Tag: bjp

bjp

  • South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: অভিষেকের গড়ে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ডায়মন্ড হারবার লোকসভায় বিজেপি কর্মীদের ওপর বেলাগাম সন্ত্রাস শুরু করেছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর করার পাশাপাশি মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়। আর ধর্ষণ করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) ডায়মন্ড হারবার লোকসভার বিষ্ণুপুর থানার আন্ধারমানিক গ্রাম পঞ্চায়েতের আলতা বেরিয়া গ্রামে। ভোটের আগে অভিষেকের গ়়ড়ে এই ধরনের ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব প্রশ্ন সুলতে শুরু করেছে।

    বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত তৃণমূল (South 24 Parganas)

    ডায়মন্ড হারবার (South 24 Parganas) লোকসভার বিষ্ণুপুর থানার আন্ধারমানিক গ্রাম পঞ্চায়েতের আলতা বেরিয়া গ্রামে বিজেপির ভাল সংগঠন রয়েছে। বিজেপির করার অপরাধে বেছে বেছেই বিজেপির কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে মদ্যপ অবস্থায় তৃণমূলের লোকজন চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের একাধিক বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ধর্ষণ করার হুমকি দেয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূলের লোকজন। এলাকায় বিজেপি করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয়। আমরা প্রতিবাদ করলেই ওরা বাড়ি ভাঙচুর করে। এই এলাকায় আমাদের ৬টি বাড়ি ভাঙচুর করেছে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করেছে। হামলার ঘটনার পর আমরা চরম আতঙ্কিত। শনিবার আমাদের সঙ্গে দেখা করতে দলীয় প্রার্থী এসেছিলেন। সমস্ত বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    শুরু হয়েছে রাজৈনৈতিক তরজা

    বিজেপির প্রার্থী অভিজিত দাস (ববি) বলেন, মোট আটটি বাড়িতে এমন ঘটনা ঘটেছে। ৬টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশন অভিযোগ জানিয়েছি। এরপর এছাড়াও তিনি চাঁচাছোলা ভাষায় বলেন, ডায়মন্ড হারবারের (South 24 Parganas) বুক থেকে ভাইরাসকে হটাতে হবে। এখানে যে যেই দল করুক তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে দিতে হবে। এসব সন্ত্রাস আমরা মেনে নেব না। স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিন্টু সর্দার বলেন, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল জড়িত নই। বিরোধীরা মিথ্যা অভিযোগ করে রাজনৈতিক ফয়দা তোলার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যে তৃতীয় দফা নির্বাচনে ফের প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা অমিত শাহ। এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের আসনে আগামী ৫ মে রাজ্যে এসে প্রথমে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন। এরপরের দিন ৬ তারিখ সোমবার এই কেন্দ্রে সভা করবেন। তবে ওই দিন কৃষ্ণনগরে রানিমা অমৃতা রায়ের সমর্থনে রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। ভোট প্রচারে বিজেপি ব্যাপক তৎপর। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে একাধিকবার তৃণমূল শাসনের দুর্নীতি এবং সন্দেশখালি ইস্যুতে তোপ দেগেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। 

    বর্ধমানে সভা করবেন অমিত শাহ (Lok Sabha Election 2024)

    গতকাল শুক্রবার বর্ধমানে রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সমর্থনে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে জয়ী করুন। তাঁকে একটা ভোট মানে হল মোদিকে ভোট দেওয়া।” এবার মোদির সভার পরেই আবার অমিত শাহের সভা। ফলে এই কেন্দ্রকে হাত ছাড়া করতে নারাজ বিজেপি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভাকে ঘিরে যে সাধারণ মানুষের মনে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে সেই বিষয়ে বিজেপি জয় নিশ্চিত মনে করছে।

    আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে তমলুকে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল গোটা শহর

