Tag: Bengali news

Bengali news

  • Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    Pakistan Afghanistan Clashes: আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাক বিমান হামলা! জখম শতাধিক শিশু-মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-আফগানিস্তান (Pakistan Afghanistan Clashes) সীমান্তবর্তী  এলাকায় হামলা চালাল পাক বিমান বাহিনী। তারা হামলা চালায় লোকালয়ে।  তার জেরে হতাহত হন বহু আফগান বেসামরিক লোক। যদিও ইসলামাবাদের দাবি, একাধিক আফগান তালিবান (Taliban) জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের একটি মসজিদে আত্মঘাতী হামলার জন্য তালিবান সরকারকে দায়ী করেছে পাক সেনা।

    নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা (Pakistan Afghanistan Clashes)

    আফগান (Pakistan Afghanistan Clashes) সরকারের মতে, এই হামলায়  বহু মানুষ  নিহত ও আহত হয়েছেন। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে বলেন, “গত রাতে, তারা নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে আমাদের বেসামরিক স্বদেশিদের ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে, নারী ও শিশু সহ বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করেছে।”

    পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সপ্তাহে রমজান শুরু হওয়ার পর থেকে তিনটি হামলার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “পাকিস্তান সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তানি তালিবান (Taliban) এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির সাতটি সন্ত্রাসী শিবির এবং আস্তানা লক্ষ্য করে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচনী অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তান ইসলামিক স্টেট গ্রুপের একটি সহযোগী সংগঠনকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে – যারা সম্প্রতি ইসলামাবাদের একটি মসজিদে হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে ৩১ জন নিহত এবং ১৬০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিল। ২০০৮ সালে ম্যারিয়ট হোটেলে বোমা হামলার পর এটি ছিল ইসলামাবাদে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলির মধ্যে একটি।”

    সাতটি জঙ্গি শিবিরে হামলা

    পাকিস্তানি (Pakistan Afghanistan Clashes) সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, আফগান তালিবান সরকারকে জঙ্গি গোষ্ঠীর কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করার সত্ত্বেও, আফগান তালিবান সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। পাকিস্তান সব সময় এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।  পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে এফএকে এবং এর সহযোগী সংগঠন আইএসকেপি (ISKP)  সাতটি জঙ্গি শিবির এবং আস্তানাকে তথ্য-ভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালিয়েছে।

    ২০২১ সালে তালিবানরা কাবুলের নিয়ন্ত্রণ ও সম্পূর্ণ দখলের পর থেকে আফগানিস্তান-পাকিস্তানের মধ্যে তিক্ততা বেড়েই চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মারাত্মক সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়েছে। পাকিস্তান আফগানিস্তানের তালিবান (Taliban) সরকারকে জঙ্গিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া, আফগান মাটি ব্যবহার করা সহ একাধিক অবৈধ অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ করেছে। তবে কাবুলের তালিবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

  • Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    Bangladesh: ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা-কলকাতা মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশের (Bangladesh) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে স্থগিত মৈত্রী বাস পরিষেবা, এবার আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা হয়ে আগরতলা ও কলকাতার (Agartala-Dhaka-Kolkata) মধ্যে পুনরায় চালু হতে চলেছে। এই পরিষেবা দুই দেশের মধ্যে যাত্রীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে। ২০২৪ সালে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি ঘটে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে একটি স্থায়ী, গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পটভূমিতে মৈত্রী বাস পরিষেবা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির লক্ষ্যে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

    মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে (Bangladesh)

