Tag: Birbhum

Birbhum

  • Police Officer: অমিত শাহের সভার আগেই সরিয়ে দেওয়া হল কেষ্ট ঘনিষ্ঠ সিউড়ি থানার আইসি-কে!

    Police Officer: অমিত শাহের সভার আগেই সরিয়ে দেওয়া হল কেষ্ট ঘনিষ্ঠ সিউড়ি থানার আইসি-কে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফরের আগেই বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি শেখ মহম্মদ আলিকে (Police Officer) সরিয়ে দেওয়া হল। শুক্রবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিউড়িতে সভা করবেন। তার আগেই অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ওই আইসি-কে (Police Officer) সরিয়ে দেওয়া হল। এমনিতেই মাসখানেক আগেই এই পুলিশ অফিসারকে সিবিআই এবং ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরমধ্যেই তাঁকে আইসি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, রামপুরহাট থানার আইসি দেবাশিস চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, এটা রুটিন বদলি।

    দুই থানার আইসি-কে (Police Officer) কোথায় বদলি করা হল?

    মাসখানেক আগেই সিউড়ি থানার আইসি (Police Officer) শেখ মহম্মদ আলিকে  নিজাম প্যালেসে ডেকে সিবিআই ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মূলত কয়লা পাচার করার জন্য তাঁকে নিয়মিত প্রোটেকশন মানি দেওয়া হত বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কয়লা পাচারের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার মুখেও এই পুলিশ অফিসারের নাম সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন। মহম্মদবাজারের অফিসার ইন চার্জ (Police Officer)  হিসেবে থাকার সময় এই পুলিশ আধিকারিক নিয়মিত প্রোটেকশন মানি নেওয়ার পাশাপাশি  বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যেত। বিনিময়ে পাচারকারীদের কয়লা পাচার করতে কোনও সমস্যা হত না। কোনও সমস্যা হলেই মহম্মহ আলি ছিলেন মুশকিল আসান। পরে, জেলার এক উচ্চ পদস্থ কর্তার সঙ্গে তাঁর এতটাই সখ্যতা ছিল যে জেলার বিভিন্ন থানায় কে কোথায় অফিসার হবেন তা তিনি ঠিক করতেন। কয়েকদিন আগে দিল্লিতে ইডি তাঁকে ডেকে পাঠায়। এতকিছুর পরও সিউড়ি থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ থানায় তাকে রেখে দেওয়ার অর্থ রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। ফলে, তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কী ব্যবস্থা নেয় তারদিকে জেলাবাসীর নজর ছিল। এবার তাঁকে সিউড়ি থানার আইসি-র (Police Officer) পদ থেকে সরিয়ে জেলা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়েছে। আর মহম্মদ আলির জায়গায় বর্ধমানের কোর্ট ইন্সপেক্টর দেবাশিস ঘোষকে সিউড়ি থানার আইসি (Police Officer) করা হয়েছে। অন্যদিকে, বগটুইকাণ্ডের পর রামপুরহাটের আইসি ত্রিদিব প্রামাণিককে সরিয়ে রাতারাতি দেবাশিস চক্রবর্তীকে রামপুরহাট থানার আইসি করা হয়েছিল। এবার তাঁকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডিআইবিতে বদলি করে দেওয়া হল। আর পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে নীলোত্পল বিশ্বাসকে রামপুরহাটের আইসি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “পঞ্চায়েত ভোটে কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে, সেই হাতের ব্যবস্থা হবে।”  বুধবার বীরভূমের লাভপুরের সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত অনুব্রতহীন প্রথম পঞ্চায়েত ভোট হতে চলেছে এই রাজ্যে। কেষ্টর জেলযাত্রার পর এখন কাজল শেখের ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়েছে। তাঁকে তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কেরিম খানও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। এই সব নেতা পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস করতে পারে। তাই, এদিনের সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলের দাপুটে নেতা কাজল শেখ ও জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খানের নাম করে হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) । তিনি বলেন,”যদি ইট মারেন পাথর কিন্তু খেতে হবে। পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে সেই হাতের ব্যবস্থা ভারতীয় জনতা পার্টি করবে, সুকান্ত মজুমদার করবে।  কাজল শেখ ও কেরিম খানই হোক, তার ব্যবস্থা করা হবে। ভয় পাবেন না।”

