Tag: Bengali news

Bengali news

  • Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ‍্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে ঘিরে সেজে উঠেছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ৯৯ নং ওয়ার্ডের কুলটির ভরতচক গ্রাম। সেখানে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন রামের মন্দির। সেই মন্দিরে সোমবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এমনিতেই এই মন্দিরে বছরে একবার মূর্তি গড়ে পুজো করা হয়। তবে, এখন খড়ের কাঠামোতেই জাঁকজমকভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রাচীন মন্দিরে হয় রামের বিশেষ পুজো (Asansol)

    এদিন সকালে আসানসোলের (Asansol) ভরতচক গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, রাম মন্দিরে রাম-সীতা-ভরত-লক্ষণ-শত্রুঘ্ন -হনুমান-জাম্বুবানের খড়ের কাঠামো রয়েছে। এই গ্রামে ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে রামের পুজো হয়ে আসছে। মূলত মাঘী পূর্ণিমাতে প্রতি বছর মূর্তি গড়ে আট দিন ধরে রামের পুজোর আয়োজন করা হয়। সেই সময় হাজার হাজার ভক্ত প্রতি বছর সামিল হন। তবে, এদিন ৫৫০ বছরের লড়াইয়ের শেষে অযোধ‍্যায় রামলালা ফিরেছেন। বিশাল পুজোর মাধ্যমে এদিন সেখানে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। তাই, এই মুহূর্তকে স্মরণে রেখে পূণ্য তিথি অনুসারে ভরতচক গ্রামে প্রাচীন রাম মন্দিরেও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। আর এদিন এই পুজোয় প্রচুর ভক্ত সামিল হন।

    ভোগ বিতরণ করা হয়

    বিজেপি অমিত গড়াই বলেন, আমাদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সকাল থেকেই রাম মন্দির সাজানো হয়। নিয়ম মেনে মন্দিরে খড়ের কাঠামোতেই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে ভক্তদের এদিন ভোগপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মতো এদিন সকাল থেকে ভোগ রান্না করা হয়। আর এদিন রামের মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে।

    শোভাযাত্রায় সামিল বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল

    রাম মন্দির উদ্বোধনের সঙ্গে আসানসোলের (Asansol) বার্ণপুরে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তিনি নিজে খঞ্জনি বাজিয়ে নগর প্ররিক্রমা করেন। রামলালার ছবি মাথায় নিয়ে তিনি শোভাযাত্রায় পা মেলান। এদিন শোভাযাত্রায় বহু কর্মী-সমর্থক সামিল হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    Ram Temple: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনেই সাত সকালে রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে সাত সকালে কাঁথির রাম মন্দিরে পুজো দিলেন সস্ত্রীক তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। আজ ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে শ্রী রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এদিন সকালে কাঁথির রাম মন্দিরের সামনে থেকে পুজোর উপাচার কিনে পুজো দিলেন এবং সকলের জন্য মঙ্গল কামনা করলেন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। এভাবেই সারা দেশ আজ রাম নামে মেতে উঠেছে।

    সাংসদের স্ত্রী পুজো দিলেন (Ram Temple)

    প্রায় ৫০০ বছরের ঐতিহাসিক আন্দোলনের সময় অতিক্রম করে আজ সেই শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ উপস্থিত হয়। নিজের জন্মভূমিতে নির্মিত মন্দিরের (Ram Temple) গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক আজকের দিনেই সাত সকালে প্রবল শীতকে উপেক্ষা করে মন্দিরে গেলেন সাংসদ দিব্যন্দু অধিকারী এবং তাঁর স্ত্রী। আজকের শুভক্ষণে প্রভু রামকে পুজো করলেন তাঁর স্ত্রী। আর অপর দিকে সাংসদ মন্দিরের ঘণ্টা বাজিয়ে প্রভু রামের চরণে ভক্তি অর্পণ করলেন। পাশাপাশি একই ভাবে মন্দিরের শিবের মাথায় জল ঢেলে পুজো দিলেন। অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে বাংলার অলিগলি, গ্রামগঞ্জের মন্দিরগুলি অপূর্ব সাজে সজ্জিত হয়ে উঠেছে। অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও রাম নামে আজ মুখরিত।

    কী বললেন সাংসদ দিব্যেন্দু?      

