Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার ১৯/০৫/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার ১৯/০৫/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো কাটবে।

    ২) জীবনে নতুন সম্পর্ক তৈরির সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি কঠিন হতে পারে।

    ২) জীবনে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।

    ৩) সময়ের আগে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    মিথুন

    ১) আজকের দিনটি নানান সমস্যায় পরিপূর্ণ।

    ২) দিনের সূচনা আপনাদের জন্য ভালো নয়।

    ৩) সমস্যার মুখোমুখি হবেন।

    কর্কট

    ১) আজকের দিনটি ভালো।

    ২) নতুন ও উন্নত সম্পর্ক লাভ করতে পারেন।

    ৩) বিয়ে পাকা হতে পারে।

    সিংহ

    ১) চাকরিজীবী জাতকরা কাজে বড়সড় সাফল্য লাভ করতে পারেন।

    ২) পদোন্নতি বা বেতনবৃদ্ধি হবে।

    ৩) আয়ের নতুন উৎস পাবেন।

    কন্যা

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) কাজে সতর্ক থাকুন।

    ৩) চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন।

    তুলা

    ১) আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ।

    ২) কেরিয়ারে সুবর্ণ সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) আজকের দিনটি কঠিন।

    ২) জীবনে একাধিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

    ৩) সাফল্য লাভের জন্য কঠিন পরিশ্রম করুন।

    ধনু

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) নতুন বা পুরনো প্রকল্পের দায়িত্ব পাবেন।

    ৩) শেয়ার বাজারে লগ্নি করেন যাঁরা, তাঁরা ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।

    মকর

    ১) আজকের দিনটি চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ।

    ২) কাজে বাধা উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) হতাশার শিকার হবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজ কষ্টজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।

    ২) কাজে সাফল্য লাভের জন্য কঠিন পরিস্থির মুখোমুখি হতে হবে।

    ৩) স্বাস্থ্যের যত্ন নিন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি খুবই ভালো।

    ২) সুসংবাদ পেতে পারেন, যা আপনার জন্য আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    ৩) পরিবার ও আত্মীয়দের কাছ থেকে উপহার পেতে পারেন।

     DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাট মাত্র দশ বছরের। তার মধ্যেই দেশের ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অঙ্কের হিসেবে দেখলে, মোদি জমানায় যে রেলপথ পাতা হয়েছে, তা গোটা জার্মানির সমান। এই তথ্য জানিয়েছেন রেলওয়েজ, কমিউনিকেশনস এবং আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে রেল উপেক্ষিত ছিল বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

    কংগ্রেস জমানায় রেল ছিল উপেক্ষিতই (Indian Railways) 

    মুম্বইয়ে বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর ইভেন্টে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় রেল ‘দুগ্ধবতী গাভি’ হলেও, পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় উপেক্ষিতই ছিল। রেলের উন্নতি যা কিছু হয়েছে, তা মোদির আমলে। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী দেখিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদির সরকারের আমলে কত নয়া রেলপথ পাতা হয়েছে, কত কিলোমিটার রেলপথে হয়েছে বৈদ্যুতিকরণের কাজ, দেশের অর্থনীতিরই বা কী উন্নতি হয়েছে। বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডরদের মন্ত্রী (Indian Railways) বলেন, “আজ দেশে প্রতিদিন চার কিলোমিটার করে রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। কেবল গত অর্থনৈতিক বর্ষেই আমরা ৫ হাজার ৩০০ কিমি রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ করেছি। এটা সুইজারল্যান্ডের গোটা ট্রেন নেটওয়ার্কের সমান।”

    নয়া রেলপথ কত হয়েছে জানেন?

    এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক তৈরি হয়েছে। এটা জার্মানির পুরো নেটওয়ার্কের সমান।” মোদি জমানায় যে রেলে বৈদ্যুতিকরণও বেশি হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোদি জমানার দশ বছরে ৪৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। আর গত ৬০ বছরে কংগ্রেসের জমানায় বৈদ্যুতিকরণের কাজ হয়েছিল মাত্র ২০ হাজার কিলোমিটার।” তিনি বলেন, “আজ আমরা ভারতীয় রেলপথের একশো শতাংশই বৈদ্যুতিকরণের পথে এগোচ্ছি।”

    আর পড়ুন: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    তিনি জানান, ভারতে গণপরিবহণের প্রধান মাধ্যম রেল। অথচ আগের সরকার একে উপেক্ষা করেছিল। পাঁচ-ছয়ের দশকে মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে করা উচিত ছিল রেলপথকে। এই কাজটাই হয়েছে এনডিএ সরকারের আমলে। মোদি জমানায় যে রেলের স্টেশনগুলির সংস্কার হচ্ছে, দেশেই অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরি হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jalpaiguri: একের পর এক মন্দির ভাঙল দুষ্কৃতীরা, অগ্নিগর্ভ ধূপগুড়ি, বনধের ডাক

    Jalpaiguri: একের পর এক মন্দির ভাঙল দুষ্কৃতীরা, অগ্নিগর্ভ ধূপগুড়ি, বনধের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ নয়, পশ্চিম বাংলার বুকে একের পর এক হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে এদিন সকাল থেকে এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের সামনে বিক্ষোভ- প্রতিবাদও চলতে থাকে। ধূপগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)

    ধূপগুড়ির (Jalpaiguri) মোড়ঙ্গা চৌপথি এলাকার কালী মাতা মন্দির, সাতভেন্দি শিব মন্দির, জঙ্গলিবাড়ি কালী মন্দির, শনি মন্দিরে শুক্রবার রাতে ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। মন্দিরের মূর্তি ভেঙ্গে বাইরে ফেলে দেয়। শনিবার সকালে বিষয়টি নজরে আসে এলাকার বাসিন্দাদের। তখনই এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। দাবানলের মতো খবর ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় ধূপগুড়ি বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ অবরোধ। ধূপগুড়ি শহরের বিভিন্ন মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    ধূপগুড়ি মহকুমা বনধের ডাক

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে ধূপগুড়ি (Jalpaiguri) থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই বিক্ষোভকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। এর মধ্যেই পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধ্বস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশের দিকে আসা বিক্ষোভকারীদের হটাতে লাঠি চার্জ করে পুলিশ। নিমেশে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। দু পক্ষের মারামারিতে আহত হন দুই পক্ষেরই লোকজন। বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি  নিয়ন্ত্রণে আনতে বিরাট পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছান ধূপগুড়ি থানার আই সি। কিন্ত, তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় জলপাইগুড়ি থেকে পুলিশ সুপার আরও বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকা বেশ থমথমে রয়েছে। গোটা এলাকায় পুলিশি টহল রয়েছে। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। গোটা মোড়ঙ্গা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মূর্তি ভাঙ্গার ঘটনায় মোড়ঙ্গা এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। আগামীকাল গোটা ধূপগুড়ি মহকুমায় বনধ ডাকা হয়েছে।  উত্তরবঙ্গের সমস্ত থানায় ডেপুটেশন জমা দেওয়া হবে।

    রাস্তা-রেল অবরোধ

    স্থানীয় হিন্দুরা জাতীয় সড়ক (Jalpaiguri) সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। শালবাড়ি ও ফালাকাটা স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরুদ্ধ করা হয়েছে। ভিএইচপি এবং এইচজেএম সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের হাজার হাজার সাধারণ হিন্দু উপস্থিতিতে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এদিকে রেলওয়ে রুটেও বেশ কয়েকটি অবরোধ দেখা দেয়। যার ফলে কয়েকটি ট্রেন বাতিল হয়েছে। আন্দোলনকারীরা অনেক জায়গায় রেলপথে বসে পড়ে, যার ফলে দিল্লিগামী যোগাযোগ ক্রান্তি এক্সপ্রেস এবং শিয়ালদহ যাওয়ার তিস্তা-তোর্সা এক্সপ্রেস ব্যাহত হয়। খালিগ্রাম স্টেশনেও একটি পণ্যবাহী ট্রেন আটকে পড়ে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এসপি খান্ডেবাহলে উমেশ গণপত বলেন, যা ঘটেছে তা ভালো হয়নি। তাই আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। তদন্ত করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mampi Das: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    Mampi Das: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ দেখে ছাড়ব। তাঁকে হারিয়ে দেখাব। এই লোকসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন।” শনিবার দমদম জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে গেলেন সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালি ওরফে মাম্পি দাস (Mampi Das)। শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট অবিলম্বে মুক্তি দিতে বলেছিল মাম্পিকে। আলাদতের প্রশ্ন, “এর পিছনে (মাম্পির গ্রেফতারি) কার মাথা কাজ করছে? নিম্ন আদালতের বিচারক, পুলিশ কেউ কি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ জানেন না?”  আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শনিবারই জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় সন্দেশখালির এই বিজেপি নেত্রীকে।