    কৃষ্ণনগরে রোড শো করবেন অমিত শাহ

    একই ভাবে গতকাল নদিয়ায় (Lok Sabha Election 2024) সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের জন্য মানুষের কাছে ভোট চান। কিন্তু মাত্র তিন দিন পরেই আবার কৃষ্ণনগরে যাচ্ছেন অমিত শাহ। বাংলার কোনও আসন যে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমনটা কেন্দ্রীয় নেতার মনে করেন না। তাই প্রত্যকে দফা নির্বাচনের আগে প্রচারে নেমে পড়েছেন মোদি, অমিত শাহ। আগামী ১০ মে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের রাজ্যে আসবেন। তিনি রানাঘাট, বীরভূম, এবং হাওড়ায় সভা-রোড শো করবেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলা থেকে বেশি সংখ্যায় আসনে যাতে বিজেপি জয়ী হয় সেই বিষয়কে মাথায় রেখে নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের মন জয় করতে ব্যাপক প্রস্তুতি লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল তমলুক

    Abhijit Ganguly: শুভেন্দুকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা করলেন অভিজিৎ, জনজোয়ারে ভাসল তমলুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) মনোনয়নে জনজোয়ারে ভাসল গোটা শহর। তমলুকের রাজ ময়দান থেকে হাসপাতাল মোড় পর্যন্ত তিন কিলোমিটারের পদযাত্রা করতে দেখা গিয়েছে বিজেপি কর্মী সমর্থদের। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য, ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন দাখিল করলেন এই বিজেপি প্রার্থী।

    কী বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)?

    মনোনয়ন জমা করতে গিয়ে অভিজিৎবাবু (Abhijit Ganguly) বলেন, “অসম্ভব একটা জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, একটা স্রোত তৈরি হয়েছে। এই স্রোতে তৃণমূলকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। মানুষ ৩৪ বছর যে ভুল করেছেন সেই ভুল আর করবেন না। মানুষ আমাদের সঙ্গে আছেন।” অপর দিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সকল ভোটারদের কাছে বিজেপির জন্য ভোট চাইলেন। সন্দেশখালির অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষকে ভোট প্রদানের জন্য আহ্বান জানালেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে বিজেপির জন্য ভোটারদের কাছে ভোট প্রদানের জন্য আবেদন করলেন। 

    বিজেপির দাবি

    তমলুক জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, লোকসভার ভোটে দুই লক্ষের বেশি ভোটে অভিজিৎবাবুর (Abhijit Ganguly) জয় নিশ্চিত হবে। এই রাজ্যে বিজেপি জয়ী হলে শিল্পায়ন হবে। রাজ্যে মানুষের কর্ম সংস্থান হবে। গোটা তমলুক শহর এখন গেরুয়া হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল এখন বামেদের অক্সিজেন দিচ্ছে। বিজেপির ভোট কাটতে সিপিএমকে কাজে লাগানো হচ্ছে। ২৫ মে ষষ্ঠ দফা নির্বাচনে ভোট হবে এই কেন্দ্রে।”

    আরও পড়ুনঃটেস্টে খারাপ ফলে বকা খেয়েছিল শিক্ষকের, মনের জেদেই দশম স্থানে নীলাঙ্কন

    তৃণমূল দুষ্কৃতীদের আক্রমণ

    প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) মনোনয়নকে ঘিরে ব্যাপক তুলকালাম বাধে আজ তমলুকে। ইতিমধ্যে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল সমর্থিত চাকরি হারাদের একাংশ মঞ্চ করে ধরনা প্রদর্শন চলছিল শহরে। আজ বিজেপি প্রার্থী মনোনয়ন দিতে গেলে তৃণমূল সমর্থকেরা এই মঞ্চ থেকে চোর চোর শ্লোগান দেয় এবং সেই সঙ্গে জুতো দেখায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাল্টা বিজেপি কর্মীরাও চোর চোর স্লোগান দেয়। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে হয় বচসা। এরপর মুহূর্তেই পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠে। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের চাকরি চোরেরা এই গোলমালের পিছন থেকে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    Murshidabad: প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” মন্তব্য হুমায়ুনের, শক্তিপুর থানায় এফআইআর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী জনসভায় প্রকাশ্যে “হিন্দু বিরোধী” বক্তব্য রেখেছিলেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সেই ভিডিও রাজ্যজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। খোদ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গ সফরে এসে তৃণমূল বিধায়কের ওই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। এবার “হিন্দু বিদ্বেষমূলক” মন্তব্য করার অভিযোগে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছিলেন হুমায়ুন?

