Tag: bjp

bjp

  • Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    Shamik challenges Mamata: ‘পুরনো ভোটার লিস্টে ভোট করুন, তাও জিততে পারবেন না’, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করালেও বাংলায় চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Shamik challenges Mamata)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদল স্পষ্ট। এসআইআর মামলায় সুপ্রিম নির্দেশের পর সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইবুনাল যাঁদের ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা প্রথম দফার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রয়োগ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ভোটের ২ দিন আগে ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হলেও দেওয়া যাবে ভোট।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ শমীকের

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik challenges Mamata)। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভোট করাতে চাইছেন সেভাবেই করুন। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করুন। তাও চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। তৃণমূল চলে গিয়েছে। তৃণমূল শেষ।” এদিন কমিশনের বিরুদ্ধেও খানিক ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে শমীককে। বলেন, “আমরা এই প্রক্রিয়ায় সন্তুষ্ট নই। আমাদের ফর্ম ৭ এর শুনানি হয়নি। নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা পুরো শোনেননি। আমাদের অভিযোগ, আমাদের অভিমান কমিশনের বিরুদ্ধে। কিন্তু একটা সাংবিধানিক সংস্থা। আমরা তাঁদের আধিকারিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি আমরা সন্তুষ্ট নই।”

    কী বলল দেশের শীর্ষ আদালত

    অবশেষে বাংলার এসআইআর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে পরিষ্কার বলা হয়েছে, যে লক্ষ লক্ষ ভোটার, যাঁরা ট্রাইবুনালে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, এবং তাঁদের মধ্যে যাঁদের প্রথম দফার ভোট (২৩ এপ্রিল) রয়েছে, এবং ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মধ্যে যাঁদের সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং যাঁরা যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করবেন, তাঁদের প্রত্যেকের নাম ভোটার লিস্টে উঠবে। তার জন্য সাপ্লিমেন্টারি ভোটার লিস্ট প্রকাশ করতে হবে এবং ২৩ এপ্রিল তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। একইভাবে, দ্বিতীয় দফার ভোট হচ্ছে ২৯ এপ্রিল। ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত, যাঁদের যাঁদের ভোটার লিস্টে নাম ওঠার জন্য সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, যাঁরা ট্রাইবুনালে পাশ করতে পারবেন, তাঁরা দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন। এই ২৭ এপ্রিল অবধি যাঁদের নাম উঠবে, তাঁদের জন্য আলাদা সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বের করা হবে।

  • West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    West Bengal Elections 2026: পুলিশের বদলি মামলায় সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়ল মমতা সরকারের! কমিশনের সিদ্ধান্তই বহাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকদের বদলি সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে কোনও প্রকার হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। সুপ্রিম কোর্ট (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে কোনও আইনি জটিলতা তৈরি করার প্রয়োজন নেই। ফলে রাজ্য সরকারের ফের আরেকবার মুখ পুড়ল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত বহাল (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন আবহে (West Bengal Elections 2026) রাজ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে বদলি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যে আবেদন করা হয়েছিল, তাতে আদালত কোনও সাড়া দেয়নি। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টও কমিশনের এই প্রশাসনিক এক্তিয়ারের পক্ষেই মত দিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সেই নির্দেশকেই কার্যকর রাখল।

    বঙ্গে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরই গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবং এই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা করেছিল মমতা সরকারের তরফে। পাশাপাশি বিডিও, আইসি এবং ওসি বদলি নিয়ে দায়ের হয় আর একটি মামলা। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দুটি খারিজ করে দেন। তাঁদের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের বদলি করার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত, অযৌক্তিক বা দুরভিসন্ধিপূর্ণ বলে মনে করা যায় না। কারণ গোটা দেশে এমন অফিসার বদলির ঘটনা ঘটেছে একাধিক জায়গায়।”

