Tag: Bengali news

Bengali news

  • Rahul Gandhi: বীরভূমে ‘ন্যায় যাত্রায়’ আপত্তি পুলিশের, রাহুলের কর্মসূচি ঘিরে সংশয়!

    Rahul Gandhi: বীরভূমে ‘ন্যায় যাত্রায়’ আপত্তি পুলিশের, রাহুলের কর্মসূচি ঘিরে সংশয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ থেকেই রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ করতে বাধা দিয়েছিল মমতার পুলিশ। কোচবিহারে খুলে নেওয়া হয়েছিল মঞ্চ। মালদায় সরকারি গেস্ট হাউসে মধ্যাহ্ন ভোজনের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। এবার দক্ষিণবঙ্গের বীরভূমে রাহুলের সেই ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি ধাক্কা খেল। ২ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ঢুকছে বীরভূমে। সে জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা কংগ্রেস। কিন্তু, ওই দিনই মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রাহুলের যাত্রার অনুমোদন দিল না মমতার পুলিশ। এই অবস্থায় ২ তারিখ রাহুলের কর্মসূচি নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) “ন্যায় যাত্রায়” আপত্তি পুলিশের

    মুর্শিদাবাদের পর ২ তারিখ রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রা বীরভূমে ঢোকার কথা। জেলা কংগ্রেস সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম, এড়োয়ালি, আওগ্রাম, মাঝিপাড়া মোড় হয়ে বীরভূমের তারাপীঠ থানার বুধিগ্রামে তা পৌঁছনোর কথা। ন্যায় যাত্রার অনুমতি চেয়ে সাত দিন আগে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্য পুলিশের ডিআইজি, আইজি-র কাছে সমস্ত রকম সহযোগিতা চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি জেলা পুলিশ সুপার এবং রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত হওয়ার কথা। ওই দিনই মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। সেই কারণে প্রশাসনের কাছে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র র‍্যালির জন্য সমস্ত রকম সহযোগিতার জন্য আবেদন জানানো হয়। রাহুলের সফর ঘিরে সংশয় দেখা দিলেও জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। জেলায় প্রচারও শুরু হয়ে গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় বিশেষ করে রামপুরহাট শহরের জনবহুল মোড়ে রাহুলের ন্যায় যাত্রার ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য কোনও রকম সভা বা মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। র‍্যালি হলে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবে কী করে? কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছিল। আপত্তির কথা জানানো হয়েছে।

    জেলা কংগ্রেস সভাপতি কী বললেন?

    বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদ বলেন, আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রার বার্তা জনগণের কাছে দিতে চাইছি। প্রশাসনের সঙ্গে কোনও রকম দ্বন্দ্বে আমরা যেতে চাই না। কর্মসূচি অনুযায়ী রাহুল গান্ধী শুধুমাত্র গাড়ি নিয়ে র‍্যালি করবেন। কোথাও কোথাও নেমে হয়তো মানুষের সঙ্গে হাত মেলাবেন। কিন্তু, কোনও পথসভা করার কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। মাইকও ব্যবহার হবে না। যাত্রাপথে মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্রের এক কিলোমিটার দূর থেকে কর্মীরা চুপচাপ থেকে কোনও রকম আওয়াজ না করে রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিকস্তরে একাধিক রদবলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবান্ন থেকে রাজ্যে একাধিক আইএএস, আইপিএস এবং ডব্লুবিসিএস অফিসারদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনায় বসিরহাটের এসপি জোবি থমাসকে বদলি করা হল এবার। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির তদন্তকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শাহজাহানের অনুগামীরা ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত হয়ে হামলা করেছিল। ঘটনায় ইডির তিন জন অফিসারের মাথা ফেটেছিল। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশনের নজরদারি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কি আগেভাগে এসপি’কে বদলি করা হল? এমন প্রশ্ন স্বাভাবিক কারণেই উঠতে শুরু করেছে।

    একই ভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তা হিসাবে নতুন দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম। সব মিলিয়ে বুধবার মোট ৪৫ জন আইপিএস অফিসারকে বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন অফিসারের বদলি হল (West Bengal Police)?