    এদিন সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “এখন সকালে পুজো দিয়ে গেলাম। আবার প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Temple) অনুষ্ঠান শুরু হলে পুজো দিতে আসব। সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য মঙ্গল কামনা করছি। বিশ্ববাসীর জীবন শান্তিময় এবং সুখকর হোক। আজ রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হবে। দেশের উন্নয়ন এবং কল্যাণে শ্রী রামচন্দ্রের আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।” অপর দিকে আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিকেলে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত সংহতি মিছিলের ডাক দিয়েছেন। এই সংহতি মিছিল সম্পর্কে সাংসদে দিব্যন্দু আরও বলেন, “উচ্চ আদালতের নির্দেশে এই মিছিল হবে। সবার নিজের কাজ করার অধিকার রয়েছে। নির্দেশ মেনেই করতে হবে, তাই আমি স্বাগত জানাই।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনে সারা দেশ মেতে উঠেছে। মন্দিরে মন্দিরে চলছে পুজো। এই আবহের মধ্যে নদিয়ার শান্তিপুরে শুধু মন্দিরগুলিতে পুজো হচ্ছে এমন নয়, এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে সোমবার সন্ধ্যায় মসজিদ এবং গির্জায় জ্বালানো হবে মোমবাতি এবং প্রদীপ। এমনটাই জানালেন নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-২ নম্বর পঞ্চায়েতের পাঁচপোতা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য আশরাফ শেখ এবং শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-১ নম্বর পঞ্চায়েতের চাদরা ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল। আজকের দিনটিকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন বলে মনে করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে, সনাতনী হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও যে একইভাবে আনন্দে উচ্ছ্বাসিত তা বলাই বাহুল্য।

    গীর্জা ও মসজিদে জ্বালানো হবে প্রদীপ-মোমবাতি (Ram Mandir)

    সোমবার সকাল থেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir)  দিকে নজর ছিল সকলের। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  আর বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে উদ্যোগী হয়েছেন শান্তিপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। এদিন সন্ধ্যায় গির্জা এবং মসজিদে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালানো হবে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু হিন্দু ধর্মের মানুষেরাই নয়, সংখ্যালঘু সকল সম্প্রদায়ের মানুষেরাই তাতে খুশি। আর সেই কারণেই  মন্দিরের পাশাপাশি শান্তিপুরের এই জামে মসজিদ এবং ক্যাথলিক চার্চেও জ্বলে উঠবে প্রদীপ এবং মোমবাতি। ক্যাথলিক চার্চের দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে অক্ষত প্রসাদ বিতরণ করেছি। সকলকেই প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানোর জন্য বলেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও এই দিনটিকে স্মরণ রাখতে প্রদীপ জ্বালাবে। আর গির্জাও সাজানো হয়েছে।

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য কী বললেন?

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য আশরাফ শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত জাতিকেই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। আর তাতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মসজিদ পরিষ্কার করেছি। সকলে উদ্যোগী হয়ে এই কাজ করছেন। আমরা এদিন সকাল থেকে সমস্ত রকম প্রস্তুত গ্রহণ করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের রামলালার সঙ্গে কালনাতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হবে ১৪ ফুটের রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধন নিয়ে সারা বিশ্বজুড়ে এখন চর্চা চলছে। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে অযোধ্যায়। দেশ জুড়ে ওই দিন নানা অনুষ্ঠান হবে। এই আবহের মধ্যেই পূর্ব বর্ধমানের কালনায় ১৪ ফুটের রামচন্দ্রের মূর্তি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। সমীর দাস নামে এক যুবকের উদ্যোগে এই মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ২২ জানুয়ারি জাঁকজমকভাবে পুজো করে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    ১৪ ফুটের রাম মূর্তি কেন? (Ram Mandir)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাস আগে কালনা চড়কতলার শিল্পী জগৎ মণ্ডলকে এই মূর্তি তৈরির জন্য বরাত দেন সমীরবাবু। শিল্পী ৬ জনকে নিয়ে মূর্তি তৈরির কাজ শুরু করেন। শিল্পীর কথায়, দেড় মাস ধরে মূর্তি তৈরির কাজ চলছে। ১৪ বছর রামচন্দ্র বনবাসে ছিলেন, আর সেই কারণে ১৪ ফুটের এই রামমূর্তি তৈরি করা হয়েছে। ২২ জানুয়ারি অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কালনার আরএমসি মার্কেট সংলগ্ন এলাকাতে এই রামচন্দ্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই, আরএমসি মার্কেট চত্বরকে সাজানো হয়েছে। সেখানে মূর্তি বসানোর জন্য বেদি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষ পুজোর মাধ্যমে মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা কী বললেন?

