Tag: Bengali news

Bengali news

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার ২৪/০৩/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (রবিবার ২৪/০৩/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজকের দিনে ধনবৃদ্ধি হবে। 

    ২) কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    ৩) পরিবারের সদস্যদের তরফে সুসংবাদ শুনতে পাবেন।

    বৃষ

    ১) আজকের দিনটি প্রাণশক্তিতে ভরপুর থাকবে।

    ২) মান-সম্মান বাড়বে।

    ৩) অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ হতে পারে।

    মিথুন

    ১) আজ মিশ্র পরিণাম লাভ করবেন।

    ২) সহযোগিতার মনোভব বাড়বে।

    ৩) কোনও বিষয়ে বয়স্কদের পরামর্শ নিন।

    কর্কট

    ১) আর্থির সুযোগের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করতে পারেন, এর ফলে বড়সড় সিদ্ধান্ত হাতছাড়া হবে।

    ২) পরিবারের সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে চলার চেষ্টা করবেন।

    ৩) ব্যবসায়িক কাজের জন্য অন্য কোনও ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল থাকবেন, যার ফলে তা পূরণ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেবে।

    সিংহ

    ১) আজকের দিনটি উন্নতিদায়ক।

    ২) ব্যবসায়িক প্রস্তাব নিয়ে বহিরাগত ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তাঁরা আপনার কথা বুঝতে পারবেন।

    ৩) চাকরিজীবীরা একই ভুল বার বার করবেন না।

    কন্যা

    ১) আজ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে সুনাম অর্জন করবেন।

    ২) চিন্তাভাবনা না-করেই যে কোনও কাজ করে ফেলবেন, এ কারণে পড়ে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন।

    ৩) সামাজিক সম্মান বাড়বে।

    তুলা

    ১) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা ও সান্নিধ্য লাভ করবেন।

    ২) পরিবারের কোনও সদস্য ব্যবসা শুরু করতে পারে।

    ৩) বিদেশি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করে থাকলে লাভান্বিত হবেন। 

    বৃশ্চিক

    ১) দাম্পত্য জীবনে মাধুর্য আসবে। 

    ২) কোনও সমস্যার বিষয়ে বন্ধু বা আত্মীয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন।

    ৩) অংশীদারীর কাজের দ্বারা লাভান্বিত হবেন।

    ধনু

    ১)  চাকরিজীবী জাতকদের জন্য আজকের দিনটি ভালো।

    ২) ইতিবাচক চিন্তাভাবনার সুফল পাবেন।

    ৩) কেরিয়ারে ভালো প্রস্তাব পেতে পারেন।

    মকর

    ১) কর্মক্ষেত্রে ভালো প্রদর্শন করবেন।

    ২) ব্যবসায়ে নতুন কিছু অন্তর্ভূক্ত করবেন।

    ৩) বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাফেরার সময়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন।

    কুম্ভ

    ১) আজ ধৈর্য ধরে রাখুন।

    ২) বাড়ি বা বাইরে তাড়াহুড়োয় কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন না।

    ৩) সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদে জয়ী হবেন।

    মীন

    ১) আজকের দিনটি শুভ পরিণাম নিয়ে আসবে।

    ২)  ব্যবসায়ে কারও সাহায্য চাইলে তা সহজে পেয়ে যাবেন।

    ৩) ভাই-বোনের সহযোগিতা লাভ করবেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    Himachal Pradesh Crisis: হিমাচলে বিজেপিতে যোগ দিলেন কংগ্রেসের ৬ বিদ্রোহী বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh Crisis) ছ’জন বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কের পাশাপাশি তিন নির্দল এমএলএ শনিবার যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। শিমলায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের উপস্থিতিতে মোট ৯ বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে। জানা গিয়েছে, ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক এবং তিন নির্দল এমএলএ ইস্তফা দিয়ে উপনির্বাচনের মুখোমুখি হবেন।