    আইনি যুক্তি

    শীর্ষ আদালতের মতে, নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কমিশন যে কোনও আধিকারিককে বদলি বা নতুন করে নিয়োগের ক্ষমতা রাখে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিশেষ কোনও মৌলিক অধিকার খর্ব হয়নি বলেই মনে করছে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচন কমিশনের প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আধিপত্য আরও একবার আইনি শিলমোহর পেল। রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী আবহে কমিশনের নেওয়া বদলি সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা এই রায়ের ফলে পুরোপুরি দূর হয়েছে। এখন থেকে কমিশন (Supreme Court) তার নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক রদবদল চালিয়ে যেতে পারবে। তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট কথা নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে সব রকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

  • Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    Bharatiya Janata Party: বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, ‘যুবশক্তি কার্ড’-এর মাধ্যমে বেকারদের মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বড়সড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bharatiya Janata Party)। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্ষমতায় এলে তারা ‘যুবশক্তি কার্ড’ চালু করবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন বেকারদের (WB Assembly Polls 2026) প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

    যুবশক্তি কার্ড (Bharatiya Janata Party)

    বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে এবং কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত না হওয়া পর্যন্ত যুবকদের পাশে দাঁড়াতে এই কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে ভারতীয় যুব মোর্চার তরফে। এই প্রকল্পের অধীনে যোগ্য আবেদনকারীরা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। এর মূল উদ্দেশ্য হল, যুবক-যুবতীদের (WB Assembly Polls 2026) দৈনন্দিন খরচ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে আর্থিক স্বচ্ছলতা প্রদান করা। শিল্প হবে, বিনিয়োগ হবে। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান হবে। প্রতি বছর এসএসসি, টেট-সহ নিয়োগের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সরকারি চাকরির বয়স সীমায় ৫ বছরের ছাড়। স্টার্ট আপ করতে চাইলে আর্থিক সাহায্য করবে বিজেপি। ৫ লক্ষ যুবক-যুবতিদের ১০ লক্ষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে সহ আরও একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

    বিজেপির রাজনৈতিক অবস্থান

    দলের নেতৃত্ব দাবি করছেন যে, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ঘোচাতে এবং বর্তমান সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতেই এই জনমুখী প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুব সমাজকে স্বাবলম্বী করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কয়েক লক্ষ বেকার যুবক-যুবতী সরাসরি উপকৃত হবেন বলে বিজেপি (Bharatiya Janata Party) শিবিরের আশা।

    এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে?

    টেনিস তারকা ও বিজেপি নেতা লিয়েন্ডার পেজ বলেন, “গত ১৫ বছরে রাজ্যের অর্থনীতি, শিক্ষা, চাকরির অবস্থা খুব খারাপ। পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে যুবসমাজ। কেউ কাজের জন্য যাচ্ছেন। কেউ আবার উচ্চশিক্ষার জন্য মুম্বই, দিল্লি, বেঙ্গালুরু চলে যাচ্ছে। এখানে কত স্টার্টআপ হয়েছে? নারীরা আদৌ কত সুরক্ষিত?” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এবং কর্মসংস্থানকে প্রধান নির্বাচনী ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতেই বিজেপি (WB Assembly Polls 2026) এই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনের বৈতরণী পার হতে এই প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

  • West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোট ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী, ৪০,৯২৮ রাজ্য পুলিশকর্মী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।  ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় রাজ্যেরে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। জানা গেছে, প্রথম দফার ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৪০,৯২৮ জন রাজ্য পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২৪০৭ কোম্পানি  কেন্দ্রীয় বাহিনীও প্রথম দফায় মোতায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের প্রস্তুতি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এই দফায় নিরাপত্তার (West Bengal Elections 2026) ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। প্রথম দফায় (West Bengal Elections 2026) উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলাতেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কোচবিহারে ২,৩৭০ জন এবং মালদায় ২,৮১৮ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হচ্ছে। পাহাড়ের জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে থাকছেন যথাক্রমে ১,১৭০ এবং ৬২৭ জন কর্মী। জেলাভিত্তিক পুলিশ মোতায়েনের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। এই জেলায় মোট ৫,৭৬৬ জন পুলিশকর্মী নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে। পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩,৩২৭ জন এবং আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ৩,১২৭ জন পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে।

