Tag: bjp

bjp

  • Raju Bista: দার্জিলিংয়ে বিজয়রথ বিজেপির, প্রায় দুলক্ষ ভোটে জয়ী হলেন রাজু বিস্তা

    Raju Bista: দার্জিলিংয়ে বিজয়রথ বিজেপির, প্রায় দুলক্ষ ভোটে জয়ী হলেন রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং বিজেপিকে চায়। এবারের লোকসভা নির্বাচনের রেজাল্টে সেটাই প্রমাণ করল। পরপর চারবার দার্জিলিং আসনে জিতল বিজেপি। পরপর দু’বার জিতলেন রাজু বিস্তা (Raju Bista) । এবার রাজু বিস্তা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫২৫ ভোট জয়ী হয়েছেন। আর তার এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে আর একটি দিক উঠে এল, যে পাহাড়ের রাজনীতিতে বিমল গুরুঙ্গ এখনও প্রাসঙ্গিক।

    উন্নয়নের জয় (Raju Bista)

    এই জয় দার্জিলিং কেন্দ্রের পাহাড় ও  সমতল মানুষের জয়,  উন্নয়নের জয় বলে জানিয়েছেন রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ উন্নয়ন চায়। সে কারণেই এখানে মানুষ বিজেপিকে জিতিয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো সামান্য ভাতার ওপর ভরসা করেনি। এখানকার মানুষ সচেতন বলেই তাঁরা এই সাহস দেখিয়েছেন। তাঁদের শ্রদ্ধা করি। এতে আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। গত লোকসভা নির্বাচনে চার লাখেরও বেশি ভোটেন ব্যবধানে জিতেছিলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। এবার তার লড়াই কঠিন ছিল। ব্যবধান কমবে জানতেন রাজু বিস্তা (Raju Bista)। পাহাড়ের শাসকদল অনিত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতন্ত্রের মোর্চার সঙ্গে জোট করে লড়েছিল তৃণমূল। অনিত থাপার কাঁধে ভর দিয়ে পাহাড়ের বিপুল ভোটে লিড পাওয়ার আশায় ছিল তৃণমূল। এর পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী মুণিশ তামাংকে পাহাড়ে অজয় এডওয়ার্ডের দল হামরো পার্টি সমর্থন করোছিল। তার থেকেও বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কার্শিয়াং বিজেপির বিধায়ক বিষ্ণু প্রসাদ শর্মার নির্দল প্রার্থী হওয়া। এতে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে এবার পাহাড়ের ভোট ভাগাভাগি হবে। তাতে রাজু বিস্তার ব্যবধান কমবে। এতকিছুর পরেও রাজু বিস্তা পাহাড় থেকে প্রায় এক লক্ষ ভোটে লিড পেয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেসকে তারা চায় না। পাহাড়ের মানুষ উন্নয়নের জন্য বিজেপিকেই ভরসা করে। 

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-সন্দেশখালিতে বিজেপির জয়, নত মস্তকে প্রণাম জানালেন শুভেন্দু

    অনিতের চাপ বাড়াল বিমল গুরুঙ্গ

    অনিত থাপা জিটিএর দায়িত্বে রয়েছেন। দার্জিলিং পুরসভাও তাঁর দখলে। পাহাড়ের পঞ্চায়েতও অনিত থাপার দলের দখলে। সব মিলিয়ে পাহাড়ে অনিত থাপাই শেষ কথা হয়ে উঠেছিলেন। বিমল গুরুঙ্গ পাহাড়ের রাজনীতি থেকে হারিয়ে গিয়েছে, সেই প্রচারও ছিল। কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটে কালিম্পংয়ে রাজু (Raju Bista) ২৩৬৩২ ভোটে  লিড পেয়েছেন। দার্জিলিঙে ৩১৩৪৫, কার্শিয়াংয়ে ৩৮৫০৮ ভোটে লিড পেয়েছেন। এবার রাজু বিস্তাকে সমর্থন করেছিলেন বিমল গুরুঙ্গ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, পাহাড়ে অনিত থাপাকে পিছনে ফেলে রাজু বিস্তার লিড পাওয়ার ক্ষেত্রে বিমল গুরুংয়ের সমর্থন একটা ফ্যাক্টর। কার্যত বিমলের কাছে হেরে গেলেন অনিত থাপা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election Result: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    Lok Sabha Election Result: রেকর্ড গড়ল বিজেপি, বিরোধীশূন্য মধ্যপ্রদেশ পদ্মময়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে ঐতিহাসিক জয় বিজেপির। মঙ্গলবার অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election Result) ফল বের হলে দেখা যায়, এ রাজ্যের সবকটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। এর মধ্যে রয়েছে কংগ্রেসের শক্তঘাঁটি ছিন্দেওয়াড়াও। মধ্যপ্রদেশে লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ২৯টি। সবক’টিতেই বিজেপির কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন বিরোধীরা। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, ফগ্গন সিংহ কুলাস্তে এবং বীরেন্দ্র কুমার।