    বিজেপিতে আসা কংগ্রেস বিধায়করা

    বিজেপিতে যোগদানকারী (Himachal Pradesh Crisis) বিধায়করা হলেন— রবি ঠাকুর (লাহুল-স্পিতি), রাজেন্দ্র রানা (সুজনপুর), সুধীর শর্মা (ধরমশালা), ইন্দ্রদত্ত লক্ষণপাল (বারসার), চৈতন্য শর্মা (গগরেট), দেবেন্দ্র ভুট্টো (কুটলেহা)-কে প্রার্থী করবে বলে দলের একটি সূত্র জানিয়েছে। পাশাপাশি, তিন নির্দল— আশিস শর্মা (হামিরপুর), হোশিয়ার সিংহ (দেহরা) এবং কৃষ্ণলাল ঠাকুর (নালাগড়)। ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ককে বরখাস্ত করেন হিমাচলের স্পিকার কুলদীপ সিংহ পঠানিয়া। তাঁর এহেন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল, বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চে। তবে সেই আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই নির্দেশের পরেই গত ১৮ মার্চ নির্বাচন কমিশন জানায় আগামী ৭ মে ওই ছ’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে।

    রাজ্যসভায় ‘ক্রস ভোটিং’

    হিমাচল বিধানসভায় কংগ্রেস (Himachal Pradesh Crisis) সরকারের বাজেট প্রস্তাব সংক্রান্ত অর্থবিলের পক্ষে ভোট না-দেওয়ার কারণে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘দলত্যাগ বিরোধী আইনে’ স্পিকার বিদ্রোহী ছ’জন বিধায়কের পদ খারিজ করেছিলেন। তবে তার ঠিক ২ দিন আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ভোটের সময় ওই ছ’জন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপির প্রার্থী হর্ষ মহাজনের সমর্থনে ‘ক্রস ভোটিং’ করেছিলেন বলে জানা যায়। তাঁদের সঙ্গেই বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন কংগ্রেস সরকারের সমর্থক তিন নির্দলও। নির্বাচনে ‘ক্রস ভোটিং’-র জেরে কংগ্রেস প্রার্থী তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি হেরে যান। ৬৮ সদস্যের হিমাচল বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ‘জাদুসংখ্যা’ ৩৫। এই মুহূর্তে কংগ্রেসের রইলেন ৩৪ জন বিধায়ক। বিজেপির রয়েছে ২৫ বিধায়ক। বিজেপির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন অনেক কংগ্রেস বিধায়কই (Himachal Pradesh Crisis)। এমনটাই দাবি গেরুয়া শিবিরের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাড়িতে শুধু সিবিআই তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া, স্পষ্ট ইঙ্গিত সুকান্তর

    BJP: বাড়িতে শুধু সিবিআই তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া, স্পষ্ট ইঙ্গিত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পর কৃষ্ণনগরেও তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের পার্টি অফিসে হানা দিয়েছিল সিবিআই। হানা বা তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া মৈত্র। শনিবার দিল্লি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। একইসঙ্গে তিনি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে জেলে ভরারও কথা বলেন। 

     মহুয়া গ্রেফতার হতে পারেন! (BJP)

    কলকাতার পর কৃষ্ণনগরে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের ফ্ল্যাটে সিবিআই হানা দেওয়ায় সর্বত্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি এটা প্রত্যাশিত বলেই মনে করেন। এপ্রসঙ্গে এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মহুয়া মৈত্র তার লগইন পাসওয়ার্ড টাকার বিনিময়ে এমন একজনকে দিয়েছিলেন যিনি একটি ব্যবসায়ী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। বিদেশ থেকে তিনি সংসদের ওয়েবসাইট লগইন করেছেন। এটা অত্যন্ত অন্যায় কাজ। এ কাজের জন্য সিবিআই তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি কেন গ্রেফতার করতে পারে।

    আরও পড়ুন: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    তৃণমূলে চোরে ভরে গিয়েছে

    সিবিআই, ইডি-র তদন্ত নিয়ে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূলে চোরে ভরে গিয়েছে। সারাবছরই নানা দুর্নীতির তদন্তে ইডি, সিবিআইকে অভিযান চালাতে হচ্ছে। এ রাজ্যে ঘনঘন ভোট হয়। পঞ্চায়েত এবং পুরসভার ভোট আলাদা হয়। বিধানসভা, লোকসভার ভোটও হয় আলাদা সময়ে। এজন্যই কারও কারও মনে হয় ভোটের অঙ্কে ইডি, সিবিআই’র তদন্ত হচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবে তা নয়। আর এই জন্যই তো আমরা বলছি এক দেশ, এক ভোট হোক।

