Tag: Bengali news

Bengali news

  • Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভুয়ো ইডির অফিসারের (Fake ED officer) পরিচয় দিয়ে বিয়ে করার চেষ্টা এক যুবকের। সেইসঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে যুবক। অভিযুক্তকে একেবারে হাতেনাতে ধরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনেই গণপ্রহার করল প্রতারণার শিকার মেয়ের পরিবার। অভিযুক্ত অবশ্য স্বীকার করেছে আগেও তিনটি পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অভিযুক্তের পরিচয় কী (Fake ED officer)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ন’মাস আগে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তরুণীর সঙ্গে আলাপ হয়। ভুয়ো ইডি অফিসার যুবকের (Fake ED officer) নাম প্রদীপ সাহা। নিজেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এরপর দুই পরিবারেরে মধ্যে সেই মতো কথাবার্তাও এগিয়ে যায়। অভিযুক্তের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে।

    তরুণীর পরিবারের অভিযোগ

    ঘটনায় প্রতারিত তরুণীর অভিযোগ হল, “প্রদীপ নিজেক ইডির (Fake ED officer) তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল। ইতিমধ্যে বিবাহের কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়েও নিয়েছে। এরপর তার আচরণে সন্দেহ হলে হাত-পা বেঁধে সোজা ইডির দফতর সিজিও-তে নিয়ে আসা হয় প্রদীপকে। সঙ্গে ছিলেন তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু দফতরে আনার পর প্রদীপের পরিচয় জানা গেল, সে কোনও ইডির অফিসার নয়। এরপর শুরু হল বেধড়ক মারধর।”

    তরুণীর ভাইয়ের বক্তব্য

    তরুণীর ভাই দেবজিৎ সাহা জানিয়েছেন, “সাদি ডট কম ওয়েব সাইট থেকে আমাদের পরিবারের সঙ্গে আলাপ হয়। বিয়ের কথা ঠিক হলে বিয়ের জন্য কার্ড ছাপানো হয়। আমাদের পরিবারের কাছে প্রদীপ জানায় দুর্নীতির তদন্ত করে তার শরীর খারাপ, তাই চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন। এরপর টাকার চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু পরে সংস্থার দফতরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সেখানে প্রদীপ নামে কেউ কোনও বিভাগে কাজ করে না। এরপর তাকে উত্তমমধ্যম দেওয়া হয়। তার কাছ থেকে ভুয়ো কার্ড এবং ইডি (Fake ED officer) লেখা জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।”

    প্রসঙ্গ ক্রমে জানা গিয়েছে প্রদীপকে এই প্রতারণার কাজে সহযোগিতা করছে তার মা এবং বোন। মূলত মোবাইলের অ্যাপের মধ্যমে সে এই কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। নিজেকে অবশ্য নির্দোষ বললেও তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ আপাতত তদন্ত শুরু করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সফরে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। এদিন জেলার কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জনসভাতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন ৫০০ জন তৃণমূলকর্মী। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। জেলাতে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী গেরুয়া শিবিরে যোগ দান করায় লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

    মমতার সফরের দিনই দেওয়াল লিখন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) ছাড়াও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী,  প্রাক্তন জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়াল লিখন শুরু করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার । মমতার প্রশাসনিক সভামঞ্চের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বিজেপির তরফে দেওয়াল লিখন  করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের যুবশ্রী মোড় সংলগ্ন এলাকায় দেওয়াল লিখন শুরু করেন বিজেপি সাংসদ। ‘হীরক রানি বাই বাই, অনাচার থেকে মুক্তি চাই’, ‘মোদি সরকার আরও একবার’, এই সমস্ত স্লোগানকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে বিজেপি। 

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এদিন জেলার বালুরঘাটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন। আর আমার সভা বালুরঘাট থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে হচ্ছে। মামদোবাজি পেয়েছে নাকি যে আমাদেরকে সভা করতে দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী তো হেলিকপ্টার করে যাবেন। তাহলেই আমাদের সভা করলে ওনার সমস্যা কোথায়। আমরাও সভা করছি। আর  মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করল। পাশাপাশি বালুরঘাটে দেওয়াল লিখন করা হয়। তৃণমূলের সভাতে বিজেপির বিধায়কদের ডাকা হয়নি বলে কোর্টে যাবার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, তৃণমূলে সন্মান ছিল না। বিজেপিতে এসে আমরা আত্মসন্মান ফিরে পেলাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Begging: মুম্বইয়ের পথে ভিক্ষাবৃত্তি করেই সাড়ে ৭ কোটির মালিক! চেনেন এই ভরতকে?

