Tag: bjp

bjp

  • Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Khejuri: সমুদ্র সৈকতে মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ, প্রতিবাদে পথ অবরোধ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে সমুদ্র সৈকতে এক মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি (Khejuri) বিধানসভা এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্তের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিজেপি। রাস্তায় নেমে আন্দোলনও হয়েছে। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khejuri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সমুদ্র সৈকতে (Khejuri) এলাকার কিছু মহিলা প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন ওই মূক-বধির মহিলা। অভিযোগ, তখনই জোর করে ওই মহিলাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে সমুদ্র পাড়ে ধর্ষণ করে এলাকারই এক যুবক। তিনি স্থানীয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। ঘটনা দেখে দ্রুত গ্রামে ফিরে গিয়ে বিষয়টি জানান দলে থাকা অন্যান্য মহিলারা। নির্যাতিতা মহিলা অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায় প্রতিবেশীরা। বিজেপির লোকজনের সঙ্গেই অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার লোকজন। পথ অবরোধও হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে খেজুরি থানা ও তালপাটি থানা বিশাল পুলিশ বাহিনী। তোলা হয় অবরোধ। গ্রেফতার করা হয় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন খেজুরির (Khejuri) বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক। তিনি আবার ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসব কাজ করছে। পুলিশের ছত্রছায়া ওরা বেড়ে উঠেছে। ওদের মধ্যে একজন মূক-বধির মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন খেজুরি ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সমুদ্ভব দাশ। তিনি  বলেন, “অভিযুক্ত তৃণমূলের কেউ নয়, কোনও দিন তৃণমূল করত না। আমরা পুলিশকে বলেছি দোষীর যেন কঠিন থেকে কঠিনতম শাস্তি হয়। আর বিজেপি এটা নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    Sheikh Shahjahan: “থানায় চা-টোস্ট আনতেন শাহজাহান”, দাবি করলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী হয়ে মঙ্গলবার তারাপীঠে পুজো দিয়ে বীরভূমে প্রচার শুরু করলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর। চষে বেড়ালেন এলাকা। এবার সন্দেশখালির “বেতাজ বাদশা” শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। ওসি-র ফাইফরমাশ খাটা সেই শাহজাহানের তৃণমূলের জমানায় এই উত্থান দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান।

    থানায় চা-টোস্ট নিয়ে আসতেন শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)

    বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন,তৃণমূল আমলে সমাজের বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত মানুষদের এড়িয়ে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মতো ‘বাহুবলীদের’ নেতা বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দুই আমলে পুলিশের চাকরি করায় তফাত কী, সে প্রশ্নে তাঁর ব্যাখ্যা, বাম আমলে সরকারের মাথারা ছিলেন অত্যন্ত শিক্ষিত। আইন-সহ বিভিন্ন বিদ্যায় দক্ষতা ছিল। রাজ্যের মানুষ দু’টি জমানা দেখেছেন। বাম আমলে এত চুরি দেখেননি! কিন্তু, তৃণমূলের সময়ে অনেক ভাললোক থাকা সত্ত্বেও উত্থান হয়েছে শাহজাহানদের। প্রাক্তন আইপিএস আরও বলেন “আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি শাহজাহানকে। বসিরহাটের এসডিপিও ছিলাম ২০১০-‘১১ সালে। এই সরকার আসার আগেই। শাহজাহান তখন সন্দেশখালি থানার বাইরে বসে থাকতেন। আমি গেলে বড়বাবু বলতেন, এই দ্বীপে কিছু পাওয়া যায় না। আমি চা খেতে ভালবাসি। বড়বাবু শাহজাহানকে বলতেন, ‘সাহেব এসেছে, ভাল চা পাতা আর বিস্কুট নিয়ে আয়। শাহজাহান নদী পেরিয়ে চা ও টোস্ট বিস্কুট নিয়ে আসতেন।

    আরও পড়ুন: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু, কী বললেন?

     ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন শাহজাহান!

