Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    Sukanta Majumdar: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নিজের জেলায় সুকান্ত, তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে প্রথম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ফিরলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। শুক্রবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে মালদায় অংশগ্রহণ করার পর সড়কপথে বালুরঘাট যান সুকান্তবাবু। বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর থেকেই দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া শুরু করেন। বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূলকে তুলোধনা (Sukanta Majumdar)

     সংবর্ধনা মঞ্চ থেকে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলকে তোপ দেগে বলেন, ভোটে হেরে গিয়ে জল ও লাইট বন্ধ করে মানুষের ওপর অত্যাচার করা বন্ধ করুন। যদি ভেবে থাকেন জল, আলো বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবেন তাহলে ভুল ভাববেন। কারণ, মানুষ তত বেশি  বিজেপিতে ভোট দেবেন। আর সুকান্ত মজুমদারকে বারবার জেতাবেন। এই লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর তথা তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড়, সেখান থেকে আমি ১৮ টা ওয়ার্ডে লিড পাই। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর ওয়ার্ড থেকেও লিড পাই। সেই রাগে তৃণমূল গঙ্গারামপুর শহর জুড়ে পথবাতি  ও বাড়ি বাড়ি পানীয় জল বন্ধ করে রেখেছিল। তৃণমূল হয়তো ভেবেছে জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করবে। আমি একটা কথা বলে দিচ্ছি জল, লাইট বন্ধ করে মানুষকে বিজেপিতে ভোট দেওয়া বন্ধ করতে পারবেন না। মানুষ তত বেশি বিজেপিকে ভোট দেবে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ

    মন্ত্রী হবার পর প্রথম জেলায় ফিরে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, আমি জেলাবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে দ্বিতীয় বারের জন্য সাংসদ করেছেন। আর আমাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমি না মন্ত্রী এই জেলার প্রতিটি মানুষ। আপনারা আশীর্বাদ করেছেন বলেই এইটা সম্ভব হয়েছে। আমি জেতার পর জেলার উন্নয়ন করার কথা দিয়েছিলাম। আমি সেই উন্নয়নগুলো করব। আর থমকে যাওয়া কিছু কাজ রয়েছে ,সেগুলো আগে চালু করব। আপনারা শুধু আমার পাশে থাকুন।

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ড নিয়ে সরব সুকান্ত

    প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে কাউকে রেয়াত নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই প্রসঙ্গ সুকান্ত মজুমদার বলেন,ইউজিসি নেট হবার পর আমাদের সরকার খুঁজে বের করেন প্রশ্ন ফাঁস করেছে কিছু লোক। তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হয়। বিহার পুলিশ কিছুজনকে গ্রেফতার করেছে। কারা এর সঙ্গে যুক্ত সেটা সবাই জানে। আমাদের শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, যারা এই কাজ করেছে, তারা সবাই জেলে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “জয়ের ব্যবধান বাড়ানো লক্ষ্য”, মনোনয়ন জমা দিয়ে বললেন বিজেপি প্রার্থী মনোজ

    Ranaghat: “জয়ের ব্যবধান বাড়ানো লক্ষ্য”, মনোনয়ন জমা দিয়ে বললেন বিজেপি প্রার্থী মনোজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১০ই জুলাই রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস। দলীয় নেতা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রা করে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন তিনি।

    জয়ের ব্যবধান বাড়ানো লক্ষ্য (Ranaghat)

     এদিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল করার সময় উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়, চাকদা বিধানসভার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক অসীম বিশ্বাস সহ একাধিক বিজেপি কর্মী -সমর্থকেরা। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস বলেন, রানাঘাটের এই কেন্দ্র বিজেপির উর্বর ক্ষেত্র। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে চায়, তা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আগামী ১০ই জুলাই উপ-নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হবে। লোকসভায় এই কেন্দ্রে ৩৭ হাজার ভোটে বিজেপি লিড পেয়েছিল। এবার সেটা ৫০ হাজার হবে। ফলে, জয়ের ব্যবধান বাড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা ভোটে হেরে যাওয়ার পরেও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুটমণি অধিকারীকেই রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে প্রার্থী করেছেন। কিন্তু, লোকসভার মতো দলের মধ্যে মতানৈক্য, ঠান্ডা লড়াই মুকুটের জয়ের ক্ষেত্রে এবারও বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে রানাঘাট-২ ব্লকের আটটি ও রানাঘাট-১ ব্লকের ছটি পঞ্চায়েত। এছাড়াও রয়েছে কুপার্স নোটিফায়েড এলাকা। এই কেন্দ্র আবার উদ্বাস্তু ও মতুয়া বলয় বলেও পরিচিত। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, উদ্বাস্তু ও মতুয়ারা সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) দিকে ঝুঁকেছিল। আবার ২০২১- এর বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটেই জয়ী হয়েছিলেন রানাঘাট লোকসভায় এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। বিধানসভা তাঁর জয়ের ব্যবধান ছিল ১৬,৫১৫। উপ-নির্বাচনে উদ্বাস্ত ও মতুয়া ভোট ধরে রাখার অঙ্কই কষছে বিজেপি। বিজেপির নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় বলেন, “মতুয়া ও উদ্বাস্তু মানুষ লোকসভায় আমাদের উপরে আস্থা রেখেছেন। এ বারও রাখবেন। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট হলে জয়ের ব্যবধান অনেকটাই বাড়বে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর! পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বিজেপির, অনুমতি কোর্টের

    BJP: নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর! পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা বিজেপির, অনুমতি কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম থানায় ১৫ দিনে ৪৭টা এফআইআর বিজেপির কর্মীদের বিরুদ্ধে! বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশ প্রচুর পরিমাণে মিথ্যা মামলা দিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। এরপর বিজেপি ন্যায় বিচার চেয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলে, পুলিশের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ঘটনায় ফের একবার পুলিশ প্রশাসন প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    আদালতে বিজেপির দাবি (BJP)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে পুলিশ শাসক দলের নির্দেশে এক তরফা বিদ্বেষ মূলক আচরণ করছে বলে বিজেপির (BJP) দাবি। গত ১৪ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ৪৭টি এফআইআর দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ। ভোটের সময় দলীয় কর্মীদের বিজেপির হয়ে কাজ করতে না দিতে, পুলিশ একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের এই সব মিথ্যা মামলাকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। এরপর আজ শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিজেপির আর্জিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল শুভেন্দুর

    নন্দীগ্রামে পুলিশি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আগেও একাধিকবার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছিলেন, কার্যত থানার ভিতরেই নিহত বিজেপি (BJP) মহিলা কর্মীর খুনিদের সঙ্গে পুলিশ বৈঠক করেছিল। থানার বাইরে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদেরকেও ধমক দিতে দেখা যায় শুভেন্দুকে।

    অপরে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসের আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে দেখা করতে গেলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। এরপর রাজভবনের সামনেই ধর্নায় বসার অনুমতি চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশ তাতেও অনুমতি দেয়নি। এরপর মামলা যায় হাইকোর্টে। এই মামলা বিচারপতি অমৃতার সিনহার এজলাসে গেলে, তিনি ধর্নার আবেদন খারিজ করে দেন। কিন্তু ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয় নিয়ে তৃণমূল এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূলের দ্বারা সংগঠিত হিংসা কবলিত এলাকা পরিদর্শনের জন্য রাজ্যপালকে আবেদন করেছিলেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Post Poll Violence: ভূপতিনগরে বিজেপি কর্মীকে বাড়িতে না পেয়ে বাবাকে পিটিয়ে খুন, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে না পেয়ে তাঁর পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম গৌরহরি মাইতি। তাঁর বাড়ি ভূপতিনগর থানার অর্জুননগর অঞ্চলের ১৯৮ নম্বর বুথ ধাঁইপুকুরিয়া গ্রামের। তাঁর ছেলে শশাঙ্ক মাইতি স্থানীয় বিজেপি নেতা। ভোট পরবর্তী হিংসায় (Post Poll Violence) এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Post Poll Violence)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  বিজেপি কর্মী শশাঙ্কের বাড়িতে হামলা (Post Poll Violence) করে তৃণমূল। ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল বোমা, বন্দুক নিয়ে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু, বাড়িতে শশাঙ্ককে না-পেয়ে তাঁর বাবা-মা এবং স্ত্রীকে মারধর করে। চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে বেরিয়ে আসায় দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, গুরতর আহত অবস্থায় বিজেপি নেতার বাবাকে নিয়ে যাওয়া হয় মুগবেড়িয়া হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শশাঙ্কের স্ত্রী খুকুমণি মাইতি অভিযোগ করেন, ” আমাদের বাড়িতে তৃণমূলের বিরাট দলবল হামলা চালায়। আমরা বিজেপি করি বলে টার্গেট করেছিল। আগেও বেশ কয়েকবার ওরা হামলা চালিয়েছে। প্রায়ই শাসানি দিত ওরা। রাতে হামলাকারীরা বোমা ও বন্দুক নিয়ে এসেছিল। আমাদের মারধর করছিল দেখে শ্বশুর ছুটে এসেছিলেন। তিনিও হামলার শিকার হলেন।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতার বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “এ বারের নির্বাচনে কাঁথি লোকসভায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। সেই রাগেই ওরা দল বেঁধে এলাকায় হামলা চালাচ্ছে। বিজেপি কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে।” যদিও গোটা ঘটনা সাজানো বলে দাবি করেছেন অর্জুননগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান উত্তমকুমার মাইতি। তিনি বলেন, “গতকাল এমন কোনও হামলার খবর জানা ছিল না। বিজেপি নেতার বাবা রাতে খাওয়া-দাওয়া করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর উপস্থিতিতে ডেবরার মৃত বিজেপি কর্মীর দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। ঠিক এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ইতিমধ্যেই থানা ও জেলের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও চেয়েছেন বিচারপতি। বিজেপি জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশের ওপর তাদের ভরসা নেই। সিবিআই তদন্তে করলে ন্যায় বিচার পাবে পরিবার।