    ত্রিপুরা রোড ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের (টিআরটিসি) ভাইস চেয়ারম্যান সমর রায় বলেন, “দীর্ঘদিন পর, আগরতলা থেকে ঢাকা (Bangladesh) হয়ে কলকাতা পর্যন্ত মৈত্রী বাস (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা পুনরায় চালু হচ্ছে। আজ একটি সফল পরীক্ষামূলক পরিচালনা করা হয়েছে এবং সমস্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবাটি পুনরায় চালু হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এই বাস পরিষেবা মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার এবং রবিবার আগরতলা থেকে কলকাতা যাবে। আর কলকাতা থেকে আগরতলা পরিষেবা সোমবার, বুধবার এবং শনিবার দিন চলবে। দীর্ঘ বিরতির পর এই পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার ফলে দুই দেশের মধ্যে ভ্রমণ এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ ব্যাপকভাবে সহজ হবে।”

    তারেক রহমানের স্থিতিশীল সরকার

    ভারত বিশেষ করে ত্রিপুরার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারণে যাত্রী পরিবহন (Agartala-Dhaka-Kolkata) পরিষেবা সহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত বিনিময় ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের পর, ভারতের সাথে আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা চলছে।

    আগরতলার বাসিন্দারা আবারও ঢাকা হয়ে কলকাতায় সড়কপথে যাতায়াত করতে পারবেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতার কারণে এই রুটটি বন্ধ ছিল। গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে এই পরিষেবাটি স্থগিত করা হয়েছিল।

    মৈত্রী বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করাকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের স্বাভাবিকতা পুনরুদ্ধার এবং শক্তিশালী করার দিকে একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    Chandra Grahan 2026: দোল পূর্ণিমায় সব থেকে বড় চন্দ্রগ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে ভারত থেকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার তিথিতে মার্চ মাসেই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026)। সাম্প্রতিক সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা যায়নি। তবে এবার এই দৃশ্য থেকে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন না। খুব কম সময়ের জন্য হলেও এই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। ওই দিন দেশের বেশির ভাগ প্রান্ত থেকে দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ।

    চাঁদের রং হয় লালা (Chandra Grahan 2026)

    চাঁদের কোনও নিজেস্ব আলো নেই। তার উপর সূর্যের আলো পড়ে। পৃথিবীর চাঁদ এবং সূর্যের মাঝে চলে এলে সূর্যের আলো আর চাঁদে পড়ে না। এরফলে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপরে পড়ে। আর তখনই চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) হয়। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের রং হয় লাল। সেই জন্য তাকে রক্তিম চাঁদ বা ব্লাড মুনও বলা হয়। সূর্য গ্রহণ যেমন খালি চোখে দেখা যায় না, চন্দ্র গ্রহণের সময় অবশ্য তেমন কোনও ব্যাপার নেই। রাতের আকাশে খালি চোখেই দেখা যায়।

    আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে

    ৩ মার্চ পৃথিবীর যে যে দিকে রাত থাকবে সেখান থেকে চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) দেখা যাবে। তবে খুব অল্প সময়ের জন্যই দেখা যাবে। জানা গিয়েছে মোট ৫ ঘণ্টা ধরে চলবে গ্রহণ। চরম সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫৮ মিনিট ১৫ সেকেন্ড। সেই সময় আকাশে খালি চোখে দেখলেই দেখা যাবে এই গ্রহণ। তবে সব জায়গা থেকে দেখা যাবে এমনটাও নয়। আমেরিকার পশ্চিমের স্টেটগুলিতে সেই গ্রহণ দেখা যাবে ৩ মার্চ ৪ টে ৪ মিনিট থেকে ৫ টা ২ মিনিট পর্যন্ত।

    ভারতের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2026) দেখা যাবে ৩ মার্চ বিকেল ৪টে ৫৮ মিনিট থেকে। ভারতে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে বিকেল ৫ টা ৩২ মিনিটে। খণ্ডগ্রাস দেখা যাবে রাত ৭ টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত।

