Tag: BJP West Bengal

BJP West Bengal

  • Modi In Bengal: সন্দেশখালিকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য, এক সপ্তাহে বাংলায় ৩টি জনসভা মোদির

    Modi In Bengal: সন্দেশখালিকাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য, এক সপ্তাহে বাংলায় ৩টি জনসভা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তাল সারা রাজ্য। আন্দোলনের ঢেউ পৌঁছেছে রাইসিনা হিলস থেকে বিজেপির জাতীয় সম্মেলনে। এই আবহে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In Bengal)। তাও আবার ১ সপ্তাহের মধ্যেই করবেন ৩টি জনসভা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার আগেই রাজ্যে ভোটের দামামা বাজাতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে প্রচারে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছেন মোদি। ব্যতিক্রম যে পশ্চিমবঙ্গ নয় তা প্রধানমন্ত্রীর (Modi In Bengal) জনসভার সূচিতেই পরিষ্কার।

    কোথায় কোথায় জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী?   

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা ভোটের আগে আরামবাগেই তাঁর প্রথম সভা হতে চলেছে। আগামী ১ মার্চ রাজ্যে আসার কথা নরেন্দ্র মোদির (Modi In Bengal)। সেদিনই তিনি জনসভা করবেন আরামবাগে। এরপর ২ মার্চ নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা রয়েছে। তৃতীয় জনসভার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়েছে আগামী ৬ মার্চ বারাসতে। রাজনৈতি পর্যবেক্ষকদের মতে, কৃষ্ণনগর লোকসভা আসনে বিজেপির বরাবরই নিজস্ব ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। এই আসন থেকেই পরপর দু বার জয়ী হয়েছিলেন সত্য়ব্রত মুখার্জি ওরফে জুলু বাবু। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে খুব অল্প ব্য়বধানে কৃষ্ণনগর আসনে পরাস্ত হন বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে। এবার তাই কৃষ্ণনগর আসনটিতে বিশেষ নজর দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব (Modi In Bengal)। অন্যদিকে গত নির্বাচনে ১২০০ ভোটের ব্যবধানে আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র হাতছাড়া হয় বিজেপির। সেটিও লক্ষ্য রেখেছে গেরুয়া শিবির। তাই এই হাইভোল্টেজ সভা।

    সন্দেশখালির নির্যাতিতারা মুখ ঢেকে হাজির থাকবেন বারাসাতের সভায়!

    আগেই জানা গিয়েছিল, ৬ মার্চ উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসাত থেকে বসিরহাট কাছেই। সন্দেশখালির আবহে মোদির বারাসত সফরকে আলাদা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, অত্যাচারিত মহিলাদের হাজির করানো হবে প্রধানমন্ত্রীর (Modi In Bengal) সভায়। রাজ্য বিজেপির পরিকল্পনা, বারাসাতের সভায় সন্দেশখালির ‘নির্যাতিতা’-দের  আলাদা মঞ্চ করে বসানো হবে। সেখানে মুখ ঢেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হবেন তাঁরা।

    কী বলছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এখনও অবধি যে সম্ভাবনা তাতে আগামী ১ মার্চ ও ২ মার্চ উনি আসতে পারেন। দু’টি জায়গায় সভা করতে পারেন তিনি। ৬ মার্চ বারাসতেও তিনি আসবেন। সন্দেশখালির মহিলাদেরও আমরা নিয়ে আসব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাব। প্রধানমন্ত্রীর সভাতে ওনারা থাকবেন। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন ওনারা। বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর (Modi In Bengal) সঙ্গে দেখা করতে চান। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা ওনাদের কথা পৌঁছে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে বিজেপির আইন অমান্যকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা দেখা গেল। সোমবার বিজেপি কর্মীদের আন্দোলনকে দমন করতে পুলিশ ইটবৃষ্টি, জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল, লাঠিচার্জ সবকিছুই করে। বিজেপি কর্মীদের দিকে তেড়ে গিয়ে পুলিশ চড়-থাপ্পড়, লাথিও মারতে থাকে। ইতিমধ্যে পুলিশের এহেন আচরণকে কাঠগড়ায় তুলেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এনিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পুলিশের ভূমিকাকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা করছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দুর আরও  অভিযোগ, ‘‘এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। তৃণমূলের উদ্দেশে শুভেন্দুর বক্তব্য, ‘‘আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে এই ঘটনাগুলি ঘটানো হয়েছে। বিজেপি এর শেষ দেখে ছাড়বে।”