    বিপুল ভোটে জয় (Lok Sabha Election Result)

    অবিভক্ত মধ্যপ্রদেশে এরকম ফল হয়েছিল চল্লিশ বছর আগে, ১৯৮৪ সালে। সেবার ৪০টি আসনেই জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের মতে, ইন্দিরা হত্যার সহানুভূতির হাওয়ায় জিতেছিল কংগ্রেস (Lok Sabha Election Result)। পরে ভাগ হয় মধ্যপ্রদেশ। তার পর এই প্রথম রাজ্যের ২৯টি আসনেই ফুটেছে পদ্ম। এ রাজ্যে ১ থেকে ৫ লাখ ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থীরা জিতেছেন ২৬টি আসনে। ভিন্দ, গ্বয়ালিয়র এবং মোরেনা কেন্দ্রে পদ্ম ফুটেছে এক লাখের কিছু কম ভোটে। এ রাজ্যে চমকে দেওয়ার মতো ফল করেছেন ইন্দোরের শঙ্কর লালওয়ানি। তিনি জয়ী হয়েছেন ১১ লাখ ৭৫ হাজার ০৯২টি ভোটে।

    চোখ ধাঁধানো ফল বিদিশায়ও

    বিজেপি চোখ ধাঁধানো ফল হয়েছে বিদিশায়ও। এখানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পদ্ম-প্রার্থী শিবরাজ সিংহ চৌহান জিতেছেন ৮ লাখ ২১ হাজার ভোটে। খাজুরাহো, গুণা, ভোপাল এবং মান্দসাউরে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন পাঁচ লাখেরও বেশি ভোটে। এ রাজ্যে বিজেপির আরও একটি চোখ ধাঁধানো সাফল্য হল ছিন্দওয়াড়ার রাশ হাতে নেওয়া। ১৯৯৭ সালের পর এবার এই কেন্দ্রে ফুটল পদ্ম।

    এখানে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন বান্টি বিবেক সাহু। তিনি বিদায়ী সাংসদ নকুল নাথকে হারিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৬১৮ ভোটে। দীর্ঘদিন এই কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন কংগ্রেসের কমল নাথ। এবার দল প্রার্থী করেছিল তাঁর ছেলে নকুলকে। সেই নকুলকেই গোহারা হারিয়ে ছিন্দওয়াড়ার রাশ হাতে নিয়ে নিল বিজেপি।