    দেবাশিসের কথায়, “বাম আমলে যার এমন দশা ছিল, যে লোক ইটভাটায় কয়লা সরবরাহ করতেন, সেই তৃণমূল আমলে নেতা হয়ে গেলেন, হল জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ! আগে সে ওসির ফাইফরমাশ খাটতেন। পরবর্তীকালে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ফাইফরমাশ খাটতেন বড়বাবু। ১২ বছর ধরে অন্ধকারের রাজত্ব চালিয়ে গেল।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    দেবাশিসকে আক্রমণ শানিয়েছে বাম শিবির। তোপ দেগেছে শাসকদলও। সিপিএমের বীরভূম জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, “তৃণমূলের বিরোধিতা যে কারণে করি, সেটা হল দুর্নীতি, গণতন্ত্রের ওপরে আক্রমণ, মানুষকে কথা বলতে দেয় না বলে। কিন্তু, উনি যে দলে গিয়েছেন, সেই দল সুশাসন করে বলে তাঁর মনে হলে, তিনি বিভ্রান্তির চূড়ান্ত জায়গায় আছেন। তৃণমূলের জেলা সহসভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “যে দলে তিনি যোগ দিয়েছেন, সেই দলের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা ভুলে গেলেন। তিনিও তো চা বিক্রি করতেন। এমন কোনও নিয়ম নেই, কম শিক্ষিত হলে তিনি রাজনীতি করতে পারবেন না বা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ক্যানিংয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল মোড় থেকে যোগ দেন পদযাত্রায়। প্রায় দু কিলোমিটার পায়ে হেঁটে পৌঁছন সভাস্থলে। পদযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে থাকা এলাকার মানুষকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এবারে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন সেই আশ্বাস দেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভায় গত পঞ্চায়েত ভোটে কোনও বিরোধী দলই মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি শাসকের সন্ত্রাসে। মিছিল ক্যানিং বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিধায়ক কার্যালয়ের সামনে আসতে সেদিকে আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ সন্দেশখালির মত সোজা করব।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন সভামঞ্চ থেকেও একের পর এক তৃণমূলকে আক্রমণ করতে থাকেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিশেষ করে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা, ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশ রাম দাস, কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল সহ বাসন্তীর তৃণমূল নেতা রাজা গাজীকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এদিন তিনি নির্বাচনী প্রচারে আসেন নি, বরং কয়েকদিন আগে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুব্রত দাস সহ বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদেই এদিন সভা করতে এসেছেন বলে দাবি করেন শুভেন্দু। তবে এদিন তিনি ছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এই কেন্দ্রের লোকসভার প্রার্থী অশোক কান্ডারি সহ জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা। শুভেন্দু এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “ সন্দেশখালির ঘটনা থেকেও যদি তৃণমূলের এইসব নেতারা শিক্ষা না নেয়, তাহলে আমি মনে করি এঁরা মানুষ নয়, এঁদের কোনও হুশ নেই।” তিনি আরও বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের পর যেভাবে রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূল, সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে মোট ১৯ জনের নামে রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন। সেই উনিশের মধ্যে ইতিমধ্যেই তিনজন বীরভূমের কেষ্ট, উত্তর ২৪ পরগনার বালু আর শেখ শাহজাহান ধরা পড়েছে। বাকি ১৬ জনকেও ধরা হবে। তারমধ্যে এই জেলার ২ জন রয়েছে শওকত মোল্লা ও জাহাঙ্গির খান। বালু-শাহজাহানের মতো শওকত-জাহাঙ্গিরও গ্রেফতার হবে।