    জানা গিয়েছে, যখন পূর্ণগ্রাস চলবে তখন ভারতের অনেক জায়গায় সন্ধ্যা নামবে না। সেই জন্য ওই সব জায়গায় পূর্ণগ্রাস নাও দেখা যেতে পারে। কলকাতায় ওইদিন সূর্যআস্ত হবে ৫ টা ৩৪ মিনিটে। এরপর হবে চন্দ্র গ্রহণ। পূর্ণগ্রাস পশ্চিমবঙ্গ থেকে না দেখার সম্ভাবনাই বেশি। দিল্লি এবং নয়ডায় ওইদিন চন্দ্রদোয় হবে ৬টা ২৬ মিনিটে। যদিও তার আগে থেকে গ্রহণ লেগে যাবে। সেখানেও খুব সময় ধরে গ্রহণ দেখা যাবে না। তবে আবার যে সম্পূর্ণ ভাবে বঞ্চিত হবেন এমনটাও নয়। যদি আকাশ মেঘলা থাকে তাহলে গ্রহণ দেখার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে।

    চাঁদকে গ্রহণের সময় গাঢ় কালচে লাল দেখায়

    পূর্ণগ্রাসের (Lunar Eclipse) সময় চাঁদ সম্পূর্ণ ভাবে কালো হয়ে যায় না। তার বদলে কিছু কিছু অংশ লাল হয়ে যায়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যখন সূর্যের আলো গ্রহণ করে, তখন সূর্যরশ্মির লাল অংশ কম পরিমাণে প্রতিসরিত হয়। এরপর তা চাঁদের উপরে গিয়ে পড়ে। অপর দিকে সূর্যরশ্মি নীল অংশটি চার দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তাই চাঁদকে গ্রহণের (Chandra Grahan 2026) সময় গাঢ় কালচে লাল দেখা যায়।

    চন্দ্রগ্রহণের সময় (Chandra Grahan 2026)

    • চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে: ৩ মার্চ বেলা ৩টে ২০ মিনিটে
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শুরু: বিকেল ৪টে ৩৪ মিনিট
    • গ্রহণের মধ্যদশা: বিকেল ৫টা ৪ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ শেষ: বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট
    • চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে: সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট
    • পূর্ণগ্রাস গ্রহণ চলবে: ৫৯ মিনিট ধরে
  • Ramakrishna 587: “ঈশ্বরের রূপে মুগ্ধ হও, আমি ঈশ্বরের দাস, আমি ঈশ্বরের ছেলে, যদি অহংকার করতে হয়, তো এই অহংকার কর”

    Ramakrishna 587: “ঈশ্বরের রূপে মুগ্ধ হও, আমি ঈশ্বরের দাস, আমি ঈশ্বরের ছেলে, যদি অহংকার করতে হয়, তো এই অহংকার কর”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    “আবার, ‘বুড়োর আমি’ আছে। (ডাক্তারের হাস্য) বুড়োর অনেকগুলি পাশ। জাতি, অভিমান, লজ্জা, ঘৃণা, ভয়, বিষয়বুদ্ধি, পাটোয়ারী, কপটতা। যদি কারুর উপর আকোছ হয়, তো সহজে যায় না — হয়তো যতদিন বাঁচে ততদিন যায় না। তারপর পাণ্ডিত্যের (Ramakrishna) অহংকার, ধনের অহংকার। ‘বুড়োর আমি’ কাঁচা আমি।”

    জ্ঞান কাহাদের হয় না 

    (ডাক্তারের প্রতি)—“চার-পাঁচজনের জ্ঞান হয় না। যার বিদ্যার অহংকার, যার পাণ্ডিত্যের অহংকার, যার ধনের অহংকার, তার জ্ঞান হয় না। এ সব লোককে যদি বলা যায় যে অমুক জায়গায় বেশ একটি সাধু আছে, দেখতে যাবে? তারা অমনি নানা ওজর করে বলে, যাব না। আর মনে মনে বলে, আমি এতবড় লোক (Kathamrita), আমি যাব?”