    আর পড়ুন: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং ফগ্গন সিংহ কুলাস্তেও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে গুণা ও মান্ডলায়। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বহু শোভাযাত্রা-প্রচার-সমাবেশ এবং কৌশলের কাছে এ রাজ্যে পরাস্ত হয়েছেন বিরোধীরা (Lok Sabha Election Result)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    Delhi Lok sabha election: দিল্লিতে ৯০ শতাংশের বেশি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে লোকসভা (Delhi Lok sabha election) আসনের সংখ্যা মাত্র সাতটি। কিন্তু দেশের ক্ষমতায় থাকার জন্য রাজধানীতে নিজেদের অবস্থান ভালো রাখতে চায় যে কোনও রাজনৈতিক দলই। সে ধারাবাহিকতায় কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির (আপ) জোটকে পেছনে ফেলে এবারের লোকসভা ভোটে দিল্লির ৭ আসনেই জয়ী হল বিজেপি। দেশের বেশির ভাগ রাজ্যে ইন্ডি জোট ভালো ফল করলেও দিল্লিতে (Delhi) কিন্তু দাঁত ফোটাতে পারেনি তারা। ফলাফল এতটাই হতাশা জনক হয় যে ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। অর্থাৎ রাজধানীতে অবস্থান ধরে রাখার লড়াইয়ে এবার এগিয়ে গেল বিজেপি।  
    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি আসনের ১৬২ জনের মধ্যে ১৪৮ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত (security deposits) হয়েছে। এর মধ্যে চাঁদনি চক থেকে ২৩ জন, নিউ দিল্লি থেকে ১৫ জন, দক্ষিণ দিল্লি থেকে ২০ জন, পূর্ব দিল্লি থেকে ১৮ জন, পশ্চিম দিল্লি থেকে ২২ জন, উত্তর পূর্ব দিল্লি থেকে ২৬ জন এবং উত্তর পশ্চিম দিল্লি থেকে ২৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।    

    কী কারনে এই সিদ্ধান্ত? (Delhi Lok sabha election)  

    নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে, একজন প্রার্থীকে তাঁর জামানত রক্ষার জন্য নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটের কমপক্ষে এক-ষষ্ঠাংশ অর্থাৎ ১৬.৬৭ শতাংশ ভোট অর্জন করতে হবে। তা না হলে সাধারণের জন্য ২৫,০০০টাকা এবং তফসিলি জাতি প্রার্থীদের জন্য ১২,৫০০ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে। আসলে নির্বাচনী আইনে প্রার্থী হওয়াতে কোনও সংখ্যা বেঁধে দেওয়া নেই। তবে ইচ্ছামতো বা সখে প্রার্থী হওয়া আটকানোর একমাত্র উপায় হল, জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা অর্থ ফেরত না পাওয়া। এবার নির্বাচন কমিশনের সেই আইনেই দিল্লির ৯১ শতাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: উত্তরে ভারী বৃষ্টি আর দক্ষিণে চরম অস্বস্তি! আবারও ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ

    সাত আসনেই জয়ের ধারা অব্যাহত বিজেপির

    প্রসঙ্গত, এ বার দিল্লিতে (Delhi) ৪-৩ সমীকরণে আসন সমঝোতা হয়েছিল আপ এবং কংগ্রেসের মধ্যে। তা-ও আবার একেবারে শেষ মুহূর্তে। ছাড়বে না, ছাড়বে না করেও আপ শেষমেশ কংগ্রেসকে ৩টি আসন দিয়েছিল। আপ লড়েছিল ৪টি আসনে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল আপ এবং কংগ্রেস কেউই খাতা খুলতে পারল না। সবকটি আসনে (Delhi Lok sabha election) জয়ের ধারা অব্যাহত রাখল বিজেপিই।
    উল্লেখ্য, সাতটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের (Delhi Lok sabha election) মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিজেপি, দ্বিতীয় স্থানে ইন্ডি জোট আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন বিএসপির প্রার্থীরা। ১৪ জন বিজয়ী এবং দ্বিতীয় স্থানাধিকারী ছাড়া অন্য প্রার্থীদের কেউই ২০,০০০ ভোটের সংখ্যা অতিক্রম করতে পারেনি। চাঁদনি চক থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী অশোক কুমার গুপ্ত মাত্র ১৪০ ভোট পান, যা সাতটি আসনে ভোটের সংখ্যার মধ্যে সর্বনিম্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election Result: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    Lok Sabha Election Result: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election Result) ফল। এবার সরকার গড়ার তোড়জোড় করছে এনডিএ। আজ, বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উপস্থিত থাকবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেডের নীতীশ কুমারও। বিহারে লোকসভার আসন ৪০টি।

    কী বলছেন এনডিএ-র শরিকরা?