    কী বললেন বিচারপতি? (Calcutta High Court)

    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিজেপি কর্মীর মৃত্যু মামলায় নির্দেশে বলেছেন, “মৃতের স্ত্রী এবং তাঁর কোনও প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এসএসকেএমে দেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া হবে। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করতে হবে। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দিতে হবে পরিবারের হাতে।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল? (Calcutta High Court)

    গত ৪ জুন মেদিনীপুরের ডেবরার ভরতপুর অঞ্চলে পুরুষোত্তম নগরে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কিছু লোকজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৪২ বছরের বিজেপি কর্মী সঞ্জয়। কিন্তু জেলে মাথা ফেটে যায় তাঁর। এরপর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিজেপি কর্মীকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। কিন্তু জেলে কীভাবে মাথা ফাটল এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পরিবারের তরফে মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Calcutta High Court) করলে বিচারপতি এই নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মৃত বিজেপি কর্মী সঞ্জয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন। তৃণমূলের নানা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন তিনি। সঞ্জয়ের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে সামজিক মাধ্যমে শুভেন্দু লিখেছেন, “মমতার পুলিশের বর্বরতায় হেফাজতে থাকাকালীন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সিবিআই তদন্ত বা বিচার বিভাগীয় (Calcutta High Court) তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    BJP Suspends Abhijit Das: দলবিরোধী কাজের জন্য অভিজিৎ দাস ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হল অভিজিৎ দাস ববিকে (Abhijit Das Suspend)। এই বারের লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছিল তাঁকে। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ভূমিপুত্রকে দাঁড় করিয়ে চমক দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তাঁকে সাময়িক সাসপেন্ড করা হয়েছে। যদিও ববির বক্তব্য, তিনি কোনও চিঠি পাননি।

    কেন বরখাস্ত (Abhijit Das Suspend)?

    মঙ্গলবার বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করতে গিয়েছিল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এই কেন্দ্রের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট, মারধরের একাধিক অভিযোগের ঘটনা সমানে উঠে এসেছে। এমনকী, বেশ কিছু গ্রামের মানুষ বিজেপি করায় আক্রমণ করে বহু পরিবারের মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে। তৃণমূলের অত্যাচারে গ্রামগুলি জনশূন্য হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই এলাকা পরিদর্শন করতে আসা কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যদের গাড়ি আটকে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপিরই একাংশ। এই বিশৃঙ্খলার সময় ববি (Abhijit Das Suspend) উপস্থিত থাকলেও কার্যত নিস্ক্রিয় ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা যেখানে ভোট-পরবর্তী হিংসার তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছেন, তাঁদের সমানে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল? এটাই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে প্রশ্ন। তাই আগামী সাত দিনের জন্য তাঁকে দলের তরফ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    আক্রান্ত কর্মীদের নিয়ে বৈঠক ছিল