    মূর্তি তৈরির মূল উদ্যোক্তা সমীর দাস বলেন, রামচন্দ্রের একনিষ্ঠ ভক্ত। তাঁর মূর্তি তৈরি করার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরে পরিকল্পনা নিয়েছিলাম। এবার নিজের উদ্যোগে মূর্তি তৈরির জন্য এক শিল্পীকে বলি। প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ করে মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। প্রথমে আমার পাশে কেউ ছিল না। তবে, এখন সকলেই আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এই উদ্যোগের পিছনে কোনও রাজনৈতিক দল নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আমি মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন যজ্ঞ করা হবে। আগামীদিনে সেখানে একটি মন্দির তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ধ্বংসের উপর ভক্তির জয়, রাম মন্দিরের এক নির্মাণের ইতিহাস

    Ram Mandir: ধ্বংসের উপর ভক্তির জয়, রাম মন্দিরের এক নির্মাণের ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বিক্রম সংবত ২০৮০, পৌষ মাসের শুক্লা পক্ষের দ্বাদশী। আজ রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হোল। দেশজুড়ে এখন রাম নামের মাতোয়ারা। অযোধ্যা সেজে উঠেছে রামলালার আগমনে। দেশজুড়ে রাম ভক্তদের মধ্যে উচ্ছ্বাস এখন তুঙ্গে। প্রায় ৫০০ বছরের দীর্ঘ আন্দোলনের পর রামলালা নিজভূমে (Ram Mandir) প্রতিষ্ঠা পেলেন। সম্পন্ন হোল অভিষেক প্রক্রিয়া। কিন্ত এই মন্দির নির্মাণের পথ এত সহজ ছিল না। আসুন জেনে নিই রাম মন্দির পুনর্নির্মাণের ইতিহাস।

    শ্রীরামের জন্ম এবং প্রাচীন মন্দির (Ayodhya Ram Mandir)

    অযোধ্যা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বৈবশ্বত মনু। তিনি ভগবান মৎস্যাবতারের আশীর্বাদ ও সাহায্যে মহাপ্রলয় থেকে পৃথিবীতে জীবন রক্ষা করেছিলেন। আনুমানিক ২১০০ বছর আগে অযোধ্যার শ্রী রাম জন্মভূমিতে সম্রাট বিক্রমাদিত্য নির্মাণ করেন ৮৪টি কালো টাচস্টোন স্তম্ভের উপর একটি সুবৃহৎ মন্দির (Ayodhya Ram Mandir)।

    মন্দিরে বহিরাগত আক্রমণ (Ayodhya Ram Mandir)

    প্রায় ৫০০ বছর আগে ১৫২৮ সালে মুসলিম আক্রমণকারী বাবরের সেনাপতি মীর বাকি শ্রীরামের হাজার হাজার বছরের পুরাতন মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ধ্বংস করেছিলেন। মুসলমান আক্রমণকারীদের হাত থেকে মন্দিরকে বাঁচাতে ১৫ দিন ধরে শ্রী রামভক্তদের প্রথম যুদ্ধ সংগঠিত হয়। মন্দিরকে ধ্বংস করে একটি মসজিদের কাঠামো নির্মাণ করা হয়। ১৫২৮ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত রাম মন্দিরকে উদ্ধার করতে আনুমানিক ৭৬ বার রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। এই মহান সংগ্রামে গুরু গোবিন্দ সিং, মহারানি রাজ কুনওয়ার এবং আরও অনেক মহান ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছিলেন।