    তার মধ্যে নীতীশের দলের ঝুলিতে গিয়েছে ১২টি। পদ্ম ফুটেছে ১২টি কেন্দ্রে। রামবিলাস পাশোয়ানের লোক জনশক্তি দলের প্রধান চিরাগ পাশোয়ান জানান, তাঁর দলও যোগ দেবেন দিল্লিতে আয়োজিত এনডিএর বৈঠকে (Lok Sabha Election Result)। তিনি বলেন, “তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। তিনি দেশকে নিয়ে যাবেন এক নয়া উচ্চতায়। উন্নয়ন নিয়ে যেসব প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন, তা-ও পূরণ করবেন।” জন সেনা পার্টি সুপ্রিমো পবন কল্যাণ বলেন, “আমরা এনডিএ-র প্রতি পুরোপুরি দায়বদ্ধ। চন্দ্রবাবু নাইডু এনডিএতে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবনা চিন্তা করার জায়গাই নেই।”

    টিডিপির জয়জয়কার

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপির ঝুলিতে গিয়েছে ১৬টি আসন। জন সেনা পার্টির হাতে রয়েছে দুই কেন্দ্রের রশি। পদ্ম ফুটেছে তিনটি কেন্দ্রে। গত বার ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছিল ২২টি আসন। এবার সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪টিতে। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানেও জয়জয়কার টিডিপির। চন্দ্রবাবু নাইডুর দলের ঝুলিতে এসেছে ১৩৫টি আসন। পবন কল্যাণের জন সেনা পেয়েছে ২১টি আসন। বাকিরা পেয়েছে ১৭৫টি কেন্দ্রের রাশ। এই বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছে ৮টি আসন।

    আর পড়ুন: নীতীশ এনডিএতেই, বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন দিল্লিও, জানিয়ে দিল দল

    এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে পেয়েছে ২৪০টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। জেডিইউ, টিডিপি এবং জন সেনা-সহ এনডিএ-র বাকি দলগুলি মিলিয়ে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২৯২টি আসন। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই জিতেছিল ৩০৩টি আসনে। সেবার বিজেপি এবং এনডিএ-র সম্মিলিত আসন সংখ্যা ছিল ৩৫৩টি। ২০১৪ সালে বিজেপি এককভাবে পেয়েছিল ২৮২টি আসন। এনডিএ পেয়েছিল ৩৩৬টি আসন (Lok Sabha Election Result)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: “পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি”, ভোটে হেরে বললেন দিলীপ ঘোষ

    Election Result 2024: “পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি”, ভোটে হেরে বললেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই বার বিজেপির ঝুলিতে এসেছিল ১৮টি আসন। এইবারে ২০২৪ সালে নিজের জেতা কেন্দ্র মেদিনীপুর ছেড়ে বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্রের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের কাছে ভোটে হেরেছেন (Election Result 2024) তিনি। বিজেপি পেয়েছে ১২টি আসন। নিজে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমি লড়াই করেছি, পরিশ্রম করেছি, সফল হতে পারিনি।” অপরে বর্তমান বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “পার্টির মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করব। রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায় তো আমারই। কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্যই হয়তো হেরে গেলেন দিলীপদা।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Election Result 2024)?

    নিজের কেন্দ্রে লোকসভা ভোটে হেরে (Election Result 2024) গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যখন বিজেপিতে আসি তখন পার্টি নতুন ছিল, আমি নতুন ছিলাম। কিন্তু পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এখন সারা ভারতে বিজেপির ফল খারাপ হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সামনে ছিলেন, তাঁর ফলও আগের মতো ভাল হয়নি। আমি লড়াই করেছি, পরিশ্রম করেছিল। সফল হতে পারিনি, এটাই বলব। রাজনীতিতে ওঠানামা চলতে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টি কোথায় ছিল, নীচে চলে গিয়েছিল। আবার উঠে দাঁড়িয়েছেন, সরকারও গঠন করেছেন। লোকসভায় হেরেছেন, আবার উঠেছেন। আপডাউন মেনে নিতে হবে। বিশ্লেষণ করতে হবে। তবে পার্টির ভূমিকা থাকে। কিন্তু কার ভূমিকা ছিল আমি জানি না। পার্টি বলেছে আমি শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মী। আমাকে পার্টি নির্বাচনে লড়াই করতে বলেছে। আমি লড়াই করেছি।”