    জয়নগরে চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবে শুভেন্দু

    এদিনের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলাদা করে পরেশকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন শুভেন্দু। কয়েক মাস আগে ক্যানিং বাসস্ট্যান্ডের একটি জনসভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) ক্যানিংয়ে এলে বেঁধে রাখার কথা বলেছিলেন পরেশ। সেই কথার পাল্টা এদিন শুভেন্দু বলেন, “ আমি যাওয়ার সময় বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে চা খেয়ে যাবো। ক্ষমতা থাকলে পরেশ ব্যাটা কোন দেশের দড়ি আছে আনাও, আমাকে বেঁধে রাখো। আরে তোমার মালিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেত যদি এই বান্দা না থাকতো। নন্দীগ্রাম না হত। আর তুমি তো কোন ছাড়।” সভা শেষে শুভেন্দু ক্যানিং বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে চাও খান। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন সেখানে। শিশুদের আদর করেন। ভোটের আগে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রে তিনি চারটি পদযাত্রা ও জনসভা করবেন বলে এদিনের মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেছেন। আর ভোটের দিন এই এলাকায় পড়ে থেকে কীভাবে ভোট করতে সেটা দেখিয়ে দেবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: “মানুষ কি ত্রিপল খাবে?”, ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে তৃণমূলকে তোপ অনন্ত মহারাজের

    Jalpaiguri: “মানুষ কি ত্রিপল খাবে?”, ঝড় বিধ্বস্ত এলাকায় গিয়ে তৃণমূলকে তোপ অনন্ত মহারাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারের ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজ। মঙ্গলবার তিনি জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ির বার্ণিশ এলাকায় যান। রবিবারের ঝড়ে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বার্ণিশ ও পুটিমারি এলাকা। প্রায় ১৫০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। এদিন দূর্গতদের সঙ্গে দেখা করেন অনন্ত মহারাজ। তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন তিনি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপি সাংসদ (Jalpaiguri)

    বিজেপি সাংসদকে কাছে পেয়ে দূর্গতরা তাদের অভাব অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। সঙ্গে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিন তাঁরা জানান শুধু ত্রিপল এবং সামান্য কিছু শুকনো খাবার ছাড়া আর কিছু দেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে। শুকনো খাবারের মধ্যে চিড়া দেওয়া হয়, কিন্তু সেই চিড়া মুখে তোলার যোগ্য নয়। ফলে, কিছুটা না খেয়েই তাদের দিন কাটাতে হচ্ছে। ঝড়ে বাড়ি ঘর উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ায় তাঁরা আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। ঘরের আসবাবপত্র সব নষ্ট হয়ে গেছে। ঘরে থাকা টাকা পয়সা সব ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। একদিকে আর্থিক সমস্যা, অন্যদিকে মাথা গোঁজার ঠাঁই নিয়ে সমস্যা। সব মিলিয়ে চুড়ান্ত নাজেহাল অবস্থা তাঁদের। এই সমস্ত বিষয়গুলি তুলে ধরেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    মানুষ কি ত্রিপল খাবে? ক্ষোভ জানালেন বিজেপি সাংসদ

    ক্ষতিগ্রস্তদের কথা মন দিয়ে শোনেন অনন্ত মহারাজ। তিনি তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তৃণমূল সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত খারাপ। গোটা বিষয়টি আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানাবো। শুধু ত্রিপল দিয়েই দায় সারছে রাজ্য প্রশাসন বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর মতে মানুষ কি ত্রিপল খাবেন? এই অবস্থায় প্রথম কাজ দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা। কিন্তু, প্রশাসনের তরফে সেইভাবে ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এদিন তিনি প্রথমে বার্ণিশ কালীবাড়ি এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গোটা এলাকা পরিদর্শন করেন বিজেপি সাংসদ। পরে, পুটিমারি হাই স্কুলে ত্রাণ শিবিরে গিয়ে সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি পুটিমারির বিধ্বস্ত এলাকাও ঘুরে দেখেন। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচন বিধি মেনে যেভাবে সাহায্য করা সম্ভব, সেই ভাবেই তিনি দূর্গতদের সাহায্য করবেন বলে জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “নিজেদের আখের গুছোতে ভোটে লড়ছে কংগ্রেস-ইন্ডি”, রাজস্থানে তোপ মোদির

    PM Modi: “নিজেদের আখের গুছোতে ভোটে লড়ছে কংগ্রেস-ইন্ডি”, রাজস্থানে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই নির্বাচন আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে।” মঙ্গলবার রাজস্থানের কোটপুটিলে বিজেপি আয়োজিত এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই কংগ্রেসের পাশাপাশি বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কেও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘ওরা লড়ছে আখের গুছোবার জন্য’ (PM Modi)