    Begging: মুম্বইয়ের পথে ভিক্ষাবৃত্তি করেই সাড়ে ৭ কোটির মালিক! চেনেন এই ভরতকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিক্ষুক শব্দটির সঙ্গে পরিচিত সকলেই। আর এই শব্দটি মাথায় আসতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে জরাজীর্ণ শরীর, ছেঁড়া জমাকাপড়, চরম দরিদ্র কোনও মানুষের চেহারা। ভারতের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশে ভিখারিদের এখনও চোখে পড়ে। রেলওয়ে স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, মন্দির- কোনও জায়গা বাদ নেই। চলার পথে হাত পেতে টাকা, খাবার চাওয়াটাই ভিক্ষুকের (Begging) পরিচয় প্রকাশ্যে আনে। কিন্তু আজ আমরা এমন এক ভিক্ষুকের সম্পর্কে জানব, যিনি ভিক্ষা করে আজ দেশের ধনী ভিক্ষুকের তকমা পেয়েছেন। যিনি নাকি ভিক্ষাবৃত্তি করেই বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।মুম্বইয়ের ভরত জৈন আজ ভারতের ধনী ভিক্ষুকের পরিচয় পেয়েছেন।l মুম্বইয়ের রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করে কীভাবে তিনি এত সম্পত্তির মালিক হলেন, তা সবাইকেই অবাক করে।

    কেনই বা তিনি ভিক্ষা করেন? (Begging)

    ভরতের আকাশছোঁয়া সম্পত্তির পরিমাণ দেখে অবাক হন বহু মানুষ। কেউ ভালো চোখে, কেউ বা খারাপ চোখেই দেখেন ব্যাপারটিকে। ভরতের প্রথমের দিনগুলি কিন্তু মোটেও বর্তমানের মতো ছিল না। অনেক অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটত তাঁর পরিবারের, জুটত না দু’বেলার খাবার, পরিবার নিয়ে পথে বসে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল তাঁর। টাকাপয়সার অভাবে পড়াশোনাও করতে পারেননি ভরত। তাই সব ইচ্ছাকে বিসর্জন দিয়ে পরিবার ও নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই ভিক্ষাবৃত্তি বেছে নিতে বাধ্য হন তিনি। দীর্ঘদিন থেকে ভরত মুম্বইয়ের রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করছেন। তাঁর নম্র আচরণ অনেক মানুষকে আকর্ষণ করত। ফলে মানুষ তাঁকে ভালোবেসেই ভিক্ষাপ্রদান করত। সেই ভিক্ষার টাকা তিনি অসৎ পথে ব্যয় না করে সঞ্চয় করতে শুরু করেন। আজ তার ফলস্বরূপ ভরতের সম্পত্তির পরিমাণ ৭.৫ কোটি। শুনতে অবাক লাগলেও ভিক্ষা করেই তিনি মাসে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা ইনকাম করেন। শুধু তাই নয়, মুম্বইয়ের থানেতে রয়েছে তাঁর দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। সেখানে তিনি তাঁর বাবা, স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে বাস করেন। আবার থানেতে দুটি দোকানও আছে তাঁর,  যেগুলি ভাড়া দেওয়া আছে। সেখান থেকেও তিনি মাসিক ৩০ হাজার টাকা আয় করেন। প্রতিদিন তিনি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা করে ভিক্ষা (Begging) আদায় করেন।

    কেন তিনি এত সম্পত্তির মালিক হয়েও ভিক্ষা করেন? (Begging)

    মুম্বই ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস ও আজাদ ময়দানের মতো জায়গায় এখনও ভরতকে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। এত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হয়েও এখনও পর্যন্ত তিনি ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়েননি।  এক থেকে দু’ঘণ্টা ভিক্ষা করেই তিনি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা ইনকাম করেন। তাঁর দুই ছেলে বর্তমানে কনভেন্ট স্কুলে পড়াশোনা করে। ভরত তাঁর পরিবারের সঙ্গে পারেলের একটি 1BHK ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। পরিবারে অন্যান্য সদস্যরা স্টেশনারি দোকান চালান, অভাব -অনটনের লেশমাত্র নেই ভরতের। পরিবারের সবাই তাঁকে বর্তমানে ভিক্ষাবৃত্তি (Begging) থেকে সরে আসার আর্জি জানালেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অনড় থেকেছেন। ভরতের মতে, নিজের অতীতকে কখনই ভুলে যেতে চান না। তাই আজও তিনি সেই একইভাবে ভিক্ষাবৃত্তি চালিয়ে যাচ্ছেন রাস্তায় রাস্তায়। বাকি বিচার মানুষের ওপরেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yogurt: হাড়ের ক্ষয় থেকে ডায়ারিয়া, ওজন ঝরানো, কোন‌ কোন রোগে উপকার দেয় টক দই?

