক সংরক্ষণ ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ শতাংশ করার সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল নীতীশ সরকার। তার পরেই আদালতের এই নির্দেশ (Bihar Caste Quota Hike)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • West Bengal Day: প্রত্যেক হিন্দুর উচিত ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করা! জানুন এই দিনটির ইতিহাস

    West Bengal Day: প্রত্যেক হিন্দুর উচিত ২০ জুন ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ পালন করা! জানুন এই দিনটির ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ জুন দিনটি “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” বা পশ্চিমবঙ্গ গঠন দিবস হিসাবে পালিত হওয়া উচিৎ। প্রত্যেক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর উচিত ২০ জুন দিনটিকেই “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে পালন করা। কিন্তু তার জন্য জানা দরকার কী তাৎপর্য লুকিয়ে রয়েছে এই দিনটির পিছনে। কেন এই দিনটিকেই এতদিন ধরে “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে পালন করা হত – তা হয়তো রাজ্যে বসবাসকারী অনেকের কাছেই অজানা।  

    ২০ জুন দিনটির ইতিহাস ও গুরুত্ব (History of West Bengal Day) 

    ২০ জুন হচ্ছে বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস। কারণ ১৯৪৭ সালের ২০ জুন, অখণ্ড বাংলা বিধানসভায় বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই কারণে এই দিনটি এতদিন ধরে পালিত হত “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” হিসেবে। তবে “পশ্চিমবঙ্গ দিবস” দিনটি যার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিনি হলেন ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। 

    শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান 

    এই পশ্চিমবঙ্গ দিবস (West Bengal Day) পালনের ক্ষেত্রে ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান অনেক। যদিও তা মানতে অস্বীকার করেন কমিউনিস্ট-মনোভাবাপন্ন বুদ্ধিজীবীরা। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, একজন কট্টর জাতীয়তাবাদী, যিনি সবসময় ভারত ভাগের বিরুদ্ধে ছিলেন। বিভিন্ন মুসলিম নির্বাচিত নেতাদের অধীনে বাঙালি হিন্দুদের দুর্দশা দেখে গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছিলেন।         

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    এরপর ১৯৪৭ সালের ১৫ মার্চ, একটি বক্তৃতায়, ড. মুখোপাধ্যায় বাংলায় হিন্দুদের পায়ের তলার মাটি সুরক্ষিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। তখন নির্মল চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ডঃ বিধান চন্দ্র রায়, ডঃ প্রমথ নাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং ক্ষিতীশ চন্দ্র নিওগী সহ নির্ভীক হিন্দু নেতারা বাঙালি হিন্দুদের বেঁচে থাকার একমাত্র উপায় হিসাবে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলা ভাগ করার ধারণার সঙ্গে একমত হন। এরপর ভারত ভাগের প্রস্তাব দিয়ে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, যদি ২৪ শতাংশ মুসলমান ভারতে ৭৬ শতাংশ অমুসলিমদের সঙ্গে থাকতে না পারে তবে ৪৫ শতাংশ অমুসলিম বাংলায় ৫৫ শতাংশ মুসলমানের সাথে কীভাবে থাকতে পারে। তিনি তাঁর বক্তব্যের সাপেক্ষে গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এবং নোয়াখালী গণহত্যার কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

     
    সে সময় শ্যামাপ্রসাদের কথা মেনে কিংবদন্তি ঘনশ্যাম দাস বিড়লা সহ প্রায় সমস্ত বাঙালি হিন্দু আইনজীবী সহ হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাঁর পাশে দাঁড়ান। এরপর ২০ জুন ১৯৪৭ সালে, বঙ্গীয় আইনসভার বিধায়কেরা ইউনাইটেড বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভারতের সাথে থাকবে নাকি পাকিস্তানে যাবে নাকি বিভক্ত হবে তা সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেন। সেসময় নানাবিধ আলোচনার শেষে অখণ্ড বাংলা বিধানসভায় বাংলা ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ গঠনের (West Bengal Day) সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Post: এসএমএসের মাধ্যমে জালিয়াতি, পোস্ট অফিসের উপভোক্তাদের সতর্ক করল কেন্দ্র

    India Post: এসএমএসের মাধ্যমে জালিয়াতি, পোস্ট অফিসের উপভোক্তাদের সতর্ক করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই বাড়ছে অনলাইনে সাইবার জালিয়াতির সংখ্যা। এই জালিয়াতি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চিন্তিত সরকারও। তাই আমজনতা যাতে প্রতারকের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব না খোয়ায়, সেজন্য সতর্কবার্তা জারি করা হল সরকারের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে, পোস্ট অফিসের (India Post) নাম করে উপভোক্তাদের মেসেজ পাঠিয়ে টাকা লুট করছে জালিয়াতরা।

    কী বলছে জালিয়াতরা?