    আমতলার পার্টি অফিসে গতকাল মঙ্গলবার বিজেপির বৈঠক ছিল। তবে এই বৈঠকে ববি (Abhijit Das Suspend) এবং তাঁর অনুগামীরা অনুপস্থিত ছিলেন। এখানে ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবার কথা ছিল বিজেপির তথ্যানুসন্ধানকারী দলের। তবে এই বৈঠকে হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু সবটাই ববি পরিকল্পনা করে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দলের শৃঙ্খলা কমিটি থেকে বলা হয়, আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজের বক্তব্য লিখিত আকারে জানাতে হবে ববিকে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

    আরও পড়ুনঃ জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস, ২০ দিনে ভাঙার নির্দেশ হাইকোর্টের

    কী বললেন ববি?

    তবে ববির (Abhijit Das Suspend) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “আমি এখনও কোনও এমন নির্দেশ পাইনি। ইমেইল বা ফোনে কোনও বার্তা পাইনি। পার্টির গোপনীয় চিঠি সংবাদ মাধ্যমের হাতে দিয়ে দলকে বদনাম করছে কিছু মানুষ। দলে থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যের হাত শক্ত করছেন অনেকে। আমি এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Arambagh: বুথে হেরেছে শাসকদল! আরামবাগে বিজেপি কর্মীকে বাঁশপেটা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগ (Arambagh) লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। আর তারপর থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। বহু কর্মী ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনই অভিযোগে সরব বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে, হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আরামবাগের সালোপুর-২ পঞ্চায়েতের ডোঙ্গল এলাকায় ফের এক বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মেরেছে তৃণমূল।

     ঠিক কী  ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    আরামবাগের ডোঙ্গলে মাঠে কাজ করার সময় একা পেয়ে এক বিজেপি কর্মীকে লাঠি ও বাঁশপেটার অভিযোগ উঠল স্থানীয় পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধান এবং তাঁর এক সঙ্গীর বিরুদ্ধে। প্রহৃত শঙ্কর রায় নামে বিজেপি কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় আরামবাগ থানায় উপপ্রধান উত্তম বেরা এবং তাঁর সঙ্গী প্রসেনজিৎ আদকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির পাশে খেতে বাদাম তোলার কাজ করছিলেন শঙ্কর। সেই সময়েই তাঁর ওপরে হামলা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর ছেলে লক্ষ্মীকান্ত রায় বলেন, “লোকসভায় এই পঞ্চায়েতে প্রায় ১ হাজার ভোটে বিজেপি এগিয়ে ছিল। এটাই আমাদের অপরাধ। ফল প্রকাশের পর থেকেই উপপ্রধান হুমকি দিচ্ছিলেন। বাবাকে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।” উপপ্রধানের দাবি, “গ্রামে ওদের পরিবারগুলি নিজেদের মধ্যে মারপিট করেছে। মিথ্যা আমাদের জড়ানো হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাসাপাতালে আহতকে দেখতে যান বিজেপির আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ এবং আরামবাগের বিধায়ক মধুসূদন বাগ। বিমান বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে হাইকোর্টের কড়া অবস্থানের পরেও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তৃণমূলের আরামবাগ ব্লক সভাপতি শম্ভুনাথ বেরা বলেন, “ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। শুনেছি পাড়াগত ঝগড়া থেকে এই ঘটনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

    BJP: স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদে কারা, বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গল-সন্ধ্যায় বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। বৈঠক হবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাসভবনে। লোকসভায় স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার কারা হবেন, তা ঠিক করতেই বৈঠকে বসছেন পদ্ম নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন এনডিএর কয়েকটি শরিক দলের নেতারা। সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হবে ২৩ জুন। তার দুদিন পরে ২৬ তারিখে হবে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন।

    স্পিকার নির্বাচন (BJP)

    লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের কোনও সাংসদকেই স্পিকার পদে মনোনীত করা হয় (BJP)। প্রথা মেনে ডেপুটি স্পিকারের পদটি দেওয়া হয় বিরোধীদের। গত লোকসভার অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার পদে কাউকে বসানো হয়নি। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে। কংগ্রেসের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “সরকার যদি ডেপুটি স্পিকারের পদটি বিরোধীদের না দেয়, তাহলে আমরা লোকসভার স্পিকার পদে প্রার্থী দেব।” প্রসঙ্গত, আগামী সপ্তাহে স্পিকার নির্বাচনে বিরোধীরা যদি সরকার পক্ষকে বাধ্য করেন, তাহলে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন ঘটনা এই প্রথম হবে। কারণ এতদিন পর্যন্ত স্পিকার বেছে নেওয়া হত সর্বসম্মতিক্রমে। এই দায়িত্ব সচরাচর বর্তায় কোনও অভিজ্ঞ সাংসদের ওপর।

    প্রথম স্পিকার

    সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলিতে প্রথম স্পিকার নির্বাচন হয়েছিল পরাধীন ভারতে, ১৯২৫ সালের ২৪ অগাস্ট। এই নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন স্বরাজি পার্টির মনোনীত প্রার্থী ভিত্তালভাই জে প্যাটেল। তিনি পরাজিত করেছিলেন টি রঙ্গচারিয়ারকে। মাত্র দুটি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন প্যাটেল। তিনি পেয়েছিলেন ৫৮টি ভোট। আর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর ঝুলিতে গিয়েছিল ৫৬টি ভোট। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে স্পিকার নির্বাচিত হন সর্বসম্মতিক্রমে। তবে এমএ আয়েঙ্গার, জিএস ধিলোঁ, বলরাম জাখর এবং জিএমসি বালাযোগী পরবর্তী লোকসভাগুলিতেও স্পিকার মনোনীত হয়েছিলেন।

    আর পড়ুন: পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ভারতের হাতে, বলছে রিপোর্ট

    অষ্টাদশ লোকসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হবে ২৪ জুন। এই অধিবেশনে প্রথমে শপথ নেবেন সাংসদরা। পরে হবে স্পিকার নির্বাচন। প্রথা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পিকার নির্বাচনে মোশন আনবেন ২৬ তারিখে।প্রসঙ্গত, বর্ষীয়ান সাংসদ কংগ্রেসের কে সুরেশকে লোকসভায় প্রোটেম স্পিকার করা হতে পারে। তাঁর কাছেই (BJP) শপথ নেবেন সাংসদরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া বিল পেতে পুরসভার চেয়ারম্যানকে দিতে হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি। বিদ্যুৎ দফতরের এক ঠিকাদার সংস্থার কর্তার এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বালুরঘাট (Balurghat) শহরের রাজনীতি। ওই ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠ এক এমআইসি-র কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও একটি অডিও ক্লিপ জনসমক্ষে এনেছে ওই ঠিকাদার সংস্থা। যদিও সেই অডিও ক্লিপিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    বিক্ষোভ বিজেপি-র (Balurghat)

    শনিবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরের বেশ কিছু এলাকায় পথবাতি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল, বালুরঘাট শহরে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক ভরাডুবির শাস্তি হিসেবেই বালুরঘাট পুরসভা এভাবে পথবাতি বন্ধ করেছে। আর এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এল কাটমানি তত্ত্ব। মঙ্গলবার কাটমানি নিয়ে বালুরঘাট পুরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বাপি সরকার বলেন, বালুরঘাট পুরসভা তো দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে গেছে। ওখানে তো সব কাজেই কাটমানি দিতে হয়। আমরা এই সব নিয়ে আমরা বালুরঘাট পুরসভায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দিলাম।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী

    ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সৌমেন সরকার বলেন, ‘খিদিরপুর শ্মশানের চুল্লির কাজের ও অন্য যে সব কাজ করেছি, তার বকেয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়েছে। ওই টাকার পেমেন্ট পেতেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে দুই দফায় দশ লক্ষ টাকা দিয়েছি। তবুও, আজ পর্যন্ত আমার কাজের বকেয়া টাকা পরিশোধ দেওয়া হয়নি। তাই, আমি কর্মীদের বেতন দিতে পারিনি। তাঁরা গত শনিবার দিন কাজ করেননি। তাই আমি ফোন করে ওই কাটমানির টাকা ফেরত চেয়েছি। আমি আর পুরসভায় কাজ করব না। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছি।’

    পুরসভার এমআইসি কী বললেন?

