Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ayodhya Ram Mandir: ভোর ৩টে থেকে ভক্তদের লম্বা লাইন! জনসাধারণের জন্য খুলে গেল রাম মন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: ভোর ৩টে থেকে ভক্তদের লম্বা লাইন! জনসাধারণের জন্য খুলে গেল রাম মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরদিন থেকেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) দরজা। আজ, মঙ্গলবার থেকেই রামলালাকে দর্শন (Ramlala Darshan) করতে পারবেন ভক্তরা। এই প্রেক্ষিতে, মন্দিরে পুজো দেওয়ার সময় ও দর্শনের নিয়ম নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। 

    সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় রামলালার প্রাণ-প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে ‘অভিজিৎ মুহূর্তে’ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। একাধিক ধর্মীয় নিয়মবিধি মেনে গর্ভগৃহে রামলালার পুজো করেন ‘প্রধান যজমান’ নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    আজ থেকে সাধারণ দর্শনের জন্য খুলল মন্দির

    সোমবার অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর অভ্যাগত অতিথি ও বিশিষ্টজনেরা রামলালার দর্শন করে একে একে চলে যান। তার পর থেকেই অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) কার্যত মানুষের ঢল নামে। সকলের গন্তব্য রামলালা দর্শন (Ramlala Darshan)। যদিও, গতকাল অতিথিদের ছাড়া, কাউকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, আজ ভোর ৭টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মন্দিরের দরজা। রামলালাকে ভোগ নিবেদনের পরে আবার বেলা ২টো থেকে খুলবে মন্দির। সন্ধে ৭টা অবধি দর্শন করা যাবে। দুপুর ১টা নাগাদ ভোগ দেওয়ার পরে বিশ্রাম নেবেন রামলালা। আবার ২টো থেকে দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। সন্ধে ৭টা নাগাদ আরতি হবে মন্দিরে।

    ভোর ৩টে থেকেই ভক্তদের লাইন

    তবে, রামলালা দর্শন (Ramlala Darshan) নিয়ে জনমানসে এতটাই উন্মাদনা রয়েছে যে, ভোররাত ৩টে থেকেই লম্বা লাইন পড়ে যায়। ভিড় সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে নিরাপত্তা আধিকারিকদের। মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই অনেক আগে থেকে রামলালা দর্শনের এই সময় ঘোষিত হয়েছে। পরবর্তীকালে, পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় বদল হতে পারে। দর্শনের সময়ের পাশাপাশি, পুজোর নিয়ম নিয়েও বিধি জারি করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। রীতি অনুযায়ী, সকালে ঘুম থেকে তোলার পর রামলালাকে লাল চন্দন আর মধুতে স্নান করানো হবে। দুপুরে বিশ্রাম, সন্ধ্যার ভোগ ও আরতির পর শয়ন দেওয়ার আগে ১৬ মন্ত্র প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। দিনে পাঁচবার আরতি হবে। প্রতিদিন নিয়ম মেনে হবে মন্ত্রপাঠ, শাস্ত্র আলোচনা। রাম ভজন হবে রোজই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্যামও রাখলেন, কুলও রাখলেন! তৃণমূল বিধায়কের এক হাতে দলের, অন্য হাতে রামের পতাকা

    TMC: শ্যামও রাখলেন, কুলও রাখলেন! তৃণমূল বিধায়কের এক হাতে দলের, অন্য হাতে রামের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এই স্লোগান কে সামনে রেখে এক হাতে দলীয় পতাকা আর অপর হাতে ধর্মীয় (রামের) পতাকা নিয়ে রায়গঞ্জে সংহতি যাত্রা করলেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিধায়কের এক হাতে দলীয় পতাকা, অন্যহাতে রামের পতাকা! (TMC)