    উপভোক্তাদের পাঠানো মেসেজে জালিয়াতরা বলছে, একজন ব্যবহারকারীর কাছ থেকে একটি প্যাকেজ আসার কথা রয়েছে। ঠিকানা আপডেট না করলে সেই প্যাকেজ ফেরত চলে যাবে। ঠিকানা আপডেট না করলে প্যাকেজও ডেলিভারি করা হবে না। এই মেসেজের সঙ্গেই দেওয়া থাকছে একটি লিঙ্ক। সেই লিঙ্কে ক্লিক করেই ঠিকানা আপডেট করে নিতে হবে বলে উপভোক্তাদের জানায় প্রতারকরা। ঘরে বসে ঠিকানা আপডেট করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নির্ধারিত ঠিকানায় তাঁরা প্যাকেজ পেয়ে যাবেন বলেও মিথ্যা আশ্বাস দেয় প্রতারকরা। কিছু না বুঝেই জালিয়াতদের পাতা (India Post) ফাঁদে পা দেয় সাধারণ মানুষ। তাঁরা লিঙ্ক খুলে ঠিকানা আপডেট করতে থাকেন। তার পরেই সর্বস্ব খুইয়ে কার্যত পথে বসেন উপভোক্তারা। পিআইবি ফ্যাক্ট চেক জানিয়েছে, এই ধরনের মেসেজ এলে বুঝতে হবে তা ভুয়ো। ইন্ডিয়া পোস্ট ঠিকানা আপডেটের জন্য এই ধরনের কোনও মেসেজ পাঠায় না। তাই এই ধরনের মেসেজ এলে তা এড়িয়ে চলাই উচিত। একই সঙ্গে উচিত নয় কোনও সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করাও।

    কীভাবে এড়াবেন জালিয়াতদের খপ্পর?

    প্রথমে যাচাই করুন যিনি প্যাকেজ পাঠাচ্ছেন, তাঁর অথেন্টিসিটি। তাঁর ইমেল অ্যাড্রেস, মেসেজ কলের ফোন নম্বর অথবা কল বা অন্য কোনও উপায়ে চেক করলেই জানা যাবে মেসেজের সত্যতা। এই জাতীয় মেসেজ কিংবা কলে রেসপন্স করবেন না। এই লিঙ্কে ক্লিকও করবেন না। পিআইবি ফ্যাক্ট চেক কিংবা সাইবার পুলিশকে জানান ডজি ইমেল এবং মেসেজ এলে। তার আগে নিশ্চিত হন ফোনে লেটেস্ট সফটওয়্যার রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারে। ফোনে মাঝে মধ্যেই অ্যান্টি ভাইরাস অথবা অ্যান্টি ম্যালওয়্যাল টুল ব্যবহার করুন (India Post)।

    আর পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Toll Booths: বাড়বে টোল আদায়ের পরিমাণ, বাঁচবে সময়ও, নয়া ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী এনএইচএআই

    Toll Booths: বাড়বে টোল আদায়ের পরিমাণ, বাঁচবে সময়ও, নয়া ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী এনএইচএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: জাতীয় সড়কে টোল সংগ্রহে সাহায্যের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলিকে আমন্ত্রণ জানালেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। গ্লোবাল নেভিগেশান স্যাটেলাইট সিস্টেম প্রযুক্তির ভিত্তিতে কীভাবে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যায়, কোম্পানিগুলির সঞ্চিত সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে চান জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। নয়া এই সিস্টেম শুরু হলে ম্যানুয়াল টোল বুথের মূলোৎপাটন করা হবে।