    চার গুণ বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটে সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। ওই জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা এবং অপরটি হল, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। আর এই দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলাতেই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন হবে জঙ্গিপুরে। এছাড়াও দার্জিলিংয়ে থাকবে ৬১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। আবার শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে থাকবে ৪৪ কোম্পানি।

    বাড়তি নজর কোচবিহারে

    উত্তরবঙ্গের কোচবিহার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদায় ১৭২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।

    অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূম জেলায় ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত বাহিনী রিজার্ভে

    জেলাভিত্তিক মোতায়েনের পাশাপাশি ২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত সংখ্যক রাজ্য পুলিশও মোতায়েন থাকবে। প্রতি বুথে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (Election Commission India) উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল নিরাপত্তা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) মনে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

  • Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    Samrat Choudhary: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট, সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল করার অঙ্গীকার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন সম্রাট চৌধুরি (Samrat Choudhary)। বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ পাটনার রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান সে রাজ্যের রাজ্যপাল সৈয়দ আটা হাসনাইন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিহারের শাসকজোটের দুই বৃহত্তম শরিক বিজেপি এবং জেডিইউ-র নেতারা। প্রসঙ্গত, এই প্রথম বিহারে বিজেপির কেউ মুখ্যমন্ত্রী হলেন। অতীত হয়ে গেল নীতীশ কুমার জমানা। বাংলার প্রতিবেশী রাজ্যের ২৪তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট। সকাল ১১টায় এক সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সম্রাট চৌধুরী। অন্যদিকে, নতুন সরকারে জেডিইউ কোটা থেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন বিজেন্দ্র যাদব ও বিজয় চৌধুরী।

    নতুন সরকারকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস

    হিন্দি বলয়ের রাজ্য উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তিশগড়, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানায়াতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ছিলই। এবার সেই তালিকায় জুড়ল বিহারের নাম। সম্রাট চৌধুরীই যে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, মঙ্গলবার সেকথা জানান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অন্যতম নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ চৌহান। মঙ্গলবারই সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়েন নীতীশ কুমার। যিনি বর্তমান সংসদে রাজ্যসভার সদস্য। বিহারের দীর্ঘতম সময়ের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন, “এখন থেকে নতুন সরকার বিহারের কাজ দেখভাল করবে। নতুন সরকার আমার পূর্ণ সমর্থন এবং পরামর্শ পাবে।”

    সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন সফল হবে

    মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েই নীতীশ কুমার প্রসঙ্গে সম্রাট চৌধুরী বলেন, “শ্রদ্ধেয় নীতীশ কুমার জি শিখিয়েছেন কী ভাবে সরকার চালাতে হয়। কী ভাবে বিহারে সুশাসন বজায় রাখতে হবে তাও শিখিয়ে গিয়েছেন নীতীশ কুমার।” একইসঙ্গে সম্রাট চৌধুরীর দাবি, “আমি বিহারবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই, বিহারের সমৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য আমরা একজোট হয়ে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি যে বিকশিত ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, নীতীশ কুমার যে সম্পৃক্ত বিহারের স্বপ্ন দেখিয়েছেন সেই স্বপ সফল করার পথে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