    লোকসভা ভোটের আগে একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের (West Bengal Police) রদবদল করা হল। আইবি দফতর থেকে মনোজ ভার্মাকে বদলি করা করা হয়েছে আইজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর কমিশনারেটরের অনেক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। আবার একই সঙ্গে বারাসত, বনগাঁ, কালিম্পং, বসিরহাটেও বেশ কিছু জেলা পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের ডিসি উত্তর পদে থাকা তরুণ হালদারকে বদলি করা হয়েছে সিআইডির ডিআইজি দফতরে। ডিসি দক্ষিণ-পূর্ব শুভঙ্কর ভট্টাচার্যকে কলকাতার পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে। আবার বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে পাঠানো হচ্ছে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল পদে। একই সঙ্গে ডব্লুবিপিএস অফিসার সুমন্ত কবিরাজকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদ থেকে সরিয়ে পাঠানো হল বনগাঁ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদে।

    জেলাশাসক বদল

    রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকের (West Bengal Police) সঙ্গে সরকারি আমলাদের ক্ষেত্রেও বদল করা হয়েছে। বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে বদল করা হয়েছে। আগে বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাজ সামলাবেন। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝিকে বদল করা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক অতরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদেরও এদিন বদল করা হয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে এই বদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ভোট কৌশলীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: নিখোঁজ নাবালিকার দেহ মিলল ঝোপে, মুণ্ড ছোড়া হল বাড়ির ছাদে

    Malda: নিখোঁজ নাবালিকার দেহ মিলল ঝোপে, মুণ্ড ছোড়া হল বাড়ির ছাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রথমে অপহরণ করা হয়। পরে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এরপরই নৃশংসভাবে ১০ বছরের নাবালিকা ছাত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী এক যুবকের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) ইংরেজবাজার থানার বালুচর এলাকায়। নিখোঁজ হওয়া নাবালিকা স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পরে, এলাকারই একটি বাড়ি থেকে কাটা মুণ্ড উদ্ধার হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Malda)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা নাবালিকা মালদার (Malda) একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করত। তার বাবা পেশায় একজন ব্যবসায়ী। দুদিন আগে কিশোরীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায় এক প্রতিবেশী। তারপরই তাকে অপহরণ করার অভিযোগ ওঠে। জানা গিয়েছে, সনু কেশরি নামে অভিযুক্ত যুবকের একটি গুদাম ঘর রয়েছে। সেখানেই ওই ছাত্রীকে আটকে রাখা হয়। এরপরই সেখানে তার ওপর শারীরীক নির্যাতন চালানো হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দেওয়া হয়। তারপরও নাবালিকার খোঁজ দিতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের হাতে সেই সময় তুলে দেওয়া হয় সিসিটিভি ফুটেজও। সেই ফুটেজের উপর ভিত্তি করে তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর বুধবার গভীর রাতে উদ্ধার হয় নাবালিকার মুণ্ডহীন দেহ। মাথা পাওয়া যায় সেই এলাকারই একটি বাড়ির ছাদ থেকে। আর সব থেকে চাঞ্চল্যকর বিষয়, যে বাড়ির ছাদ থেকে মেয়েটির মাথা উদ্ধার হয়েছে, তার নাকের ডগায় পুলিশ লাইন এবং ইংরেজবাজার থানা। গোটা ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরপরই এলাকার লোকজন অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। জিনিসপত্র বাড়ি থেকে ভাঙচুর করে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেয়। এমনকী ইংরেজবাজার থানায় এসেও বিক্ষোভ দেখানো হয়।