    Yogurt: হাড়ের ক্ষয় থেকে ডায়ারিয়া, ওজন ঝরানো, কোন‌ কোন রোগে উপকার দেয় টক দই?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে রোগের ভোগান্তি। অনিয়মিত খাওয়া, কম ঘুম কিংবা অতিরিক্ত কাজের চাপ স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা তৈরি করছে। উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস থেকে স্থূলতা নানান জীবনযাপন সংক্রান্ত রোগে ভুগছেন‌ বাঙালি। তার উপরে অধিকাংশ বাঙালি মহিলা হাড়ের সমস্যায় ভোগেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত টক দই (Yogurt) এই সব সমস্যার দাওয়াই। প্রত্যেক দিন একবার মেনুতে টক দই রাখলে, একাধিক সমস্যা কমবে।

    কোন কোন রোগের মোকাবিলা করবে টক দই? (Yogurt) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দইতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। তাই হাড়ের সমস্যা রুখতে খুব সাহায্য করে টক দই। বিশেষত মহিলাদের হাড়ের সমস্যা বাড়ছে। হাড় ক্ষয় রোগের দাপট চল্লিশোর্ধ মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত মহিলারা টক দই খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মিটবে। ফলে হাড়ের সমস্যাও কমবে‌। 
    টক দইতে থাকে ল্যাকটিক অ্যাসিড।‌ তাই টক দই পরিপাকতন্ত্রের জন্য বিশেষ উপকারী। এমনই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ল্যাকটিক অ্যাসিড ডায়ারিয়া রুখতে সাহায্য করে। আবার কোষ্ঠকাঠিন্যও মোকাবিলা করে। তাই পেটের সমস্যায় বিশেষভাবে সাহায্য করে টক দই। 
    তাছাড়া, স্থূলতা কমাতে টক দই খুব উপকারী। তাই যাদের ওজন‌ দ্রুত বাড়ছে, মেদ কমানো জরুরি, তাদের নিয়মিত টক দই (Yogurt) খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দইতে এমন একাধিক উপাদান রয়েছে, যা শরীরে মেদ জমতে দেয় না। 
    পাশপাশি, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ মোকাবিলায় টক দই খুব সাহায্য করে। নিয়মিত টক দই খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে, হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দইয়ের মধ্যে থাকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া। যা পাকস্থলী সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। 
    নিয়মিত টক দই খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এমনই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এর ফলে একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ হয়। 
    তাই চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত টক দই খাওয়া জরুরি।

    কতখানি টক দই খাওয়া প্রয়োজন? (Yogurt) 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, টক দই খুবই উপকারী। কিন্তু এটা প্রয়োজন মাফিক খেতে হবে। তবেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অতিরিক্ত টক দই খেলে আবার অন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই পুষ্টিবিদদের মতে, দেহের ওজনের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে টক দই খেতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে খুব বেশি হলে ৩০০ গ্রাম টক দই খেতে পারেন। তার বেশি পরিমাণে টক দই কখনই খাওয়া যাবে না। কারণ, টক দইতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে। দেহে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম আবার নানান জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাছাড়া, ফুসফুসের সংক্রমণ থাকলে অতিরিক্ত টক দই সমস্যা তৈরি করে। কারণ, টক দই ঠান্ডা খাবার। তাই বেশি টক‌ দই খেলে কাশির সমস্যা তৈরি হয়। তাই হাঁপানি বা ফুসফুসের কোনো বড় সমস্যা থাকলে টক দই খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাছাড়া, টক দই দ্রুত ওজন‌ কমাতে সাহায্য করে। তাই অতিরিক্ত পরিমাণ টক দই খেলে দ্রুত ওজন কমে যায়। যা শরীরকে দুর্বল করে দেয়। তাই টক দই (Yogurt) খাওয়ার ক্ষেত্রে পরিমাণে নজরদারি জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    Barrackpore: “ভিজে কাপড়ে সারারাত থর থর করে কেঁপেছি”, পুলিশি বর্বরতার কাহিনি শোনালেন মহিলা বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে বারাকপুরে (Barrackpore) শান্তিপূর্ণ আইন অমান্য কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এমনকী মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ পাথর ছুড়েছে। তাতে বহু কর্মী-সমর্থক জখম হয়েছেন। বাদ যাননি মহিলারা। এমনই অভিযোগ করলেন বারাকপুরের বিজেপি কর্মীরা।