    তিনগুণ—সত্ত্বগুণে ঈশ্বরলাভ—ইন্দ্রিয় সংযমের উপায় 

    “তমোগুণের স্বভাব অহংকার। অহংকার অজ্ঞান, তমোগুণ থেকে হয়।

    “পুরাণে আছে রাবণের রজোগুণ, কুম্ভকর্ণের তমোগুণ, বিভীষণের সত্ত্বগুণ। তাই বিভীষণ রামচন্দ্রকে লাভ করেছিলেন। তমোগুণের আর একটি লক্ষণ — ক্রোধ। ক্রোধে দিক-বিদিক জ্ঞান থাকে না, হনুমান লঙ্কা পুড়ালেন, এ-জ্ঞান নাই যে সীতার কুটির নষ্ট হবে।

    “আবার তমোগুণের আর একটি লক্ষণ—কাম। পাথুরেঘাটার গিরীন্দ্র ঘোষ বলেছিল, কাম-ক্রোধাদি রিপু এরা তো যাবে বা, এদের মোড় ফিরিয়ে দাও। ঈশ্বরের (Ramakrishna) কামনা কর। সচ্চিদানন্দর সহিত রমণ কর। ক্রোধ যদি না খায়, ভক্তির তমঃ আন। কি! আমি দুর্গানাম করেছি, উদ্ধার হব না? আমার আবার পাপ কি? বন্ধন কি? তারপর ঈশ্বরলাভ করবার লোভ কর। ঈশ্বরের রূপে মুগ্ধ হও। আমি ঈশ্বরের দাস, আমি ঈশ্বরের ছেলে, যদি অহংকার করতে হয়, তো এই অহংকার কর। এইরকমে ছয় রিপুর মন ফিরিয়ে দিতে (Kathamrita) হয়।”

    ডাক্তার—ইন্দ্রিয়সংযম করা বড় শক্ত। ঘোড়ার চক্ষের দুদিকে ঠুলি দাও। কোন কোন ঘোড়ার চক্ষু একেবারে বন্ধ করতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাঁর যদি একবার কৃপা হয়, ঈশ্বরের যদি একবার দর্শনলাভ হয়, আত্মার যদি একবার সাক্ষাৎকার হয়, তাহলে আর কোন ভয় নাই — তখন ছয় রিপু আর কিছু করতে পারবে না।

    “নারদ, প্রহ্লাদ এই সব নিত্যসিদ্ধ মহাপুরুষদের অত করে চক্ষের দুদিকে ঠুলি দিতে হয় না। যে ছেলে নিজে বাপের হাত ধরে মাঠের আলপথে চলছে সে ছেলে বরং অসাবধান হয়ে বাপের হাত ছেড়ে দিয়ে খানায় পড়তে পারে। কিন্তু বাপ যে ছেলের হাত ধরে, সে কখনও খানায় পড়ে না।”

  • PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে চিপ উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে হবে এবং দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। শনিবার এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার একটি প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে, যা গর্বের বিষয়।” এদিন, প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (YEIDA)-তে এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ ‘ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে একটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপিত হয়, সেখানে ডিজাইন সেন্টার গড়ে ওঠে, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বিকশিত হয় এবং উদ্ভাবন ত্বরান্বিত হয়।” শনিবার সমাপ্ত হওয়া ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে’র কথাও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারত দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লালকেল্লা থেকে আমি বলেছিলাম—ভারতের থামার বা ধীরগতিতে চলার সময় নেই। ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ভারত তার যাত্রা আরও ত্বরান্বিত করেছে… এবং এই সপ্তাহও ভারতের জন্য ঐতিহাসিক হয়ে উঠছে।” তিনি বলেন, “গ্লোবাল এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রযুক্তি নেতারা দিল্লিতে একত্রিত হয়েছিলেন। সেখানে বিশ্ব ভারতের এআই সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছে, আমাদের ভিশন বুঝেছে এবং তা প্রশংসা করেছে।”

    এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড’। এই দশকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত যা করছে, তা ২১ শতকে আমাদের শক্তির ভিত্তি হয়ে উঠবে। সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে ভারতের যাত্রা কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও আজ আমরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছি। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১০টি ফ্যাব্রিকেশন ও প্যাকেজিং প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে চারটি ইউনিট খুব শিগগিরই উৎপাদন শুরু করবে।” তিনি বলেন, “ভবিষ্যতের মানবসভ্যতাকে প্রভাবিত করবে—এমন প্রতিটি প্রযুক্তিক্ষেত্রে ভারত নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এইচসিএল-ফক্সকন সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে ভারতকে প্রতিষ্ঠার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের প্রতিফলন।” ওয়াইইআইডিএতে স্থাপিত এই আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট সুবিধাটি ‘মডিফায়েড স্কিম ফর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং (ATMP)’-এর অধীনে ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড গড়ে তুলছে। মোট বিনিয়োগ ৩,৭০০ কোটিরও বেশি টাকা।

    স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল

    এই প্রকল্প সরকারের দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জোরদার করা, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, অটোমোবাইল, ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম বড় ধরনের গতি পাবে, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও পেশাজীবীদের জন্য হাজার হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আনুষঙ্গিক শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে তুলে ধরে এবং একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে বড় পদক্ষেপ নির্দেশ করে।

     

  • US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    US: ট্রাম্প-আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা মার্কিন শীর্ষ আদালতের, কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন (US) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে। এরপর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, এই রায়ের প্রভাব কী হতে পারে তা তারা খতিয়ে দেখছে। মন্ত্রক বলেছে, “আমরা গতকাল (শুক্রবার) শুল্ক সংক্রান্ত মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায় লক্ষ্য করেছি। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন।” তারা আরও জানিয়েছে, “মার্কিন প্রশাসন কিছু পদক্ষেপের করার কথা ঘোষণা করেছে। এই সব পদক্ষেপের প্রভাব আমরা পর্যালোচনা করছি।”

    সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য (US)

    শুক্রবার, রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্ট ছয়–তিন ভোটে রায় দেয় যে ১৯৭৭ সালের যে আইনের ভিত্তিতে ট্রাম্প পৃথক পৃথক দেশের ওপর হঠাৎ শুল্ক আরোপ করেছিলেন—যার ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছিল—সেই আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের অনুমোদন দেয় না। ট্রাম্প এই রায় দেওয়া বিচারকদের মধ্যে দু’জনকে মনোনীত করেছিলেন। এদিনের ঘটনার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া, আদালত বিদেশি স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমাদের দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস না দেখানোয় আদালতের কিছু সদস্যের জন্য আমি লজ্জিত—পুরোপুরি লজ্জিত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “দেশকে রক্ষা করার জন্য একজন প্রেসিডেন্ট অতীতে আমার আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি শুল্ক আরোপ করতে পারেন।” তিনি বলেন, এই রায় তাঁকে আরও শক্তিশালী করেছে (US)। ডালাসের ইকোনমিক ক্লাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেন, “বিকল্প পদ্ধতিতে ২০২৬ সালে শুল্ক আয়ে কার্যত কোনও পরিবর্তন হবে না (Supreme Court)।”

    নয়া শুল্ক আরোপ

    ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ ধারার অধীনে নতুন শুল্ক আরোপ করেন। এই ধারা প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক পরিশোধ-সংক্রান্ত মৌলিক সমস্যার মোকাবিলায় অতিরিক্ত শুল্ক ও বিশেষ আমদানি-নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা দেয়। ১২২ ধারা অনুযায়ী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বড় ও গুরুতর পরিশোধ-ঘাটতি অর্থাৎ যখন আমদানি রফতানির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়—মোকাবিলার জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অস্থায়ী শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য আরোপ করতে পারেন। সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের বিস্তৃত শুল্কনীতির বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার পর তিনি আমেরিকায় আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর নতুন বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ করেন। এর ফলে ভারতের ওপর শুল্কহার ১৮ শতাংশ থেকে কমে ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। নতুন শুল্ক নির্দেশিকায় স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানান, “এটি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে (US)।”

    হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, নয়া শুল্ক ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর হবে। তবে পৃথক তদন্তাধীন খাত—যেমন ফার্মাসিউটিক্যাল—এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো–কানাডা চুক্তির আওতায় (Supreme Court) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের ক্ষেত্রে ছাড় বহাল থাকবে (US)।

     

  • Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    Delhi Impact Summit: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ঘোষণাপত্রে সই করেছে ৮৬টি দেশ, জানালেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই ইমপ্যাক্ট সামিট (Delhi Impact Summit) ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছে মোট ৮৬টি দেশ। শনিবার এ কথা জানান তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, এটি এআই বিষয়ে (AI Declaration) ভারতের মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সমর্থন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানেই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, চিন, ডেনমার্ক এবং জার্মানি-সহ বিশ্বের প্রধান শক্তিধর দেশগুলি অংশগ্রহণ করেছে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব (Delhi Impact Summit)

    সাংবাদিকদের উদ্দেশে বৈষ্ণব বলেন, “স্বাক্ষরকারী দেশগুলি সর্বজনের কল্যাণ ও সর্বজনের সুখ নীতিকে সমর্থন করেছে, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্পদকে গণতান্ত্রিক করার ভাবনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মানবকেন্দ্রিক এআই দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব। এআইয়ের পরিকাঠামো, পরিষেবা ও প্রযুক্তি যেন সমাজের (Delhi Impact Summit) প্রত্যেক মানুষের কাছে পৌঁছয়—এই ধারণা সকলেই গ্রহণ করেছে।” মন্ত্রী বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা, আস্থা এবং সামাজিক সম্প্রীতিকে এআই উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।” তিনি বলেন, “শুধু অর্থনৈতিক বৃদ্ধি নয়, সামাজিক সম্প্রীতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। নিরাপত্তা ও আস্থা কেন্দ্রে রয়েছে।” দেশগুলি একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী এআই কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। উদ্ভাবন (innovation) এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং দেশগুলি এই (AI Declaration) ক্ষেত্রগুলিতে পারস্পরিক সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে (Delhi Impact Summit)।

    বিপুল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    সম্মেলনে এআই পরিকাঠামোর জন্য ২৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ডিপ-টেক বিনিয়োগের আশ্বাস মিলেছে। বৈষ্ণব এই সম্মেলনকে অভূতপূর্ব সাফল্য বলে বর্ণনা করেন।সম্মেলনের প্রদর্শনী অংশে পাঁচ লাখেরও বেশি দর্শক অংশ নেন এবং বিশ্বব্যাপী বিশেষজ্ঞ ও স্টার্টআপগুলির সঙ্গে মতামত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রায় সব বড় এআই সংস্থাই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় অংশ নিয়েছে। বহু স্টার্টআপ তাদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে আলোচনা ছিল অসাধারণ মানের (Delhi Impact Summit)।” দিল্লিতে এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অল্টম্যান, মাইক্রোসফটের ভাইস চেয়ার ব্র্যাড স্মিথ এবং অ্যানথ্রপিকের সিইও ডারিও আমোদেই-সহ বিশ্বের প্রযুক্তি নেতারা। আলোচনার বিষয় ছিল (AI Declaration) এআই শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI) এবং ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান। বৈষ্ণব বলেন, “আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের ব্যাপকতা প্রমাণ করে যে এআই শাসন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ নির্ধারণে ভারতের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে বিশ্বের (Delhi Impact Summit)।

     

  • India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    India Brazil Trade: “আগামী পাঁচ বছরে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে ভারত-ব্রাজিল দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য”, লুলার সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (India Brazil Trade) করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শনিবারের এই বৈঠকে দুই দেশের নেতারা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি পর্যায়ে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (India Brazil Trade)

