Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “চোপড়ায় চলছে তালিবান শাসন”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় রাস্তায় ফেলে যুবক-যুবতীকে লাঠির গোছা দিয়ে নির্মমভাবে মারধরের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড়় গোটা রাজ্য। এই ঘটনায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি।

    চোপড়াকে তালিবান বানিয়ে দিলেন, সরব সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের প্রচারে রবিবার সন্ধ্যায় পায়রাডাঙায় গিয়েছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারের মাঝেই চোপড়ার ইস্যু নিয়েও রাজ্য সরকারের তুমুল সমালোচনায় সরব হয়েছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “চোপড়ায় যে ঘটনা ঘটেছে, তা আরও একবার প্রমাণ করল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মহিলাদের সুরক্ষা কোন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে। যেভাবে গণপিটুনি হচ্ছে। তালিবানের মতো শাসন তো এটা। এখন তো দেখছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতাকে তো লন্ডন করতে পারলেন না, চোপড়াকে তালিবান বানিয়ে দিলেন।”

    ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে?

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখছে একদল মানুষ। যে ব্যক্তি ওই তরুণ ও তরুণীকে মারধর করছে, কেউই তাকে বাধা দিচ্ছেন না। নিরস্তও করার চেষ্টাও করছেন না কেউ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। দেখা যাচ্ছে, এক তরুণও ওই তরুণীর পাশে পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেধড়ক মারধর করা হয়েছে ওই তরুণকেও।

    নিগৃহীতা অসামাজিক কাজ করছিলেন

    চোপড়ার (Chopra) ওই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত তাজমুল ওরফে জেসিবিকে। এদিকে রবিবারের ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।  প্রসঙ্গত, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই ব্যক্তি তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ বলেই এলাকায় পরিচিত। চোপড়ার এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ প্রসঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন, “নিগৃহীতা অসামাজিক কাজ করছিলেন। তবুও, সমস্ত বিষয়টি জানতে জেসিবিদের ডেকে পাঠিয়েছি। প্রকৃত ঘটনা কী দেখতে হবে তো। সবাই তৃণমলের।  এটিকে তিল থেকে তাল করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Viral Video: জরিমানা না দেওয়ায় চুলের মুঠি ধরে মার তরুণীকে, ভাইরাল ভিডিওয় কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক তরুণীকে রাস্তায় ফেলে মারধর করছে একজন। লজ্জায়-ব্যথায়-ঘৃণায় কুঁকড়ে যাওয়া তরুণীটিকে ফের চুলের মুঠি ধরে টেনে মারছে সেই গুণধর। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় (Viral Video) খানিক পরেই দেখা যাচ্ছে, এক তরুণও ওই তরুণীর পাশে পড়ে পড়ে কাতরাচ্ছেন। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বেধড়ক মারধর করা হয়েছে ওই তরুণকেও।

    তৃণমূলের দাদার কীর্তি! (Viral Video)

    গোল হয়ে দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনাটি দেখছে একদল মানুষ। যে ব্যক্তি ওই তরুণ ও তরুণীকে মারধর করছে, কেউই তাকে বাধা দিচ্ছেন না। নিরস্তও করার চেষ্টা করছেন না কেউ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রবিবার দুপুরে (Viral Video) এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিওটি পোস্ট করেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি লিখেছেন, “সালিশি সভাও নয়। অপরাধের বিচার ও শাস্তি দিচ্ছে তৃণমূলের পোষা গুন্ডা। যার ডাকনাম জেসিবি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে এভাবেই বিচার ব্যবস্থাকে দুরমুশ করা হচ্ছে চোপড়ায়।”

    কী বলছে বিজেপি?