    কী বললেন মাম্পি? (Mampi Das)

    এদিন জেল থেকে মুক্তি পেয়েই মাম্পি হাতিয়ার করেন সন্দেশখালির ঘটনাকে। তিনি (Mampi Das) বলেন, “সন্দেশখালির নারী নির্যাতনের ঘটনা মিথ্যা নয়। এখানে আন্দোলনকারী মহিলাদের পাশে আমি সব সময় থাকব।” রাজ্য সরকারকে নিশানা করে এই পদ্ম-নেত্রী বলেন, “মিথ্যা অভিযোগে আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আদালতে তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিজেপিকেও।”

    বেআইনিভাবে গ্রেফতারের অভিযোগ

    সন্দেশখালির ঘটনায় একাধিক অভিযোগে বারংবার খবরে উঠে এসেছেন সন্দেশখালির মাম্পি। এর মধ্যে আবার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের মতো অসত্য মামলা রুজু করানোর মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সন্দেশখালির স্টিং ভিডিওয়ও গঙ্গাধর কয়ালের মুখে শোনা গিয়েছিল মাম্পির নাম। একের পর এক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি নোটিশ পেয়ে গ্রেফতারি এড়াতে মাম্পি দ্বারস্থ হন বসিরহাট আদালতে। সেখানে আগাম জামিন চাইতে গিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময়ই অন্য একটি মামলায় বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আর পড়ুন: আদালতের নোটিশ ফেরত সচিবের, ঔদ্ধত্যের জবাব দিলেন বিচারপতি

    নিম্ন আদালত মাম্পিকে সাত দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। বসিরহাট আদালতের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করেন সন্দেশখালির এই গেরুয়া নেত্রী। শুক্রবার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয় তাঁর। তার পরেই মাম্পির চাঁদমারি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাম্পি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়ব না। উনি মানুষ নন। নারী নামেরও কলঙ্ক।” তিনি বলেন, “সত্যের পথেই আছি। সত্যের সঙ্গেই আছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখাব। নারীর ওপর এত অনাচার হচ্ছে আর উনি একজন নারী হয়েও তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না! সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে আছি শুরু থেকেই, ভবিষ্যতেও থাকব (Mampi Das)।” প্রসঙ্গত, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ জুন। তার আগে ৪ জুন বের হবে লোকসভা নির্বাচনের ফল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sandeshkhali: সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমা পড়ল ভুরি ভুরি অভিযোগ

    Sandeshkhali: সিবিআইয়ের অস্থায়ী শিবিরে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমা পড়ল ভুরি ভুরি অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই তদন্তের জন্য একাধিকবার সন্দেশখালিতে  (Sandeshkhali) গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। অভিযোগকারীদের মধ্যে কয়েকজনের বাড়ি গিয়ে কথা বলা এবং জমি সংক্রান্ত নথিপত্রও খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। এবার সন্দেশখালি নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ শুনতে সেখানেই অস্থায়ী শিবির বা ক্যাম্প অফিস তৈরি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে থেকেই এবার তদন্ত করবেন সিবিআই আধিকারিকেরা। ধামাখালিতে একটি ব্যাঙ্কের কাছে অস্থায়ী শিবির করেছে সিবিআই। সেখানেই শনিবার ভুরি ভুরি অভিযোগ জমা করেছেন গ্রামবাসীরা।

    একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে সিবিআই ক্যাম্পে (Sandeshkhali)