    পুলিশ অমানবিক ও বর্বর আচরণ করেছে (Barrackpore)

    গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশ ৫ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে দুজন মহিলা কর্মী রয়েছেন। মঙ্গলবার বারাকপুর (Barrackpore) আদালতে যাওয়ার পথে পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তাঁরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ আমাদের কর্মসূচিতে পুলিশ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালাল। জল কামানে আমাদের জামাকাপড় ভিজে যায়। অপরাধীর মতো আমাদের সঙ্গে পুলিশ ব্যবহার করে। দুই মহিলা বিজেপি কর্মী বলেন, রাতেই মহিলা থানায় আমাদের আনা হয়। শুধু পিচবোর্ডে বসতে দেওয়া হয়। ভিজে কাপড়ে আমরা থাকি। আমাদের কোনও চাদর দেয়নি। প্রচণ্ড শীতে সারারাত ধরে আমরা শুধু থর থর করে কেঁপেছি। জল পর্যন্ত খেতে দেয়নি। রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে আমাদের খেতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। আমাদের গায়ে জ্বর চলে আসে। কোনও চিকিৎসা পর্যন্ত করেনি। আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে যোগ দিয়েছি বলে পুলিশ এত বর্বর আচরণ করেছে। যদিও বিজেপি কর্মীরা পুলিশের বিরুদ্ধে অমানবিকতার অভিযোগ তোলায় পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বলতে বাধা দেয়। তাদের জোর করে নিয়ে চলে যাওয়া হয়।

    শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে পুলিশ ইট, পাথর ছোড়ে!

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে বারাকপুরের (Barrackpore) ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরে, সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জল কামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে তা অস্বীকার করা হয়। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ। পরে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভ চলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: দেশের গোপন তথ্য পাচার! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ১০ বছরের জেল

    Imran Khan: দেশের গোপন তথ্য পাচার! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ১০ বছরের জেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গোপন তথ্য পাচার করেছেন তিনি, এমনই অভিযোগ উঠেছিল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে। এবার এই মামলায় তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ছিল পাকিস্তানের বিশেষ আদালত। ইমরান খানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত গোপন কূটনৈতিক তথ্য তিনি পাচার করেছেন। এই মামলার শুনানি ছিল পাকিস্তানের বিশেষ আদালতে মঙ্গলবার। সেখানেই ইমরান খানকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিল আদালত। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের তেহেরিক-ই-ইনসাফের সভাপতি শাহ মেহমুদ কুরেশিকেও ঐ  একই সাজা ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের বিশেষ আদালত।

    ইমরানের সাজা ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত

    এদিনই ইমরান খানের (Imran Khan) ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেন বিশেষ আদালতের বিচারক আবুল হাসনাত। প্রসঙ্গত, তোশাখানা মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই জেলে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা এই মুহূর্তে চলছে পাকিস্তানের আদালতে। তারই মধ্যে অন্যতম মামলা ছিল কূটনৈতিক তথ্য পাচার। যদিও বরাবরই ইমরানের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগে খারিজ করেছে তাঁর দল এবং এই গোটা বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র হিসেবেই তুলে ধরেছে তারা। তাদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরানোর জন্যই ওই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে।

    ২০২২ সালে দুর্নীতির অভিযোগে অপসারিত হন ইমরান

    ঠিক দু বছর আগে ২০২২ সালের এপ্রিল মাসেই অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে অপসারিত করা হয় পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে। ২০২৩ সালের ৫ অগাস্ট তাঁকে কারাদণ্ড দেয় ইসলামাবাদ কোর্ট। তোশাখানা মামলায় তখন তিন বছরের সাজা ঘোষণা হয় ইমরানের। জানা গিয়েছে, এতদিন অ্যাটাক ডিস্ট্রিক্ট জেলে বন্দি ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। গত ডিসেম্বর মাসেই তিনি জামিন পান। কিন্তু তার সঙ্গে অন্যান্য মামলাগুলি চলায় এতদিন জেলেই ছিলেন ইমরান।