    আরও পড়ুনঃপুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    কী বললেন সুকান্ত

    বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট কেন্দ্রের জয়ী সাংসদ বিজেপির ফলাফল (Election Result 2024) নিয়ে বলেছেন, “পার্টির মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করব। রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায় তো আমার রয়েছে। তবে সব সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারিনি। কিন্তু দায় তো আমাকেই নিতে হবে। আমি পিছু পা হব না। সিদ্ধান্ত হয়তো অন্য কেউ নেবে। তবে দায় আমাকেই নিতে হবে। আমার বিশ্বাস ছিল দিলীপদা জিতে যাবেন। তিনি আমাদের সকলের নেতা। আমরা সকলকে শ্রদ্ধা করি। তাঁর কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্যই হয়ত হেরে গেলেন।” আবার নিশীথ প্রমাণিকের হার সম্পর্কে বলেছেন, “কোনও কারণে হয়তো হেরে গিয়েছেন, তবে ভেবে ছিলাম জয়ী হবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না, বালুরঘাটে জয়ী হলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্গণনা ধোপে টিকল না। বালুরঘাটে জয়ের ধারা বজায় রাখল বিজেপি। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হলেন। যদিও তাঁর এই জয় নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত প্রচুর টালবাহানা হয়েছে। তৃণমূলের নির্দেশ মেনে ফের গণনা হয়েছে। তবে, শেষ হাসি হেসেছেন সুকান্ত।

    পুনর্গণনার পরও জয়ী হলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার বালুরঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সারাদিন চলছিল হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। মোট ১৮ রাউন্ড গণনা হয়েছে। ১৮ রাউন্ড গণনা শেষে ১০ হাজার ৩৮৬  ভোটে এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। প্রশাসন থেকে প্রার্থীদের ভোটের সংখ্যা ঘোষণা করেন। তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৫৬৪৬১০। আর বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৫৭৪৯৯৬ । রাত এগারোটার পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার ২৫টি বুথে পুনর্গণনা চেয়েছিল তৃণমূল। সেখানে দশটা বুথে পুনর্গণনা শুরু হয়। তৃণমূলের দাবি, এই বিধানসভা এলাকায় ভালো ফল করেছেন তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। রাত এগারোটার পর শুরু হয় পুনর্গণনা। রাত প্রায় দেড়টার দিকে জয়ী ঘোষণা করা হয় বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারকে। সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। কাউন্টিং সেন্টার ছাড়ার আগে তিনটি বিধানসভা এলাকার সমস্ত ইভিএম পরীক্ষা করার দাবি তোলেন তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। সুকান্ত মজুমদার জয়ের পর কাউন্টিং সেন্টার থেকে বেরিয়ে এই জয়কে জেলার মানুষের উদ্দেশ্যে সমর্পণ করেন।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রাম-সন্দেশখালিতে বিজেপির জয়, নত মস্তকে প্রণাম জানালেন শুভেন্দু

    বালুরঘাটে আরও উন্নয়ন করব

    সুকাম্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) জয়ের পর আবির খেলে ও বাজি ফাটিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। জয়ের পর সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি আগেই বলেছিলাম আমি জিতব। আর জিতলামও। আমার এই জয় জেলার মানুষের জন্য। আমার জয় দেখে তৃণমূল পুনর্গণনা করেন। গভীর রাত পর্যন্ত পুনর্গণনা হবার পরও আমি ১০ হাজার ৩৮৬  ভোটে জয়ী হয়। আমি আমার এই লোকসভাতে আরও উন্নয়ন করব।

    ইভিএমে কারচুপি!