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে সংহতি যাত্রা করেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক। পাশাপাশি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবসও পালন করলেন তাঁরা। যদিও রায়গঞ্জের বিধায়কের  “এক হাতে দলীয় পতাকা তো অন্যহাতে ধর্মীয়(রামের) পতাকা” নিয়ে রায়গঞ্জে সংহতি যাত্রাকে মেনে নিতে পারছেন না জেলা তৃণমূল কংগ্রেসও। পাল্টা রায়গঞ্জ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে সংহতি যাত্রা করা হয় রায়গঞ্জের রাজপথে। অপরদিকে, বিধায়কের এই যাত্রাকে তাদের শুভ বোধোদয় বলে মন্তব্য করেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। বিধায়কের এই যাত্রাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক।

    শহর তৃণমূল এবং বিধায়কের উদ্যোগে পৃথক দুটি সংহতি মিছিল

    রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সারা রাজ্যের পাশাপাশি রায়গঞ্জেও তৃণমূলের নেতৃত্বে সংহতি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।  তবে, বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতৃত্ব দুটি পৃথক মিছিলের আয়োজন করে। তবে, বিধায়কের মিছিল রায়গঞ্জের সুভাষগঞ্জ এলাকার ভিএনসি মোড় থেকে শুরু হয়ে রায়গঞ্জ এনএস রোডে অবস্থিত বিধায়কের দফতরে এসে শেষ হয়। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। তৃণমূলের দলীয় পতাকার পাশাপাশি শ্রী রামচন্দ্রের ধর্মীয় গেরুয়া পতাকায় সুসজ্জিত এই মিছিলে গ্রাম ও শহরের প্রচুর মানুষ অংশগ্রহণ করেন। যাকে ঘিরেই তৃণমূলের দলীয় স্তরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এদিন শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে অপর একটি সংহতি যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। রায়গঞ্জ পুরসভার পুর প্রশাসক তথা তৃণমূলের মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস, উপ পুরপ্রশাসক তথা জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকার, অন্যান্য পুর কো-অর্ডিনেটর সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা পা মেলান। এ মিছিল রায়গঞ্জের বিদ্রোহী মোড়ে অবস্থিত গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে এনএস রোডে অবস্থিত নেতাজি মূর্তির সামনে এসে শেষ হয়। তবে এ মিছিলে তৃণমূলের দলীয় পতাকা ছাড়া অন্য কোনও পতাকা লক্ষ্য করা যায়নি। যদিও এই ঘটনাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (মঙ্গলবার ২৩/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) দূর দেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা সফল হতে পারে।

    ২) বিদ্যার্থীদের জন্য নতুন কোনও পথ খুলতে পারে।

    বৃষ

    ১) বাড়িতে সবাই খুব সতর্ক থাকুন, চুরির ভয় রয়েছে।

    ২) আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। 

    মিথুন

    ১) জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করার শুভ দিন।

    ২) শেয়ারে বাড়তি লগ্নি চিন্তাবৃদ্ধি ঘটাতে পারে। 

    কর্কট

    ১) বন্ধুদের বিরোধিতা থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) সঞ্চয়ের ব্যাপারে বিশেষ নজর দিন। 

    সিংহ

    ১) পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ করতে পারবেন। 

    কন্যা

    ১) ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়।

    ২) মাথাগরম করার ফলে হাতে আসা কাজ ভেস্তে যাবে। 

    তুলা

    ১) ভাই-বোনের কাছ থেকে ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    ২) দাম্পত্য সম্পর্কে উন্নতির যোগ। 

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শুভ যোগ। 

    ধনু

    ১) কোনও ভুল কাজের জন্য অনুতাপ হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। 

    মকর

    ১) কারও কুপ্রভাবে সংসারে অশান্তি হতে পারে।

    ২) সামাজিক সুনাম বা প্রতিপত্তি বিস্তারের যোগ। 

    কুম্ভ

    ১) সাংসারিক কারণে মানসিক যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) আজ আপনাকে অবাক করে দেওয়া কোনও সুখবর আসতে পারে।