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়েও বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) সরব হন। তিনি বলেন, ১০০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। আর সেই টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। কেন্দ্রীয় সরকার পড়ুয়া পিছু ৬ টাকা করে বরাদ্দ করে। এই রাজ্যেও সেই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তাতে দেখা যাচ্ছে কয়েক কোটি পড়ুয়ার নাম বেশি করে দেখানো হয়েছে। রাজ্যের পাঠানো সেই ভুয়ো তালিকা পিছু পড়ুয়াদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, সেই টাকা স্কুলে যায়নি। তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। আর কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসার পরও এই দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

    লাভপুর থানার ওসিকে কি বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    এদিন লাভপুরে সতীর একান্ন পীঠের অন্যতম ফুল্লরাতলা মন্দিরের সামনে থেকে মিছিল করেন সুকান্ত মজুমদার। মিছিলে কর্মী সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পরে, লাভপুর বাসস্ট্যান্ডে সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ব্যাঙ্গ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য লোকে শান্তিনিকেতন দেখতে আসতেন। এখন পর্যটক বেড়ে গিয়েছে। অপা দেখতে পর্যটকেরা আসে। তৃণমূল নেতাদের কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। বুড়ো বুড়ো নেতা কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। সেই নেতারা গার্লফ্রেন্ডদের জন্য বাগান বাড়ি বানিয়ে রেখেছে।”এরপরেই লাভপুর থানার ওসিকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, “ওসি তৃণমূল নেতায় পরিণত হয়েছে। বালির টাকা খাচ্ছে। প্যান কার্ডের নম্বরটা যদি ইনকাম ট্যাক্সকে দিই, হিসাব দিতে পারবেন তো।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: আজ লাভপুরে সভা! ‘কাক কখনও ময়ূর হতে পারে না…’ তৃণমূলকে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমে আজ, বুধবার রাজনৈতিক কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar)। লাল মাটির দেশে নিজেদের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার লক্ষ্যে গেরুয়া শিবির। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করতে পিছিয়ে পড়া মানুষও তাদের সঙ্গে রয়েছে, দাবি বিজেপির।

    লাভপুরে সভা সুকান্তর

    গরু পাচার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করার পর থেকেই ঘনঘন বীরভূমে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করেছে বিজেপি। সাংগঠনিক বৈঠক থেকে পথে নেমে আন্দোলন, কোনও কিছুই বাদ পড়েনি। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুরারইয়ে সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ বীরভূমের লাভপুরে মূলত শাসকদলের নানান দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সভা করবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপি নেতাদের দাবি, ‘অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন ঠিকই। কিন্তু বীরভূমে তৃণমূলের সন্ত্রাস কমেনি। জেলাজুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাস চলছে’।  বীরভূম প্রশাসনিক জেলার ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে দুবরাজপুর কেন্দ্রটিই একমাত্র বিজেপির দখলে। সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তারপর লোকসভা। তার আগে বীরভূমে মানুষের মধ্যে মিশে যেতে চায় বিজেপি।

    আরও পড়ুন: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    তৃণমূল জাতীয় দল সেজে ছিল

    মঙ্গলবার দুর্গাপুরে সিটি সেন্টারে বিজেপি একটি বড় মিছিল করে। সেই মিছিলে পা মেলান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এরপর দুর্নীতি বিরোধী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে বিজেপির অন্যতম হাতিয়ার এখন দুর্নীতি। তৃণমূলের জাতীয় দলের তকমা হারানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কাঁঠালের যদি আমসত্ত্ব হয়, সোনার যদি পাথর বাটি হয় তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসও সর্বভারতীয় দল হবে। তৃণমূল কখনই জাতীয় দল ছিল না, জাতীয় দল সেজে ছিল। কাঁঠালের আমসত্ত্ব হবে না। সোনার পাথর বাটি সম্ভব নয়। তৃণমূল জাতীয় দল হবে না।” তাঁর আরও দাবি, গরু পাচারের টাকা কয়লা পাচারের টাকা দিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে ঘুরে ভাইপো কংগ্রেসের সব প্রাক্তন সভাপতি এবং নেতা কেনার চেষ্টা করে সর্বভারতীয় দল হবার স্বপ্ন দেখেছিলেন। ময়ূরের পেখম লাগালে কাক কখনো ময়ূর হতে পারে না। সেটা তৃণমূল কংগ্রেস বুঝে গেছে। 