    এই বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র বলেন, রাজনীতিতে হার জিত থাকবে। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে তপন, গঙ্গারামপুর, বালুরঘাট এই তিনটি বিধানসভার ইভিএম পরীক্ষা করার দাবি তুলছি। আমার মনে হয়, এই ইভিএমগুলিতে কোনও কারচুপি করে রেখেছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: নীতীশ এনডিএতেই, বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন দিল্লিও, জানিয়ে দিল দল

    Nitish Kumar: নীতীশ এনডিএতেই, বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন দিল্লিও, জানিয়ে দিল দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ-র সঙ্গেই থাকছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। মঙ্গলবার নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডের তরফেই একথা জানানো হয়েছে। কেবল তা-ই নয়, বুধবার দিল্লিতে রয়েছে এনডিএর বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেবেন নীতীশ স্বয়ং। ৪ জুন ঘোষণা হয়েছে লোকসভা নির্বাচনের ফল। তাতেই জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ।

    এনডিএ শিবিরে ফিরেছেন নীতীশ (Nitish Kumar)

    লোকসভা নির্বাচনের মাস কয়েক আগেই কংগ্রেস-আরজেডি-র সঙ্গে গাঁটছড়া ছিন্ন করে এনডিএ শিবিরে ফিরেছেন নীতীশ। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ ভালো ফল করলেও, খুব বেশি পিছিয়ে নেই বিজেপি-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’। তার পরেই জল্পনা ছড়ায়, ফের একবার ভোল বদলে ‘ইন্ডি’ জোটে ফিরে যেতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। শেষমেশ সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিলেন (Nitish Kumar) জেডিইউ নেতৃত্ব। নীতীশের দলের মুখপাত্র কেসি ত্যাগী বলেন, “আমরা আমাদের পূর্বনির্ধারিত অবস্থান অনুযায়ীই চলব। নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে জেডিইউ আরও একবার এনডিএকে সমর্থন করবে। আমরা এনডিএ-র সঙ্গেই রয়েছি, এনডিএ-র সঙ্গেই থাকব।” 

    কী বললেন নীতীশের মন্ত্রী?

    জেডিইউ-এর মন্ত্রী জামা খান বলেন, “যেহেতু নীতীশ কুমার সব সময় বিহারবাসীর কথা ভাবেন, তাই এ বিষয়ে (শিবির বদলানো) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তিনিই। আমাদের নেতা যা সিদ্ধান্ত নেন, আমরা তা সমর্থন করি এবং শ্রদ্ধা করি।” নীতীশের আর এক সতীর্থ মন্ত্রী মদন সাহনি বলেন, “আমরা এনডিএ-র সঙ্গেই রয়েছি। কেন্দ্রে আমরাই সরকার গড়ব।” প্রসঙ্গত, বিহারে লোকসভার আসন রয়েছে ৪০টি। এর মধ্যে, ১০টিতে বিরোধীরা এগিয়ে বা জয় পেয়েছেন। বাকি ৩০টি আসনেই জয়ী হয়েছেন এনডিএ প্রার্থীরা। বিজেিপি ও জেডিইউ ১২টি করে আসন পেয়েছে। শরিক এলজেপি ৫টি এবং জিতনরাম মাজির হাম পার্টি একটি আসন দখল করেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষাও জানিয়েছিল, বিহারে এনডিএ পেতে পারে ৩০টি আসন। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপি জিতেছিল ৩৯টি কেন্দ্রে।

    আর পড়ুন: পর পর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে মোদি, বিশ্ব নেতাদের শুভেচ্ছা বার্তা

    আসন বণ্টন ফর্মুলা মেনে বিহারে বিজেপি লড়েছিল ১৭টি আসনে, নীতীশের দল জেডিইউ লড়েছিল ১৬টি আসনে, পাঁচটি আসনে লড়েছিলেন রামবিলাস পাশোয়ানের লোক জনশক্তি। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা প্রত্যেকে পেয়েছে একটি করে কেন্দ্রের রাশ। এদিকে, ‘ইন্ডি’ জোটের শরিক আরজেডি প্রার্থী দিয়েছিল ২৩টি আসনে, ভিআইপি (রাজনৈতিক দল) দিয়েছিল পাঁচটি কেন্দ্রে প্রার্থী, ৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস এবং বাকি পাঁচটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলেন বামেরা (Nitish Kumar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ranaghat: রানাঘাটে ফের বাজিমাত করল বিজেপি, জগন্নাথ জয়ী হতেই উল্লাসে মেতে উঠলেন দলীয় কর্মীরা