    নয়া প্রযুক্তি

    ম্যানুয়াল টোল সংগ্রহে যে সমস্যা রয়েছে, তা দূর করতেই নয়া প্রযুক্তির সাহায্যে টোল আদায় করতে চাইছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। উদ্যোগটা নিয়েছিল ইন্ডিয়ান হাইওয়েজ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। এই কোম্পানি একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থা যারা ভারতের জাতীয় সড়কের পরিকাঠামোর আধুনীকিকরণ ও ম্যানেজিংয়ের ওপর আলোকপাত করে। টোল আদায় যাতে আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, টোল সংগ্রহের ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, সেই কারণেই তারা নয়া জিএনএসএস-ভিত্তিক টোল সিস্টেমে চলে যাচ্ছে। এই নয়া প্রযুক্তি হাইওয়েতে ভ্রমণকে করবে তুলনামূলকভাবে অনায়াস। ম্যানুয়াল টোলের ক্ষেত্রে যেমন ট্রাফিকের ভিড় হত, নষ্ট করতে হত মূল্যবান সময়, নয়া ব্যবস্থায় তা হবে না। এক্ষেত্রে ভ্রমণ হবে অনায়াস, দ্রুততর।

    কী চাইছে এনএইচএআই?…

    এনএইচএআই চাইছে বর্তমানে যে ফাস্ট্যাগ (FASTAG) ব্যবস্থা রয়েছে, সেটা বজায় রেখেই জিএনএসএস ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম চালু করতে। প্রাথমিক পর্যায়ে হাইব্রিড মডেলের পাশাপাশি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) ভিত্তিক ইটিসি চালু করতেও চাইছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। এতে এক সিস্টেম থেকে নয়া ব্যবস্থায় চলে যাওয়া হবে সহজ। পুরোপুরিভাবে সুইচ ওভার করার আগে নয়া জিপিএস সিস্টেমের সঙ্গে কারেন্ট আরএফআইডি সিস্টেমের অ্যাডজাস্টামেন্ট পরীক্ষা ও নিশ্চিত করতে হবে। টোলপ্লাজাগুলিতে গ্লোবাল নেভিগেশান স্যাটেলাইট সিস্টেম (GNSS) ব্যবহার করলে যানবাহনগুলি পারবে দ্রুত টোলগেট পার হতে। এই লেন্সগুলি যানবাহনগুলিকে সহজে হ্যান্ডেল করতে পারবে। জিএনএসএস প্রযুক্তি ব্যবহার করলে টোল গেটে না দাঁড়িয়েই যানবাহন পার হয়ে যেতে পারবে টোলপ্লাজা। ডেডিকেটেড লেনগুলিও ট্রাফিক ম্যানেজ করতে পারবে অনেক বেশি দক্ষভাবে (NHAI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: “ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও”, দলীয় নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    TMC Conflict: “ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও”, দলীয় নেতাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পর্ব শেষ হয়ে গিয়েছে বেশ কিছুদিন আগে। সেই ঘটনার রেশ টেনে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে ঘিরে ধরে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন দলেরই লোকজন। শাসক দলের এই কোন্দলের (TMC Conflict) ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোণা দু’নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)

    জানা গিয়েছে, ভগবন্তপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়। বৃহস্পতিবার সকালে ওই তৃণমূল নেতাকে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা ভগবন্তপুর এলাকায় প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘিরে ধরে বিক্ষোভ (TMC Conflict) দেখাতে শুরু করেন। তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় বুথে খরচ করার জন্য দলীয়ভাবে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেই টাকা বুথে পৌঁছায়নি। দলের টাকা কোথায় গেল? তা জানতে চেয়েই ভরা রাস্তায় বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মী বাচ্চু ঘোষ বলেন, “অনেক আগেই ওই নেতার থেকে টাকা চাওয়া উচিত ছিল। আমরাই ওনাকে ঘিরে ধরে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখিয়েছি।” আর এক তৃণমূল কর্মী বলেন, “টাকা দিয়ে ঘর বানিয়েছ? কোথায় গেল দলের টাকা বলো,সব জানো তুমি। ভোটের টাকা আগে ফেরত দাও।”

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    ব্লক সভাপতির মদতেই বিক্ষোভ!

    এই ঘটনায় পাল্টা অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষের মদতে সবটা ঘটেছে। আমি স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে রাস্তায় ঘিরে ধরে লোকজন। আমি বুঝতে পারলাম বর্তমান সভাপতি বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। প্রতিটি জায়গায় ডামাডোল পাকানোর চেষ্টা করছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    পাল্টা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি হীরালাল ঘোষ বলেন, “রামকৃষ্ণবাবু দলের কোনও কর্মসূচিতেই নেই। নির্বাচনের সময় বাড়িতে বসে ছিলেন। আর বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে তাঁর কাছে টাকা পৌঁছালেও সেই টাকা তিনি সঠিক জায়গায় খরচ করেননি। তাই, কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। আর বিক্ষোভে মদত দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 2024 Super Eight: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা

    T20 2024 Super Eight: সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গ্রুপ পর্বে শুরুটা ভালো না হলেও সুপার এইটে (T20 2024 Super Eight) ফর্মে ফিরে এল ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আট উইকেটে হারিয়ে দিল ফিল সল্টের বাহিনী। এই ম্যাচের প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। ২০ ওভারে ১৮০ রান করে তাঁরা। অন্যদিকে ১৫ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রান পাননি অ্যান্দ্রে রাসেল। ১ রানে আউট হয়ে যান তিনি। অন্যদিকে পঞ্চম ওভারে চোট পেয়ে ব্রান্ডন কিং মাঠ ছাড়েন। তিনি ঝোড়ো ইনিংস খেলছিলেন। ১৩ বলে ২৩ রান করেন কিং। অন্য অপেনার জনসন চার্লস ৩৪ বলে ৩৮ রান যোগ করেন ক্যারিবিয়ান দলের স্কোরে। নিকোলাস পুরান এবং রহমান পাভেল ৩৬ রান করেন। শেষ বেলায় ১৫ বলে ২৮ রান হওয়ায় ১৮০তে পৌঁছে যায় ক্যারিবিয়ান ইনিংসের স্কোর।১৮১ রানের লক্ষ্যে ২২ বলে ২৫ রান করেন জস বাটলার। মইন আলী ১০ বলে ১৩ রান করেন। বাকি কাজটা করে ফেলেন সল্ট এবং জনি বেয়ারস্টো। তাঁরা দুজনে ৯৭ রানের জুটি করেন। সল্ট অপরাজিত থাকেন ৮৭ রানে। অন্যদিকে ২৬ বলে ৪৮ রান করেন বেয়ারস্টো।

    জয়ী হল দক্ষিণ আফ্রিকা 

    প্রসঙ্গত এই গ্রুপের অন্য (T20 2024 Super Eight) ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা হারিয়ে দিয়েছে আমেরিকাকে। যদিও ম্যাচে যথেষ্ট চেষ্টা করেছিল আমেরিকা। এই ম্যাচে ফর্মে ফিরেছেন ওপেনার কুইন্টন ডিকক। ওপর ওপেনার রিসা হেন্ড্রিক্স রান না পেলেও অধিনায়ক অ্যান্দ্রেস গৌসের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন কুইন্টন ডি কক। অর্ধশতরান করেন ফলে দুই ব্যাটসম্যান। দুজনে ১১০ রানের ভাল জুটি তৈরি করেন। মাঝের ওভারে রানের গতি কমে যাওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ২০০ পার করেনি। শেষ অবধি চার উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর।

    লড়েও ব্যর্থ আমেরিকা 

    সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৬ রানেই দলের অর্ধেক খেলোয়াড় ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। অধিনায়ক অ্যারন জোন্স শূন্য রানে আউট হয়েছেন। ক্যারি অ্যান্ডারসন করেন ১২ রান। তবে গৌস অর্ধশত রান করে লড়াই জারি রাখেন। তার সঙ্গী হরমিতের সঙ্গে দুজনের ৯১ রানের জুটি হয়।

    আরও পড়ুন: আফগানিস্তানের বিপক্ষে স্পিন ভরসা ভারতের, দলে কুলদীপকে রাখার পরামর্শ

    জয়ের জন্য শেষ ওভারে ২৬ রান দরকার ছিল আমেরিকার। সর্বসাকুল্যে শেষ ওভারে সাত রান করতে পারে আমেরিকা। ফলে ১৮ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা (T20 2024 Super Eight) জয় পকেটে পুড়ে নেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    PM Modi: জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস ৮৪ প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২১ জুন, শুক্রবার আন্তর্জতিক যোগ দিবস। এবার সেই দিনটি তিনি উদযাপন করবেন কাশ্মীরের ডাল লেকের পাড়ে। বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রী পৌঁছে যাবেন ভূস্বর্গে। এদিন সেখানেই তিনি ৮৪টি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করবেন। সব মিলিয়ে এজন্য ব্যয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    কারা উপকৃত হবেন? (PM Modi)

    এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে সড়ক পরিকাঠামো, জল সরবরাহ প্রকল্প এবং উচ্চ শিক্ষার পরিকাঠামো স্থাপনও (PM Modi)। চেন্নাই-পাটনিটপ-নাসরি সেকশন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও করবেন তিনি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটের ডেভেলপমেন্টের এবং ছটি সরকারি ডিগ্রি কলেজেরও। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন কম্পিটিটিভনেস ইমপ্রুভমেন্ট ইন এগ্রিকালচার অ্যান্ড অ্যালায়েড সেক্টর প্রজেক্টেরও। এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। উপত্যকার ২০টি জেলার ৯০টি ব্লকে এই প্রকল্প লাগু হবে। উপকৃত হবেন ১৫ লাখ মানুষ।

    ২ হাজার চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র

    জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধে ৬টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ, ট্রান্সফর্মিং জে অ্যান্ড কে’ প্রোগ্রামে। অনুষ্ঠানটি হবে শ্রীনগরের ডাল লেকের ধারের শের-ই-কাশ্মীর ইন্টার ন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে। রাত পোহালে এখানেই এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতি-সন্ধ্যার অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী এলাকার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন, কথা বললেন তরুণ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় পাশ করেছেন এমন ২ হাজার তরুণ-তরুণীর হাতে নিয়োগপত্রও তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আর পড়ুন: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    ফি বছর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছর তিনি দিনটি পালন করেছিলেন নিউইয়র্কে, রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে। এবার পালন করবেন ডাল লেকের পাড়ে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর পালিত হবে ১০তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। ২০১৫ সাল থেকে দিনটি পালন করে আসছেন তিনি। কখনও দিল্লির কর্তব্যপথ, কখনও আবার চণ্ডীগড়, আবার কখনও দেরাদুন, রাঁচি, লখনউ, মাইসুরুতে উদযাপন করেছেন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম হল ‘নিজের এবং সমাজের জন্য (PM Modi) যোগ’ (Yoga for Self and Society)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET Paper Leak: ৩০-৩২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় প্রশ্ন, জেরায় স্বীকার ‘মাস্টার মাইন্ড’ অমিতের

    NEET Paper Leak: ৩০-৩২ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় প্রশ্ন, জেরায় স্বীকার ‘মাস্টার মাইন্ড’ অমিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ থেকে ৩২ লাখ টাকার বিনিময়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। নিট প্রশ্ন ফাঁসের (NEET Paper Leak) ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড অমিত আনন্দকে জেরা করে এই তথ্য পেয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর পরীক্ষার একদিন আগেই লিক হয়ে গিয়েছিল প্রশ্নপত্র। অমিত আনন্দই প্রশ্নপত্র বিক্রির মাস্টারমাইন্ড। পুলিশের জেরায় সে আরও জানিয়েছে একদিন আগে প্রশ্ন ফাঁসের উদ্দেশ্য ছিল যাতে ছাত্ররা প্রশ্নপত্র মুখস্ত করে নিতে পারে।

    নিটের প্রশ্নপত্রের মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা (NEET Paper Leak)

    প্রশ্নপত্রের বিনিময়ে ছাত্রদের লক্ষাধিক টাকা নেওয়া হত। বর্তমানে নিট কাণ্ডের জেরে দেশ জুড়ে চলছে প্রতিবাদ আন্দোলন। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। দাবি উঠছে যাতে ২০২৪-এর নিট পরীক্ষা নতুন করে নেওয়া হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Paper Leak) কাণ্ডে ১৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন দানাপুর পৌরসভার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দরও। আরও জানা গিয়েছে, শুধু প্রশ্নপত্রই নয় প্রশ্নপত্রের সঙ্গে উত্তরও ছাত্রদের পরীক্ষার আগের দিনই পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। জেরায় অমিত স্বীকার করেন, নিট পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্ন ফাঁস হয়। প্রশ্নপত্র ও মডেল উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বলা হয়, রাতে পুরো উত্তরপত্র স্মরণ করে নিতে। ৩০ থেকে ৩২ লাখ টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। 