    মীন

    ১) ব্যয় বাড়তে পারে।

    ২) সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে গোটা দেশ জুড়ে চলছে উৎসবের মেজাজ। কোথাও অযোধ্যায় রাম মন্দিরের আদলে তৈরি হয়েছে রাম মন্দির,আবার কোথাও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। এরমধ্যে বালুরঘাট শহরের একাধিক জায়গায় রাম পুজোতে অংশগ্রহণ, কোথাও আবার খিচুড়ি রান্নাতে হাত দিতে দেখা গেল বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। সোমবার সকাল থেকেই প্রথমে যুবশ্রী মোড়, উত্তামশা এলাকা,পাওয়ার হাউস এলাকা সহ শহরের একাধিক জায়গায় তিনি রাম পুজোতে অংশগ্রহণ করেন। শুধু বালুরঘাট শহর নয় দিনভর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে রামপুজোতে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পাশাপাশি বালুরঘাটে নতুন সাংসদ অফিসের উদ্বোধন করেন তিনি।

    দিনভর কর্মসূচিতে সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে গোটা দেশ জুড়ে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রতিটি ব্লকেও একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর গঙ্গারামপুর কালীতলা এলাকায় যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর তপন করদহ এলাকায় বনার্ঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। এদিন সন্ধ্যায় বালুরঘাট শহরের সদর ঘাটে আত্রেয়ী নদীর তিরে এক লক্ষ  প্রদীপ জ্বালিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের রামমূর্তির প্রবেশ ও প্রাণ প্রতিষ্ঠার উৎসব উদযাপন করা  হয়। হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় হয়েছে নদীর তিরে। সুকান্ত মজুমদার নদীর তিরে প্রদীপ প্রজ্বলন করেন। সন্ধ্যা আরতি করে রামের উদ্দেশ্যে তা নিবেদন করা হয়।

    আত্রেয়ী নদীতে লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যারতি সুকান্তর

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, দিনভর জেলায় প্রচুর মানুষ রাম জন্মভূমির এই উৎসবকে ঘিরে আনন্দে মেতেছে। জাতি,ধর্ম রাজনৈতিক উর্দ্ধে উঠে মানুষ আজকের দিনটাকে উৎযাপন করছে। এদিন আমরা বালুরঘাট সদরঘাটে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতি করে দিনটিকে উদযাপন করলাম। শাসক দলের কর্মসূচি নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,কর্মসূচি শুধু উস্কানিমূলক কর্মসূচি। এতে প্রকৃতি হিন্দু যারা তারা কেউ যোগ দেবে না। যারা হিন্দু সেজে থাকে, যারা জালি হিন্দু তারাই যোগদান করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনে গেরুয়া পোশাক পরে বিজেপির সঙ্গে শোভাযাত্রায় পা মেলালেন তৃণমূল কর্মীরাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে। সেখানকার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আরও তৃণমূল নেতা নিজে থেকেই যোগদান করেন শোভাযাত্রায়। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। রাজ্যে যেখানে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো বিজেপিকে লক্ষ্য করে পাল্টা সংহতি যাত্রা করেছেন, সেখানে তাঁরই দলের সাংসদ, বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং কর্মীরা রাম মন্দির উদ্বোধনের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন! দলের মধ্যেই এখন তাই চরম অস্বস্তি।

    তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য

    প্রায় ৫০০ বছর অপেক্ষার পর আজ অযোধ্যায় শ্রীরামের জন্মস্থানেই নবনির্মিত গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ হিন্দু সমাজের কাছে উচ্ছ্বাসের দিন। তাই এদিন বিজেপির মিছিলে যোগদান করে মালদার (Malda) তৃণমূলের কর্মীরা বলেন, “রামলালাকে ঘিরে মানুষের আবেগকে অস্বীকার করা যাবে না। আমরা হিন্দু, এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সকলে আমরা রামভক্ত। রাম সকলের, কোনও দলের সঙ্গে যোগ নেই শ্রীরামের। আমরা আমাদের মতো সমাজের জন্য কাজ করব।”

    বিজেপির গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূল (Malda)

    মালদায় (Malda) বিজেপির সঙ্গে গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূলের কর্মীরা। একই সঙ্গে পরনে গেরুয়া বস্ত্র, গেরুয়া উত্তরীয়, কপালে লাল তিলক, মাথায় গেরুয়া কাপড় বাঁধা। একই সঙ্গে হাত উঁচু করে কণ্ঠে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ দিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করেছেন। এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন এলাকার শত শত হিন্দু ধর্মের মানুষ।

    পুজোর স্থান কোথায় ছিল?