    কটাক্ষ মমতা-অভিষেককেও

    এই প্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত। বলেন, “ভোটের সময় বাংলার মেয়ে বলে ভোট নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পর রাজ্যসভায় বাংলার আসন কেড়ে, বাঙালিদের বঞ্চনা করে অসমে একজন অহমিয়া আর গোয়ার একজন গোয়ালিক্সকে মাথার ওপর বসিয়েছিলেন। এখন সেই নেতারা লাথি মেরে চলে যাচ্ছে। কারণ তারা বুঝে গেছে, রাষ্ট্রীয়স্তরে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না।” অভিষেক কেও কটাক্ষ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বলেন, “ভাইপো আগে বুঝতে পেরে রাজ্যে চলে এসেছিল। তিনি এখন সর্বভারতীয় নয়, শুধু বাংলার ভাইপো।” এদিন তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে বলেন, “খোকন খোকন বলে ডাক পাড়ি, খোকন গেছে কার বাড়ি। আয়রে খোকন ঘরে আয়। ডাকছে তোকে সিবিআই।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hanuman Death: ‘রামভক্ত’ হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দুটি গ্রাম, তিনদিন ধরে চলল অশৌচ পালন

    Hanuman Death: ‘রামভক্ত’ হনুমানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দুটি গ্রাম, তিনদিন ধরে চলল অশৌচ পালন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমানের মৃত্যুতে (Hanuman Death) তিনদিন অশৌচ পালন করল দুটি গ্রামের তিন শতাধিক পরিবার। রীতিমতো হিন্দু শাস্ত্রমতে ক্রিয়াকর্ম সেরে, পিন্ডদান করে সন্ধ্যায় ভোজনেরও ব্যবস্থা করেন গ্রামবাসীরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল ? 

    ৬ এপ্রিল ছিল হনুমান জয়ন্তী। ওইদিন সকালে বীরভূম মুরারই ২ নম্বর ব্লকের লতাগ্রাম-পালিতপুর গ্রামে একটি হনুমানকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। গ্রামের যুবক শেষেন মাল তড়িঘড়ি হনুমানটিকে কোলে তুলে স্থানীয় পাইকরের পশু চিকিৎসালয়ে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নগেন মালের সহযোগিতায় হনুমানটিকে গাড়িতে চাপিয়ে নলহাটি নিয়ে যান। নলহাটি পশু হাসপাতালে ততক্ষণে দুই চিকিৎসককে নিয়ে হাজির ছিলেন বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হনুমানটির মৃত্যু হয় (Hanuman Death)। এরপর বিধায়কের সহযোগিতায় পঞ্চায়েত সদস্য নগেন মাল ও গ্রামবাসী নকল মোল্লার প্রচেষ্টায় হনুমানটির মৃতদেহ পুনরায় গ্রামে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রামবাসীরা আলোচনা করে হনুমানের মৃতদেহ মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। 

    শোকাচ্ছন্ন গ্রামের বাসিন্দারা

    হনুমান জয়ন্তীর দিন রামভক্তের মৃত্যুতে (Hanuman Death) শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে দুটি গ্রাম। নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনদিন ঘরে ঘরে অশৌচ পালন শুরু করেন গ্রামবাসীরা। তিনদিন পর অর্থাৎ রবিবার শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সেরে সন্ধ্যায় ভোজনের ব্যবস্থা করা হয়। রাতে শাস্ত্র মেনে লতাগ্রাম, পালিতপুর গ্রামে হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করা হয়। গ্রামের বাসিন্দা নিত্যানন্দ কর, প্রণব পাল, সুবোধ পাল, দীপক মালরা বলেন, “হনুমান জয়ন্তীর দিন রামভক্তের মৃত্যুতে গোটা গ্রাম শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তাই মৃত হনুমানের আত্মার শান্তিতে শেষকৃত্য থেকে পিন্ডদান, ভোজন সব কিছুই ব্যবস্থা করা হয়। দুই গ্রামের হাজার দেড়েক মানুষ শ্রাদ্ধ ভোজনে অংশগ্রহণ করেন। গ্রামবাসীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে গিয়েছেন বিধায়ক রাজেন্দ্রপ্রসাদ সিং”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    Anubrata Mondal: অয়ন শীলের হাত ধরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার ছেলের চাকরি! জানেন কোন পুরসভায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নাম জড়াল গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূমে। তিনি তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা। তাঁর ছেলের চাকরি হয়েছে বরানগর পুরসভায়। আর সেটা হয়েছে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের হাত ধরে। এমনিতেই শাসক দলের নেতার পরিবার ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের চাকরি হয়েছে এই পুরসভায়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই পুরসভায় নিয়োগ হওয়ায় প্যানেল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এমনিতেই তৃণমূলের একটি অংশকে বাদ রেখে কয়েকজন মিলে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড গঠন করে নিয়োগ করা হয়েছিল। ফলে, দলীয় কর্মীদের একাংশ তাতে ক্ষুব্ধ ছিল। এবার অয়ন শীলের কোম্পানির হাত ধরে নিয়োগ হওয়া কর্মীদের তথ্য জানতে গিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। যদিও এই বিষয়ে বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই পুরসভায় নিয়ম মেনে নিয়োগ হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে সব কিছু হয়েছে। যারা এই পুরসভায় চাকরি পেয়েছেন নিজেদের যোগ্যতায় পেয়েছেন।