    তিনি বলেন, “মোদি বলে দেশ থেকে দুর্নীতি হটাবে। আর কংগ্রেস এবং ‘ইন্ডি’ জোট এই নির্বাচনে দেশের জন্য লড়াই করছে না। তারা লড়াই করছে নিজেদের আখের গুছোবার জন্য। তাদের বক্তব্য, দুর্নীতি বাঁচাও। আর মোদি বলছে, দুর্নীতি হটাও।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই প্রথম এমন একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যেখানে কংগ্রেস তাদের জয়ের জন্য মানুষকে ভোট দিতে বলছে না, বরং বলছে বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে দেশে আগুন জ্বলবে।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    প্রসঙ্গত, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগান দিয়ে রবিবারই দিল্লির রামলীলা ময়দানে সভা করেছিলেন ‘ইন্ডি’ জোটের নেতারা। সভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। সেখানে রাহুল বলেছিলেন, “এই ম্যাচ-ফিক্সড নির্বাচনে যদি বিজেপি জেতে, এবং সংবিধান বদলে দেয়, মনে রাখবেন, তাহলে দেশে আগুন জ্বলবে।” রাহুলের সেই বক্তব্যের দিকেই যে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এদিনের বাক্য-বাণের অভিমুখ, তা বুঝতে রাজনীতিবিদ হতে হয় না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি গোটা দেশকেই একটি পরিবার বলে মনে করে। আর কংগ্রেস দেশের চেয়ে বড় বলে মনে করে তার পরিবারকে। বিজেপি দেশের অহংকারের পতাকাকে উড্ডীন করেছে। আর কংগ্রেস বিদেশে গিয়ে দেশের সম্পর্কে কু-মন্তব্য করেছে।” তিনি বলেন, “মোদি স্ফূর্তি করার জন্য জন্মগ্রহণ করেনি। জন্মেছে কঠোর পরিশ্রম করতে। দেশে অনেক কিছুই হয়েছে। তবে গত দশ বছরে যা হয়েছে, তা ট্রেলর মাত্র।”

    আরও পড়ুুন: চিংড়ি ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছে শাহজাহান!

    দেশে দারিদ্রের জন্য কংগ্রেসকেই দুষেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “স্বাধীনতার পরে গত ৬০ বছর ধরে দেশে দারিদ্র ছিল। এজন্য দায়ী কংগ্রেস। এর একমাত্র কারণ, কংগ্রেস জমানায় প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য ভারতকে নির্ভর করতে হত অন্য দেশের ওপর। কংগ্রেস কখনওই আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে ‘আত্মনির্ভর’ হওয়ার অনুমোদন দেয়নি। কংগ্রেস আমলে ভারতের পরিচয় ছিল সব চেয়ে বড় অস্ত্র আমদানিকারী দেশ হিসেবে। আর বিজেপি জমানায় ভারতকে বিশ্ব চেনে অস্ত্র রফতানিকারী দেশ হিসেবে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর (Debasis Dhar)। তাঁর লড়াই তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধে। শীতলকুচির (Sitalkuchi) ঘটনা বদলে দিয়েছে এই পুলিশ অফিসারের জীবন। জানা গিয়েছে, তাঁর অজান্তেই গুলি চলে ছিল। এরপর ঘটনায় অভিযুক্ত করে তাঁকে সাসপেন্ড এবং জেরা করা হয়। তারপরেই তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে এই বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “বীরভূমে কোনও কাজ করেননি তিন বারের সাংসদ শতাব্দী রায়। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী আগে ভাগে পদক্ষেপ নিলে বীরভূম নিয়ে এত অভিযোগ উঠত না।”

    কী বললেন দেবাশীষ ধর?

    লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এদিন দুর্নীতি নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন দেবাশিস ধর। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্য চুরিতে এমন রেকর্ড করে বসে আছে যে আগামী ১০০ বছরে এই রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে না। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শীতলকুচির ঘটনার জন্য অনেক মানসিক পরিবর্তন হয়েছে। ওই ঘটনার পর যা হয়েছে তা যদি না ঘটত তাহলে ডিআইজি হতাম, প্রার্থী হতাম না। ২০১১ সাল থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন পুলিশমন্ত্রী। তিনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন তাহলে রাজ্যে এত রাজনৈতিক হিংসা হত না। এত দুর্নীতিও হত না। রাজ্যে মানিক ভট্টাচার্য্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল অথবা বালুর মত ব্যক্তিদের ছড়াছড়ি হত না। তৃণমূলের তিনবারের সাংসদ কোনও কাজ করেননি। মানুষের কাছে গিয়ে তিনি ধাক্কা খাচ্ছেন। অন্য রাজ্যে গেলে বাঙালি হিসেবে লজ্জা হয়। এ রাজ্যে শিল্প বলতে মদ আর জমি বিক্রি ছাড়া আর কিছুই নেই।”

    তারা মায়ের কাছে মানব সেবার কামনা

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার তারাপীঠে (Tarapith) পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। মায়ের কাছে কী কামনা করলেন জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, “প্রার্থনা করেছি এমন কিছু চমৎকার কর যেন জন্ম জন্মান্তর তোমার সেবা করতে পারি। মানুষের হয়ে কাজ করতে এসেছি। প্রশাসনিক পদে থাকা এবং মানুষের জন্য কাজ করা অনেকটাই আলাদা। আমরা ভোটে জয়ী হবো এতে কোনও সন্দেহ নেই। ব্যক্তিগত কোনও লড়াই নেই। সবটাই রাজনৈতিক লড়াই আমাদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেজে লড়াই হবে। আমাদের সরকার এলে রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল এখানে জিতলে, গুন্ডারা এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে। তাই তৃণমূলকে জেতানো যাবে না। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে। ভোট প্রচারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কর্মীদের উদ্দেশে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে তৃণমূলকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    মঙ্গলবার জেলার কুশমন্ডির মহিষবাথান এলাকায় ভোট প্রচার সারেন বালুরঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মহিষবাথানে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। আগামী পাঁচ বছর পাবেন। এই গ্যারান্টি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, বিরোধীরা মিথ্যে কথা বলছে। প্রচার করছে, দিদি দিচ্ছে। দিদির তো পকেটই নেই। কোথা থেকে দেবেন! পকেট থাকলেও টাকা নেই। তৃণমূলের ময়া মাছ, দাড়কা মাছ সাইজের নেতারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেবে বলে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু, কারও বন্ধ হবে না। যদি কারও বন্ধ হয়ে যায় তা চালু করার দায়িত্ব আমার। ছাব্বিশে রাজ্যে বিজেপি সরকার হলে তিন হাজার টাকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু করা হবে। কিন্তু তার আগেও সরকার চলে আসতে পারে। তাই তৃণমূলকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

    আরও পড়ুন: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে

    বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমার বলেন, সিএএ নিয়েও তৃণমূল মিথ্যে বলছে। কথা দিয়েছিলাম, বালুরঘাট-শিয়ালদা ট্রেন চালু করব, করেছি। এত সুন্দর ঝাঁ চকচকে ট্রেন গোটা উত্তরবঙ্গে নেই। এবার দিল্লির ট্রেন চলবে। সন্দেশখালিতে তৃণমূল মা-বোনদের সম্মান নিয়ে খেলেছে। এটা আমাদের এখানে হতে দেওয়া যাবে না।’ এদিনের সভা থেকে তিনি আরও বলেন, বাড়ির বউ- মেয়েদের তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ও নেতাদের ধারে পাশে যেতে দেবেন না, তাহলে তাঁদের ইজ্জত লুটে নেবে তৃণমূলের নেতারা। তৃণমূল দল হলো ইজ্জত লুটের দল। এই দল কে কোনও ভাবেই জেতানো যাবে না। তৃণমূল জিতলে এলাকাকে সন্দেশখালি করে দেবে।

    ৩০টি আসনে জিতবে বিজেপি!