    আজ যখন অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলার জেলায় জেলায় হিন্দু সমাজের মন্দিরে মন্দিরে পুজো-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। আজ একই ভাবে মালাদার হরিশ্চন্দ্রপুরের কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির বানিয়ে প্রভু রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করে তাতেই পুজো করা হয়। এরপর একটি বিরাট শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) থেকে এলাকার গড়াগড়ি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সম্পন্ন করা হয়। এই শোভাযাত্রার শুরু এবং শেষ স্থানে ব্যাপক রামভক্তদের সমাগম হয়। একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে যোগদান করেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার উপলক্ষে সারা দেশজুড়ে চলছে নাম যজ্ঞ। লক্ষ লক্ষ ভক্ত এদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে উপস্থিত হয়েছেন। সারা দেশের মানুষ সাড়ম্বরে পালন করছেন এই শুভ দিনটি। গোটা ভারতবর্ষের এক বিশেষ দিন। সনাতন ধর্মের সাফল্যের দিন। সোমবার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন নদিয়ার রানাঘাটের  বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। নাম সংকীর্তনের মধ্য দিয়ে মেতে ওঠেন তিনি।

    ভারতের সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে রাষ্ট্র বিরোধী দল! (Ram Mandir)

    রামায়ণ বাংলায় রচনা করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। এদিন রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাসের রামসীতা মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এদিন সেই মন্দিরে হাজির হন সাংসদ সহ একাধিক বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বিশেয পুজো হয়। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি বহু ভক্ত পুজো দিতে সেই মন্দিরে সামিল হন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি সাংসদ হাজির হন। তিনি বলেন, গোটা দেশজুড়ে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) রামলালার জয়জয়কার হচ্ছে। রামময় জগৎ, রামময় ভারত। রাম আমাদের আত্মা, রাম আমাদের স্বরূপ। রামের যে নীতি সেই নীতিতেই চলে গোটা জগৎ। রামচন্দ্রের আদর্শ মেনেই আমরা চলি। আর ভারতের যে সংস্কৃতি যে ধর্ম তাকে নষ্ট করার জন্য  উঠে পড়ে লেগেছে এক রাষ্ট্রবিরোধী দল। এই শুভদিনে সেই নাম করছি না। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর গোটা ভারতবর্ষ এক গৌরবময় দেশ হয়ে উঠবে। আরও উন্নয়ন ঘটবে এই দেশের। রামচন্দ্র সব হিংসা দূর করে মানুষের মধ্যে শুভ বোধ জাগ্রত করবে।

    কৃষ্ণনগরে বিশেষ ষজ্ঞের আয়োজন

    এক মাস ধরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নানান অনুষ্ঠান চলছে। এদিন মহাসাড়ম্বরে সেই শুভ দিন পালিত হচ্ছে। সারা দেশের সঙ্গে সারা রাজ্যের মানুষ রাম নামে মেতে উঠেছেন। নাম সংকীর্তন করছেন মানুষ। এদিন ফুলিয়ার কৃত্তিবাসে রাম সীতা মন্দিরে দাঁড়িয়ে সাংসদ এবং আরও বিজেপি কর্মীরা সকলে রামের নামে মেতে ওঠেন। পাশাপাশি কৃষ্ণনগরের নৃসিংহদেবতলা মন্দিরে ১০৮টি ধুনুচি এবং ১০০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তারা কয়েক হাজার ভক্তের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করেন। যজ্ঞ শেষে ভোগ বিতরণ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরামের মন্দিরের উদ্বোধন হল। এই উপলক্ষে বহরমপুরের গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে শ্রীরাম পুজোর আয়োজন করা হয় মহা সাড়ম্বরে। সোমবার সকালে এই পুজোকে কেন্দ্র করে হাজির হন সনাতনী সমাজের প্রত্যেক সদস্য, বহু ভক্ত এবং শহরের বহু সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে গঙ্গার জল আনতে যাওয়া হয় বহরমপুরের গোরাবাজার ঘাটে। আজকের দিনে বহরমপুরে (Murshidabad) গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে এই শ্রীরাম পুজোর আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র কাঞ্চন।