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা সমন্বিত লক্ষ্য ও যৌথ উদ্দেশ্যের চেতনায় সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে হয়েছে।” তিনি ভারত–ব্রাজিল সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রেসিডেন্ট লুলার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন এবং নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশগ্রহণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও ব্রাজিলের প্রচেষ্টা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের বাণিজ্য কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল সেই আস্থারই প্রমাণ।” তিনি বলেন, “আমরা এই (India Brazil Trade) পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করে যাব।”

    সন্ত্রাসবাদ মানবজাতির শত্রু

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুই দেশই একমত যে সন্ত্রাসবাদ এবং তার সমর্থকরা সমগ্র মানবজাতির শত্রু।” তিনি ব্রাজিলকে লাতিন আমেরিকায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। বলেন, “বৃহৎ ব্রাজিলীয় ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভারত–মারকোসুর (দক্ষিণ কমন মার্কেট) বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।” প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ব্রাজিলে ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য সেন্টার অব এক্সেলেন্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সুপারকম্পিউটার, সেমিকন্ডাক্টর ও ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হওয়া উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং তার উচিত যৌথ অগ্রগতির সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা (PM Modi)।”

    জ্বালানি সহযোগিতা

    জ্বালানি সহযোগিতাকেও অংশীদারিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ (India Brazil Trade) হিসেবে তুলে ধরা হয়। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইথানল মিশ্রণ এবং উন্নত বিমান জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্সে ব্রাজিলের সক্রিয় ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি এবং দুর্যোগ–সহনশীল পরিকাঠামো জোটের সহ–সভাপতি হওয়ার ব্রাজিলের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্রাজিলের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।” এর আগে মোদি ও লুলা প্রতিনিধিদল স্তরের বৈঠক করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ১৯ ফেব্রুয়ারি এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারতে আসা ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তাঁর সঙ্গে আসা শীর্ষ সিইওদের বৃহৎ প্রতিনিধিদল একটি ব্যবসায়িক ফোরামে অংশ নেবে, যেখানে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সুযোগ অনুসন্ধান করা হবে। এই সফরটি জুলাই ২০২৫-এ ব্রাসিলিয়ায় মোদির সফরের (India Brazil Trade) পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ছিল ৫০ বছরেরও বেশি (PM Modi) সময়ের মধ্যে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ব্রাজিল সফর।

     

  • Assembly Elections: রাজ্যে ভোটের আগেই আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অমিত শাহের মন্ত্রকের বড় ঘোষণা

    Assembly Elections: রাজ্যে ভোটের আগেই আসছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অমিত শাহের মন্ত্রকের বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভার (Assembly Elections) ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বড় ঘোষণা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চিঠিতে সাফ জানিয়েছে মার্চ মাসে দুই ধাপে আসবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা (Central Force)। রাজ্যের এসআইআর আবহে সুপ্রিম কোর্ট আইন শৃঙ্খলা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। ইতিমধ্যে জেলায় জেলায় শাসক দলের নেতা-কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা এবং অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। পুলিশের গঠন মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা এবং কমিশনের কাজকে সহযোগিতা না করার জন্য এই পদক্ষেপ বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    কবে কোন কোন বাহিনী (Assembly Elections)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠিতে জানা গিয়েছে, আগামী মার্চ মাসে বিধানসভা ভোটের (Assembly Elections) আগে রাজ্যে আসছে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী (Central Force)। মূলত দুই ধাপে এই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হবে। ১  মার্চ আসবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। তার মধ্যে ১১০ কোম্পানি থাকবে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ। ৫৫ কোম্পানি থাকবে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। ২১ কোম্পানি থাকবে সেন্ট্রাল সিকিউরিটি ফোর্স, ২৭ কোম্পানি থাকবে ইন্দো টিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ, ২৭ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। ১০ মার্চ আসছে আরও ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । তার মধ্যে থাকবে ১২০ কোম্পানি সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), ৬৫ কোম্পানি বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স(বিএসএফ), ১৬ কোম্পানি সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স(সিআইএসএফ), ২০ কোম্পানি ইন্দো-তিবেটিয়ান বর্ডার পুলিশ(আইটিবিপি), ১৯ কোম্পানি সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর জওয়ানরা ৷