    সিকন্দর ও অমিতের যোগসূত্রে ফাঁস প্রশ্নপত্র  

    পুলিশ জানিয়েছে ধৃতের ফ্ল্যাট থেকে নিটের প্রশ্নপত্র এবং উত্তরপত্র পুড়িয়ে ফেলা অংশ উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিহারের রাজধানী পাটনার শাস্ত্রীনগর থানায় নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস (NEET Paper Leak) সংক্রান্ত মামলার রুজু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অমিত বিহারের মুঙ্গের জেলার বাসিন্দা। তবে পাটনার এইজি কলোনিতে ভাড়া থাকত। সে কীভাবে ছাত্রদের সঙ্গে দেখা করে অর্থসংগ্রহ করত সে বিষয়েও বিস্তারিত জানিয়েছে পুলিশের জেরায়। অমিত দানাপুর পুরসভার জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দারের সঙ্গে পরীক্ষার কয়েক দিন আগে ব্যক্তিগত কাজে দেখা করতে যায়। সুযোগ বুঝে সিকন্দরকে টোপ দেয় সে। বলে যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সে পরীক্ষার্থীদের পাইয়ে দিতে পারে।

    আরও পড়ূন: নিট-ইউজি মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়ন, স্কোর কমতে পারে অনেকের

    সিকন্দর জানায়, তাঁর কাছে চার-পাঁচ জন ছাত্র রয়েছে। যারা নিটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাঁদেরকে পাশ করিয়ে দিতে হবে। টাকা নিয়ে সমস্যা হবে না। তবে কমিশন ঠিক টাইম মত দিতে হবে। এরপরে সিকন্দার তাঁকে চারজন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। পরীক্ষার আগের দিন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের প্রশ্নপত্র (NEET Paper Leak) দিয়ে দেওয়া হয়। বিনিময়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩০ থেকে ৩২ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। এর পর অমিত সিকন্দরকে তাঁর কমিশন বুঝিয়ে দেয়।

     

  • Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    Arambagh: টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতি! আরামবাগে তৃণমূলের প্রধান-উপ প্রধান দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, অস্বস্তিতে শাসকদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোট মিটলেও কিছুতেই কমছে না তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এবার পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধান ও উপপ্রধানের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে হুগলির আরামবাগের (Arambagh) খানাকুলে। একে অপরের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন খানাকুলের পোল-১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরেই তুমুল বচসায় জড়িয়ে পড়েন দুজনে। খবর পেয়ে জমায়েত হন তৃণমূল প্রধানের অনুগামীরা। ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল (Arambagh) থানার পুলিশ বাহিনীও। পুলিশের সামনেও চলে বচসা। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর খানাকুলের পোল ১ নং পঞ্চায়েতের প্রধান সাবিনা খাতুন বনাম উপপ্রধান সেখ সাবির আলির দ্বন্দ্ব শুরু হয়। বুধবার সেই দ্বন্দ্বের রেষ গিয়ে পড়ে পঞ্চায়েত অফিসে। ঘটনার সূত্রপাত পঞ্চায়েতের টেন্ডার জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে। প্রধানের অভিযোগ, উপপ্রধান সেখ সাবির আলি তার কাছের কয়েকজনকে বেআইনিভাবে পঞ্চায়েতের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করে। তা হতে না দেওয়ায়, উপপ্রধান ও আরও একজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর রুমে ঢুকে প্রথমে হুমকি দেয়। পরে, তাঁকে চেয়ার থেকে টানতে টানতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করার পাশাপাশি পাল্টা উপপ্রধানের অভিযোগ, প্রধান সাবিনা খাতুন ও তাঁর স্বামী দুজনে মিলে পঞ্চায়েতে দুর্নীতি করছে। এমনকী পঞ্চায়েতে টেন্ডারের শেষ দিন হলেও প্রধান নিজের ঠিকাদারকে টেন্ডার পাইয়ে দিতে অন্যদের টেন্ডার কপি জমা নেয়নি। আমি তার প্রতিবাদ করেছি। আর কিছু ঘটেনি।

    আরও পড়ুন: মালগাড়ির গতিই দায়ী! কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় কোন পথে চলছে রেলের তদন্ত?

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন প্রধান অনুগামী তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মীরা। শুরু হয় ক্ষোভ বিক্ষোভ। উপপ্রধানকে তাঁর অফিসের ভিতরে বিক্ষোভ দেখান। যদিও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় খানাকুল থানার পুলিশ বাহিনী । তারাই গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এলাকা থেকে হঠিয়ে দেয় তৃণমূল কর্মীদের। তবে, তৃণমূলের প্রধান ও উপপ্রধানের প্রকাশ্যে এহেন দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসক দল। খানাকুল ১ নং ব্লক তৃণমূল সভাপতি দীপেন মাইতি বলেন, দলে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব বরদাস্ত নয়। যদি কেউ কোনও দোষ করে তা খতিয়ে দেখে উর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share