    প্রথম এফআইআর

    ১৮৫৮ সালে মসজিদের এক মৌলবি মসজিদ ই জন্মস্থান বলে ফৈজাবাদ একটি এফআইআর দায়ের করেন। এরপর ১৮৮৫ সালে ফৈজাবাদ কোর্টে শ্রী রাম জন্মভূমি (Ayodhya Ram Mandir) মামলার প্রথম শুনানি শুরু হয়। ১৯১২ সালের নভেম্বর ২০, ২১ তারিখে গোহত্যার বিরুদ্ধে ঈদের সময় অযোধ্যায় প্রথম দাঙ্গা শুরু হয়। উল্লেখ্য, ১৯০৬ সাল থেকে পৌর আইনের অধীনে অযোধ্যায় গরু জবাই করা নিষিদ্ধ ছিল। ১৯৩৪ সালের মার্চ মাসে ফৈজাবাদের শাহজাহানপুরে গরু জবাইয়ের বিরুদ্ধে হিন্দুরা প্রবল আন্দোলন করে। পরিণামে সংঘর্ষ হয়। বিক্ষুব্ধ হিন্দুরা বিতর্কিত মসজিদের কাঠামোর দেয়ালে আক্রমণ করে। পালটা ইংরেজ সরকার সেই সময় বিতর্কিত মসজিদের কাঠামোর মেরামত করে দেয়। এরপর ২২ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালের মধ্যরাতে বিতর্কিত মসজিদ কাঠামোর মূল গম্বুজের নীচে রাম লালার জন্মস্থানে রাম লালা নিজেকে প্রকাশ করেন। পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু ছিলেন তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। পন্ডিত গোবিন্দ বল্লভ পন্ত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং কেরালার শ্রী কে কে নায়ার ছিলেন ফৈজাবাদ জেলার ম্যাজিস্ট্রেট। ১৯৫০ সালে রামের জন্মস্থানের মালিকানা দাবি করার জন্য ফৈজাবাদ আদালতে একটি মামলা শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম নেতা ছিলন হিন্দু মহাসভার গোপাল সিং বিশারদ, দিগম্বর আখাড়ার মহন্ত এবং পরমহংস রামচন্দ্র দাস। ১৯৫৯ সালে নির্মোহি আখাড়া মসজিদের বিতর্কিত স্থানের উপর তাদের অধিকার দাবি করে আরো একটি পিটিশন দাখিল করে এবং সেই সঙ্গে তারা নিজেদেরকে রাম জন্মভূমির অভিভাবক বলে দাবি করে। ১৯৬১ সালে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড বিতর্কিত কাঠামোতে মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে পালটা একটি পিটিশন দাখিল করে এবং দাবি করে যে এর চারপাশের জমি সহ কাঠামোটি একটি কবরস্থান ছিল। পুরো জমিটাই তাঁদের। ১৯৮৩ সালে পশ্চিম উত্তর প্রদেশের একজন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শ্রী দাউ দয়াল খান্না, ওই বছরের মার্চ মাসে মুজাফফরনগরে অযোধ্যা পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করেন। নেহরুর মৃত্যুর পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রী গুলজারি লাল নন্দা, তিনিও ওই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। আইন ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য, সিটি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা ১৪৫ সিআরপিসির মাধ্যমে বিতর্কিত কাঠামোটির জন্য প্রিয়া দত্ত রামকে রিসিভার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। ধর্মীয় আস্থা এবং বিশ্বাসের কথা মাথায় রেখে নামাজ পড়া বন্ধ করে এলাকাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু রাম জন্মভূমির তালাবদ্ধ গেটের সামনে স্থানীয় মানুষ ও সাধুরা চালাতে থাকেন অখন্ড নাম সংকীর্তন।

    প্রথম ধর্মসভা এবং রাম শিলান্যাস

    ১৯৮৪ সালের এপ্রিল মাসে অযোধ্যার রাম জন্মভূমি (Ayodhya Ram Mandir) পুনরুদ্ধার বিষয়ে নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কর্তৃক প্রথম ধর্ম সংসদ অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালের অক্টোবর মাসে সারা দেশে গণজাগরণের জন্য সীতামারি থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত রাম-জানকী রথযাত্রা শুরু হয়। রথযাত্রার প্রভাব এতটাই জোরাল ছিল যে হিন্দু সমাজের চাপে ফৈজাবাদ জেলা আদালত ১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৮৬ তারিখে তালা খোলার নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, সেই সময়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কংগ্রেসের বীর বাহাদুর সিং এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রাজীব গান্ধি। ৯ নভেম্বর ১৯৮৯ সালে, তৎকালীন সরকারের যথাযথ অনুমতি নিয়ে বিহারের একজন তপশীলি সামজের মানুষ কামেশ্বর চৌপাল মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সমগ্র ভারত ও বিদেশ থেকে প্রায় ২ লাখ ৭৫ হাজার ইট (শ্রীরাম শিলা) ১৯৮৯ সালের অক্টোবরের শেষ নাগাদ অযোধ্যায় পৌঁছায়। আনুমানিক ৬ কোটি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই সময় এই প্রস্তাবিত মন্দিরের জন্য একটি মন্দিরের মডেল তৈরি করেছিলেন গুজরাটের সুপরিচিত মন্দির স্থপত্য শিল্পী শ্রী চন্দ্রকান্ত সোমপুরা। ৩০ অক্টোবর ১৯৯০ সালে মন্দিরের পুনর্নির্মাণের জন্য করসেবা শুরু করার জন্য সাধুসন্তরা একটি ঘোষণা পত্র প্রকাশ করেন। এরপর এই ১৯৯০ সালেরই অক্টোবর মাসে হাজার হাজার রামভক্তরা মুলায়ম সিং যাদবের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন উত্তর প্রদেশ সরকারের দ্বারা তৈরি করা সকল বাধা অতিক্রম করে অযোধ্যায় পৌঁছান।