    বরানগর পুরসভায় নিয়মিত আসতেন অয়ন শীল! Anubrata Mondal

    এমনিতে নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নিয়োগ হয়েছিল। তবে, তাঁর নিত্য যাতায়াত ছিল বরানগর পুরসভায়। এমনিতেই টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির পাশাপাশি তাঁর পছন্দের লোকজনদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০১৭ সালে এই পুরসভায় কর্মী নিয়োগ হয়। অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে সমস্ত নিয়োগ হয়েছিল। প্রায় কয়েক হাজার চাকরি প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছিল। তারমধ্যে ১৭০ জনের চাকরি হয়। কিন্তু, চাকরি প্যানেলে দেখা যায়, বরানগর পুরসভার একাধিক কাউন্সিলারের পরিবারের লোকজন চাকরি পেয়েছেন। শুধু তাই নয় কামারহাটি পুরসভার দাপুটে তৃণমূল নেতার আত্মীয় বরানগর পুরসভায় চাকরি পান। আর তার বিনিময়ে বরানগর পুরসভার তৃণমূলের সামনের সারির এক নেতার পরিবারের লোকজন কামারহাটি পুরসভায় চাকরি পান। আর এসবই নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে হয়েছে। এমনকী তৃণমূলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ছেলের চাকরিও হয় বরানগর পুরসভায়। অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হিসেবেই তিনি বীরভূম জেলায় পরিচিত। তাই, ওই জেলায় চাকরি পাইয়ে দিলে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠতে পারে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় তৃণমূলের ওই নেতা বারাকপুর মহকুমা জুড়ে একাধিক গেট মিটিং করেছিলেন। নিজের প্রভাব বুঝিয়ে দেওয়ার পর অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে তাঁর ছেলেকে বরানগর পুরসভায় চাকরি পাইয়ে দেন। তাঁর ছেলে বরানগর পুরসভায় ইলেকট্রিক্যাল বিভাগে চাকরি করছেন বলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে। এখন বরানগরে ঘর ভাড়া করে পরিবার নিয়ে তিনি থাকেন। ফলে, কলকাতা লাগোয়া পুরসভায় ছেলে চাকরি করায় এতদিন কেউ প্রশ্ন তোলেননি। নিয়োগ নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ আসায় বরানগর পুরসভায় তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। ইডি বা সিবিআই তদন্ত হতে পারে। তাই, পুরসভার পক্ষ থেকে আলাদা করে রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Witchcraft: বীরভূমে ডাইনি অপবাদে আদিবাসী দম্পতিকে পিটিয়ে খুন, মোড়ল গ্রেফতার

    Witchcraft: বীরভূমে ডাইনি অপবাদে আদিবাসী দম্পতিকে পিটিয়ে খুন, মোড়ল গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মধ্যযুগীয় বর্বরতার নজির বীরভূমে৷ ডাইনি (Witchcraft) অপবাদে আদিবাসী দম্পতিকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ গ্রামবাসীদের একাংশের বিরুদ্ধে। সাঁইথিয়া থানার আহমেদপুরের ন’পাড়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, শনিবার ন’পাড়ার বাসিন্দা এক আদিবাসী (Adibasi) দম্পতিকে ডাইনি অপবাদে বেধড়ক মারধর করেন গ্রামবাসীদের একাংশ৷ গুরুতর জখম অবস্থায় ওই দম্পতিকে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ রবিবার তাঁদের মৃত্যু হয়৷ মৃতদের নাম পাণ্ডু হেমব্রম (৬২) ও পার্বতী হেমব্রম (৫২)।