    কী বললেন শুভেন্দু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এই কর্মসূচিতে যা যা ঘটেছে, তা ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন। কোনও প্ররোচনা ছাড়াই হিংস্র নেকড়ের মতো পুলিশ শুধু জলকামান ব্যবহার করেই ক্ষান্ত হয়নি। জলকামানের পরে আমাদের কর্মী-সমর্থকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, তখন এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খুঁজে খুঁজে, বেছে বেছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের পেটানো হয়েছে। ২৫-৩০ জন আহত হয়েছেন। ৬ জনকে বারাকপুর হাসপাতাল থেকে কল্যাণী এইমসে স্থানান্তর করা হচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বারাকপুর বিজেপির ১৫ জন একনিষ্ঠ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি পুলিশের এই আচরণের নিন্দা করছি। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।’’

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে ১৫ নম্বর রেল গেটের সামনে থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো কর্মী-সমর্থকরা জমায়েত হন। সেখানে সুতলি বোমা উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সুকান্তর নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। মিছিল আটকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে তিনটি ব্যারিকেড করা হয়েছিল। রাস্তায় রাখা ছিল জলকামানও। প্রতিটি ব্যারিকেডে প্রচুর পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রথম ব্যারিকেড পেরিয়ে বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেডে জমায়েত হন। বিজেপি কর্মীরা দ্বিতীয় ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এরপরই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পুলিশ ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। বহু মহিলা কর্মীর ওপর লাঠিপেটা করা হয়। মিছিলের ওপর জলকামান চালানো হয়। সুকান্ত মজুমদারও জল কামানের জলে সম্পূর্ণ ভিজে যান। পুলিশি হামলা বিজেপি কর্মীরা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এরপর মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়। বিজেপি-র কর্মসূচিকে পুলিশ বানচাল করে দেয় বলে বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP West Bengal: লক্ষ্য চব্বিশের লোকসভা, সাংগঠনিক ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, যুবমোর্চার ইনচার্জ হিরণ

    BJP West Bengal: লক্ষ্য চব্বিশের লোকসভা, সাংগঠনিক ঘোষণা বঙ্গ বিজেপির, যুবমোর্চার ইনচার্জ হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিজেপিতে (BJP West Bengal) বেশ কিছু নতুন সাংগঠনিক ঘোষণা হয় শুক্রবার। তাতে যুব মোর্চার সংগঠন দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অভিনেতা তথা খড়্গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। প্রসঙ্গত, যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি রয়েছেন ইন্দ্রনীল খান। এর পাশাপাশি ইনচার্জ হিসেবে গোটা যুব সংগঠনকে দেখাশোনা করবেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    উত্তরবঙ্গের দায়িত্বে দীপক বর্মণ

    বিজেপির সাংগঠনিক (BJP West Bengal) কাজ চলে পশ্চিমবঙ্গকে কতগুলি জোনে ভাগ করে। সেই সমস্ত জোনের কনভেনারদের নামও ঘোষণা করা হয় শুক্রবার। জোনের অধীনে থাকে বিভাগ। বিভাগ কনভেনারদের নামও ঘোষণা করা হয় এদিন। উত্তরবঙ্গে বিজেপির সংগঠন বেশ শক্তিশালী। বিগত নির্বাচনগুলিতে তার প্রমাণ মিলেছে। উত্তরবঙ্গ জোন কনভেনারের পদে থেকে গেলেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। প্রসঙ্গত, দীপকবাবু রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদকও বটে। অন্যদিকে মহিলা মোর্চার কাজ এবার থেকে দেখাশোনা করবেন পারমিতা দত্ত। তাঁকে মহিলা মোর্চার ইনচার্জ করা হয়েছে। বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদে রয়েছেন চার্লস নন্দী। সংখ্যালঘু মোর্চার কাজ দেখাশোনা করতে ইনচার্জ পদে বসানো হয়েছে মাফুজা খাতুনকে। মিডিয়া বিভাগের ইনচার্জ তুষারকান্তি ঘোষ রয়েছেন। সেই সঙ্গে রাজ্য বিজেপির (BJP West Bengal) অন্যতম মুখপাত্র কেয়া ঘোষকে জোন ইনচার্জ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    দক্ষিণবঙ্গের দায়িত্বে কারা?