    শনিবার বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যান। গ্রামবাসীদের সঙ্গে তিনিও শিবিরে হাজির ছিলেন। আব্দুল মাজিদ শেখ নামে এক বাসিন্দা বলেন, বেড়মজুরে আমার ভেড়ি ছিল। শাহজাহান বাহিনী ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন। সেই টাকা না দেওয়ায় আমার ভেরি ওরা জোর করে দখল করে রেখেছে। এদিন সিবিআই অফিসে আমি অভিযোগ জানাতে এসেছি। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে জেলা পরিষদের টেন্ডারের ভিত্তিতে ফেরিঘাট চালানোর দায়িত্ব পান সন্দেশখালির বাসিন্দা বিনা রায় অধিকারী। ফেরিঘাট ডাক ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিলামে মাধ্যমে তাঁর নাম জেলা পরিষদে উঠলেও তিনি আজ ১০ বছর ঘাট চালাতে পারেননি। ঘাট চালাতে গেলে শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার, শিবু হাজরা তাঁকে ঘাট চালাতে দেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিনি ঘাট পেয়েছেন বলে দাবি করলেও কোনও কথা শুনেন নি তাঁরা। দশ বছর পর সেই ধামাখালিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে অভিযোগ দায়ের করতে আসেন বিনা রায়। তিনি বলেন, দশ বছরের সুদে আসলে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার ওপরে হয়ে গেলেও, আমার প্রাপ্য জিনিস আমাকে করতে দেয়নি শিবু,উত্তমরা। বিচারের আশায় আমি সিবিআই ক্যাম্পে অভিযোগপত্র জমা দিলেন। মনে এখনও আশা তিনি তাঁর ফেরিঘাটে লাগানো সমস্ত টাকা ফেরত পাবেন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেত্রী কী বললেন?

    বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল সঙ্গে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকার মহিলারা ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করতে যান। তিনি বলেন, সন্দেশখালির বাসিন্দাদের ওপর শাহজাহান বাহিনী প্রচুর অত্যাচার করেছে। এখনও অত্যাচার চলছে। দুদিন আগে এক মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পুলিশ ঠিক মতো অভিযোগ জমা নিচ্ছে না। নির্যাতিতাদের আইনজীবী হিসেবে আমি এসেছি। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: দেশে চলছে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কোন আসনে নির্বাচন, হেভিওয়েট কারা?

    Lok Sabha Elections 2024: দেশে চলছে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কোন আসনে নির্বাচন, হেভিওয়েট কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার ২০ মে ভোট (Lok Sabha Elections 2024) রয়েছে দেশের ছয়টি রাজ্য এবং দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। মোট ৪৯টি লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন পঞ্চম দফায়। বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ সহ ৬৯৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আজকে ভোট রয়েছে মহারাষ্ট্র, বিহার, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খন্ড, লাদাখ, ওড়িশা, উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ নির্বাচন কমিশন লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়েছিল। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। সপ্তম দফায় শেষ ভোট গ্রহণ (Lok Sabha Elections 2024) হবে ১ জুন। ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণ রয়েছে ২৫ মে। ভোট গণনা হবে ৪ জুন। অন্যান্য দফার মত আজকেও সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে এবং তা চলবে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত।

    কোন কোন আসনে ভোট আজ

    মহারাষ্ট্র: ১৩ আসনে ভোট (Lok Sabha Elections 2024) আজ। এগুলি হল- মুম্বই উত্তর, মুম্বই উত্তর-পশ্চিম, মুম্বই উত্তর-পূর্ব, মুম্বই উত্তর-মধ্য, মুম্বই দক্ষিণ-মধ্য, মুম্বই দক্ষিণ, থানে, কল্যাণ, পালঘর, ধুলে, ডিন্ডোরি, নাসিক, ভিওয়ান্ডি

    উত্তরপ্রদেশ: ১৪টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট আজ। এগুলি হল- লখনউ, আমেঠি, রায়বরেলি, মোহনলালগঞ্জ, জালাউন, ঝাঁসি, হামিরপুর, বান্দা, কৌশাম্বি, ফতেহপুর, গোন্ডা, বারাবাঙ্কি, ফৈজাবাদ, কায়সারগঞ্জ

    পশ্চিমবঙ্গ: ৭ আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- হাওড়া, হুগলি, আরামবাগ, বনগাঁ, বারাকপুর, শ্রীরামপুর, উলুবেড়িয়া