     উদয়নকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    দিনহাটা অশান্ত হয়ে ওঠার জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহকেই দায়ী করলেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, দিনহাটায় যতদিন উদয়ন গুহ নামে গুন্ডা থাকবে, ততদিন অশান্তি থাকবে। উদয়ন গুহকে জেলে ভরলেই দিনহাটা শান্ত হয়ে যাবে। তাঁর জন্মদিন কেন রাস্তায় পালন করা হবে। তিনি কোন মহাপুরুষ। তিনি কি পদ্মশ্রী’ পেয়েছেন?  আমাদেরও তো জন্মদিন হয়, আমরা তো ঘরের মধ্যে করি। তাহলে উনি রাস্তায় জন্মদিন করতে এসেছিলেন কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Purba Bardhaman: মেমারীতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে ব্যাপক মারামারি, প্রচার না করেই ফিরেতে হল প্রার্থীকে

    Purba Bardhaman: মেমারীতে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে ব্যাপক মারামারি, প্রচার না করেই ফিরেতে হল প্রার্থীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের প্রথম প্রচারেই বিরাট অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হল তৃণমূল প্রার্থীকে। শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দলের কারণে দলীয় প্রার্থীকে ফিরতে হল কার্যত প্রচার না করেই। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মেমারীর গন্তারে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় চরম বিপাকের মধ্যে পড়ে অস্বস্তি বোধ করলেন বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শর্মিলা সরকার। যদিও তৃণমূলের পক্ষে ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

    তৃণমূলের দুই পক্ষের হাতাহাতির (Purba Bardhaman)

    লোকসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচারে এলাকার (Purba Bardhaman) কর্তৃত্ব থাকবে কার হাতে? প্রার্থী শর্মিলা সরকারের উপস্থিতিতেই মেমারীর বিধায়ক ও ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে প্রবল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা যায়। শুধু তাই নয়, কার্যত হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায় ঘটনা। দুই পক্ষের অনুগামীদের ধ্বস্তাধস্তি এবং মারামারিতে কার্যত প্রচার করতে পারলেন না প্রার্থী। এদিন পূর্ব নির্ধারিত প্রচার কর্মসূচী অনুযায়ী শনিবার সকালে মেমারীর গন্তার এলাকায় প্রচারে আসেন বর্ধমান পূর্বের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। সেখানে মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য ও মেমারী ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি নিতাই বন্দোপাধ্যায়ের অনুগামীদের মধ্যে ধ্বস্তাধস্তিতে বাধে। এরপরই কার্যত প্রচার না করেই এলাকা ছাড়তে হয় প্রার্থীকে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

    আরও পড়ুনঃ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য?

    বর্ধমান পূর্বের (Purba Bardhaman) তৃণমূল প্রার্থী শর্মিলা সরকার গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “কোনও রকম বচসা আমি দেখতে পাইনি। মারামারি হয়নি। দলীয় কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে বসে চা খাচ্ছিলাম। প্রচারের মাঝে একটু রেস্ট নিয়ে ছিলাম। সব ঠিক আছে।” আবার জেলার তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “আমাদের লোকসভা প্রার্থী এসেছেন প্রচার হয়েছে। ঝামেলার কোনও ঘটনা ঘটেনি।”

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলা (Purba Bardhaman) বিজেপির মুখপাত্র শান্তরূপ দে বলেন, “তৃণমূলের কাজ হল তোলাবাজি করা। এলাকা কাদের হাতে থাকবে এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দল হয়। মূলত প্রচার করা উদ্দেশ্য নয়। এলাকা কাদের দখলে থাকবে, তাই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘাত হয়। তৃণমূল ভালো করে জানে যে তারা হারবে। তাই প্রচারের নামে মানুষের মনে ভয় তৈরি করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    Mahua Moitra: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানের পর এবার কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রর পার্টি অফিসে হানা দিল সিবিআই। শনিবার সকালে কলকাতার আলিপুরে ডি এল মৈত্র নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। নিরাপত্তীরক্ষীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীই মহুয়া মৈত্রের বাবা। এবার একেবারে কৃষ্ণনগরে হানা দিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা।

    সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে “জয় বাংলা” স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের

    সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগরের সিদ্ধেশ্বরী তলায় মহুয়ার পার্টি অফিসে আসে সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল। ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলেছেন ৮ থেকে ১০ জন জওয়ান। তল্লাশি চলছে গোটা বাড়িতে। কৃষ্ণনগরের আগে সিবিআইয়ের একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। এরপরই কৃষ্ণনগরে আসে সিবিআইয়ের এতটি টিম। সিবিআই এর গাড়ি ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। এদিন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দলীয় কার্যালয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা তল্লাশি অভিযান চালানোর পর সিবিআই এর প্রতিনিধি দল যখন গাড়িতে করে রওনা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখন সিবিআই এর গাড়ির সামনে একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জড়ো হয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকে। 

    কেন তল্লাশি? (Mahua Moitra)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়কে সামনে রেখেই মহুয়া মৈত্রর বাবা দীপেন্দ্রলাল মিত্রের আলিপুরে ফ্ল্যাটে যান সিবিআই আধিকারিকেরা। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এমনিতেই প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু করে দিয়েছিল। সিবিআই  সূত্রের খবর, লিখিত নির্দেশে সিবিআইকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। পাশাপাশি, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত লোকপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    বাড়ির সামনে ভিড়

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর শোরগোল এলাকায়। উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে বাড়ির চারপাশে। তবে, কাউকেই ঢুকতে দিচ্ছেন না জওয়ানেরা। সূত্রের খবর, এই বাড়িতে মহুয়া (Mahua Moitra) খুব একটা থাকেন না। বেশিরভাগ সময় থাকেন করিমপুরের বাড়িতে। সিদ্ধেশ্বরী তলার পর সিবিআই করিমপুরের বাড়িতে যাবে কি না তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। যদিও সকালে জানা গিয়েছিল সেখানে যেতে পারে সিবিআই। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে নির্বাচনের সময় সিদ্ধেশ্বরী তলার এই বাড়ি থেকে কাজ করেছিলেন মহুয়া। সেই বাড়িতেই হানা দিল সিবিআই। এদিন সকালে করিমপুরের বাড়িতে ছিলেন মহুয়া। যদিও বর্তমানে সেই বাড়িতে পড়েছে তালা। সূত্রের খবর, বাড়িতে নেই মহুয়া। দলীয় প্রচারে গিয়েছেন সকালেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা’, নাম না করে মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা’, নাম না করে মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘আগামীদিনে জেলে কে ঢুকবে আর কে ঢুকবে না তা জানি না। তবে, কর্মরত মুখ্যমন্ত্রী যে গ্রেফতার হতে পারেন তার জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন কেজরিওয়াল ও হেমন্ত সোরেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিশ্চয়ই আগামীদিনে তিনি গ্রেফতার হবেন।’ শুক্রবার রাতে বালুরঘাটে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে একথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি আরও বলেন, ‘যতই কর কান্নাকাটি, মাফলারের পর এবার হাওয়াই চটির পালা। হাওয়াই চটি রেডি হয়ে যাক।’ মূলত, নাম না করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে সুকান্ত তোপ দেগেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    রাজ্যের ক্যাবিনেট মিটিং জেলে হতে পারে! (Sukanta Majumdar)

    গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি পঞ্চায়েতের বসাকপাড়া এবং শুকদেবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিপাড়ায় কর্মীসভা করেন সুকান্ত। তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দলীয় নেতা প্রদীপ সরকার, গৌতম রায় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি নিয়ে বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী বলেন, ‘কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির পর অনেকের খুব কষ্ট হচ্ছে বলে শুনছি। দোষ করলে শাস্তি তো পেতেই হবে। আইন সবার জন্য সমান।’ আগামীতে দেশে অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির সম্ভাবনা রয়েছে কি? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নিশ্চয়ই আগামীদিনে তিনি গ্রেফতার হবেন।’ কেজরিওয়ালের জেল থেকে সরকার চালানো প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতির (Sukanta Majumdar) বক্তব্য, ‘মুখ্যমন্ত্রী জেল থেকে সরকার চালাচ্ছেন এমন দৃশ্য হয়তো বিরোধীদের সৌজন্যে দেখতে হতে পারে। এরপর হয়তো পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ক্যাবিনেট মিটিং জেলে হচ্ছে, এমনটাও দেখতে হতে পারে।’

    কেন্দ্রের পাঠানো ৬৪ কোটি টাকা কোথায় গেল?