    বিজেপির কলকাতা জোনের কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলকে। অন্যদিকে কো-কনভেনার হিসেবে কাজ করবেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। দুজনেই রাজ্য বিজেপির (BJP West Bengal) সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। রাঢ়বঙ্গের জোনের দায়িত্বে থেকে গিয়েছেন দলের সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনিও রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। নবদ্বীপ জোনের দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে সঞ্জয় সিংকে। হাওড়া-হুগলি-মেদিনীপুর জোনের দায়িত্বে রয়ে গেলেন দলের সাংসদ তথা রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আজ বিজেপির সভায় প্রথম বক্তা তফশিলি মুখ চন্দনা বাউড়ি, শেষে ভাষণ দেবেন অমিত শাহ

    BJP: আজ বিজেপির সভায় প্রথম বক্তা তফশিলি মুখ চন্দনা বাউড়ি, শেষে ভাষণ দেবেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় আজ বিজেপির ‘শাহি সভা’। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখতে গত কাল রাতেই মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কিছু পরে সেখানে হাজির হন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীও। বুধবার ঠিক দুপুর দুটোর সময় বিজেপির সভাতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

    তফশিলি সমাজের প্রতিনিধি চন্দনা বাউড়ি

    বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, মঞ্চে প্রথম বক্তা হিসেবে দেখা যাবে শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরিকে। সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারের চন্দনাকে গত বিধানসভা নির্বাচনে শালতোড়ার টিকিট দেয় বিজেপি। তিনি জিতেও আসেন। গত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিকবার রাজ্যে প্রচারে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে সময় প্রধানমন্ত্রীকেও বলতে শোনা যায় চন্দনার কথা। তফশিলি সমাজের এই মুখকে রাজ্য বিজেপি প্রথম বক্তা হিসেবে রেখেছে।

    বক্তব্য রাখার সময়সীমা

    জানা গিয়েছে, একেবারে শেষে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মাঝখানে প্রত্যেক বিজেপি (BJP) নেতা, সাংসদ এবং বিধায়কদের বক্তব্য রাখতে দেখা যাবে। তবে প্রত্যেকেরই বক্তব্য রাখার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। বক্তাদের তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষেরও। উত্তরবঙ্গের কর্মীদের ট্রেনে চাপার ভিডিও ট্যুইট করেছেন বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী।

    অমিত শাহকে স্বাগত জানাবেন সুকান্ত-শুভেন্দু

    সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীকে প্রথম থেকেই মঞ্চে দেখা যাবে না। তার কারণ তাঁরা দুজনেই কলকাতা বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানাতে হাজির থাকবেন। কলকাতা বিমানবন্দরে অমিত শাহ নামবেন ঠিক বেলা ১টার সময়। জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে তাঁর বিশেষ বিমান রওনা দেবে ১১ টা ৫ মিনিটে। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পরে তিনি হেলিকপ্টারে আসবেন রেসকোর্সের মাঠে। সেখান থেকে সড়কপথে অমিত শাহের কনভয় ঠিক দুপুর দুটোর সময় যাবে সভার স্থলে। বিমানবন্দর থেকে সভাস্থল পর্যন্ত অমিত শাহের সঙ্গী হিসেবেই দেখা যাবে সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারীকে। বেলা দুটোর সময় অমিত শাহ মঞ্চে আসার পরে বক্তব্য রাখবেন সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক দুপুর আড়াইটার সময় মঞ্চে বক্তব্য রাখবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর জনসভা থেকে ফের রেসকোর্সের দিকে তিনি রওনা দেবেন বিকাল সওয়া তিনটে নাগাদ।