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘গতবার বিজেপি ১৮টি আসন জেতায় মুখ্যমন্ত্রীর মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সেজন্য মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, বিজয় মিছিল করা যাবে না। এবারে আমরা ৩০টি আসন জিতে গেলে আরও বিজয় মিছিল করা যাবে না। সেজন্য আমরা আগামী ৩ তারিখ মনোনয়নপত্র জমা দেব। বিজয় মিছিলও করব। কিন্তু, বিজয় মিছিল করতে গেলে জয় ছিনিয়ে আনতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে নরেন্দ্র মোদির কাজ মানুষকে বোঝাতে হবে।’ আর তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রকে জেতানো যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক বিপর্যয় এখন রাজনীতির ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) কয়েক মিনিটের ঝড় (Tornado) প্রভাব ফেলেছে রাজনীতির আঙিনায়। এবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এই কেন্দ্রে বঙ্গ সফরে বেশি সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রথম দফাতেই জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে নির্বাচন (Election) হবে। কিন্তু নির্বাচনের আগে টর্নেডোর তাণ্ডব এখন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোটের প্রচার (Election Campaign) থমকে গিয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। থমকে গিয়েছে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন। তবে ভোটপ্রচার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব নয় রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষে। গণতন্ত্রের উৎসব বলে কথা।

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারে মোদি

    প্রসঙ্গত রবিবার ঝড়ের খবর পেয়েই জলপাইগুড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), তড়িঘড়ি টুইট করে প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল কোচবিহার (Coochbehar), আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে নির্বাচন হবে। ভোট প্রচারে ঝড় তুলতে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর রবিবার জলপাইগুড়িতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই বালুরঘাটেও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

    রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা মোদির

    উত্তরবঙ্গ পাখির চোখ বিজেপির। নিজেদের গড় ধরে রাখার লড়াই চালাচ্ছে বিজেপি। কোচবিহারের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, বালুরঘাটের প্রার্থী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জলপাইগুড়ির বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। তিন হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও ভাষণ সহযোগে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, শুধু উত্তরবঙ্গ নয় লোকসভা ভোটে গোটা পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে একাধিক সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসত, কৃষ্ণনগর ও আরামবাগে সভা করে প্রচারে ঝড় তুলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির তারকা প্রচারকদের শতাধিক সভা ও মেগা র‍্যালি হবে রাজ্যজুড়ে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    উত্তরবঙ্গ বিজপির পাখির চোখ

    বিজেপি সূত্রের খবর, কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে মোদির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। এরপর রবিবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেন্দ্র বালুরঘাটে দুপুর ২:৩০ নাগাদ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি বিকেল চারটে নাগাদ যাবেন জয়ন্ত রায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র জলপাইগুড়িতে। সেখানে সভা করবেন তিনি। যেহেতু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছিল এবং সার্বিকভাবে বিগত বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কয়েকটি আসন নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় বিজেপি, তাই উত্তরবঙ্গকে এবারও পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। সে কারণেই প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না বিজেপি। তাই আগেভাগেই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসনে প্রচারে ঝড় তুলে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে পদ্মফুল শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    Cooch Behar: বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারের আশ্বাস দিলেন নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের কেন্দ্রে তৃণমূল, সিপিএম ছেড়ে লাইন দিয়ে গেরুয়া বাহিনীতে যোগদান পর্ব চলছে। এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ করছেন কোচবিহারের (Cooch Behar) বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল বিধানসভায় ক্ষমতায় এসে বামেদের বহু কার্যালয় জোর করে দখল করে রেখেছে। এবার দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিশীথ প্রামাণিক বামেদের বার্তা দেন।

    বামেদের দখল হওয়া পার্টি অফিস খুলে দেওয়ার বার্তা নিশীথের (Cooch Behar)