    আরও পড়ুন: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ৩১/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বুধবার ৩১/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) কাজের জায়গায় কথার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে ক্ষতি হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বাড়তি ব্যবসায় ভাল লাভ হতে পারে।

    ২) নিজের প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    মিথুন

    ১) আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা।

    ২) সংসারের জন্য অনেক করেও বদনাম হবে। 

    কর্কট

    ১) ব্যবসায় বাড়তি লাভ হতে পারে।

    ২) প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন।

    সিংহ

    ১) ব্যবসায় দায়িত্ব বাড়তে পারে।

    ২) নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। 

    কন্যা

    ১) বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে।

    ২) প্রেমে বিবাদ বাধতে পারে।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় চাপ বাড়লেও আয় বৃদ্ধি পাবে।

    ২) বুদ্ধির দোষে কোনও কাজ পণ্ড হতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) কর্মক্ষেত্রে সুনাম বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় নিজের বুদ্ধিতেই আয় বাড়বে। 

    ধনু

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক বাধতে পারে।

    মকর

    ১) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির সময়।

    ২) ব্যবসায় বিবাদ থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    কুম্ভ

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    ২) কর্মস্থানে সম্মানহানির সম্ভাবনা। 

    মীন

    ১) খেলাধুলায় নাম করার ভাল সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

    ২) পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    Shantanu Thakur: শান্তনুতেই আস্থা! সিএএ নিয়ে আশার আলো দেখছেন মতুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাতদিনের মধ্যে সিএএ লাগু হবে বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী  শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাসে নতুন করে আশার আলো দেখা শুরু করেছেন মতুয়ারা। খুশির হাওয়া মতুয়া গড়ে। তাঁদের বিশ্বাস, মন্ত্রী যখন বলেছেন, তখন হবেই। এত লড়াইয়ের স্বীকৃতি এবার মিলবেই।

    সিএএ লাগু হওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছেন অমিত-শুভেন্দু

    মতুয়ারা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকত্বের দাবিতে আন্দোলন করছেন। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মতুয়া গড় ঠাকুরনগরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বস্ত করেছিলেন। এমনকী গত বছর নভেম্বরে কলকাতায় এসে ধর্মতলার সমাবেশ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, সিএএ অবশ্যই কার্যকর হবে। সেদিন তৃণমূল সরকারকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অমিত শাহকে বলতে শোনা গিয়েছিল, সিএএ গোটা দেশের আইন। বাংলার সরকার এই আইন কোনও ভাবেই রুখতে পারবে না। বাংলায় অনুপ্রবেশে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই সিএএ কার্যকর করতে চান না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এটা দিল্লির আইন। তাই চেষ্টা করলেও এটাকে রুখতে পারবেন না। এদেশে একজন হিন্দু নাগরিকের যতটা অধিকার,শরণার্থীদের অধিকারও ঠিক ততটাই। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ফেব্রুয়ারিতেই সি এএ লাগু হয়ে যাবে। একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা সিএএ কার্যকরী হওয়ার কথা বলায় মতুয়ারা নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও (Shantanu Thakur) এক সপ্তাহ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন।

    কী বললেন মতুয়ারা?

    মতুয়াদের বক্তব্য, আমরা উচ্ছ্বসিত, আপ্লুত। অবশেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) হাত ধরে আমাদের দাবি পূরণ হতে চলেছে। কারণ, শান্তনু ঠাকুর যখন বলেছেন অবশ্যই সিএএ লাগু হবে। আমরা শুভদিনের অপেক্ষায় দিন গুনছি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপি সিএএ’র কথা বললেও তা লাগু না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছিল মতুয়াদের মধ্যে। এমনকী বিজেপি-র এক বিধায়ক সিএএ-এর পক্ষে জোর সওয়াল করেছিলেন।  ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন আগে দেশে সিএএ কার্যকরী হলে বিজেপি মাস্টারস্ট্রোক হবে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে (Chandigarh Mayor Election) জয় পেল বিজেপি। আম আদমি পার্টির কুলদীপ কুমারকে পরাস্ত করলেন বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর। প্রসঙ্গত, আম আদমি পার্টির মেয়র নির্বাচনে জোট হয় কংগ্রেসেরও। প্রসঙ্গত, গতবছর থেকেই শুরু হয় ইন্ডি জোটের ভাবনা। তাতে আকারও দেন দেশের আঞ্চলিক দলগুলির নেতা নেত্রীরাও। সম্পন্ন হয় একাধিক বৈঠক। কিন্তু ইন্ডি জোট বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে প্রথমবার অবতীর্ণ হয় চণ্ডীগড়ের পুরনিগমের নির্বাচনে। এখানেও তারা মুখ থুবড়ে পড়ল।