    পরে ওই একই ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তিনি লিখেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে থাকা বাংলার কুৎসিত মুখ।…প্রত্যেক গ্রামেই সন্দেশখালি রয়েছে।” উত্তর দিনাজপুর জেলা সিপিএমের দাবি, “যিনি মারধর করছেন, তাঁর নাম তাজম্মুল। চোপড়ার বিধায়ক তৃণমূলের হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ। এলাকায় সবাই তাঁকে জেসিবি নামেই চেনেন।” সিপিএমের জেলা সম্পাদক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আনোয়ার উল হক বলেন, “শুনেছি, ভিডিওতে যে মহিলাকে মাটিতে ফেলে মারধর করা হচ্ছে, তিনি বিবাহিত। তবে এক ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে এলাকায় ফিরলে দুজনের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। জরিমানা না দিলে এলাকায় তাঁদের থাকতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। জরিমানা না দেওয়ায় অত্যাচার করা হয় তাঁদের ওপর।”

    আর পড়ুন: “বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুতগামী করতে ব্রিটিশ আইনে বদল আনা হয়েছে”, বললেন শাহ

    সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বাংলায় এ ধরনের ঘটনা অজস্র ঘটে। তবে অপরাধগুলোকে চেপে দেওয়া হয়।” তিনি বলেন, “বারাসতের একটি ছেলে বিয়ে করেছিল ভিন ধর্মের মেয়েকে। সে যখন তাঁর শিশুপুত্রকে দেখতে শ্বশুরবাড়িতে গেল, তখন তাঁকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এক ভ্যানচালক তাঁকে নিয়ে গিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি করান। সেই মামলা এখনও চলছে হাইকোর্টে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা”, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন সিভি আনন্দ বোস

    CV Ananda Bose: “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা”, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন সিভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বলেছেন, “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা।” শনিবার দিল্লিতে নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক করছেন বোস। এরপর নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “রাজ্য মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক রাজ্য সরকার।” এরপর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে (Financial Collapse) ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অপর দিকে বরানগর ও ভগবানগোলার দুই তৃণমূল বিধায়কের শপথ বাক্য পাঠ করানো নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    রাজভবন সূত্রে খবর (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মাল সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মধ্যে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। এবার সেই কাজ সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা অথবা আর্থিক (Financial Collapse) হিসেব কতটা স্বচ্ছ রাখা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর তার উপর নজরদারি রাখার প্রস্তাব দিয়ে এসেছেন রাজ্যপাল।

    প্রসঙ্গত বলা যায়, আগেই একধিকবার রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিয়ে রাজ্য সরকার নয়ছয় করেছে বলে অভিযোগে সরব হয়েছিল। কেন্দ্র থেকে বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ কেমন চলছে, তা খতিয়ে দেখতে একাধিকবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল এসেছে রাজ্যে। বেশ কিছু প্রকল্পের টাকা তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। ইতিমধ্যে মিড-ডে-মিলে ব্যাপক ভাবে দুর্নীতি হওয়ায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। একশো দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, রেশন বণ্টন, জবকার্ডে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে। ফলে এই মুহূর্তে রাজ্যপালের বক্তব্য রাজনীতির আঙিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। দুর্নীতি নিয়ে শাসকদল তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে ফের একবার।

    আরও পড়ুন: স্কুল থেকেই পাচার মিড ডে মিলের চাল! গ্রেফতার ১, কাঠগড়ায় তৃণমূল বুথসভাপতি

    বৈঠকে কী বিষয় উঠে এসেছে?

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose), কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। একই সঙ্গে সংবিধানের ১৬৭ নম্বর ধারা নিয়ে আলোচনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আবার রাজ্যসরকারের প্রশাসনের আর্থিক দিক এবং রাজ্যপালের নজরদারির বিষয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেছেন রাজ্যপাল সিবি আনন্দ বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum News: বীরভূমের স্কুলে পড়ুয়াদের মুখে রাম নাম, বাধা তৃণমূলপন্থী শিক্ষকের, প্রতিবাদ বিজেপির