    শ্রীরাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তিতে পুজো (Murshidabad)

    অযোধ্যায় আজ মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা ভারতবর্ষের সনাতনীরা এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় ছিল। আজ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করে পুজোতে মেতেছে। বহরমপুর (Murshidabad) সায়দাবাদে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তি তৈরি করে পুজো-অর্চনার আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে চলেছে আগত ভক্তদের মধ্যে লাড্ডু ও ভোগের প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি চলে ভজন-কীর্তন। একই সঙ্গে আয়োজকদের উদ্যোগে ২০০ জন গরিব মানুষকে প্রদান করা হয় শীতবস্ত্র।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বহরমপুরের (Murshidabad) বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “রামায়ণে প্রভু রামের ১৪ বছর বনবাস হয়েছিল। কিন্তু আমাদের সনাতনীদের কাছে ৫০০ বছর ধরে অজ্ঞতাবাসে রাখা হয়েছে রামলালাকে। আজ অযোধ্যায় যুগাবতার রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দিরের জন্য অনেক রাম ভক্তদের রক্ত ঝরেছে। দেশে অনেক সরকার এসেছে, কিন্তু কেউ প্রভু রামের মন্দির নির্মাণ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেনি। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একান্ত চেষ্টায় মন্দির নির্মাণ-উদ্বোধন হয়। আজ আমরা সকল হিন্দু সংগঠন হিসাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সনাতনী সমাজের পক্ষ থেকে প্রভু রামের পুজো করছি। আজকের দিন আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং গৌরবের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    Ramlala: হীরের মুকুট, গলায় হার, ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে দেশবাসীর সামনে এলেন রামলালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৫০০ বছরের আন্দোলনের পরে প্রতীক্ষার অবসান। রামলালার (Ramlala) মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী। অরুণ যোগীরাজের হাতে তৈরি রামলালার মূর্তিই এখন চর্চার বিষয়। রাজা রামের মাথায় হীরের মুকুট, কপালে টিকা, গলায় হার। ফুলের মালায় সুসজ্জিত হয়ে ২২ জানুয়ারি বিশ্ববাসীর সামনে আবির্ভূত হলেন তিনি।

    রামলালার সাজের বর্ণনা

    বালক রাম বা রামলালার হাতে রয়েছে সোনার ধনুক। সোনা, রুপো এবং হীরের গয়নায় বালক রামকে সাজানো হয়। বাল্মিকী রামায়ণের ভগবান রামচন্দ্রের যে মুকুট বর্ণনা করা হয়েছে, সেই ধাঁচের তৈরি মুকুটই পরানো হয়েছে রামলালাকে (Ramlala)। হীরের মুকুটে সোনার সঙ্গে সবুজ রঙের রত্নও নজরে পড়ছে। মুকুটের একেবারে মাথায় তিনটে পানের মত মূর্তি রয়েছে। যেখানে লাল এবং সবুজ মণি দেখা যাচ্ছে। মুকুটের মাঝখানেও একটি সবুজ রঙের মণি রয়েছে। রামলালার কানেও রয়েছে সোনার অলঙ্কার। রামলালার গলার চারপাশে বড় নেকলেসও দেখা যাচ্ছে। কোমরে রয়েছে কোমর বন্ধনী, যা হীরে সমেত লাল এবং সবুজ রঙের অন্যান্য রত্ন দিয়ে তৈরি হয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী গর্ভগৃহে প্রবেশের পরেই খোলা হয় বিগ্রহের আবরণ। তার পরে হয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা। রামলালাকে যে মুকুট পরানো হয়, মন্দিরে সেটি নিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    রামলালার মূর্তির বর্ণনা