    Ranaghat: রানাঘাটে ফের বাজিমাত করল বিজেপি, জগন্নাথ জয়ী হতেই উল্লাসে মেতে উঠলেন দলীয় কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে বিজেপি পুনরায় পরাজিত হলেও জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলেন নদিয়ার রানাঘাট (Ranaghat) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। এদিন সকালে প্রথম থেকেই বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন। পরে, কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও জগন্নাথ ফের তৃণমূল প্রার্থীর থেকে এগিয়ে যায়। কয়েক রাউন্ডের পর থেকে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের ব্যবধান ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাত সাড়ে নটা পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি এগিয়েছিলেন।

    আবির খেলায় মেতে উঠলেন বিজেপি কর্মীরা (Ranaghat)

    রানাঘাট (Ranaghat) কেন্দ্র নিয়ে দীর্ঘ জল্পনা চলছিল। একদা বিজেপির বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী দল ছাড়ার পর তৃণমূল তাঁকে রানাঘাট কেন্দ্রে জগন্নাথের বিরুদ্ধে প্রার্থী করে। মতুয়া সমাজের আধিপত্য রয়েছে মুকুটমণির ওপর। সেই কারণেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল, গত বছরের তুলনায় এ বছর রানাঘাট কেন্দ্রে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হবে। এই আসন নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা ছিল। তবে, ভোটের কয়েকদিন আগে তৃণমূল প্রার্থীর স্ত্রী বিজেপিতে যোগ দিয়ে জগন্নাথ সরকারকে জয়ের পক্ষে সওয়াল করেন। কিন্তু, সব জল্পনা উড়িয়ে আবারও গেরুয়া আবিরে মেতে উঠল রানাঘাট লোকসভা এলাকা। এদিন জয়ের পর দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এলাকায় মিছিল করেন। কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতড়ণ করা হয়।

    আরও পড়ুন: তমলুকে জয়ী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কাঁথিতেও ফুটল পদ্ম, ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের

    সাধারণ মানুষকে উৎসর্গ করলেন জয়

     এ বিষয়ে রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, এই জয় সাধারণ মানুষের জয়। এই জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জয়। তৃণমূল গোটা রাজ্য জুড়ে যে লাগাম ছাড়া দুর্নীতি করেছে, সেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের মানুষ রায় দিয়েছেন। তাই, আমি মানুষকে এই জয়ের কারণ হিসেবে করজোড়ে প্রণাম জানাই। পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে প্রার্থী তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁকে সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। গত পাঁচ বছরে যে উন্নয়ন আমি গোটা লোকসভা কেন্দ্রে করেছি, আগামী পাঁচ বছরও মানুষের জন্য কাজ করে যাব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: শুভেন্দু-গড় তমলুক-কাঁথিতে ফুটল পদ্ম, জিতলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমেন্দু অধিকারী

    Election Result 2024: শুভেন্দু-গড় তমলুক-কাঁথিতে ফুটল পদ্ম, জিতলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সৌমেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে তমলুক কেন্দ্রে ৬২ হাজার ভোটে জয়ী (Election Result 2024) হয়েছেন বিজেপির চমকপ্রদ প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সকাল থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে একবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ওপর দিকে কাঁথি কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জয়ী সৌমেন্দু অধিকারী। তিনি প্রায় ২৪ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    অভিজিৎকে জয়ী করেছেন তমলুকবাসী (Election Result 2024)