    Birbhum News: বীরভূমের স্কুলে পড়ুয়াদের মুখে রাম নাম, বাধা তৃণমূলপন্থী শিক্ষকের, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বুধবার ছিল বীরভূমের পুরন্দরপুর হাইস্কুলের নবীনবরণ উৎসব। আর সেখানেই পড়ুয়াদের মুখে রাম নামে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের (Birbhum News) বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষক তৃণমূলপন্থী সংগঠনের নেতাও বটে। নিজেও সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে অ্যাকাডেমিক বোর্ডের সেক্রেটারি তিনি। কেন রামের নামে আপত্তি? এ নিয়েই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া (মাধ্যম ভিডিও এর সত্যতা যাচাই করেনি) একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নবীনবরণে ছাত্ররা নিজেদের নাম বলার আগে ‘রাম-রাম’ ধ্বনি দিচ্ছে, কেউ বা বলছে ‘জয় শ্রী রাম’। ভিডিওতে তখনই তৃণমূলপন্থী শিক্ষক নেতা উঠে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘‘রাম নাম নেওয়া যাবে না। শুধু নিজের নাম বলতে হবে।’’ কেন রাম নাম নেওয়া যাবে না? এই প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে গেরুয়া শিবির (Birbhum News)।

    কী বলছেন বিজেপি (BJP) নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্য বিজেপির নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বীরভূমে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আমরা বুঝতে পারছি না পশ্চিম বাংলায় বাস করছি নাকি পশ্চিম বাংলাদেশে আছি!’’ এনিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্টও (Birbhum News) করেছেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে জগন্নাথবাবু লিখছেন, ‘‘বাংলায় বাঁচতে হলে নেওয়া যাবে না রামের নাম। দিন কয়েক আগে বীরভূমের পুরন্দরপুর হাইস্কুলে এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে। স্কুলে সেদিন একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ছিল। এই এলাকা সন্ত্রাসকবলিত। তার মধ্যেই নবাগত ছাত্ররা ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে নিজের পরিচয় দেওয়ার আগে রাম-রাম বলছিল। হঠাৎ স্কুলের এক শিক্ষক ( তিনি শোনা যায় তৃণমূলের নেতা, বকলমে স্কুলটি চালান) ঘোষণা করেন, ছাত্ররা রামের নামে পরিচয় দিতে পারবে না। আমরা কি পশ্চিমবঙ্গে বাস করছি, নাকি রাজ্যটা পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে।’’ নেটপাড়ায় ওই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির কমেন্ট বক্সে ভেসে আসছে নানা মন্তব্য। জনৈক শিক্ষকের প্রতি একজনের মন্তব্য, ‘‘রামের নাম নেওয়া যাবে না তবে কি ভারত মুর্দাবাদ বলতে হবে!’’

    কী বলছেন ওই শিক্ষক?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তৃণমূলপন্থী শিক্ষক নেতার মতে, সেদিন কোনও ঘটনাই নাকি ঘটেনি। সংবাদমাধ্যমের (Birbhum News) কাছে তাঁর দাবি, জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে ছাত্রসমাজের মধ্যে নাকি বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, তাই তিনি রামের নাম নিতে বাধা দিয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, ‘‘বিদ্যালয়গুলিতে সরস্বতী পুজোর রীতি বহু পুরনো, তা সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে রয়েছে। তেমনই ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে রাম-রাম ধ্বনিতে একে অপরকে সম্বোধন করার রীতি রয়েছে। ছাত্র সমাজের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, এই যুক্তিতে এবার কি সরস্বতী পুজোতেও বাধা দিতে দেখা যাবে এই শিক্ষককে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “দম থাকলে আগে নিজেদের পার্টি অফিসগুলিকে ভাঙুন”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “দম থাকলে আগে নিজেদের পার্টি অফিসগুলিকে ভাঙুন”, মমতাকে আক্রমণ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমি দখল করে দোকান বানানোর অভিযোগে কড়া অবস্থান নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাস্তা দখল করে গড়ে ওঠা দোকানগুলিকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই পুরকর্মী এবং পুলিশ-প্রশাসন অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে অবৈধ দোকান উচ্ছেদে। কলকাতা শহর সহ একাধিক জেলা সদরে চলছে এই উচ্ছেদ। তবে হকার ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভও দেখাতে শুরু করেছেন। ঠিক এর মাঝেই মমতাকে নিশানা করে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেছেন, “দম থাকলে আগে নিজেদের পার্টি অফিসগুলিকে ভাঙুন।”

    ঠিক কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)?

    রাণাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী মনোজকুমার বিশ্বাসের সমর্থনে প্রচারে যান প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, “যেসব সরকারি জায়গায় রয়েছে, সেখানে অনেক জায়গায় অবৈধভাবে তৃণমূলের পার্টি অফিস নির্মাণ করা হয়েছে। নিজের দম থাকলে পার্টি অফিসগুলিকে আগে ভাঙুন। যদি আপনার কাছে বুলডোজার থাকে, তাহলে আগে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভেঙে দেখান। তিলজলার অফিসটা আগে ভাঙুন। রাস্তার ফুটপাত, পিডাব্লুডির জায়গা, ইরিগেশনের জায়গা, রেলের জায়গা, যেখানে যত জায়গা আছে সেখানে একটা করে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি হয়েছে। ঝাণ্ডা লাগিয়ে জায়গা দখল করা হয়েছে। পার্টির নেতারা ওখানে বসে কেবল তোলাবাজি করে মাত্র। এই জায়গাগুলি একটা ব্যবসা করার জায়গায় পরিণত হয়েছে।” এদিন এই ভোটের প্রচারে উপস্থিত ছিলেন নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়, চাকদার বিধায়ক বঙ্কিমচন্দ্র ঘোষ, রানাঘাট উত্তর পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাস।

    আরও পড়ুন: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান বা আদালত বিশ্বাস করেন না”, কটাক্ষ সুকান্তর

    হকার উচ্ছেদে বিক্ষোভ

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও কলকাতা সহ একাধিক জেলায় হকার উচ্ছেদের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। ধর্মতলা চত্বরে কার্যত হকার এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে শনিবার দুপুরে। একই ভাবে সিউড়ি, রামপুরহাট, সল্টলেক, নিউটাউন সহ একাধিক জায়গায় হকার উচ্ছেদের ঘটনায় ব্যাপক অসন্তোষ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় হকারদের মধ্যে। পাশাপাশি বিজেপির বক্তব্য, আগাম নোটিশ এবং বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কেন এই পদক্ষেপ সরকারের? তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী এবং সুকান্ত মজুমদারের গলায়ও। এই পরিস্থিতিতে দিলীপ (Dilip Ghosh) ঘোষও তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান বা আদালতকে বিশ্বাস করেন না”, কটাক্ষ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান বা আদালতকে বিশ্বাস করেন না”, কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবিধান বা আদালতকে বিশ্বাস করেন না”, ঠিক এই মন্তব্য করে তৃণমূল নেত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শনিবার কলকাতায় একটি অনুষ্ঠান থেকে বিচারকদের উদ্দেশে মমতা (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, “বিচারকদের রাজনৈতিক পক্ষপাত থেকে মুক্ত থাকতে হবে”। এরপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তীব্র তোপ দাগেন তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে রাজ্যে নারী নির্যাতন এবং হকার উচ্ছেদ নিয়ে মন্তব্য করেন এই বিজেপি নেতা।

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা রাখে না, আদালতের রায় মানে না। কয়েকদিন আগে যখন কলকাতা হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল যে ওবিসিদের নামে মুসলমান সংরক্ষণ প্রথা আমাদের সংবিধান পরিপন্থী, তখন মমতা বিচার মানেন না বলে প্রকাশ্যে দাবি করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে রাজ্যের সংবিধান প্রধান রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তা কার্যত রাজভবন এবং সংবিধানকে অপমান করেছেন। কোচবিহারে এক মহিলাকে নগ্ন করে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এই ঘটনা থেকে চোখ সরাতে মমতা কলকাতায় হকার উচ্ছেদের নামে প্রহসন করছেন। কোচবিহারের ঘটনাকে আড়াল করার অপচেষ্টা করছেন মমতা।”