    ডাইনি (Witchcraft)কাণ্ডে মোড়লের কীর্তি… 

    তড়িঘড়ি গ্রামের মোড়ল রুবাই বেসরার নেতৃত্বে গ্রামের কয়েকজন মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গ থেকে নিয়ে চলে যান। দেহ ট্রাক্টরে করে নিয়ে দাহ করতে চলে যান শান্তিনিকেতন থানা এলাকার বেনেডাঙা গ্রামের শ্মশানে। খবর পেয়ে ওই গ্রামের বাসিন্দারা দেহ দাহ করতে বাধা দেন। প্রতিবাদ করেন হেরুকা গ্রামের বাসিন্দারাও৷ খবর পেয়ে সাঁইথিয়া ও শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। শ্মশান এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রামের মোড়লকে গ্রেফতার করেছে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ। পরে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়ে গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে মৃতদেহ দুটি সৎকার করা হয়৷

    আরও পড়ুুন: ‘অঙ্গদান করুন’, ৯৯তম ‘মন কি বাতে’ দেশবাসীকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    তবে, একবিংশ শতাব্দীতেও ডাইনি (Witchcraft) অপবাদে দম্পতিকে পিটিয়ে খুন করার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে। প্রশাসনের ভূমিকা,  সচেতনতামূলক প্রচারের অভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও পুরো ঘটনার তদন্তের উপর নজর রাখছেন বোলপুরের মহকুমা শাসক অয়ন নাথ। ঘটনাস্থলের পাশের গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমরা দোষীদের শাস্তি চাই৷ এই যুগেও ডাইনি বলে কিছু আছে নাকি৷ তাও ডাইনি অপবাদে পিটিয়ে মেরে দিল! আমরা চাই ন’পাড়ার দোষীদের শাস্তি। সবাই মিলে প্রতিবাদ করব আমরা। জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেন, একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে মোড়লকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

    মৃতদের আত্মীয়রা জানান, ন’পাড়া গ্রামের মোড়ল রুবাই বেসরা ও আশপাশের আদিবাসী গ্রামের বেশ কিছু মানুষ মনে করেছিলেন পাণ্ডু ও তাঁর স্ত্রী পার্বতী ডাইনিবিদ্যা (Witchcraft) জানেন ও তা অনুশীলন করেন। ডাইনি অপবাদ দিয়ে ওই দম্পতির ওপর চড়াও হন সকলে। শনিবার সকালে তাঁদের এমন মারধর করা হয় যে দুজনেই মারা গিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    Anubrarta Mondal: পুরসভায় নিয়োগে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার যোগ! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বরানগর পুরসভায় কর্মী নিয়োগে গরু পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের এক রাজ্য নেতার সরাসরি ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পুরসভায় কর্মী নিয়োগে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুর বোর্ডের বিরুদ্ধে। রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে যে সব পুর প্রতিনিধিরা ছিলেন, তাঁরা কেউ নিজেদের পরিবারের লোকজনকে বা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে এই সব নিয়োগ হয়েছে। ফলে, এই পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এমনিতে কামারহাটি পুরসভা ইডি নজরে রয়েছে। বরানগর পুরসভায় যে ভাবে নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দলের অন্দরে এখন চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিতর্কিত প্যানেলে কত জন কর্মী নিয়োগ হয়? Anubrata Mondal

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-১৮ সালে এই পুরসভায় অয়ন শীলের কোম্পানির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। পরে, রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে ছিলেন চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক, তত্কালীন ভাইস চেয়ারম্যান জয়ন্ত রায়, এক্সিকিউটিভ অফিসার সুদীপ ভট্টাচার্য, কাউন্সিলর বিশ্বজিত্ বর্ধন এবং অনিন্দ্য রাউত। পুরসভার কর্মী পদে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে আবেদন করেছিলেন। তারমধ্যে ১৭০ জনকে নিয়োগ করা হয়। কিন্তু, নিয়োগ হওয়ার পর যে তালিকা সামনে আসে তাতে রিক্রুটমেন্টের দায়িত্বে থাকা পদাধিকারীদের পরিবারের লোকজনের নাম সামনে আসে। এক সিআইসি সদস্যের পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় রয়েছে। এছাড়া একাধিক কাউন্সিলারদের ঘনিষ্ঠরা চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে কেষ্ট (Anubrata Mondal)  ঘনিষ্ঠ শাসক দলের পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতার ওই নিয়োগে বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই নেতার বাড়ি বীরভূম জেলায়। ওই নেতার হাত ধরে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক ছেলে এই পুরসভায় নিয়োগপত্র পেয়েছে। ওই নেতা অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী নিয়োগ করতে কেউ আপত্তি জানানোর সাহস দেখায়নি। স্রেফ শাসক দলের বদান্যতায় তাঁদের চাকরি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এমনকী বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলায় যাদের নিয়োগ করা হয়েছে, তারা নিয়মিত পুরসভায় পর্যন্ত আসে না বলে অভিযোগ। কিন্তু, তাদের নিয়মিত প্রতিমাসে বেতন হয়ে যায়। এরকম ২৫-৩০ জন কর্মী রয়েছেন। যা নিয়ে তৃণমূলের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন। বোর্ড মিটিংয়ে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন পুরসভার চেয়ারপার্সন ? Anubrata Mondal

    বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, নিয়ম মেনে  পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। তবে, কাউন্সিলর বা রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দায়িত্বে থাকলে তাঁর ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা দিতে পারবে না এমন কোনও নিয়ম নেই। পরীক্ষা দিতেই সকলেই চাকরি পেয়েছেন। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হয়েছে। আর কেউ পুরসভায় নিয়মিত না আসলে তাঁকে শো কজ করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: সিউড়ি থানার আইসিকে ব্যাঙ্কের নথিসহ তলব ইডির! গরু পাচারকাণ্ডে মিলবে কি নতুন তথ্য?

    Anubrata Mondal: সিউড়ি থানার আইসিকে ব্যাঙ্কের নথিসহ তলব ইডির! গরু পাচারকাণ্ডে মিলবে কি নতুন তথ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  আসানসোল সংশোধনাগারের সুপার কৃপাময় নন্দীর পর এবার বীরভূমের সিউড়ি থানার আইসি শেখ মহম্মদ আলিকে তলব করল ইডি। শনিবারই তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। সঙ্গে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সমস্ত নথি আনতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ১৪ মার্চ তাঁকে নিজাম প্যালেসে ডেকে সিবিআই ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে। মূলত কয়লা পাচার করার জন্য তাঁকে নিয়মিত প্রোটেকশন মানি দেওয়া হত বলে তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছেন। কয়লা পাচারের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার মুখেও এই পুলিশ অফিসারের নাম সিবিআই আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন। মহম্মদবাজারের অফিসার ইন চার্জ হিসেবে থাকার সময় এই পুলিশ আধিকারিক নিয়মিত প্রোটেকশন মানি নেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন মহলে সেই টাকা পৌঁছে যেত। বিনিময়ে পাচারকারীদের   কয়লা পাচার করতে  কোনও সমস্যা হত না। কোনও সমস্যা হলেই মহম্মহ আলি মুশকিল আসান ছিলেন। অনেকেই সে কথা তদন্তকারী অফিসারদের কাছে স্বীকার করেছে।

    মহম্মদ আলিকে কেন ডাকল ইডি ?  Anubrata Mondal

    বীরভূমের মহম্মদবাজার সহ একাধিক থানায় থাকার সময় কয়লা পাচারের পাশাপাশি গরু পাচারকাণ্ডে সরাসরি যোগ রয়েছে মহম্মদ আলির। এমনই তথ্য হাতে এসেছে ইডি আধিকারিকদের। এমনকী বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) থাকার সময় তাঁর বাড়িতে এই পুলিশ আধিকারিকের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। দাপুটে এই তৃণমূল নেতার (Anubrata Mondal)  অত্যন্ত পছন্দের পুলিশ অফিসার ছিলেন আলি। ২০০৫ সাল থেকে তিনি বীরভূম জেলায় রয়েছে। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তাঁর দাপট বাড়তে থাকে। এই জেলা ছেড়ে তাঁকে অন্য জেলায় বদলি করা হয়নি। এসবের পিছনে কার হাত রয়েছে তা জানার চেষ্টা করবে ইডি আধিকারিকরা।  সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  মামলা লড়ার খরচও জুগিয়েছেন সিউড়ি থানার আইসি। দাপুটে এই তৃণমূল নেতার (Anubrata Mondal)  মামলা খরচের টাকা তিনি কেন দিয়েছেন তা জানার চেষ্টা করবে ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি তাঁর ব্যাঙ্কের নথি ঘেঁটে তাঁর যোগোযোগ কোথায় কোথায় ছিল তা ইডি আধিকারিকরা জানার চেষ্টা করবে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rampurhat: বগটুইয়ে শহিদ পরিবারের বাড়িতে ঢুকতে বাধা তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে! কেন?