    সকাল ১০টা থেকে শুরু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পে বঞ্চিত উপভোক্তাদের নিয়ে বিজেপির সভা অবশ্য কাল ১০টা থেকেই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দলের বিধায়ক তথা খ্যাতনামা কবিয়াল অসীম সরকার গান গাইবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজেপির (BJP) কালচারাল সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত পদাধিকারী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ কবিতা আবৃত্তি করবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষ হলে রাজ্য নেতারা (BJP) বক্তব্য রাখতে শুরু করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘বাংলাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’’, তোপ জেপি নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘বাংলাকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’’, তোপ জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংগঠনিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। এদিন শাখা সংগঠনগুলির এক বৈঠক আয়োজিত হয় কলকাতায়, যার পোশাকি নাম ছিল সংযুক্ত মোর্চা সম্মেলন। সেখানেই মমতার বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তার আগে সকালে দক্ষিণশ্বরে তিনি পুজোও দেন।

    মমতাকে তোপ বিজেপি সভাপতির

    জেপি নাড্ডা (JP Nadda) এদিন বলেন, ‘‘গতকালও বলেছি আজকেও বলছি, কয়েকটি সংবাদপত্রে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন দুর্নীতি কোথায়! আমি জানতে চাই পার্থ চট্টোপাধ্যায় আজ কোথায়? কোথায় আজ অনুব্রত মন্ডলের মেয়ে? তৃণমূলের নেতারা বহু কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত! তবু আপনি প্রমাণ চাইছেন মমতা দিদি?’’
     
     এদিন বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার কথা উঠে আসে জেপি নাড্ডার ভাষণে (JP Nadda)। তিনি বলেন, ‘‘২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার জন্য ১২ হাজার মামলা দায়ের করা হয়েছে। বহু মানুষ এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া। এমনকি সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত ভোটে যে হিংসা হয়েছে তা সবাই দেখেছে। আর মমতা দিদি আপনি দেশের গণতন্ত্রের কথা বলছেন! আগে আপনি বাংলার দিকে তাকান।’’  

      অন্যদিকে মোদি সরকারের উন্নয়নের গতিকেও রোধ করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমন অভিযোগও তোলেন নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, ‘‘বাংলায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালুতে সরকারিভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সরকার পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২১ লক্ষ পরিবারকে স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আনতে চেয়েছিল, আয়ুষ্মান যোজনার মাধ্যমে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাতে বাধা দেয়।’’ জেপি নাড্ডার (JP Nadda) আরও সংযোজন, ‘‘বিগত ৪০-৫০ বছরে বাংলায় কংগ্রেস শাসন হোক বা কমিউনিস্ট শাসন হোক বা তৃণমূল শাসন হোক কেউই বাংলাকে পিছিয়ে নিয়ে যেতে কোনও কিছু বাকি রাখেনি। যে বাংলা বিশ্বকে একসময় পথ দেখিয়েছিল, সেই বাংলা আজ মমতা সরকারের অধীনে এসেছে। দুর্ভাগ্যবশত গত চার পাঁচ দশকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন হয়নি।’’

     প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটে বাংলায় বিজেপি যে ভালো ফল করবে তাও এদিন জেপি নাড্ডার (JP Nadda) ভাষণে উঠে আসে এবং তিনি বলেন, ‘‘সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য আপনারা একটা প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারেন। আসুন আমাদের সংগঠনের সংখ্যালঘু এবং আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করি। আমি এখানে যে উপস্থিতি এবং উদ্দীপনা দেখছি তাতে আমি নিশ্চিত যে বাংলায় পরিবর্তন খুব তাড়াতাড়ি আসবে।’’ এই সময় সভাগৃহ করতালিতে ফেটে পড়ে, সেটার উল্লেখ করে জেপি নাড্ডা (JP Nadda) বলেন, ‘‘করতালির বজ্রধ্বনি বলছে আপনারা অঙ্গীকার নিয়েছেন যে আপনারা দলকে সফল করবেন এবং বাংলায় পদ্ম ফোটাবেন।’’

    সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেন নাড্ডা (JP Nadda)

    বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শনিবারই রাজ্যে পা রেখেছেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার সকালে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা। মন্দির থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘এই মন্দির স্বামী বিবেকানন্দের জায়গা, রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জায়গা। এখানে এসে দলের মঙ্গল চাইলাম, দেশের ভাল চাইলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে ভগবানের আর্শীবাদ চাইলাম, যাতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নত ভারত গঠিত হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    Mamata Banerjee: বাড়িতে পড়ে জখম মুখ্যমন্ত্রী, আরোগ্য কামনা করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের বাড়িতেই এদিন কোনওভাবে পড়ে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। পরিবারের লোকজন থেকে দলীয় নেতারা প্রত্যেকেই আসেন হাসপাতালে। উডবার্ন ওয়ার্ডের সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শেষে তাঁকে কপালে সেলাই করে ছেড়ে দেন ডাক্তাররা। রাত ৯.৪০ নাগাদ কালীঘাটের বাড়িতে ফেরেন মুখ্যমন্ত্রী৷ মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাজ্য় বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও।