    পয়লা মে সন্ধ্যায় শক্তিপুরের তৃণমূলের নির্বাচী সভায় হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা যায়, ‘২ ঘণ্টার মধ্যে যদি তোমাদের ভাগীরথীতে না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো, ৩০ শতাংশ লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ। এখানে কামনগরে তোমরা বেশি আছো বলে কাজিপাড়ার মসজিদ ভাঙবে? আর বাকি এলাকায় মুসলিম ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনও দিন হবে না, বিজেপিকে আমি বলছি’।

    বাংলায় হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক করে রেখেছে তৃণমূল

    গত ১ মে সন্ধ্যার ওই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে শুক্রবার ভোটপ্রচারে রাজ্যে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘আমি কাল টিভিতে দেখলাম, এখানে বাংলায় তৃণমূলের এক বিধায়ক প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তিনি বলছিলেন, হিন্দুদের ২ ঘণ্টায় ভাগীরথিতে ভাসিয়ে দেব। এটা কী ধরণের ভাষা? কী ধরণের রাজনৈতিক সংস্কৃতি? হিন্দুদের ভাসিয়ে দেবে? সত্যিই, কী হাল হয়েছে! বাংলায় হিন্দুদের সঙ্গে কী হচ্ছে? মনে হচ্ছে বাংলায় হিন্দুদের তৃণমূলের সরকার দ্বিতীয় স্তরের নাগরিক করে রেখেছে’।

    হুমায়ুনের ভিডিও শেয়ার করে ট্যুইট করেছেন অমিত মালব্য

    হুমায়ুন কবীরের ভিডিও শেয়ার করে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লেখেন, “শক্তিপুরে বুথ ওয়ার্কার সম্মেলনে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দু’ঘণ্টার মধ্যে আমি যদি বিজেপিকে ভাগীরথী নদীতে না ফেলতে পারি, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি তোমাদের শক্তিপুর এলাকায় থাকতে দেব না (এই এলাকার বেশিরভাগ হিন্দুরাই উদ্বাস্তু। ধর্মীয় উৎপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। মুর্শিদাবাদে হিন্দুরা হলেন সংখ্যালঘিষ্ঠ। মাত্র ২৮%। আর তাঁদের এসব কথা বলা হচ্ছে। তাহলে ভাবুন যদি গোটা বাংলায় তাঁরা সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়ে যান, তাহলে তাঁদের সঙ্গে কী হবে। পশ্চিমবঙ্গে তোষণের রাজনীতি এখন আরও নীচে নেমে গিয়েছে। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকদের থেকেও খারাপ দশা বাংলার হিন্দুদের। এই বিধায়ককে দল থেকে বের করে দেওয়ার সাহস কি উনি দেখাবেন? যে সকল বুদ্ধিজীবীরা নিয়মিত হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগড়ান, তাঁরা কি এবার একটাও শব্দ বলবেন?”

    </


    >

    হুমায়ুনের নামে শক্তিপুর থানায় অভিযোগ বিজেপির

    বিজেপির তরফে অভিযোগ দায়ের করেছেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুল বিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছেন, “গত ১ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটতে পারে। তিনি ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগীরথীতে ফেলে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। তাই অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিতে রেকর্ড করেছে। শুক্রবার বোলপুরে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহা ও বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে এসে রাজ্যের শাসক দলকে এভাবেই তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়েও তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্দেশখালি যে ঘটনা ঘটেছে তা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা সবকিছু জানত।

    ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল (Narendra Modi)

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজি চলতে দেব না। এটা মোদীর গ্যারান্টি। সমস্ত লুঠ, সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবেই। বাংলার বিকাশের জন্য সব বুথে বিজেপিকে জেতাতে হবে। প্রিয়া সাহা, দেবতনু ভট্টাচার্যকে জেতাতে হবে। তাঁরা যে ভোট পাবেন তাতে মোদির শক্তি বাড়বে। প্রতিটা ভোট মোদির খাতায় যাবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ তৈরি করে। তৃণমূল তাতেও দুর্নীতি করেছে। শিক্ষকদের চাকরি তো গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    দেশে তৃণমূল ১৫টি আসন, কংগ্রেস ৫০টি আসন পাবে!