    বিহার: ৫ আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- মুজাফফরপুর, মধুবনি, হাজিপুর, সীতামারহি, সরণ

    জম্মু ও কাশ্মীর: বারামুল্লা লোকসভা আসনে ভোট

    লাদাখ: লাদাখ লোকসভা আসনে ভোট আজ

    ঝাড়খণ্ড: ৩টি লোকসভা আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- চাতরা, কোডারমা, হাজারীবাগ

    ওড়িশা: ৫টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট আজ। এগুলি হল- বারগড়, সুন্দরগড়, বোলাঙ্গির, কান্ধমাল, আস্কা

    উল্লেখযোগ্য প্রার্থী কারা (Lok Sabha Elections 2024)

    রাহুল গান্ধী (কংগ্রেস): রায়বরেলি

    দীনেশ প্রতাপ সিং (বিজেপি): রায়বরেলি

    স্মৃতি ইরানি (বিজেপি): আমেঠি

    কিশোরী লাল শর্মা (কংগ্রেস): আমেঠি

    রাজনাথ সিং (বিজেপি): লখনউ

    পীযূষ গোয়াল (বিজেপি): উত্তর মুম্বই

    চিরাগ পাসওয়ান (এলজেপি): হাজিপুর

    করণ ভূষণ সিং (বিজেপি): কায়সারগঞ্জ

    রাজীব প্রতাপ রুডি (বিজেপি): শরণ

    রোহিণী আচার্য (আরজেডি): শরণ

    ওমর আবদুল্লা (জেকেএনসি): বারামুল্লা

    অরবিন্দ সাওয়ান্ত (এসএসইউবিটি): মুম্বই দক্ষিণ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kyrgyzstan Violence: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    Kyrgyzstan Violence: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে।” শনিবার জানিয়ে দিল কিরঘিজ বিদেশমন্ত্রক। দ্রোহকালে (Kyrgyzstan Violence) ভারতের তরফে কিরঘিজস্তানে থাকা পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশকেকে বিদেশি পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে জনবিদ্রোহ হতে পারে, এমন রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে সে দেশে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের।

    কী বলছে কিরঘিজ সরকার? (Kyrgyzstan Violence)

    কিরঘিজ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ১৫ জনের মেডিক্যাল চেক-আপ হয়েছে। বিদেশি পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেনি। সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “যে মুহূর্তে ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে, কিরঘিজ রিপাবলিকের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। আটক করা হয়েছে ঘটনায় যুক্ত দেশের পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশিকেও।”

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

    কিরঘিজ সরকার (Kyrgyzstan Violence) জানিয়েছে, পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “নাগরিকদের এবং প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনায় যাঁরা যুক্ত ছিলেন, তাঁদের কেউ গুরুতর জখম হননি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ১৫ জনকে।” কিরঘিজ সরকারের তরফে মিথ্যা এবং যাচাই না করা সংবাদ পরিবেশন না করতে অনুরোধ করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের।

    আর পড়ুন: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার রূপায়িত হলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ”, বললেন মোদি

    এক্স হ্যান্ডেলে কিরঘিজ রিপাবলিকের ইন্ডিয়ান মিশনের তরফে লেখা হয়েছে, “আমরা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত। তবে এই মুহূর্তে পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকতে বলা হয়েছে। কোনও সমস্যায় পড়লে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। চব্বিশ ঘণ্টাই যে নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে, সেটি হল ০৫৫৫৭১১০০৪১।” বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “বিশকেকে থাকা ভারতীয় পড়ুয়াদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