    এদিনের নির্বাচনী সভা থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগের সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তাঁত শিল্প অধ্যুষিত বসাকপাড়া এলাকার কর্মীসভা থেকে গঙ্গারামপুরে তাঁত শিল্পের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ‘আমি সাংসদ হওয়ার আগে গঙ্গারামপুরে তাঁত শিল্পের উন্নয়নে ৬৪ কোটি টাকা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু, সেই টাকা কোথায় গেল, আমরা কেউ জানি না। আগামীদিনে তাঁত শিল্পের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অধিকার ফেরাতে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কার ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অধিকার ফেরাতে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কার ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শিবির করে জনজাগরণের কাজ করছেন বিজেপির নেত্রী আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে শিবির করেছেন তিনি। ফের একবার আজ শনিবার আইনি সহায়তা দিতে সামাজিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে একটি ক্যাম্প করেন। এলাকার শত শত মানুষ নিজেদের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন এই ক্যাম্পে। তাদের এইসব অভিযোগ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে। এলাকার মানুষ নিজেদের অভিযোগ জানিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান চেয়েছেন। 

    এলাকায় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান-শিবু-উত্তম-সিরাজদের দৌরাত্ম্যে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। জোর করে জমি দখল, বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন থেকে শুরু করে সম্পত্তি দখল, এককথায় সব কিছু করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও এলাকার মানুষ কোনও সমস্যার সমাধান পাননি। এবার এই বিজেপি নেত্রীর ক্যাম্পে এলাকার মানুষের নিজেদের অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে লোকসভার আগে এই এলাকার হওয়া যে ঘুরছে, সেই কথা রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন। 

    ক্যাম্পে ছিলেন ২০ জন আইনজীবী (Sandeshkhali)

    গতকাল ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি নেত্রী আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে ২০ জন আইনজীবী এই ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন। এই ক্যাম্পে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অভিযোগ সংগ্রহ করেন তাঁরা। সারা দিনে এই ক্যাম্পে প্রচুর মানুষ নিজেদের অভিযোগ লিখিয়েছেন। এলাকার মানুষ ছোট ছোট টোকেন লিখে ক্যাম্পে এসে লাইন দিয়েছেন। এই শিবিরকে ঘিরে মানুষের এখন ব্যাপক আশা। 

    আরও পড়ুনঃ দেবের সামনেই ভোটের প্রচারে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোন্ডগোল

    কী বললেন প্রিয়াঙ্কা?

    আজ শনিবার এই ক্যাম্পে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। যাঁরা যাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সকলেরই জমি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sandeshkhali) জোর করে দখল করে নিয়েছে। এখনও বহু জমি তৃণমূল নেতাদের দখলেই। এই ক্যাম্পে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এই সমস্ত অভিযোগ কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা আকারে জমা করা হবে। এখানকার মানুষের প্রধান ভরসাস্থল হলাম আমরা। আমরা মানুষের অধিকার নিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Holi 2024: হোলিতে রং খেলার পর কীভাবে নিজেকে ঝকঝকে করে তুলবেন?

    Holi 2024: হোলিতে রং খেলার পর কীভাবে নিজেকে ঝকঝকে করে তুলবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্ত উৎসব বা হোলিতে (Holi 2024) অনেকেই চুটিয়ে রং খেলেন। বসন্তের আবির এবং পলাশ রঙে মেতে ওঠেন সকলে। কিন্তু এই আবহে চুল এবং ত্বকের যত্ন নেওয়া দরকার। রং খেলার পর নানা ভাবে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ত্বকে জ্বালা, ক্ষয় ইত্যাদি সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। কীভাবে যত্ন নেবেন একবার জেনে নিন। দেখে নিন, কীভাবে হয়ে উঠবেন সেই আগের মতো।