    এমনিতেই পূর্ব মেদিনীপুর ‘অধিকারী গড়’ বলে পরিচিত ছিল। এই কেন্দ্রে হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Election Result 2024) প্রার্থী করে বিরাট নজর কেড়ে নিয়েছিল বিজেপি। তাঁর গুরুত্বপূর্ণ রায়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতির বিরাট পর্দা ফাঁস হয়েছিল। তাঁর দেওয়া নির্দেশে তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্থ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা জেলে ঢুকেছেন। দুর্নীতি বিষয়ে সরব হয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। দুর্নীতির বিষয়ে সংগ্রাম আরও কঠোর করতে নিজের বিচারপতির পদ থেকে পদত্যাগ করে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে যোগদান করেন। তমলুকবাসীর ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। ওপর দিকে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য। 

    আরও পড়ুনঃবনগাঁয় জয় নিশ্চিত হতেই শান্তনুকে ঘিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    কাঁথিতে জয়ী সৌমেন্দু

    কাঁথি লোকসভায় ২০১৯ সালের জয়ী প্রার্থী ছিলেন শিশির অধিকারী। কিন্তু শুভেন্দু ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তারপর থেকে সমীকরণ বদলে যায়। শিশির অধিকারী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ইস্যুতে তোপ দেগেছেন। এই বার লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী করা হয় শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। ভোটের আগে এই কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল বিজেপি কর্মীদের। কিন্তু শত চেষ্টা করেও জয় আটকানো গেল না। একই ভাবে আজ সাংবাদিক সম্মেলন করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নন্দীগ্রামে আরও একবার তৃণমূলকে কয়েক হাজার ভোটে হারিয়েছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: গণনা কেন্দ্রে অর্জুনের ওপর হামলা, জয়ের পর তান্ডব তৃণমূলের,  ১০০টি বাড়ি ভাঙচুর

    Arjun Singh: গণনা কেন্দ্রে অর্জুনের ওপর হামলা, জয়ের পর তান্ডব তৃণমূলের, ১০০টি বাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জয়ী হওয়ার পর বারাকপুর জুড়ে তান্ডব শুরু করল তৃণমূল। বীজপুর, ভাটপাড়া সহ একাধিক বিধানসভায় প্রায় ১০০টি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ খোদ বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh)। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

    গণনা কেন্দ্রের ভিতরে অর্জুনের গায়ে হাত তুললেন এক তৃণমূল কর্মী (Arjun Singh)

    বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে এক সময় অর্জুন সিং (Arjun Singh) ছিলেন শেষ কথা। ২০১৯ সালে মোদি হাওয়ার সঙ্গে অর্জুন সিংয়ের ব্যক্তিগত ক্যারিশমার জোরে তৃণমূলের দখলে থাকা বারাকপুর লোকসভা ছিনিয়ে নিয়ে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে অর্জুন ফের বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন। এবার নির্বাচনের দিন কাঁচরাপাড়া বনি নামে এক তৃণমূল কর্মীর সঙ্গে অর্জুন বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অর্জুনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী। এদিন গণনা কেন্দ্রে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন অর্জুন। পরে, গণনা কেন্দ্রের ভিতরে অর্জুনের সঙ্গে তৃণমূল নেতা সনৎ দে-র বচসা বাধে। পরে, তৃণমূল কর্মী বনি অর্জুনকে গালে চড় মারে বলে অভিযোগ। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, পরাজয় নিশ্চিত জেনে অর্জুন গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন।

    আরও পড়ুন: গণনার আগে বারাকপুরে গণনাকেন্দ্রে বিজেপি-তৃণমূল ধস্তাধস্তি, ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ

    কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর নিয়ে সরব অর্জুন

    এদিন জয় নিশ্চিত হওয়ার পর তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত যার মাথায় রয়েছে, তিনি হলেন সিংহ। আর যার মাথা থেকে তৃণমূল নেত্রী হাত তুলে নিয়েছেন, তিনি নেংটি ইঁদুরে পরিণত হয়েছেন। বন্ধু অর্জুন কে বলব ঠিক পথে চলতে। অর্জুন সিং (Arjun Singh) এদিন বলেন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আমার চোখে পড়েনি। ভোটে জয়ের পরেই তৃণমূল তাণ্ডব শুরু করেছে। বীজপুর, ভাটপাড়া সমস্ত এলাকায় প্রায় ১০০ জন দলীয় কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টা দেখার জন্য বলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share