    ঠিক কী ঘটেছে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)

    বৃহস্পতিবার বিকেলে কালীঘাটের বাড়িতে  চোট পান মুখ্যমন্ত্রীজানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বাড়ির চত্বরে হাঁটছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেসময় সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গিয়েই গুরুতর জখম হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কপালে সেলাই করা হয়। এর পর তিনি কালীঘাটের বাড়িতে ফিরে যান। মুখ্যমন্ত্রীর চোট গুরুতর নয় বলে এসএসকেএম সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী চিকিৎসকদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। চিকিৎসকরা, তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বারাকপুরের “বেতাজ বাদশা” অর্জুন সিং

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজের ট্যুইটে সুকান্ত মজুমদার লেখেন, ‘‘আমরা প্রার্থনা করি তিনি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) আরোগ্য় কামনা করেন উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন তিনিও। সূত্রের খবর, তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: আসন্ন ভোটে বাংলায় আসন সংখ্যায় বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    Lok Sabha Election 2024: আসন্ন ভোটে বাংলায় আসন সংখ্যায় বৃহত্তম দল হবে বিজেপি, ভবিষ্যদ্বাণী পিকে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ভোট রণনীতিকার প্রশান্ত কিশোর পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিকে নিয়ে করলেন বড় ভবিষ্যদ্বাণী। ‘পিকে’ (এই নামেই বেশি পরিচিত) জানিয়েছেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) পশ্চিমবঙ্গে অভূতপূর্ব সাফল্য পেতে চলেছে বিজেপি। বাংলায় একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিজেপি উঠে আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা ভোটের পরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দেবে বলেও মত প্রশান্ত কিশোরের। তাঁর আরও বক্তব্য, তৃণমূলের জন্য কঠিন দিন আসছে। এই ধরনের বিবৃতি দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কর্মীরা যে তাঁকে বিজেপির এজেন্ট বলে তোপ দাগবেন সে কথাও বলতে ভোলেননি, একদা তৃণমূলের এই ‘স্ট্র্যাটেজি মেকার’।

    ‘‘বঙ্গে বিজেপির চমৎকার সাফল্য দেখতে তৈরি থাকুন’’

    হায়দরাবাদে ‘দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেন প্রশান্ত কিশোর। এবং সেখানে তিনি বলেন, ‘‘আমি অনুমান করছি যে বিজেপি সমস্ত দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের থেকে খুব ভালো ফল করবে। আগামী লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) বাংলা থেকে বিজেপির চমৎকার সাফল্য দেখতে সবাই তৈরি থাকুন। আমার মনে হয় যে আগামী লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সবথেকে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে উঠে আসবে। এই কথা বলার কারণে অনেকে আমাকে বিজেপির এজেন্ট বলবে। কিন্তু যদি আমি এই আসল সত্য না বলি তাহলে এটা ভুল হবে। কারণ আমি একজন পেশাদার। নিজের পেশার ক্ষেত্রে আমি সৎ।’’

    তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কঠিন সময়

    প্রশান্ত কিশোর এরপরে আরও বলেন, ‘‘আমি কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র নই যে আমাকে পার্টি যেটা বলে দেয় সেটা বলতে হয়। কিন্তু এটা তথ্য আছে আমার কাছে। আমি দেখতে পাচ্ছি যে বিজেপি অনেক বড় কামব্যাক করতে চলেছে বাংলায়। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের জন্য অত্যন্ত নিরাশাজনক খবর হবে সেটা। আমি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কঠিন সময় (Lok Sabha Election 2024) দেখতে পাচ্ছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: আজ শিলিগুড়িতে নরেন্দ্র মোদি, এগিয়ে এল জনসভার সময়