    কেন রং ক্ষতিকারক? (Holi 2024)

    উত্তরাখণ্ডের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আশা সাকলানি বলেছেন, “হোলিতে (Holi 2024) আবিরের সঙ্গে অনেক পরিমাণে শুকনো রং, পেইন্ট এবং ভেজা রং ব্যবহার করা হয়। আবির বা রঙে প্রচুর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। দাম কম হওয়ায় বেশি পরিমাণে ব্যবহার হয় এগুলি। কিন্তু এতে বেশি পরিমাণে ক্ষতিকারক রাসায়নিক দেওয়া থাকে। ত্বক ও চুলের জন্য অনেক ক্ষতি করে।” তাই বসন্তের দোল উৎসবে (Holi 2024) রং খেলার সময় খুব সর্তকতা এবং নিয়ম মানলে ত্বককে ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা যায়। তবে কোনও বিশেষ রোগ থাকলে রং না খেলাই ভালো। ভেষজ রং বা আবির ব্যবহারের দিকে নিজর রাখতে হবে।

    ময়েশ্চারাইজার মাখুন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাড়ির ছোট থেকে বড় সকলের ময়েশ্চারাইজার মেখে দোলে (Holi 2024) রং খেলা উচিত। শুধু মুখে নয়, সারা শরীরে এটি মেখে রং খেলুন। ফলে ত্বকের মধ্যে রং বসে যাবে না এবং ক্ষতি কম করবে। তাড়াতাড়ি রং ওঠার ক্ষেত্রে ভীষণ সুবিধাজনক হবে। তবে স্টেরয়েড ধর্মী কোনও ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো।

    নারকেল তেল মাখুন

    দোলে (Holi 2024) রং খেলার আগে কোনও রকম শ্যাম্পু ব্যবহার করার দরকার নেই। এতে মাথার তালু শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। নারকেল তেল, জোজোবা অয়েল এক সঙ্গে মিশিয়ে দোলের আগের দিন রাতে চুলে ভালো করে মাখতে হবে। শুষ্ক ভাব থাকবে না এবং চুলের ক্ষতি কম হবে।  এতে রং চুলের ক্ষতি কম করবে। হোলির দিনে রং মাখার আগে শরীরে সানস্ক্রিন ভালো করে মেখে নিন। রং খেলার অন্তত দু’দিন আগে থেকে প্রস্তুতি নিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

    কীভাবে রং তুলবেন?

    হোলিতে রং খেলার (Holi 2024) পর চুল থেকে তা সঠিক ভাবে পরিষ্কার করতে প্রথমে একটি শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে চুলগুলিকে পরিষ্কার করুন। এতে লেগে থাকা শুষ্ক রং পড়ে যাবে। তারপর শুধুমাত্র হালকা গরম জল দিয়ে ভালো করে চুলগুলিকে ধুয়ে ফেলতে হবে। ফলে চুলে আটকে থাকা অতিরিক্ত রং ও ময়লা ঝরে যাবে। এরপর হালকা বা হার্বাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে হবে। আর সম্ভব হলে চুল ধোয়ার পর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। এই ভাবে আপনার চুলে ক্ষতি কম হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “শাহজাহানের ঘনিষ্ঠরা অত্যন্ত প্রভাবশালী”, আদালতে বললেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    Sandeshkhali: “শাহজাহানের ঘনিষ্ঠরা অত্যন্ত প্রভাবশালী”, আদালতে বললেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনার মূল অভিযুক্ত শাহজাহান শেখ ও তাঁর ভাই শেখ আলমগীর- সহ নয় জন অভিযুক্তকে তোলা হয় বসিরহাট মহকুমা আদালতে। এরপর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে শেখ শাহজাহান, মেহেবুর মোল্লা ও সুকমল সর্দারকে আরও ছ’ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়। তবে সিবিআইয়ের এই আবেদনের বিরোধিতা করে জামিনের দাবিতে  আবেদন করেন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা।

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী? (Sandeshkhali)

    জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘জিয়াউদ্দিন মোল্লা, দিদার বক্স মোল্লা, ফারুক আকুঞ্জি,শেখআলমগীর, সিরাজুল মোল্লারা শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওদেরও সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। জামিনে ছাড়া পেলে মামলার নথি, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হতে পারে।’ এরপর বিচারক শেখ শাহজাহান, মেহেবুর মোল্লা ও সুকমল সরদারকে আরও ছ’ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়াও দিদার বক্স মোল্লা ও জিয়াউদ্দিন মোল্লার চার দিনের সিবিআই হেফাজত, শেখ আলমগীর ও মাফুজার মোল্লার ন’ দিনের সিবিআই হেফাজত ও বাকি অভিযুক্তদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পরই ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করে সিবিআই

     গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। বসিরহাট আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। সিআইডি-র হেফাজতে ছিলেন তিনি। পরে কলকাতা হাইকোর্ট শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে বলে। হিসাব মতো, শাহজাহানকে হেফাজতে পাওয়ার পরেই সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে তৎপর হয়েছে সিবিআই। পর পর দু’দিন তারা সন্দেশখালিতে গিয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় দিন শাহজাহানের বাড়ি, বাজার, অফিসে তল্লাশিও চালানো হয়েছে। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিবিআই সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকা কার্যত চষে ফেলেছে। এমনকী, ডুগরিপাড়া গ্রামে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এরপরই শাহজাহানের ভাই আলমগীর সহ বাকি অভিযুক্তদের ইডি হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    Bankura: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দপুর ব্লকের শালডিহা কলেজের অধ্যক্ষ তথা স্কুল সার্ভিস কমিশনের পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সেখ সিরাজউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হল। নিজের সরকারি পদ ব্যবহার করে স্ত্রীকে বেনিয়মে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। তিনি রাজ্য পুলিশের সিআইডির হাতে গ্রেফতার হন। শুক্রবার বাঁকুড়া তোলা হলে বিচারক ২৭ মার্চ পর্যন্ত সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    কী অভিযোগে গ্রেফতার? (Bankura)

    স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে বাতিল হওয়া প্যানেলের ভিত্তিতে নিজের স্ত্রী জেসমিন খাতুনকে ২০১৯ সালে বেআইনিভাবে প্যানেলভুক্ত করে চাকরি পাইয়ে দেন তৎকালীন শিক্ষা দফতরের চেয়ারম্যান শেখ সিরাজউদ্দিন। পরে, শিক্ষা দফতরের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বাঁকুড়া (Bankura) সদর থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এরপর সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডি-র হাতে। দুর্নীতির তদন্তে নেমে সিআইডি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের ২১ তারিখ নাগাদ বাঁকুড়ার ধরেই ইন্দপুর ব্লকের ভাতড়া শ্রীদুর্গা একটি বিদ্যায়তন হাইস্কুল থেকে সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষিকা জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করে। সূত্রের খবর, স্ত্রীর গ্রেফতারির আগে থেকেই শেখ সিরাজউদ্দিন নিজের আগাম জামিনের চেষ্টা চালান। তবে আদালতে তা মঞ্জুর না হওয়ায় তিনি আত্মগোপন করেন বলে খবর। অন্যদিকে, এ সবের মধ্যেই শালডিহা কলেজের একটি বিজ্ঞপ্তি ঘিরে বিতর্ক শুরু হলে নড়েচড়ে বসে সিআইডি। অভিযুক্ত শেখ সিরাজউদ্দিনকে সিআইডি গ্রেফতার করে।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে মন্ত্রীর বাড়িতে ১৪ ঘণ্টা তল্লাশি ইডি-র, বাজেয়াপ্ত ৪১ লক্ষ টাকা

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী?

    স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সরকার পক্ষের আইনজীবী রবীনকুমার দে বাঁকুড়া (Bankura) আদালত চত্বরে বলেন, ‘বেআইনিভাবে কে নিজের স্ত্রীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য স্কুল শিক্ষা দফতরের তৎকালীন পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের চেয়ারম্যান শেখ সিরাজউদ্দিনের নামে অভিযোগ ওঠে। এরপরেই তদন্তভার নেয় সিআইডি। এবার অভিযুক্তকে সিআইডি গ্রেফতার করে। শুক্রবার আদালতে তোলা হয়। আদালত পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share