    তিনি বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে উল্লেখযোগ্যভাবে শান্ত। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ভারতীয় ছাত্রদের নিয়মিত দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হচ্ছে।” শুক্রবার রাতে আচমকাই বিশকেকে কিছু পাকিস্তানি পড়ুয়া পড়ে যান স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে। কয়েকজন জখমও হন। বিদেশি পড়ুয়াদের সঙ্গে ঝগড়ার জেরেই এই ঘটনা বলে সূত্রের খবর (Kyrgyzstan Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Shantanu Thakur: শান্তনু ঠাকুরের বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shantanu Thakur: শান্তনু ঠাকুরের বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ দিনের প্রচার ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নদীয়ার কল্যাণী। দলীয় প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) বাইক র‍্যালিতে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপি এলাকায় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করছে পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার কল্যাণী থানার গয়েশপুর এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantanu Thakur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন। আজ ছিল প্রচারের শেষ দিনের সময়সীমা। সেই শেষ দিনটিতে প্রতিটি রাজনৈতিক দল সকাল থেকে প্রচার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এদিন কল্যাণীর গয়েশপুর এলাকায় একটি বাইক র‍্যালিতে  মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে বিশাল একটি বাইক মিছিল বের হয়। জানা যায়, শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) বাইক র‍্যালি যখন গয়েশপুরে গিয়ে পৌঁছায় তখন তৃণমূলের তরফে ওই এলাকায় একটি প্রচার কর্মসূচি করছিল। তৃণমূলের তরফ থেকে ওই এলাকায় বিজেপির মাইক কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে বলে। তাই নিয়েই শুরু হয় দু পক্ষের মধ্যে  কথা কাটাকাটি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত হাতাহাতিতে পৌঁছায় বিবাদ। খবর পেয়ে কেন্দ্র বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে কল্যাণী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। দীর্ঘক্ষণ উত্তেজনা চলার পর পুলিশ কোনও রকম ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর বিজেপির বাইক মিছিল সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, তৃণমূল হারবে এখানে। তারা বুঝতে পেরেছে তাদের তলায় আর মাটি নেই। বিশেষ করে গয়েশপুরের তারা বুঝতে পেরেছে বিজেপি দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে। তাই, এই হামলা চালিয়েছে। তবে, এই হামলার জবাব মানুষ আগামী ২০ তারিখে ভোট বাক্সের মাধ্যমে দেবে। অন্যদিকে, ওই এলাকার তৃণমূল কর্মী গোসাই কর্মকারের পাল্টা অভিযোগ, আমাদের তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে একটি প্রচার কর্মসূচি চলছিল, আমরা সেই কারণে কিছুক্ষণের জন্য বিজেপির কর্মীদের মাইকটা বন্ধ রাখার অনুরোধ করি। তখনই আমাকে ওরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে এবং পরে মারধর শুরু করে দেয়। আমরা হামলা চালাইনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার রূপায়িত হলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ”, বললেন মোদি

    PM Modi: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার রূপায়িত হলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেসের মাওবাদী ইস্তাহার যদি রূপায়িত হয়, তাহলে দেউলিয়া হয়ে যাবে দেশ।” শুক্রবার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে ঠিক এই ভাষায়ই বিরোধীদের নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সতর্কবার্তা, “এই ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে, থমকে যাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দেশ হয়ে যাবে দেউলিয়া।” এদিন মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কের এক জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মুম্বইবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করায় তিনি নিশানা করেন ইন্ডিয়া-অগাড়ি জোটকেও।

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস তার অস্তিত্ব বাঁচানোর জন্য লড়াই করছে। নিজেকে বাঁচাতে সে যত দূর যেতে হয়, যেতে পারে। এর ইস্তাহারের শ্যেনদৃষ্টি মন্দির থেকে সোনা নিয়ে নেওয়ার, মহিলাদের গলা থেকে মঙ্গলসূত্র খুলে নেওয়ার দিকে।” এর পরেই তিনি (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের এই মাওবাদী ইস্তাহার থমকে দেবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন-রথের চাকা। দেশকে ঠেলে দেবে দেউলিয়ার পথে।” কংগ্রেসের নজর যে কেবলই ভোটব্যাঙ্কের দিকে, এদিন ফের একবার সেকথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

    ভোট-জিহাদের দাবি!