    ফাঁসির দাবিতে সরব এলাকাবাসী

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য, অভিযুক্ত যুবক বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার পর নাবালিকাকে কেন খুন করল? আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। তিন মাস পর অভিযুক্ত যুবক জামিন পেয়ে গেলে আমরা প্রশাসনকে ছেড়ে কথা বলব না। আমরা ধৃতের ফাঁসি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুই নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, ব্যাপক ক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    North 24 Parganas: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ দুই নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ, ব্যাপক ক্ষোভ গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির উপর আক্রমণের পর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। রাজ্যের পুলিশ তাঁর কোনও খোঁজ দিতে পারেনি। অপর দিকে এই প্রতাপশালী নেতার ঘনিষ্ঠ আরও দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বুধবার সন্দেশখালির (North 24 Parganas) সাধারণ মানুষ পথে নেমে তীব্র বিক্ষোভ দেখালেন। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, এলাকায় মানুষের জমি জোর করে দখল করে নোনাজল ঢুকিয়ে মাছের চাষ করা চলছে। কিন্তু মানুষের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করা হয়েছে। প্রতিবাদে শতাধিক মানুষ সন্দেশখালি বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় আজ।

    জানানো হয় লিখিত অভিযোগ (North 24 Parganas)

    সন্দেশখালি (North 24 Parganas) ২ ব্লকের বিডিও এবং ব্লক ভূমি দফতরে এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে বলেন, “৭ নম্বর কলোনিতে উত্তম সর্দার ১৫০ বিঘা এবং ৮ নম্বর কাছারিপাড়ায় ৩০০ বিঘা জমি কেড়ে নিয়েছে। এখন এই জমিতে চলছে মাছের চাষ। গ্রামের মানুষকে বিঘা প্রতি ৬০০০ টাকা করে ইজারা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অল্প কিছু মানুষকে দিলে বাকি কাউকেই প্রাপ্য টাকা দেওয়া হয়নি। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দুটি খালও দখল করে নিয়েছে এই দুই তৃণমূল নেতা। থানা, ব্লক, এবং ভূমির অফিসে অভিযোগ জানালেও কোনও লাভ হয়নি।”

    এলাকাবাসীর বক্তব্য

    এলাকার স্থানীয় (North 24 Parganas) মলিন সিংহ বলেন, “আমাদের কাছ থেকে গড়ে এক বিঘা করে জমি দখল করে নিয়েছে এই তৃণমূলের নেতারা। ইজারার টাকা চাইতে গেল দেওয়া হয় হুমকি।” আবার এলাকার বিডিও অরুণ কুমার সামন্ত জানিয়েছেন, “একটি অভিযোগপত্র জমা পড়েছে, ব্লকের ভূমি দফতরকে বিষয়টি দেখতে বলেছি।” আবার পুলিশ জানিয়েছে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির (North 24 Parganas) উত্তম সর্দার এবং শিবপ্রসাদ হাজরার বিরুদ্ধে মূলত অভিযোগ। একজন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি এবং আরেকজন জেলা পরিষদের সদস্য। উত্তম বলেন, “টাকা অনেককে দিয়েছি, কিছু লোকের টাকা বাকি আছে। এখন মাছের দাম কম। কয়েকমাস পর দাম বাড়লে মাছ বিক্রি করে টাকা দিয়ে দেবো। কিন্তু সিপিএম-বিজেপি ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছে। সন্দেশখালি হল শাহজাহানের ঘাঁটি। বিরোধীরা কিছুই করতে পারবে না।” আবার এলাকার তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

    বিজেপির বক্তব্য

    এলাকার (North 24 Parganas) বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহ বলেন, “যাঁদেরকে তৃণমূল অত্যাচার করছে, তাঁরা এখন পথে নেমে আন্দোলন করছেন। এটা ট্রেলার, এরপর তৃণমূলের নেতারা পালানোর জায়গা পাবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুর স্কুলকাণ্ডে প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

    South 24 Parganas: নরেন্দ্রপুর স্কুলকাণ্ডে প্রধান শিক্ষককে সাসপেন্ড করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুর বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দিরে হামলার ঘটনায় প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। অবিলম্বে ঘটনায় অভিযুক্ত সকলকে গ্রেফতার করার আদেশও দিয়েছে কোর্ট। এবার তাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমদকে সাসপেন্ড করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। অপর দিকে তদন্তের কিছু অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর পুলিশ ইনস্পেক্টরকে এই থানায় রেখে দেওয়ার নির্দেশ নিয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু।