    আরও পড়ুন: নিম্নচাপের জেরে রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    আর কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) এদিন মমতার (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “কোচবিহারের ঘটনা সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়েও এই রাজ্যের কোনও মহিলারা সুরক্ষিত নন! রাজ্যে মা-বোনদের সম্মান রক্ষায় ব্যর্থ এই সরকার। বাংলার মহিলাকে অসম্মান মানে সংবিধানকে অসম্মান করা। সংবিধানকেই নগ্ন করেছে তৃণমূল সরকার। যদি হকার উচ্ছেদ সত্যই সত্যই করতে চাইতেন, তাহলে আগে থেকে নোটিশ দেওয়া উচিত ছিল। এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট যে বিকল্প ব্যবস্থা না করে, এই অস্থিরতা তৈরি করা সরকারের ভাবনা ঠিক নয়। রাজ্যে চাকরি নেই, কাজ নেই তাই মানুষ বাধ্য হয়ে হকারি করছেন। রাজ্যে শিল্প কারখানা নেই, পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে। তাই এই দায় নিতে হবে মমতা সরকারকেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    Cooch Behar: কোচবিহারে নির্যাতিতার কাছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, সিবিআই তদন্তের দাবি অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ওই নেত্রী এখন কোচবিহারের (Cooch Behar) এমজেএন মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। শনিবার তাঁকে দেখতে কোচবিহারে  যান বিজেপি বিধায়ক তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। শাসকদল এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন অগ্নিমিত্রা (Cooch Behar)

    এদিন দুপুরে অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল কোচবিহারে (Cooch Behar) আসেন। নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশ লাইন চৌপথিতে পথ অবরোধ করে বিজেপি। মিনিট ১৫ অবরোধ করার পর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন দেয় বিজেপির মহিলা মোর্চা। এরপর বিজেপির কোচবিহার জেলা কার্যালয়ে যান অগ্নিমিত্রা। নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর অগ্নিমিত্রা পল বলেন,”বাংলার মা, বাংলার মেয়ে হয়ে এটা আমাদের কাছে লজ্জার। একজন সংখ্যালঘু এক বোনের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা বলার কোনও ভাষা নেই।আমাদের মহিলা মোর্চা-সহ বেশ কয়েক জন নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করলাম। এই ঘটনায় পুলিশের ওপর আস্থা নেই। তাই, আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। এদিকে এদিন নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরতে চাইছি। আতঙ্কে ফিরতে পারছি না।

    আরও পড়ুন: মালদায় জাল এসসি সার্টিফিকেট দিয়ে সরকারি চাকরি! প্রশাসনের কাছে নালিশ

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার (Cooch Behar) বাবা দীর্ঘ দিনের বিজেপি কর্মী। নির্যাতিতা নিজে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা কমিটির সদস্যা। অভিযোগ, তিনি মাঠে ছাগল চড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে গালিগালাজ করে মারধর করেন কয়েকজন মহিলা। এমনকী, তাঁকে বিবস্ত্র করেও পেটানো হয়। এনিয়ে ঘোকসাডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনও পুলিশি তদন্ত চলছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন,”ওরা সব সময় কেন্দ্রীয় এজেন্সির (CBI) দ্বারস্থ হন। এটা একটা পারিবারিক বিবাদ। ইতিমধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে। তার মধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। পুলিশ প্রশাসনের কাছে কঠোর শাস্তির দাবি তুলছি আমরা। কিন্তু, বিজেপি শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kerala: কেরলের পালাক্কাদ উপনির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারে বিজেপি, কেমন হবে ভোটের সমীকরণ?

    Kerala: কেরলের পালাক্কাদ উপনির্বাচনে ইতিহাস গড়তে পারে বিজেপি, কেমন হবে ভোটের সমীকরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের অব্যবহিত পরে, কেরলের (Kerala) দুটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুটি কেন্দ্রের মধ্যে সকলের দৃষ্টি পালাক্কাদের দিকে। এই কেন্দ্রে ভারতীয় জনতা পার্টি দ্বিতীয়বারের মতো রাজ্যে বিধায়ক নির্বাচন করার একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেতে পারে। এর আগে, ২০১৬ সালে, দলের প্রবীণ নেতা ও রাজাগোপাল নেমোম থেকে ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছিলেন। আসুন জেনে নিই কেমন অবস্থানে রয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির সম্ভাবনা (Kerala)