    কর সেবকদের উপর গুলি

    ২ নভেম্বর, ১৯৯০ সালে করসেবকদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন মুলায়ম সিং যাদব এবং অনেক করসেবক তাদের প্রাণ হারিয়েছিলেন। এরপর ব্যাপক আন্দোলনের চাপে তাঁকে ১৯৯১ সালের ৪ এপ্রিল পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পরবর্তী নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির কল্যাণ সিং। দ্বিতীয়বার করসেবার ডাক দেওয়া হয় এবং ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর করসেবকদের আঘাতে ভেঙে পড়ে বিতর্কিত মসজিদের কাঠামো। কাঠামো ভাঙতেই দেওয়াল থেকে প্রাচীন মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) নানা তথ্য বের হয়। বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো ভাঙার দায়ভার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করেন কল্যাণ সিং। প্রত্নতাত্ত্বিক নমুনা থেকে পুরাতন মন্দির নির্মাণের বহু প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে আরও খনন কার্য চালিয়ে ২৫০ টির বেশি হিন্দু মন্দিরের নিদর্শন তুলে ধরা হয়। এরপর এলাহাবাদ হইকোর্টে রাম লালার পূজার জন্য আবেদন করা হলে অনুমতি পাওয়া যায়। ধ্বংসের আগে যেখানে শ্রী রাম লালা বসেছিলেন, সেই জায়গায় করসেবকেরা ত্রিপল দিয়ে একটি অস্থায়ী মন্দির তৈরি করেন। এরপর সুপ্রীম কোর্টে চলে লম্বা আইনি লড়াই।

    শুরু খনন কার্য

    ১৯৯৫ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের দুই জন হিন্দু এবং একজন মুসলমান বিচারপতি মামলার শুনানি শুরু করেন। ভারতের রাষ্ট্রপতি ডঃ শঙ্কর দয়াল শর্মা প্রশ্ন তোলেন, “বিতর্কিত শ্রী রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ নির্মাণের আগে কোনও হিন্দু মন্দির বা কোনও হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো বিদ্যমান ছিল কি না?” এরপর রাষ্ট্রপতির উপদেশে ২০০২ সালের অগাস্ট মাসে ডিভিশন বেঞ্চ সমীক্ষার নির্দেশ দেয়। এরপর বিশেষজ্ঞরা তাঁদের প্রতিবেদনে জানান, ধ্বংস করা কাঠামোর নীচে একটি বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সুবিশাল মন্দির কাঠামোর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ২০০৩ সালে হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI) কে বৈজ্ঞানিকভাবে জায়গাটি খনন করার এবং রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়। দুই পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে খনন কাজ চালানো হয়। ৫০টি সমান দূরত্বে অনেক দেয়াল, মেঝে, দুই সারি পিলার-ভিত্তিস্তম্ভ পাওয়া যায়। একটি শিব মন্দিরের সন্ধান মেলে। এরপর ২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ তিনটি সমান পক্ষ – নির্মোহি আখড়া, শ্রীরামলালা (Ayodhya Ram Mandir) এবং উত্তর প্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে বিতর্কিত জায়গাটি ভাগ করার নির্দেশ দেয়। ২০১১ সালে আবার সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। ২০১৫ সালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ রামমন্দির পুনর্গঠনের জন্য পাথর সংগ্রহের জন্য দেশব্যাপী প্রচার শুরু করে। ওই বছরের শেষের দিকে, দুই ট্রাক পাথর অযোধ্যায় এসে পৌঁছায়। 

    সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা

    অবশেষে ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্ট চূড়ান্ত রায় প্রদান করে। আদালত স্পষ্টভাবে রায় দিয়ে জানায় যে বিতর্কিত জমি রামমন্দির পুনর্গঠনের জন্য হিন্দুদের দেওয়া হবে এবং পাঁচ একর বিকল্প জমি দেওয়া হবে মুসলমানদের। ২০২০ সালে ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং বরিষ্ঠ হিন্দু নেতাদের উপস্থিতিতে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমিপুজো অনুষ্ঠিত হয়। ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বিতর্কিত মসজিদ কাঠামো ধ্বংসের মামলায় অভিযুক্ত লালকৃষ্ণ আডবানি, মুরলি মনোহর যোশী, উমা ভারতী, কল্যাণ সিং এবং অন্যান্য ২৮ জনকে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত নির্দোষ বলে মামলা থেকে মুক্ত করে। অবশেষে ২২ জানুয়ারী ২০২৪, অযোধ্যায় নবনির্মিত রামমন্দিরের গর্ভগৃহে রাম (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন স্থির হয়। শাস্ত্র মতে বিধিবিধান মেনে মন্দিরের গর্ভগৃহে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়া এদিন যজমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেল, আরএসএস সর সঙ্ঘচালক মোহন রাও ভাগবত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ২২/০১/২০২৪)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (সোমবার ২২/০১/২০২৪)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে।

    ২) সামাজিক সম্মান পাবেন।

    বৃষ

    ১) গানবাজনার প্রতি আগ্রহ বাড়তে পারে।

    ২) কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে। 

    মিথুন

    ১) রক্তচাপের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ২) অশান্তির থেকে দূরে থাকুন। 

    কর্কট

    ১) চিকিৎসার খরচ বাড়তে পারে।

    ২) সঙ্গীতে সাফল্য পেতে পারেন।

    সিংহ

    ১) গাড়ি একটু সাবধানে চালান।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে। 

    কন্যা

    ১) খারাপ সঙ্গ থেকে সাবধান থাকুন।

    ২) লোকে দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারে। 

    তুলা

    ১) সকাল থেকে বাতের যন্ত্রণা বাড়তে পারে।

    ২) কাজের ব্যাপারে খুব ভাল যোগাযোগ হতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) ভ্রমণের জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) উঁচু স্থান থেকে পড়ে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) বাড়িতে চুরির সম্ভাবনা, সাবধান থাকুন।

    ২) দাম্পত্য কলহ নিয়ে যন্ত্রণা। 

    মকর

    ১) চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় মহাজনের সঙ্গে তর্ক। 

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) শরীরে কষ্ট হওয়ার জন্য কাজের সময় নষ্ট।

    মীন

    ১) ব্যয় অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়তে পারে।

    ২) দুর্ঘটনা থেকে সাবধান থাকা দরকার। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘরে ঘরে জ্বলবে প্রদীপ, পোয়া বারো মৃৎশিল্পীদের

    Ram Temple: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন ঘরে ঘরে জ্বলবে প্রদীপ, পোয়া বারো মৃৎশিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধনের দিন দেশজুড়ে প্রদীপ জ্বালানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতেই যারপরনাই খুশি মৃৎশিল্পরীরা। সারাবছর মাটির ভাঁড় তৈরি করেন যাঁরা, দীপাবলির সময় বাড়তি পরিশ্রম করে মাটির প্রদীপ তৈরি করেন বাড়তি দু’পয়সা রোজগারের জন্য। আর সোমবার অকাল দীপাবলি এসে পড়ায় তাঁরা খুবই খুশি।

    মৃৎশিল্পীরা কী বললেন? (Ram Temple)

    যাঁরা সারা বছর চায়ের দোকানের ভাঁড় তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করলেও দীপাবলির আগে তাঁরা মাটির প্রদীপ তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এতে ঘরের মহিলারা বাড়তি কিছু আয় করেন যা তাঁরা উৎসবে খরচ করেন। সোমবার অযোধ্যায় নবনির্মিত রাম মন্দিরে (Ram Temple) রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে তাঁদেরও বাড়তি আয় হলে, সেই টাকায় একটু স্বাচ্ছন্দ্য আসবে, শখও মেটাতে পারবেন তাঁরা। তাই এখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংসারের কাজ সেরে ফেলছেন প্রদীপ বানানোর জন্য। গত কয়েকদিন ধরেই পাইকাররা এসে অর্ডার দিয়ে যাচ্ছেন। পিলখানায় ২৫ ঘর মতো মৃৎশিল্পীর বাস। তাঁরা এখন ভীষণ ব্যস্ত। হাওড়ার পিলখানার ভাঁড়পট্টির কারিগর ঝাঙুর প্রজাপতি বলেন, ২২ তারিখে মোদি যে প্রদীপ জ্বালাতে বলেছেন তারজন্য হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বলবে। তাই আমরাও ঘরে ঘরে প্রদীপ তৈরি করছি। আমরা সকলেই খুব খুশি। ভোর থেকে কাজ শুরু করছি, সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ হচ্ছে না। মৃৎশিল্পী কমলা দেবী বলেন, রামন্দিরের জন্য চাহিদা বেড়েছে, দামও বেশি পাচ্ছি।  যে প্রদীপের দাম ৫ টাকা ছিল এখন চাহিদা বাড়ায় তা ৮ টাকা হয়ে গেছে। ৭-৮ টাকার প্রদীপ ১০টাকায় বিকোচ্ছে। স্থানীয় মৃৎশিল্পী লক্ষ্মী দেবী বলেন, এমন দিন আসবে ভাবতেই পারিনি। রাম মন্দির যে সত্যিই হবে ভাবতেও পারিনি। জানা গিয়েছে, পাইকারদের হাত ধরে এখান থেকে প্রদীপ চলে যাচ্ছে হাওড়ার বিভিন্ন বাজার ও কলকাতার বড়বাজারে। সেখান থেকে প্রদীপ ছড়িয়ে পড়ছে শহরের আনাচে-কানাচে। বাড়তি আয় করতে পেরে খুশি কমলা প্রজাপতি, পূজা প্রজাপতিরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন রাজ্যে সম্প্রীতির মিছিল করার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো জেলায় জেলায় মিছিলের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। আর এই আবহের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটলেন ভাটপাড়ার তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রামের প্রতিচ্ছবি। বলা ভাল, রামের পুজোয় মেতে উঠেছেন এই তৃণমূল নেতা। বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে রামের বিশাল প্রতিচ্ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রামের প্রতিবিম্ব (Ram Mandir)