    ২০২১ সালে ১০৭১ কোম্পানি নিযুক্ত হয়েছিল

    জানা গিয়েছে, এলাকাগুলিকে ভয়মুক্ত করতে, নির্বাচনের (Assembly Elections) দিনে নানা কাজ করতে, ইভিএম সেন্টার, ভোটার গণনা সেন্টার এবং ঠিকঠাক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রাথমিক ভাবে এই ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। এরপর থেকেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসবে। ২০২১ সালে আট দফায় ভোট হয়েছিল। সেইবার ১০৭১ কোম্পানি বাহিনী  (Central Force) মোতায়েন করা হয়েছিল।

    অসঙ্গতি সংক্রান্ত শুনানি প্রক্রিয়া চালু থাকবে

    একই ভাবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের দফতরে বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে রয়েছেন একাধিক আধিকারিক। সেখানে রয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ডিজি বিজয় পাণ্ডে। হাইকোর্টে কমিশনের অবস্থান কি হবে তা ঠিক করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য প্রশাসনের চূড়ান্ত অসহযোগিতার জন্য এসআইআর নিয়ে ব্যাতিক্রমী নির্দেশ দিয়েছে। ভোটারদের তথ্য যাচাই করবেন কলকাতা হাইকোর্ট দ্বারা নিযুক্ত বর্তমান ও প্রাক্তন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা ৷ সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশে দিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত ভোটার তালিকা চূড়ান্ত নয় ৷ তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত শুনানি প্রক্রিয়া চালু থাকবে এবং প্রয়োজনে ২৮ তারিখের পর অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করতে পারবে নির্বাচন কমিশন ৷

  • CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA) অনুযায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যে আইনটির অধীনে আবেদনগুলি প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ গঠনের কথাও জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে এবং সিএএকে বৈষম্যমূলক বলে বিরোধিতা করে আসছে।

    সরকারি নির্দেশিকা (CAA)

    অতিরিক্ত সচিব নীতেশ কুমার ব্যাস জারি করা এক নির্দেশিকায় বলেন, “নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৬বি(১) এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এর বিধি ১১এ(১) ও (৩) অনুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের সেনসাস অপারেশন্স দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ করছে।” নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমিটির সদস্যদের মধ্যে থাকবেন— সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের আধিকারিক, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিকের (FRRO) মনোনীত প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার (উভয়েই আন্ডার সেক্রেটারি পর্যায়ের নীচে নন), এবং পোস্টমাস্টার জেনারেল বা মনোনীত ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের ডাক বিভাগের আধিকারিক।

    নাগরিকত্ব আইন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের মাধ্যমে নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি এবং নাগরিকত্ব বিধির ১১এ/১৩এ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করে সিএএ-র কাঠামো কার্যকর করা হল। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি সর্বভারতীয় কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য রাজ্যভিত্তিক কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। এই কমিটির কাজ হবে— সিএএ-তে নির্ধারিত যোগ্য নির্যাতিত সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই করা, জেলা পর্যায়ের যাচাইকরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং নাগরিকত্ব মঞ্জুর বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য থাকবেন। একজন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (গৃহ) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (গৃহ) দফতরের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন মনোনীত প্রতিনিধি।

    কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ১১ মার্চের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলির কাজ হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রদান করা। ২০২৪ সালে সরকার নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯ কার্যকর করে এবং সংশ্লিষ্ট বিধি জারি করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত অনথিভুক্ত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। এখন সিএএর অধীনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসী— হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

LinkedIn
Share