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গ রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন হল কোচবিহার (Cooch Behar)। এখান থেকে বিজেপি ফের একবার ভরসা রেখেছে বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, কোচবিহারে ভোটের লড়াই মূলত দ্বিমুখী। তৃণমূল বনাম বিজেপি। তবে কংগ্রেস ও ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থীও রয়েছে এখানে। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে প্রার্থী করা হয়েছে নীতীশচন্দ্র রায়কে। এককালে কোচবিহার ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত ঘাঁটি হলেও, এখন সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই কমেছে ফরওয়ার্ড ব্লকের। এমন অবস্থায় বামেদের ভোট বিজেপির দিকে টানার চেষ্টায় কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। ভোটের আগে এবার বামপন্থীদের উদ্দেশে বার্তা দেন কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের। ভোটপর্ব মিটে গেলে, বামপন্থীদের দখল হয়ে যাওয়া পার্টি অফিস উদ্ধারে সাহায্য করার আশ্বাস দিলেন তিনি। নিশীথ প্রামাণিক বলেন, ‘যেখানে যেখানে বামপন্থী ভাইদের পার্টি অফিস তৃণমূল দখল করেছে, তারা উদ্ধার করতে না পারলে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপি সেই পার্টি অফিস উদ্ধার করে বামপন্থী ভাইদের হাতে তুলে দেবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বামপন্থীরা যাতে ভোট নষ্ট না করেন, বার্তাও দিয়ে রাখলেন নিশীথ।

    আরও পড়ুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও নিশীথের বামেদের প্রতি এই আশ্বাসকে খোঁচা দিতে ছাড়ছেন না কোচবিহারের (Cooch Behar) দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। তাঁর পাল্টা আক্রমণ, ‘আজকের প্রতিশ্রুতিটা অনেকটা সুপারি কিলারদের মতো। সুপারি কিলাররা যেমন টাকা নিয়ে খুন করে, তেমন তিনিও বলেছেন ভোট দিন, আমরা পার্টি অফিস উদ্ধার করে দেবেন।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটারদের তেজপাতা হিসেবে ব্যবহার করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই মন্তব্য করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শীতলকুচির সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা তৃণমূলকে তোপ দাগলেন। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের কাছে আবেদন রাখলেন। এমনিতেই শীতলকুচিতে বিজেপির ভালো ভোট ব্যাঙ্ক রয়েছে। তবে, তৃণমূল এবার লোকসভায় ভোট টানার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

    তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য রাজনীতির নিরিখে অন্যতম চর্চিত অঞ্চল হল শীতলকুচি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে গুলি চলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক দূর গড়িয়েছিল রাজনীতির জল। শাসক-বিরোধী চাপানউতোর চলেছে দীর্ঘদিন। সেই শীতলকুচির মাটিতেই নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার সারলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, তত তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতির বাতাবরণ। তৃণমূল, বিজেপি সব দলই একে অন্যকে নিশানা করছে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়ছে না। এসবের মধ্যেই এবার শীতলকুচির সভা থেকে কড়া ভাষায় তৃণমূল শিবিরকে বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সভা মঞ্চ থেকে শীতলকুচির আমজনতার উদ্দেশে বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের তেজপাতা বলে মনে করেন।” সাধারণত, তেজপাতা হল প্রতিটি বাঙালির হেঁশেলের নিত্যদিনের ব্যবহারের একটি জিনিস। কিন্তু, সেটা শুধুই ব্যবহার হয় রান্নার স্বাদ বাড়ানোর জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। রান্নার পর খাওয়ার সময় সেই তেজপাতা পাতে পড়লে সরিয়ে রাখা হয়। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে শীতলকুচির নির্বাচনী প্রচার সভায় শুভেন্দুর দাবি, শাসক শিবির সেখানকার আমজনতাকে ‘তেজপাতা’ বলে মনে করেন। এরপরই শুভেন্দু ব্যাখ্যা দিলেন, “তেজপাতা তরকারিতে লাগে, কিন্তু খাওয়া যায় না।” ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন, দয়া করে এদের হাতে ব্যবহার হবেন না।’

    আরও পড়ুন: পক্ষপাতের অভিযোগে রাজ্যের ২ সিনিয়র নির্বাচনী অফিসারকে সরাল কমিশন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share