    এদিন নদিয়ার তেহট্টের শ্যামনগরে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায় ও রানাঘাটের দলীয় প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে উঠে প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য রাখেন মোদি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি (Narendra Modi) বলেন, গোটা দেশজুড়ে তৃণমূল ১৫টির বেশি আসন পাবে না। আর কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, কংগ্রেসের যা অবস্থা তাতে হাফ সেঞ্চুরি পার করতে পারবে না কংগ্রেস। সেই কারণে এ বছর একমাত্র সরকার গড়তে পারে বিজেপির এনডিএ সরকার। পাশাপাশি বাম মোর্চার লাল ঝান্ডা বিলীন হয়ে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার এলে দেশে আরও উন্নয়ন হবে। তৃণমূল যেভাবে তোলাবাজি করেছে আর মহিলাদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাতে এবার সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে সাজা দিতে চায়। গ্রাম কিংবা শহর সবাই একই কথা বলছে, এইবার মোদি সরকার। তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাটের সাধারণ মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছি, যেখানে যেখানে তৃণমূল তোলাবাজি করেছে সেই টাকার হিসাব নেওয়া হবে। সেই টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিএএ নিয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক সিএএ লাগু হওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও সাংবিধান মেনে কাজ করে না।

    হুমায়ুন কবীরের সমালোচনা করলেন মোদি

    দুদিন আগে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ রয়েছি। আর তোমরা ৩০ শতাংশ রয়েছ। মনে করলে দুঘণ্টার মধ্যে ভাগীরথীর জলে ফেলে দিতে পারি। নাম না করে হিন্দুদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূল বিধায়ক প্রকাশ্যে হিন্দুদের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই রাজ্যে হিন্দুদের কী অবস্থা। এটা একজন বিধায়কের মুখে ভাষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Durgapur: ভোটের মুখে বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন অতুল বাগদি নামে ওই বিজেপি নেতা। বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য দুর্গাপুরের (Durgapur) ট্রাঙ্ক রোড এলাকায়। অভিযোগের আঙুল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভিত্তিহীন অভিযোগ বলে দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।  

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অতুল বাগদি বিজেপির এক নম্বর মণ্ডলের সহ সভাপতি। রাত আড়াইটে নাগাদ দুর্গাপুরের (Durgapur) ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় ভোলা পাসোওয়ান নামে এক তৃণমূল কর্মী বিজেপি নেতার বাড়ির কাছে চারচাকা নিয়ে ঘোরাঘুরি করছি। বাড়ির সামনে গাড়িটি বারবার ঘোরাঘুরি করতে দেখে বিজেপি নেতা বাড়ি থেকে বেরিয়ে তা দেখতে যান। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গাড়ি থেকে গুলি করা হয়। তবে, গুলিটি কোনওভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর তৃণমূল কর্মী ভোলা ও তাঁর দলবল এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরই মধ্যে এই বিজেপি নেতা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পুরো ঘটনা জানিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে আর সন্ত্রাস মুক্ত ভোট করার দাবিতে শুক্রবার বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। দিন কয়েক আগে দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর এজোনের কনিষ্ক সাউথ রোডের কাছে অভিষেক রায় নামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। অভিষেক তৃণমূলের নমঃশুদ্র ও উদ্বাস্তু সেলের জেলা সভাপতি ছিলেন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পরের দিন রাতেই অভিষেক রায়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি ও তাঁর পরিবার। সেই ঘটনার এখনও কোনও কিনারা করতে পারেনি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঠিক এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ফের বিজেপির এক নম্বর মণ্ডলের সহ সভাপতি অতুল বাগদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা অতনু বাগদি বলেন, আমি বাড়িতে ঘুমিয়েছিলাম। বাড়ির কাছে গাড়ি ঘোরাঘুরি করার আওয়াজ শুনে আমি বেরিয়ে আসি। তখনই হামলা চালায়। ভোটের আগে আমার ওপর হামলা চালানোর জন্য তৃণমূল এসব করেছে। আসলে এসব করে ওরা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন, বিজেপির লোকজন গুলি চালিয়েছে। তৃণমূল যুক্ত নয়। ভিত্তিহীন অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি করায় ৬ বছর ধরে রাস্তা বন্ধ! অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে

    South 24 Parganas: বিজেপি করায় ৬ বছর ধরে রাস্তা বন্ধ! অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলকে ভোট না দেওয়াই কাল হয়েছে! বিজেপি করার অপরাধে যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়েছে গত ছয় বছর ধরে। বারে বারে জানিও মিলছেনা সুরাহা। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস করলেও পরে বিজেপি দলের সাথে যোগ দেন মাধব চন্দ্র পড়ুয়া, আর সেটাই ছিল তাঁর সব থেকে বড় দোষ। আর এই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের রাস্তা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন তাঁর। চরম বিপাকে এখন পরিবার। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে।

    বিজেপি কর্মীর বক্তব্য (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার কাকদ্বীপ বিধানসভার রবীন্দ্র গ্রাম পঞ্চায়েতের নতুন বাজার এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা বিজেপির সমর্থক মাধব চন্দ্র পড়ুয়া। “বর্ষাকালেই এক কোমর জল থেকে স্ত্রী পুত্রকে নিয়ে কখনও লোকের বাঁশ বাগান কখনো জল ঝাপিয়ে মাঠের মধ্য থেকে যাতায়াত করতে হচ্ছে, এমনকী এখনও পর্যন্ত বাড়িতে বিদ্যুতের আলোও পৌঁছায়নি। স্থানীয় পঞ্চায়েত, প্রশাসন, শাসক দলকে জানিও কোনও কাজ হচ্ছে না”, এমনই অভিযোগ মাধব চন্দ্র পড়ুয়ার। বিজেপি করার অপরাধে এই দুর্ভোগান্তি চলছে। তিনি আরও বলেন, “জায়গার মালিকের কাছ থেকেই রাস্তা সহ বাস্তু জায়গা কিনে বসতবাড়ি করে বসবাস শুরু করি প্রায় ১১ বছর আগে থেকে। এমনকী দলিলে উল্লেখিত নিজের কেনা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করছি।” আবার মাধব চন্দ্রের স্ত্রী পার্বতী পড়ুয়া বলেন, “শাসক দলকে ভোট না দেওয়ার অভিযোগ তুলে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় আমার স্বামীকে। আর তারপর থেকেই চরম হেনস্থা শিকার হচ্ছে পরিবারের সকলে। দেওয়া হচ্ছে না চলাচলের রাস্তা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ।”

    আরও পড়ুনঃ মাধ্যমিকের কৃতী পড়ুয়ারা কেউ শিক্ষক হতে চাইছেন না! কেন জানেন?

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জেলা (South 24 Parganas) তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি প্রদীপ ঘোষ বলেন, “এই ঘটনার সাথে শাসক দল কোনও ভাবেই যুক্ত নয় সম্পূর্ণটাই পারিবারিক বিষয়, তিনি কার থেকে জায়গা কিনেছেন কী করেছেন তাঁর নিজের ব্যাপার।” তবে প্রশ্ন উঠছে কোর্টের অর্ডার থাকা সত্ত্বেও কেন রাস্তা করতে দেওয়া হচ্ছে না মাধব চন্দ্র পড়ুয়াকে? বিজেপি করাই কি তার অপরাধ যে কারণে এতদিন ধরে রাস্তা হোক বা বিদ্যুৎ কোনও কিছুই পাচ্ছে না ওই স্থানীয় বাসিন্দা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রাক্তন মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Chowdhury) রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) প্রশংসা ও তাঁকে সমর্থন করেন। গুজরাটের আনন্দের জনসভা থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস ও পাকিস্তানের মধ্যে যে “গলায় গলায় ভাব” তা জনসমক্ষে চলে এসেছে। জনসভাকে সম্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “পাকিস্তানি নেতৃত্ব চাইছে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে কংগ্রেস ভারতে কমজোর হচ্ছে। পাকিস্তান (Pakistan) চাইছে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোক।”

    গুজরাটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী 

    এদের কংগ্রেসকে (INC) তুলধোনা করার সময় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ছিল হাসি। তিনি বলেন, “কাকতালীয় ব্যাপার কংগ্রেস (Congress) শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে। পাকিস্তানের মন্ত্রীরা কংগ্রেসের জন্য প্রার্থনা করছেন। তাঁরা ভাবছে যুবরাজ কবে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবে। আমরা সকলেই জানি কংগ্রেস কতটা পাকিস্তানপ্রেমী।”কংগ্রেসকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি নিজের (PM Modi সরকারের) কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আগে যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল তখন জঙ্গি হামলা হলে পাকিস্তানকে শুধু ডোজিয়ার দেওয়া হত। আর ভাষণ দেওয়ার সময় বলা হত কড়া নিন্দা করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হত না। এখন শুধু নিন্দা হয় না। আমাদের সময়ে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের ঘরে ঢুকে তাদের নিকেশ করি।”

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    ইমরান ক্যাবিনেটের মন্ত্রী ছিলেন ফাওয়াদ 

    প্রসঙ্গত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যে খবর সম্প্রচারিত হয় তাতে দেখা যায় পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথা বলতে গিয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাহুল গান্ধী সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে পাকিস্তানের মন্ত্রী বলেন, “তিনি রাহুল গান্ধী কেন, যে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি সঠিক ইস্যুতে কথা বলেন তাঁকে সমর্থন করবেন।” পাকিস্তানি মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান, “অমিত মালব্যর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন চৌধুরী ফাওয়াদ হোসেন যিনি ইমরান খানের(Imran Khan) ক্যাবিনেটে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি রাহুল গান্ধীকে প্রোমোট করছেন। তাহলে কী কংগ্রেস এবার পাকিস্তানে নির্বাচনের লড়ার চিন্তা ভাবনা করছে। কংগ্রেসের এবারের মেনিফেস্টোতে মুসলিম লিগের ছোঁয়া রয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসছে।”

    কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়ল 

    প্রসঙ্গত স্বাধীনতার সময় থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের (India vs Pakistan) যে শত্রুতা তৈরি হয়েছে তা আজও অব্যাহত। চারটি লড়াইয়ে পাকিস্তান হারার পরেও ভারত যতই উদার হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন পাকিস্তানের তরফ থেকে অশান্তি বন্ধ করার কোন ইঙ্গিত নেই। এমতাবস্থায় কংগ্রেস নেতাকে পাকিস্তানের নেতারা সমর্থন করলে জনসমক্ষে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ছবি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এবং বিজেপিকে কোনঠাসা করতে গিয়ে পাকিস্তানি নেতারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে উল্টে কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছেন এমনটাই মনে করছে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Basirhat: প্রচারে হামলার পর এবার রেখা পাত্রর নামে লেখা একাধিক দেওয়াল মুছে দিল তৃণমূল, শোরগোল

    Basirhat: প্রচারে হামলার পর এবার রেখা পাত্রর নামে লেখা একাধিক দেওয়াল মুছে দিল তৃণমূল, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসিরহাট (Basirhat) কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করে চলেছে তৃণমূল। এমনিতেই বসিরহাটের সব বিধানসভা এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী। এর আগে তাঁকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল শাসক দলের বিরুদ্ধে। তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে, তাঁকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এবার তাঁর নামে থাকা একাধিক দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট লোকসভার হাড়োয়া বিধানসভার ফলতি বেলিয়াঘাটা পঞ্চায়েতের বোকুন্ডু ঘোষপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Basirhat)