    এই বিষয়ে এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, ‘ওই এজেন্সি কাজ বন্ধ করে রেখেছিল বলে তাঁকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু, তিনি নাকি চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সেই টাকা ফেরানোর দায়িত্ব আমাকে নিতে বলছেন। আমি তাঁকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে বললে তিনি রাজি হননি। অর্ধসমাপ্ত অডিও ক্লিপ তিনি ভাইরাল করেছেন।’

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ‘ওই ঠিকাদার সংস্থার মালিক সম্ভবত মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। নইলে তিনি সব ব্যাপারেই ষড়যন্ত্র কেন খোঁজেন। তাঁকে যে কাজ দেওয়া হয়েছিল তা তিনি করেননি। তাই ডিফল্টার হিসেবে আমরা চিহ্নিত করব না কেন, সেই চিঠি দিয়েছি। ওই এজেন্সির মালিকের কোনও বিল বকেয়া নেই। গত দুই মাসের বিলও ট্রেজারিতে পাঠানো আছে। আসলে ওই চিঠি দেওয়ার পরই মনগড়া কথা বলছেন তিনি। আমি শহরের বাইরে কাজে আছি। ফিরেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mann ki Baat: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    Mann ki Baat: তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মন কি বাত, কী বার্তা থাকবে প্রধানমন্ত্রীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম ‘মন কি বাত’ (Mann ki Baat) অনুষ্ঠান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। জানা গিয়েছে আগামী ৩০ জুন এই অনুষ্ঠান করবেন তিনি। তবে বক্তৃতার বিষয়বস্তু কী হবে ইতিমধ্যেই তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত চাওয়া হয়েছে। যা নিঃসন্দেহে বড় চমক। 

    কর্মসূচি ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন 

    অন্যদিকে মন কি বাত (Mann ki Baat) শোনার জন্য যাতে দেশব্যাপী সাংগঠনিক বন্দোবস্ত করা হয় তার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের দুই ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি বিনোদ তাওড়ে এবং দুষ্মন্ত গৌতমকে। জানা গিয়েছে নির্বাচন মিটতেই  জমি পুনরুদ্ধারে একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিজেপির। আসলে প্রত্যেকটি কর্মসূচির যাতে সঠিক বাস্তবায়ন হয় তা সুনিশ্চিত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে কর্মসূচি ভিত্তিক এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।   

    তৃতীয়বার মোদি (PM Modi) সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য এবার ভোটারদের অভিনন্দন জানাতে দেশব্যাপী ‘মতদাতা অভিনন্দন যাত্রা’ শুরু করতে চলেছে বিজেপি। রাজ্যভিত্তিক অভিনন্দন যাত্রার পাশাপাশি আয়োজিত হবে অভিনন্দন সমারোহ। কর্মসূচিতে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচারের পাল্টা ন্যারেটিভ তুলে ধরাই লক্ষ্য। প্রত্যেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে তাঁর সংশ্লিষ্ট রাজ্যে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভিনন্দন জানানো হবে। দেশব্যাপী এই কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবেন বিজেপির ন্যাশনাল জেনারেল সেক্রেটারি সুনীল বনশল।

    আরও পড়ুন: দুই গাড়ির চালকের কাছে ছিল ‘কাগুজে অনুমতি’! তবে কার ভুলে এমন বিপদ?

    রয়েছে একাধিক কর্মসূচি (Mann ki Baat) 

    একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা স্মরণ করতে ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করছে বিজেপি। ‘এক পেড় মা কে নাম’ কর্মসূচিতে এই বৃক্ষরোপণ করা হবে। কর্মসূচির দায়িত্বে থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ রাধামোহন দাস এবং আরএএস নেতা অরবিন্দ মেনন। তবে এর আগে ২১ জুন সরকারি উদ্যোগে পালিত হবে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। সারাদেশে বিজেপি নেতাকর্মীদের এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে। এরপর ২৫ জুন পালিত হবে ‘আপৎকাল কা কালা দিবস’। এমার্জেন্সির সময় যাঁরা জেলবন্দি ছিলেন, এমন জীবিত ব্যক্তিদের বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করবেন বিজেপি নেতারা।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share