    ভোটের ফলাফল

    প্রথমবার ইন্ডি জোটের (Chandigarh Mayor Election) সঙ্গে সরাসরি মোকাবিলা হয় বিজেপির। এবং তাতেই জয় পেলেন বিজেপি প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর ১৬ ভোট পান এবং আপ প্রার্থী কুলদীপ কুমারের ঝুলিতে যায় ১২ ভোট। প্রসঙ্গত, চণ্ডীগড়ে বিজেপির রয়েছে ১৪ জন কাউন্সিলর। আম আদমি পার্টির রয়েছে ১৩ জন কাউন্সিলর। কংগ্রেসের রয়েছে ৭ জন কাউন্সিলর। এদিন নির্বাচনে ৮টি ভোটকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে ভোট দেন চণ্ডীগড়ের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন পুর প্রতিনিধি কিরণ খেরও।

    মুখ থুবড়ে পড়ল ইন্ডি জোট

    ইন্ডি জোটের ভরাডুবির সংকেত (Chandigarh Mayor Election) যেন রবিবার থেকেই মিলছে। জোটের প্রধান কারিগর ছিলেন নীতীশ কুমার। রবিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে জোট ছাড়েন। যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর কর্মসূচি ঘিরেও অনৈক্য-এর ছবিটা স্পষ্ট হয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেস নেতা পশ্চিমবঙ্গে থাকলেও, তাঁর পাশে দেখা যায়নি জোট শরিক কোনও তৃণমূল নেতাকে। এছাড়াও রাজ্যের কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই চলেছেন। রাজ্যে যে জোট হবে না তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মাঝেই বিজেপিকে রুখতে চণ্ডীগড়ে হাত মিলিয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডি জোট। পাটিগণিতের বিচারে তারা আশাবাদী ছিল। ইন্ডি জোট এও দাবি করতে থাকে আট বছর পরে চণ্ডীগড়ের পৌর নিগম (Chandigarh Mayor Election) বিজেপির হাতছাড়া হতে চলেছে। তবে সব হিসেব নিকেশ উল্টে জিতল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান এখনও বেপাত্তা। ২৪ দিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অথচ তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়।২৬ জানুয়ারি কর্মীদের তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। তারপরও পাঁচদিন হতে চলল শাহজাহানের কোনও হদিশ নেই পুলিশের কাছে। আর সেই শাহজাহান নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    মহাত্মা গান্ধীর মহাপ্ৰয়াণ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বারাকপুর গান্ধীঘাটে এসে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গান্ধীঘাটে প্রার্থনা সভায় অংশ নেবার পর এদিন রাজ্যপাল গান্ধীজীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  “আইন আইনের পথে চলছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। নিয়ম মেনেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শীঘ্রই ধরা হবে। আপনারা ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করুন।” একইসঙ্গে তিনি বার্তা দেন, বাংলার দুটি শত্রু রয়েছে-“হিংসা আর দুর্নীতি।” আর এর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। নাম না করলেও রাজ্যপাল এই দুটি শত্রুর জন্য বাংলার তৃণমূল সরকারই দায়ী তা স্পষ্ট করে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নরেন্দ্রপুর স্কুলে তাণ্ডব নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    শনিবার নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার ওপর চড়াও এবং ভাঙচুরের ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে। সেই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের বেশিরভাগই এখনও গ্রেফতার করতে হয়নি। এপ্রসঙ্গে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “আমরা বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখব। তদন্তকারী কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন, একটু সময় দিতে হবে, নিশ্চয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে যথাযথ নিয়ম মেনেই বিষয়টিতে আমি হস্তক্ষেপ করবেন।” রাজ্যপাল ছাড়াও এদিন গান্ধীঘাটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং, জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share