    এফআইআর-এ নাম রয়েছে প্রধান শিক্ষকের

    গত শনিবার ২৭ জানুয়ারি নরেন্দ্রপুরের (South 24 Parganas) বলরামপুর হাইস্কুলে একদল বহিরাগত আক্রমণ চালিয়েছিল। নিগৃহীত হন স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা। একই ভাবে কয়েকজন শিক্ষিকাকে শারীরিক ভাবে সম্ভ্রমহানিও করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে এফআইআর-এ রয়েছে স্কুলের প্রধান শিক্ষক, স্থানীয় বনহুগলি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য এবং স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির দুই আরও সদস্যের নাম। এই চারজনকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

    আরেক শিক্ষককে করা হল স্কুলের সুপারভাইজার

    সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। এই অবস্থায় স্কুল (South 24 Parganas) চলবে কী করে? স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে স্কুলের পরিচালনা কে করবেন? কোর্টের নির্দেশে স্কুলের আরেক শিক্ষক শিবনাথ চাটুইকে সুপারভাইজার করা হয়েছে। তবে স্কুলের হামলার ঘটনায় সকল অভিযুক্তকে এখনও পর্যন্ত পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রধান শিক্ষক নিজেও নিখোঁজ। তাই তাঁর ভাই ওই স্কুলের পার্শ্বশিক্ষকের হাতেই স্কুলের চাবি পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    এসপি হাজিরা দিয়ে কী বলেছিলেন?

    হাইকোর্টের ভার্চুয়াল হাজিরাতে বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশের এসপি পলাশচন্দ্র ঢালি জানিয়েছেন, “এফআইআরে নাম থাকা দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” কিন্তু বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছেন, “মাধ্যমিক শুরু হওয়ার আগে গ্রেফতার করুন। পঞ্চায়েত সদস্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ছেড়ে রাখা যাবে না। পরীক্ষার সময় গোলমাল হতে পারে।”

    উল্লেখ্য স্কুলের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু স্কুলের আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা একথা অস্বীকার করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কথা ফাঁস হওয়ায় পরিকল্পনা করে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে স্কুলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: লোকাল ট্রেনেই প্রথম শ্রেণির পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা, টিকিট কাটার হিড়িক!

    Ranaghat: লোকাল ট্রেনেই প্রথম শ্রেণির পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা, টিকিট কাটার হিড়িক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকাল ট্রেনে বিশেষ পরিষেবা দেখে আপ্লুত যাত্রীরা। ২৮ জানুয়ারি সাংসদ জগন্নাথ সরকার নদিয়ার (Ranaghat) রানাঘাটে শিয়ালদা মাতৃভূমি লেডিস স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করেন। সপ্তাহে রবিবার বাদে প্রতিদিনই রানাঘাট স্টেশন থেকে ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি ছাড়বে, যার গন্তব্য শিয়ালদা পর্যন্ত। আর তারপর থেকেই লোকাল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরায় ওঠার জন্য যাত্রীদের মধ্যে হিড়িক পড়ে গিয়েছে। ভাড়া বেশি হলেও কুছ পরোয়া নেহি। ভিড় ঠেলে ঝুলতে ঝুলতে যাওয়ার থেকে বেশি ভাড়া দিয়ে আরাম করে বসে যাওয়ার সুবিধা নিতেই বেশি পছন্দ করছেন যাত্রীরা। এমনকী যাত্রা পথে এই লোকাল ট্রেন দেখতেও স্টেশনে স্টেশনে ভিড় হচ্ছে। আর প্রথম শ্রেণির কামরায় ওঠার জন্য যাত্রীরা বেশি ভাড়া দিয়ে টিকিটও কাটছেন।

    যাত্রীরা কী বললেন? (Ranaghat)

    নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) শিয়ালদা মাতৃভূমি লেডিস স্পেশাল ট্রেনটি আগে ৯ কামরার ছিল। এখন তা বেড়ে ১২ কামরার করা হয়েছে। এই ট্রেনটিতে রয়েছে দুটি স্পেশাল কোচ। রয়েছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি। লোকাল ট্রেনে গদি আঁটা আসন, মেঝেতে পাতা কার্পেট। সঙ্গে সুরক্ষার আঁটসাঁট ব্যবস্থা। বিশেষ করে সিসি টিভি ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক সুবিধা রয়েছে। যদিও ভাড়ার তরিতফাত রয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি যাত্রীরা। সুশ্বেতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক যাত্রী বলেন, ‘কামরাগুলি অত্যন্ত সুন্দর। গদি আঁটা আসন। ফলে দূরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বিস্তর। দূরযাত্রার ক্ষেত্রে সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করছি।’ সুদেষ্ণা দত্ত নামে এক যাত্রীর কথায়, লোকাল ট্রেনে এরকম পরিষেবা আমরা ভাবতেই পারছি না। খুব ভালো উদ্যোগ। আমাদের মতো নিত্যযাত্রীরা খুব খুশি। তবে, যাত্রীদের বক্তব্য, ‘রেল মন্ত্রক এই ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। এখন সাধারণ মানুষের কর্তব্য এই ট্রেনগুলিকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখার। তবে, কতটা পরিচ্ছন্ন রাখা হবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মমতার জেলা সফরের দিনই এলোপাথাড়ি গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন

    Murshidabad: মমতার জেলা সফরের দিনই এলোপাথাড়ি গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের পর এবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থানার আমানিগঞ্জ। বুধবার রাতে এলোপাথাড়ি গুলিতে তৃণমূল কর্মীকে ঝাঁঝরা করে দিল দুষ্কৃতীরা। মৃতের নাম শ্যামবাবু রায়। সব থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বুধবারই জেলা সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক বৈঠক সেরে চলে যাওয়ার পর রাতেই তৃণমূল কর্মীকে খুন করা হয়। আর অভিযোগের তির তৃণমূলের আরেক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তারা এখন নির্দল করে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কিছুদিন আগে বহরমপুরে তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরীকে গুলি করে খুন করা হয়। তারপরই ফের তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা ঘটল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) আমানিগঞ্জ এলাকায় তৃণমূল কর্মী শ্যামবাবু রায়ের সঙ্গে তৃণমূলের আর এক গোষ্ঠীর বিবাদ চলছিল। টিকিট না পেয়ে তারা নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছিল। আর শ্যামবাবু তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে ভোটে খেটেছিলেন। কিন্তু, গ্রামে নির্দল প্রার্থী জয়লাভ করে। ফলে, নির্দলরা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াতে থাকে। মাঝে মধ্যে গন্ডগোল লেগেই থাকত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামবাবুর গ্রামে একটি বাড়িতে বিয়ের নিমন্ত্রণ ছিল। সেখানে দাদার সঙ্গে তিনি খেতে যান। হামলাকারীদের সেই বিয়ে বাড়িতে নিমন্ত্রণ ছিল। সেখানে পটকা ফাটানো নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, মিটেও যায়। এরপর শ্যামবাবু বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা তাঁকে রাস্তাতেই আটকায়। প্রথমে বেধড়ক মারধর করে। পরে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করা হয়। এরপরই হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালায়।

    চোখের সামনে ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল ওরা

    নিহত তৃণমূল কর্মীর দাদা রামেশ্বর রায় বলেন, আমার ভাইয়ের পাঁচ মাসের সন্তান রয়েছে। ভাই মন দিয়ে তৃণমূল দলটা করত। হামলাকারীরা আগে তৃণমূল করত। এখন ওরা নির্দল করে। মাঝে মধ্যে ওরা মিটিং করে গ্রামে অশান্তি তৈরি করে। ভাইয়ের সঙ্গে আমি নিমন্ত্রণ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। রাস্তাতেই ওরা আমাদের আটকায়। আমি কিছুটা পিছনে ছিলাম। ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখে আমি এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ দেখানোর সাহস পাইনি। আমি ছুটে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচাই। চোখের সামনে ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল ওরা। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, হামলাকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren arrested: ইডির হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