    এই রামলালার (Ramlala) মূর্তিটি ৫১ ইঞ্চি লম্বা, চওড়া ৩ ফুট। ওজন প্রায় ২০০ কেজি। ভগবান রামকে দাঁড়িয়ে থাকা ভঙ্গিতে পাঁচ বছরের শিশু হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। কালো পাথরের তৈরি এই মূর্তিটি তৈরি করেছেন মহীশূরের শিল্পী অরুণ যোগীরাজ। মূর্তির চালচিত্রে রয়েছে বিষ্ণুর দশাবতার–মৎস্য, কুর্ম, বরাহ, নৃসিংহ, বামন, পরশুরাম, রাম, কৃষ্ণ, বুদ্ধ ও কল্কি। মূর্তির একদিকে হনুমান ও অপর দিকে গরুড়। শুধু তাই নয়, মূর্তির যে মুকুট রয়েছে তাতে সূর্য, শঙ্খ, স্বস্তিক, চক্র ও গদা রাখা হয়েছে। মূর্তির প্রধান বিশেষত্ব হল, একটি কৃষ্ণশিলা দিয়েই এটি গড়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    Tarapith: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে তারাপীঠে হল মহাযজ্ঞ, করা হল ভোগ বিতরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামলালার। আর অযোধ্যার এই রামলালাকে ঘিরে দেশজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। সারা বাংলাজুড়়ে চলছে রামপুজো। বিশেষ এই দিনটিতে বীরভূমের শক্তিপীঠ তারাপীঠেও (Tarapith) বিশেষ যজ্ঞের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারাপীঠে মা তারার মন্দির চত্বরে এদিন মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। মন্দিরের সেবাইতদের একাংশের উদ্যোগে এই ষজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।

    ২০ কেজি ঘি, ১০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে হয় মহাযজ্ঞ (Tarapith)

    রাম মন্দির উদ্বোধনে বীরভূমের তারপীঠের এক সেবাইত তন্ময় চট্টোপাধ্যায় অযোধ্যায় গিয়েছেন। তারপীঠ মন্দির (Tarapith) চত্বরে বিশেষ পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। হোমের জন্য চারজন পুরোহিত রয়েছে। আর একজন রামের পুজো করছেন। অন্য একজন পুরোহিত হনুমান চালিশা পাঠ করবেন। রাম মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষে তারাপীঠে তোরণ তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরের এক সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনটিকে স্মরণে রাখতে সেবাইতরা এদিন একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। মন্দির চত্বরে মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়। আর সেই যজ্ঞ দেখতে প্রচুর ভক্ত এদিন মন্দির চত্বরে ভিড়় করেন। জানা গিয়েছে, এ দিন সকাল এগারোটা থেকে শুরু হয় মহাযজ্ঞ। তার আগে চলছে চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি। উপস্থিত রয়েছেন তারাপীঠের সমস্ত সেবাইতরা। মহাযজ্ঞের পর দুই হাজার ভক্তকে অন্ন প্রসাদ খাওয়ানোর আয়োজন রাখা হয়েছে। এদিন এই মহাযজ্ঞের জন্য ব্যবহার করা হয় ১৫ থেকে ২০ কেজি ঘি, ১০৮ টি প্রদীপ। প্রসাদের জন্য রয়েছে কুড়ি থেকে বাইশ রকমের ফল ও নানা সামগ্রী।