    তিনি বলেন, “গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি দেশে ৫০ শতাংশ উত্তরাধিকার ট্যাক্স বসানোর ছকও কষছে। এই রাজনৈতিক দলটি আপনার সম্পদের ওপর এক্স-রে চালাবে। এবং পরে তা হস্তান্তরিত করে দেবে তাদের ভোটব্যাঙ্কের হাতে। এরাই ভোট-জিহাদের দাবিতে সুর চড়ায়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মোদির দশ বছরের একটা রিপোর্ট কার্ড রয়েছে। আগামী পঁচিশ বছরের জন্য রয়েছে রোডম্যাপ। আর অন্যদিকে, ইন্ডি জোটের দিকে তাকান, দেখবেন কেবলই রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী।”

    আর পড়ুন: ইউ টার্ন আমেরিকার! “ভারতে রয়েছে ভাইব্র্যান্ট ডেমোক্রেসি”, বললেন মার্কিন কর্তা

    তিনি বলেন, “রাম মন্দির নির্মাণের মতো অসাধ্য সাধনও করেছে বিজেপি, জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ করেছে ৩৭০ ধারা। এসবই হয়েছে বিজেপি জমানায়।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সব মাইলস্টোনগুলি এক সময় অসম্ভব মনে হলেও, সম্ভব হয়েছে আপনাদের একটি একটি করে ভোটে।” টিনসেল টাউনে জঙ্গি হামলা ও মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বম্বব্লাস্টের কথাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালের পর থেকে দেশের পাশাপাশি মুম্বইয়ে কী কী পরিবর্তন ঘটেছে, তা মনে রেখে ২০ ভোট দেওয়ার আহ্বানও জানান মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Odantapuri University: নালন্দার পর ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন ওদন্তপুরী মহাবিহারের ইতিহাস

    Odantapuri University: নালন্দার পর ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন ওদন্তপুরী মহাবিহারের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওদন্তপুরী ছিল প্রাচীন ভারতের অন্যতম এক বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়। ঐতিহাসিকরা মনে করেন, অষ্টম শতাব্দীতে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়কে (Odantapuri University) স্থাপন করেছিলেন। তবে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন, এই নিয়েও দ্বিমত রয়েছে। বেশ কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন, ওদন্তপুরে বিশ্ববিদ্যালয় গোপালের পুত্র ধর্মপাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আবার অন্য অনেক গবেষকের মতে, ওদন্তপুরীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দেবপাল। জানা যায়, সে সময়ে পাল রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বেড়ে উঠেছিল ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়। পাল যুগে বিক্রমশিলা ছিল প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়। বিক্রমশিলা এবং ওদন্তপুরী- এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় বিপুল পরিমাণে আর্থিক সাহায্য লাভ করত পাল রাজাদের কাছ থেকে। এই সাহায্য নালন্দার চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

    আরও পড়ুন: বিদ্যাচর্চার উৎকর্ষ কেন্দ্র ছিল প্রাচীন ভারতের বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়

    মহাপাল নামে একজন রাজার কথা জানা যায়

    মহাপাল নামে একজন রাজার কথা ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Odantapuri University) সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি ছিলেন মহিপালের পুত্র এবং তিনি ওদন্তপুরীর অত্যন্ত পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। সেখানকার ৫১ জন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী এবং ৫০ জন শিক্ষককে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ছিল তাঁর ওপরে। ধর্মের অগ্রগতির সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্ম মহাযান, হীনযান, বজ্রজান প্রভৃতি সম্প্রদায় বিভক্ত হয়ে যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, পাল রাজা রামপালের রাজত্বকালে ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ জন শিক্ষকের সঙ্গে হীনযান এবং মহাযান উভয় সম্প্রদায়ের এক হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষুক স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন।

    নালন্দার মতো বড় গ্রন্থাগার 

    নালন্দাতে বেশ বড় একটি গ্রন্থাগারের কথা জানা যায়। ঐতিহাসিকদের মতে, ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Odantapuri University) গ্রন্থাগারও নালন্দার চেয়ে কোনও অংশে কম ছিল না এবং এতে হিন্দু এবং বৌদ্ধ রচনার বিশাল সংগ্রহ ছিল। নালন্দার মতোই বখতিয়ার খিলজির বাহিনী ওদন্তপুরীর গ্রন্থাগারকে পুড়িয়ে দেয়। খিলজীর আক্রমণ থেকে বাঁচতে বৌদ্ধ ভিক্ষুকরা নেপাল এবং তিব্বতে চলে যায় বলে জানা যায়। তিব্বতের বেশ কিছু নথি থেকে জানা যায় ওদন্তপুরীতে প্রায় বারো হাজার ছাত্র ছিলেন এবং সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র এবং পণ্ডিতরা এখানে গবেষণা তথা শিক্ষা লাভ করতে আসতেন। মনে করা হয়, নালন্দার মতোই বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এটি ছিল আধুনিক ভারতের একটি বৌদ্ধ মহাবিহার। ওদন্তপুরীর অবস্থান ছিল মগধে এবং নালন্দার পরে ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম মহাবিহার হিসেবে এটিকে গণ্য করা হয়।

    আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার পাঁচশো বছরেরও আগে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে

    ওদন্তপুরী ছিল পূর্ব ভারতে থাকা পাঁচটি মহাবিহারের মধ্যে একটি

    ঐতিহাসিকদের মতে, ওদন্তপুরী (Odantapuri University) ছিল পূর্ব ভারতে থাকা পাঁচটি মহাবিহারের মধ্যে একটি। অন্যান্য মহাবিহারগুলি হল- নালন্দা, বিক্রমশীলা, সোমপুরা, এবং জগদ্দলা। প্রতিবেদনের শুরুতেই বলা হয়েছে, একাদশ শতকের শেষের দিকে ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজি এই মহাবিহারটিকে ধ্বংস করেন। তিব্বতের পণ্ডিত এবং ছাত্রদের কাছে ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আলাদা গুরুত্ব ছিল। তাঁরা এটিকে প্রেরণার স্রোত হিসেবে দেখতেন। বিভিন্ন তিব্বতীয় নথি অনুসারে জানা যায়, ওদন্তপুরীর ধাঁচে তিব্বতে তৈরি করা হয়েছিল স্যাম ইয়ে মঠ। যা স্থাপিত হয়েছিল ৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে। ওদন্তপুরী মহাবিহার নালন্দা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বলে জানা যায়। ভারতবর্ষের এই প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন শ্রী গঙ্গা, যিনি পরবর্তীকালে বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হয়েছিলেন বলে জানা যায়।

    বৌদ্ধ ধর্মের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতা নতুন মাত্রা পায়

    ঐতিহাসিকদের মতে, বৌদ্ধ ধর্মের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতা নতুন মাত্রা পায়। বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাবে ভারতীয় সভ্যতার সকল ক্ষেত্রেই ব্যাপক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যেতে থাকে। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা তখন ধর্মীয় আচরণ-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষার বিষয়েও ভাবতে থাকেন। এরই ফলস্বরূপ বেশ কতগুলি বিশ্ববিদ্যালয় ভারতবর্ষের সেসময় গড়ে ওঠে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল ওদন্তপুরী (Odantapuri University)। মনে করা হয়, ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজির ধ্বংস করার আগে পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিদেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছিল।

    তাইওয়ান থেকে আসা প্রতিনিধি দল

    চার বছর আগে ২০২০ সালে বৌদ্ধ ধর্মের একটি প্রতিনিধিদল তাইওয়ান থেকে আসেন ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করতে। কিন্তু সেই স্থানে এসে তাঁরা একপ্রকার হতাশ হন যখন তাঁরা ওদন্তপুরীর সে অর্থে কোনও ধ্বংসাবশেষ খুঁজে না পান। লি ওয়েন নামের ওই বৌদ্ধ প্রতিনিধি দলের নেতা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, প্রাচীনকালের বেশ কিছু নথি থেকে জানা যায়, পাল বংশের রাজা গোপাল এই বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থাপন করেছিলেন। সে সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষাদানের কেন্দ্রগুলিকে বিহার নামে অভিহিত করা হতো। ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল সপ্তম শতাব্দীতে। বিহারে দাঁড়িয়েই তাইওয়ানের ওই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী দলের নেতা জানান যে ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের যা কিছু ধ্বংসাবশেষ রয়েছে এখানে, তার সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। ওদন্তপুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে ‘বিহার হেরিটেজ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি’র এক আধিকারিক সে সময় জানিয়েছিলেন যে বিহার শরীফের অংশটি জনঘনত্ব পূর্ণ। এর ফলে সেখানে খননকার্যে অনেক রকমের বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: রামায়ণেও উল্লেখ মেলে! জানুন প্রাচীন ভারতের তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share