    বিজেপি প্রার্থী (Basirhat) রেখা পাত্রের সমর্থনে লেখা দেওয়াল রাতের অন্ধকারে সাদা চুন দিয়ে মুছে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে যায় শাসন থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, চারদিন আগে ফলতি বেলিয়াঘাটা বোকুন্ড ঘোষ পাড়া এলাকায় টাকি রোডের ধারে রেখা পাত্রের সমর্থনে সাত জায়গায় দেওয়াল লেখা হয়েছিল। শুক্রবার ভোররাতে মুখ বাঁধা অবস্থায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা সেই দেওয়ালগুলোতে সাদা চুন দিয়ে মুছে দিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, ওই এলাকায় তৃণমূল নেতা মেহেদি হাসানের নেতৃত্বে সন্ত্রাস চলে। বুথ বুথে ওরা ছাপ্পা মারে। এই এলাকায় এখন বিজেপি সংগঠন মজবুত হয়েছে। তাই, রাতের অন্ধকারে এভাবে সব দেওয়াল ওরা মুছে দিয়েছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে সমস্ত বিষয়টি জানিয়েছি। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, কোনও দেওয়াল লিখন মোছা হয়নি। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    আরও পড়ুন: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলায় অভিযুক্ত তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে বসিরহাটের (Basirhat) রাজেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়িডাঙ্গা এলাকায় বিজেপির দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। এই ঘটনায় কালিদাস বাসার নামে এক বিজেপি কর্মী জখম হন। এরপরই খড়িডাঙ্গা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী প্রচারে করতে গেলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: পুলিশের সামনেই  বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Bankura: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থী সুভাষের র‍্যালির ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া (Bankura) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের র‍্যালি থামিয়ে কর্মীদের আক্রমণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে সাঁতুড়ি থানার গড়শিকা এলাকায়। তৃণমূল কর্মীদের হামলায় বিজেপির এক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁকে মুরাডি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় বিজেপির তরফে তিনজন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bankura)

    এদিন সাঁতুড়ির (Bankura) গড়শিকা এলাকায় সুভাষ সরকার র‍্যালির মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন। র‍্যালি গড়শিকা গ্রামে ঢোকার সময় হঠাৎ তিনজন তৃণমূল কর্মী ঝান্ডা নিয়ে র‍্যালি আটকে দেয়। তাই নিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের বচসা হয়। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের তিন কর্মীকে পাশে সরিয়ে র‍্যালি এগিয়ে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেই সময় পিছনে থাকা এক বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলের কর্মীরা চেলা কাঠ দিয়ে আক্রমণ করে। ঘটনায় ওই বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হন। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। সাঁতুরি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতির সামাল দেয়। বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল হামলা চালিয়েছে। পুলিশের সামনেই তারা এই কাণ্ড করেছে।  

    আরও পড়ুন: প্রচারে হামলার পর এবার রেখা পাত্রর নামে লেখা একাধিক দেওয়াল মুছে দিল তৃণমূল, শোরগোল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার বলেন, ‘সাঁতুড়ি থানায় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়। আজকের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে থানায় বিক্ষোভ দেখাবেন বিজেপি কর্মীরা।’ বিজেপি  জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, ‘পুলিশের উপস্থিতিতে এই ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বপূর্ণ একজন কেন্দ্রীয় বিদায়ী মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী না থাকলে তো তাঁর ওপর হামলা হতেই পারত। পুলিশ এই অনুমোদিত কর্মসূচিকে গুরুত্ব দেয়নি। তৃণমূলের পক্ষ থেকেই এই কাজ করছে। তীব্র প্রতিবাদ সংগঠিত ভাবেই হবে।’ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়ার দাবি, বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। তাই তারা মিথ্যা নাটক করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share