    সম্রাট চৌধুরীর রাজনৈতিক পথ

    গত দু’বছর ধরে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সম্রাট চৌধুরী। মাত্র ৯ বছর আগে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন তিনি। দ্রুত দলের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৬৮ সালে জন্ম নেওয়া চৌধুরীর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা শকুনি চৌধুরী তারাপুর কেন্দ্র থেকে ছয়বারের বিধায়ক ছিলেন এবং মা পার্বতী দেবী ১৯৯৮ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। ১৯৯০ সালে রাজনৈতিক কেরিয়ারের শুরু হয় সম্রাটের। তিনি লালু প্রসাদের আরজেডি, নীতীশের জেডিইউ শিবির ঘুরে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। এর পরেই রকেট গতিতে উত্থান হয় সম্রাটের। ২০২৪ সালে বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হওয়া। খবর ছিল, এবার তাঁকেই বিহারের মসনদে বসাতে চলেছে বিজেপি। বাস্তবেও তেমনটাই ঘটল। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত পাটলিপুত্রে কোনও বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেননি। গেরুয়া শিবিরের সেই অধরা স্বপ্ন পূরণ করলেন সম্রাট। বিহারের রাজনীতিতে একটি বড় অংশ জুড়ে আছে জাতপাত। সম্রাট চৌধুরী কুশওয়াহা (কৈরি) সম্প্রদায়ের মানুষ। নীতীশ কুমারের কুর্মি ও সম্রাট চৌধুরীর কুশওয়ায়া ভোটব্যাঙ্ক একজোট হলে বিহারে রাজনীতি এক অন্য গল্প লিখবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    West Bengal Elections 2026: কলকাতায় তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নেওয়ায় তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) উত্তাপের মধ্যে এক নজিরবিহীন ঘটনায়, কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) হয়ে নির্বাচনী প্রচার মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। কমিশনের (Election Commission India) কাছে অভিযোগ দায়ের হতেই বড় পদক্ষেপ। বিজেপির তরফে অভিযোগ, অভিযুক্তরা তৃণমূলের নির্বাচনী মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এই ঘটনা নির্বাচনী বিধিনিয়মের বিরুদ্ধ। তাই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল (West Bengal Elections 2026)?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্মিতা বক্সীর সমর্থনে আয়োজিত একটি রোড-শো বা মিছিলে ওই তিন বিদেশি নাগরিককে দেখা যায়। তাঁরা জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে এবং দলের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে মিছিলে পা মেলান। এরপর কমিশন (Election Commission India) কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

    আইনি ব্যবস্থা

    ভারতের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) আইন ও ভিসা নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক ভারতের মাটিতে সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার বা নির্বাচনী কার্যকলাপে অংশ নিতে পারেন না। এই ঘটনার পর পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই তিন নাইজেরীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

    বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না

    মিছিলে বিদেশি নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, তাঁরা স্বেচ্ছায় মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন এবং দলগতভাবে তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তবে বিরোধীরা (West Bengal Elections 2026) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি। নির্বাচন কমিশনও (Election Commission India) বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বৈধ ভিসা নিয়ে ভারতে থাকছিলেন কি না এবং তাঁদের এই রাজনৈতিক মিছিলে আসার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    BJP: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। এতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি পরিবারের মহিলা প্রধানকে মাসিক ২,০০০ টাকা করে (Tamil Nadu Polls) ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারকে এককালীন ১০,০০০ টাকা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বিজেপি এনডিএর অংশ হিসেবে এআইএডিএমকের সঙ্গে ২৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি (BJP)

    পদ্মশিবিরের প্রতিশ্রুতি, পোঙ্গল, তামিল পুথান্ডু এবং দীপাবলি এই তিন উৎসবে প্রত্যেক পরিবারকে বছরে তিনটি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে নিখরচায়। হিন্দুত্ব নীতির সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বিজেপি ঘোষণা করেছে, ভগবান মুরুগানের সম্মানে থাইপুসামকে রাজ্য উৎসব হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়চূড়ায় কার্তিগাই দীপম জ্বালানোর ঐতিহ্য ফের চালু করা হবে, রক্ষা করা হবে এই অনুষ্ঠানের মর্যাদাকে। প্রসঙ্গত, বিচারপতি স্বামীনাথনের নির্দেশের পর এবার হতে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠান। তিনি এখানে তিরুপরাঙ্কুন্ড্রম পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত দীপ স্তম্ভে আনুষ্ঠানিক প্রদীপ জ্বালানোর নির্দেশ দেন। এই বিষয়টি নিয়ে শাসক ডিএমকে এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ তৈরি হয়। কারণ ডিএমকে অনুমতি দেয়নি, অথচ বিজেপি ভক্তদের প্রদীপ জ্বালানোর অধিকার দাবি করে। বিষয়টি আদালত অবমাননার মামলা পর্যন্ত গড়ায় এবং গত বছর সংসদেও প্রতিধ্বনিত হয়।

    রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

    ইশতেহারে বিজেপি তামিলনাড়ুর রেল ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে (Tamil Nadu Polls) ন্যায্য দামে জমি অধিগ্রহণ, হাই-স্পিড রেল করিডর (চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, চেন্নাই–হায়দরাবাদ), কোয়েম্বাটুর–তিরুপ্পুর–সেলেম আরআরটিএস, ভিল্লুপুরম–চেন্নাই সেমি-আর্বান রেল, হাইড্রো পাওয়ার ট্রেন প্রকল্প এবং চেন্নাইকে দিল্লি, মুম্বই ও কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করতে নয়া স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা (BJP)। মহিলাদের জন্য, দলটি অপরাধ মোকাবিলায় জিরো-এফআইআর ব্যবস্থা সহজ করা, ভিকটিম-সাক্ষী সুরক্ষা, বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত, বাস, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ শতাংশ সিসিটিভি নজরদারি এবং নির্ভয়া তহবিলের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মহিলা পরিচালিত সমবায়, স্বনির্ভর গোষ্ঠী (SHG) ও এমএসএমই-কে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ দেওয়া এবং ২০ শতাংশ সরকারি ক্রয় কোটা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ

    ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটকে আক্রমণ করে বিজেপির সভাপতি নৈনার নাগেন্দ্রন বলেন, “বিজেপির পক্ষ থেকে সবাইকে তামিল নববর্ষের শুভেচ্ছা। তামিলনাড়ুতে বর্তমানে এক স্বৈরাচারী, জনবিরোধী ও পরিবারতান্ত্রিক শাসন চলছে। আসন্ন নির্বাচনে ডিএমকেকে পরাজিত করতে এনডিএ জোট সরকার গঠন করবে। ডিএমকে তাদের কোনও প্রতিশ্রুতিই ঠিকঠাক পূরণ করেনি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা বেড়ে যাওয়া তার উদাহরণ।” বিজেপির এই ইশতেহারের সঙ্গে মিল রয়েছে এআইএডিএমকের ইশতেহারেরও। ওই ইশতেহারেও মহিলা (BJP) পরিবার প্রধানদের মাসে ২০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। রেশন কার্ডধারীরা চালের সঙ্গে ডাল এবং ফ্রিজ পাবেন (Tamil Nadu Polls)। পুরুষদের জন্যও বিনামূল্যে বাস পরিষেবা চালু করা হবে এবং নিখরচায় বছরে তিনটি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন যোগী আদিত্যনাথ; শুরু হলো ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপির অন্যতম প্রধান তারকা প্রচারক যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের কড়া সমালোচনা করে তিনি এই নির্বাচনকে ‘উন্নয়ন বনাম তোষণ’-এর লড়াই হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    তোষণ রাজনীতির অভিযোগ (West Bengal Elections 2026)

    উত্তরবঙ্গে (West Bengal Elections 2026)  এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) অভিযোগ করেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ভোটব্যাংকের রাজনীতির স্বার্থে নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়কে তোষণ করছে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসনের পরিবর্তে অরাজকতা চলছে। তোষণ নীতির কারণে সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, “উত্তরপ্রদেশে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ‘বুলডোজার’ নীতি প্রয়োগ করে শান্তি ফেরানো হয়েছে, সেখানে বাংলায় অপরাধীরা শাসকদলের মদত পাচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম দুর্নীতি

    যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়ণে রাজ্য সরকারের অনীহার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষের জন্য আয়ুষ্মান ভারত বা পিএম আবাস যোজনার মতো যে সব উন্নয়নমূলক প্রকল্প পাঠাচ্ছে, রাজ্য সরকার সেগুলির নাম বদলে দিচ্ছে অথবা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা দুর্নীতিমুক্ত এবং উন্নয়নমুখী শাসন চায়।”

    সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় সুরক্ষা

    বক্তৃতায় যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হিন্দু ভাবাবেগ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলায় দুর্গাপূজা বা সরস্বতী পূজার মতো উৎসব পালনেও বাধা সৃষ্টি করা হয়, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অনুপ্রবেশের সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৃণমূলের তোষণ নীতির কারণেই সীমান্ত এলাকায় জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন ঘটছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের দাবি, বহিরাগত নেতারা এসে বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। তারা উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং দাবি করেছেন যে বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ওপরেই আস্থা রাখবেন।

    নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর এই নির্বাচন বিজেপি এবং তৃণমূল—উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত মর্যাদার লড়াই। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন সংখ্যা কিছুটা কমলেও, ২০২৬-এর বিধানসভায় (West Bengal Elections 2026) ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আর সেই লড়াইয়ে যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) মতো হিন্দুত্বের পোস্টার বয়কে সামনে রেখে বিজেপি মেরুকরণ এবং উন্নয়নের ডাবল ইঞ্জিন মডেলের ওপর জোর দিচ্ছে।

  • Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    Assembly Elections 2026: ফের শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে বাংলা! পুরুলিয়ার সভা থেকে তরুণদের উদ্দেশে বার্তা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তরুণদের উপার্জনের জন্য ভিন্‌রাজ্যে যেতে হবে না। বাংলা আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র হবে। পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই কথা ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মমতার সরকারকে বিঁধে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ৭০০০ কারখানা বন্ধ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব কারখানা বাইরে চলে গিয়েছে। আমাদের আদিবাসী, কুড়মি ভাইয়েরা উপার্জন করতে পারেন না। এখান থেকে বেঙ্গালুরু, আহমেদাবাদ, দিল্লি, মুম্বই যেতে হয়। বিজেপির সরকার গঠন করুন। আমরা পশ্চিমবঙ্গকে আবার আগের মতো শিল্পোদ্যোগের কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্পূর্ণ চেষ্টা করব। তত দিন পর্যন্ত সকল বেকারকে মাসে তিন হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়া হবে।” শাহ বলেন, “এ বার পুরুলিয়ার ৯টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই বিজেপি-কে জেতাতে হবে। ক্লিন সুইপ করে দিন।”

    এসআইআর নিয়ে হুঁশিয়ারি!

    এদিনের সভা থেকে শাহ বলেন, “নির্বাচন কমিশন এসআইআর করছে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। আর মমতা দিদির সমস্যা শুরু হয়ে গিয়েছে। এটা তো সবে শুরু হয়েছে। এখন ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সরকার গড়ুন, আমরা ওদের পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাড়াব। বিএসএফ-এর জমি দরকার কাঁটাতার বসানোর জন্য। ১৫ বছর ধরে তিনি জমি দিচ্ছেন না। বিজেপি স্থির করেছে, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য জমি দেওয়া হবে। অনুপ্রবেশের পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।” এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে বিঁধে শাহ বলেন, “আমাদের জঙ্গলের জমি অনুপ্রবেশকারীদের থেকে মুক্ত করতে হবে কি হবে না? ভাইপো এটা করতে পারবে? মমতা দিদি করতে পারবে? ওরাই তো এনে রেখেছে। ওদের তো ভোটব্যাঙ্ক। কিন্তু মমতা দিদি, আপনার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। ৫ তারিখ বিজেপির সরকার আসবে। পুরো রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে তাড়াব।”

    প্রত্যেক ঘরে নলবাহিত জল!

    শনিবার দুপুরে বাঁকুড়ায় জোড়া জনসভা করেছেন অমিত শাহ। প্রথমে ওন্দায় এবং তার পরে ছাতনায় সভা করেন তিনি। বাঁকুড়ার জোড়া জনসভা শেষ করে অমিত শাহ পৌঁছেন পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে। সেখানে জনসভা থেকে শাহ বলেন, “কংসাবতী, সুবর্ণরেখার মতো পবিত্র নদী থাকার পরেও পুরো এলাকায় সাঁওতালি এবং কুড়মি সমাজকে জলের কষ্টে ভুগতে হয়। আমরা ২৫০ কোটি টাকা খরচ করে পুরুলিয়া এবং আশপাশের এলাকায় প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে দেব। ড়মি এবং সাঁওতালদের মধ্যে সংঘর্ষ করিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৫ তারিখ বিজেপির সরকার গঠন করুন। মহান কুড়মি ভাষাকে আমরা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করব। বিজেপির যে সরকার তৈরি হবে, তা কাটমানি এবং সিন্ডিকেট থেকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুক্ত করবে।”

LinkedIn
Share