    Siliguri: আজ শিলিগুড়িতে নরেন্দ্র মোদি, এগিয়ে এল জনসভার সময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শনিবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি মার্চ মাসে বাংলায় এটা হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রীর চতুর্থ সভা। এর আগে আরামবাগ, কৃষ্ণনগর ও বারাসতে সভা করেছেন মোদি। তবে উত্তরবঙ্গে এটাই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সভা হতে চলেছে। শনিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালির মাঠে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গ বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। সেখানকার একাধিক লোকসভার আসনে ইতিমধ্যে প্রার্থীও ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। প্রধানমন্ত্রীর সভা উত্তরবঙ্গের কর্মীদের বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে বলেই মনে করছে বিজেপি।

    সভার সময় বদল

    শুক্রবার দিনভর চলেছে সভাকে সফল করার প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, প্রথমে বিকেল পাঁচটা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর জনসভা হওয়ার কথা থাকলেও, পরবর্তীতে সময় এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, শনিবার বিকেল তিনটেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে (Siliguri) পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে সাড়ে তিনটে নাগাদ তিনি সভাস্থলে পৌঁছবেন। প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। তারপর জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। সভা শেষ করে ফের বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

    সরকারি অনুষ্ঠানে কোন কোন প্রকল্পের উদ্বোধন?

    জানা গিয়েছে, এদিন প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি জংশন-রাধিকাপুর ডেমু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রেলের আরও আটটি বিভিন্ন প্রকল্পেরও (Siliguri) উদ্বোধন করবেন। এই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষপুকুর-ধুপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা এবং ইসলামপুরে জাতীয় সড়কের বাইপাসের উদ্বোধন করবেন। আধ ঘণ্টার এই সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বলছেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শুক্রবার কাওয়াখালির মাঠ পরিদর্শন করে দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, ‘‘আগামিকাল প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই সরকারি মঞ্চ থেকে একাধিক প্রকল্পের ঘোষনা করবেন। যার মধ্যে রেলের নতুন ঘোষণা রয়েছে। শিলিগুড়ি জংশন থেকে রাধিকাপুর পর্যন্ত রেলের ঘোষণা করার কথা তাঁর। এ ছাড়াও সড়ক মন্ত্রকের নতুন প্রকল্পও ঘোষণা করার কথা। এ ভাবেই প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটির টাকার আলাদা আলাদা প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর পর জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। কর্মসূচির সময় খানিকটা এগিয়ে আনা হয়েছে। উনি দুপুর ৩টে নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে (Siliguri) অবতরণ করবেন। সেখান থেকে সড়ক পথে কাওয়াখালি এসে পৌঁছাবেন। জনসভায় প্রায় দু’লক্ষ মানুষের সমাগম আমরা আশা করছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    Seikh Shajahan: সিআইডির হেফাজতে শেখ শাহজাহান, জেরার মুখে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তকারীদের প্রশ্নের সামনে মুখে যেন কুলুপ এঁটেছেন একদা সন্দেশখালির স্বঘোষিত বাঘ। শারীরিক ভাষায় ঝরে পড়ছে সেই এক ঔদ্ধত্য। ভেড়ি দখল, জমি দখল, শ্লীলতাহানি, ইডির ওপর হামলা, খুনের অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে তাঁকে গতকালই দেখা গিয়েছিল পুলিশের সামনে স্পর্ধার সঙ্গে হাঁটতে হাঁটতে কোর্টে ঢুকছেন। সিআইডি অফিসারদের সামনে এমনই স্পর্ধা দেখাচ্ছেন তিনি, খবর সূত্রে। শুধুই উত্তর দিচ্ছেন, ‘‘এক কথা বারবার বলব না।’’

    আরও জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সারারাত ঘুমোননি তিনি। খাননি রাতের খাবারও। গত ৫ জানুয়ারি ইডির উপর হামলার ঘটনা ঘটে। তোলপাড় হয় সারা রাজ্য। এখানে নিজের ভূমিকার কথা মেনে নিয়েছেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করেছেন যে, ইডির বিরুদ্ধে জনতাকে উস্কানি দিয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার পুলিশ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি সিআইডি-এর সঙ্গে অসহযোগিতা করছেন বলেই সূত্রের খবর রয়েছে। 

    লোকদেখানো সাসপেন্ড!  