    জেলায় ১৫০টি মন্দিরে বিশেষ পুজো হয়

    তারাপীঠের (Tarapith) পাশাপাশি নলহাটি, ময়ূরেশ্বর, কলেশ্বর সহ বীরভূম জেলার ১৫০টি মন্দিরে এদিন পুজো করা হয়। রামপুরহাট পুরসভার মাঠে রামের মূর্তি পুজো হয়। হোম হয়। কীর্তনের সঙ্গে শোভাযাত্রা বের হয়। ভোগ বিতরণও করা হয়। নলহাটি শহরে পাঁচটি রাম মন্দির আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। এমনকী নলাটেশ্বরী মন্দিরকেও সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    Depression: মানসিক অবসাদ ৫৮ শতাংশ রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের পাশপাশি বাড়ছে মনের রোগ। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, শরীরের রোগ সম্পর্কে সতর্ক হওয়ার পাশপাশি মনের অসুখ নিয়েও সচেতনতা জরুরি। না হলে সুস্থ জীবনযাপন সম্ভব নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা জানাচ্ছে, মনের অসুখ বাড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের একাধিক রোগ। তাই মানসিক রোগ (Depression) নিয়ে আরও বেশি সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক সমীক্ষা? (Depression)

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় জানা‌ গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে মানসিক অবসাদ।‌ গোটা বিশ্বের প্রায় ৩৩ শতাংশ মানুষ মানসিক অবসাদে ভুগছেন।‌ অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে একাকিত্ব থেকেই অবসাদ হচ্ছে। বিশ্বের প্রথম তিন অবসাদে (Depression) ভোগা দেশের মধ্যে রয়েছে ভারত। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন ভারতীয় মানসিক অবসাদের শিকার। আর এই অবসাদের অন্যতম কারণ একাকিত্ব। 
    ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদে ভুগলে শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষত, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগের মতো সমস্যা বাড়ছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মানসিক অবসাদগ্রস্থের এই ধরনের রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি ৫৮ শতাংশ বেশি থাকে। অধিকাংশ মানসিক অবসাদগ্রস্থের নানান শারীরিক সমস্যা থাকে। যার অধিকাংশই জীবনযাপনের ধরনের জন্য হয়।

    কেন বাড়ছে মানসিক অবসাদ? (Depression)

    মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে মানসিক অবসাদের সমস্যা বাড়ছে। তার প্রধান‌ কারণ একাকিত্ব। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাকিত্ব মানে একা থাকা নয়। একাকিত্ব হল এমন এক মানসিক অবস্থা, যখন একজন ভাবেন, তিনি একা (Depression)। তাঁর পাশে কেউ নেই। তাঁর সমস্যা, তাঁর ভাবনা‌ বলার মতো কেউ তাঁর কাছে নেই। সেখান থেকেই অবসাদের সমস্যা তৈরি হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অধিকাংশ মানুষ পরিবারের সঙ্গেও‌ ঠিকমতো সময় কাটাতে পারেন না।‌ ফলে, নিজের মনের কথা ভাগ করে‌ নেওয়ার সুযোগ ক্রমশ কমছে। সেখান থেকেই অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা বাড়ছে।

    কীভাবে এই সমস্যার মোকাবিলা সম্ভব? (Depression)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাকিত্ব দূর করতে পারলেই অনেকটা সমস্যা মোকাবিলা হবে। মনোরোগ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মানসিক অবসাদ কমলে একাধিক শারীরিক সমস্যা কমে। এটা একাধিকবার প্রমাণ হয়েছে। তাই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা কমাতে মানসিক স্বাস্থ্য (Depression) সুস্থ রাখতেই হবে। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবনযাপন সম্ভব। তাই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে।‌ দিনে অন্তত একবার পরিবারের সকলে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একসঙ্গে বসে খাওয়ার সময় একে অপরের সঙ্গে কথা বলে সারাদিনে কে কী করল, বিভিন্ন ঘটনা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এতে মানসিক চাপ কমে। এছাড়া নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে‌ যোগাযোগ করা জরুরি। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা সরাসরি বসে কথা বলা, নিয়মিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ একাকিত্ব কাটাতে বিশেষ সাহায্য করে। স্কুল জীবন বা কর্ম জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে একাকিত্ব কমে‌। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন কিছুটা সময় সমবয়সীদের সঙ্গে কাটানোর পরামর্শ‌ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 
    তবে, মানসিক অবসাদের সমস্যা জটিল হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, অনেক সময় নির্দিষ্ট ওষুধ আর থেরাপির প্রয়োজন হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share