    ভাটপাড়ার দাপুটে তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর স্ত্রী পুরসভার কাউন্সিলর। একসময় অর্জুন বিরোধী নেতা হিসেবে ভাটপাড়ায় তিনি পরিচিত ছিলেন। যদিও সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্বের মধ্যে তিনি এখন নিরপেক্ষ। তবে, এলাকায় তাঁকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই সকলেই জানেন। আর গত এক মাস ধরেই রামের মূর্তি তৈরি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। প্রায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে ভাটপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হচ্ছে ভাটপাড়ায়। বিহারের শিল্পী অনিল কুমার এই কাজটি করছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে শিল্পীদের নিয়ে এসে কাজটি করা হচ্ছে। মোট ১১৩ জন মিলে এই কাজ করছেন। এরমধ্যে শিল্পী রয়েছেন ১৩ জন। আর বাকি ১০০ জন শ্রমিক এক যোগে কাজ করে চলেছেন। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিশাল ষজ্ঞের পাশাপাশি পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাও রামের পুজোয় মাতবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে বলেন, শিল্পী অনিল কুমার অযোধ্যায় ১৪ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছেন। তিনি এবার ভাটপাড়ায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করছেন। রাজ্যে এতব়ড় রামের প্রতিবিম্ব আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তৃণমূল নেতা হয়েও রামের পুজোয় ব্যস্ত কেন? তিনি বলেন, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। আর ধর্ম ধর্মের জায়গায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাত পোহালেই উদ্বোধন রাম মন্দিরের, শুভ যোগ শুরু হচ্ছে বেলা ১২টা ২০ মিনিটে

    Ram Mandir: রাত পোহালেই উদ্বোধন রাম মন্দিরের, শুভ যোগ শুরু হচ্ছে বেলা ১২টা ২০ মিনিটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে রামলালার (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান। জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ শুভ যোগ শুরু হচ্ছে যা চলবে বেলা একটা পর্যন্ত। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানকে ঘিরে সাজো সাজো রব গোটা রাম নগরী জুড়ে। ইতিমধ্যেই রামলালার মূর্তি অধিষ্ঠিত করা হয়েছে গর্ভগৃহে। দেশ জুড়ে প্রচুর রাম ভক্ত হাজির হয়েছেন এই শুভ তথা ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, বারাণসীর পুরোহিত লক্ষীকান্ত দিক্ষিত গোটা অনুষ্ঠানটি বিধি মেনে সম্পূর্ণ করবেন।

    আমন্ত্রিত ৮ হাজার অতিথি

    রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সারা দেশ জুড়ে ৮ হাজার অতিথিকে আমন্ত্রিত জানানো হয়েছে। যার মধ্যে রাজনীতিবিদরা যেমন রয়েছেন তেমনই রয়েছেন বড় শিল্পপতিরাও। দেশের ক্রীড়া মহলের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বও রয়েছেন। বলিউডের বহু খ্যাত নামা অভিনেতাকেও দেখা যাবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে।

    অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে দেশজুড়ে, ৯ হাজার রেল স্টেশনেও দেখা যাবে অনুষ্ঠান

    রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারিত হবে সারা দেশ জুড়ে। তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে যে সবাই যেন ভার্চুয়াল ভাবে ওই প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Mandir) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ইতিমধ্যে প্রতি বাড়িতে পাঁচটি প্রদীপ জ্বালাতে বলেছেন। সরাসরি সম্প্রচার শুরু হচ্ছে সকাল ১১ টা থেকেই। সরাসরি সম্প্রচার দেখা যাবে দূরদর্শনে। দেশের অসংখ্য ধর্মস্থানে স্ক্রিন লাগিয়ে সম্প্রচার করা হবে রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ভারতীয় রেলও ৯ হাজারেরও বেশি স্ক্রিন লাগিয়েছে দেশের বিভিন্ন স্টেশনে, প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানকে সরাসরি সম্প্রচারিত করার জন্য।

    উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে সম্প্রচারে, থাকছে ৪০টি ক্যামেরা

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Ram Mandir) অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার যেহেতু দূরদর্শনে হবে তাই অযোধ্যার বিভিন্ন স্থানে ইতিমধ্যে ৪০টি ক্যামেরা বসিয়েছে দূরদর্শন। জানা গিয়েছে,  লাইভ টেলিকাস্ট করা হবে সরযূ ঘাট, কুবের টিলার জটায়ুর মূর্তি থেকেও। অত্যন্ত উন্নত মানের সম্প্রচার প্রযুক্তি হল 4K ট্রান্সমিশন, যা জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে ব্যবহার করা হয়েছিল। রাম মন্দিরের উদ্বোধনেও দেখা যাবে ওই প্রযুক্তি। বেসরকারি চ্যানেলগুলিও দূরদর্শনের সৌজন্যে সম্প্রচার অনুষ্ঠান দেখাতে পারবে।

    প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে

    প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে মঙ্গল ধ্বনিও দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গর্ভ গৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ। নাগারা রীতিতে তৈরি রাম মন্দির ৩৮০ ফুট দীর্ঘ পূর্ব থেকে পশ্চিমে। অন্যদিকে ১৮০ ফুট উচ্চতা রয়েছে মন্দিরের। চওড়াতে এই মন্দির ২৫০ ফুট দীর্ঘ বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) মোট ৩৯২ টি স্তম্ভ রয়েছে। মোট দরজার সংখ্যা ৪৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদের জন্য ১০০১কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হল গোবিন্দ ভোগ চালের গাড়ি। এদিন সকালে বালুরঘাট বিজেপি কার্যালয় থেকে গাড়ি রওনা হয়। নারকেল ফাটিয়ে চাল ভর্তি গাড়ির শুভ কার্যকম করেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। পাশাপাশি এদিন তাঁর প্রচেষ্টায় বালুরঘাট-হিলির রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হল।

     ১০০১ কেজি চাল পাঠানো হল (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন ২২জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দান সামগ্রী যাচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত গোবিন্দ ভোগ চাল এদিন আমরা পাঠালাম। এই গোবিন্দ ভোগ চাল পুজোর ভোগ রান্নায় ব্যবহার হয়, সেই কারণে আমরাও রাম মন্দিরের ভোগের জন্য ১০০১ কেজি চাল পাঠালাম। এছাড়াও সোমবার জেলায় সব জায়গায় নানা অনুষ্ঠান করা হবে। সন্ধ্যায় বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর পারে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতির আয়োজন করা হয়েছে।

    পুলিশ তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে!

    রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলকে তোপ দাগেন। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন জেলায় জেলায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকা নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন,পুলিশ প্রশাসন শান্তভাবে থাকলেই হবে। তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে। সাধারণ মানুষ, সাধারণ হিন্দু সমাজ ৫০০ বছর পর রাম মন্দির পেয়েছে। তারা রামের পুজো করবে। হিন্দুরা কোনওদিন কাউকে আক্রমণ করে না। বিদেশেও কোম্পানি খুলেছিলেন শঙ্কর আঢ্য! এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, এখন তো বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা কেন মাঝে মাঝে দুবাইয়ে যায়। দুবাইয়ে তারা কি লুকাতে যায় তা আমরা বুঝিনা। এখন বোঝা যাচ্ছে শঙ্কর আঢ্যর মতো একজন প্ৰাক্তন পুরসভার চেয়ারম্যান তার যদি দুবাইয়ে কোম্পানি থাকতে পারে। তাহলেই বাদবাকি তৃণমূল নেতাদের কী আছে দেখুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share