    বৃহস্পতিবার ভোররাতেই মিঁনাখা থেকে সন্দেশখালির ‘ত্রাস’ শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে বসিরহাট মহকুমা আদালত গতকালই দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ভবন থেকে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এটা নিছকই লোকদেখানো। শাহজাহানের এতদিনের অপকর্মের খতিয়ান রাজ্য নেতাদের কাছে নেই, এমনটা হতে পারেনা।

    কী বলছে বিজেপি?

    বিজেপি তরফ থেকে গতকালই দাবি করা হয়েছে, গ্রেফতারির পর রাজকীয় কায়দায় আদালতে ঢুকতে দেখা যায় সন্দেশখালির কালপ্রিট শাহজাহানকে। তৃণমূল নেতার শারীরিক ভঙ্গি, পোশাক দেখলে মনে হবে না তিনি গ্রেফতার হয়েছেন। বিজেপি রাজ্য সভাপতি  সুকান্ত মজুমদার এনিয়ে বলেন, ‘‘পুলিশ মাথা নীচু করে হাঁটছে, আর শাহজাহান তাঁদের মাঝখান দিয়ে গটগট করে মাথা উঁচু করে এজলাসে ঢুকলেন! যেন অলিম্পিকে পদক জিতে এসেছেন।’’ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘‘পুলিশ যে শাহজাহানের কথাতেই চলে, তা এই দিন ওঁর আদালতে ঢোকা বা বেরনোর ছবি থেকেই স্পষ্ট। পুলিশই এতদিন শেল্টার দিয়ে রেখেছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    Ananya Banerjee: ভাবাবেগে আঘাত! তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যার বিরুদ্ধে পথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সোমবার কলকাতা পুরনিগমের বাজেট অধিবেশনে তৃণমূল কাউন্সিলর তথা অভিনেত্রী অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee) খ্রিস্ট ধর্মের ফাদার ও নানদের সম্পর্কে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেন। শোনান ‘যৌনগন্ধী’ গল্পও। তৃণমূল কাউন্সিলরের এমন মন্তব্যের কারণে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফ থেকে বুধবারই নিউ মার্কেট থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারির দাবিও তুলেছে গেরুয়া শিবির। এদিন ঘটনার প্রতিবাদে হাজরা মোড় থেকে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপির সংখ্যালঘু সেলের প্রতিনিধিরা। কিন্তু পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পুলিশ আটক করে বিজেপি নেতাদের। ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বেড়েছে শাসক শিবিরের অন্দরে।

    আরও পড়ুুন: হাজার কোটির সাইবার ‘প্রতারণা’! ‘কিংপিন’ কুণালের একাধিক ডেরায় হানা ইডির

    কী বলছেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সভাপতি চার্লস নন্দী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘সংগঠনের তরফে নিউ মার্কেট থানায় অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হবে। ওনার (Ananya Banerjee) পদত্যাগ দাবি করছি। দল থেকে বহিষ্কারেরও দাবি তুলছি।’’

    অনন্যার আপত্তিকর মন্তব্য, প্রতিবাদে বিজেপি কাউন্সিলররা

    গত সোমবার পুরসভার বাজেট বিতর্কে পশ্চিমী সংস্কৃতিতে ‘ফাদার’ এবং ‘নান’দের সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্পের কথা উল্লেখ করেছিলেন অনন্যা (Ananya Banerjee)। এর পরে একটি গল্পও শোনান তিনি। সেই ‘যৌনগন্ধী’ গল্পে বাইবেলের ১১২ নম্বর অধ্যায়ে ‘গভীরে যাও, আরও গভীরে যাও’ বাণী রয়েছে বলে দাবি করেন তৃণমূল কাউন্সিলর। এখানেই ওঠে বিতর্ক। সেই সময়েই প্রতিবাদ জানান সজল ঘোষ সমেত অন্যান্য বিজেপি কাউন্সিলররা। এর পাশাপাশি ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্যের সঙ্গেও অনন্যার বাদানুবাদ বেঁধে যায়। সেই ইস্যুতে এবার আন্দোলনে নেমে পড়ল বিজেপিও। এ বার অনন্যার বলা গল্প নিয়েই পুলিশে তাঁর কাছে গ্রেফতারির আবেদন জানাতে এফআইআর দায়ের করা হল রাজ্য বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share