    Hemant Soren arrested: ইডির হাতে গ্রেফতার ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দুর্নীতিকাণ্ডে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে পদত্যাগও করেছেন তিনি। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন চম্পাই সোরেন। জানা গিয়েছে ইতিমধ্যে হেমন্ত সোরেনের বাড়ির আশেপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কাউকে ভিড়ও করতে দেওয়া হচ্ছে না। এবং ওই এলাকাটি ঘিরে রয়েছেন কেন্দ্রীয় জওয়ানরা। চলছে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি। ইন্ডি জোটের অন্যতম মুখ ছিলেন ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরেন। দুর্নীতির দায়ে তিনি গ্রেফতার হলেন বুধবার। অন্যদিকে রবিবারই ইন্ডি জোটের অন্যতম কারিগর নীতীশ কুমার ফিরেছেন তাঁর পুরনো শিবিরে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, লোকসভা নির্বাচনের আগে যথেষ্ঠ ব্যাকফুটে ইন্ডি জোট।

    বাড়ি থেকেই গ্রেফতার

    প্রসঙ্গত, জমি দুর্নীতিকাণ্ডে হেমন্ত সোরেনকে (Hemant Soren arrested) একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। বিগত কয়েক দিন ধরে দুর্নীতির দায়ে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতারের সম্ভাবন ক্রমশই বাড়ছিল। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর বহুমূল্যের গাড়িও। দিল্লির বাড়িতে চলে তল্লাশি। দু দিন কার্যত আত্মগোপন করে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। এর পর এ দিন সকালে তাঁর খোঁজ মিলতেই হেমন্ত সোরেনের বাড়িতে যায় ইডি-র সাত সদস্যের একটি দল। আরও এক দফা জিজ্ঞাসাবাদের পর শেষ পর্যন্ত গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেন ইডি কর্তারা।

    মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা

    গ্রেফতার হতে হবে জানতে পেরে রাজভবনে গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren arrested)। এর পরই তাঁকে হেফাজতে নেয় ইডি। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা এবং জোট শরিক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে চম্পাই সোরেনের নাম পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যপালের কাছে জমা দেওয়া হয়। কোনও কোনও মহল থেকে ভাবা হয়েছিল স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে হয়তো মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসাবেন হেমন্ত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিবহণ মন্ত্রী চম্পাই সোরেনকে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপি কর্মীর খুনকে দুর্ঘটনা বলে প্রতিপন্ন করতে চাইছে পুলিশ”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপি কর্মীর খুনকে দুর্ঘটনা বলে প্রতিপন্ন করতে চাইছে পুলিশ”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীর খুনের ঘটনাকে পুলিশ দুর্ঘটনা বলে প্রতিপন্ন করতে চাইছে। কার্যত পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্যে আগেও ভোট পরবর্তী হিংসা, পঞ্চায়েত নির্বাচন, পুরনির্বাচনে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ এবং হত্যার ঘটনায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ কর্মসূচি করতে দেখা যায় বিজেপিকে। এবার শালবনীর মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এই সঙ্গে পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    আজ বুধবার শালবনীতে মৃত বিজেপি কর্মী মিঠুন খামরুইয়ের বাড়িতে গিয়ে নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, “পরিকল্পনা করে বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। সকাল থেকে পুলিশের যে কাজ করা দরকার ছিল, সেই কাজ করেনি। পুলিশ এককভাবে দায়িত্ব নিয়ে খুনকে আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা বলে প্রতিপন্ন করতে চাইছে। এর পিছনে শাসক দলের তৃণমূল দুষ্কৃতীরা রয়েছে। কিন্তু পুলিশ দোষীদের আড়াল করতে চাইছে। বিজেপি পরিবারের পাশে সব সময় থাকবে। সবরকম সহযোগিতা আমরা করব।”