    পালাক্কাদে (Kerala) বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হয় কারণ বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর এখানে শক্তিশালী প্রভাব রয়েছে। গত দুই বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফল বেশ ভালো ছিল। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ভাদাকারা থেকে কংগ্রেসের বর্তমান বিধায়ক শফি পারম্বিলের জয়ের কারণে এই উপনির্বাচন প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। বিজেপি, ২০২১ এবং ২০১৬ উভয় ক্ষেত্রেই পালাক্কাদে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল। উল্লেখ্য ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছিল। আবার পারম্বিলে বিজেপির ‘মেট্রো ম্যান’ ই শ্রীধরনকে মাত্র ৩,৮৫৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছিল। কংগ্রেস ৩৮.০৬ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, যেখানে বিজেপি ৩৫.৩৪ শতাংশ এবং সিপিআই(এম) ২৫.৬৪ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। আবার ২০১৬ সালে, দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিজেপি এবং সিপিআই(এম)-এর মধ্যে ব্যবধান আরও কম ছিল। কংগ্রেস পেয়েছিল ৪১.৭৭ শতাংশ ভোট, বিজেপি পেয়ছিল ২৯.০৮ শতাংশ এবং সিপিআই(এম) পেয়েছিল ২৮.০৭ শতাংশ ভোট।

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কেমন ফল ছিল?

    কেরলে (Kerala) ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপি আবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কংগ্রেস প্রার্থী ভি কে শ্রীকন্দন পেয়েছেন ৫২৭৭৯ ভোট, আর বিজেপির সি কৃষ্ণকুমার পেয়েছেন ৪৩০৭২ ভোট। সিপিআই(এম) এর এ বিজয়রাঘবন পেয়েছেন ৩৪৬৪০ ভোট।

    উপনির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী

    কেরল (Kerala) বিজেপি এখনও উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী বাছাই করেনি, তবে দল সি কৃষ্ণকুমার বা শোভা সুরেন্দ্রনকে প্রার্থী করতে পারে বলে সম্ভাবনা রয়েছে। শোভা ২০১৬ সালে পালাক্কাদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং আলাপ্পুঝাতে দলের ভোট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করিয়েছিলেন। কংগ্রেস নেতা কে মুরলীধরনের বোন এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে করুণাকরণের মেয়ে পদ্মজা ভেনুগোপালের নামও আলোচনায় রয়েছে। সম্প্রতি তিনিও বিজেপিতে যোগদান করেছেন।

    চ্যালেঞ্জ ও কৌশল

    যদিও কেরলে (Kerala) বিজেপির অবস্থান ভালো মনে হচ্ছে, তবে সবকিছু সহজ নয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিজেপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল সংখ্যালঘু ভোট, বিশেষ করে মুসলিম ভোট। গত নির্বাচনে, শ্রীধরনের ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে বিজেপি প্রচুর ভোট পেয়েছিল। তবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায়, এই ফ্যাক্টরটি এবার থাকবে না। অতএব, বিজেপিকে দ্বিতীয়স্থান থেকে বিজয়ী হতে গেলে সিপিআই(এম)-র হিন্দু ভোটের দিকে গুরুত্বপূর্ণ নজর দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মার্কিন রিপোর্ট ‘পক্ষপাতদুষ্ট’, জানাল নয়াদিল্লি

    সম্ভাব্য প্রার্থীদের উপর চিন্তা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, “কেরলে (Kerala) বিজেপির পক্ষে একটি নতুন মুখ উপস্থাপন করা ভাল হবে। কারণ ভোটাররা কৃষ্ণকুমারকে নিয়ে ক্লান্ত। শোভা সুরেন্দ্রনের জন্য, আলাপুজায় ফোকাস করা পক্ষে ভাল হতে পারে। তিনি কায়মকুলাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, কারণ এখানে দল ভাল পারফর্ম করেছে। কংগ্রেস প্রার্থী করতে পারে রাহুল মামকুতাথিলকে, যিনি রাজ্য যুব কংগ্রেসের সভাপতি। তবে, এমনও জল্পনা রয়েছে যে ভিটি বলরামকে প্রার্থী করা হতে পারে। তিনি অবশ্য পালাক্কাদ জেলার থ্রিথালা থেকে দুবার বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা,  অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা এখনও অব্যাহত। বিজেপির বুথ এজেন্টকে মারধর করার পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান থানার মির্জাপুর এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মীর নাম বলরাম গোস্বামী। তিনি ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কেন হুমকি?(BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের লোকসভা ভোটে বলরামবাবু বিজেপির (BJP) বুথ এজেন্ট ছিলেন। ভোটের দিন বুথের মধ্যে তৃণমূলের বেনিয়মের প্রতিবাদ করেছিলেন। তার জেরে তাঁকে বিভিন্নভাবে তৃণমূলের লোকজনের হুমকির মুখে পড়তে হয়। ঘটনার পরই থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য এখন তাঁকে ফের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওই বিজেপি কর্মীর।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী?

    আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী বলেন, “ভোটে আমি বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলাম। বুথের মধ্যে তৃণমূলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলাম। তারজন্য আমাকে কখনও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভয় দেখানো, কখনও বাড়িছাড়া করার হুমকি দেয় তৃণমূলের লোকজন। এসব নিয়ে আগেই থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলাম। শুক্রবার আমি স্ত্রীর ডাক্তার দেখানো সংক্রান্ত প্রয়োজনে বর্ধমান শহরের দিকে যাচ্ছিলাম। সেই সময়েই আমার পথ আটকে তৃণমূলের লোকজন থানা থেকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ফের হুমকি দেয়। এমনকী আমাকে মারধরও করে। থানায় ফের অভিযোগ করেছি। চরম আতঙ্কে রয়েছি।”

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের বর্ধমান জেলার মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন ‘একমাস আগে নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) বলে কিছু নেই। সবাই ঘরে আছে। আমরা মানুষের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছি। কারও ওপরে আমাদের রাগ নেই। এই অভিযোগ মিথ্যা। তা সত্বেও যদি তিনি মনে করেন, তাঁর ওপর দলের নাম করে কেউ কোনও অন্যায় করেছে তবে তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হোন। প্রশাসন তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমির মাফিয়ারাজ নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি করল বিজেপি। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা দেবাশিস প্রামাণিক গ্রেফতার হতেই ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের মদতে জমি মাফিয়াদের সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করার ঘটনায় শিলমোহর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর এই সরব হওয়া ও দলের প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেফতার করানোর ঘটনার পিছনে অন্য অভিসন্ধি দেখছে বিজেপি। শিলিগুড়ি জুড়ে জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি।

     মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগলেন বিজেপি বিধায়ক (Siliguri)

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষও এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এমন ভাব দেখাচ্ছেন তাতে মনে হয়, ২০১১ সালে তিনি শপথ নেওয়ার পর বিদেশ চলে গিয়েছিলেন। এখন ফিরে এসে তিনি জানতে পারছেন, তাঁর দলের নেতারা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিজেকে বাঁচাতে ও সৎ প্রমাণ করতে তাঁর দলের নিচুতলার কর্মীদের বলির পাঁঠা করছেন। সৎ সাহস থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই জমি মাফিয়ারাজে যারা যুক্ত তাদের সকলকে গ্রেফতার করুন। শুধু আইসি-ওসি নয়, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও যেন রেহাই না পান।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

      ওসি, আইসিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে!

    দেবাশিস প্রামাণিককে গ্রেফতারের পর পুলিশ প্রথমে ঠিক করে বলতে পারেনি কোন অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল মারধর, খুনের চেষ্টার অভিযোগ। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে মান্যতা দিতে জমি কেলেঙ্কারির দিকটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনও চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। কেননা দেবাশিস ও তাঁর বাহিনী  দিনের পর দিন এভাবে সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করে দিয়েছে, তা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা জানতেন না, এটা কেউ বিশ্বাস করতে চাইছে না। পুলিশ সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের উঁচুতলরার কর্তাদের বাঁচাতে এনজেপি থানায় এই সময়কালে যারা ওসি, আইসি ছিলেন তাদের ভূমিকা নিয়ে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিখা চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিশের মদতে তৃণমূল নেতারা এখানে বুক ফুলিয়ে জমির কারবার ফেঁদেছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের শীর্ষ কর্তারা যদি বলেন, তারা জানতেন না তাহলে তারা এই চাকরি করার যোগ্য নন। সব থেকে বড় কথা,  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের পরিবার আদিগঙ্গায় জমি দখল করে রেখেছে। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছেন। তাই, শিলিগুড়ির এই জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্ত হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share