    Rampurhat: বগটুইয়ে শহিদ পরিবারের বাড়িতে ঢুকতে বাধা তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটের (Rampurhat) বগটুই গ্রামে শহিদদের প্রথম বর্ষপূর্তি। এদিন শহিদদের বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কয়েকদিন আগেই জেলা নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বগটুইয়ে শহিদ পরিবারের বাড়ির সামনে শহিদ বেদি বানিয়েছে বিজেপি। পালটা শহিদ বেদি বানিয়েছে তৃণমূলও। এদিন বেলা ১টা নাগাদ বগটুইয়ে মিহিলাল শেখের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। দলে ছিলেন মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা, বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু, আশিসবাবুকে দেখেই দরজা বন্ধ করে দেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের বক্তব্য, আশিস ব্যানার্জিকে ভিতরে ঢুকতে দেব না। অনেক চেষ্টাতেও তাদের রাজি করাতে পারেননি তৃণমূল নেতৃত্ব। পরে, আশিসবাবুকে ছাড়াই বাড়িতে ঢোকেন তৃণমূল নেতারা।

    কী বললেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা? Rampurhat

    ২০২২ সালের ২১ মার্চ বীরভূম জেলার রামপুরহাটের (Rampurhat)  বগটুই গ্রামে ঘটানো হয়েছিল নৃশংস গণহত্যা। শহিদ পরিবারের অভিযোগ, আশিসবাবু বগটুইয়ে নিহতদের পরিবারগুলির কোনও খোঁজ রাখেননি। ঘটনার পর তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রামে এলে তাঁর পিছন পিছন এসে মুখ দেখিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁদের দাবি, বগটুইকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৩ জনের ডেথ সার্টিফিকেট জারি করেছে প্রশাসন। বাকি ৭ জনের ডেথ সার্টিফিকেট এখনও হাতে পাননি পরিবারের সদস্যরা। যার ফলে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে পরিবার বঞ্চিত হচ্ছে। এখন ঘটা করে লোক দেখানো শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। কিন্তু, আক্রান্তদের পরিবার ও তাঁদের স্বজনরা যে সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ড এখনও ভুলতে পারেননি, ক্ষোভে ফুঁসছেন, সেই আভাস পাওয়া গিয়েছে বগটুই কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী মিহিলাল শেখের পরিবারের কথাতেই। ওই পরিবারের বক্তব্য, “আজ গ্রামে শহিদ দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু, এই শহিদ দিবসে যেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে না দেখা যায়, উনি যেন না আসেন। তিনি এলে গ্রামের মানুষ প্রতিরোধ করবে। তাঁকে গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”

    বগটুইয়ে শহিদ পরিবারে বাধা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? Rampurhat

    শহিদ পরিবারের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়ার বিষয়টি মানতে নারাজ তৃণমূল বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “একথা আপনারা শুনেছেন। আমি তো শুনিনি। বাধা দেওয়ার কথা কে বলেছে, তাঁকে আমার সামনে নিয়ে আসুন। আর কিছু জানতে চাইলে হত্যাকাণ্ডের আরেক আক্রান্ত ফটিক শেখের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তার পরিবার আমাকে নিয়ে কি কথা বলছে সেটাও শুনে নিন। তাঁদের বাড়িতে জল নিয়ে একটা সমস্যা হয়েছিল একবার। তাঁরা আমার কাছে বিষয়টি দেখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আমি নিজ উদ্যোগে সেই সমস্যার সমাধান করেছি।” কিন্তু, বেশ কয়েক মাস ধরে কেন আশিসবাবুকে বগটুইয়ের আশেপাশে দেখা যায়নি, এই প্রশ্ন করা হলে এর দায় তিনি মিডিয়া ও বিরোধীদের ওপরে চাপান। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চলছে। তাই, আমি এলাকায় আসিনি। কারণ,  মিডিয়া ও বিরোধী দলগুলি আমার নামে কুৎসা করার সুযোগ পেত, আর বলত যে আমি উপস্থিত থেকে সিবিআই তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছি।”