    কীভাবে উদ্ধার মৃতদেহ?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার একটি মেলা চলছিল এলাকায়। সেখানেই গিয়েছিলেন বিজেপি কর্মী মিঠুন খামরুই। রাতে আর তিনি বাড়িতে ফেরেননি। মঙ্গলবার পরের দিন সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয় শালবনীর ভাদুতলা থেকে কর্ণগড় যাওয়ার রাস্তায় একটি কালভার্টের নীচে থেকে। যদিও এই মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। আবার বিজেপি কর্মীর ছেলে সৌভিক খামরুই জানিয়েছেন, “বাবাকে খুন করা হয়েছে। তবে কারা করেছে বলতে পারছি না।” তবে স্থানীয় বিজেপির দাবি, তাঁকে পরিকল্পনা করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। দলের মৃত কর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন এদিন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: উপাচার্য থেকে স্বাস্থ্য অধিকর্তা, একাধিক স্থায়ী পদ ফাঁকা! কোথায় প্রশাসনের সক্রিয়তা?

    West Bengal Health: উপাচার্য থেকে স্বাস্থ্য অধিকর্তা, একাধিক স্থায়ী পদ ফাঁকা! কোথায় প্রশাসনের সক্রিয়তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থায়ী নিয়োগ নেই। যার ফলে স্বাস্থ্য দফতরের নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আটকে থাকছে। এমনই অভিযোগ উঠছে প্রশাসনের অন্দরে। প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায়।

    কী অভিযোগ উঠছে? (West Bengal Health)

    রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের মূল গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদেই স্থায়ী নিয়োগ নেই দীর্ঘদিন। গত পাঁচ মাস রাজ্যের স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য নেই। তিন মাস রাজ্যের স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তার স্থায়ী নিয়োগ হয়নি। আর সাত মাস ধরে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ স্বাস্থ্য অধিকর্তার স্থায়ী আসন ফাঁকা। আর এর জেরেই বাড়ছে জটিলতা। 
    প্রশাসনের একাংশ জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় আটকে থাকছে একাধিক সিদ্ধান্ত। বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচি থেকে পরীক্ষাপদ্ধতি, কোনও বিষয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।‌ পাশপাশি, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা না থাকায় রাজ্যের একাধিক মেডিক্যাল কলেজের কাজ আটকে রয়েছে। শিক্ষক-চিকিৎসকদের বদলি থেকে মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়াদের একাধিক সমস্যার সমাধানে কোনও কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।‌ কারণ, স্থায়ী স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা (West Bengal Health) না থাকায় কাজ আটকে যাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি‌ সমস্যা হচ্ছে স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদ‌ ফাঁকা থাকায়। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিন্তু মাসের পর মাস এই পদ ফাঁকা রয়েছে। ফলে শহর থেকে জেলা, রাজ্যের সমস্ত সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামোগত এবং পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত আটকে থাকছে। কাজ‌ বন্ধ থাকছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্য পরিষেবায়।

    কেন কাঠগড়ায় প্রশাসনের সক্রিয়তা? (West Bengal Health)

    রাজ্যের সরকারি চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মাসের পর মাস তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ ফাঁকা থাকলেও স্থায়ী নিয়োগ নিয়ে কোনও সক্রিয়তা দেখাচ্ছে না প্রশাসন।‌ অভিযোগ, রাজ্যের শাসক দলের একাংশ চিকিৎসা ব্যবস্থার সবটুকু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতেই স্থায়ী নিয়োগে অনিহা দেখাচ্ছে। রাজ্যের শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েক মাস আগে স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা পদে স্থায়ী নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরে মাসের পর মাস কেটে গিয়েছে। কিন্তু নিয়োগ‌ হয়নি। শিক্ষক-চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করে এই পদে নিয়োগ করা‌ হয়। রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশের প্রশ্ন, প্রশাসন‌ (West Bengal Health) কি একজনও যোগ্য শিক্ষক-চিকিৎসক বাছাই করতে পারল না?

    কী বলছে রাজ্য প্রশাসন? (West Bengal Health)

    রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা অবশ্য এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা (West Bengal Health) জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও প্রভাব পড়ছে না।‌ নিয়মমাফিক কাজ হচ্ছে। তবে, গুরুত্বপূর্ণ পদে দ্রুত স্থায়ী নিয়োগ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share