    বেদী তৈরি ও তাতে শ্রদ্ধা জানানোকে ঘিরে বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই বগটুইয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়ছিল চড়চড় করে। এদিন শহিদ পরিবারের তৃণমূল বিধায়ককে বাড়িতে ঢুকতে না দেওয়ার ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মণীশের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি, কোথায় জানেন?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মণীশের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেল ইডি, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)  হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির বিপুল পরিমাণ জমির হদিশ পেল ইডি। এর আগে তাঁর ৮২৫ কাঠা জমির হদিশ মিলেছিল। এবার আরও সম্পত্তির খোঁজ মিলল। ইডি সূত্রে খবর, বোলপুর লাগোয়া রূপপুর এলাকায় একটি বড়সড় সম্পত্তি রয়েছে মণীশের। তৃণমূল সূত্রে খবর, ২০১৩-১৪ থেকে বীরভূম তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রতের (Anubrata Mondal)   ‘ঘনিষ্ঠ’ হয়ে ওঠেন বোলপুরের চৌরাস্তার বাসিন্দা মণীশ। এর পরই তাঁর সম্পত্তি বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। এমনই একটি সম্পত্তি রয়েছে রূপপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, রূপপুর গ্রামে মণীশের ৩০-৩৫ বিঘা জমি কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা রয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ঘরও রয়েছে। একটি রিসর্ট তৈরির পরিকল্পনা ছিল বলে জানান এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ‘আমরা অনেকের মুখেই শুনেছি, এই জমি মণীশ কোঠারির। কয়েক মাস আগেও কাজ হচ্ছিল। হঠাৎ কাজ বন্ধ হয়ে যায়।’ মণীশ কোঠারি তদন্তকারীদের আরও জানিয়েছেন, অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)   নির্দেশেই বিভিন্ন জায়গায় টাকা আমানত করেছেন তিনি। মণীশ আরও জানিয়েছেন, কোথায়, কার অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা হবে, সেই নির্দেশ দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলই (Anubrata Mondal)  ।

    বোলপুর চেয়ারপার্সনের নাম মণীশের মুখে, কেন? Anubrata Mondal

     ইডির দাবি, জেরায় মণীশ নাম নিয়েছেন বোলপুরের পুরপ্রধান পর্ণা ঘোষ ও তাঁর স্বামী তথা তৃণমূল নেতা সুদীপ্ত ঘোষেরও। ইডি সূত্রে খবর, মণীশ জেরায় বলেছেন যে ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে পর্ণা ও সুদীপ্ত অনেক জমি কিনেছেন। বোলপুর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর সূত্রেও খবর, ওই সময়ে ইলামবাজারের গোপালনগর মৌজায় পর্ণার নামে প্রায় ৬৮০ কাঠা জমি কেনা হয়েছিল। সেই জমির বর্তমান বাজার মূল্য ১৫ কোটিরও বেশি। এই বিষয়ে পুরপ্রধান পর্ণা ঘোষ বলেন, “আমার স্বামী চাকরি করেন। আমিও একটি স্কুলের সঙ্গীত শিক্ষিকা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করছি। ২০১৫ সাল থেকে আমি কাউন্সিলর। চেয়ারপার্সন হিসেবে মাইনে পাই। এই সমস্ত কিছু যোগ করেও আমাদের যা সম্পত্তি আছে, তা ১৫ কোটি হবে না। এ বিষয়ে যদি তদন্তকারীরা আমাদের ডাকেন, নিশ্চয়ই সমস্ত কাগজপত্র দেখিয়ে আসব”।

    বিপুল সম্পত্তি উদ্ধার নিয়ে কী বলছে বিরোধীরা? Anubrata Mondal

    এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসকদলকে আক্রমণ করতে দেরি করেনি গেরুয়া শিবির। বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল বলেন, “সঠিক তদন্ত হলে ওঁদের নামে আরও অনেক কিছু বেরোবে”। সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “তদন্ত যত এগোবে, ততই এঁদের দুর্নীতির বহর মানুষ বুঝতে পারবেন”।

    সোমবার রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে তোলা হলে তাঁকে তিহাড় জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতের নির্দেশের পর একান্তে স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁর স্ত্রীকে। তবে এদিন ইডি মনীশকে আর তাঁদের হেফাজতে নেওয়ার দাবি করেনি। তবে, জামিন পেলে অনুব্রতর (Anubrata Mondal)   হিসাবরক্ষক তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে আদালতে জানান ইডির আইনজীবী। অন্যদিকে, মনীশের জামিন চেয়ে আদালতে আর্জি জানান তাঁর আইনজীবী। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর মনীশকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share